Tag: West Bengal

West Bengal

  • South 24 Parganas: থানায় ঢুকে ‘পুলিশকে মারধর’! অভিযুক্ত ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    South 24 Parganas: থানায় ঢুকে ‘পুলিশকে মারধর’! অভিযুক্ত ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। লক আপ থেকে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিংয়ে। অভিযোগের তির ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি অরিত্র বসুর দিকে। ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডিজির কাছে থানার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানা (South 24 Parganas) এলাকার রায়বাঘিনীর মোড়ে টহলরত পুলিশ মঙ্গলবার জয়ন্ত ঘড়াই নামে এক ব্যক্তিকে চাঁদা তোলার নামে জুলুমবাজির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাঁকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিযোগ, এরপরই অরিত্র বসু নামে এক তৃণমূল নেতা এলাকার লোকজনকে নিয়ে ক্যানিং থানায় ঢুকে পড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। আটক জয়ন্ত ঘড়াইকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। অভিযোগ, সেই সময় থানায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের মারধরও করেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খান ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ। পরে আরও লোকজন থানায় ঢুকে ঝামেলা করতে থাকেন। থানার আইসি-র গায়ে হাত তোলা হয়। দুজন সাব ইন্সপেক্টরকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে থানায় যান ক্যানিংয়ের এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল। যদিও থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। জানা যাচ্ছে, পুলিশের দুই আধিকারিক সৃজন সারথী নামের এক সাব ইন্সপেক্টর ও দেবজ্যোতি সরকার নামে এএসআই পদমর্যাদার দুই আধিকারিককে বারইপুর জেলা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বদলি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি করলেন শুভেন্দু

    ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি ( Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘থানাতেই (South 24 Parganas) পুলিশকে মেরে ধৃত যুব তৃণমূল নেতা জয়ন্ত ঘড়াইকে লকআপ থেকে বের করে আনেন অরিত্র বসু। অরিত্র ও জয়ন্ত দুজনই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ দাসের ঘনিষ্ঠ। কালীপুজোর চাঁদার নামে তোলাবাজির অভিযোগ জয়ন্তর বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে ক্যানিং থানার পুলিশ পৌঁছলে জয়ন্তর দলবলের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি হয়। পুলিশ জয়ন্তকে থানায় নিয়ে এলে দলবল নিয়ে চড়াও হন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অরিত্র বসু। এসআই-কে মারধর করে জয়ন্তকে লকআপ থেকে বের করে নিয়ে যান অরিত্র। তারপর থেকেই অরিত্র ও জয়ন্তকে বাঁচাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ক্যানিং থানার আইসি এবং এসডিপিও।” থানার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি শুভেন্দুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: রেললাইনে ডিটোনেটর! উত্তরাখণ্ডে বড় নাশকতার চেষ্টা, গ্রেফতার এক যুবক

    Uttarakhand: রেললাইনে ডিটোনেটর! উত্তরাখণ্ডে বড় নাশকতার চেষ্টা, গ্রেফতার এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগে ভারতীয় রেলে বড়সড় নাশকতার ছক। উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) দেরাদুনে রেললাইনে মিলল ডিটোনেটর (Detonator)। ট্রেন লাইনচ্যুত করানোর সেই ছক বানচাল করল রেল পুলিশ। ইতিমধ্যেই ষড়যন্ত্রকারী সন্দেহে এক জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। তবে কেন লাইনের ওপর ডিটোনেটর ফেলে রাখা হয়েছিল, সে সম্পর্কে এখনও কোনও ধারণা মেলেনি। ধৃত যুবক ছাড়াও অন্য কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এক তদন্তকারী অফিসার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Uttarakhand)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) হরিদ্বারের মোতিচুর স্টেশনের কাছে রেললাইন দেখভালের সময় ওই ডিটোনেটর নজরে আসে রেলকর্মীদের। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রেল পুলিশকে। ঘটনাস্থলে আসেন রেলের পদস্থ কর্তারা। উদ্ধার করা হয় ওই বিস্ফোরক। প্রাথমিক তদন্তে নেমে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের বাসিন্দা এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ওই যুবকই লাইনে ডিটোনেটর ফেলে রেখেছিলেন। দীপাবলির আগে বড়সড় নাশকতা ঘটাতেই পরিকল্পিতভাবে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। সৌভাগ্যবশত কোনও দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিষয়টি নজরে আসে রেলকর্মীদের। পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    বারবারই নাশকতার ছক!

