Tag: West Bengal

West Bengal

  • Cyclone Mocha: মোকার গতি ২০০ পার! রবিবার দুপুরেই আছড়ে পড়বে বাংলাদেশে, পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব কী?

    Cyclone Mocha: মোকার গতি ২০০ পার! রবিবার দুপুরেই আছড়ে পড়বে বাংলাদেশে, পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোকার (Cyclone Mocha) গতি ঘণ্টায় ২০০ পার। ভয়ে কাঁপছে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের বিস্তীর্ণ অংশ। মোকা (Cyclone Mocha) মোকাবিলায়, যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি চলছে দেশ দুটিতে। আতঙ্ক উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে সবথেকে বেশি। তাছাড়াও জানা যাচ্ছে, সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল থেকে ২০০ কিলোমিটার ভিতর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়। শনিবার অবধি জানা যাচ্ছিল যে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ থাকতে পারে ১৭৫ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত। কিন্তু ক্রমেই তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে এবং মৌসম ভবন জানিয়েছে, আজ দুপুরে মায়ানমার উপকূলে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার ঝড় তুলে স্থলভাগে আছড়ে পড়বে মোকা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে মোকার (Cyclone Mocha) গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যাপক আঘাত হানবে মোকা। ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও এর প্রভাব পড়বে, বিশেষত ত্রিপুরা এবং মিজোরামে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা জানিয়েছে মৌসম ভবন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের কক্সবাজার সহ উপকূলীয় জেলাগুলিতে এই মুহূর্তে বইছে ঝড়ো হাওয়া। সঙ্গে চলছে বৃষ্টিপাত।

    মোকার (Cyclone Mocha) প্রভাব বাংলায় পড়বে না

    আবহবিদরা জানাচ্ছেন, এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সরাসরি বাংলার উপর পড়বে না। শনিবার রাতে কলকাতা সমেত বেশ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে তাপমাত্রাজনিত অস্বস্তি কিছুটা কমেছে। কিন্তু রবিবার সেভাবে কোনও ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই দক্ষিণবঙ্গে, এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস। সোমবার থেকে ফের গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। কিছু কিছু জেলায় রয়েছে তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসও। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কতগুলি জেলায় তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া? 

    উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে রবিবার। অন্তত হাওয়া অফিস এমনটাই বলছে। সোমবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ। মালদা, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরেও রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

    মোকা এত শক্তিশালী হয়ে উঠল কীভাবে?

    মৌসম ভবনের এক আধিকারিকের মতে, ‘‘ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের জলতলের তাপমাত্রা ২৬.৫° বা তার বেশি হতে হয়। জলতলের ৪ মিটার নীচ অব্দি এই তাপমাত্রা থাকতে হবে। মোকা যে পথে এগিয়েছে সেই মধ্য বা পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের কোথাও কোথাও সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছিল, যার ফলে ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রের জল থেকেই তার প্রয়োজনীয় ইন্ধন খুঁজে নিয়েছে অর্থাৎ যত গরম জল হবে ঘূর্ণিঝড় তত তীব্র হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গ্রেফতার হয়েছিলেন গত বছরের অগাস্ট মাসে। চলতি বছরের এপ্রিলে গ্রেফতার হন কন্যা সুকন্যা। সূত্রের খবর, ২৬ এপ্রিল কন্যার গ্রেফতারির খবর শুনেই ভেঙে পড়েন অনুব্রত। জানা গেছে, ইডি অফিসারদের কেষ্ট বলেন, শেষ অবধি মেয়েকেও গ্রেফতার করলেন? তখনই মেয়ের সঙ্গে দেখা করার আর্জি জানান কেষ্ট। শনিবার বাবা-মেয়ের দেখা হল, তবে তিহাড় জেলে।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    বাবা মেয়ের দেখা তিহাড়ে

