Tag: WHO

WHO

  • Mpox Vaccine: বিশ্বের প্রথম এমপক্স ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিল ‘হু’, কারা নিতে পারবেন এই টিকা?

    Mpox Vaccine: বিশ্বের প্রথম এমপক্স ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিল ‘হু’, কারা নিতে পারবেন এই টিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমগ্র বিশ্বজুড়ে ক্রমশ ছড়াচ্ছে এমপক্স ( Mpox Vaccine)। চরম দুশ্চিন্তায় বিশ্ববাসী। এই আবহের মধ্যেই স্বস্তির খবর শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। ‘হু’-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি এম পক্স ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রথম অনুমোদন দেওয়া হল। বায়োটেকনোলজি কোম্পানি বাভারিয়ান নর্ডিক এএস ( Bavarian Nordic A/S) ভ্যাকসিনটিকে প্রাক-যোগ্যতা মানে সিলমোহর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জানানো হয়েছে গাভি, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স এবং ইউনিসেফ এটি কিনতে পারে। কিন্তু একটিমাত্র প্রস্তুতকারক হওয়ার কারণে এর সরবরাহ অত্যন্ত সীমিত।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    কী বললেন হু‘র মহানির্দেশক? ( Mpox Vaccine)

    হু’র ডিরেক্টর জেনারেল তেদ্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বলেন, ‘‘আফ্রিকায় এমপক্সের বর্তমান প্রাদুর্ভাব এবং ভবিষ্যৎ সংক্রমণের মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল এর প্রাক-যোগ্যতা নির্ণয়।’’ ভ্যাকসিনটি যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেখানে সংগ্রহ, অনুদান এবং প্রত্যেকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হু-র প্রধান। 

    কারা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন?

    হু জানিয়েছে, ১৮ বা তার বেশি বয়সের লোকেদের দু’টি ডোজের হিসেবে ভ্যাকসিন ( Mpox Vaccine) দেওয়া যেতে পারে। হু এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভ্যাকসিনটি বর্তমানে ১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য অনুমোদিত নয়। শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও ঝুঁকিমুক্ত নয়।

    চলতি বছরে কতজন আক্রান্ত হয়েছেন?

    হু জানিয়েছে, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে ১২০টিরও বেশি দেশ ১.০৩ লক্ষের বেশি আক্রান্ত ( Mpox Vaccine) হয়েছেন। শুধুমাত্র ২০২৪  সালে ২৫ হাজার ২৩৭টি সন্দেহভাজন এবং আক্রান্ত হয়েছেন। ১৪টি আফ্রিকান দেশে বিভিন্ন প্রাদুর্ভাবের কারণে ৭২৩ জন মারা গিয়েছে। আফ্রিকা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের আধিকারিকরা গত মাসে জানিয়েছিলেন, কঙ্গোতে প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে এমপক্স দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুরা। যাদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Inactive Life: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ‘নিষ্ক্রিয় মানুষে’র সংখ্যা, বলছে সমীক্ষা

    Inactive Life: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ‘নিষ্ক্রিয় মানুষে’র সংখ্যা, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে নিষ্ক্রিয় মানুষের সংখ্যা (Inactive Life)। এ দেশে ২০ কোটিরও বেশি মানুষ আন্তর্জাতিক মান অনুসারে নিষ্ক্রিয়। এই নিষ্ক্রিয়দের সিংহভাগই (Alarming Situation) মহিলা, বাস করেন শহরাঞ্চলে। সাম্প্রতিক জাতীয় সমীক্ষায়ই এই তথ্য মিলেছে। সমীক্ষাটি করেছে ডালবার্গ অ্যাডভাইজার্স এবং অ্যাক্সিলারেটর। ভারতবাসীর মধ্যে শারীরিক কার্যকলাপের উল্লেখযোগ্য ফাঁকগুলি তুলে ধরেছে এই সমীক্ষা।

    কী বলছে হু? (Inactive Life)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু প্রাপ্তবয়স্কদের ফি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট শারীরিক ক্রিয়াকলাপের পরামর্শ দিয়েছে। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন এক ঘণ্টা শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করা প্রয়োজন। সমীক্ষায় প্রকাশ, অনেক ভারতীয় এই মানদণ্ড পূরণ করতে পারেন না। সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন অভিভাবক মনে করেন, তাদের সন্তানের উচিত খেলার সময় অধ্যয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    ভাঙতে হবে মিথ