    বিগত কয়েক মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রেন লাইনচ্যুত (Uttarakhand) হওয়ার ঘটনা ঘটছে। কখনও গুজরাট, কখনও মধ্যপ্রদেশ, আবার কখনও উত্তরপ্রদেশে ট্রেন লাইনচ্যুত করানোর চেষ্টা করা হয়। রেললাইনের ওপর গ্যাস সিলিন্ডার রেখে, কখনও সিমেন্টের ব্লক, কখনও লোহার পাত, কখনও মাটি ফেলে ট্রেন লাইনচ্যুত করানোর চেষ্টার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। মধ্যপ্রদেশের নেপানগর বিধানসভা এলাকার সাগফাতা স্টেশনের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা ডিটোনেটরের সাহায্যে ট্রেনে বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টা করে। রেললাইনে ফেলে রাখা ডিটোনেটরের ওপর থেকে ট্রেন যাওয়ার সময় জোরদার বিস্ফোরণও ঘটে। কিছু ক্ষেত্রে চালকের তৎপরতায় বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে, আবার অনেক সময় রেলকর্মীরাই রুখে দিয়েছেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টা। সাম্প্রতিক সময়ে বার বার ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় রেলের যাত্রীসুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tab: ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা বহু পড়ুয়ার ব্যাঙ্কে জমাই পড়েনি! প্রশ্নের মুখে শিক্ষা দফতর

    Tab: ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা বহু পড়ুয়ার ব্যাঙ্কে জমাই পড়েনি! প্রশ্নের মুখে শিক্ষা দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগে রাজ্য সরকার ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৬ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ট্যাব (Tab) কেনার টাকা দিতে শুরু করে। সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া শুরু করে। কিন্তু, অনেকের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা ঢোকেনি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য পড়েছে। প্রশ্নের মুখে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের ভূমিকাও।

    বহু পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি টাকা! (Tab)

    এ বারই প্রথম রাজ্য সরকার একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির সব পড়ুয়াকে এই টাকা (Tab) দিচ্ছে। যা বাজেট পেশের সময়েই রাজ্যের পক্ষে জানানো হয়েছিল। প্রথমে ঠিক ছিল প্রতি বছরের মতো এ বারেও শিক্ষক দিবসের দিন ৫ সেপ্টেম্বর উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। শেষ বেলায় তা পিছিয়ে যায়। তবে পুজোর আগেই টাকা পাঠানো শুরু করে দেয় শিক্ষা দফতর (Education Department)। দীপাবলি এসে গেলেও বেশির ভাগ পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তা জমা পড়েনি। বিভিন্ন জেলা থেকেই এমন অভিযোগ এসেছে যে, ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় ট্যাব বা মোবাইল কেনার টাকা থেকে বঞ্চিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার্থীরা। সরকারি পোর্টালে পড়ুয়াদের নাম নথিভুক্ত না থাকার কারণেই এই জটিলতা বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। এ নিয়ে অনেক অভিযোগ উঠলেও শিক্ষা দফতরের বক্তব্য, কিছু কিছু ক্ষেত্রে গোলমাল হয়ে থাকলেও তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠিক হয়ে যাবে, সকলেই টাকা পাবে। অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসের রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, ‘‘বৃত্তিমূলক শাখার পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা এখনও আসেনি। বাংলা শিক্ষা পোর্টালে নাম নেই বলেই এই টাকা দেওয়া হচ্ছে না।’’

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

     কী সাফাই দিল বিকাশ ভবন?

