Tag: West Bengal

West Bengal

  • ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর বড় সাফল্যের মুখ দেখল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মাত্র তিন মাসে উদ্ধার ১০০ কোটি কালো টাকা (ED seizes Rs 100 crore in 3 months)। দেশজুড়ে ইডির সাম্প্রতিক তল্লাশি অভিযানে (ED Raid) বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার তালিকায় চমকে যাবেন অনেকেই। ইডি হানায় সম্প্রতি একাধিকবার উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) নাম।  গত সপ্তাহেই কলকাতার গার্ডেনরিচে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। ওই ব্যবসায়ী গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার কয়েক সপ্তাহ আগেই এসএসসি দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল ধনরাশি উদ্ধার হয়। টালিগঞ্জের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা। এরপর বেলঘরিয়ার অপর একটি ফ্ল্যাট থেকে মিলেছিল আরও প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ভেবেছেন কখনও উদ্ধার হওয়া এই ‘যকের ধন’ যায় কোথায়? শেষ ঠিকানা কোথায় হয় এই কালো টাকার? 

    আরও পড়ুন: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গার্ডেনরিচে কোন সূত্রে মিলল ১৭.৩২ কোটি টাকা?
      
    দেশজুড়ে আর্থিক তছরুপের মামলায় তদন্ত চলাকালীন বেআইনি সম্পত্তির খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় হানা (ED Raid In Kolkata) দেওয়ার অধিকার রয়েছে ইডির। বেআইনি নগদ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কিন্তু উদ্ধার হওয়ার পর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারে না ইডি। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে অভিযুক্তকে উদ্ধার হওয়া টাকার সপক্ষে উপযুক্ত নথি দেখানোর জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ধার্য করা সময়ে অভিযুক্ত সেই নথি দেখাতে ব্যর্থ হলে সেই টাকাকে ‘কালো টাকা’ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। আর্থিক তছরুপ আইনে ওই টাকাকে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াকে ওই টাকা গোণার বরাত দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গণনা শেষে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি তালিকা তৈরি করা হয়। কোন টাকার কতোগুলি নোটের বান্ডিল রয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা। ব্যাংক আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়। 

    আরও পড়ুন: পুনরুদ্ধার ২৩ হাজার কোটি টাকা! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে এগিয়ে ইডি    
     
    প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে রেখে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ট্রাঙ্কে কিংবা বস্তায় ঢোকানো হয়। এরপর সেগুলি সিল করে দেওয়া হয়। তারপর তৈরি করা হয় সিজার মেমো। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কোনও একটি ব্রাঞ্চে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নামে থাকা পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে ওই সমস্ত টাকা জমা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ট্রেজারিতে ওই টাকা জমা রাখা হয়। যদিও ইডি, স্টেট ব্যাংক কিংবা কেন্দ্রীয় সরকার, কেউই এই টাকা ব্যবহার করতে পারে না। এরপর বিচারাধীন মামলার বিচারপতিকে দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে এই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করাতে হয় ইডিকে। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিচারপতি তা নিশ্চিত করছেন, ততক্ষণ ব্যাংকেই জমা থাকে সেটি। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্টেট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টেই থাকে সেই ‘যকের ধন’।   
     
    অভিযুক্ত যাতে কোনওভাবেই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ব্যবহার করতে না পারে, তার জন্যই এই কড়াকড়ি। কোনও আর্থিক তছরুপের মামলায় যখন অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তার সাজা ঘোষণা হয়ে যায়, তারপর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা সরকারি সম্পত্তিতে পরিণত হয়। যদি অভিযুক্ত বেকসুর খালাস হয় তবে সেই উদ্ধার হওয়া টাকা তাকে আবার ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত ২০০৪-২০১৪ সালের মধ্যে মাত্র ১১২টি ইডি হানার খবর সামনে এসেছিল। ২০১৪ সালের পর তা ২৭ গুণ বেড়েছে। ২০১৪-২০২২ সালের মধ্যে ৩০১০ জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। এই মুহূর্তে ইডির হেফাজতে রয়েছে ১ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৫৭,০০০ কোটি টাকাই ব্যাংক জালিয়াতির।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (2024 Lok sabha Elections)। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ বিভিন্ন রাজ্যের রশি তুলে দেওয়া হল দক্ষ সংগঠকদের হাতে। শুক্রবার বৈঠকে বসেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়। বাংলার দায়িত্ব বর্তাল মঙ্গল পাণ্ডের হাতে। বিহারের প্রাক্তন মন্ত্রী কাঁধে তুলে দেওয়া হল দায়িত্ব। 