    ডালবার্গ অ্যাডভাইজার্সের আঞ্চলিক ডিরেক্টর স্বেথা টোটাপালি দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক ক্রিয়াকলাপকে অঙ্গীভূত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন (Inactive Life)। তিনি বলেন, “আমাদের বড় যে মিথগুলো ভাঙতে হবে, তার মধ্যে একটি হল শারীরিক কার্যকলাপ আমাদের শিক্ষার পথে বাধার সৃষ্টি করে, যখন বাস্তবে এটি শিক্ষাগত সাফল্যকে পরিপূরক ও উন্নত করে।”  

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ, মোদির পর শান্তির বার্তা নিয়ে মস্কো যাচ্ছেন ডোভাল

    তিনি বলেন, “শারীরিক কার্যকলাপ উন্নত মেজাজ, স্ট্যামিনা এবং কগনিটিভ ফাংশানের দিকে পরিচালিত করে। এর ফলে আদতে উপকৃত হতে পারে জাতীয় অর্থনৈতিক ফলগুলি।” সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, যাঁরা নিষ্ক্রিয়, তাঁদের সিংহভাগই মহিলা, বিশেষত শহুরে মহিলা। মিথগুলো শারীরিক কার্যকলাপকে নিরুৎসাহিত করে। স্পোর্টস অ্যান্ড সোসাইটির অ্যাক্সিলারেটরের সহ প্রতিষ্ঠাতা দেশ গৌরব সেখরি বলেন, “ভারতে আমরা খেলাধুলোর সঙ্গে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিগুলোকে গুলিয়ে ফেলি।” তিনি বলেন, “ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিগুলোর উচিত স্বাস্থ্যের ওপর ফোকাস করা এবং শরীরের কল্যাণে প্রয়োগ করা। এগুলোকে স্রেফ কম্পিটিশন এবং এক্সেলেন্স হিসেবে না দেখাই শ্রেয়। কৈশোরে পড়লে মেয়েরা আবার বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সাংসারিক দায়িত্ব ও নিরাপত্তার কারণেও তারা বঞ্চিত হয় ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটির সুযোগ থেকে।” সমীক্ষায় এও জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকার তুলনায় শহরাঞ্চলে নিষ্ক্রিয়তার হার প্রায় দ্বিগুণ। দেশের ২১ শতাংশ স্কুলে খেলার মাঠ নেই। ক্রীড়া সরঞ্জামের অভাব রয়েছে ৬৭ শতাংশ ক্ষেত্রে। সর্বোপরি রয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য। সব মিলিয়ে (Alarming Situation) বাড়ছে নিষ্ক্রিয়তা (Inactive Life)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mpox Emergency: ‘এমপক্স’-এর বাড়বাড়ন্তে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! সতর্ক করল ‘হু’, নজরদারি বৃদ্ধি ভারতে

    Mpox Emergency: ‘এমপক্স’-এর বাড়বাড়ন্তে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! সতর্ক করল ‘হু’, নজরদারি বৃদ্ধি ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা মহামারির পর এবার আরও এক উদ্বেগ ‘এমপক্স’ (মাঙ্কিপক্স)। সম্প্রতি এমপক্স (Mpox Emergency) সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ১১৬টি দেশে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ভারতে (India) এখনও এই রোগের একটিও কেস রিপোর্ট হয়নি। তবে, আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করল কেন্দ্র। দেশে ঢোকার এন্ট্রি-পয়েন্টগুলিতে নজরদারি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার।

    সংক্রমণ থেকে বাঁচতে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র 

    এমতাবস্থায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি মন্ত্রিসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি পিকে মিশ্র এমপক্স (Mpox Emergency) প্রাদুর্ভাবের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করার জন্য একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করেন। একইসঙ্গে ভাইরাস সংক্রমণের তাৎক্ষণিক সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানোর জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। বৈঠকের সময়, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ২০২৪ সালের মার্চ মাস থেকে ভারতে কোনও নতুন এমপক্স কেস সনাক্ত হয়নি। তবে এমপক্স (Mpox Emergency) সংক্রমণ ঠেকাতে ভারত কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছে।

    একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ কেন্দ্রের

    ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (NCDC) এমপক্স নিয়ে ভারতের (India) ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে গত ১২ অগাস্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করে। সেখানেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে স্বাস্থ্য পরিক্ষার ক্ষেত্রে সতর্কতা দেওয়া হয়। এর পরই, (১৯ অগাস্ট) সোমবার, নির্দেশিকা জারি করা হয় কেন্দ্রের তরফে। সেখানে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সমস্ত বিমানবন্দর এবং কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সীমান্তের স্থলবন্দরগুলিতে আগত যাত্রীদের এমপক্সের কোনও লক্ষণ আছে কি না, সে বিষয়ে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, এমপক্সে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল, সফদারজং হাসপাতাল এবং লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালকে ‘নোডাল সেন্টার’ হিসাবে বাছা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল মহিলা-বিরোধী, যুব-বিরোধী, গণতন্ত্র-বিরোধী”, রাজ্যকে তোপ নাড্ডার 

    এমপক্সের উপসর্গ (Mpox Emergency) 

    এমপক্স হল মাঙ্কিপক্স ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। ১৯৫৮ সালে প্রথম বাঁদরের দেহে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এই কারণে রোগের নামকরণ হয়েছে মাঙ্কি পক্স। এটি মূলত প্রাণীর থেকে মানুষের দেহে সংক্রামিত হয়। ভারতে (India) এই রোগের সংক্রমণ প্রথম ধরা পড়ে ২০২২ সালে। কেরলের ৩৫ বছরের এক যুবক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হন। এমপক্সে স্মলপক্সের মতোই উপসর্গ দেখা যায়। যেমন— জ্বর, মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যথা, র‌্যাশ (যা প্রথমে মুখে দেখা যায়। তারপর তা সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে)। এই উপসর্গ দেখা যায় দুই থেকে চার সপ্তাহের তফাতে। কারও কারও ক্ষেত্রে এই রোগের মৃদু উপসর্গ থাকে। কারও ক্ষেত্রে তা প্রকট হয়। সংক্রামিত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এবং দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগের মাধ্যমেও এই রোগের সংক্রমণ হয়।  
    তবে বর্তমানে গোটা বিশ্বে বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলিতে এমপক্সের ঘটনা দ্রুত বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত আফ্রিকার একাধিক দেশে মাঙ্কিপক্সে (Mpox Emergency) মোট ১৪ হাজার জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৫২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Breastfeeding Week: জন্মের পরের ছ’মাস শুধুই স্তন্যপান! শিশু ও মায়ের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    World Breastfeeding Week: জন্মের পরের ছ’মাস শুধুই স্তন্যপান! শিশু ও মায়ের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সন্তানের জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস, তার শারীরিক বিকাশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে শিশুর খাদ্যাভ্যাস থেকে পরিচর্যা, সব বিষয়ে অতিরিক্ত নজরদারি না রাখলে পরবর্তী সময়ে নানান জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে তাই জানানো হয়েছে, শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধু মাতৃ স্তন্যপান (World Breastfeeding Week) যথেষ্ট। এতেই শিশুর ঠিকমতো বিকাশ হবে। সুস্থ শরীর ও মানসিক গঠন ঠিক মতো হবে‌। কিন্তু বিশ্ব জুড়েই মাতৃদুগ্ধ (Mother’s Milk) পান নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহল কিন্তু স্পষ্ট জানাচ্ছে, শিশুর জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ যথেষ্ট। আর কিছুই দরকার নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো‌ ভারতেও স্তন্যপান করানো নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই দেশ জুড়ে অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ স্তন্যপান সচেতনতা সপ্তাহ হিসেবে পালন করা হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, স্তন্যপান করানো শুধু সদ্যোজাতের জন্য উপকারী নয়, মায়ের শরীরের পক্ষেও অত্যন্ত উপকারী। তাই মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে স্তন্যপান জরুরি।

