Author: ishika-banerjee

  • Jaishankar on US: ‘আরও একাকী শক্তি’ হয়ে উঠেছে আমেরিকা, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়শঙ্কর

    Jaishankar on US: ‘আরও একাকী শক্তি’ হয়ে উঠেছে আমেরিকা, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত বদল আসছে। একদিকে আমেরিকার অবস্থানে ‘বড় পরিবর্তন’, অন্যদিকে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব—এই দুই প্রবণতাই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে নতুন করে গড়ে তুলছে বলে মন্তব্য করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেছেন তিনি। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, আমেরিকা তার বর্তমান অবস্থান ‘নিজের পছন্দেই’। তারা বেছে নিয়েছে তাদের নীতি। এর ফলে দেশটি “ইচ্ছাকৃতভাবে আরও একাকী শক্তি” হয়ে উঠেছে। তাঁর মতে, বিশ্ব রাজনীতিতে ওয়াশিংটন-বেজিং প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সক্ষমতাকে বিভিন্ন দেশ নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

    চিনের বাড়তে থাকা প্রভাব

    চিনের অর্থনৈতিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে জয়শঙ্কর বলেন, বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের সঙ্গে চিন যুক্ত। এই বিশাল অর্থনৈতিক সক্ষমতা ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রভাবেও পরিণত হচ্ছে। তাঁর মতে, চিনের উত্থান এবং আমেরিকার নীতিগত পরিবর্তনের ফলে মধ্যম ও উদীয়মান শক্তিগুলির কাছেও নিজেদের স্বার্থকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।

    ‘এক শক্তির ওপর নির্ভরতা নয়’

    জয়শঙ্কর বলেন, বিশ্বের মধ্যম ও উদীয়মান শক্তিগুলি এখন নিজেদের আরও বেশি স্বনির্ভর করে তুলতে চাইছে। অর্থনীতি থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই দেশগুলি ঝুঁকি কমাতে এবং বিভিন্ন উৎস ও অংশীদারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে চাইছে। কোনও একটি বড় শক্তি বা জোটের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতার পরিবর্তে নির্দিষ্ট স্বার্থ ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, সব বিষয়ে একই মত থাকা জরুরি নয়। বরং কোনও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে “যথেষ্ট মাত্রায় অভিন্নতা” থাকলেই দুই বা একাধিক দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

    কোয়াড, ব্রিকস থেকে আন্তর্জাতিক করিডর

    এই ধরনের বহুমুখী সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে জয়শঙ্কর কোয়াড ও ব্রিকসের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর, আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহণ করিডর এবং নর্দার্ন সি রুটের মতো যোগাযোগ প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আন্তর্জাতিক সৌর জোট এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো সংক্রান্ত জোটের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, নির্দিষ্ট অভিন্ন লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে এই ধরনের সহযোগিতা বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন কাঠামোর জন্ম দিচ্ছে, যেখানে একটি দেশ একই সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে পারে।

    রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের অবস্থান

    রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানান জয়শঙ্কর। ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমের দেশগুলির একাংশ ভারতের মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং রুশ তেল কেনা নিয়ে সমালোচনা করলেও, ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদেশনীতি তার নিজস্ব ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। রাশিয়া ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, ১৯৫০-এর দশক থেকে ভারত বিভিন্ন সময়ে সোভিয়েত সমর্থন পেয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “মানুষ ভালো ইতিহাস বা খারাপ ইতিহাস—কোনওটাই ভুলে যায় না।” ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পশ্চিম বিশ্বের একটি বড় অংশ যখন পাকিস্তানের সামরিক শাসনকে সমর্থন করেছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভারত-সমর্থনের কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। জয়শঙ্করের দাবি, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের অভিজ্ঞতা “ইতিবাচক এবং ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক”। তবে সময়ের সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্কের ধরন যে বদলেছে, সেটিও তিনি স্বীকার করেন।

    রুশ তেল নিয়ে বিতর্ক

    ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর থেকেই রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। আমেরিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ এ নিয়ে আপত্তি জানালেও নয়াদিল্লির অবস্থান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারত একই সঙ্গে একাধিক উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের নীতিতে জোর দিয়ে আসছে। জয়শঙ্করও বলেন, ভারতের সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়।

    ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ভারতের অবস্থান

    ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে ভারত এখনও আলোচনা, কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমেই সমাধানের পক্ষে বলে পুনরায় জানান জয়শঙ্কর।তিনি বলেন, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন—দুই পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছে এবং কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্যশস্য সরবরাহ, জ্বালানি রফতানি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ওপর হামলার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে।

    ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার বার্তা

    জয়শঙ্করের বক্তব্যে ভারতের বিদেশনীতির মূল দিকটি আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে—কোনও একটি শক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জোটবদ্ধ না হয়ে নিজের স্বার্থ অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা। আমেরিকা ও চিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মধ্যেও ভারত যেমন কোয়াডের অংশ, তেমনই ব্রিকসের সদস্য এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বজায় রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জয়শঙ্করের বক্তব্যের মূল বার্তা হল—বর্তমান বিশ্বে দেশগুলিকে আর একটিমাত্র শক্তি বা জোট বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং নির্দিষ্ট বিষয়ে স্বার্থের মিল থাকলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথকভাবে সহযোগিতা করাই ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠছে।

     

     

     

  • Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সোমবার সকালে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে পতাকা তুলে দেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক অনুপম ঘোষ এবং সহ-আহ্বায়ক চন্দ্রশেখর বাসোটিয়া। সোমবার বেলায় বিধানসভায় গিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র পেশ করেন কোয়েল। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় প্রমুখ। গতকাল, রবিবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল (রুক্মিণী) মল্লিকের নাম ঘোষণা করে বিজেপি৷

