Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    Weather Update: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। মাঝে মাঝে সূর্যের দেখা মিললেও তা ক্ষণস্থায়ী। মেঘলা আকাশ থাকায় ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election)। গোটা বাংলার পাশাপাশি ২২ বছর পর ভোট হবে পাহাড়েও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Poll) দিন, বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি  হলেও গরম বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গ কিন্তু ভাসবে প্রবল বৃষ্টিতে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরে। 

    ভারী বৃষ্টি উত্তরে

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), ভোটের দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাতে পারে। উত্তরবঙ্গে  হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বেশী বৃষ্টির সতর্কতা। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    হালকা বৃষ্টি দক্ষিণে

    বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ শহরতলির বিভিন্ন অংশে। জলীয় বাষ্প থাকায় অস্বস্তি থাকবে বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ কেটে গেল এখনও ঝেঁপে বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলা। ফলে গরম জনিত অস্বস্তি থেকে এখনও নিস্তার পায়নি বঙ্গবাসী। কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৫ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১১ মিলিমিটার। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও কোনও জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    NCP: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম! এনসিপি-র দুই গোষ্ঠী আজ বিধানসভায় মুখোমুখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে জারি ‘পাওয়ার’ গেম। অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar) শিবিরে চলে যাওয়া দুই সাংসদ ও ন’জন বিধায়ককে বৃহস্পতিবার দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে সবুজ সঙ্কেত দিল শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নেতৃত্বাধীন এনসিপি (NCP)। দিল্লিতে শরদের নেতৃত্বে হওয়া জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলের বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে ওই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তবে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। অজিতের পাল্টা দাবি, যেহেতু তিনি দলের সভাপতি, তাই শরদ পওয়ারের নেতৃত্বে হওয়া দিল্লির বৈঠক গুরুত্বহীন। আজ, শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের বিধানসভা অধিবেশনে মুখোমুখি হতে চলেছেন এনসিপির দু’শিবিরের যুযুধান নেতারা। অজিত শিবিরের দাবি, সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, কত জন এনসিপি বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।

    শক্তি পরীক্ষায় সক্রিয় দুই শিবির

    ইতিমধ্যেই  রাজ্যস্তরে  নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় নেমেছিল অজিত বনাম শরদ শিবির। এরপরই  স্পষ্ট হয়ে যায় মহারাষ্ট্রে এনসিপির ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ২৯ জনের সমর্থন অজিতের পক্ষে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে জাতীয় কর্মসিমিতির বৈঠক ডাকেন শরদ। দাবি করা হয়, আঠাশটি রাজ্য শাখার নেতৃত্ব শরদের পাশে রয়েছেন। সংসদের দু’কক্ষের ৯ সাংসদের মধ্যে সাত জনই সমর্থন জানিয়েছেন শরদকে। এদিন দিল্লিতে শরদ পাওযারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। 

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    ভাঙা দলকে গোছানোর লক্ষ্য নিয়ে শরদ জানিয়ে দেন, তিনি এখনও দলের সভাপতি। শরদের কথায়, ‘‘যে যা বলুক, আমিই দলের সভাপতি।’’ দলের প্রকৃত নেতা কে, এ নিয়ে যে বিতর্কের মীমাংসার ভার নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন শরদ। তিনি বলেন, ‘‘এর পরে যা বলার, তা নির্বাচন কমিশনেই বলব আমরা। আমাদের পক্ষ থেকে দলের নাম ও নিশানের জন্য কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ গত কাল ৮২ বছরের শরদকে বাণপ্রস্থে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন অজিত। জবাবে তিনি বলেন, ‘‘৮২ হোক বা ৯২— প্রয়োজনে আবার দলকে গড়ে তুলব আমি।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশের ওএমআর শিট প্রকাশ (OMR Sheet) নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অবস্থান জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই নিয়ে অবস্থান জানাতে এসএসসি-কে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguli)। চাকরি ফেরত পেতে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন ববিতা সরকার। এবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির (SSC Scam) বিস্তারিত মেধাতালিকা প্রকাশ চেয়ে মামলা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ বিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছেন। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

