Author: ishika-banerjee

  • EU–India Free Trade Deal: জানুয়ারির শেষেই ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত! মোদি-মের্ৎস বৈঠকের পর জল্পনা তুঙ্গে

    EU–India Free Trade Deal: জানুয়ারির শেষেই ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত! মোদি-মের্ৎস বৈঠকের পর জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU–India Free Trade Deal) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। সোমবার গুজরাটের আমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলোচনা ঠিকঠাক এগোলে জানুয়ারির শেষ দিকে ইইউর শীর্ষ নেতারা চুক্তিটি সই করতে ভারত সফরে আসবেন।

    বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় মোড়

    জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সংক্রান্ত আলোচনা চলতি মাসের শেষের মধ্যেই চূড়ান্ত হতে পারে। বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সুরক্ষাবাদী নীতির প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি বৈশ্বিক বাণিজ্যে একটি বড় মোড় আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। আমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মের্ৎস জানান, আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছলে শীর্ষস্থানীয় ইইউ নেতারা চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করতে ভারতে আসতেও প্রস্তুত। চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই মের্ৎসের প্রথম সরকারি ভারত সফর। মের্ৎস বলেন, “যে কোনও অবস্থাতেই এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে বাস্তবায়নের পথে আরও একটি বড় পদক্ষেপ করা হবে।” যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

    কেন এই চুক্তির তাড়াহুড়ো

    ইইউ এখন ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার (২০২৪ সালে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১২০ বিলিয়ন ইউরো)। চিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ইউরোপ এখন ভারতকে সবচেয়ে ‘পছন্দের অংশীদার’ হিসেবে দেখছে। ইইউ অটোমোবাইল, ওয়াইন ও চিকিৎসা সরঞ্জামে শুল্ক কমাতে চায়, বিপরীতে ভারত চায় পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যে সহজ প্রবেশাধিকার। বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সুরক্ষাবাদ ও ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, বিশ্ব এখন সুরক্ষাবাদের পুনর্জাগরণ দেখছে। কিন্তু এটি জার্মানি ও ভারত—উভয় দেশের জন্যই ক্ষতিকর। তিনি কোনো দেশের নাম না নিলেও তাঁর ইঙ্গিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শুল্ক নীতির দিকে। বর্তমানে সমরাস্ত্রের জন্য ভারত অনেকাংশে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের পরেই চুক্তি স্বাক্ষর!

    ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ইইউর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এরপরই ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভারত-ইইউ সম্মেলনে এই মেগা বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জার্মান কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, মের্ৎস ও মোদির মধ্যে বৈঠক ছিল “অত্যন্ত নিবিড়”, যা সম্ভাব্য অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় ইইউ গাড়ি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওয়াইন ও মদের উপর শুল্ক হ্রাস এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে ভারত শ্রমনির্ভর পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার এবং অটোমোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স খাতে দ্রুত স্বীকৃতির ওপর জোর দিচ্ছে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার

    বহু বছর ধরে আলোচনাধীন এই চুক্তিকে উভয় পক্ষই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। বিশেষত চিন ও রাশিয়ার উপর নির্ভরতা কমিয়ে সরবরাহ শৃঙ্খল বৈচিত্র্যময় করার লক্ষ্যে ইইউ ও ভারত একে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। ২০২৪ সালে ভারত ও ইইউ-র মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১২০ বিলিয়ন ইউরো, যার ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ানো এবং রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমানোর জন্য নয়াদিল্লির উপর চাপ সৃষ্টি করায় এই আলোচনা আরও গতি পেয়েছে। গত বছর ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা ভেঙে যাওয়ায়, ইইউ ভারতের কাছে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হিসেবে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

    মের্ৎসের ভূমিকা

    ভূরাজনৈতিক প্রসঙ্গে মের্ৎস বলেন, ইউক্রেন ইস্যুতে জার্মানি ও ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন। তিনি বলেন, “রাশিয়ার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সম্পর্কে আমাদের মূল্যায়নে আমরা সম্পূর্ণ একমত।” যদিও ভারতের জ্বালানি নির্ভরতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এছাড়াও মের্ৎস বিশ্বজুড়ে “দুর্ভাগ্যজনক সুরক্ষাবাদের পুনরুত্থান” নিয়ে সতর্ক করে বলেন, এর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে। জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের আলোচনা চলছে। মের্ৎসের এই সফর এই আলোচনাকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ ভারতে আসার আগেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে।