    কে এই মঙ্গল পাণ্ডে? জানা গিয়েছে, বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডে বাংলার সংগঠনের দেখভাল করবেন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁকে নিয়োগ করেন। মঙ্গল পাণ্ডেকে সাহায্য করবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য এবং নেত্রী আশা লাখরা। এরাজ্যে সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরা।

    নীতীশ কুমার যখন বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার চালাচ্ছিলেন, তখন মঙ্গল পাণ্ডে পালন করেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব। দুঁদে রাজনীতিকের পাশাপাশি তিনি দক্ষ সংগঠকও। সেই কারণেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বাংলার দায়িত্ব। একুশের ভোটে বাংলায় আশাব্যঞ্জক ফল হয়নি বিজেপির। তাই রাজ্য বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে একাধিকবার স্থায়ী পর্যবেক্ষকের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। রাজ্য বিজেপির সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই মঙ্গল পাণ্ডেকে দেওয়া হল বাংলার দায়িত্ব। 

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    গতমাসেই রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত নেতা নিযুক্ত হন বহু-যুদ্ধের ঘোড়া সুনীল বনসল। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও, ওড়িশা ও তেলঙ্গানার দায়িত্বে রয়েছেন সুনীল। ওড়িশা ও তেলঙ্গানায় বিধানসভা ভোট আসন্ন। দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের নেতৃত্বের কাছে, এই দুই বিরোধী-শাসিত রাজ্যে জয়ী হতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব। ফলত, সুনীলের ওপর গুরুদায়িত্ব রয়েছে। সব দিক বিচার করে, পশ্চিমবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষক হিসেবে মঙ্গলকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। জানা গিয়েছে, সুনীলের অধীনে থাকবেন মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য ও আশা লখরা।

    বাংলার পাশাপাশি বিজেপি নজর দিয়েছে বিহারের দিকেও। বিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনোদ টাওডেকে। বিহারের সহ পর্যবেক্ষক থাকছেন হরিশ দ্বিবেদী। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্রকেও। উত্তর পূর্বের আটটি রাজ্যের কোঅর্ডিনেটর করা হয়েছে তাঁকে। দলের জাতীয় সম্পাদক ঋতুরাজ সিনহাকে দেওয়া হয়েছে জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার দায়িত্ব। কেরলের ভার দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরের হাতে। 

    গুজরাট এবং ত্রিপুরায় সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আরও কয়েকটি রাজ্যেও রয়েছে নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই রাজ্যগুলির কুর্সি দখলই এই মুহূর্তে পাখির চোখ গেরুয়া নেতৃত্বের। এই বিধানসভা নির্বাচনের পর্ব মিটতে মিটতে বাজবে লোকসভা ভোটের বাদ্যি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই অগোছাল বিরোধীদের একজোট হওয়ার আগেই ঘর গুছিয়ে ফেলল বিজেপি। সেই কারণেই রদবদল হল পদ্মশিবিরে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • MGNREGA: কেন্দ্র দিয়েছে ডেডলাইন! মনরেগা প্রকল্পের টাকা পেতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ রাজ্যের

    MGNREGA: কেন্দ্র দিয়েছে ডেডলাইন! মনরেগা প্রকল্পের টাকা পেতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ করা হল। মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সব রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে যে তাদের মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (MNREGA) এর অধীনে টাকা পেতে হলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং জানিয়েছেন “MNREGA তহবিলের ব্যবহারে স্বচ্ছতা আনা প্রয়োজন। অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত রাজ্যগুলিকে এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে।” কেন্দ্রের এই হুঁশিয়ারিতেই টনক নড়ে রাজ্যের। দ্রুত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়  ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। এঁরা সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পকে ঘিরে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে সরকারি কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে। প্রকল্পে স্বচ্ছতা থাকলে তা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেবে।