    জানা গেছে, এদিন দেখা হওয়ার সময় বাবা-মেয়ে দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কথা বলার সময়সীমাও বেঁধে দেয় জেল কর্তৃপক্ষ। মোট ১৫ মিনিট কথা হয় দুজনের। প্রসঙ্গত, জেলে ৬ নম্বর মহিলা সেলে রয়েছেন সুকন্যা, আর কেষ্ট রয়েছেন তার পরের ৭ নম্বর সেলে। একই জেলে থাকলেও গ্রেফতারির পর থেকে এতদিন পর্যন্ত বাবা বা-মেয়ের দেখা বা কথা কিছুই হয়নি। বৃহস্পতিবারই আদালতে যখন কেষ্ট মন্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখনই জানা যায়, শনিবার তাঁর সঙ্গে দেখা হবে সুকন্যার। বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার দেখা করব। ও তো আমার মেয়ে। একশোবার দেখা করব।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    সুকন্যার জামিনের আবেদন

    অন্যদিকে গরুপাচার মামলায় জামিনের আবেদন করলেন কেষ্ট কন্যা। জানা গিয়েছে, তাঁর আইনজীবী অমিত কুমার এদিন দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে সুকন্যার জামিনের আবেদন করেন। ৩১ বছরের কেষ্টকন্যার জামিনের আবেদনে তাঁর আইনজীবী শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। জামিনের আবেদনের শুনানি রয়েছে ১২ মে। শোনা যাচ্ছে, সুকন্যার জামিনের বিরেধিতা করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কারণ তদন্তকারী অফিসারদের যুক্তি হল, অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গরু পাচার সংক্রান্ত যাবতীয় লেনদেন নিজেই দেখাশোনা করতেন সুকন্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: তিন ধাক্কার পরেও করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যে, বাড়ছে ভোগান্তি! 

    Covid 19: তিন ধাক্কার পরেও করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যে, বাড়ছে ভোগান্তি! 

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার (Covid 19) নতুন প্রজাতি শক্তি বাড়িয়েছে। আর তাতেই ফের প্রশ্নের মুখে সরকারি পরিকাঠামো! দিন দুয়েক আগে উত্তর চব্বিশ পরগনার কামারহাটির এক সত্তরোর্ধ্ব নাগরিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। নানান শারীরিক জটিলতা থাকায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের জানানো হয়, ওখানে চিকিৎসা হবে না। তাঁদের বেলেঘাটা আইডি-তে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। তারপরে রোগীকে বেলেঘাটা আইডি-তে নিয়ে গেলে জানানো হয়, আসন নেই। অপেক্ষা করতে হবে। করোনা আক্রান্তকে গাড়িতে বসিয়েই দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষা করে রোগীর পরিবার। দিনভর ভোগান্তির পরে করোনা রোগীকে ভর্তি নেওয়া হয়।

    কী জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল?

    এই ঘটনায় চিকিৎসক মহল জানাচ্ছে, মহামারির একের পর এক ঢেউ পেরিয়েও পরিকাঠামো গড়তে পারল না রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় সপ্তাহে করোনা (Covid 19) অ্যাক্টিভ রোগী কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। দু’সপ্তাহ আগে অ্যাক্টিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩ জন। কিন্তু গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৩০৬ জন। করোনার জন্য নির্দিষ্ট বিভাগ সপ্তাহ দুয়েক আগে ফাঁকা থাকলেও, এই কদিন প্রায় শ’খানেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    সমস্যা কোথায়? 

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত শয্যা নেই হাসপাতালে। অন্য রোগের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে থাকা রোগীর করোনা হলে, কোথায় তার চিকিৎসা হবে, সে নিয়েও নানান জটিলতা হয়। কীভাবে তা সমাধান করা যাবে, সে উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। করোনা (Covid 19) সংক্রমণ বাড়লেই প্রশাসনের শীর্ষ মহল জানায়, বেড বাড়ানো হল। কিন্তু সরকারি হাসপাতালের যে পরিকাঠামো, তাতে অন্যান্য পরিষেবা স্বাভাবিক রেখে কীভাবে বেড বাড়ানো হবে, সেই পরিকল্পনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অস্বচ্ছ থাকে। তার ফলে একদিকে যেমন হাসপাতালের নিয়মিত স্বাভাবিক পরিষেবায় সমস্যা হয়, আরেক দিকে করোনা রোগীদের ভর্তি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। 

    রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা কী?