    মোদি-মের্ৎসে সম্পর্ক

    জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে ভারতে তো বটেই, এই প্রথম এশিয়ার কোনও দেশে এলেন মের্ৎস। গান্ধীনগরে মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে আমেদাবাদের সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর। তার পর তিনি সবরমতী নদীর ধারে আন্তর্জাতিক ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন। মোদির সঙ্গে ঘুড়ি ওড়়াতেও দেখা যায় মের্ৎসেকে। মোদি- মের্ৎস বৈঠকের পর প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বোঝাপড়া আরও জোরদার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে নয়াদিল্লি এবং বার্লিন। পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহার নিয়েও বোঝাপড়া আরও বৃদ্ধির কথা বলেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভারতীয়দের জার্মানিতে থাকার ক্ষেত্রে ভিসা (যা ট্রানজ়িট ভিসা) লাগবে না বলে জানানো হয়েছে। জার্মানির স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে উন্নত করতে ভারতের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিবাসনকে বৈধতা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর। দুই দেশের মধ্যে তথ্য এবং মেধার আদানপ্রদান বাড়ানোর বিষয়েও সম্মত হয়েছেন মোদি এবং মের্ৎস।

  • India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারত-আমেরিকা (India US Relations) মৈত্রীর বার্তা। সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে টানাপড়েন বেড়েছে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে। ভারতের উদ্দেশে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আবহে নতুন বার্তা নিয়ে এলেন ভারতে নবনিযুক্ত মার্কিন দূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। দায়িত্ব নিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, “ভারতের থেকে কোনও পার্টনারই (সঙ্গী-রাষ্ট্র) বেশি অপরিহার্য নয়।” পাশাপাশি তিনি জানান, আগামী বছরই ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ভারত আমেরিকার কাছে অপরিহার্য

    দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে বক্তব্য রাখার সময় গোরের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের (India US Relations) চেয়ে অপরিহার্য আর কোনও দেশ নেই। গোর বলেন, “আমেরিকার দূত হিসেবে এখানে আসাটা দারুণ ব্যাপার। আমি এই অসাধারণ দেশে গভীর শ্রদ্ধা এবং একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এসেছি : আমাদের দুই দেশের মধ্যে পার্টনারশিপকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়া। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যে সংযোগস্থাপন…আমার সঙ্গে শেষ নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর শেষ ভারত সফর এবং ভারতের মহান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেছিলেন। আমি আশা করি, শীঘ্রই প্রেসিডেন্ট আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন, আশা করি পরের বছর বা বছর দু’য়েকের মধ্যে…প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভোর ২টোর সময় ফোন করার একটা অভ্যাস আছে এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে সময়ের পার্থক্যে, এটা খুব ভাল বিষয় হয়ে উঠতে পারে।”

    মোদি-ট্রাম্প ভালো বন্ধু

    ভারতে (India US Relations) দায়িত্ব নিয়েই ট্রাম্প-মোদির ভাল বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন মার্কিন দূত। সার্জিও গোর জোর দিয়ে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব খুব ভালো। বাস্তব এবং প্রকৃত বন্ধুরা তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করতে পারে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “প্রকৃত বন্ধুদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা সবসময় তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন যে, নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের সম্পর্কের জন্য বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, উভয় দেশ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য-সহ অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কথায়, “আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ঘুরেছি এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে-প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব বাস্তব, এতে কোনও খাদ নেই।” গোর আরও ঘোষণা করেন যে, ভারত ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোটের সদস্য হবে। তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আগামী মাসে এই দেশগুলোর জোটে ভারতকে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

    ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট কী?

    একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উদ্ভাবন-চালিত সিলিকন সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি কৌশলগত উদ্যোগ। গত ডিসেম্বরেই ‘প্যাক্স সিলিকা’ তৈরির কথা জানিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে মূলত সিলিকন উপত্যকার সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধশালী, নিরাপদ এবং উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে থাকবে বিরল খনিজ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ এবং কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) পরিকাঠামো। সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীতে থাকছে জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া (দক্ষিণ কোরিয়া), সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়া। এছাড়াও রিপাবলিক অফ চায়না বা তাইওয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ এবং কানাডাকে নিয়ে ‘প্যাক্স সিলিকা’ গঠন করতে চলেছে আমেরিকা।

    পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ

    মোদি এবং ট্রাম্পের বন্ধুত্বের(India US Relations) কথা বহুল চর্চিত। কখনও মোদির আমেরিকা সফর, আবার কখনও ট্রাম্পের এ দেশে আসা— এ সবই নতুন বার্তা বহন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে বলে দাবি। নেপথ্যে বণিজ্যচুক্তি জট এবং ট্রাম্পের একতরফা শুল্ক চাপানো! দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে যে সুসম্পর্ক বজায় ছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে। এর জন্য ট্রাম্পের ‘নীতি’কে দায়ী করেছে বিশ্ব। দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েনের আবহে বাণিজ্য (trade) নিয়ে ফের সক্রিয় আলোচনায় বসতে চলেছে ভারত ও আমেরিকা (India–U.S.)। আগামিকাল, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি এই বিষয়ে পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ হবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। সোমবার নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই এই সুসংবাদের কথা জানান তিনি।

