Tag: West Bengal

West Bengal

  • Mamata Banerjee: খোদ এসএসকেএমে ভুল চিকিৎসার শিকার মুখ্যমন্ত্রী! সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    Mamata Banerjee: খোদ এসএসকেএমে ভুল চিকিৎসার শিকার মুখ্যমন্ত্রী! সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী, যিনি আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীও, সেই তিনি অভিযোগ করছেন, রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়েছেন, তাঁর পায়ে ভুল চিকিৎসা হওয়ার ফলে সেপটিক হয়ে যায়। ভুল চিকিৎসার কথা বললেও মমতা কোনও হাসপাতাল বা চিকিৎসকের নাম উল্লেখ করেননি। তবে এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের চিকিৎসা এসএসকেএম-এ হয়েছিল। তাই মমতার মন্তব্যের পরই জল্পনা শুরু হয়। রাজ্যবাসীর মতে, এর থেকেই প্রমাণিত, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা, বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালের কী হাল। তার ফল, হাতেনাতে পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। খোদ মুখ্যমন্ত্রীরই যদি ভুল চিকিৎসা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    স্পেনের শিল্প সফর সেরে ফিরে আসার পর অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন নবান্নে যাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বাড়ি থেকে সামলাচ্ছিলেন যাবতীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব। পুজোর ছুটি কাটিয়ে প্রায় দেড় মাস পর মঙ্গলবার নবান্নে আসেন মমতা। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফের একবার নিজের অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। একই সঙ্গে ভুল চিকিৎসার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে মমতার গলায়।  মমতা বলেন, ‘অনেকে বলছেন আমি ৫৫ দিন নবান্নে আসিনি। এটা ভুল তথ্য। বাড়ি থেকে পুজো উদ্বোধন করেছি, মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছি। সব কাজ সেরেছি।’মমতা আরও বলেন, ‘১০-১২ দিন আমার চিকিৎসা চলেছে। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার পায়ের আঘাতে সেপটিক হয়ে গিয়েছিল। ১০ দিন স্যালাইনের মতো আমার হাতে চ্যানেল করা ছিল, ওষুধ চলেছে। সেই অবস্থায় বিছানা থেকে উঠতে পারিনি।’

    আরও পড়ুুন: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    উল্লেখ্য, রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে যখন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) স্পেন সফরে গিয়েছিলেন, তখনই পায়ে চোট লেগেছিল। এর আগে উত্তরবঙ্গে হেলিকপ্টার বিভ্রাটে পায়ের যেখানে চোট লেগেছিল, সেই জায়গাতেই আবার পা হড়কে গিয়ে চোট লাগে স্পেন সফরে। সেই নিয়েই টানা বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় ফিরে সোজা তিনি গিয়েছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হল এসএসকেএম হাসপাতাল। সেই হাসপাতালে যদি রাজ্যের প্রধানেরই এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবেন এই প্রশ্নই ঘুরছে সকলের মনে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন-বণ্টন (Ration Scam) দুর্নীতির টাকা ছবি তৈরির কাজেও বিনিয়োগ করেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমান। বাকিবুর রহমানের তৈরি করা ওই ছবিতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, নিয়োগ-দুর্নীতিকাণ্ডে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় বর্তমানে জেলে রয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বাকিবুর রহমান গ্রেফতার (Ration Scam) হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই পুজোর পরে গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর রহমান যে ছবিতে টাকা ঢেলেছিলেন, সেই ছবির গল্প লিখেছিলেন খাদ্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, যাঁর নাম পার্থসারথী গায়েন। পরিচালনাও করেছিলেন খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ম্যানগ্রোভ’ ছবি। টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী দোলন রায়কেও সেখানে দেখা যায় (Ration Scam)। ইডি সূত্রে আরও খবর, ছবির প্রিমিয়ামে হাজির ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    বাকিবুরের ছবির পরিচালক কী বলছেন?