    ববিতার আবেদন

    ববিতার হয়ে এই মামলা লড়ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তাঁর বক্তব্য, ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫ হাজার ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ৯০৭টি বিকৃত উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) উদ্ধার করে সিবিআই। তার মধ্যে ১৩৮ জন ছিলেন ওয়েটিং লিস্টে। ববিতা সরকারের আবেদন, একাদশ-দ্বাদশের বিস্তারিত তথ্য-সহ প্যানেল প্রকাশ পেলে কারা, কীভাবে, কোথায় চাকরি পেয়েছেন তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম ২০ জনের মধ্যে কারও নিয়োগে কোনও গোলমাল থাকে, কেউ যদি দুর্নীতির (SSC Scam) কারণে চাকরি পেয়ে থাকেন, তবে তাঁর পদ বাতিলের সম্ভাবনা থাকবে। সেক্ষেত্রে আবারও ববিতা চাকরি পেতে পারেন বলে আশাবাদী। তাই প্যানেল প্রকাশ করা হোক বলে আর্জি তাঁর।

    আরও পড়ুুন: ‘শুভেন্দুর চার অভিযোগে পদক্ষেপ নয় কেন?’ কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    ফের আদালতের পথে

    এর আগে ববিতা সরকারের চাকরি বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই চাকরি দেওয়া হয় অনামিকা রায়কে। প্রথমে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী এই পদে চাকরি পেয়েছিলেন। মেখলিগঞ্জের তৃণমূল নেতা পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে সরিয়ে সেই পদে চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা সরকার। ববিতার এই চাকরি প্রাপ্তি নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এনিয়ে স্বস্তি পেয়েছিলেন ববিতা নিজেও। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দেখা গিয়েছিল ববিতার চাকরিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানা ত্রুটি থেকে গিয়েছে। এরপর গত মে মাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় রায় দিয়েছিলেন এই চাকরি ববিতার হতে পারে না। এরপর চাকরি যায় ববিতার। আবারও চাকরি ফিরে পেতে সেই আদালতেরই দ্বারস্থ শিলিগুড়ির মেয়ে ববিতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটিতে এক দিনের বিশ্বকাপের তিন মাস আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এক সাংবাদিক বৈঠকে নিজের অবসরের কথা জানান তামিম। গত বছরের ১৬ জুলাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সি তামিম। এদিন তামিম জানিয়ে দিলেন, ওয়ানডে ও টেস্ট থেকেও সরছেন তিনি। ফলে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket) জার্সিতে আর খেলতে দেখা যাবে না মারকুটে এই ওপেনারকে। 

    কী বললেন তামিম?

    এদিন বিদায়বেলায় কেঁদে ফেলেন তামিম (Tamim Iqbal)। বললেন, ‘‘এটাই আমার শেষ। আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচই আমার শেষ ম্যাচ ছিল।’’ এরপর তিনি বলেন, ‘‘আমি হঠাৎ করে কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। অবসরের পিছনে অনেক কারণ আছে। সে সব এখানে বলতে চাই না। পরিবারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছি। অনেক ভেবেছি। আমার মনে হয়েছে, এটাই অবসর নেওয়ার সঠিক সময়।’’ 

    বাবার স্বপ্নপূরণের জন্যই ক্রিকেটে

    দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্রিকেট পরিক্রমা শেষ করে তামিম (Tamim Iqbal) বলছেন, “বাবার স্বপ্নপূরণ করার জন্য ক্রিকেটে এসেছিলাম। জানি না বাবার স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছি কিনা।” এদিন বিদায়বেলায় অনেক কিছুই বলতে চেয়েছিলেন তামিম। কিন্তু আবেগে ভেসে যাওয়ায় সব কথা আর বলা হয়নি। তামিম  বলেন, ‘‘আমার অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই আমি। আশা করছি আপনারা বুঝতে পারছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া সহজ নয়।’’ এক দিনের ক্রিকেটে ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ২৪১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তামিম। করেছেন ৮৩১৩ রান। ৩৬.৬২ গড় ও ৭৮.৫৪ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন বাংলাদেশের এই বাঁ হাতি ওপেনার। সর্বোচ্চ ১৫৮। এক দিনের ক্রিকেটে ১৪টি শতরান করেছেন তামিম।

    হঠাৎ কেন অবসর?