    শিশুর শরীরে স্তন্যপান কতখানি গুরুত্বপূর্ণ? (World Breastfeeding Week)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ পান করলে, শিশুর যে কোনও সংক্রমণের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের খাবার থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে সব চেয়ে বেশি। কিন্তু মায়ের বুকের দুধ খেলে সেই ঝুঁকি কার্যত থাকে না। বিশেষত পেটের অসুখের ঝুঁকি একেবারেই কমে যায়। জন্মের পরের প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খেলে, তার প্রভাব হয় সুদূর প্রসারী। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মায়ের বুকের দুধে কোলেস্ট্রাম থাকে। এই উপাদান দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। বিশেষত অন্ত্র, লিভার এবং পাকস্থলীর রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এই উপাদানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাই মাতৃদুগ্ধ সন্তানের জন্য সব চেয়ে উপকারী। জন্মের পরে প্রথম ছ’মাস শুধুমাত্র ব্রেস্টফিডিং করলে শিশুর কিডনি ভালো থাকে বলেও জানাচ্ছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের কিডনির রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই এদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশেও মায়ের দুধের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।‌ তারা জানাচ্ছে, শিশুর জন্মের পরে মায়ের বুকের দুধে এক ধরণের হলদে উপাদান থাকে। এই উপাদান শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে।

    স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    শিশুকে নিয়মিত স্তন্যপান (World Breastfeeding Week) করালে তার পাশপাশি মায়ের শরীরেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শিশুকে স্তন্যপান করালে মায়ের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমে যায়। বিশ্বের একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, স্তন্যপান করালে মহিলাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমতে পারে। সন্তানকে নিয়মিত স্তন্যপান করালে স্তন ক্যান্সারের পাশাপাশি ওভারি এবং জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমতে বিশেষ সাহায্য করে। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার পাশপাশি মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হয়। শিশুকে নিয়মিত স্তন্যপান করালে নতুন মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। সন্তান জন্মের পরে দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার স্তন্যপান (Mother’s Milk) করালে, মায়ের রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক হয়। ফলে মায়ের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। সন্তানকে স্তন্যপান করালে মহিলাদের পোস্ট পার্টোম ডিপ্রেশনের ঝুঁকি কমে বলেও‌ জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, অধিকাংশ মায়েরাই সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে নানান মানসিক অবসাদে ভোগেন। দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন ঘটার জেরেই এই ধরনের অবসাদ তৈরি হয়। নিয়মিত স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনেও প্রভাব ফেলে। ফলে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে স্তন্যপান (World Breastfeeding Week)। মা নিয়মিত সদ্যোজাতকে স্তন্যপান করালে মায়ের শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Quit Tobacco: ‘তামাক বর্জন করুন…’, আহ্বান জানিয়ে প্রথম গাইডলাইন আনল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    Quit Tobacco: ‘তামাক বর্জন করুন…’, আহ্বান জানিয়ে প্রথম গাইডলাইন আনল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাক সেবন (Quit Tobacco) বন্ধ করতে সম্প্রতি একটি কর্মসূচি নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। হু-এর কথায় তামাক হচ্ছে ভবিষ্যতের অগ্রগতির পথে বাধা (Tobacco–a threat to Development)। তামাক সেবনের জেরে যাতে আগামী প্রজন্ম আক্রান্ত না হয়, তার দিকে সদা নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। হু-এর প্রতিনিধিরা দেখেছেন, অনেকে তামক বর্জনের চেষ্টা করেও ফল পাচ্ছেন না। তাই হু-এর তরফে এবার তামাক বর্জনের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হল।

    ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান 

    পরিসংখ্যান বলছে, একটি সিগারেট ১১ মিনিট করে জীবন কমিয়ে দেয়। একটি পুরো প্যাকেট সিগারেট শেষ করে দেয় জীবনের অমূল্য ৪০টা মিনিট। আমাদের দেশে প্রতি ঘণ্টায় তামাক সেবনের জেরে মৃত্যু হয় ১৩৭ জনের। আর বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজনের মৃত্যু হয়। ধূমপায়ীদের আয়ু, যাঁরা ধূমপান করে না, তাদের চেয়ে গড়ে ২২ থেকে ২৬ শতাংশ কম হয়। হু (WHO)-র সার্ভে বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে তামাক সেবনকারী মানুষের সংখ্যা হবে ২২০ কোটি। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হলো, ধূমপান ছেড়ে দিন। কারণ সুস্থ থাকতে চাইলে ধূমপান বর্জন করা জরুরি। অনেকেই ধূমপান ছাড়তে চেয়েও পারেন না। কারণ তাদের এই অভ্যাস ত্যাগের প্রক্রিয়া অনেক সময় সঠিক থাকে না। ধূমপানের মতো অভ্যাস (Quit Tobacco) চাইলেই একদিনে ছাড়া সম্ভব হয় না। কিছুটা সময় নিতে হয়।

    আরও পড়ুন: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের, সীমান্ত সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী চিন

    তামাক বর্জনে নানা ওষুধ (Quit Tobacco)

    নেশা ছাড়ার ইচ্ছে ও মনোবল থাকলে, কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি ওষুধ ও নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির (এনআরটি) মিশেলে তামক বর্জনের (Quit Tobacco) কাজটা তুলনায় অনেক সহজ। ভার্নেক্লাইন নামক একটি বড়ির সাহায্য নিতে পারা যায়। এটি কিনতে গেলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন লাগে। নানা ওষুধ ব্যবহার করেও যাঁরা তামাক বর্জন করতে পারেনি তাৎা এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। বুপ্রোপিওন (Bupropion) প্রধানত বিষণ্ণতা রোধের জন্য ব্যবহৃত একটি অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ। এটি ধূমপান বন্ধ করতে সহায়তা করে। উদ্ভিদের দেহ থেকে পাওয়া যৌগ সাইটিসাইন (stop smoking compound) সাধারণ ভাবে ধূমপানের নেশা ছাড়াতে ‘নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি’-র থেকেও বেশি কার্যকরী। সমস্যা একটাই। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের প্রায় অন্য কোথাও এর ব্যবহারে লাইসেন্স নেই। এবার সাইটিসাইন ব্যবহারের কথা বলল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO)।

    নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি 

    নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত ১২ সপ্তাহের একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা ধূমপায়ীদের আসক্তি কমাতে ও ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে। ৬০ থেকে ৯০ দিনের এই থেরাপি করাতে প্রতি দিনের খরচ ১০ থেকে ১৩ টাকা। এই পদ্ধতিতে চিউইংগাম ছাড়াও ধূমপান ছাড়ানোর জন্য লজেন্স ও ট্রান্সডারমাল প্যাচের মতো দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্য জুড়ে বাড়ছে রক্তের সংকট। ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন রোগীর আত্মীয়-পরিজন। সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও কার্যত বিফল হয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। আর এর জেরেই বিপদ বাড়ছে রোগীদের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জটিল অস্ত্রোপচার থেকে মুমূর্ষু রোগী, ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের আকালের (World Blood Donor Day) জেরে ভোগান্তি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তের সংকটের জেরে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হাজার হাজার মানুষ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। আক্রান্তের তালিকায় শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সের মানুষ রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে তাদের রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্লাড ব্যাঙ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না থাকায়, তাদের বিপদ বাড়ছে (Blood Crisis)। ঠিক সময়ে রক্তের জোগান না হলে তাদের প্রাণ-সংশয় হতে পারে। 
    রক্তের অসুখে আক্রান্ত রোগীদের পাশপাশি যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে বাধার কারণ হচ্ছে রক্তের সংকট (World Blood Donor Day)। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারে রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের জোগান নেই। তাই পরিস্থিতি বিপজ্জনক। 
    এছাড়াও জরুরি বিভাগে রোগীর চিকিৎসা করা কঠিন হয়ে উঠছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, দুর্ঘটনা বা কোনও আপৎকালীন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে সব গ্রুপের পর্যাপ্ত রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চিকিৎসা শুরু করতেই অনেকটা সময় চলে যাচ্ছে।

    রক্তের সংকট কতখানি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের হিসেব? (World Blood Donor Day)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে রক্তের সংকট দেখা দিচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, গোটা রাজ্যে দৈনিক গড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ বছরে ১৪ লাখ ইউনিটের বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়। গত বছরেও রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক মোট ১০ লাখ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করেছিল। চলতি বছরে এই সংগ্রহের পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    কেন রাজ্যে রক্তের সংকট? (Blood Crisis)