    এনিয়ে অবশ্য বিন্দুমাত্র ভাবতে নারাজ খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘ছবি তৈরি করা আমার শখ ছিল। খাদ্য দফতরের তৎকালীন অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পার্থসারথি গায়নের লেখা ‘ম্যানগ্রোভ’ পড়ে আমার খুব ভালো লেগে যায়। তাই এটা নিয়ে আমি আগ্রহী হই। আমার আগের ছবি যিনি প্রযোজনা করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কথাও বলি। তবে তিনি রাজি হননি। এ বিষয়টি আমি অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (Ration Scam) পার্থসারথিবাবুকে জানাই। তখন পার্থসারথিবাবু বলেন একজন ছবি প্রযোজনা করতে পারবেন বলেছেন। তাঁর চালকল রয়েছে। পরে জানতে পারি যে তিনি বাকিবুর রহমান।

    বাকিবুরের ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে রাজ্যের ৯৫টি স্থানে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাকিবুরের এখনও পর্যন্ত ছটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে। বাকিবুর রহমানের সেইসব সংস্থার উৎস (Ration Scam) এবং বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ছয়টি সংস্থা করতে বাকিবুর রহমান ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক সাধারণ ব্যবসায়ীর রকেট গতিতে এই উত্থান নজর এড়ায়নি তাঁর পাড়া প্রতিবেশীদেরও। এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা মূল্যের জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে। রাজ্যের ৯৫টি জায়গাতেই জমি কেনা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাকিবুরের বেঙ্গালুরুতে রয়েছে হোটেল এবং ফ্ল্যাট। শুধু তাই নয় দুবাইতেও রয়েছে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বালুর স্ত্রীর বিদেশযাত্রার টিকিট কাটেন বাকিবুর! দাবি ইডির

    Jyotipriya Mallick: বালুর স্ত্রীর বিদেশযাত্রার টিকিট কাটেন বাকিবুর! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) পরিবারের বিদেশ সফরের টিকিট কেটেছিলেন বাকিবুর রহমান। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়ের স্ত্রীয়ের মরিশাস, আমেরিকা ঘোরার টিকিটের খরচ দিয়েছেন বাকিবুর। সূত্রের খবর, বাকিবুর ও ট্রাভেল এজেন্টের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও ইডির হাতে এসেছে। বাকিবুরের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। 

    ইডির হাতে গুরুত্বপূর্ণ নথি

    রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় পুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তথা চালকল-আটাকলের মালিক বাকিবুর রহমানকে। বাকিবুরের গ্রেফতারির পর ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে গুঞ্জন পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। ইডির দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পরিবারের বিদেশ সফরের খরচ দিয়েছিলেন বাকিবুর রহমান। গ্রেফতার ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে। এদিন ইডি আদালতে দাবি করে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা ও বাকিবুরের স্ত্রীর একসঙ্গে মরিসাস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনা ছিল। সেই মতো টিকিটও কাটা হয়। টিকিট কাটেন বাকিবুর রহমান। সেই নথি রয়েছে ইডির হাতে। এমনকী ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে বাকিবুরের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি ইডির। টিকিট যে কাটা হয়েছিল তা মেনে নেন জ্যোতিপ্রিয়। 

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়ের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    ইডি সূত্রে খবর, ২০১৭ সাল পর্যন্ত অন্তত ৩টি ভুয়ো সংস্থায় জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরা যৌথভাবে বোর্ড অফ ডিরেক্টরের সদস্য ছিলেন। ইডি জানিয়েছে যে জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick)  স্ত্রী ও মেয়ে প্রথমে স্বীকার করতে চাননি যে গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমি়টেড, গ্রেসিয়াস ইনোভেশন প্রাইভেট লিমিটেড ও শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এর পরই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই তিন কোম্পানির স্ট্যাম্প পাওয়া যায়। ইডির দাবি তখন আর তাঁদের অস্বীকার করার উপায় ছিল না। তবে মনিদীপা মল্লিক ও প্রিয়দর্শিনী গোটা দায় জ্যোতিপ্রিয়র কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিসট্যান্ট অজয় দে-র উপর চাপিয়ে দেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Jyotipriya Mallick: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    Jyotipriya Mallick: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোটবন্দির সময়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু মল্লিকের স্ত্রী মনিদীপা ও তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ক্যাশ জমা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। শুক্রবার আদালতে এই দাবি করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ, ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকার মালিক। তার স্ত্রী মণিদীপা ২ কোটি ৩০ লাখ ৭১ হাজার ৭০৮ টাকার মালিক। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬ কোটি ২৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আয়