    তামিম (Tamim Iqbal) বুঝিয়ে দিয়েছেন দীর্ঘ দিন ধরেই ক্ষোভ, অভিমান জমছিল। আর পারছিলেন না তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে যে ভাবে তিনি কাঁদলেন, তাতে বোঝা গেল, নিজের সব থেকে প্রিয় জিনিসটা থেকে দূরে সরতে কতটা কষ্ট হচ্ছে তাঁর। নইলে তিনি কেন বলবেন, ‘‘আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। সত্যিই সেরা দিয়েছি। হতে পারে সেটা যথেষ্ট নয়। হতে পারে আমি ততটা ভাল নই। কিন্তু যখনই মাঠে নেমেছি নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেরণায় এগোচ্ছে ভারতীয় ফুটবল’’, বললেন কল্যাণ চৌবে

    তাঁর অবসর নিয়ে যেন কোনও বিতর্ক না হয় সেই অনুরোধও করেছেন বাংলাদেশের হয়ে এক দিনের ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক। তাঁর কথায়, ‘‘দয়া করে এই ঘটনা নিয়ে আর বিতর্ক বাড়াবেন না। এই বিষয়কে এখানেই শেষ করে দিন। আমি সব সময় বলেছি, দেশ অনেক আগে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের (Bangladesh Cricket) পাশে থাকুন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kanwar Yatra 2023 : কাঁধের বাঁকের একদিকে মা, অন্যদিকে গঙ্গাজল! কানওয়ার যাত্রায় বিরল দৃশ্য

    Kanwar Yatra 2023 : কাঁধের বাঁকের একদিকে মা, অন্যদিকে গঙ্গাজল! কানওয়ার যাত্রায় বিরল দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকের একদিকে বসে আছেন মা। অন্যদিকে তিন কলসী গঙ্গার জল। দুই দিকেই রয়েছে ভারসাম্য। আর এভাবেই ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে দীর্ঘপথ এগিয়ে যাচ্ছেন শিবভক্ত এক যুবক। কানওয়ার যাত্রার এই ছবি সকলের চোখে জল এনে দিয়েছে। ছেলের বাঁকে তীর্থযাত্রায় চলেছেন মা। ছেলের কাছে শিবের ভক্তি আর মায়ের ভালবাসা দুইই সমান। দৃষ্টিশক্তিহীন বাবা-মাকে কাঁধে করে তীর্থযাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন শ্রবণ। কানওয়ার যাত্রায় (Kanwar Yatra 2023) হরিদ্বারের এই ছবি সেই ‘শ্রবণের পিতৃভক্তি নাটক’-এর কথা মনে পড়িয়ে দিল।

    চলছে কানওয়ার যাত্রা

    জুলাইয়ের ৪ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে কানওয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra 2023)। ১৫ জুলাই পর্যন্ত তা চলবে। ধর্মীয় এই সমাবেশে এ বছর আনুমানিক ২০ লক্ষ শিবভক্ত যোগ দেবেন। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা কানওয়ারা যাত্রায় যোগ দিচ্ছেন। কানওয়ার যাত্রার বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ধরা পড়ছে। সেরকমই এক ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হরিদ্বার থেকে বাঁকের এক দিকে মা-কে এবং অন্যদিকে পরিত্র গঙ্গা জল নিয়ে হেঁটে চলেছেন এক ভক্ত। অন্য ভক্তদের সঙ্গেই হেঁটে চলেছেন ওই তীর্থযাত্রী। এখনও পর্যন্ত ওই ভিডিও ৪২ হাজারের বেশি মানুষ দেখেছেন। লাইক পড়েছে ১৮০০-র বেশি।

    আরও পড়ুুন: “যারা চোর-ডাকাত, তাদের টিকিট দিয়েছে দল”, বিস্ফোরক রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী

    প্রশংসা নেটিজেনদের

    বছরের এই সময়ে লাখ লাখ হিন্দু পুন্যার্থী গঙ্গা নদীর পবিত্র জল আনার জন্য উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, গৌমুখ, গঙ্গোত্রী এবং বিহারের সুলতানগঞ্জে তীর্থযাত্রা করেন। কাতারে-কাতারে শিবভক্ত বাঁকে জল নিয়ে রাস্তায় হেঁটে চলেন। সম্প্রতি সেই কানওয়ার যাত্রায় (Kanwar Yatra 2023) দেখা মিলল সম্পূর্ণ অন্য এক ছবি মাকে বাঁকে করে তীর্থে নিয়ে যাওয়ার ভিডিয়ো মন জয় করে নিয়েছে সকলের। কেউ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, ‘হর হর মহাদেব’। আবার কেউ লিখেছেন, ‘জয় হো’। আবার জোড় হাতের ইমোজি দিয়ে যুবকের এই মহৎ কাজকে সম্মান জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।   