    বাণিজ্য-চুক্তি নিয়ে আলোচনা

    গোরের মন্তব্যে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। সোমবার দুপুরে বেঞ্চমার্ক সূচক নিফটি ৫০ (Nifty 50) প্রায় ২২০ পয়েন্ট ঘুরে দাঁড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে লেনদেন করে। নিফটি ছিল প্রায় ২৫,৭৫০-এর কাছাকাছি, আর সেনসেক্স (Sensex) ওঠে প্রায় ২০০ পয়েন্ট। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও (Piyush Goyal) আলাদা মন্তব্যে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। সার্জিও গোর বলেন, আমেরিকা ও ভারত কেবল অভিন্ন স্বার্থে আবদ্ধ নয়, এই সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত। গোরের দাবি, বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা সহজ কাজ নয়। তবু ওয়াশিংটন সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে। ভারত সফর প্রসঙ্গে গোর জানান, তাঁর দায়িত্বই হল ভারত–আমেরিকা (India US Relations) অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

  • ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইসরোর পিএসএলভি-সি৬২ মিশন তৃতীয় ধাপে গিয়ে ব্যর্থ হল। জানা গিয়েছে, পিএসএলভি রকেটের সফল উৎক্ষেপণ হলেও, তৃতীয় স্তরে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ১৬টি স্যাটেলাইটই হারিয়ে যায়। বেলা প্রায় পৌনে ১১টা নাগাদ ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন বলেন, ‘‘অভিযানের তৃতীয় ধাপে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যে কারণে রকেটের গতিপথে বিচ্যুতি ঘটেছে। আমরা সব কিছু খতিয়ে দেখছি। শীঘ্রই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।’’

    তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি

    ইসরোর প্রধান জানিয়েছেন, পিএসএলভি অভিযানের চারটি ধাপ থাকে— দু’টি সলিড এবং দু’টি লিকুইড ধাপ। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি। হঠাৎ ভেহিকেলের উচ্চতা এবং গতিবেগ ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মানের অনেক নীচে নেমে যায়। ভেহিকেলের রোল রেট এবং উড্ডয়নের পথেও বিচ্যুতি দেখা দেয়। এমনটা হলে আর কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া যায়নি ‘অন্বেষা’কে। মহাকাশে হারিয়ে যায় বাকি ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহও। ইসরো প্রধান ভি নারায়ণন সব কেন্দ্র থেকে ডেটা সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করার কথা বলেছেন। তিনি জানান, সোমবার সকালে পিএসএলভি সি৬২ মানে ইওএস-এন১ এর উৎক্ষেপণ হয়েছিল। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর পিএসএলভি সি৬২ রকেট তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে যায়। এই কারণে রকেটটি আগের ঠিক করা পথ অনুসারে এগোতে পারেনি। ইসরো সব গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ডেটা সংগ্রহ করে পুরো প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে যাচ্ছে। যদি এই পরিকল্পনা সফল হত তাহলে মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত এর একটা সাফল্য বড় অর্জন হত।

    তদন্ত কমিটি গঠন 

    সোমবার ঠিক সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহ। যাত্রার শুরুতে রকেটের বুস্টারগুলো সফলভাবে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু উড্ডয়নের প্রায় আট মিনিট পর, তৃতীয় ধাপে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। ইসরো বলেছে, রকেটটি তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়েছে। এর কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তবে এই মুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির আসল কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

    ‘অন্বেষা’কে স্থাপন করা গেল না

    পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘অন্বেষা’ও, যার পোশাকি নাম ইওএস-এন১। নজরদারির জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ থেকে ছবি তুলতে পারত। নির্ভুল মানচিত্রও তৈরি করতে পারত। কক্ষপথে স্থাপন করা গেলে ভারতের শত্রু দেশগুলির কোথায় কী রাখা আছে, তা-ও চিহ্নিত করে দিতে পারত অন্বেষা। একই রকেটে পাঠানো হয়েছিল আরও ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহকে, যার মধ্যে ভারতের বেসরকারি সংস্থা ‘ধ্রুব স্পেস’-এর সাতটি কৃত্রিম উপগ্রহও ছিল। এ ছাড়াও ছিল ফ্রান্স, নেপাল, ব্রাজিল-সহ বিভিন্ন দেশের মোট আটটি কৃত্রিম উপগ্রহ। এর সঙ্গে ছিল ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তৈরি পেলোড, বেসরকারি সংস্থার গবেষণা সরঞ্জাম এবং স্পেনের একটি বিশেষ যন্ত্র।