    ইলেকশন কমিশনে দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আয় ছিল বার্ষিক ২ লাখ ৪০ হাজার ৯১৭ টাকা। পরবর্তী অর্থ বর্ষ অর্থাৎ ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে তার বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ২৫৫ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ৫১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭৬ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বার্ষিক আয় ছিল ৪০ লাখ ২১ হাজার ৯১০ টাকা।জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপার ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১১ লাখ ৫২ হাজার ৭০০ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ২৫ লাখ ৫২ হাজার ৪৬০ টাকা। এক্ষেত্রেও তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় দ্বিগুণ হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১৮ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ টাকা।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    জ্যোতিপ্রিয়ের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্ট 

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী ও মেয়ের দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেল আদালতে পেশ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দুটি অ্যাকাউন্টই রয়েছে আইডিবিআই ব্যাঙ্কে। একটি অ্যাকাউন্ট মনিদীপা মল্লিকের নামে। অন্য অ্যাকাউন্টটি প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের নামে। নোটবন্দি হয়েছিল ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। ইডি জানিয়েছে, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রীর আইডিবিআই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ক্যাশ তথা নগদ জমা হয়েছে ৬ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। জ্যোতিপ্রিয়র মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এক মাসেই জমা পড়েছে নগদ ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা। নভেম্বর মাসে নোটবন্দি হয়েছিল। ওই এক মাসেই প্রিয়দর্শিনীর অ্যাকাউন্টে ক্যাশে এই টাকা জমা পড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আমেজে মেতে উঠেছে বাংলা। উত্তর-দক্ষিণ দুই বঙ্গ থেকেই মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছে বর্ষা (Weather Update)। গগনে গগনে মেঘেদের ছুটি। তবু যেন যেতে যেতেও ফিরে চাওয়া। পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে অষ্টমীর দিন রবিবার পর্যন্ত রোদ ঝলমলে পরিষ্কার আকাশ থাকলেও নবমীর দিন থেকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে বাংলায়, জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সোম ও মঙ্গলবার নবমী ও দশমীর দিন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ, কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাল, পুজোর মধ্যেই সপ্তমীর দিন বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে। শক্তিশালী হয়ে এই ঘূর্নাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্র ওড়িশা উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা। এর গতিপথ কোন দিকে হয় সেদিকে নজর রাখবেন আবহবিদদের। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে উপকূলের জেলাগুলিতে।

    বর্ষা বিদায়, তবু বৃষ্টি 

    মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার কিছু এলাকার পাশাপাশি নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি জায়গায় দু’এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। তবে আপাতত বুধবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে।

    আরও পড়ুন: অপহরণ করে কোটি টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার, ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, আতঙ্কে অসহায় ব্যবসায়ী

    উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমবে এবং বৃষ্টিও কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kamduni Case: আইনি সাহায্যের আশ্বাস শুভেন্দুর, আজ কামদুনিতে বিজেপির মহিলা মোর্চা

    Kamduni Case: আইনি সাহায্যের আশ্বাস শুভেন্দুর, আজ কামদুনিতে বিজেপির মহিলা মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যায়ের দাবিতে আজ, মঙ্গলবার কামদুনি (Kamduni Case) যাচ্ছে বিজেপির মহিলা মোর্চা। কামদুনি কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর পরিবার ও বান্ধবী মৌসুমী কয়াল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এ বিষয়ে সাক্ষাৎ করেন।  সম্প্রতি কামদুনিতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানে তিনি জানান, সুষমা স্বরাজের মেয়ে বাঁশুরি স্বরাজ বিনা পয়সায় এই মামলা লড়বেন সুপ্রিম কোর্টে। 

    শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাত

    কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni Case) রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। তাদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু। এই বৈঠক প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা বলেন, ‘রাজ্য নাটক করছে। লোক দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করছে আর এখানে ফাঁসির আসামীকে ছেড়ে দিচ্ছে। কামদুনির বোনের পরিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চান। আইনি সহায়তা সহ সব সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই এই নিয়ে আরও বড় কর্মসূচি নিতে চলেছে বিজেপি।’

    শীর্ষ আদালতে ধাক্কা

    হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিআইডি। কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni Case) এখনই কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত। সোমবার বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি নোটিশ জারি করে। সব পক্ষের জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত। সাতদিন বাদে সুপ্রিম কোর্ট কামদুনি কেসের পরবর্তী শুনানি।

    কামদুনির ঘটনা প্রবাহ 

    ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনির (Kamduni Case) বুকে হওয়া এই ঘটনা গোটা রাজ্যে তোলাপাড় ফেলে দিয়েছিল। ৭ জুন দিনে দুপুরে এক কলেজ পড়ুয়াকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরিত্যক্ত কারখানায় ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়। এই ঘটনায় নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত তিনজনের ফাঁসি ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্তরা হাইকোর্টে যান। সেখানে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তদের একজনকে বেকসুর খালাস করে দেয় আদালত। বাকি দু’জনের আমৃত্যু কারাবাস হয়। অন্যদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিনজনের একজনকে বেকসুর খালাসের পাশাপাশি আরও দু’জনের সাজা রদ করা হয়। তারই প্রতিবাদে ফের গর্জে ওঠে কামদুনি। পুলিশ, সিআইডির ভুল রিপোর্টের কারণে এই রায় বলে দাবি করেন কামদুনির প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়াল। 

    আরও পড়ুুন: “রাজভবনের সামনে ধর্না হলে নব মহাকরণের সামনে কেন নয়?”, প্রশ্ন আদালতের

    মামলা লড়বেন বাঁশুরি স্বরাজ

    নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সম্প্রতি দেখা করতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই সুকান্ত বলেন, “নির্যাতিতার মা চাইছেন ওনার মেয়ের সঙ্গে যে জঘন্য অপরাধ হয়েছে তার বিচার হোক। সেই বিচারের জন্য সুপ্রিম কোর্ট যেতে হবে। বিজেপির পক্ষ থেকে আমরা আশ্বস্ত করছি আইনজীবী দিয়ে সাহায্য করব। নাম করা আইনজীবী বাঁশুরি স্বরাজ রাজি হয়েছেন। তিনি বিনা পয়সায় এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে লড়বেন। তাছাড়া আমি বিরোধী দলনেতার সঙ্গে কথাও বলে এসেছি, রাজ্য সরকার ওনাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করলে আমরা আপাতত ২-৩টি বেসরকারি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। গ্রামবাসীদের উপর গুলি চলেছে, মার খেয়েছে। তাদের নিরাপত্তা দরকার।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chikungunyia: ফের তথ্য গোপন রাজ্যের! ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার পর এবার বঙ্গে হানা চিকুনগুনিয়ার

    Chikungunyia: ফের তথ্য গোপন রাজ্যের! ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার পর এবার বঙ্গে হানা চিকুনগুনিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক রামে রক্ষে নেই সুগ্রীব দোসর! বেশ কিছুদিন ধরে এমন অবস্থাই ছিল পশ্চিমবঙ্গের। ডেঙ্গির দোসর হয়েছিল ম্যালেরিয়া। এবার মশকবাহিত এই দুই রোগের তালিকায় ঢুকে পড়ল চিকুনগুনিয়াও (Chikungunyia)। গোটা রাজ্যে এখনও সেভাবে চিকুনগুনিয়ার হদিশ না মিললেও, অল্প-স্বল্প রোগীর সন্ধান মিলেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, হুগলির কয়েকটি এলাকায় ফিভার ক্লিনিকে রক্ত পরীক্ষায় কয়েকজনের রক্তে চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। ঘটনার জেরে উদ্বেগে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    চিকুনগুনিয়া নিয়েও তথ্য গোপন!

