Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Sourav Ganguly: বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল ইডেনে! বললেন সৌরভ

    Sourav Ganguly: বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল ইডেনে! বললেন সৌরভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনের বিশ্বকাপের (World Cup 2023) সেমিফাইনালের দৌড়ে চারটি নয় পাঁচটি দল বাছলেন প্রিন্স অফ ক্যালকাটা।  প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) চান পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠুক ও ভারতের সামনে পড়ুক। তা হলে খেলা হবে কলকাতায়। ইডেন সৌরভের ঘরের মাঠ। তাই সেখানেই বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল ম্যাচ হোক, চাইছেন প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি। সৌরভ বলেন, ‘‘আমি চাই ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল হোক। তা হলে ইডেনে খেলা হবে।’’

    ইডেনে কীভাবে ভারত-পাক

    ২০০৩ সালে দেশকে বিশ্বকাপ (World Cup 2023) ফাইনালে তোলা অধিনায়কের (Sourav Ganguly) আশা, এ বারের বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দলই সেমিফাইনাল খেলবে। সৌরভের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্যি করে যদি এই দুই দল সেমিফাইনালে ওঠে, তাহলে এই ম্যাচটি হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। উল্লেখ্য, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ১৬ নভেম্বর বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ আয়োজিত হবে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলা হবে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচটি। ১৯ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচ খেলা হবে আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তারা শেষ চারের লড়াইয়ে নামবে ওয়াংখেড়েতে। কেবলমাত্র সেমিফাইনালে ভারত যদি পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়, তাহলে রোহিতদের সেই ম্যাচ খেলতে হবে কলকাতায়। কেননা পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে তারা ইডেনেই খেলবে সেই ম্যাচ। পাকিস্তান দল মুম্বইয়ে টুর্নামেন্টের কোনও ম্যাচ খেলবে না।

    বিশ্বকাপের শেষ চারে কারা

    বিশ্বকাপের শেষ চারে যাবে কোন দলগুলি তারও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক। সৌরভের (Sourav Ganguly) বিশ্বাস, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড, ভারতের সঙ্গে ২০২৩ বিশ্বকাপের নকআউটে পৌঁছবে। একইসঙ্গে তিনি নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন। সৌরভ বলেছেন,  “বলা কঠিন তবে, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত এই তিন দলই সবচেয়ে বড় দাবিদার। এই বড় টুর্নামেন্টে নিউজিল্যান্ডকে খাটো করে দেখা যাবে না। নিউজিল্যান্ড হবে চতুর্থ দল। পাকিস্তানকে পঞ্চম দল হিসেবে ধরব। তারাও সেমিফাইনালে যেতে পারে।”

    রোহিতের উপর চাপ

    দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ (World Cup 2023) হওয়ায় প্রত্যাশার চাপ থাকবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের উপর। চাপের মধ্যেই ভাল খেলতে হবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের। সৌরভ বলেন, ‘‘চাপ তো থাকবেই। শেষ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা পাঁচটা শতরান করেছিল। এ বার ও অধিনায়ক। ওর উপরেও চাপ থাকবে। ভারতীয় ক্রিকেটারেরা সেটা ভাল ভাবেই জানে। আমি নিশ্চিত চাপ সামলানোর কোনও একটা উপায় বার করবে ওরা।”

    আরও পড়ুন: দলে নেই রিঙ্কু! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি২০-র স্কোয়াড ঘোষণা ভারতের

    কোচ দ্রাবিড়ের উপর আস্থা

    দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের উপর ভরসা রয়েছে সৌরভের। তিনি আশাবাদী, এ বার দ্রাবিড়ের কোচিংয়ে ভাল খেলবে ভারত। সৌরভ বলেন, ‘‘দ্রাবিড় এখন দলের প্রধান কোচ। ও জানে, ক্রিকেটারদের কোন চাপ নিয়ে খেলতে হয়। সেই চাপ সামলে কী ভাবে ভাল খেলতে হয় সেটা দ্রাবিড়ের থেকে ভাল কেউ বুঝিয়ে দিতে পারবে না। আমি আশাবাদী, দেশের মাটিতে ভারত ভাল খেলবে।’’