    আরও পড়ুন: তিনবছরে বিজয়ীদের আয় ৫৮ হাজার কোটি টাকা, সিবিডিটির নজরে গেমিং অ্যাপ

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুলাই মাসে মনরেগা তহবিল আটকানোর জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেছিলেন। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় কর্তারা রাজ্যে গিয়ে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার সত্যতাও পেয়েছেন। একশো দিনের কাজে রুল নম্বর ২৭ অনুযাযী যদি কোনও রাজ্য কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে না চলে সে ক্ষেত্রে সেই রাজ্যের বকেয়া অর্থ আটকে দেওয়ার অধিকার রয়েছে কেন্দ্রের। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমি রাজ্যগুলিকে লিখেছি যে আমাদের তহবিলের কোনও অভাব নেই, তবে তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও আর্থিক অনিয়ম কাম্য নয়। রাজ্যগুলি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কী পদক্ষেপ করেছে তা আমরা অক্টোবরে খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে, এনআইএ আদালতে খারিজ নভলাখার জামিনের আবেদন

    মন্ত্রী আরও বলেন, “আমি রাজ্যগুলিকে MNREGA-তে আরও স্বচ্ছতা আনতে বলেছি এবং এর জন্য আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যেমন কমিশনারদের পরিদর্শন, রিয়েল-টাইম উপস্থিতি, একটি সক্রিয় লোকপাল, সামাজিক অডিট, একটি জাতীয় মোবাইল পর্যবেক্ষণ।” একটি অ্যাপের সাথে পুরো সিস্টেমটি যোগ করার কথাও বলেন তিনি। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা দুর্নীতির বেড়াজালে আটকে রয়েছে রাজ্য। তাই স্বচ্ছতা দেখাতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগের কথা ভাবা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Muslim Population in West Bengal: সীমান্তে মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, কোন পথে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ?

    Muslim Population in West Bengal: সীমান্তে মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, কোন পথে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সীমান্ত (Bangladesh Border) বরাবর অঞ্চলে মুসলিম (muslim) জনসংখ্যা (population) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় এই জনসংখ্যা বিস্ফোরণ  রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। নিউ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, ইসলামপুর, মালদা টাউন, মুর্শিদাবাদ – শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই ফুটে উঠছে এই ছবি। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে এখানে ডেরা বাঁধছে প্রচুর মুসলিম। নানান উপায়ে বর্ডার ক্রস করে তারা চলে আসছে এপারে। তারপর কয়েক বছর থাকার পর এখানকারই বাসিন্দা হয়ে যাচ্ছে। কোণঠাসা হয়ে পড়ছে স্থানীয় হিন্দুরা। অনুপ্রবেশের (infiltration) ফলে বদলে যাচ্ছে এলাকায় এলাকায় জনসংখ্যার বাস্তব চিত্র (demography)।

    শুধু কোণঠাসা হয়ে পড়াই নয়, একসময় প্রাণের ভয়ে এখানকার হিন্দুরা চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন কোনও নিরাপদ স্থানে। বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের দৌরাত্ম্যে বাধ্য হয়েই নিজভূমে তাঁরা পরবাসী হয়ে যাচ্ছেন। উদ্বাস্তু হয়ে আসা মুসলিমরা প্রথমে ভাগচাষী হয়ে কাজ শুরু করছে। অনেকে কাজ নিচ্ছে হিন্দু বাড়িতে। তারপর তিন চার বছর যাওয়ার পর অন্য মূর্তি ধারণ করছে । সংখ্যাধিক্যের সুযোগ নিয়ে মনিবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে কসুর করছে না তারা । অশান্তির জেরে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে অনেক হিন্দু পরিবার।  এমনকি জলের দরে বিক্রি করে দিচ্ছে নিজেদের বাস্তু ভিটে, চাষের জমি। 