    বিরোধীদের দাবি, ডেঙ্গির মতোই চিকুনগুনিয়া নিয়েও তথ্য গোপন করছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বর্ন ডিজিজ কন্ট্রোলকে সঠিক তথ্য জানানো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। বিরোধীদের অভিযোগ, সব রাজ্য এবং দেশের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ওয়েবসাইটে চিকুনগুনিয়া (Chikungunyia) সংক্রান্ত তথ্য মিললেও, বাংলায় চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত নিয়ে কোনও তথ্য ওয়েবসাইটে নেই। ২০১৯ সালেও এ বিষয়ে কোনও তথ্য রাজ্য সরকার দেয়নি। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর কথায়, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ডেঙ্গি নিয়ে প্রকৃত তথ্য গোপন করছে তারা।  

    চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ

    কেবল হুগলি নয়, মধ্য ও গ্রামীণ হাওড়ায় যে ফিভার ক্লিনিক চালু হয়েছে, সেখানেও কয়েকজনের রক্তে চিকুনগুনিয়া (Chikungunyia) ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। জেলা স্বাস্থ্য কর্তাদের বক্তব্য, আবহাওয়া বদল হওয়ায় ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো বাড়ছে চিকুনগুনিয়া। চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ ডেঙ্গির মতোই। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রবল জ্বরের পাশাপাশি হবে গায়ে ব্যথাও। মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়ার ভাইরাস শরীরে প্রবেশের দু’ থেকে চার দিনের মধ্যে হঠাৎই প্রবল জ্বর শুরু হয়। এর সঙ্গে অস্থিসন্ধিতে ব্যথা হয়, যা থাকে কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাস। কয়েক বছরও থাকতে পারে ব্যথা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশাই চিকুনগুনিয়ার বাহক। এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আজ তলবে সাড়া দেবেন না, ইডিকে আগে জানাননি কেন?’’ অভিষেকের আইনজীবীকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    রাজ্যে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জেলার পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা এলাকায়ও বাড়ছে ডেঙ্গির দাপাদাপি। এমতাবস্থায় মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে ‘অফিস অফ প্রফিটে’র প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর অভিযোগ, পুরসভার কিছু বাসিন্দা তাঁকে জানিয়েছেন, পুরসভায় ফোন করা হলে জানানো হয় মেয়র রয়েছেন নবান্নে। আবার নবান্নে ফোন করা হলে বলা হয় মন্ত্রী রয়েছেন পুরসভায়। এমতাবস্থায় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে চিকুনগুনিয়ার (Chikungunyia)। তাই ক্রমেই চড়ছে আতঙ্কের পারদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের শিশুকে রেখে চলে গেলেন মা। ডেঙ্গি (Dengue Update) কাড়ল জীবন। নাম পায়েল নন্দী। বয়স ৩৩। স্কুল শিক্ষিকা ওই তরুণী সদ্য মা হয়েছিলেন। খুশির আমেজ মধ্যেই জানা যায় ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে। পরিবার সূত্রের খবর, সন্তান প্রসবের তিন দিনের মাথায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হন তিনি। যাদবপুর থানা এলাকার ওই বাসিন্দাকে প্রথমে ভর্তি করা হয় মাতৃভবন হাসপাতালে। ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শহরের একটি বড় হাসপাতালে। ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবারই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েকদিন জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর বুধবার সকালে মৃত্যু হয়েছে মতিঝিল গার্লস হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর। 