  • India Vs West Indies: দলে নেই রিঙ্কু! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি২০-র স্কোয়াড ঘোষণা ভারতের

    India Vs West Indies: দলে নেই রিঙ্কু! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি২০-র স্কোয়াড ঘোষণা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন তিনি। অনেকেরই ধারণা ছিল, আইপিলে কলকাতা নাইট রাইডর্সের হয়ে ভালো খেলার সুবাদে জাতীয় দলে ডাক পাবেন তিনি। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের (India Vs West Indies) বিরুদ্ধে ঘোষিত টি ২০ দলে জায়গা পেলেন না রিঙ্কু সিং। যা নিয়ে ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। অনেকে নির্বাচকদের সমালোচনা করে বলেছেন, একই যাত্রায় পৃথক ফল। ঋতুরাজ গায়কোয়ার যদি চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ভালো খেলে টেস্ট দলে ডাক পেতে পারেন, তাহলে আইপিএলে ভালো খেলার পুরস্কার রিঙ্কু সিং পাবে না কেন?

    অজিত আগারকারের নেতৃত্বে বেছে নেওয়া হয়েছে টি ২০ দল। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা দলে নেই। যা থেকে দুটি বিষয় স্পষ্ট, এক, আসন্ন একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে সিনিয়রদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আগামী টি ২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও একাধারে শুরু করে দিতে চাইছেন নির্বাচকরা। সে কারণেই তরুণদের উপর আস্থা রাখা হয়েছে। ক্যারিবিয়ান সফরে (India Vs West Indies) ভারতীয় দল দুটি টেস্ট, তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলবে। তারপর রয়েছে পাঁচ ম্যাচের টি২০ সিরিজ। 

    কেন নেই রিঙ্কু

    এক দিন আগেই অজিত আগরকর প্রধান নির্বাচক হয়েছেন। তার পরের দিনই তিনি টি-টোয়েন্টি দল বেছে নিলেন। তবে এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের দল বাছাই তাঁর কাছে আসল পরীক্ষা হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গত দুই মরসুমে কেকেআরের হয়ে খুবই ভাল খেলেছেন রিঙ্কু। বিশেষত গত মরসুমে তাঁর শেষ মুহূর্তে নেমে ম্যাচ শেষ করে আসার ক্ষমতা বার বার নজরে এসেছে। ভারতীয় বোর্ড তরুণদের সুযোগ দিতে চাইছে টি-টোয়েন্টি দলে। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন টি-টোয়েন্টি দলে হয়তো রিঙ্কুকে নেওয়া হবে। কিন্তু সেই আশা অপূর্ণই থেকে গেল। রিঙ্কুকে আরও কিছুটা সময় দেওয়া দরকার বলে মনে করছেন নির্বাচকেরা।

    আরও পড়ুন: প্রধান নির্বাচক! বিশ্বকাপের আগে পরীক্ষার সামনে অজিত আগরকর

    দলে কারা:

    দেখে নেওয়া যাক করা করা আছেন স্কোয়াডে হার্দিক পান্ডিয়া ( অধিনায়ক), সূর্য কুমার যাদব (সহ অধিনায়ক) , ঈশান কিষান, সঞ্জু স্যামসন, শুভমান গিল, যশ্বসী জয়সওয়াল, তিলক ভার্মা, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, রবি বিষ্ণুই, অর্শদীপ সিং, উমরান মালিক, আবেশ খান ও মুকেশ কুমার ।

    ভারতের সূচি:

    টেস্ট সিরিজ: ১২-১৬ জুলাই (ডোমিনিকা) এবং ২০-২৪ জুলাই (ত্রিনিদাদ)।

    এক দিনের সিরিজ: ২৭ এবং ২৯ জুলাই (বার্বাডোজ) এবং ১ অগস্ট (ত্রিনিদাদ)।

    টি-টোয়েন্টি সিরিজ: ৩ অগস্ট (ত্রিনিদাদ), ৬ ও ৮ জুলাই (গায়ানা), ১২ ও ১৩ জুলাই (ফ্লোরিডা)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য (Vice Chancellor) নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। অবসর নেওয়ার পরবর্তী সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রের দায়িত্ব এর আগেও পালন করেছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি তাঁকে সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাছাইয়ের সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিলেন। আর এবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। 

    রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ

    অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত না থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার নজির স্বাধীনতার পর বাংলায় আর একটি আছে। ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করা হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিধূভূষণ মালিককে। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন–রাজভবন সংঘাত অনেকদিন ধরেই চলছিল। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর প্রকাশ্যে সংঘাত থেমেছে। কলকাতা হাইকোর্টের রায় ছিল, অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ। আর এই উপাচার্যদের বেতন–সহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তারপরই রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়ের পরিচয়

    আগে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ছিলেন নির্মাল্যনারায়ণ চক্রবর্তী। তাঁর মেয়াদ ফুরিয়েছে। তারপর প্রায় দু’মাস উপাচার্যহীন ছিল রবীন্দ্রভারতী। এবার নির্মাল্যের মেয়াদ শেষ হতেই প্রাক্তন বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায় হলেন রবীন্দ্রভারতীর নতুন অস্থায়ী উপাচার্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পাশ করেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে কর্নাটক হাইকোর্টে চলে যান।  ২০১৫ সালে তিনি কর্নাটক হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হন। ২০১৬ সালে তাঁকে কর্নাটক হাইকোর্টের স্থায়ী প্রধান বিচারপতি করা হয়। ২০১৭ সালে তিনি অবসর নেন। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্যের পাশাপাশি শুভ্রকমলকে  শান্তি ও সম্প্রীতি কমিটির চেয়ারম্যানও করা হয়েছে। এই কমিটিও রাজ্যপাল গঠন করেছেন, সেই কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হল শিক্ষাঙ্গনের ভিতরে সংহতির উপর নজর রাখা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: ভাঙড়ের অশান্তির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চাইল হাইকোর্ট 

    Panchayat Elections 2023: ভাঙড়ের অশান্তির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চাইল হাইকোর্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় থেকেছে ভাঙর। মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে ব্যাপক অশান্তি হয় ওই এলাকায়। প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও ঘটনা ঘটেছে ভাঙড়ে। গুলি-বোমাবাজি এমনকী মনোনয়ন জমা নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। যা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়। সেই মামলাতেই ভাঙড়ের বিডিও অফিস, ভাঙড় ও কাশীপুর থানার ভিতর ও বাইরের সিসি ক্যামেরার যাবতীয় ফুটেজ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই মামলাকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    নির্বাচনের পর ফের শুনানি

    বিরোধীদের অভিযোগ, মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত রাজ্যের থেকে হলফনামা চেয়েছিল। বুধবার সেই হলফনামা আদালতে জমা দেয় রাজ্য।অন্যদিকে, ক্যানিংয়ের এক বিরোধী দলের সমর্থক নিখোঁজ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ২৬ জুন আদালত পুলিশকে নির্দেশ দেয়, অবিলম্বে তাঁকে খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু এখনও কেন তাঁর কোনও হদিশ পাওয়া গেল না, তা রিপোর্ট দিয়ে পরবর্তী শুনানিতে পুলিশকে জানাতে বলেছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর আগামী ১৮ জুলাই সব মামলার একসঙ্গে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় এবারও জিতবে বিজেপি, মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে চান সিংহভাগ ভোটার, বলছে সমীক্ষা

    ক্যানিংয়ে ঘটনায় এফআইআর-এর নির্দেশ খারিজ

    অন্যদিকে, ক্যানিংয়ে হিংসার ঘটনায় এসডিপিও-র বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ এদিন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন ঘিরে হাটুপুখুরিয়া এলাকায় হিংসার অভিযোগ ওঠে। তাতে ক্যানিং থানার আইসি, এসডিপিও ও স্থানীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সিরাজুল ইসলাম ঘরামি নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা আইসি, এসডিপিও ও স্থানীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তবে বিচারপতি মান্থা হিংসার ঘটনার যে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন সেটা বজায় রেখেছেন। সেই সঙ্গে মামলাকারির আর্জি মেনে তাঁর বাড়ির সামনে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ পিকেট, ২ জন কনস্টেবল মোতায়েন রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haryana Government: অবিবাহিতদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালুর ভাবনা হরিয়ানা সরকারের