  • I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই-প্যাক (I-PAC) মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গেল ইডি (Enforcement Directorate)। ইডির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে আইন নিজের হাতে নিচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কাজে বাধা দিতে রাজ্য পুলিশের ‘অপব্যবহার’ করছেন। আই প্যাক-কাণ্ডে রাজ্যের বিরুদ্ধে সোমবার জোড়া মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলা ইডির তরফে দায়ের করা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতেই রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) মনোজ কুমার বর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।

    আইন রক্ষকরাই অপরাধে যুক্ত

    ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দসই না হলে বা তাতে তাঁর দল, মন্ত্রী কিংবা ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা থাকলে—তখনই একই ধরনের হস্তক্ষেপের ‘প্যাটার্ন’ দেখা যাচ্ছে। শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে ইডি উল্লেখ করেছে, পশ্চিমবঙ্গে এমন এক মারাত্মক পরিস্থিতি (Shocking situation in West Bengal) তৈরি হয়েছে যেখানে আইন রক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই গুরুতর অপরাধে মদত দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কথা তুলে ধরেছে ইডি। তাদের বক্তব্য, ২০১৪ সালের ললিতা কুমারী বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকার মামলার রায়ের আলোকে এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হওয়া বাধ্যতামূলক।

    তল্লাশিতে কীভাবে বাধা দেওয়া হয়

    ইডি জানিয়েছে, তারা যে আই-প্যাকের (I-PAC) প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন তার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল। তদন্তে জানা গেছিল, ২০ কোটি টাকার বেশি ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ তারা পেয়েছে। কিন্তু সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা একসঙ্গে সেখানে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, ওই আধিকারিকরা তদন্তকারী অফিসারদের ভয় দেখান, হুমকি দেন এবং তল্লাশির সময় বাজেয়াপ্ত করা গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ কেড়ে নেন। এমনকি তল্লাশি আর চালাতেও দেওয়া হয়নি। ইডির ভাষায়, এটি ছিল প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) অনুযায়ী সংগৃহীত প্রমাণে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

    সংবিধান ও আইনের শাসন অপমানিত

    ইডির স্পষ্ট বক্তব্য, সংগৃহীত প্রমাণের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের যোগ নেই। তা সত্ত্বেও, মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের মাধ্যমে সেই প্রমাণ কেড়ে নেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটায় সংবিধান ও আইনের শাসন চরমভাবে অপমানিত হয়েছে। ইডি আরও বলেছে, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বে থাকায় রাজ্য পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা অর্থহীন। এতে প্রকৃত তদন্ত না হয়ে প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা হবে। ইডির আবেদনে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানির সময়ও শাসক দলের সমর্থকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন। এমনকি দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আদালতে ভিড় জমাতে বার্তাও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে আদালত শুনানি মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়।

    সিবিআই তদন্তের দাবি ইডি-র

    এই প্রেক্ষিতে ইডি শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত সিবিআই-কে দিয়ে করানো হোক। ইডির মতে, এটি ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার’ পরিস্থিতি, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ জরুরি—যাতে কোনও রাজনৈতিক নেতা ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে আইন নিজের হাতে নেওয়ার সাহস না পান। ইডি আরও জানিয়েছে, তারা বহু-রাজ্য মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত একটি বৃহৎ মামলা তদন্ত করছেন। তদন্ত অনুযায়ী ২৭৪২.৩২ কোটি টাকার অপরাধমূলক অর্থ অবৈধ কয়লা খনি থেকে সরকারি কোষাগারে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ২০ কোটি টাকারও বেশি অপরাধমূলক অর্থের প্রাপ্তির প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

    সুপ্রিম দুয়ারে ইডির আবেদন

    উল্লেখ্য এর আগেও আই প্যাক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। শনিবার সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় একটি আবেদন করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে, অভিযোগ জানিয়ে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর্থিক তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, তাদের আধিকারিকদের আইনসম্মতভাবে তল্লাশি চালানো এবং কয়লা পাচার মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য বাজেয়াপ্ত করতে বাধা দেওয়া হয়। ইডি-র আরও দাবি, রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই সংশ্লিষ্ট ওই স্থানগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস জোর করে সরিয়ে নেওয়া হয়। আই প্যাক-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করেছে ইডি। সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আশঙ্কা ছিল যে, ইডি ওই মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। সে কারণে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিল রাজ্য, যাতে সেখানে ইডির বক্তব্য একতরফা ভাবে না শোনা হয়। যদি ইডি মামলা করে, তা হলে দুই পক্ষের বক্তব্য যেন শোনা হয়, সেই জন্য দাখিল করা হয় ক্যাভিয়েট।

  • Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেখানে ২০২৫ শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। মাত্র সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও রবিবার এক নতুন ইতিহাস লিখলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের (IND vs NZ) প্রথম ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের (Most Runs In International Cricket) তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেন ভারতের এই কিংবদন্তি। ছাপিয়ে গেলেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারাকে। সামনে শুধুই ক্রিকেটের ঈশ্বর শচিন তেন্ডুলকর। অন্যদিকে, শচিন ৬৪৪ ইনিংস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরিয়েছিলেন। লিটল মাস্টারের থেকে ২০ ইনিংস কম খেলে ২৮ হাজারি ক্লাবে পৌঁছলেন ‘রান মেশিন’ কোহলি।

    বিরাট-ব্যাটে নজিরের পর নজির

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে’তে সর্বাধিক রান করা ভারতীয় ক্রিকেটার কে? উত্তরটা শচিন। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৪১ ইনিংসে ১,৭৫০ রান করেছিলেন তিনি। গড় ৪৬.০৫। এর মধ্যে ৫টি সেঞ্চুরি এবং ৮টি হাফসেঞ্চুরি। রবিবার লিটল মাস্টারের নজির ৯৪ রান করলেই ছাপিয়ে যেতে পারতেন ‘চেজমাস্টার’। কিন্তু তিনি আউট হলেন ৯৩ রানে। কিউয়িদের বিপক্ষে ৩৪ ইনিংসে কোহলির এখন ১,৭৫০ রান। অর্থাৎ এক্ষেত্রে শচিনকে স্পর্শ করলেন তিনি। রেকর্ড এবং বিরাট কোহলি যেন একে অপরের সমার্থক। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের একমাস পর ওয়ানডে’তে নেমেই ফের সুপারহিট কিং কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনবদ্য ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিলেন ‘ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট’। ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না বটে, তবে বরোদার ম্যাচের পর তাঁর নামের পাশে একাধিক নজির।

    সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান

    শচিন তেণ্ডুলকর: ৩৪,৩৫৭
    বিরাট কোহলি: ২৮,০৬৮
    কুমার সঙ্গকারা: ২৮,০১৬

    বিরাট-ব্যাটেই জয়

    রবিবার মূলত বিরাটের ইনিংসে ভর করেই ওডিআই সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে (IND vs NZ) এগিয়ে গেল ভারত। এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শুভমন গিল। কিউয়ি ইনিংসের শুরুটা ভালোই করেছিলেন কনওয়ে ও হেনরি। দুই ব্যাটারের মধ্যে ১১৭ রানের পার্টনারশিপ হয়। হর্ষিতের বলে ৬২ করে আউট হন হেনরি, ৫৬ রানে সাজঘরে ফেরেন কনওয়ে। ইয়ং মাত্র ১২ রানে আউট করেন সিরাজ। এর পর স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন ড্যারিল মিচেল (Daryl Mitchell)। ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। তবে তাঁকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩০০ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে সিরাজ, হর্ষিত ও প্রসিদ্ধ একজোড়া করে উইকেট নেন। কুলদীপ নেন একটি উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মাকে (Rohit Sharma) শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে দেখা যায়। কিন্তু ২৬ রানে আউট হন হিটম্যান। তারপর শুভমনের সঙ্গে স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন বিরাট। দু’জনের মধ্যে ১১৮ রানের পার্টনারশিপ হয়। গিল ৫৬ রানে আউট হলে বিরাটের সঙ্গে রানের রথে সওয়ার হন প্রত্যাবর্তনকারী শ্রেয়স আইয়ার। এক রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি মিস করলেও এদিন তাঁর ব্যাটিংয়ে প্রতিফলিত হয় আত্মবিশ্বাস। জাদেজা ব্যাট হাতে সফল না হলেও মাঝে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে ফের চমক দেন হর্ষিত রানা। তবে দায়িত্ব সহকারে দলকে ম্যাচ জেতান কেএল রাহুল।

    ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ

    যাঁকে আইডল মেনে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলেন, তাঁর রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রান করার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন কিং কোহলি। কুমার সাঙ্গাকারাকে টেক্কা দিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন বিরাট। তাঁর ঝুলিতে এখন রয়েছে ২৮,০৬৮ রান। সামনে সচিন তেন্ডুলকর। তাঁর ঝুলিতে ৩৪, ৩৫৭ রান। অল্পের জন্য শতরান মিস করলেও বিরাটের ব্যাট থেকেই এসেছিল ৯৩ রান। ৯১ বলের ইনিংসে আটটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকান বিরাট। খেলার শেষে তিনি বলেন, “আমি যখন আমার কেরিয়ারটা পেছন ফিরে দেখি তাহলে অসংখ্য মধুর স্মৃতি রয়েছে। ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ। অনেক কিছু পেয়েছি।” প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, “আমি বরাবরই নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতাম। নিজের ক্ষমতা যতটুকু তার মধ্যেই আরও পরিশ্রম করে নিজের উন্নতির চেষ্টা করতাম।” উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডেতে বিরাট করেছিলেন ৩০২ রান। গড় ১০০-র উপরে। তাছাড়াও ২০২৫ সালের ১৩ ইনিংসে মোট ৬৫১ রান করেছেন। গড় ৬৫.১০। যা একই ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক রানের নজির। এরপর বিজয় হাজারেতে প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের পর গুজরাটের বিরুদ্ধে ৬১ বলে ৭৭ রান করে যান বিরাট। একই ফর্ম বজায় থাকল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও।

  • Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাবে না পাকিস্তান (Pakistan Drone)। জম্মু কাশ্মীরে পাক সীমান্তে ফের সন্দেহজনক ড্রোন পাঠাল পাকিস্তান। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই গুলি চলল ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে। অপারেশন সিঁদুরের পর বারবার অস্ত্রবাহী ড্রোন ঢুকিয়ে ভারতের ক্ষতি করতে চেয়েছে পাকিস্তান। রবিবার সন্ধ্যায় আবারও জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় সীমান্ত বরাবর আকাশে দেখা গেল আলোর ঝলকানি। এমনকী ভারতের আকাশসীমাতেও ড্রোনগুলি ঢুকে পড়েছে বলে খবর। গোটা ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় দেখা গিয়েছে পাক ড্রোন

    নিরাপত্তাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রবিবার বিকেল ৬টা থেকে সোয়া ৭টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে কাশ্মীরে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে ড্রোনগুলি ভারতের আকাশসীমায় ঢুকেছিল। বেশ কিছু অঞ্চলে খানিকক্ষণ চক্কর কেটেছে। তারপর আবারও পাকিস্তানে ফিরে গিয়েছে ড্রোনগুলি। জানা গিয়েছে, রাজৌরিতে নওশেরা সেক্টরের গানিয়া-কালসিয়ান গ্রামে বিকেল ৬টা ৩৫ নাগাদ পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনা ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালায়। অন্যদিকে, সাম্বা জেলার চক বাবরাল গ্রামে সন্ধে সোয়া সাতটা নাগাদ চক্কর কাটে পাক ড্রোন। পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া এলাকাগুলিতে সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ একটি পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। তবে ভারতের উপর কোনও হামলা চালায়নি এই পাক ড্রোনগুলি। ভারতের প্রত্যাঘাতে কোনও পাক ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা সেটাও জানা যায়নি।

    কী উদ্দেশে ড্রোনের আনাগোনা

    বেশ কয়েক মিনিট ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকেছিল ড্রোনগুলি। তারপর তারা ফিরেও যায়। তাহলে আবার কি কোনও নাশকতার ছক করছে প্রতিবেশী দেশ? নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, ভারতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের অস্ত্র এবং অন্যান্য রসদ দিতেই সম্ভবত এসেছিল পাক ড্রোনগুলি। ইতিমধ্যেই ওই তিন জেলায় শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি। যে এলাকাগুলিতে পাক ড্রোন চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছে, সেখানে তল্লাশি শুরু করেছে সেনা, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি। সন্দেহজনক জিনিসপত্র বা অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সন্দেহজনক ড্রপ জোনে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি অব্যাহত ছিল। এর আগে শুক্রবার রাতে সাম্বা জেলার ঘাগওয়াল এলাকার পলৌরা গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী একটি ড্রোন-এর মাধ্যমে বহু অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ড্রোনটিও পাকিস্তান থেকে এসেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল দুটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, ১৬টি কার্তুজ এবং একটি গ্রেনেড। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্ক অবস্থায় ড্রোনগুলির লাগাতার কার্যকলাপের কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি হাই অ্যালার্টে রয়েছে।

  • Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনা থামছেই না। ফের খুন এক হিন্দু যুবক (Another Hindu man killed in Bangladesh)। ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নির্বাচনের আগে বাড়তে থাকা উগ্রতার জেরে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হতে পারে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে (Bangladesh Violence) হিন্দুসহ সংখ্যালঘু (Minority Safety) সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান নৃশংসতা ও বেলাগাম হিংসার ঘটনায় এবার মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে চরম বার্তা দিল ভারত। দিল্লির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মৌলবাদে লাগাম টেনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউনূস প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