    এভাবেই ডেমোগ্রাফি (demography) বা জনসংখ্যার স্ট্যাটিসটিক্স বদলে গেছে ঝাড়খন্ডের ৫ জেলায়। গত তিন দশক ধরে সেখানে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে নজিরবিহীন ভাবে। একই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশেও। সেখানে ১৬টি জেলার ডেমোগ্রাফি বদলে গেছে। জনসংখ্যার নিরিখে বিহারের ৮টি জেলায় মুসলিম আধিক্য বেশি হয়ে গেছে। আর অনুপ্রবেশের ফলে পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এরাজ্যের ১৪টি জেলায় অনুপ্রবেশের ফলে জনসংখ্যার পরিসংখ্যান বদলে গেছে। এবং ধীরে ধীরে এই সব এলাকা নানা দেশদ্রোহী  কার্যকলাপের (jihad) আখড়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠছে।   

    আরও পড়ুন: ভারত সফর শুরুর আগেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা হাসিনার গলায়, কেন জানেন?

    বাংলাদেশ লাগোয়া এরাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার বহু গ্রামে এখন মুসলিমদের বাস ৭০ শতাংশ। হিন্দুরা সেখানে মাত্র তিরিশ শতাংশ। গ্রামে বসবাস করলেও অনেক মুসলিমই বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। সেখানে তৈরি হয়েছে প্রচুর মাদ্রাসা, নার্সিং ও ফার্মা কলেজ। বাংলাদেশ লাগোয়া এই ঝাঁ চকচকে প্রতিষ্ঠানগুলির দিকে তাকালে তাক লেগে যাবে। কোথা থেকে এত টাকা আসছে, তা নিয়ে নজরদারি নেই প্রশাসনের। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত লাগোয়া এইসব স্থানে পুলিশ-প্রশাসনেও মুসলিম আধিক্য বেশি। ফলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রশাসনের একটা গোপন আঁতাঁতের অভিযোগ উঠছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এমনকি বেশ কিছু মাদ্রাসায় অবৈধ কাজকর্ম চলে বলেও অভিযোগ উঠেছে।  

    এই সব এলাকা থেকে প্রতি বছর ৫০ জন যুবক সৌদি আরবে ধর্মীয় পাঠ পড়তে যান। বেশিরভাগই ইমাম বা বুখারি হয়ে ফিরে আসেন। এখানে মাদ্রাসায় তাঁরা শিক্ষকতা করেন। প্রচার করেন তাঁদের ভাবনা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে টাকা আসে। টাকা আসে সৌদি আরব থেকে। আবার সরকারের সমস্ত সুযোগ সুবিধাও ভোগ করে এই মাদ্রাসাগুলি। 
    এলাকায় গেলেই বোঝা যাবে, মেয়েদের মধ্যে বিজ্ঞান পড়ার ঝোঁক বাড়লেও, মুসলিম যুবকদের মধ্যে উগ্র মৌলবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে। 

    এই উগ্র মৌলবাদী চিন্তাধারা এখানকার অনেক যুবককেই ঠেলে দিচ্ছে দেশদ্রোহিতার পথে। তারা যোগ দিচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে। বিভিন্ন নাশকতার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে তারা। এই মৌলবাদী ভাবধারার পাশাপাশি এক শ্রেণির মুসলিম আটকে আছেন তাঁদের সাবেকি চিন্তাধারা নিয়ে।  অনেক মুসলিমই এখানে দু-তিনটি বিয়ে করেছেন। তাঁদের বহু সন্তান। এক মুসলিম তো বলেই ফেললেন, তাঁদের সমাজে কম সন্তান হওয়া মানে গুণাহ বা অপরাধ। মুসলিম মহিলাদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানাচ্ছেন, এটাই তাঁদের রীতি। ফলে আধুনিক চিন্তাধারা এখানে পৌঁছচ্ছে না। বরং বেশ কিছু মাদ্রাসায় যেভাবে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, সেভাবেই ধ্যান ধারণা তৈরি হচ্ছে  স্থানীয়দের মধ্যে। এভাবেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা। সাহায্য আসছে আরব সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। নিঃশব্দেই বাড়ছে মুসলিম আধিপত্য। আর ক্রমশ অসহায় হয়ে পড়ছেন সীমান্ত লাগোয়া বসবাসকারী অসংখ্য হিন্দু পরিবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, দিনের পর দিন বাড়ছে সংক্রমণ