    মনোনয়ন জমা দিলেন কোয়েল

    সোমবার সাড়ে দশটা নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছন কোয়েল৷ ঘণ্টাখানেক পরেই মনোনয়ন জমা দিলেন তিনি৷ নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন কোয়েল৷ বিজেপিতে যোগ দিয়ে কোয়েল বলেন, “বিগত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রা চলছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক।” তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ জানিয়ে কোয়েল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যুক্ত হতে চাই।” রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে তাঁকে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। ভবিষ্যতের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে কোয়েলের সংযোজন, “সবার জন্য কাজ করতে চাই, সবার মঙ্গল কামনা করি।”

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায়

    প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে অভিনেত্রী কোয়েলের নামও ঘোষণা করেছিল পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল। গত মার্চে ভোট হয়েছিল রাজ্যসভায়। কোয়েল পরে ৬ এপ্রিল সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি। বাদল অধিবেশন শুরুর আগে ১৬ জুলাই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। গত ১৬ জুলাই সাংসদপদে ইস্তফা দেওয়ার পর পরই কোয়েল দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছিল সেখান থেকেই। কোয়েলের আগে আরও তিন জন— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ পদে ইস্তফা দেন। পরে তিন জনকেই আবার রাজ্যসভায় পাঠায় বিজেপি। তৃণমূলের সাংসদপদ ছাড়ার পর গত ৯ জুলাই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুখেন্দু, সুস্মিতা এবং প্রকাশ। যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন জনকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী করে বিজেপি। এবার যোগ দিলেন কোয়েল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাচ্ছেন কোয়েল। কারণ বিজেপির হাতে যে সদস্য সংখ্যা আছে তাতে অন্য রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেওয়ার জায়গা নেই। সব ঠিক থাকলে আগামী ১২ অক্টোবর জয়ী শংসাপত্র পাবেন কোয়েল মল্লিক৷

  • India vs Uruguay: ব্রাজিলের মানসিকতা নিয়ে নামবে ভারত! উরুগুয়ের ম্যাচের ফ্রি টিকিট পাবেন মেসিকাণ্ডের বঞ্চিতরা

    India vs Uruguay: ব্রাজিলের মানসিকতা নিয়ে নামবে ভারত! উরুগুয়ের ম্যাচের ফ্রি টিকিট পাবেন মেসিকাণ্ডের বঞ্চিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিল ম্যাচের ইতিবাচক মানসিকতাকই মঙ্গলবার উরুগুয়ের (India vs Uruguay) বিরুদ্ধে বজায় রাখতে চায় ভারত। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে চার গোলে হারলেও প্রশংসা কুড়িয়েছে ভারতীয় দল। ম্যাচের শেষে যখন টিম বাসে উঠছিলেন মনবীর সিংরা, তখন ভারতীয় সমর্থকরা হাততালি দিচ্ছিলেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে অনিরুদ্ধদের থেকে ১৩২ ধাপ ওপরে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়ররা। এমন শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধেও দুরন্ত শুরু করেছিল ব্লু-টাইগার্সরা। মঙ্গলবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উরুগুয়ের সঙ্গেও পাল্লা দিয়ে লড়তে চায় ভারত। ফলে উপভোগ্য একটা ম্যাচের অপেক্ষায় রয়েছে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীরা।

    কী কী নথি থাকলে বিনামূল্যে পাস

    গত বছরের ডিসেম্বরে কলকাতায় মেসির ‘গোট’ সফরের অনুষ্ঠানের টিকিট কেটেছিলেন যাঁরা, তাঁদেরই এবার ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এই ম্যাচ হওয়ার কথা। ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ২২ হাজার বিনামূল্যে পাস দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। পাস সংগ্রহের সময় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্ট, এই নথিগুলির যে কোনও একটি দেখাতে হবে। পাশাপাশি গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটটিও সঙ্গে রাখতে হবে।

    কবে, কখন পাস দেওয়া হবে

    আগামী ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কমপ্লিমেন্টারি পাস সংগ্রহ করা যাবে। কোথায় গেলে পাস পাওয়া যাবে, তার একটি তালিকা নিজের পোস্টে শেয়ার করেছেন ইন্দ্রনীল খাঁ। নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলিতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে পাস নিতে হবে। পাস সংগ্রহের জন্য যে জায়গাগুলি নির্ধারণ করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মোহিত মৈত্র মঞ্চ, মিলন মঞ্জরী কমিউনিটি হল, অভয়ণ কমিউনিটি হল, উদযাপন কমিউনিটি হল, শুভনন্দন কমিউনিটি হল এবং বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের গেট নম্বর ২ ও ৩এ। এ ছাড়াও বিধাননগর পুরসভা স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং রাজারহাট-গোপালপুর সুইমিং পুল থেকেও পাস সংগ্রহ করা যাবে।

    ১৯৯ টাকাতেও ম্যাচ দেখার সুযোগ

    ভারত-উরুগুয়ে (India vs Uruguay) ম্যাচের জন্য সব টিকিট অবশ্য বিনামূল্যে নয়। সি২ লেফট এবং সি২ রাইট গ্যালারির টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ কম খরচেও যুবভারতীতে বসে ভারত-উরুগুয়ের ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকছে দর্শকদের জন্য। ম্যাচে লড়াইও হবে জমজমাট। ব্রাজিলের বিরিদ্ধে বেশ লড়াই করেছিলো ভারত। ২৭ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচের ফলাফল ০-০ ছিল। গোলের সুযোগও এসে গিয়েছিল রায়ান উইলিয়ামসের কাছে। কিন্তু সেই হাফ চান্সকে কাজে লাগাতে পারেননি রায়ান। শনিবার গোল খেয়ে শুধুমাত্র রক্ষণাত্মক ফুটবল না খেলে প্রয়োজনে কাউন্টার অ্যাটাকেও গিয়েছে খালিদ জামিলের ভারত। যার ফলে আন্সেলোত্তির মতো বিশ্বখ্যাত কোচকেও স্বীকার করতে হয়েছে বেশ কয়েকবার সমস্যায় ফেলেছেন ভারতীয়রা। চাইছেন রায়ানরা।রায়ান বলেন, “ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছি আমরা উরুগুয়ের বিরুদ্ধেও এমন ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই খেলতে চাই। বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের সমক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ পেলে তা কাজে লাগাতে হবে। এবং সব চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করতে হবে আমাদের। ফলাফলের চেয়েও আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ভালো পারফর্ম করা। আমরা আগে থেকেই পিছিয়ে না গিয়ে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলতে চেয়েছিলাম। ব্রাজিলের মতো দলকেও কয়েকবার সমস্যায় ফেলতে সামর্থ্য হয়েছি। কয়েক মাস আগেও ভারতের থেকে এমন আক্রমণাত্মক ফুটবল কেউ আশা করতে পারত না।”