    বিষ খাইয়ে মারা হল হিন্দু যুবককে

    বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলায় জয় মহাপাত্র (Joy Mahapatra killed in Bangladesh) নামে এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রে দাবি, স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয় এবং বিষ খাইয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউ-তে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন। এদিকে, বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের (Dipu Chandra Das Murder Case) মামলায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ (Main accused arrested)। ইয়াসিন আরাফাত নামে অভিযুক্তকে স্থানীয়রা ‘শিক্ষক’ হিসেবে চিনত। পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর ওপর ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগ’ তুলে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়। প্রথমে জনতাকে উস্কানি এরপর সুযোগ বুঝে দীপুকে টেনে বের করে ক্ষুব্ধ জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়, আর এর ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন ইয়াসিন আরাফাত।

    বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের

    সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়তে থাকা এই পরিকল্পিত হামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়ান মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal)। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর উগ্রপন্থীদের হামলার এক উদ্বেগজনক প্রবণতা বারবার লক্ষ্য করছি। তাঁদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।” তাঁর মতে, এই ধরনের নৃশংস ঘটনাগুলোকে অনেক সময় ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বা ‘রাজনৈতিক বিরোধ’ হিসেবে তকমা দিয়ে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। ভারতের দাবি, এই ধরনের প্রবণতা অপরাধীদের আড়াল করে এবং তাঁদের আরও সাহসী করে তোলে। এর ফলে সাধারণ সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। ভারত চায়, বাংলাদেশ সরকার কোনও অজুহাত না দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় আইনি ব্যবস্থা নিক।

     

     

     

  • ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ১২ জানুয়ারি পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62)  মিশনের মাধ্যমে নতুন বছরের প্রথম উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো (ISRO)। ইসরোর এক্স হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে কৃত্রিম উপগ্রহটির উৎক্ষেপণ করা হবে। পাশাপাশি, এই বছর ইসরোর প্রধান মিশন হবে চালকবিহীন গগনযান পাঠানো। এই অভিযানে ব্যোমমিত্র নামের একটি হিউম্যানয়েড রোবটকে মহাকাশে পাঠানো হবে। এটি ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ অভিযানের আগে একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ২০২৭ সালে তিনজন মহাকাশচারীকে কক্ষপথে পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কী কাজ করবে এই নয়া স্যাটেলাইট

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) ২০২৬ সালের মহাকাশ উৎক্ষেপণ কর্মসূচির সূচনা করতে চলেছে পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62) মিশনের মাধ্যমে। আগামী ১২ জানুয়ারি, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এই উৎক্ষেপণ করা হবে। এই রকেটের প্রধান পেলোড হল ইওএস এন-ওয়ান (EOS-N1)। এটি একটি উন্নত পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী (Earth Observation) স্যাটেলাইট। এটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও দ্বারা নির্মিত। কৌশলগত উদ্দেশ্যে তৈরি এই স্যাটেলাইট ভারতের নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (PSLV)-এর মাধ্যমে ইওএস এন-ওয়ান-কে নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।

    উৎক্ষেপণের সময়সূচি ও স্থান

    ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, ১২ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৭ মিনিট (IST)-এ উৎক্ষেপণ করা হবে। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ফার্স্ট লঞ্চ প্যাড থেকে এই মিশন শুরু হবে। এই মিশনটি প্রায় ১ ঘন্টা ৪৮ মিনিট স্থায়ী হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাউন্টডাউনের আগে সব প্রস্তুতি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে। এই মিশনে ইওএস এন-ওয়ান ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক পেলোড থাকার কথা রয়েছে, যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। ইসরো জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ চাইলে শ্রীহরিকোটার লঞ্চ ভিউ গ্যালারি থেকে সরাসরি উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। প্রবেশের সময় আধার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বৈধ সরকারি পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি সঙ্গে রাখতে হবে। ইসরো-র মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল দেশের মহাকাশ কর্মসূচির সঙ্গে সাধারণ মানুষের আরও বেশি সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

  • Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran Protest) রাজনৈতিক সঙ্কট ক্রমশ গভীর হচ্ছে। দেশজুড়ে ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তীব্র আকার নিয়েছে। শুক্রবার রাতভর বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সূত্রের খবর, ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মোকাবিলায় বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে ইরানের সরকার। যার ফলে অন্তত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন স্থানীয় এক চিকিৎসক। তেহরানের ৬টি হাসপাতালেই এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বিক্ষোভ শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়

    প্রথমে ইরানে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং ইরানি রিয়ালের দ্রুত পতনের প্রতিবাদে। তবে ধীরে ধীরে তা সরকার ও ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি আন্দোলনে রূপ নেয়। এখন এই বিক্ষোভ আর শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরানের এক চিকিৎসক ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, শুধু রাজধানীর ৬ হাসপাতালেই অন্তত ২১৭ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। খবর যাতে ছড়াতে না পারে, তাই সরকার সারা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী ফোনের কানেকশনও স্তব্ধ করা হয়েছে।