    করোনা রোগীর ভর্তি নিয়ে একাধিক ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন রোগীর (Covid 19) পরিজনেরা। মহামারির তিনটি ঢেউ পেরিয়েও ভোগান্তির অভিযোগ অব্যাহত। করোনা আক্রান্তকে কোন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে, সে সম্পর্কে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটে তথ্য থাকে। কিন্তু রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওয়েবসাইটে যে হাসপাতালে যত সংখ্যক কোভিড আসন ফাঁকা দেখায়, হাসপাতালে গিয়ে কিন্তু জানা যায়, বেড নেই। তাই অন্য হাসপাতালে যেতে হবে। করোনা আক্রান্ত রোগীকে নিয়েই এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটতে হয়। করোনা সংক্রমণ বাড়তেই সেই প্রবণতা শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কতখানি প্রস্তুত? 

    এ রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবার জন্য একটা বড় অংশ বেসরকারি হাসপাতালের উপরই নির্ভর করে। শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানাচ্ছে, তারা করোনা (Covid 19) মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরি হাসপাতালের সিইও রূপক বড়ুয়া জানান, বহু রোগীই অন্য রোগের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে আসছেন। তারপরে করোনা পরীক্ষা করে জানা যাচ্ছে, তিনি সংক্রমিত। ফলে, উপসর্গহীন রোগী যে বাড়ছে, সেই আন্দাজ করা যাচ্ছে। সেই মতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মনিপাল হাসপাতালের অধিকর্তা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “কয়েক সপ্তাহ আগেও একজনও করোনা রোগী ছিলেন না। এখন কিন্তু কয়েকজন ভর্তি আছেন। সেই মতো আমরা প্রস্তুতি রাখছি, রোগী পরিষেবা যাতে ঠিকমতো দেওয়া যায়।”

    স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা কী বলছেন? 

    স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা অবশ্য আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, সরকারি ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট (Covid 19) করা হবে। যাতে মানুষ কোন হাসপাতালে গেলে পরিষেবা পাবে, সে বিষয়ে জানতে পারেন। কোনও বিভ্রান্তি যাতে না ছড়ায়, সে দিকেও নজর দেওয়া হবে। তারপরেও কোথাও পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ উঠলে, তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে সরকারি হাসপাতাল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: আজ থেকেই রাজ্যে দুর্যোগ! দক্ষিণবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, চলবে কতদিন?

    Weather Report: আজ থেকেই রাজ্যে দুর্যোগ! দক্ষিণবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, চলবে কতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তাপপ্রবাহের জেরে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়েছিল রাজ্যবাসীর। পরে বৃষ্টির সৌজন্যে কিছুটা কমে পারদ। এবার রবি ও সোমবার রাজ্যজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস (Weather Report)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে বইবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। থাকছে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা, রয়েছে বজ্রপাতের আশঙ্কা। আগামী পাঁচদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রাজ্যে। হাওয়া অফিসের এমনটাই পূর্বাভাস।

    কী জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর?