  • Flydubai Hijacking: ৯/১১-ধাঁচে হামলার পরিকল্পনা! দুই বিমানের সংঘর্ষের কথাও ভেবেছিলেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহ-পাইলট

    Flydubai Hijacking: ৯/১১-ধাঁচে হামলার পরিকল্পনা! দুই বিমানের সংঘর্ষের কথাও ভেবেছিলেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহ-পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্লাইদুবাইয়ের ইজরায়েলগামী বিমানের কো-পাইলটের পরিকল্পনা একে একে প্রকাশ্যে আসছে। ফ্লাইদুবাইয়ের (Flydubai Hijacking) একটি যাত্রীবাহী বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা এবং সেটিকে ইজরায়েলে বিধ্বস্ত করার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে বিমানের সহ-পাইলটের বিরুদ্ধে। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট ১০৭৩-এর সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে, কোনও পরিকল্পনাই তিনি বাস্তবায়িত করতে পারেননি। কিন্তু সফল হলে ৯/১১-র ধাঁচে আরও একটি সন্ত্রাসবাদী হামলার সাক্ষী হত গোটা বিশ্ব। ওমানি নাগরিক হামাম আল-হাম্মামি আপাতত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হেফাজতে রয়েছেন। তারাই তদন্ত করছে। গোয়েন্দা সূত্র উল্লেখ করে ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমে দাবি, তদন্তকারীদের কাছে তিনি নিজের পরিকল্পনা বিশদে জানিয়েছেন। স্বীকার করেছেন, ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে মেরে বিমানটি ‘ক্র্যাশ’ করাতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই মতোই পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন।

    বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওমানি নাগরিক হিসেবে পরিচিত আল-হাম্মামি সংযুক্ত আরব আমিরাতের তদন্তকারীদের কাছে নাকি বলেছেন, প্রথমে তিনি বিমানের ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। এরপর বিমানের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় অবতরণের অনুমতি নেওয়ার পর বিমানটিকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কোনও ভবন অথবা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিমানটি জর্ডানের আকাশসীমার কাছে পৌঁছনোর সময় নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। বেন গুরিয়নে পৌঁছনো সম্ভব না হলে তেল আভিভের কোনো উঁচু ভবন অথবা জর্ডানে অবস্থিত কোনো মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে বিকল্প লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কথিত হামলার পরিকল্পনাটি সহ-পাইলট নিজে করেছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নির্দেশনা ছিল।

    ৯/১১-ধাঁচের হামলার পরিকল্পনা

    হামাম জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে তাঁর লক্ষ্য ছিল তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর। সেখানে পৌঁছে কোনও বিমানে ধাক্কা মারতে পারলে তাঁর পরিকল্পনা সফল হত। হামাম জানিয়েছেন, দুই বিমানের সংঘর্ষের কথা তিনি ভেবে রেখেছিলেন। তা একান্ত সম্ভব না-হলে তেল আভিভ শহরের উঁচু কোনও ইমারতে বিমান ঢুকিয়ে দিতেন তিনি। দুই ক্ষেত্রেই প্রচুর সংখ্যক প্রাণহানির সম্ভাবনা তৈরি হত। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় আল কায়েদার সন্ত্রাসবাদী হামলা দ্বারা হামাম অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সেই ধাঁচে একের পর এক পরিকল্পনা করেছিলেন।

    ভারতীয় পাইলটের প্রতিরোধ

    বিমান জর্ডনের কাছাকাছি চলে আসার পর তিনি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। তার আগে পর্যন্ত কাউকে কিছু টের পেতে দেননি। জর্ডন হয়ে বিমানটি ইজরায়েলে ঢুকত। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি, জর্ডনের আকাশসীমা পেরিয়ে ইজরায়েলের দিকে যাওয়ার সময় সহ-পাইলট ক্যাপ্টেনের ওপর হামলা চালান। তাঁকে মেরে ফেলার পরও বিমান স্বাভাবিক ভাবে উড়িয়ে তেল আভিভ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, যাতে অবতরণের প্রয়োজনীয় অনুমতিগুলি নির্ঝঞ্ঝাটে পাওয়া যায়। কিন্তু বাধ সাধলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিথ। হামলায় ক্যাপ্টেন আহত হলেও তিনি পাল্টা প্রতিরোধ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা সহ-পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    বিমান ধ্বংসের শেষ চেষ্টা

    অভিযোগ, পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে দেখে শেষ চেষ্টা করেছিলেন হামাম। বিমানের অটোপাইলট বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। দু’টি ইঞ্জিনও বন্ধ করে দেন। এর ফলে বিমানটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ১৪ হাজার ফুট নীচে নেমে যায়। যাত্রীআসনে আরও দুই পাইলট না-থাকলে বিমানটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হত না। বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলটও নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, বিমানে মোট ১৭২ জন ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলায় ক্যাপ্টেন আহত হন এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দুই ক্রু সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পূর্ববর্তী চাকরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    তদন্তকারীরা সহ-পাইলটের পূর্ববর্তী কর্মজীবন ও কার্যকলাপও খতিয়ে দেখছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তিনি এর আগে ওমান এয়ারে কাজ করেছিলেন এবং সেখানেই পাইলট প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তীতে সরকারি পর্যবেক্ষণের সময় কিছু উদ্বেগের বিষয় সামনে আসার পর তাকে অফিসের দায়িত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কথিত কার্যকলাপও তদন্তের আওতায় এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি দুবাইয়ে ইজরায়েলি এয়ারলাইন্সের বিমানের ভিডিও পোস্ট করেছিলেন এবং পরে আল-কায়েদার সাবেক নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন।

