ISL Champion East Bengal: ঐতিহাসিক জয়! প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

isl champion east bengal first time in history cm suvendu adhikari congratulate

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল (ISL Champion East Bengal) ক্লাবকে শুভেচ্ছা বার্তায় লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২২ বছর পর ফের ভারতসেরা হয়েছে লাল হলুদ শিবির। শুধু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবই নয়। খেতাব জিততে না পারলেও রানার্স আপ হয়েছে গঙ্গা পাড়ের কলকাতার আরও একটি ঐতিহ্যশালী ক্লাব মোহনবাগান সুপারজায়ান্টস। বাংলার দুটো সেরা ক্লাবকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যোগ্য দল হিসেবে ভারতসেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে অবশেষে স্বপ্নপূরণ হল লাল-হলুদ শিবিরের।

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘ঐতিহাসিক জয়! ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে ভারতীয় সুপার লিগ (ISL) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই গৌরবময় মুহূর্ত শুধু ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের নয়, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ তথা বিশ্বের অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী বাঙালির জন্য গর্বের। বাংলার সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। টিমের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং ক্লাব কতৃপক্ষের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও লড়াইয়ের মানসিকতাই এই দুরন্ত সাফল্যের চাবিকাঠি। একইসঙ্গে মোহনবাগানকেও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেও গোল পার্থক্যের কারণে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে তারা। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডও বাংলার ফুটবল গৌরবকে সমানভাবে উজ্জ্বল করেছে। ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। দুই প্রধান দলই আজ বাংলার সম্মান আরও বাড়িয়ে দিল।’’

চ্যাম্পিয়নের দৌড়

অবশেষে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে ইন্টার কাশীকে এগিয়ে দেন আলফ্রেড। প্রথমার্ধে পিছিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো ফিরে আসে অস্কার বাহিনী। ৪৯ মিনিটে সমতা ফেরান ইউসেফ। ৭২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মহম্মদ রশিদ। ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি মোহনবাগানেরও সুযোগ ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে পয়েন্ট নষ্ট করতে হত। পাশাপাশি জিততে হত বাগানকে। যুবভারতীতে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জিতল মোহনবাগান। গোল করলেন মনবীর সিংহ ও জেমি ম্যাকলারেন। ইস্টবেঙ্গলের মতোই ২-১ গোলে জিতল বাগান। দু’দলই ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্টে শেষ করল। কিন্তু গোলপার্থক্যে এগিয়ে থাকায় জিতল ইস্টবেঙ্গল। মহমেডানের বিরুদ্ধে ৭-০ গোলে জেতার সুবিধা পেল তারা। সমান পয়েন্ট পেয়েও দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল গত দু’বারের চ্যাম্পিয়নেরা। পঞ্জাব এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে তিন নম্বরে শেষ করল মুম্বই সিটি এফসি। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে সোনার বুট জিতলেন ইস্টবেঙ্গলেরই ইউসেফ এজ্জেজারি।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share