    রক্তদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের মোট রক্তদান শিবিরের ৬০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে হয়। বাকি ৪০ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয়। কিন্তু চলতি বছরে গরমের পারদ বেশি‌। তাই প্রথম থেকেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন (World Blood Donor Day) কম হয়েছে। তার উপরে ছিল নির্বাচন। রাজনৈতিক দল নির্বাচনের কাজেই ব্যস্ত ছিল। ফলে, রক্তদান শিবিরের আয়োজন বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘ দিন ধরে হয়নি। এছাড়াও, স্বেচ্ছায় রক্তদানের পরিবর্তে, উপহারের বিনিময়ে রক্তদানের আয়োজনে মদত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক দল। এমন অভিযোগও উঠছে। এই সব কিছুর জেরেই রক্তদানের উৎসাহ কমছে। যার জেরে ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ কী? (who) 

    ১৪ জুন ওয়ার্ল্ড ব্লাড ডোনার ডে। এই উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রক্তদানের উৎসাহ বাড়ানো দরকার। তাহলেই রক্তের সংকট কমবে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রক্তদান কর্মসূচি পালনে জোর দিতে হবে। রক্তদান সামাজিক দায়িত্ব-এই বিষয়ে সব মহলের আরও জোরালো প্রচার জরুরি বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পাশপাশি, রক্তদান করলে রক্তদাতাও সুস্থ থাকে, এবিষয়েও প্রচার জরুরি (World Blood Donor Day)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেটে যাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাওয়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় রক্তপাত বন্ধ হতেই চায় না। এই সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে। আজ অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস (World Hemophilia Day 2024)। হিমোফিলিয়া বা রক্ত বন্ধ না হওয়ার সমস্যায় ভুগছে সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা ও অল্পবয়সী মেয়েরা। হিমোফিলিয়ার সমস্যা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা প্রায় নেই বললেই চলে। তাই এই সমস্যায় সচেতনতা (awareness) গড়ে তুলতে ১৭ এপ্রিলকে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারতে প্রতি ১০,০০০ জন্মে ১ জন (পুরুষ ও মহিলা) হিমোফিলিয়ায় ভুগছেন।

    কেন হয় হিমোফিলিয়া(World Hemophilia Day 2024)?

    সাধারণত বাবা অথবা মা, অথবা উভয়ের কাছ থেকেই এই রোগ শিশুর দেহে বাহিত হয়। আসলে, কখনও কখনও জন্মের পরে, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, ক্যানসার, মাল্টিপল স্কলেরোসিস, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও কখনও কখনও গর্ভাবস্থায়, ক্লোটিং ফ্যাক্টর প্রোটিন তৈরিকারী জিনটির সমস্যা হতে শুরু করে। যা এই রোগের কারণ হতে পারে । এমন অনেক জন্মগত রোগ রয়েছে, যেগুলির সময়মতো চিকিৎসা (Treatment) না হলে পরে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এরকম একটি মারাত্মক রোগ হল হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024)।

    রোগের লক্ষণ

    যে শিশুরা হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024) নিয়ে জন্মায় তাদের শরীরে সহজে কালশিটে পড়ে বা ভিতরে ভিতরে রক্তপাত হওয়ার সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত শরীরের বিভিন্ন গাঁটের কাছে রক্তপাত হয়। রক্তপাতের সময় গাঁটে অস্বস্তি বা কোনও রকম ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এছাড়াও দুর্ঘটনা বা আঘাতের পরে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষত থেকে অবিরাম রক্তপাত৷ ঘন ঘন নাক থেকে রক্তপাত (Bleeding)৷ মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং দাঁত অপসারণ বা ভাঙার পরে বা যেকোনও ধরনের অস্ত্রোপচারের পরে রক্তপাত বন্ধ করতে দেরি বা অক্ষমতা। টিকা বা ইনজেকশনের পরে রক্তপাত এই রোগের লক্ষণ৷