    ইজরায়েলগামী রুটের জন্যই ফ্লাইদুবাই

    তদন্ত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ফ্লাইদুবাইয়ে চাকরি পাওয়ার আগেই আল-হাম্মামি ইজরায়েলগামী ফ্লাইট পরিচালনা করে এমন বিমান সংস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছিলেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার পর তিনি একাধিকবার বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। গত জুনে একটি সফরের সময় তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। জুলাইয়ে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ওই ফ্লাইটের এক ক্রু সদস্য তাঁর পরিচিত হওয়ায় তিনি তা থেকে সরে আসেন বলে তদন্ত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

     

     

     

     

     

  • Nandigram By Poll: ‘আমরা সরকারের বন্ধুত্ব চাই’ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর রোড শোতে প্ল্যাকার্ড হাতে সংখ্যালঘুরা

    Nandigram By Poll: ‘আমরা সরকারের বন্ধুত্ব চাই’ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর রোড শোতে প্ল্যাকার্ড হাতে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সেই বার্তায় সাদরে হাত বাড়ালেন সংখ্যালঘুরা। রবিবার ‘বন্ধুত্বের’ ছবি দেখা গেল নন্দীগ্রামে (Nandigram By Poll)। উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রীর ব়্যালির সময় বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে পোস্টার হাতে দেখা গেল সংখ্যালঘুদের। শুভেন্দুর ব়্যালির পর সংখ্যালঘুরা জানালেন, মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তাঁরা খুশি। মুখ্যমন্ত্রীও বললেন, “প্রচারে বেরিয়ে আমার দেখে মনে হল, আমার বন্ধুত্বের আহ্বান অনেকটা কাজ করবে।” নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনের নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় এদিন রোড শো করেন শুভেন্দু অধিকারী।

    নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘু অঞ্চলে শুভেন্দু

    রবিবার ছিল নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ দিন। এদিন সকালে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের টেঙ্গুয়া থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মিছিল করেন শুভেন্দু। দলীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁর সঙ্গে পা মেলান এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। একই ভাবে বিকেলে নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের রাজারামচক থেকে মিরের বাজার পর্যন্ত পদযাত্রা করেন তিনি। দু’টি মিছিলেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। রাস্তার ধারে জড়ো হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। শুভেন্দুর পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হাসিরানির নামেও স্লোগান দেন তাঁরা। রাতে হরিপুরের পার্টি অফিসের সাংবাদিক সম্মেলনে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু বলে দিলেন, ‘বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে পথের দু’ধারে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা। লেখা, ‘আমরা মুখ্যমন্ত্রীর পাশে আছি। আমরা বন্ধুত্ব করতে চাই সরকারের সঙ্গে।’

    রোড শো নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    উপনির্বাচনের প্রচারে সংখ্যালঘু এলাকায় রোড শো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই এলাকাতে আমার মনে হয়, ভারতীয় জনতা পার্টি প্রথম কোনও কর্মসূচি করতে পারল। একুশ ও ছাব্বিশের বিধানসভা, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন এবং তেইশের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানে প্রচার করিনি। কারণ, বাইরে থেকে লোক নিয়ে গিয়ে প্রচার করার কোনও মানে হয় না। এখানকার বুথগুলিতে বিজেপি কার্যত শূন্য ভোট পেয়েছিল।” এরপরই তিনি জানান, “এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের দলের নেতৃত্বকে বলেছিলেন, যদি মুখ্যমন্ত্রী এলাকায় আসেন। আজ প্রচারে বেরিয়ে আমার দেখে মনে হল, বিজেপির ব্যবধান অনেকটাই বাড়বে। আপনি হাত বাড়ালে আমি ধরব।” সংখ্যালঘুরা বিজেপিকে আপন করে নিচ্ছে বলেও মনে করেন শুভেন্দু। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পরশু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। আমি মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশমন্ত্রীও। তাই নিরাপত্তার বিষয়টা আমি দেখব।’ একই সঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি শুভেন্দু। ব্যঙ্গের সুরে বলেন, ‘আগেই বলেছিলাম, তৃণমূলের নাম-নিশান থাকবে না। সেটাই হলো। এখানে মমতার কোনও চিহ্ন নেই। রেজিনগরের নোটার নীচে থাকবে, ৫-৬ নম্বরে।’

  • India vs Brazil: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়! যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ সুষ্ঠ আয়োজন করে দেখিয়ে দিল শুভেন্দু-প্রশাসন

    India vs Brazil: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়! যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ সুষ্ঠ আয়োজন করে দেখিয়ে দিল শুভেন্দু-প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়। মাঠে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে সুকান্ত মজুমদার। ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কিন্তু ফুটবলারদের বিব্রত করে মাঠে নেমে সেলফি তুলতে দেখা যায়নি কাউকে। বিনা ঝঞ্ঝাটে ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বললেন, এটাই আসল পরিবর্তন। মেসিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে বহুল প্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে হার স্বীকার করতে হল ভারত দলকে (India vs Brazil Match)।

    মেসি-ম্যাচে বিশৃঙ্খলা, মন্ত্রীদের সেফলি

    তৃণমূল আমলে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছিল লিওনেল মেসির ম্যাচ। মাঠে নেমেও ভিড় ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে ফিরে যান লিওনেল মেসি। ওই ঘটনায় ম্যাচ ও অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তৎকালীন রাজ্য সরকারের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা মাঠে নেমে মেসির সঙ্গে সেলফি তোলেন বলেও অভিযোগ উঠে। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও হাজার হাজার দর্শক মেসিকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছিলেন। ক্ষোভে ভাঙচুর করা হয় স্টেডিয়াম। সেই সময় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। শনিবার যুবভারতীতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয় ব্রাজিল-ভারতের খেলা।