    হাওয়া অফিসের রিপোর্টে (Weather Report) জানা গিয়েছে, শনিবার বিকাল থেকেই দুর্যোগ শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে। রবিবার এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের প্রাবল্য আরও বৃদ্ধি পাবে। আরও জোরে ঝাপটা মারবে ঝোড়ো হাওয়া। এই কারণে রবিবার এবং সোমবারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

    রবিবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা। বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলাতে সম্ভাবনা বেশি। সোমবারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হবে বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলাতে। মঙ্গল ও বুধবারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে, তবে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমবে। বৃহস্পতিবার রাজ্যে বাজ পড়ে মারা গিয়েছেন ১৬ জন। পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়ায় এই মৃত্যু হয়েছে। তাই আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির সময় সাধারণ মানুষকে ঘরের ভিতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদরা।

    ঝঞ্ঝার পূর্বাভাস উত্তরেও

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ঝড়বৃষ্টির কারণে রবিবার কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (Weather Report)। সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হলেও মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমবে। পার্বত্য এলাকার ৫ জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। শনিবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলাতে। ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবারেও ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ। সোমবারেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলাতে।

    সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা

    আলিপুর হাওয়া অফিসের (Weather Report) আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রাজ্য জুড়ে সক্রিয় রয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। নিম্নচাপ অক্ষরেখার জন্য ঠান্ডা হাওয়া এবং বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ হাওয়ার ফলে রাজ্যে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হবে এবং এতেই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হবে। বাতাসের উপরিভাগে এখন পশ্চিমী গরম হাওয়া বইছে। ওদিকে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। সাগরের সেই শীতল ভারী হাওয়ার সঙ্গে পশ্চিমের গরম হাওয়ার সংস্পর্শে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে। আর সেই কারণেই দু’দিন ধরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতে ভিজবে সারা রাজ্য। কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টিরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

    সতর্কতা জারি প্রশাসনের

    উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের সম্ভাবনা থাকায় শস্যের ক্ষতি হতে পারে, উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ এলাকায় দৃশ্যমানতা অনেকটা কমে যেতে পারে। একইসঙ্গে কাঁচা বাড়িঘরেরও ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের (Weather Report)। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বৃষ্টির সময়ে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রবিদ্যুতের সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Forecast: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    Weather Forecast: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তাপপ্রবাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়েছিল। দিন কয়েক আগেও সকাল ৮টা-৯টা থেকেই চাঁদিফাটা রোদে বাড়ি থেকে বেরনো দায় হয়ে উঠছিল। শনিবার থেকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টি নামায় তাও কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু ফের আশঙ্কার কথা শোনাল হাওয়া অফিস। শোনা যাচ্ছে, মে মাসে আবারও ভয়ঙ্কর গরম পড়তে চলেছে। ভেঙে যেতে পারে অতীতের সব রেকর্ড। তাপমাত্রাও ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে পূর্ব থেকে মধ্য ভারতের একাধিক রাজ্যে। হাওয়া অফিসের ব্যাখ্যা (Weather Forecast), পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে রাজস্থান, পাঞ্জাবের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়বে না। পারদ চড়লেও তা নেমে যাবে কিন্তু গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তেই থাকবে। বাংলা, বিহার, ঝাড়খন্ডে চলবে ব্যাপক তাপপ্রবাহ। অর্থাৎ গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকেও।

     কবে থেকে আবার তাপপ্রবাহ?

    এখন তাপমাত্রা কিছুটা কম হয়েছে। আপাতত মনোরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস। নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে চলতি সপ্তাহে ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Forecast)। উত্তরবঙ্গে আবার বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। অন্তত ৩ মে পর্যন্ত এই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। ১১-১২ মে পর্যন্ত বাংলায় তাপপ্রবাহের কোনও আশঙ্কা দেখছে না মৌসম ভবন। হাওয়া ঘুরতে পারে তার পর থেকেই। হয় বৈশাখের একেবারে শেষ লগ্নে, অথবা জ্যৈষ্ঠে। মে-র তৃতীয় ও চতুর্থ, দুই সপ্তাহেই দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় স্বাভাবিকের উপরে থাকারই ইঙ্গিত। মৌসম ভবনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মে-র প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গরমের বিশেষ বালাই থাকবে না। এক-দু’দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেও নেমে যেতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য় ও পূর্বাঞ্চলে আগামী এক মাস তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলও এবার স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম আবহাওয়া পাবে বলেই জানানো হয়েছে। ফের একবার তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য়-পশ্চিম ভারতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকই (Weather Forecast) থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    তাপপ্রবাহের প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও

    পরিবেশ ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপমাত্রার ওঠানামার সঙ্গে দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে। তাপপ্রবাহ এড়াতে সর্বক্ষণ ফ্য়ান, এসি চালানোর জন্য হঠাৎ করেই বাড়তে থাকে বিদ্যুতের চাহিদা। এরফলে ব্য়াপক চাপ পড়ে পাওয়ার গ্রিডগুলির উপরে এবং ব্ল্য়াকআউটের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। বহু মানুষকেই এই তীব্র গরমেও বাড়ি থেকে বের হতে হয় বলে, হিটস্ট্রোকে তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনাও তৈরি হয়। শুধুমাত্র তাপমাত্রাই নয়, বাতাসে আর্দ্রতাও তাপপ্রবাহকে প্রাণঘাতী করে তোলে। আবার রাস্তাঘাটে লোকজন কমে যাওয়ায়, খুচরো ব্যবসায়ীদের বিক্রিতেও ভাটা পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj Rape Case: কালিয়াগঞ্জে জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন, ফের প্রকাশ্য বিরোধিতায় রাজ্য কমিশন

    Kaliaganj Rape Case: কালিয়াগঞ্জে জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন, ফের প্রকাশ্য বিরোধিতায় রাজ্য কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণের (Kaliaganj Rape Case) ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্যে। ওই এলাকার একাংশে ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। দুদিন ধরে দফায় দফায় বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ইস্যুতে রাজ্যে পা রাখেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রবিবার তিনি যান নির্যাতিতার (Kaliaganj Rape Case) বাড়ি। এই আবহে  সকাল থেকে একের পর এক ট্যুইট করে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনকে কটাক্ষ করা হয়েছে রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে। বিরোধী মহলের একাংশের বলছে, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে সহযোগিতার বদলে বিরোধিতা কেন করছে রাজ্য? কোনও কিছু ধামাচাপা দিতেই কী?

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের ওই ট্য়ুইটে কী লেখা হয়েছে

    ট্যুইটে লেখা হয়েছে, “১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করে কালিয়াগঞ্জে গিয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের দল। জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের এই ভূমিকা লজ্জাজনক। যেভাবে NCPCR-এর চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো রাজ্যের শিশু ও মহিলাদের সম্পর্কে মন্তব্য করছেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। তথ্য যাচাই না করেই তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন তিনি। তাঁর এই ধরনের মন্তব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের শিশুদের অধিকার রক্ষার কথা, তাঁরাই শিশুর মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছে। আইন ভেঙে রাজ্যের কমিশনকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।”

     

    কী বললেন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো

    কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ইস্যুতে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াংক কানুনগো। এদিন তিনি বলেন, “একজন অযোগ্য মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য অযোগ্য সরকারের আচরণ নিয়ে কাজ করা কোনও অযোগ্য সংস্থার বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না।” রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আজ সকালে গিয়ে মৃতার বাড়ির লোক, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি ও রেকর্ড করেছি। দুদিন আগেই এই কেসের যিনি ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন ও যে ডাক্তার পোস্টমর্টেম করেছে, পাশাপাশি এই কেসের সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন তাদের দেখা করার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা কেউ দেখা করেননি। অপেক্ষা করছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে তারপরেই আপনাদের বাকি সব জানাতে পারব।” পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “পুলিশ এখনও মৃতার পরিবারের লোকের বয়ান নেয়নি। সেটা পরিবারের লোকেরাই আমাকে জানিয়েছেন। পরিবারের লোকজনের বয়ান না নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো প্রশাসনের পক্ষে ঠিক না।”
     