    শুধু বৃত্তিমূলক পড়ুয়ারাই নয়, বিভিন্ন জেলার কোথাও চার হাজার, কোথাও ছ’হাজার পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Tab) এখনও টাকা পৌঁছয়নি। তবে এই টাকা না পৌঁছনোর কারণ হিসেবে বিকাশ ভবনের দাবি, অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া, অন্যের অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া এমন কারণেও অনেকের টাকা পৌঁছায়নি। ভুল অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়ায় অনেকের টাকা সেখানে চলে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। তবে পুজোর ছুটি মিটে যেতেই দ্রুত সমাধানে উদ্যোগী হচ্ছে বিকাশ ভবন। ৩০ অক্টোবর থেকেই সব পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে কি না তার খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দফতর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, হাওড়া, দক্ষিণ দিনাজপুরে বহু পড়ুয়া টাকা পাননি বলে অভিযোগ।

    সরকারি অর্থের অপচয়

    বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘বিদ্যালয়গুলোকে বাঁচাতে, পরিকাঠামো উন্নয়ন করতে ও শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে যদি এর দশ ভাগের এক ভাগ (Tab) তৎপরতা দেখাত, তা হলে এই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাটা বেঁচে যেত। সরকারি অর্থের অপচয় কী ভাবে করতে হয় তা এই সরকারের কাছ থেকে শেখা উচিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: বারবার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি, অবশেষে শালতোড়া বিস্ফোরণের তদন্তে এনআইএ

    NIA: বারবার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি, অবশেষে শালতোড়া বিস্ফোরণের তদন্তে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বাইকে বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিস্ফোরণের রহস্য এখনও উদঘাটন হয়নি। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ খুঁজতে এনআইএ দিয়ে তদন্ত করার জন্য বার বার দাবি জানিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে এবার এই বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করল এনআইএ (NIA)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (NIA)

    জানা গিয়েছে, গত ৩০ অগাস্ট রাতে প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া থানার লাপাহাড়ি এলাকা। ঘটনায় মৃত্যু হয় জয়দেব মণ্ডল নামে এক বাইক আরোহীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এলাকায়। শোরগোল পড়ে যায় প্রশাসনিক মহলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই বাইক আরোহীর বাড়ি শালতোড়া থানারই ঝনকা এলাকায়। বাইকে চড়ে শালতোড়া থানার লাপাহাড়ি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তার বাইকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু, কীভাবে ওই বিস্ফোরণ ঘটল, ওই ব্যক্তি বাইকে করে বিস্ফোরক বহন করছিলেন কিনা তা নিয়ে এতদিন তদন্ত করছিল পুলিশ। এবার সেই তদন্তভার নিজেদের হাতে নিল এনআইএ।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এদিকে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সময় রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চাপানউতোরও হয়। এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবিতে পথে নামে বিজেপি। বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এলাকায় অবৈধ খননকাজের জন্যই বাইকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ডিনামাইটের মতো ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক। স্পষ্ট অভিযোগ ছিল বিরোধী দলনেতার। শেষ পর্যন্ত এনআইএ মাঠে নামায় তদন্ত সঠিক পথে এগোবে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করেনি। কী কারণে বিস্ফোরণ হল এখনও পরিষ্কার নয়। এনআইএ তদন্তে সব কিছু এবার প্রকাশ্যে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    Suvendu Adhikari: আয়ুষ্মান ভারত চালু করেনি মমতা, প্রধানমন্ত্রীর সুরেই আক্রমণ শুভেন্দুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এই কার্ড রাজ্যে অবিলম্বে চালু করার আর্জি রাখেন তিনি। মূলত, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে আক্ষেপ করেছিলেন, তা নিয়ে এই ভাষাতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন? (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার প্রবীণদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল এবং দিল্লির আপ সরকার অসুস্থ মানুষকে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে, যা অমানবিক। এই প্রকল্প চালু না হওয়ায় বাংলার প্রবীণ নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প ( Ayushman Bharat Card) সম্পর্কে বলতে গিয়েই প্রধানমন্ত্রী রীতিমতো আক্ষেপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী , সিনিয়র সিটিজেন আয়ুষ্মান কার্ড চালুর ব্যবস্থা করবে বলে প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু?