    কোনও নেতা-মন্ত্রী সেলফি তোলেনি

    এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা অনেক সাবধানে করেছি, ফিফার নিয়ম মেনে করেছি। ফুটবল মানে কলকাতা। আমাদের কোনও মন্ত্রী থেকে শুরু করে পুলিশ কাউকেই দেখেননি সেলফি তুলতে। আমরা বলেছিলাম, সব টিকিট সেল করবেন না। যাতে ডিসিপ্লিন ভাবে সবটা কন্ট্রোল করা যায়।” যুবভারতী স্টেডিয়ামের দর্শকাসন প্রায় ৬৬ হাজার। শনিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হল যে, ৫১,৪০২ দর্শক খেলা দেখছেন। ম্যাচের শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মেসি-কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রুখতে ২০ হাজার টিকিট কম বিক্রি করা হয়েছিল। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী। ম্যাচের শেষে মাঠ ছেড়ে বেরনোর সময় তিনি বললেন, ‘আমরা ২০ হাজার আসন ফাঁকা রেখেছিলাম, যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়। আমাদের কোনও নেতা-মন্ত্রী বা প্রশাসনিক কর্তা সেলফি তোলার চেষ্টা করেনি। মেসি কাণ্ড আর হতে দেব না, এ নিয়ে বদ্ধপরিকর ছিলাম আমরা। সেই কারণেই ৫১ হাজার আসনে দর্শক ছিলেন, আর ২০ হাজার টিকিট ছাড়া হয়নি।’

    উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যে টিকিট

    ব্রাজিল-ভারতের খেলা শেষে সুখবর ঘোষণা করেন মুখ‍্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত পাস করানো হবে। সূত্রের খবর, মেসি ম্যাচের টিকিট যাঁরা অনলাইনে কেটেছিলেন, তাঁদের কাছে উরুগুয়ের ম্যাচের বিনামূল্যের টিকিটের নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে। যুবভারতীতে লিওনেল মেসিকে দেখতে গিয়ে যাঁরা টিকিট কেটেও প্রতারিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সেই ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট বিনামূল্যে বিতরণ করবে রাজ্য সরকার। লিওনেল মেসিকে দেখতে যাঁরা অনলাইনে টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদেরকেই ওই বিনামূল্যের টিকিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

  • Asian Games 2026: হকিতে প্রথম বার জোড়া সোনা! হরমনপ্রীতের গোল খেতাব ধরে রাখল ভারত, সোনা জিতে নজির আমনের

    Asian Games 2026: হকিতে প্রথম বার জোড়া সোনা! হরমনপ্রীতের গোল খেতাব ধরে রাখল ভারত, সোনা জিতে নজির আমনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালয়েশিয়াকে হারিয়ে ছেলেদের হকিতেও সোনা জিতল ভারত। শনিবার ফাইনালে মালয়েশিয়াকে ৫-১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে খেতাব ধরে রাখল ভারত। প্রথম বার এশিয়ান গেমসে হকির দুই বিভাগেই সোনা জিতল ভারত। সোনা জিতলেন কুস্তিগির আমন সেহরাওয়াত। সব মিলিয়ে নাগোয়া গেমসে ভারত ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ পদক পেল। মোট ৮৫টি পদক নিয়ে তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে চিন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

    হকিতে অলিম্পিক্সে জায়গা পাকা

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্র্যাগ-ফ্লিকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। যদিও তিন মিনিটের মধ্যেই ম্যাচে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। ১৪ মিনিটে শেলো সিলভেরিয়াসের গোলে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফের এগিয়ে যায় ভারত। আট মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন জুগরাজ সিং। ফলে প্রথমার্ধের শেষে ভারত এগিয়ে ছিল ২-১ গোলে। তৃতীয় কোয়ার্টারে ভারতের দাপট আরও বাড়ে। ১২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন হার্দিক সিং। এরপর শেষ কোয়ার্টারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ভারত। ম্যাচ শেষ হতে ছ’ মিনিট বাকি থাকতে শিলানন্দ লাকরার গোলে ভারত ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টায় মালয়েশিয়া আক্রমণে খেলোয়াড় বাড়িয়ে দেয়। সেই সুযোগেই ফের পেনাল্টি কর্নার আদায় করে ভারত এবং সেখান থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হরমনপ্রীত। শেষ পর্যন্ত ৫-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ভারত। এই জয়ের সুবাদে লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিক্সের জন্য সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করল তারা।

    কুস্তিতে কেরামতি ভারতীয়দের

    ছেলেদের ফ্রিস্টাইল কুস্তির ৫৭ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন আমন। এই প্রথম ভারত এশিয়ান গেমসে এই ইভেন্টে সোনা জিতল। ফাইনালে উত্তর কোরিয়ার হান চং সংকে ১১-৭ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন আমন। একটা সময় ৬-২ ব্যবধানে এগিয়ে যান আমন। ডান পায়ের হাঁটুতে চোট পান সং। তা-ও দুর্দান্ত ভাবে লড়াইয়ে ফেরেন তিনি। আমনের রক্ষণের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান ৭-৬ ব্যবধানে। হাল ছাড়েননি ভারতীয় কুস্তিগিরও। শেষ মিনিটে সংকে বাগে পেয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ১১-৭ ব্যবধানে জিতে যান আমন। মেয়েদের ফ্রিস্টাইল কুস্তির ৫৩ কেজি বিভাগের ফাইনালে হেরে গেলেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। জাপানের মো কিয়োকার কাছে ৯-১ ব্যবধানে হারায় রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থকতে হল তাঁকে। ছেলেদের ৯৭ কেজি ফ্রিস্টাইল কুস্তিতে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন দীপক পুনিয়া। ৬০ বছর পর এশিয়াডের এই ইভেন্টে পদক পেল ভারত। ১৯৬৬ সালে রুপো পেয়েছিলেন বিশ্বনাথ সিং এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন ভীম সিং।