    তথ্য গোপন করছে সরকার

    রাজ্যে ডেঙ্গির  (WB Dengue Case) বাড়বাড়ন্ত অব্যাহত। পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে এডিস ইজিপ্টাই। গত ৮ দিনে শহরে মৃত্যু হয়েছে ৫ ডেঙ্গি আক্রান্তের। সূত্রের খবর, এই নিয়ে চলতি বছরে ৩৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এল। যদিও সরকারি মতে, ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৩। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট কত জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান কিছুতেই সামনে আনছে না প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে, তথ্য গোপন করাই এখন এরাজ্যের জনস্বাস্থ্যের প্রোটোকল। চলতি বছরে রাজ্যে কোনও ভাবেই ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র জানানো হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, তথ্য গোপন করার প্রবণতাও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। ডেথ সার্টিফিকেটে বা বেসরকারি পরীক্ষাগারে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে ডেঙ্গি না লেখার জন্য বহু জায়গায় অলিখিত নির্দেশ রয়েছে বলেও অভিযোগ। কোভিডের মতো কোমর্বিডিটির তত্ত্ব দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

    প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গি

    জুন মাসে রাজ্যে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪, তা একলাফে বেড়ে ৩ হাজার ৭৭৮ হয় জুলাই মাসে। সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত তা আরও বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৭০৯। তার মধ্যে ১৭ হাজার নমুনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে সরকারি হাসপাতালের ল্যাবে। বাকি ৭ হাজার ধরা পড়ে বেসরকারি ল্যাবে। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রের খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডেঙ্গিতে (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৪০০ জন। চলতি বছরে সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০০। 

    আরও পড়ুন: উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস! শরতের শুরুতে কেন বৃষ্টি?

    ডেঙ্গি প্রবণ জেলা 

    ডেঙ্গি প্রবণ (Dengue Update) জেলা হিসাবে উঠে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। বেসরকারি মতে,  গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগনায় ৬৯২৫ জন, নদিয়ায় ৩৯৬৯ জন, কলকাতায় ৩৪১৬ জন, মুর্শিদাবাদে ৩৪০৭ জন, হুগলিতে ২৬০০ জন, হাওড়ায় ১৪৬৮ জন, ঝাড়গ্রামে ১১১৭ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০১০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি জেলাগুলিতেও কম-বেশি আক্রান্ত রয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই ৩ থেকে ৫ হাজার করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর প্রশাসন নিরুত্তর। কেন? এত রাখঢাক কিসের? স্বাস্থ্যকর্তারাও মুখ খুলতে নারাজ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Vaccines: শীঘ্রই আসছে ডেঙ্গির টিকা! দেশজুড়ে ট্রায়াল শুরু নভেম্বরে, কারা পাবেন?

    Dengue Vaccines: শীঘ্রই আসছে ডেঙ্গির টিকা! দেশজুড়ে ট্রায়াল শুরু নভেম্বরে, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে আসতে চলেছে ডেঙ্গির টিকা (Dengue Vaccines)। নভেম্বর মাসেই দেশজুড়ে শুরু হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। দেশের মোট ২০টি কেন্দ্রে ট্রায়াল হওয়ার কথা। এ রাজ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হবে বেলেঘাটা নাইসেডে। আইসিএমআর এবং প্যানাসিয়া বায়ো টেক লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ট্রায়াল হবে। পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেওয়া হবে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে।

    আসছে ডেঙ্গির প্রতিষেধক

    ফি বছর এ রাজ্য তো বটেই, গোটা দেশে ডেঙ্গির শিকার হন বহু মানুষ। যত্রতত্র জমা জল, চারদিকে নোংরা-আবর্জনা, নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার না হওয়া সহ নানা কারণে এ রাজ্যে প্রতি বছর ডেঙ্গির বলি হন বহু মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় কয়েক হাজারের গন্ডি। দেশবাসীকে ডেঙ্গির হাত থেকে রক্ষা করতে দেশে শুরু হয়েছিল ডেঙ্গির প্রতিষেধক (Dengue Vaccines) তৈরির কাজ। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের পর চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল হওয়ার কথা ছিল। কিছু জটিলতার কারণে টিকায় পরিবর্তন করতে হয়। সেই কাজ শেষ হয়েছে। তাই এবার হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল।

    কারা তৈরি করেছে টিকা?