    মঙ্গলবার একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে আসানসোলে আসেন রাজ্যের  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনেছি, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি সিনিয়র সিটিজেনদের কাছে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। কারণ, সিনিয়র সিটিজেন ৭০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য আয়ুষ্মান ভারত কার্ড লাগু হবে। কিন্তু, এই দুই রাজ্যে তা হচ্ছে না।’’ পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই কার্ড পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনও কাজে লাগে না সেখানে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড কাজ করে। এমনকী রাজ্যের বহু নার্সিংহোম এই কার্ডের মান্যতা দেন না। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড চালু না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তার আক্ষেপের কথা বলেছেন।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘মমতা, মূর্খ মুখ্যমন্ত্রী! আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। বাংলার রাজ্য সরকার আয়ুষ্মান ভারত চালু করতে দিচ্ছে না। রাজ্য সরকারের উচিত অবিলম্বে আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিশনের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় (Cyclone Dana) ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি মেরামতির জন্য ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বাঁকুড়ার ইন্দপুর ব্লক প্রশাসন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিডিও-র তরফে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হয়েছে, এই দাবি তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP)। অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওর বরখাস্ত দাবিও করেছে পদ্ম শিবির।

    ঠিক কী অভিযোগ? (BJP)

    আগামী ১৩ নভেম্বর বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। উপনির্বাচন উপলক্ষে গোটা বাঁকুড়া জেলায় লাগু হয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। আর এই সময়ের মধ্যে গত ২৮ অক্টোবর ইন্দপুরের বিডিও সুমন্ত ভৌমিকের তরফে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে পাঠানো একটি চিঠিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি যাচাই করে দেখে ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের বেছে তার তালিকা আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপভোক্তাদের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় নথি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিশদ তথ্য নিয়ে ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতগুলিকে। যাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। 

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে তপ্ত বাঁকুড়ার রাজনীতি। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, “এলাকার কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের সরকারি প্রকল্পে পাকা বাড়ি দেওয়ার দাবিতে আমরা বারবার ইন্দপুরের বিডিও-র দ্বারস্থ হয়েছি। তখন তিনি কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের না দিয়ে সেই ঘর দিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের। এখন তৃণমূলকে উপনির্বাচনে জেতানোর লক্ষ্যে নির্বাচনী বিধি ভেঙে সরকারি প্রকল্পের বাড়ি দেওয়ার ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু করছেন। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি ওই বিডিওকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছি।” এ নিয়ে বিডিও আলাদা করে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর-তারাপীঠ, রাজ্যের বিভিন্ন কালীমন্দিরে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    Kali Puja 2024: কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর-তারাপীঠ, রাজ্যের বিভিন্ন কালীমন্দিরে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপুজো (Kali Puja 2024) বিশেষ জাঁকজমক সহকারে পালিত হয়। আজ কালীপুজো। দুর্গাপুজার পাশাপাশি কালীপুজোতেও বিভিন্ন আচার-নিয়ম (Rituals) থাকে। আর কালীপুজোর বিশেষ আকর্ষণই হল মায়ের ভোগ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শ্যামামায়ের মন্দির। আর সেই এক এক মন্দিরের এক এক রকমের ভোগ মাকে নিবেদন করা হয়। কলকাতার সবচেয়ে বিখ্যাত কালীমন্দিরটি হল কালীঘাট মন্দির। এটি একটি সতীপীঠ। এছাড়া দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি, আদ্যাপীঠ, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি ইত্যাদি কলকাতার বিখ্যাত কয়েকটি কালীমন্দির। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সেভকেশ্বরী কালীমন্দিরও বেশ বিখ্যাত।

    কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়?

    কালীপুজোর সময় মায়ের যে ভোগ হয়, তা অন্যান্য পুজোর থেকে বেশ কিছুটা আলাদা। এক নজরে দেখে নিন, কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়?