    নক-আউটে সফল হবে ভারত

    ভারতীয় দল বারবার বড় টুর্নামেন্টের নক-আউটে কেন আটকে যায়, সেই প্রসঙ্গে সৌরভ (Sourav Ganguly) বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমরা কখনও কখনও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারিনি। এটা মানসিক চাপ বলে আমি মনে করি না। আসলে প্রয়োগ কৌশলেই খামতি থেকে যায়। ওরা (ভারতীয় ক্রিকেটাররা) মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তপোক্ত। আশা করি তাড়াতাড়িই ওরা সেই সীমা পার করবে।’সৌরভ আরও বলেন, ‘আমরা অন্ততপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পেরেছি। এটা কম কৃতিত্ব নয়। আমাদের এবার সুযোগ রয়েছে। আমাদের দলে দারুণ সব ক্রিকেটার রয়েছে। আশা করি এবার আমরা করে দেখাতে পারব।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: আজ গান্ধীনগর থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন এস জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: আজ গান্ধীনগর থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার রাজ্যসভায় মনোনয়ন (Nomination) জমা দিতে চলেছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি গুজরাটের গান্ধীনগর (Gandhinagar) থেকে মনোনয়ন জমা দেবেন। চলতি জুলাই মাস ও পরে আগস্ট মাসে রাজ্যসভার ১০টি আসন ফাঁকা হতে চলেছে। এই আসনের মধ্যে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আসনও রয়েছে। 

    আজ মনোনয়ন পেশ

    ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে ১০টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসনে নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়েছিল। আগামী ২৪ জুলাই হতে চলেছে রাজ্যসভার নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, গোয়া মিলিয়ে মোট ১০টি আসন ফাঁকা হবে। আগামী ১৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। গুজরাটের গান্ধীনগর থেকে আগেও রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। এবার ওই আসন থেকেই বিদেশমন্ত্রী আবার মনোনয়ন জমা দেবেন। গুজরাটে তিনটি আসনে নির্বাচন হবে। আগামী ১৮ অগস্ট রাজ্যসভা থেকে অবসর নিতে চলেছেন দীনেশচন্দ্র জেমালভাই আনাবাদিয়া, লোখান্ডওয়ালা জুগলকসিং মাথুরজি ও সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর। ২০১৯ সালে গুজরাট থেকে রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এস জয়শঙ্কর।

    বাংলায় ছয় আসনে মেয়াদ শেষ

    অন্য়দিকে, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই সবথেকে বেশি রাজ্যসভার আসন ফাঁকা হচ্ছে। রাজ্যের সাত আসনে নির্বাচন। এর মধ্যে ছয় আসনে মেয়াদ শেষ। আগামী ১৮ অগস্ট রাজ্যসভা থেকে অবসর নিতে চলেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, প্রদীপ ভট্টাচার্য, সুস্মিতা দেব, শান্তা ছেত্রী, সুখেন্দু শেখর রায়। অপর একটি উপনির্বাচন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া লুইজিনহো ফালেরিও আসন রয়েছে। যদি এই আসনে বিজেপি প্রার্থী দেয়, তাহলে ভোটাভুটি হবে। নয়তো বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে ৫ তৃণমূল ও ১ বিজেপি সাংসদ পাবে রাজ্যসভা৷ বিজেপি শিবিরের তরফ থেকে আজ মনোনয়ন পেশ করার কথা৷ তৃণমূল কংগ্রেস আগামী ১২ তারিখ মনোনয়ন পেশ করবে।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আসানসোলে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা

    বিজেপি পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, সোমবার সকাল থেকে বিজেপি বিধায়কেরা বিধানসভা এসে মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসাবে স্বাক্ষর করবেন। সোমবার মনোনয়নপত্র তৈরির জন্য বিধানসভায় আসতে পারেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রাথমিক ভাবে মনোনয়নপত্র তৈরির যাবতীয় কাজ সেরে ফেলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। দিল্লি থেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হলেই যাতে বিজেপির রাজ্যসভা (Rajya Sabha) প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারে— সেই প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঘোষণা করলেই সোমবার বিজেপি প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    Manipur Violence: আবার নতুন করে সংঘর্ষ মণিপুরে, নাবালক-পুলিশ সহ একদিনে খুন ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর (Manipur)। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন এক পুলিশ কমান্ডোও।  নিহতদের মধ্যে এক কিশোরও রয়েছে। এর জেরে জাতিগত হিংসায় মণিপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২৭ জন। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর জেলার সমীনা আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    দফায় দফায় দুষ্কৃতী হামলা