    কী বলছে প্রশাসন

    ইতিমধ্যে কালিয়াগঞ্জ পৌঁছেছেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সানা আখতার জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে চার প্রতিনিধি যেতে চাইলে প্রশাসনের কোনও আপত্তি নেই। শনিবারের পর থেকেই এলাকা সুনসান। রবিবার সকাল থেকে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: শনিবার রাতের পর রবিবার ভোরেও ভিজল দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলা! মিলল স্বস্তি

    Weather Report: শনিবার রাতের পর রবিবার ভোরেও ভিজল দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলা! মিলল স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাত এবং ভোরে ভিজল কলকাতা। তবে হল না স্বস্তির বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার রাতেই বৃষ্টি নামে কলকাতা এবং আশপাশের বেশ কিছু জেলায়। যদিও বৃষ্টি হয়েছে নামমাত্র। পাশাপাশি বয়েছে ঝোড়ো হাওয়াও । আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে (Weather Report) আশায় বুক বেঁধেছিলেন শহরের মানুষ। ভ্যাপসা গরম থেকে খানিক রেহাই দিল এই নামমাত্র বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া। রবিবার সকালেও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। কিছু জেলায় সকাল থেকেই মুখ ভার করে ছিল আকাশ। প্রসঙ্গত, হালেই তারা জানিয়েছিল, টানা পাঁচ দিন তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। চৈত্র-শেষেই কলকাতায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। সব নিয়ে দুর্ভোগ ছিল চরমে। রবিবারের বৃষ্টি ঝলসে যাওয়া শহরের বুকে শান্তির আমেজ ফিরিয়েছে। 

    আজকে কেমন থাকবে আবহাওয়া

    এদিন রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। রবিবার থেকে গোটা রাজ্য জুড়েই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি থাকছে। দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আর তাপপ্রবাহ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আপাতত যা পূর্বাভাস, তাতে আজ দিনভর মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামিকালও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। 

    তাপমাত্রার হেরফেরে সতর্ক থাকতে হবে

    তীব্র গরম থেকে হঠাৎই একধাক্কায় তাপমাত্রা পড়ে যাওয়াতে জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। শিশুরা তো বটেই, জ্বর-কাশি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বয়স্করাও। আবহাওয়ার (Weather Report) এই রকমফের দেখে রোগ-জ্বর বালাই সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিত্‍সকরা। কাশি হলে কমতে সময় লেগে যাচ্ছে অনেক দিন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সময় বাড়তি সতর্কতা ও যত্ন প্রয়োজন বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্‍সকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানকে বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি। মাটির রাস্তা হয়নি পাকা। বর্ষায় কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটাচলা করাই দায় হয়ে যায়। কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারে না। স্কুলের কচিকাঁচারা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। অবশেষে বাসিন্দারা নিজেরাই চাঁদা তুলে, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে রাস্তা সারাই শুরু করলেন। আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ফোসকারডাঙা এলাকার ঘটনা। তৃণমূল সরকারের উন্নয়ন সত্যিই যেন এখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, গ্রামের এই সমস্যা এবং তা থেকে প্রতিকার পেতে গ্রামবাসীরা যে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, তা নাকি তিনি জানেনই না। বলা বাহুল্য, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে এটা বিরোধীদের বড় অস্ত্র হতে চলেছে। 

    কীভাবে তৈরি হচ্ছে রাস্তা?

    গ্রামবাসীদের চাঁদায় এখানে বালি ও পাথর কেনা হয়েছে। তারপর কোদাল, বেলচা হাতে নিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজে নেমেছেন বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা রবিবার থেকে এই কাজ শুরু করেছেন। আগামি কয়েকদিনে রাস্তা সারাইয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের পঞ্চায়েত ও গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় ফোসকারডাঙা এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 
     

    রাস্তা সারাইয়ে গ্রামের মহিলারাও, কী বললেন তাঁরা?