    আরও পড়ুনঃ তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    যদি চিকিৎসা না করা হয় তা হলে জয়েন্ট স্টিফনেস হতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে গাঁট ফুলে উঠতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, হিমোফিলিয়া (Hemophilia) নামের মারাত্মক রোগটি শিশুর জন্মের পর থেকেই ৮ এবং ৯ ফ্যাক্টরের অভাবের কারণে ঘটে। এমতাবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত এবং চিকিৎসা না করা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হিমোফিলিয়া কখনই সম্পূর্ণ সারানো সম্ভব নয়। তবে সচেতন থাকলে চিকিৎসার মাধ্যমে গুরুতর সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    Corona Update: করোনার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হতেই বিতর্কে রাজ্য! পরীক্ষা নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ফের চোখ রাঙানি! করোনা সংক্রমণ (Corona Update) নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কয়েক দিন‌ আগেই কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল। সতর্ক হয়েছিল গোটা দেশ। কিন্তু করোনার গ্রাফ বাড়তেই ফের বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গ। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, ডেঙ্গি হোক বা করোনা‌, যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগ সামলাতেই বারবার রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। কবে ঠিক হবে পরিস্থিতি?

    কী অভিযোগ উঠছে? (Corona Update)

    রাজ্যের একাধিক জায়গায় খোদ চিকিৎসকদের একাংশ অভিযোগ করছেন, করোনা‌ পরীক্ষা নিয়ে অনাবশ্যক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।‌ জ্বর, সর্দি,‌ কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহু রোগী, যাদের ডায়বেটিস, হৃদরোগ কিংবা কিডনির মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য করোনা পরীক্ষা দ্রুত হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করানো নিয়ে গড়িমসি হচ্ছে। পাশপাশি কোথায় করোনা পরীক্ষা করা হবে, সে নিয়েও রোগী ও পরিজনকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।‌ অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে জানা যাচ্ছে, করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার নমুনা সংগ্রহের উপকরণ নেই। তাই পরীক্ষা করা যাবে না।‌ রোগী এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কেন প্রশ্নের মুখে রাজ্য?

    সংক্রামক রোগে বারবার প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। বছরভর ডেঙ্গি পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার পাশপাশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের কাছে তথ্য না পাঠানো, এমনকী সঠিক তথ্য প্রকাশ না করার মতো অভিযোগ ওঠে বারবার।‌ এবার করোনা পরীক্ষা নিয়েও গড়িমসির অভিযোগ।‌ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরীক্ষা সময়মতো করতে না পারলে বিপদ বাড়বে। রাজ্যবাসীকেই ভুগতে হবে। কারণ, রোগ সময়মতো নির্ণয় করতে না পারলে, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। যে কোনও সংক্রামক রোগ প্রথম থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, বিপদ বাড়বে। তাই করোনা (Corona Update) পরীক্ষা করার সুযোগ সব জায়গায় রাখতে হবে। তবেই করোনার এই‌ নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে।

    কী বলছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা অবশ্য কোনও রকম গড়িমসির অভিযোগ মানতে নারাজ। এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, দিন কয়েক আগেই করোনা (Corona Update) পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চস্তরের বৈঠক‌‌ হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল করোনা পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। গড়িমসির প্রশ্নই নেই। তবে, কোথাও কোনও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত পদক্ষেপ করছে। করোনা পরিস্থিতি এ রাজ্যে উদ্বেগজনক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: মিষ্টি পানীয় ও মদের ওপর বেশি কর চাপানোর প্রস্তাব দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন জানেন?

    WHO: মিষ্টি পানীয় ও মদের ওপর বেশি কর চাপানোর প্রস্তাব দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যালকোহল এবং মিষ্টি জাতীয় সমস্ত রকমের অস্বাস্থ্যকর খাদ্য-পানীয়ের ওপর বেশি করে কর চাপানোর পরামর্শ দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। মঙ্গলবারই বিশ্ব সংস্থা সংস্থার তরফে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশেরই মদ এবং মিষ্টি পানীয়ের উপরে যে কর রয়েছে বর্তমানে, তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর এই সমস্ত পানীয়ের ওপর যে কর দেশগুলি চাপিয়েছে, তা খুবই কম। বিশেষত ইউরোপের দেশগুলির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে মদের উপরে তারা কোনও করই চাপায়নি।