    গত দু’মাস ধরে বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর এই দুই জেলার সীমানা দফায় দফায় হিংসার কারণে উত্তপ্ত হয়েছে। দুই জেলার সীমানায় সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি সত্ত্বেও বার বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনা সূত্রে খবর, পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে দুষ্কৃতীরা এই দুই জেলায় ঢুকছেন। তার পরই নতুন করে হিংসার ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার রাতেও দুই জেলার সীমানার দু’ধার থেকে গোপনে দুষ্কৃতীরা ঢুকেছিলেন। তার পরই আবার নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ভোররাত দেড়টা নাগাদ এই গুলির লড়াই হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় দু’জনের, সঙ্গে গুরুতর আহত হন তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    সেনা সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা বেশ কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা জবাব দেওয়ায় সেই ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। তবে কাংভাই, সোংডো এবং আওয়াং লেখাই গ্রামে গুলির লড়াই চলে। অন্য দিকে, শুক্রবার যৌথ অভিযানে নামে মণিপুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম, চূড়াচাঁদপুর, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলায় অভিযান চালিয়ে দুষ্কৃতী এবং জঙ্গিদের ১৮টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই অভিযানে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, ৭৪টি গুলি এবং অত্যন্ত শক্তিশালী পাঁচটি হ্যান্ডগ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। বহুদিন ধরে গোষ্ঠীহিংসায় জর্জরিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্য। এর মধ্যে চূড়াচাঁদপুরের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দু’মাস ধরে জ্বলছে মণিপুর। হিংসা থামার কোনও লক্ষণই নেই। মণিপুরের সমতলের বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কুকি এবং নাগা জনগোষ্ঠীর বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adipurush: নতিস্বীকার! ‘আদিপুরুষ’ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন লেখক মনোজ মুনতাশির

    Adipurush: নতিস্বীকার! ‘আদিপুরুষ’ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন লেখক মনোজ মুনতাশির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আদিপুরুষ’ (Adipurush) বিতর্কে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন চিত্রনাট্য এবং সংলাপ লেখক মনোজ মুনতাশির (Manoj Muntashir)। রামায়ণের আধারে তৈরি এই ছবির সংলাপগুলি খুবই নিম্নরুচির এবং এর ফলে হিন্দুধর্মের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নেটিজেনদের একাংশ। ছবি মুক্তির পর থেকে এই সংলাপ নিয়েই সবথেকে বেশি বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। শেষে মুক্তির কয়েকদিনের মধ্যেই সেই বিতর্কিত সংলাপগুলি বদলে দেওয়া হয়।

    মনোজের ট্যুইট বার্তা

    নিজের অবস্থানেই অনড় ছিলেন লেখক। তবে এবার সংলাপ বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন তিনি। প্রথমে শনিবার ৮ জুলাই, হিন্দি এবং ইংরেজিতে মনোজ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে ক্ষমা চেয়ে একটি নোট লিখেছেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘আমি মানুষের আবেগ বুঝতে পেরেছি। আদিপুরুষের (Adipurush) দ্বারা আহত হয়েছেন তারা। হাত জোড় করে আমি বলছি, নিঃশর্তভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। প্রভু বজরংবলি আমাদের সকলকে এক করে রাখুন এবং আমাদের পবিত্র সনাতন এবং আমাদের মহান জাতির সেবা করার শক্তি দিক।’  মনোজের এই দেরি করে ক্ষমা চাওয়াকে নেটিজেনরা খুব একটা ভালোভাবে নেয়নি। অনেকেই বলেছেন, সিনেমাটি হল থেকে প্রায় যেতে বসেছে, তখন এই বার্তার মানে নেই।

    ৬০০ কোটি টাকার বেশি বাজেটে তৈরি ওম রাউত পরিচালিত ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ছবিগুলির মধ্যে একটি আদুপুরুষ (Adipurush)। এই কারণেই ৩৯০ কোটি টাকা বিশ্বব্যাপী উপার্জন করার পরেও, এটি একটি বিশাল বাণিজ্যিক ব্যর্থতায় পরিণত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শ্যুটিংয়ে নাক ফাটলো শাহরুখের! হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন?