    Dengue: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, দিনের পর দিন বাড়ছে সংক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সেই অর্থে বঙ্গে (West Bengal) বর্ষার বৃষ্টি হয়নি। তাতে কি? পুজোর মুখে ডেঙ্গি (Dengue) এসে হাজির। কেবল হাজির নয়, রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ। জানা গিয়েছে, গত দু সপ্তাহে এ রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন দু হাজার ২৪০ জন। গোটা রাজ্যের ছবিটাও চোখ কপালে তোলার পক্ষে যথেষ্ট। সংক্রমিতের সংখ্যা ছ হাজার ৪২৪ জন। গত এক সপ্তাহে কেবল সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ছশোর কাছাকাছি ডেঙ্গি সংক্রমিত রোগী।

    ফি বৃহস্পতিবার ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে হয় সাপ্তাহিক আলোচনা। সেখানকার একটি সূত্র থেকেই জানা গিয়েছে, গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি চোখ রাঙালেও, সংক্রমণ সব চেয়ে বেশি হাওড়া (Howrah), জলপাইগুড়ি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Pargana)। সম্প্রতি হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বছর এগারোর শুভম সরকারের। শনিবার এনআরএস (NRS) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। কিছু দিন আগে হাওড়া পুরসভারই আট নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছিল এক যুবকের। 

    আরও পড়ুন : প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    প্রাণঘাতী ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে বছর সাঁইত্রিশের সন্দীপকুমার মুখোপাধ্যায়ের। উত্তরপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। দিন কয়েক আগেও এই ওয়ার্ডেরই এক যুবকের মৃত্যু হয়েছিল ডেঙ্গিতে। ডেঙ্গি মারণ থাবা বসিয়েছে লাগোয়া শহর শ্রীরামপুরেও। কিছু দিন আগে এখানেও মৃত্যু হয় ডেঙ্গি সংক্রমিত এক মহিলার। জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে কলকাতা পুরসভায় ডেঙ্গি সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়েছে ১৪২ জন। যমজ শহর হাওড়ায় ৬৪ জন। বালি পুরসভায় ৬৩ জন।আর উত্তরপাড়ায় ৩৭ জন। উত্তর ২৪ পরগনায়ও দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গি সংক্রমিতের সংখ্যা।

    ডেঙ্গি সংক্রমণ যে ক্রমেই বাড়ছে, সে ছবি ধরা পড়ছে রোগ পরীক্ষায়ও। কলকাতায় ডেঙ্গির এনএস-১ পরীক্ষা করিয়েছিলেন ৪২৪০ জন। তাঁদের মধ্যে পজিটিভ কেস ২৯৬। আইজিএম টেস্ট করিয়েছিলেন ১৫৭১ জন। তাঁদের মধ্যে পজিটিভ ১৩৩। হাওড়ায় এনএস-১ টেস্ট করিয়েছিলেন ২৯৮১। তার মধ্যে পজিটিভ রোগীর সংখ্য ৪৬১। উত্তর ২৪ পরগনায় ওই টেস্ট করিয়েছেন ৫৭৭১। পজিটিভ ৪৬৭।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সব থেকে বড় এবং উঁচু মন্দির তৈরি হচ্ছে বাংলার (West Bengal) মায়াপুরে (Mayapur)। বিশ্বের সব থেকে উঁচু গম্বুজ থাকবে এই মন্দিরেই। ইসকন (ISKCON) কর্তৃপক্ষের অত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির।  

    বিশ্বের এই বৃহত্তম ধর্মীয় স্থাপত্যটি তৈরি হচ্ছে নদীয়ার মায়াপুরে। নাম দেওয়া হয়েছে বৈদিক তারামণ্ডল মন্দির (Vedic Planetarium)। আগে ২০২৩ সালে এই মন্দির উদ্বোধনের কথা থাকলেও কোভিডের কারণে পিছিয়ে যায় কাজ। আশা করা হচ্ছে ২০২৪ সালের মধ্যেই এই মন্দিরের উদ্বোধন হয়ে যাবে। এই মন্দির পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: ভারতের ধনীতম গণপতি! ৩১৬ কোটি টাকার বিমায় সুরক্ষিত মুম্বইয়ের এই গণেশ, আওতায় ভক্তরাও!  

    এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। 

    আপাতত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য কম্বোডিয়ার আংকর ভাট মন্দির। কিন্তু এই মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পরে শীর্ষস্থান দখল করবে বাংলাই। তাজমহল, ভার্টিক্যান সিটির সেন্টপলস ক্যাথিড্রালের থেকেও উঁচু হবে এই মন্দিরের চূড়া। 

    এই বৈদিক তারামণ্ডলে বৈদিক কসমোলজি ইনস্টিটিউট থাকবে। এখানে বৈদিক বিজ্ঞান, মহাকাশ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে। 

    ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির। একসঙ্গে ১০ হাজার ভক্ত থাকতে পারবেন এই মন্দিরে। 

    আরও পড়ুন: উল্লা কাণ্ডা, পৃথিবীর উচ্চতম স্থানে অবস্থিত কৃষ্ণ মন্দির

    এই মন্দিরটির নেতৃত্বে থাকবেন আলফ্রেড ফোর্ড। বিখ্যাত ব্যবসায়ী হেনরি ফোর্ডের প্রপৌত্র এবং ফোর্ড মোটর কোম্পানির ভবিষ্যত মালিক তিনি। ইসকনে যোগদানের পর ১৯৭৫ সালে নিজের নাম পরিবর্তন করে অম্বরীশ দাস রাখেন৷ মন্দির তৈরির জন্যে ৩ কোটি টাকা দিয়েছেন তিনি।  
    ভিয়েতনাম থেকে আনা মন্দিরটি নীল বলিভিয়ান মার্বেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে। এই মন্দিরটি নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন আচার্য প্রভুপাদ। বৈদিক বিজ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চেয়েছিলেন তিনি।

    প্ল্যানেটেরিয়ামে একটি বিশাল ঘূর্ণায়মান মডেল থাকছে। এটি ভগবত গীতা, পুরাণের মতো পবিত্র গ্রন্থে বর্ণিত বিষয়গুলিকে চিত্রায়িত করবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UGC: ইউজিসির ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে কলকাতার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    UGC: ইউজিসির ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে কলকাতার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের (West Bengal) দুটি স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ‘ভুয়ো’ ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। এদের মধ্যে একটি চৌরঙ্গির ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন’ এবং অপরটি ঠাকুরপুকুরের ‘ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ’। সারা দেশের মোট ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়ো (Fake University) ঘোষণা করেছে ইউজিসি।

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    ইউজিসির নির্ধারণ করা নিয়মগুলি মেনে না চলায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভুয়ো ঘোষণা করা হয়েছে। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে ইউজিসি। ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দিতেই নারাজ ইউজিসি। প্রসঙ্গত, সবচেয়ে বেশি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত হয়েছে দিল্লিতে (Delhi)। দিল্লির মোট আটটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়ো ঘোষণা করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল ইউজিসি নেটের দ্বিতীয় পর্ব, জানুন বিস্তারিত

    উত্তরপ্রদেশের চারটি প্রতিষ্ঠানকে ভুয়ো করেছে ইউজিসি। দিল্লি সরকারের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যান্ড ফিজিক্যাল হেলথ সায়েন্স, কমার্শিয়াল ইউনিভার্সিটি লিমিটেড, ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিশ্বকর্মা ওপেন ইউনিভার্সিটি ফর সেলফ এমপ্লয়মেন্ট, আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়ো ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।   

    আরও পড়ুন: ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে কুয়েট পিজি, জানাল ইউজিসি 

    কেরলের সেন্ট জোনস, মহারাষ্ট্রের রাজা আরাবিক ইউনিভার্সিটিকেও ভুয়ো ঘোষণা করা হয়েছে ইউজিসির তরফ থেকে। 

    আরও পড়ুন: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ! নিখরচায় ২৩,০০০ -এরও বেশি কোর্স করাবে ইউজিসি 

    উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের গান্ধি হিন্দি বিদ্যাপীঠ, কানপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব ইলেক্ট্রো কমপ্লেক্স, সুভাষচন্দ্র বোস মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ফৈজাবাদের ভারতীয় শিক্ষা পরিষদকে ভুয়ো ঘোষণা করা হয়েছে। ওড়িশার দুটি, অন্ধপ্রদেশের একটি এবং পুদুচেরির একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • PIL: বাম-বিজেপি নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নয়া মোড়! কী হল আদালতে?