    Haryana Government: অবিবাহিতদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালুর ভাবনা হরিয়ানা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ে না করার জন্যও এবার মিলবে ভাতা। অবিবাহিত পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য পেনশন (Pension for Unmarried) প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা করছে হরিয়ানা সরকার (Haryana Government)। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar) জানান, তাঁর সরকার রাজ্যে ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি অবিবাহিতদের জন্য একটি পেনশন প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা করছে।

    বিয়ে না করলে ভাতা প্রদান

    সম্প্রতি হরিয়ানার (Haryana Government) করনাল জেলার কমলপুরা গ্রামে ‘জন সংবাদ’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন খট্টর (Manohar Lal Khattar)। সেখানে ৬০ বছর বয়সি অবিবাহিতদের পেনশন প্রকল্প চালু নিয়ে জনগণের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তারই প্রতিক্রিয়া স্বরূপ খট্টর বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার শীঘ্রই অবিবাহিতদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা করছে।’’ সরকার এক মাসের মধ্যে সেই প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কর্মীকে ছাদ থেকে ফেলেছে তৃণমূল, দাবি আইএসএফ-এর

    ওই অনুষ্ঠান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, বয়স্কদের জন্য পেনশন প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এবার থেকে ২৭৫০ টাকার বদলে প্রবীণ নাগরিকরা মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। অবিবাহিতদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালু করা হলে, তার ভাতার অঙ্কও বয়স্কদের জন্য ভাতার সমান হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। অবিবাহিত পেনশনের মাপকাঠিই বা কী, তা ও এখনও পরিষ্কার নয়। হরিয়ানা সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই পেনশন প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। হরিয়ানা সরকার (Haryana Government) ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রবীণ নাগরিক, বিধবা, প্রতিবন্ধী, বামন এবং রূপান্তরকামীদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালু করেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া প্রস্তুত! মোদি-শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ ধামির

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া প্রস্তুত! মোদি-শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ ধামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (Uniform Civil Code) খসড়া তৈরি , তা জানাতেই কী দিল্লিতে হাজির উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। রাজধানীতে এনিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন ধামি। যদিও পরে সংবাদমাধ্যমে তিনি জানান, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে জল্পনা

    উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেরাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। যদিও এখনও রিপোর্টার খসরা আসেনি বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি জানান, আমরা দেরি না করে খুব দ্রুতই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি রাজ্যে চালু করতে চাই। তবে আমরা তাড়াহুড়ো করে সেটা করব না, যাতে কোনও খামতি তৈরি না হয়।” অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের তৈরি খসড়া, সারা ভারতের মূল ভিত্তি হতে পারে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। যদি উত্তরাখণ্ডের খসড়াটি গ্রহণ করা হয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে প্রয়োজনে সামান্য কিছু অদলবদল করা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ধামি। সেখানে উত্তরাখণ্ডের জন্য তৈরি খসড়াটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল উপরাষ্ট্রপতির

    অন্যদিকে অসমের গুয়াহাটি আইআইটির সমাবর্তনে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (Uniform Civil Code) পক্ষে সওয়াল করেছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তাঁর মতে, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করায় কোনওরকতম দেরি করা আমাদের মূল্যবোধের জন্য ক্ষয়কারক হবে।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা ছিল সংবিধান প্রণেতার চিন্তাভাবনা। এবার সেটা কার্যকর করার সময় এসেছে। আর কোনও দেরি হওয়া উচিত নয়।” ধনখড় বলছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে কিছু মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে তিনি স্তম্ভিত। উপরাষ্ট্রপতির বক্তব্য, “রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। কিন্তু রাজনীতির জন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কাজে বাধা দেওয়া উচিত নয়।” 

    আরও পড়ুন: সাফ কাপ জিতে নিজের রাজ্য মণিপুরের জন্য শান্তির প্রার্থনা জিকসনের

    উল্লেখ্য সংসদের বাদল অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বিল আনতে চায় কেন্দ্র। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। মাসব্যাপী সেই অধিবেশনে অভিন্ন দেওয়ালি বিলের খসড়াটি পেশ করতে পারে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে বিলটি নিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক ও আইন কমিশনের মতামত সংসদীয় কমিটি জানতে চেয়ে বলে খবর। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় থাকবে,বলে বিশ্বাস কেন্দ্রের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share