    উল্লেখ্য,‘আদিপুরুষ’ মুক্তির পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। ছবির সংলাপ থেকে ভিএফএক্স, এমনকী রাম, সীতা কিংবা রাবণের মেকআপ নিয়েও সমালোচনা চলেছে। প্রথম তিনদিন পর থেকেই ধীরে ধীরে বক্স অফিসে ডুবতে থাকে রামায়ণের আধারে তৈরি এই ছবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: অশান্তি থামছে না দিনহাটায়, ভোটের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, আহত দুই

    Panchayat Election 2023: অশান্তি থামছে না দিনহাটায়, ভোটের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, আহত দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘিরে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে রইল দিনহাটা। প্রিসাইডিং অফিসার ও বিরোধী প্রার্থীর মাথায় বন্দুক তাক করে যেখানে চলেছে অবাধ ভোট লুট। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ দেখেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দিনহাটার অচিনতলায় ১৮০ ও ১৮১ নম্বর বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দিনহাটায় তিন বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ, এর মধ্যে মৃত ১, বাকি দুজন হাসপাতালে। আরেকটি ঘটনায় বিজেপি কর্মীকে মারধরও করা হয়। 

    গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

    শনিবার সকাল দশটা নাগাদ দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের ভাংগি পার্ট ১ এলাকায় বিজেপির দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। অপরদিকে দিনহাটার ঘুঘুমারিতেও গুলি চলার ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি। শনিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ নিউ গিতালদহ সংলগ্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ রেজাউল করিম নামে এক বিজেপি কর্মী এবং গুরুতর আহত বিজেপি প্রার্থীর স্বামী গৌতম সরকার। একদল দুষ্কৃতী এসে তাদের এক কর্মীকে এলোপাথাড়ি মারধর করে ও গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী চিরঞ্জিত কার্জির মৃত্যু হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “মেরে ফেলবে, বুথ থেকে সরান”, সুকান্তর কাছে আর্জি রাজ্যের এক পুলিশকর্মীর

    বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে (Panchayat Election 2023) ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। বাধা দেওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। বুথের মধ্যেই গুলি চলে। বিজেপি নেতারা দাবি করেন, তৃণমূল আশ্রিত দু্কৃতীদের মারে তাঁদের বেশ কয়েকজন মহিলা কর্মীও জখম হন। দিনহাটা হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আহত রাধিকা বর্মনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। তারা বলেন, “দিনহাটা ভিলেজ ওয়ানের ওই বুথে দেদার ছাপ্পা ভোট পড়ছিল। পুরো ভোটকেন্দ্র চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীদের দখলে।”

    নির্দল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি

    শুধু বিজেপি কর্মীরাই আক্রান্ত নন, এদিন সকালে কোচবিহারের দিনহাটায় নির্দল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ পুঁটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্দল প্রার্থী ভোলা বর্মনকে কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর পেটে গুলি লাগে। নির্দল প্রার্থীর এক অনুগামীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, আরেক সমর্থকের হাত ভেঙে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

    তৃণমূল বনাম বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

    অন্যদিকে এই কোচবিহারের দিনহাটার খাটামারির ১৯১ নম্বর বুথে দেদার ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম বেঁধে যায়। এখানে আবার শাসকদল ও তার বিক্ষুব্ধদের মধ্যে সংঘর্ষ।  তৃণমূল ও বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সংঘর্ষে ভয়ঙ্কর চেহারা নিল বুথ। অভিযোগ, প্রিসাইডিং অফিসারকে বেধড়ক মারধর করে ছাপ্পা ভোট দেয় বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা। পাল্টা তৃণমূল কর্মীরা এসে ব্যালট পেপার ফেলে দেয়। বুথ ভাঙচুর করে। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের মেরে তাড়ানো হয় বলে অভিযোগ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamim Iqbal: বিশ্বকাপ খেলবেন তামিম! প্রধানমন্ত্রী হাসিনার হস্তক্ষেপে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন 