    PIL: বাম-বিজেপি নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নয়া মোড়! কী হল আদালতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলের প্রথম সারির ১৭ জন নেতার নামে সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় সবরকম সহোযোগিতার আশ্বাস দিলেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের আইনজীবী। মঙ্গলবার মামলার শুনানির সময় সিপিএমের দুই নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য এবং মহম্মদ সেলিমের আইনজীবীরা জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন তাঁদের মক্কেলরা। কিন্তু তদন্ত করাতে হবে যে কোনও নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন সংস্থাকে দিয়ে। আইনজীবীরা এদিন স্পষ্টই জানান, মামলায় সবরকম সহযোগিতা করবেন তাঁরা। তবে মামলার নথি আদান প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুনানিপর্ব পিছিয়ে দেওয়া হয়। আগামী মঙ্গলবার ৩০ অগাস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

    এর আগে শাসকদলের ১৯ জন নেতামন্ত্রীর নামে সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছিল। যে মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তারই পাল্টা বিরোধীদের ১৭ নেতার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্টে জনৈক সুজিত গুপ্ত এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। আদালতে মামলাকারী জানান, ১৭ জন বিজেপি বিধায়ক-সাংসদ এবং অন্যান্য দলের নেতার আয় ও সম্পত্তি বৃদ্ধি নজরে রাখা উচিত। কারও কারও সম্পত্তি দ্বিগুণ বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন মামলাকারী।

    আরও পড়ুন: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    এই মামলায় নাম রয়েছে তৃণমূলের কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও। এছাড়া রয়েছে, বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামও। নাম রয়েছে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজকুমার ওরাওঁ, কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী, আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত, বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি, বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ সিনহার (রাহুল সিনহা)। নাম রয়েছে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা আব্দুল মান্নান, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম ও সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের।

  • IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জ্ঞানবন্ত সিংহ (IPS Gyanwant Singh) হাজির হননি, কিন্তু মঙ্গলবার দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন আইপিএস অফিসার কোটেশ্বর রাও (IPS Koteswar Rao)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal smuggling case) আয়কর তল্লাশিতে (Income Tax raid) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anoop Majhi) ওরফে লালার বাড়ি থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কোটেশ্বরের যোগসূত্র মিলেছে। লালার ডায়েরিতেও কোটেশ্বরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলে ইডি দাবি করেছে। সেই প্রেক্ষিতেই আগেও একদফা ডেকে পাঠানো হয়েছিল পশ্চিমাঞ্চলে কাজ করা আট জন আইপিএসকে (ED summons 8 IPS) । এবারও সেই সূত্রেই ফের ডাক দিয়েছে ইডি (ED)।

     জ্ঞানবন্ত না গেলেও এদিন অবশ্য কোটেশ্বর হাজির হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। বাকি অফিসাররা এখনও লিখিতভাবে কিছু জানাননি। ফলে তাঁরাও হাজির হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। জ্ঞানবন্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত সোমবার ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ফের ডাকা হতে পারে বলে তদন্তকারী সংস্থাসূ্ত্রের দাবি। 

    আরও পড়ুন: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে? 

    এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন, রাজীব মিশ্র , সুকেশ জৈন, শ্যাম সিং, এস সেলভামুরগান, তথাগত বসু, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। জ্ঞানবন্ত সিংকে ডাকা হয়েছিল ২২ অগাস্ট, কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩ অগাস্ট, শ্যাম সিংকে ডাকা হয়েছে ২৪ অগাস্ট। এছাড়াও এস সেলভামুরুগান, রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, তথাগত বসু এবং ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে যথাক্রমে ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ৩১ অগাস্ট তলব করেছে ইডি। দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাঁদের ৷ কয়লাপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা ৷ দিল্লিতে দুবার ও কলকাতায় একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে ৷ রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ানও৷ এস সিলভা মুরুগানকেও এর আগে একবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: জুলাই মাসে রাশিয়া ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কয়লা সরবরাহকারী, বলছে রিপোর্ট 