     

  • Flydubai Hijacking: আল-কায়েদা নেতার ছবি, উগ্র মতাদর্শের অভিযোগ! ফ্লাইদুবাই বিমানে কো-পাইলটের হামলা ‘সন্ত্রাসী হুমকি’ দাবি আমিরাতের

    Flydubai Hijacking: আল-কায়েদা নেতার ছবি, উগ্র মতাদর্শের অভিযোগ! ফ্লাইদুবাই বিমানে কো-পাইলটের হামলা ‘সন্ত্রাসী হুমকি’ দাবি আমিরাতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল-কায়েদা নেতাদের ছবি, উগ্রপন্থী ওয়েবসাইটে যাতায়াতের অভিযোগ, নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস—ইজরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে সহ-পাইলটের কথিত হামলার পর তার অতীত নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদনে ওই সহ-পাইলটের নাম হামাম আল-হামামি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখে ফ্লাইদুবাইয়ের (Flydubai Hijacking) ওই ফ্লাইটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা চালিয়ে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ঘটনাটি বিমানটি বিধ্বস্ত করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর আগে দাবি করেছিলেন, ওই ব্যক্তি ‘ইসলামপন্থী উগ্রবাদী মতাদর্শে দীক্ষিত’ হয়েছিলেন।

    কে এই ফ্লাইদুবাইয়ের সহ-পাইলট?

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-হামামির বাবা একজন ওমানি ও মা সিরিয়ার বাসিন্দা। জীবনের বড় অংশ তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাটিয়েছেন। তবে ওমান সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাগরিকত্ব নিশ্চিত করেনি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতে পারে। এই তথ্য সত্য হলে ইজরায়েলগামী ফ্লাইটের ক্রুতে তিনি কীভাবে যুক্ত হলেন, তা তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। ফ্লাইদুবাইয়ে (Flydubai Co-Pilot Attacked) যোগ দেওয়ার আগে তিনি ওমানের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা ওমান এয়ার এবং মরক্কোর জাতীয় বিমান সংস্থা রয়্যাল এয়ার মরক্কো-এ কাজ করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    ওমান এয়ার-এ থাকাকালীন নজরে?

    প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়েছে, ওমান এয়ার (Oman Air)-এ কর্মরত থাকাকালীন আল-হামামির উগ্র মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এমনকি তিনি কিছু ‘র‌্যাডিক্যাল’ বা উগ্রপন্থী ওয়েবসাইট পরিদর্শন করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এরপর তাকে উড়ান-সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অফিসের কাজে দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অফিসের কাজে অসন্তুষ্ট হয়ে পরবর্তীতে তিনি ওমান এয়ার (Oman Air) ছেড়ে দেন বলে জানা গেছে। আল-হামামি প্রায় সাত বছর ওমান এয়ার-এ কাজ করার পর ২০২৫ সালের জুনে রয়্যাল এয়ার মরক্কো (Royal Air Maroc)-এ যোগ দেন এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সেখান থেকে চলে যান।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল-কায়েদা নেতাদের ছবি

    ঘটনার পর তার নামে থাকা একটি প্রোফাইল নিয়ে বিশেষ আলোচনা শুরু হয়েছে। সিএনএন (CNN)-এর প্রতিবেদনের দাবি, প্রোফাইলে মাত্র দুটি পোস্ট ছিল এবং সেগুলো ঘটনার দিন প্রকাশিত হয়েছিল। পোস্ট দুটি আগে থেকে নির্ধারিত ছিল কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। একটি ভিডিওতে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing 737 Max)-এর ককপিটের দৃশ্য এবং দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইজরায়েলি বিমান সংস্থার একটি বিমানের দৃশ্য ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আরেকটি ক্লিপে ওমান এয়ার-এর একটি ফ্লাইটের ককপিটের দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওটিতে ১১ অক্টোবর ২০২৩ তারিখও দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ হিসেবে ভিডিওটির শেষে আল-কায়েদার সাবেক নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির ছবি থাকার কথা বলা হয়েছে। ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর জাওয়াহিরি আল-কায়েদার নেতৃত্ব নেন। ২০২২ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় তিনি নিহত হন। ভিডিওটিতে ২০০৯ সালের আত্মঘাতী হামলার সঙ্গে জড়িত আল-কায়েদা সদস্য হুমাম খলিল আবু-মুলাল আল-বালাওয়ির ছবিও ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। আরেকটি পোস্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমের তিন পবিত্র স্থানকে দেখানো একটি ছবি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নারী ও মিশ্র কর্মপরিবেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

    সিএনএন ২০২১ ও ২০২২ সালে আল-হামামির নামে থাকা কিছু পোস্ট বিশ্লেষণ করেছে বলে জানিয়েছে। এসব পোস্টে নারীদের পোশাক, কর্মক্ষেত্র এবং নারী-পুরুষের মেলামেশা নিয়ে তার রক্ষণশীল ও বিতর্কিত মতামত প্রকাশ পেয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একটি পোস্টে তিনি নিজের বিয়ের জন্য কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে কনের নিকাব পরা এবং বিয়ের পর চাকরি না করার বিষয় ছিল বলে বলা হয়েছে। আরেকটি পোস্টে তিনি নারী-পুরুষের মিশ্র কর্মপরিবেশের বিরোধিতা করে দাবি করেছিলেন, এ ধরনের পরিবেশ নারীদের ওপর ‘ক্ষতিকর প্রভাব’ ফেলতে পারে। তবে এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট সত্যিই অভিযুক্ত সহ-পাইলটের নিজের লেখা কি না, তা তদন্ত সাপেক্ষ।