    কালীঘাট মন্দির

    সতীর একান্নপীঠের অন্যতম এই কালীঘাট (Kalighat)। সকালে মা-কে আমিষ পদ ভোগে দেওয়া হয়। সেই ভোগের মধ্যে রয়েছে বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মা-কে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

    আনুমানিক ১৭০৩ সালে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী নামে এক তান্ত্রিক সন্ন্যাসী সেই সময় জঙ্গলের মধ্যে পঞ্চমুণ্ডির আসনে ও ঘটে পুজো (Kali Puja 2024) শুরু করেন। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয় লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির

    ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি দক্ষিণেশ্বরের পুজোর (Kali Puja 2024) বিশেষ আকর্ষণ। আর ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি।

    তারাপীঠ ম

    কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তাঁরা। কালীপুজোর দিন তারা মা-এর ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সেভকেশ্বরী কালী মন্দির

    শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এই কালীমন্দির। কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিনগুলিতে এই সেভকেশ্বরী কালীমন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। সেবক পাহাড়ের নির্জনতায় হয় কালী মায়ের আরাধনা। অনেকেরই বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রতা। এখানে মা-এর ভোগে থাকে সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, পায়েস, লুচি, দই, মিষ্টি। আর এখানে ভোগের আকর্ষণ হল বোয়াল মাছ। এদিন এই মাছ দেবীর ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    Kali Puja 2024: রানাঘাটে চূর্ণী নদীর তীরে জঙ্গলে সিদ্ধেশ্বরী কালীর নামকরণ করেছিলেন ‘রণ ডাকাত’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাতা কালিকা দশম মহাবিদ্যার একটি বিদ্যা। তিনি ভীষণ-দর্শনা। শক্তি ও সাহসের দেবী। ডাকাতরা নাকি কোথাও ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর (Kali Puja 2024) আরাধনা করত, এমন গল্প তো প্রচলিত রয়েছেই। এ নিয়ে বহু গল্প, উপন্যাস সংকলিত হয়েছে। ‘ডাকাত কালী’ আজও বাঙালির কাছে একটা মিথ হয়ে রয়েছে। রণ ডাকাতের প্রতিষ্ঠিত নদিয়ার রানাঘাটে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে মায়ের (Ranaghat Siddheswari Kali) আরাধনা করে তাঁর বাহিনী ডাকাতি করতে যেত।

    কেন সিদ্ধেশ্বরী নামকরণ? (Kali Puja 2024)

    সপ্তদশ শতকে চূর্ণী নদীর তীরের জঙ্গল। লোক বসতি একদমই নেই। এখানেই থাকতেন ডাকাত দলের সর্দার রণ এবং তাঁর বাহিনী। মায়ের আরাধনা করে তিনি ডাকাতি করতে যেতেন। এমনটাই জনশ্রুতি রয়েছে ওখানে। আরও প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, মা কালী সমস্ত কামনা পূরণ করতেন, তাই রণ ডাকাত এই মায়ের নাম সিদ্ধেশ্বরী রাখেন। মূলত ডাকাত রণ-র নাম অনুসারে চূর্ণী নদীর এই তীর রাণাঘাট নামে পরিচিত হয় বলেও শোনা যায়।

    মন্দির তৈরির ইতিহাস

    মন্দিরের (Kali Puja 2024) দেবীমূর্তি দক্ষিণা কালিকা বিগ্রহ। জনশ্রুতি রয়েছে, সেসময় বাংলায় ইংরাজের উত্থান সবে শুরু হয়েছে। একদিন এক ইংরাজ সাহেব প্রাণভয়ে ভীত হয়ে দেবীর মন্দিরে ছুটে এসে ঢুকে পড়েছিলেন এবং আত্মত্রাণের জন্য দেবীর চরণ স্পর্শ করে প্রার্থনা জানিয়েছিলেন। তখন ছিল রাত্রিবেলা। ইংরাজটি সে রাত্রে রক্ষা পেয়েছিলেন। কিন্তু ইংরেজদের তখন ম্লেচ্ছ মানা হত। তাই ম্লেচ্ছ স্পর্শের কারণে তখনকার সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের বিবেচনায় দেবীকে নদীগর্ভে বিসর্জন দেওয়া হয়েছিল, সেই সঙ্গে দেবীর মন্দিরটিও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এরপর সে সময়কার সেবাইতের চেষ্টায় স্থানীয় ঘটক বংশীয় দুইজন ভক্ত ও জমিদার পাল চৌধুরীদের এক কর্তাব্যক্তির সহায়তায় দেবীর শিলাময়ী মূর্তি কাশীধাম থেকে এনে কোঠা মন্দির অর্থাৎ চাঁদনী জাতীয় মন্দির (বর্তমান মন্দিরের গর্ভগৃহ) নির্মাণ করে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তখন থেকেই শিলাময়ী দক্ষিণা কালীর মূর্তিটিই সিদ্ধেশ্বরী নামে রানাঘাটের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে পূজিতা হচ্ছেন। এই মূর্তিটিও প্রাচীন। বয়স দু’শ বছরের কম নয়। মন্দিরের পাশে ছোট একটি মন্দিরে মহাদেব প্রতিষ্ঠিত আছেন। নাটমন্দির অনেক পরে তৈরি হয়। এ ব্যাপারে কতিপয় স্থানীয় লোকের আর্থিক সাহায্য ছিল।