    ইডি আধিকারিকদের দাবি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অন্যান্যদের জেরা করে এই ৮ আইপিএস অফিসারদের নাম উঠে এসেছে ৷ আসানসোল-রানিগঞ্জ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াসহ একাধিক জায়গায় কর্মরত থাকা কালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে কয়লাপাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবেন ইডি আধিকারিকরা। যদি জানা থাকে তাহলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল ? কোনও প্রভাবশালীর নাম তাঁরা জানতেন কি না? ইডির আরও প্রশ্ন থাকবে, জানা থাকলে এবিষয়ে তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না? এবিষয়ে কোনও ব্যক্তিকে আজ অবধি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না সে বিষয়েও এই আট আধিকারিকের কাছে জানতে চাইবে ইডি। 

    আগেও এই পুলিশ কর্তাদের তলব করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে যে শুধু নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে তাই নয়, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে লরি করে কয়লা পাচার করা হত। তারপরও পুলিশের মুখ বন্ধ ছিল। মূলত আসানসোল, পুরুলিয়া এলাকাতেই চলত পাচার। 

    এঁদের মধ্যে কেউ তখন ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার, কেউ ছিলেন আইসি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই পুলিশ কর্তারা ইচ্ছে করেই আটকাননি পাচার। ইডি সূত্রের খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকত বিশেষ টোকেন নম্বর, যা দেখে কয়লার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হত। কার্যত পাচারে সুবিধা করে দেওয়া হত। এমনকি আর্থিক দিক থেকে লাভবানও হতেন এই পুলিশকর্তারা বলে অভিযোগ করেছে ইডি। আগেও একাধিক অফিসারকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এসএসসি দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। পার্থ ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা এল কোথা থেকে তার তদন্তে নেমেছে ইডি। দশ বার নোটিস এড়ানোর পর আজ গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে তার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এবার ইডির নজরে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসার। ফলে রাজ্য সরকার যে যথেষ্ট বিপাকে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। 
        

  • Covid 19: ভয় ধরাচ্ছে করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ১৬,০৪৭ জন, মৃত্যু ৫৪ জনের 

    Covid 19: ভয় ধরাচ্ছে করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ১৬,০৪৭ জন, মৃত্যু ৫৪ জনের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ (Covid 19)। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬,০৪৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে এযাবৎ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৪১,৯০,৬৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। এই অবধি এ দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫,২৬,৮২৬ জনের। 

    এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১,২৮,২৬১। এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৯৮.৫%। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,৫৩৯ জন। এই অবধি গোটা দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,৩৫,৩৫,৬১০ জন।

    আরও পড়ুন: কোভিডের এই ১৩টি উপসর্গকে কখনই অবহেলা করবেন না, অবিলম্বে পরীক্ষা করান

    মুম্বইয়ে (Mumbai) বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। একদিনে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৭৯ শতাংশ। স্বপ্ননগরী মুম্বইয়ে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫২ জন। এই সময়ে সেখানে করোনায় মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। ১ জুলাইয়ের পর থেকে এটাই মুম্বইয়ে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। ১ জুলাই মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৮ জন এবং সেখানে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল দুই জনের। 

    দিল্লিতেও (Delhi) বাড়ছে সংক্রমণ। একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২,১৪৬ জন। ১৮০ দিনের মধ্যেই এটাই সর্বোচ্চ সংক্রমণ। পজিটিভিটি রেট ১৭.৮৩%। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’? 

    পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) করোনা সংক্রমণ সামান্য কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৯ জন। মঙ্গলবার এই পরিসংখ্যানটা ছিল ৫২৫। রাজ্য়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে ৫ জনের। বর্তমানে রাজ্যে কোভিড পজিটিভিটির হার ৯৮.৬৬ শতাংশ। করোনা মহামারী শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ লাখ ৪৭৭। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ লাখ ৭২ হাজার ৪২১ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ৪১০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ২১৪ জনের।

LinkedIn
Share