    Tamim Iqbal: বিশ্বকাপ খেলবেন তামিম! প্রধানমন্ত্রী হাসিনার হস্তক্ষেপে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসর ভেঙে ফের বাইশ গজে ফিরলেন তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister Of Bangladesh) শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina)সঙ্গে দেখা করার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন এক দিনের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম। প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরফি মোর্তাজার (Mashrafe Mortaza) সঙ্গে তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal) তাঁর স্ত্রী-কে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এরপর শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলার পরেই সিদ্ধান্ত বদল করলেন তামিম। 

    তামিম যা বললেন

    তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal) পরে সাংবাদিকদের বলেন, “শুক্রবার দুপুরবেলায় আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ওঁর সঙ্গে অনেকক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি। উনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন খেলায় ফিরে আসতে। আমি আমার রিটয়ারমেন্ট এই মুহূর্তে তুলে নিচ্ছি। কারণ আমি সবাইকে না বলতে পারি, কিন্তু দেশের যে সবচেয়ে বড় ব্যক্তি তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।” এরপর ফের তিনি যোগ করেন, “আমার ফিরে আসার নেপথ্যে অবশ্যই পাপন ভাই ও মাশরাফি ভাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল। মাশরাফি ভাই আমাকে ডেকে নিয়েছেন। পাপন ভাই সাথে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেড়মাসের জন্য একটা ছুটিও দিয়েছেন। আমি যেন মানসিকভাবে আর একটু ফ্রি হতে পারি।” 

    আরও পড়ুন: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত

    বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের মাঝপথেই ক্রিকেটকে চোখের জলে বিদায় জানিয়েছিলেন তামিম (Tamim Iqbal)। অবসরের ঘোষণা করতে গিয়ে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তামিম। কেঁদে ফেলেছিলেন। অবসরের কথা জানালেও কেন হঠাৎ অবসর নিলেন, তার কোনও কারণ জানাননি তামিম। তামিম অবসর নেওয়ায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে লিটন দাসকে অধিনায়ক করা হয়। তার মাঝেই জানা যায়, শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) নিজের বাড়িতে তামিমকে ডেকেছেন। তখনই জল্পনা শুরু হয়। তারপরই সিদ্ধান্ত বদল। তামিম জানান, আপাতত তিনি আবসরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। দেড় মাসের ছুটি তাঁকে দিয়েছেন হাসিনা। দেড় মাস বিশ্রামের পরে এশিয়া কাপে (Asia Cup 2023) ফিরবেন। এবং বিশ্বকাপেও (ICC ODI World Cup 2023) খেলবেন তারকা ওপেনার। এই আলোচনায় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অন্তত চার জন কেন্দ্রীয় জওয়ান! বিএসএফ-এর দাবি মানছে কমিশন

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অন্তত চার জন কেন্দ্রীয় জওয়ান! বিএসএফ-এর দাবি মানছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ দখল বা সম্ভাব্য হিংসা এড়িয়ে সুষ্ঠু ভোটের কথা মাথায় রেখেই শনিবার, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) সময় সমস্ত বুথে অন্তত চার জন সক্রিয় কেন্দ্রীয় জওয়ান রাখার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর ফলে প্রতি নির্বাচনী বুথে বাহিনী বণ্টনের সমস্যা মিটল। প্রতিটি বুথে চারজন করে সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। কমিশনের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে এই খবর জানানো হয়েছে।

    বাহিনীর প্রস্তাবে সায়

    রাজ্যে বিভিন্ন এলাকায় হিংসার ঘটনার উদাহরণ টেনে প্রতি বুথে অন্তত হাফ সেকশন অর্থাৎ চার জন সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ভারপ্রাপ্ত কোঅর্ডিনেটর এবং বিএসএফের আইজি। সেই সঙ্গে বলেছিলেন রাজ্য পুলিশকেও পাহারায় থাকতে হবে। শুক্রবার বাহিনী দেওয়া সেই সমস্ত প্রস্তাব মেনে নিল কমিশন। 