    মদ্যপানের কারণে প্রতিবছর মারা যান ২৬ লাখ মানুষ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিবছরই ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় শুধুমাত্র অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে। ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে। তাই ‘হু’ (WHO) মনে করে এই সমস্ত খাদ্য পানীয়গুলির উপরে অতিরিক্ত পরিমাণে কর চাপালে মানুষের মৃত্যুর হার অনেকটাই হ্রাস পাবে। এবং সারা বিশ্বের সামগ্রিক স্বাস্থ্য অনেকটাই ভালো হবে। এর পাশাপাশি মদ এবং মিষ্টি জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলার জন্যও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে ‘হু’ (WHO)।  অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদাহরণ দিয়েছে, মদ্যপানের কারণে মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে থাকে লিথুয়ানিয়া নামক দেশে। ২০১৭ সালে সেদেশের সরকার অ্যালকোহল জাতীয় পানীয়ের ওপর করের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সে দেশের মৃত্যুর হার দু’ বছরে ২৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ১৮.১ শতাংশ নেমে আসে।

    মদ্যপান এড়িয়ে গেলে কমে আসে নানা রোগের ঝুঁকি

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটাও মনে করে যে মানুষের ওপর মদ বা মিষ্টি পানীয়গুলির খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলত্বের মতো সমস্যাগুলিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে রাডিগার ক্রেচ এবিষয়ে বলেন, “অস্বাস্থ্যকর পানীয়ের উপর কর ধার্য করলে যদি মানুষের হুঁশ ফেরে। শুধু স্বাস্থ্যই নয়, সমাজের উপরেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে যদি মানুষ একটু সচেতন হন। মদের উপর করের পরিমাণ বাড়লে রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা কিংবা ট্র্যাফিক আইন ভাঙার প্রবণতাও কমবে বলে মনে হয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayush: প্রথাগত ঔষধি নিয়ে ‘হু’ এবং আয়ুষ মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা

    Ayush: প্রথাগত ঔষধি নিয়ে ‘হু’ এবং আয়ুষ মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হু’ এবং কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের (Ayush) যৌথ উদ্যোগে প্রথাগত ঔষধির উপর হতে চলেছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। আগামী ১৭ এবং ১৮ অগাস্ট গুজরাটের গান্ধীনগরে তা হবে বলে দিল্লিতে ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছে কেন্দ্রের আয়ুষ মন্ত্রক।

    কেন্দ্রীয় আয়ুষ (Ayush) মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের (Ayush) প্রতিমন্ত্রী মুঞ্জপারা মহেন্দ্রভাই কালুভাই ওই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এই সম্মেলনের প্রধান আয়োজক ‘হু’। সেই সঙ্গে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রক সহকারী আয়োজক হিসাবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেই সঙ্গে বলেন, ভারতীয় প্রথাগত ঔষধি এবং চিকিৎসা পদ্ধতির এই আলোচনাচক্র বিশেষভাবে লাভজনক হবে। হু ভারতের প্রথাগত ঔষধি এবং চিকিৎসা পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে বেশ কার্যকর হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন এই মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, গত বছর গুজরাটের জামনগরে প্রথাগত ঔষধির একটি বিশেষ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটি ইতিমধ্যে দেশের প্রথাগত ঔষধিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে বেশ ভালো কাজ করছে। এই সম্মেলন ভারতের প্রথাগত ঔষধির আন্তর্জাতিক বাজার তৈরিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি। ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং সেই সঙ্গে অনুশীলন-সবটা মিলিয়ে ভারতের বিশ্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাওয়ার কথাও সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরেন তিনি।

    সম্মেলন কেমন হবে?

    ডব্লুএইচও (হু)-এর মহা নির্দেশক ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া এবং আয়ুষের (Ayush) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর চিকিৎসক, অধ্যাপক, ছাত্র, গবেষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন সামজিক সংস্থা থেকে বিশেষজ্ঞরা যোগদান করবেন। এই সম্মেলনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রথাগত ঔষধির ওপর বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে। যোগা, মেডিটেশনের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণের কথাও জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share