    তদন্তে এখন বড় প্রশ্ন

    ঘটনার পর তদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। অতীতে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কতটা সত্য, সেগুলো বিমান সংস্থাগুলোর নজরে এসেছিল কি না, এবং যদি এসে থাকে তাহলে কী ধরনের নিরাপত্তা যাচাইয়ের পর তিনি ফের পাইলট হিসেবে কাজের সুযোগ পেলেন—এসবই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নেতানিয়াহু শুক্রবার বলেন, সময়ের সঙ্গে ঘটনাটির একটি ‘পরিষ্কার ছবি’ সামনে আসছে। তাঁর দাবি, হামলাকারী ‘ইসলামপন্থী উগ্রবাদে’ প্রভাবিত হয়েছিলেন। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, কথিত উগ্র মতাদর্শ বা অতীতের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে আল-হামামির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। তদন্তের ফলই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, কী কারণে তিনি ওই ফ্লাইটে হামলার চেষ্টা করেছিলেন এবং বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোথায় ঘাটতি ছিল।

     

     

     

     

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসেও ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট উত্তাপ! অভিষেক-তিলকের ব্যাটে পাক-বধ করে সোনা ভারতের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসেও ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট উত্তাপ! অভিষেক-তিলকের ব্যাটে পাক-বধ করে সোনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2026) ২২ গজে ভারত-পাকিস্তান দূরত্ব মিটল না। বদলাল না বড় আসরে ফলাফলও। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানকে হারিয়ে সোনা জিতল ভারত (India vs Pakistan)। ফাইনালে ১৯ রানে জয় পেয়েছে ভারত। বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এশিয়া কাপ কিংবা এশিয়ান গেমস। যেখানেই দেখা হোক, ফলাফল একটাই। পাকিস্তানকে হেলায় হারানো অভ্যাসে পরিণত করেছে ভারত। এবার জাপানে এশিয়ান গেমসেও একই ফল। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে সোনা জিতল শ্রেয়স আইয়ারের ভারত। অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মার ব্যাটিং বিক্রমের সামনে পাত্তাই পেল না সাহিবজাদা ফারহানার দল।

    করমর্দন নয় দুই দলের ক্রিকেটারদের

    ভলিবল, স্কোয়াশ, হকির মতো খেলাগুলিতে দু’দেশের খেলোয়াড়দের হাসিমুখে জড়িয়ে ধরতে, করমর্দন করতে বা একসঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু ক্রিকেট মাঠে আলাদা ছবি। শনিবার টসের পর শ্রেয়স আয়ার হাত মেলালেন না পাকিস্তানের অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ থেকেই ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানর ক্রিকেটারদের সবরকম ভাবে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন সূর্যকুমার যাদবেরা। সেই ধারা বজায় রইল নাগোয়া গেমসেও। টসের পর ফারহানের সঙ্গে হাত মেলালেন না শ্রেয়স। শুধু ছেলেদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নয়, এই দূরত্ব তৈরি হয়েছে মেয়েদের ক্রিকেট-সহ বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও।

    পাক স্পিনারের বিদ্রুপ

    ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্কের উত্তাপের আঁচ পাওয়া গেল ম্যাচের মধ্যেও। বৈভব সূর্যবংশীকে আউট করার পর তাকে বিদ্রুপ করলেন পাক স্পিনার সাইম আয়ুব। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথম ওভারে মাত্র ৪ রান দেন সাইম আয়ুব। তারপরের ওভারে তাণ্ডব শুরু হয় বৈভব সূর্যবংশীর। শান মাসুদের পরপর দু’বলে ছক্কা হাঁকায়। ছক্কার খেলায় মাতেন ভারতের আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মাও। কিন্তু তার পরের ওভারেই অঘটন। সাইমের বল অযথা রিভার্স সুইপ করতে যায় বৈভব। বল ব্যাটের কোণায় লেগে সোজা উইকেটকিপারের হাতে জমা পড়ে। মাত্র ১৫ রানে আউট হয় বৈভব। আর সে যখন ফিরে যাচ্ছে, তখন হাত দিয়ে কোলে বাচ্চা দোলানোর ইঙ্গিত করেন পাক অলরাউন্ডার। ভারতের ১৫ বছরের ব্যাটারকে সাইম বিদ্রুপ করলেও পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটারেরা সংযত ছিলেন। বৈভবও কোনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। শান্ত ছিলেন ভারতের অন্য ওপেনার অভিষেক শর্মাও।

    ব্যাটেই বদলা ভারতের

    তবে এই ঘটনার বদলা কথায় নয় ব্যাটেই নিয়েছেন অভিষেক শর্মারা। অভিষেক ২৮ বলে ৬১ রান করেন। চার-ছক্কায় পাক বোলারদের রীতিমতো চাপে ফেলে দেন অভিষেক। তাঁর ব্যাট থেকে আসে তিনটে চার ও ৭টা ছক্কা। কিন্তু রান পাননি সঞ্জু স্যামসন। অন্যদিকে অধিনায়ক শ্রেয়স ২১ রান করতে নিয়ে নেন ২৪ বল। ওই সময় ভারতের রানের গতি কিছুটা কমে যায়। ঈশান কিষান (২০) এই ম্যাচে বড় রান পাননি। তবে শেষবেলায় ঝড় তোলেন তিলক বর্মা ও শিবম দুবে। তিলক ২২ বলে ৫১ ও শিবম ১৫ বলে ২৭ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তানের শুরুটা খারাপ হয়নি। তবে অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দররা আঁটসাঁট বোলিং করে রানের ধারা আটকে দেন। ৬ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের দৌড় থেমে যায় ১৯২ রানে। ভারত ১৯ রানে ম্যাচ জিতে ক্রিকেটে সোনা পকেটে ভরে নেয়। যা এশিয়ান গেমসে ভারতের ১৯তম সোনা।