    আরও পড়ুন: রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    রাত পোহালেই পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। নির্দেশে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ সিভিক ভলেন্টিয়ারর থাকবেন ভোটের সময় লাইন বজায় রাখার জন্য৷ এ ছাড়া মোবাইল ভ্যানে, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ কোনও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না৷ বুথ দখল, রিগিং এবং অশান্তি এড়াতে দীর্ঘ একমাস ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে টানাপোড়েন চলছে কেন্দ্র, রাজ্য এবং কমিশনের মধ্যে। তবে আগে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি একজন করে জওয়ান থাকবে। সেক্ষেত্রে জওয়ানের নিরাপত্তার দিকটি ভেবে দেখার কথা জানায় বিএসএফের আইজি।

    সমন্বয় রেখে কাজ

    এদিন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন জানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে জেলা শাসক, কমিশনার এবং জেলা সুপারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি যেহেতু রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকছে ভোটগ্রহণ (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রগুলোতে, সে কারণে উভয় পক্ষের যোগাযোগ বজায় রেখে সুরক্ষা বলয় তৈরির ব্যাপারে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলির বার্ষিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করল গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (Global Peace Index – GPI)। ১৬৩টি দেশের উপর সমীক্ষা চালিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকা। তালিকায় একেবারে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ডের নাম। ২০০৮ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তকমা পেয়ে আসছে ইউরোপের এই দেশ। তালিকায় ভারতের স্থান ১২৬।

    উন্নতি করেছে ভারত

    ২০২৩ জিআইপি অনুসারে, আইসল্যান্ড (Iceland)  বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ। এই দেশটির পরই শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়া ৷ অন্যদিকে সর্বাধিক অশান্ত দেশ হিসেবে অষ্টম বারের জন্য তালিকার একেবার শেষে এবারও রয়েছে আফগানিস্তান। এর ঠিক উপরে রয়েছে চারটি রাষ্ট্র। সেগুলির হল ইয়েমেন, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও গণতান্ত্রিক-প্রজাতন্ত্র কঙ্গো।

    গত বছর সামগ্রিক ভাবে দেখতে গেলে শান্তির ক্ষেত্রে ৩.৫ শতাংশ উন্নতি করেছে ভারত। যার জেরে গত বছরের তুলনায় দু’ধাপ উপরে উঠে এসেছে নয়াদিল্লি। এই প্রসঙ্গে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের কথাও উল্লেখ করেছে জিপিআই। তালিকা প্রকাশকারী সংস্থার দাবি, গত বছর থেকেই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গেই সেভাবে সীমান্ত সংঘাতে জড়ায়নি ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: ‘অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তকরণ’! হাইকোর্টের নির্দেশে এফআইআর সিবিআই-এর

    ১০টি শান্তিপূর্ণ দেশ

    সিডনি-ভিত্তিক ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সংঘাত, নিরাপত্তা এবং সামরিকীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বার্ষিক শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকা অনুযায়ী, প্রথম দশটি দেশ হল আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সিঙ্গাপুর, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, জাপান, সুইজারল্যান্ড

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emerging Asia Cup 2023: জুলাইয়েই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! দেখে নিন এমার্জিং এশিয়া কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি

    Emerging Asia Cup 2023: জুলাইয়েই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! দেখে নিন এমার্জিং এশিয়া কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। তা সে ফুটবল হোক বা ক্রিকেট কিংবা হকি। যখন যেখানেই ভারত বনাম পাকিস্তান খেলা হয় আম-জনতা লুটে নেয় সেই ম্যাচের মজা। আর বাইশ গজে দুই দল মুখোমুখি হলে তো কথাই নেই। সেই ম্যাচে নজর থাকে সব ক্রিকেটপ্রেমীদের৷ দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই সব সময়েই একইরকম উত্তেজনা ও উন্মাদনা তৈরি করে৷ এশিয়া কাপ ও একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ এই বছরেই৷ কিন্তু এই দুই মেগা টুর্নামেন্টের আগেও ভারত বনাম পাকিস্তান হতে চলেছে৷  দুই দলই মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এমার্জিং এশিয়া কাপে (Emerging Asia Cup 2023)। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এই সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে যেখানে ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্বেই একে অপরের মুখোমুখি হবে।