    নাটমন্দির তৈরির ইতিহাস

    জনশ্রুতি আছে, নাটমন্দির (Kali Puja 2024) তৈরি হওয়ার আগে মন্দিরের দক্ষিণপূর্ব কোণে একটি বিরাট অশ্বত্থ গাছ ছিল। ওই গাছটি নাটমন্দির নির্মাণে বা মন্দিরের অন্যবিধ কাজে বাধা সৃষ্টি করেছিল। অথচ বিপদ-আপদ ঘটে যাওয়ার ভয়ে কেউই গাছটি কাটছিল না। তখন একজন নিঃসন্তান ব্যক্তি গাছটিকে কুঠারাঘাতে কেটে ফেলে। আশ্চর্য তারপর অপুত্রক সেই লোকটির ভাগ্য ফিরে যায় এবং আর্থিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর একাধিক সুন্দর স্বাস্থ্যবান পুত্র লাভ হয়। লোকটির প্রত্যেক পুত্রই সুপুত্র এবং তাঁরা জীবনে যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। নাটমন্দিরটি দালান জাতীয় সাদামাটা আচ্ছাদিত স্থান, শিল্প- বৈশিষ্ট্য বর্জিত। সমগ্র মন্দির চত্বরটি বেশ বড়। দেবীর তত্ত্বাবধানের জন্য দেবত্র হিসেবে জায়গা দিয়েছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র। এখন তা নেই। রানাঘাটের জনসাধারণ ও অন্যান্য দূর- দূরান্তরের মানুষ দেবী সিদ্ধেশ্বরীকে অতিশয় জাগ্রত মনে করে শ্রদ্ধাভক্তি করেন। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, মা সিদ্ধেশ্বরী তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। কালী পুজোর (Kali Puja 2024) সমস্ত রীতি মেনে এই পুজো সম্পন্ন হয়।

    কষ্টিপাথরের মূর্তি!

    শ্বেতমর্মর প্রস্তরে (Kali Puja 2024) তৈরি দুই ধাপ-বিশিষ্ট পঞ্চভুজ বা পঞ্চকোণ পঞ্চমুণ্ডের আসনোপরি দেবী-বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত। সিদ্ধেশ্বরী নাম হলেও দেবী মূর্তিটি সিদ্ধেশ্বরী বিগ্রহ নয়, এই মূর্তি উৎকৃষ্ট কষ্টিপাথর দ্বারা নির্মিত এবং শ্বেতপ্রস্তর খোদিত মহাদেব। প্রতি বৎসর দেবী মূর্তি রং দ্বারা অলঙ্কারিত করা হয়। মূর্তি উচ্চতায় তিন হাতের মতো। মন্দির গৃহ সাবেক আমলের-কড়ি বড়গার ছাদ, মর্মর দ্বারা বাঁধান মেঝে। সম্মুখদ্বারাটি যে প্রাচীনকালের তা দেখলেই বোঝা যায়। মন্দিরের সামনে বলিদানের ‘থান’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নাবালিকাকে নির্যাতনকাণ্ডে পলাতক দক্ষিণ দিনাজপুরের আইএনটিটিইউসি’র প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা বাহুবলী নেতা রাকেশ শীল। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে নির্যাতনের মামলায় হুলিয়া জারি করেছে আদালত। এবার ওই নাবালিকাকেই অপহরণের অভিযোগে জেলে যেতে হল বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূলের আরও এক বাহুবলী নেতা লগিন দাসকে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) রাজনৈতিক মহলে লগিন দাস অত্যন্ত দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত। তিনি ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তাঁর স্ত্রী মনোরমা দাস জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। এছাড়াও বালুরঘাট পুরসভার কাজকর্মেও তাঁর প্রভাব ছিল অনস্বীকার্য। তিনি জেলা ঠিকাদার সংস্থার দীর্ঘদিনের সম্পাদকও ছিলেন। ফলে একদিকে ব্যবসা, অন্যদিকে রাজনীতিতে প্রতিপত্তি, লগিন দাসকে বেতাজ বাদশা করে তুলেছিল। তাঁর বিরুদ্ধেে খুন, জলা জমি ভরাট ইত্যাদি নানা মামলা রয়েছে। এরই মধ্যে গত জুলাই মাসে হিলির এক নাবালিকাকে অপহরণ ও মারধরের মামলা তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছিল। ওই নাবালিকার করা পস্কো মামলায় ইতিমধ্যেই পলাতক রয়েছে আরও এক বাহুবলী নেতা। ওই নাবালিকারই দাদা ও বউদির করা পৃথক দুটি মামলাতে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই মামলায় লগিন দাসও অভিযুক্ত। ওই মামলাতেই লগিন দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন

    বিজয়া সম্মিলনী থেকে ফিরতেই গ্রেফতার

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও রাজ্য নেত্রী জয়া দত্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী। ওই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান তথা বাহুবলী নেতা লগিন দাস। বিজয়া সম্মিলনী থেকে বাড়ি ফিরতেই তাঁকে গ্রেফতার করল বালুরঘাট থানার পুলিশ। রাতেই তাঁকে হিলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। হিলি থানার দুটি মামলায় গ্রেফতার করা হয় লগিন দাসকে। তাঁকে বালুরঘাট জেলা আদালতে নিয়ে আসা হয়। আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতক তরজা

    বিজেপি (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এরা সব নেতা নন, দুষ্কৃতী। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে সমাজকে দূষিত করে চলেছে। এদের জায়গা জেলখানা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। আইন আইনের পথেই চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    Weather Update: বঙ্গে প্রাক-শীতের আমেজ! নভেম্বরেই বাতাসে বড় রদবদল, ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মাস জুড়ে ভিজেছে বঙ্গ। ক্যালেন্ডার অনুসারে, এখন হেমন্তকাল। বর্ষা বিদায় নিয়েছে পাকাপাকিভাবে। নতুন করে এই মুহূর্তে নিম্নচাপের সম্ভাবনাও দেখছে না আবহাওয়া দফতর। একদিন পরই  কালীপুজো (Kali Pujo 2024)। তার আগেই হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়ে দিচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই আবহাওয়ায় বদল আসবে।

    কালীপুজোয় কি বৃষ্টি হবে? (Weather Update)

    দক্ষিণবঙ্গে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে খুব সামান্য। তবে, শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের শুষ্ক আমেজ শুরু। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া (Weather Update) ও শীতের মরসুমের টের পাওয়া যাবে। কমবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশই থাকবে। বাতাস থেকে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও ধীরে ধীরে কমবে। ফলে শীতের আমেজ আসবে ধীরে ধীরে। তাই মোটের ওপর কালীপুজো ও ভাইফোঁটার সময়ে মোটামুটি শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে রাজ্যজুড়ে। আগামী এক সপ্তাহে দুর্যোগ বা ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কলকাতায় শীতের শুরু কবে?

    কলকাতায় আগামী ৪৮ ঘন্টায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে শুষ্ক আবহাওয়ার (Weather Update) শুরু। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩১.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৬ থেকে ৯৬ শতাংশ। শুক্রবার থেকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া শুরু হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শনিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া লক্ষ্য করা যাবে। জেলায় জেলায় মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে শীত আগেই?

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। নভেম্বরের শুরু থেকে শুষ্ক মনোরম আবহাওয়া অনুভব করা যাবে উত্তরেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share