  • India vs Brazil: ভারত-ব্রাজিল মহারণে মাঠে মুখ্যমন্ত্রী! তিন স্তরের তল্লাশি, ৩০০-র বেশি সিসিটিভি-তে নজরদারি

    India vs Brazil: ভারত-ব্রাজিল মহারণে মাঠে মুখ্যমন্ত্রী! তিন স্তরের তল্লাশি, ৩০০-র বেশি সিসিটিভি-তে নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil) ফুটবল দলের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তেজনায় ফুটছেন ফুটবলপ্রেমীরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ৩ অক্টোবর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভারত-ব্রাজিল আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাবেন। শুক্রবার আলিপুরদুয়ারে বন দফতরের একটি অনুষ্ঠানে তিনি নিজেই এ কথা জানান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এই ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা। এই ম্যাচকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ম্যাচ দেখতে বিপুল দর্শক সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় ২ হাজার পুলিশকর্মী এবং ৪০০-র বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ।

    স্টেডিয়ামে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    ভারতীয় মাটিতে দুই দেশের সিনিয়র পুরুষ দলের এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হওয়ায় ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমি বাঙালিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল বর্তমানে পঞ্চম স্থানে রয়েছে, অন্যদিকে ভারত রয়েছে ১৩৮ নম্বরে। ম্যাচকে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সল্টলেক স্টেডিয়াম এবং কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের জায়গাগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দর্শকদের বিপুল ভিড়ের কথা মাথায় রেখে যান চলাচল ও প্রবেশপথ নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর আগে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের জন্য সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে রাজ্য সরকারের তরফে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার নিজেই স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ঐতিহাসিক এই ম্যাচ দেখার কথা জানালেন তিনি।

    জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও ভারতের ফুটবল ম্যাচকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ম্যাচ দেখতে বিপুল দর্শক সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় ২ হাজার পুলিশকর্মী এবং ৪০০-র বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ। শহরে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ফুটবল ম্যাচ হিসেবে এই ম্যাচকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দর্শকদের ভিড় এড়াতে বিকেল ৫টার মধ্যে স্টেডিয়ামে পৌঁছনোর পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। দর্শকদের প্রবেশের জন্য আলাদা আলাদা গেট ও চ্যানেল নির্দিষ্ট করা হয়েছে। লাইনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবেশ ও বেরনোর পথ আলাদা রাখতে গার্ডরেল ও ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে দর্শকদের তিন স্তরের তল্লাশি করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল টিকিট যাচাইয়ের পরই দর্শকদের ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। গোটা এলাকায় নজরদারির জন্য ৩০০-র বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।

    মেসি সফরের কথা মাথায় রেখে নিষেধাজ্ঞা

    নিরাপত্তার কারণে স্টেডিয়ামের ভিতরে বাইরে থেকে খাবার বা জলের বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। আতশবাজি, স্মোক ক্যান্ডেল, লাইটার, সিগারেট-সহ সমস্ত ধরনের দাহ্য সামগ্রী নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও লেজার লাইট, ব্যানার, পোস্টার, ধারালো বস্তু, অস্ত্র, মদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। ব্যানার ও ঢাক-ঢোলও নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে। মাঠে ছুড়ে দেওয়া যেতে পারে এমন কোনও বস্তু যাতে দর্শকরা সঙ্গে না আনেন, সে বিষয়েও নজর রাখবেন নিরাপত্তাকর্মীরা। গত ডিসেম্বরে লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের সময় স্টেডিয়ামে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে এবার প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত নিয়ম মেনে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে এবং পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে দর্শকদের অনুরোধ করা হয়েছে। মোবাইল ফোনও পর্যাপ্ত চার্জ দিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

    গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামেও ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থা

    সল্টলেক স্টেডিয়ামের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার উদ্যোগে শনিবার কসবার অ্যাক্রোপলিস মলের পিছনে গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে জায়ান্ট স্ক্রিনে ব্রাজিল-ভারত ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, সেখানে প্রায় ৩ হাজার দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হবে ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার। অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ভিড় সামলানো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    কোথায় দেখা যাবে ম্যাচ?

    ব্রাজিল ম্যাচের টিকিট না পেলেও সমস্যা নেই। অনায়াসে টিভিতেই দেখতে পারেন ম্যাচটি। সেক্ষেত্রে সোনি স্পোর্টসের চ্যানেলগুলিতে এই খেলা দেখা যাবে। ফুটবলের আবেগে যে কোনও জাতিকে টেক্কা দিতে পারে বাংলা। তাই ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের ম্যাচ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। আর এই খেলাটি বাংলা কমেন্ট্রিতেও দেখতে পারেন। টিভিতে সোনি আট চ্যানেলে বাংলায় এই খেলাটি দেখতে পারেন। তাই যাঁরা বাংলায় ব্রাজিল ম্যাচটি দেখতে চাইছেন, তাঁরা সোনি ৮ চ্যানেলে টিউন করুন। এখন অনেকেই আর টিভির দিকে চোখ রাখেন না। তাঁদের কাছে মোবাইলটাই জগৎ। সেখানেই খেলা থেকে ফিল্ম, ওয়েব সিরিজ দেখেন তাঁরা। আর এই দলের মানুষকে নিরাশ হতে হবে না। কারণ, মোবাইল ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও দেখা যাবে খেলাটি। এক্ষেত্রে সোনি লিভ অ্যাপে খেলাটি দেখতে পারেন। যাঁদের এই অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন আসে, তাঁরা দেখতে পাবেন। এই অ্যাপে এইচডি কোয়ালিটিতে ম্যাচ দেখা যাবে। সেই সঙ্গে ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা সহ বেশ কিছু ভারতীয় ভাষায় শোনা যাবে কমেন্ট্রি। তাই যাঁর মোবাইলে খেলাটি দেখতে চাইছেন, তাঁরা অবশ্যই এই অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন। তাহলেই টেনশন ফ্রি।

     

     

     

LinkedIn
Share