    টুর্নামেন্টে কয়টি দল

    আগামী ১৩ থেকে ২৩ জুলাই শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে পুরুষদের এমার্জিং এশিয়া কাপের (Emerging Asia Cup 2023) পঞ্চম আসর। এশিয়ার আটটি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে, যার মধ্যে সাতটি তাদের নিজ নিজ দেশের ‘এ’ দল পাঠাবে। ভারত এর আগে ২০১৩ সালে পুরুষদের এমার্জিং এশিয়া কাপ জিতেছে, শ্রীলঙ্কা দুইবার এবং পাকিস্তান একবার জিতেছে।

    কোন ফরম্যাটে খেলা

    আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘গ্রুপ লিগে প্রতিটি দল নিজেদের মধ্যে ১টি করে ম্যাচ খেলবে। প্রতি গ্রুপের প্রথম ২টি দল সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করবে। এ-গ্রুপের এক নম্বর দল সেমিফাইনালে মাঠে নামবে বি-গ্রুপের দুই নম্বর দলের বিরুদ্ধে। বি-গ্রুপে এক নম্বর দল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়াই চালাবে এ-গ্রুপের দুই নম্বর দলের বিরুদ্ধে। দুই সেমিফাইনালের জয়ী দল খেতাবি লড়াইয়ে সম্মুখসমরে নামবে।

    আরও পড়ুন: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    কোন গ্রুপে কারা

    এ-গ্রুপ: শ্রীলঙ্কা-এ, বাংলাদেশ-এ, আফগানিস্তান-এ ও ওমান-এ

    বি-গ্রুপ: ভারত-এ, পাকিস্তান-এ, নেপাল-এ, আমিরশাহি-এ

    কবে কবে ভারতের ম্যাচ

    ১৪ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম সংযুক্ত আরব এমিরেট ‘এ’ সকাল ১০টায়।

    ১৭ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম নেপাল দুপুর ২টোয়।

    ১৯ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম পাকিস্তান ‘এ’ দুপুর ২টোয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ট্রেন দুর্ঘটনা। আগুন লাগল হাওড়া থেকে সেকেন্দ্রাবাদগামী ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে শর্ট সার্কিটের জেরে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে যায়। তবে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সমস্ত রেলযাত্রীকেই নিরাপদে ট্রেন থেকে বের করে আনা গিয়েছে। যদিও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ফলকনুমা এক্সপ্রেসের চারটি কামরা। আগুন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ট্রেনের এসি কোচগুলিতেও।

    কীভাবে দুর্ঘটনা

    শুক্রবার তেলঙ্গানায় মুম্মইপল্লি এবং পাগিড়িপল্লির মধ্যে ট্রেনটিতে আগুন লাগে। তার পরই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেনটি। গলগল করে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছে। বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতি এখনও সকলের মনে তাজা। তার মধ্যেই এই ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফলকনুমা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা। ভয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। চারটি (S4, S5, S6, S7) কামরা সম্পূর্ণরূপে জ্বলে গিয়েছে বলে খবর। দ্রুত খবর পৌঁছয় রেল কর্তৃপক্ষের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ট জারি করা হয়। রেল সূত্রে খবর, তড়িঘড়ি এক্সপ্রেস থেকে যাত্রীদের নিরাপদে নামানো হয়েছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। কী কারণে আগুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমস্ত যাত্রীরা সুরক্ষিত রয়েছেন। অন্য ট্রেনে করে তাঁদের হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হবে। ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন জেনারেল ম্যানেজার অরুণ কুমার জৈন।

    আরও পড়ুন: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    বার বার ট্রেনে এমন বিপত্তির ঘটনায় সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীদের মধ্যে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৯ সালে হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) আগুন ধরে গিয়েছিল। সাঁতরাগাছি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়েই আগুন লাগে এই এক্সপ্রেস ট্রেনে। ভস্মীভূত হয়ে যায় ট্রেনের রেক। হায়দ্রাবাদ যাওয়ার সবচেয়ে ভাল ট্রেন ফলকনুমা এক্সপ্রেস। হাওড়া স্টেশন থেকে ভোরে ছাড়ে এবং পরের দিন সকালে সেকেন্দ্রাবাদে পৌঁছে যায়। রাজ্যের একাধিক বাসিন্দা এই ট্রেনেই যান। ভরসার এই ট্রেনে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে যাত্রীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share