    গ্রামের পুরুষদের সাথে রাস্তা সারাইয়ের কাজে হাত দিয়েছেন মহিলারাও। গ্রামের বাসিন্দা জয়ন্তী রায় বলেন, “অনেক বলেও আমাদের এলাকার রাস্তা পাকা হয় না। বর্ষায় এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অসুস্থ মানুষকে কাঁধে করে পাকা রাস্তায় তুলে সেখান থেকে গাড়িতে তুলতে হয়। স্কুলের বাচ্চারা এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। গ্রামের পঞ্চায়েত ও অঞ্চলের (Panchayet) প্রধানকে বলেও কোন কাজ হয়নি। তাই নিজেরা চাঁদা তুলে সেই টাকা দিয়ে বালি, পাথর কিনেছি। আর আমরা নিজেরা কাজ করে বর্ষার আগেই রাস্তা তৈরি করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলের মধ্যে থাকা অবস্থাতেও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে রয়েছে রূপোর আংটি। তা নিয়ে বুধবার আদালতে ইডি দাবি করে, পার্থ এতটাই প্রভাবশালী যে ‘জেল কোড’ ভেঙে আংটি পরে জেলে ঘুরলেও তা নিয়ে বলার কেউ নেই। এ নিয়ে আদালতে চলে বাদানুবাদ। পার্থর ওই আংটিকাণ্ডের জেরে এবার প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে তলব করলেন বিচারক। আগামী ২৬ এপ্রিল সুপারকে লিখিত জবাব-সহ হাজির হতে হবে আদালতে। 

    ইডির দাবি  

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বুধবার জেল থেকেই আদালতে হাজিরা দেন পার্থ। ভার্চুয়ালি শুনানিপর্বের শুরুতেই ইডির আইনজীবী বিচারকের কাছে অনুরোধ করেন, যাতে পার্থকে বলা হয় হাতের দু’পাশ দেখানোর জন্য। বিচারকও পার্থকে সামনে এসে হাতের দুপাশ দেখানোর জন্য বলেন। পার্থ এগিয়ে এসে হাতের দুপাশ দেখাতেই, ইডির আইনজীবী বিচারককে বলে উঠলেন, ‘হাতের রিংটা দেখলেন? দেখুন কতটা পাওয়ারফুল হলে জেলেও রিং পরে আছেন।’ ইডির আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘একজন অভিযুক্ত কি জেলে কোনও অলংকার পরে থাকতে পারে? সব তো খুলে রাখতে হয়। পার্থ এতটাই পাওয়ারফুল যে তাঁকে জেলেও আংটি পরতে দেওয়া হচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    পার্থর যুক্তি

    পার্থর আইনজীবী আদালতে পাল্টা যুক্তি দেন, ‘পার্থবাবু কীভাবে জানবেন, জেল কোডে কী বলা আছে। তাহলে তো পার্থবাবু আইনের সব জানবেন।’ যদিও পার্থর দাবি, শরীরের কারণেই আংটি খোলেননি তিনি। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর জেলের সুপারকে ডেকে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। সূত্রের খবর, শুনানি শেষেই পার্থ হাত থেকে আংটি খুলে দেন।

    সুপারকে তলব

    এই ঘটনার জেরে জেল সুপারকে তলব করল আদালত। কেন পার্থ জেলে থাকা অবস্থাতেও হাতে আংটি পরে রয়েছেন, তা সবিস্তারে লিখিত আকারে নিয়ে আসতে হবে তাঁকে। আইন বলছে, কোনও কয়েদির হাতে আংটি বা অন্য কোনও অলঙ্কারসামগ্রী রয়েছে কি ন্‌ তা দেখার দায়িত্ব সুপারের। কিন্তু পার্থর ক্ষেত্রে সেই নিয়ম সঠথভাবে পালিত হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সে ক্ষেত্রে আদালত জানতে চায়, জেল সুপার কি জেল কোড জানেন না? নাকি কর্তব্যপালনে অপারগ হয়েছিলেন সুপার? লিখিত আকারে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে সুপারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share