    যাঁদের ডেঙ্গির টিকা দেওয়া হবে, বছরভর তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় তাঁদের শরীরে কী পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে, তা দেখেই ছাড়পত্র পাবে ভ্যাকসিন। তারপর আসবে বাজারে। নাইসেডের অধিকর্তা শান্তা দত্ত বলেন, “ডেঙ্গি ভ্যাকসিনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যেখানে ডেঙ্গির প্রবণতা বেশি, সেখানে এই ভ্যাকসিন কাজ করবে। সেরো পজিটিভিটি কতটা আছে, তা দেখে দেওয়া হবে।” কেবল প্যানাসিয়া বায়ো টেক লিমিটেড নয়, পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটও ডেঙ্গির টিকা তৈরি করেছে। আমেরিকায় ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি মোকাবিলায় অনুমোদন পেয়েছে সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটিডের টিকা (Dengue Vaccines)।

    আরও পড়ুুন: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ডেঙ্গি। এক সপ্তাহে মশকবাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৮ জন। ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৭ জন। প্রতি বছরের মতো এবারও ডেঙ্গি সংক্রমণে শীর্ষ স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজভবনের বাইরে ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তার পালটা দিলেন রাজ্যপাল বোস। ভিডিয়ো বার্তায় মমতার ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ কার্যত গ্রহণ করে নেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি থেকে ফিরে রাজ্যপাল বললেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আমার সম্মানীয় সহকর্মী। তাঁকে রাজভবনে স্বাগত। তিনি রাজভবনের ভিতরে এসেই তাঁর যাবতীয় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ দেখাতে পারেন। রাজভবনের সম্মাননীয় অতিথি হয়েই আসতে পারেন প্রতিবাদ জানাতে।’’

    কী বললেন রাজ্যপাল

    এদিন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলা ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, ‘কাজ করার জন্য আমি বাংলায় এসেছি। আমি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। নতুন প্রজন্মের বিকাশের কথা মাথা রেখে বিশ্ববিদ্যালগুলি দুর্নীতি ও হিংসামুক্ত হওয়া প্রয়োজন। আমি চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে সেরা হোক। আমার মতে এটা সম্ভব। কারণ আমাদের রাজ্যে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা রয়েছেন, গুণী অধ্যাপকরা রয়েছেন। সেই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারত সেরা হতে পারে।’ রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘শিক্ষা মাফিয়াদের একটা শিক্ষা হওয়া দরকার। ক্যাম্পাসের নরখাদকদের তাদের অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মেধানাশকারী যে হিংসা চলছে, তাতে অবিলম্বে দাঁড়ি টানা দরকার।’’ মুখ্যমন্ত্রীর ধরনার হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বোস। রাজ্যপাল বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনের ভিতরেও স্বাগত। যা প্রতিবাদ করার বাইরে নয়, রাজভবনের ভিতরে এসে করুন।’

    আরও পড়ুন: ‘‘একুশের শতক এশিয়ার শতক’’! আসিয়ান-ইন্ডিয়া সামিটে কী বললেন মোদি?

    কেন উপাচার্য নিয়োগ

    উপাচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গে তাঁর করা পদক্ষেপের পক্ষেও সাফাই দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য উপাচার্য থাকা প্রয়োজন। শিক্ষা দফতর উপাচার্য নিয়োগ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করেছে। সেই কারণে উপাচার্যদের চলে যেতে হয়েছে। সেই অবস্থায় আমি অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছি। শিক্ষা দফতর বলল এটা ভুল এদিকে কলকাতা হাইকোর্ট বলছে এটা ঠিক। সরকার মনোনীতদের উপাচার্য নিয়োগ করতে পারিনি। কারণ কেউ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, কারও বিরুদ্ধে ছাত্রীকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে। কেউ আবার রাজনৈতিক খেলা খেলছিল। এটা খুব দুঃখজনকে যে পাঁচজন উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তাঁরা আমাকে জানিয়েছে, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা দফতরের তরফে চাপ তৈরি করা হয়েছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share