    বিক্ষোভে অংশ নেন ৫ লক্ষের বেশি মানুষ

    সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ২,০০০-এরও বেশি মানুষ। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫ লক্ষের বেশি মানুষ। সারা দেশে প্রায় ৪০০টি স্থানে আন্দোলন চলছে। শুধু তেহরানেই সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। পুলিশ অন্তত ২,৩০০ জনকে আটক করেছে। বিদ্রোহের আগুন ইরানের ২০টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ১১০টিরও বেশি শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তেহরানে অন্তত ২৬টি ব্যাঙ্ক লুট করা হয়েছে, ২৫টি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং ১০টি সরকারি ভবন সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও ২৪টি অ্যাপার্টমেন্ট, ৪৮টি দমকলের গাড়ি ও ৪২টি বাসে আগুন লাগানো হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সরকারি দমন-নীতি

    ইরানের সেই চিকিৎসক টাইম ম্যাগাজিনকে জানান, বিক্ষোভকারীরা একত্রিত হলে সিকিউরিটি ফোর্স সরাসরি গুলি চালাতে শুরু করে। যার ফলে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু জনের বডি হাসপাতাল থেকে শুক্রবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই অল্প বয়সি। এছাড়া উত্তর তেহরানের পুলিশ স্টেশনের বাইরে মেশিন গান থেকে গুলি চালিয়েও বেশ কিছু বিক্ষোভকারীকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি। যতদূর খবর, ইরানে সরকার বিরোধী মিছিল মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীরা অশান্ত হয়ে ওঠে। তারা তেহরানের আল রাসুল মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    ইরান ঝুঁকবে না কোনও শক্তির কাছে

    যদিও এই চিকিৎসক যতটা দাবি করেছেন, মৃতের সংখ্যা এতটাও বেশি নয় বলে দাবি করেছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন। ওয়াশিংটনের মানবাধিকার সংগঠন এবং সংবাদ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মোটামুটি ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। মৃত্যের মধ্যে ৪৯ জন সাধারণ মানুষ। একইসঙ্গে চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে নারাজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তিনি জানান, এই ইসলামিক দেশ কারও কাছে মাথা নত করবে না। যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কাছে হার মানার প্রশ্নই নেই।

  • German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আসছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ (German Chancellor Visit India)। বার্লিনের মসনদে বসার পর এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। দু’দিনের ভারত সফরে ১২ জানুয়ারি আমেদাবাদে পা রাখবেন তিনি। সেখানেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তির পাশাপাশি আলোচনা হবে দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে মার্জের এই সফর। তিনি বেঙ্গালুরুতেও যাবেন ।

    আমেদাবাদে স্বাগত

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, জার্মান চ্যান্সেলরের (German Chancellor Visit India) এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। শুধু তাই নয়, একে অপরকে সাহায্যের জন্য দু’দেশের যে অভিন্ন অঙ্গীকার তা-ও আরও দৃঢ় হবে। ভারত-জার্মানির দূরদর্শী অংশীদারিত্ব বৃহত্তর আন্তর্জাতিক স্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে বিদেশমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ১২ জানুয়ারি জার্মান চ্যান্সেলরকে আমেদাবাদে স্বাগত জানাবেন মোদি। সফরের অংশ হিসেবে দুই নেতা সবরমতি আশ্রম পরিদর্শন করবেন এবং সবরমতি রিভারফ্রন্টে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ঘুড়ি উৎসবে অংশ নেবেন। এরপর গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রেডরিখের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে? সূত্রের খবর, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে দু’দেশের সহযোগিতা কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়ে আলোকপাত করা হবে বৈঠকে। এছড়াও নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন মোদি-ফ্রেডরিখ। অন্যদিকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে যে পূর্ব চুক্তিগুলি হয়েছে, সেগুলির অগ্রগতিও এই বৈঠকে পরিমাপ করা হবে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    প্রতিরক্ষা সহায়তা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এই সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে। সূত্রের খবর, প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সাবমেরিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এই চুক্তিকে ভারতের সামরিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করাকে উভয় দেশই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। চ্যান্সেলর মার্জের এই সফর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক জোরদার করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ বলেও মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠক শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও যৌথ আগ্রহের প্রতিফলন।

    ভারতের বাজারে নজর

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জার্মানি ভারতের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি এবং উৎপাদন খাতে জার্মান বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারতের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উভয় দেশই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ

    সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি চলাকালীন, দুই দেশের সরকারই আশাবাদী যে এই বৈঠকের ফলাফল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। এই সফর আধুনিক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত–জার্মানি সম্পর্কের গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরছে। ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে আসার কথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর। তার আগে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

LinkedIn
Share