Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই মুক্তি নয়, জেলেই ঠিকানা দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের  (Arvind Kejriwal)। সিবিআই-এর (CBI) আর্জি মেনে আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

    সিবিআই-এর যুক্তি

    এই মামলার তদন্তকারী দল সিবিআই (CBI) জানিয়েছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হেফাজতে থাকা তদন্তের স্বার্থে সঠিক পদক্ষেপ। এর আগে তিনদিনের সিবিআই হেফাজত হয়েছিল কেজরিওয়ালের। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তদন্তের স্বার্থে তাঁদের প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিচ্ছেন না কেজরিওয়াল। সিবিআই আরও জানায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সাক্ষী এবং প্রমাণ নষ্ট করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জামিন না দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। জেলে থাকাকালীনই আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারর দাবি, নতুন আবগারি নীতিতে কেন হোলসেলারদের প্রফিট মার্জিন পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে তারও কোনও যথাযথ ব্যাখ্যা নেই।

    আরও পড়ুন: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    সিবিআই-এর আর্জিতে সম্মতি

    চলতি সপ্তাহের সোমবার তিহাড় জেলে গিয়ে কেজরিকে (Arvind Kejriwal) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই (CBI)। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার হিসাবে দেখানো হয়। তার পর পাঁচ দিনের হেফাজত চেয়ে বুধবার সিবিআই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে। সেই সময় দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট কেজরিকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। শনিবার সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এদিন কেজরিওয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবকাশকালীন বিচারক সুনেনা শর্মা কেজরিওয়ালকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।  গত ২০ মে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু তিহাড় থেকে তিনি বের হওয়ার আগেই ইডি দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে জামিনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। জামিন নিয়ে টালবাহানার মধ্যেই সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন কেজরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ, স্বাধীনতার দাবি জানানো। অন্যায়, নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করা। এই কারণেই প্রতিদিন পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান থেকে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন শয়ে সয়ে মানুষ। পাক পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দারা ধরে নিয়ে গুম করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীদের (Baloch Activist)। তাঁরা বেঁচে রয়েছেন, না মরে গিয়েছেন তা-ও জানতে পারছে না পরিবারের লোকজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন মানবাধিকার কর্মী নিখোঁজ ডক্টর দ্বীন মুহাম্মাদ বালোচের মেয়ে সামি দ্বীন বালোচ।

    চিনের হাতে লুট হচ্ছে সম্পদ

    পাকিস্তানের (Pakistan) বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান (Baloch Activist) প্রাকৃতিক ভাবে সবচেয়ে সম্পদশালী। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে বালোচ নাগরিকদের। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি) তৈরির পরে গত কয়েক বছরে সেই লুট আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে শুরু হওয়া ওই রাস্তা কারাকোরাম পেরিয়ে ঢুকেছে পাকিস্তানে। প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শেষ হয়েছে বালুচিস্তান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে চিন নিয়ন্ত্রিত গ্বদর বন্দরে। ওই রাস্তা ব্যবহার করেই ইসলামাবাদ এবং বেজিংয়ের শাসকেরা বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে বলে দাবি সেখানকার বাসিন্দাদের।

    নিখোঁজ কয়েক হাজার মানুষ

    শুক্রবার করাচি প্রেসক্লাবে মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীন বালোচ জানান, ১৫ বছর আগে পাকিস্তান (Pakistan) পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে তাঁর বাবা ডঃ দ্বীন মুহম্মদ বালোচকে পাকিস্তানের গোয়েন্দারা তুলে নিয়ে যায়। এখনও তাঁর কোনও খোঁজ নেই। ছোট বোন মেহলাব দ্বীন বালোচকে সঙ্গে নিয়ে সামি জানান ২৮ জুন ২০০৯ সালের সেই রাতের কথা এখনও ভোলেননি তাঁরা। তাঁদের বাবা বেঁচে রয়েছেন কিনা তা-ও জানেন না তাঁরা। পেশায় ডাক্তার তাঁর বাবা সরকারি কর্মচারী ছিলেন, তা-ও তাঁর উদ্ধারে নিষ্ক্রিয় সরকার। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার তাঁরা।

    আরও পড়ুন: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

    ১৯৪৭ সালের ১১ অগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। ১২ অগস্ট কালাতের শাসক মির সুলেমান দাউদ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ১৯৪৮-এর ২৭ মার্চ পর্যন্ত। বালুচিস্তানের (Baloch Activist) মানুষের কাছে সেই দিনটা আজও যন্ত্রণার ‘পরাধীনতা দিবস’! সাত দশক আগে ওই দিনেই পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা দখল করেছিল বালুচিস্তান। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তৎকালীন শাসককে বাধ্য করেছিল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে। বালুচিস্তানের পরবর্তী ইতিহাস ফের নতুন স্বাধীনতার যুদ্ধের। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর কয়েক হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট দিনের কর্মসূচি ছিল। কথা ছিল, ১৩ জুন ফিরে আসবেন। কিন্তু এখনও ফেরা সম্ভব হয়নি। মহাকাশে আটকে পড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও তাঁর সঙ্গী ব্যারি উইলমোর। কবে আবার পৃথিবীর মাটিতে পা রাখবেন সুনীতারা, তা অনিশ্চিত। নাসার (NASA) তরফে জানানো হয়েছে নিরাপদেই আছেন সুনীতারা। ৬ জুলাই তাঁরা ফিরবেন। আটদিনের অভিযান হয়তো শেষ হবে এক মাসে।  

    কেন আটকে সুনীতারা (Sunita Williams) 

    স্টারলাইন স্পেসক্র্যাফ্ট, যাতে করে সুনীতা-ব্যারি মহাকাশে গিয়েছিলেন, তাতে হিলিয়াম লিক করেছে। এজন্যই তাঁদের ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই যান্ত্রিক গোলযোগ মেরামতির চেষ্টা করছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, রওনা দেওয়ার পর থেকে বোয়িং ক্যাপসুলে পাঁচটি হিলিয়াম লিক হয়েছে, পাঁচটি ম্যানুভারিং থ্রাস্টার খারাপ হয়ে গিয়েছে এবং একটি ধীর গতির প্রপেলান্ট ভালভেও সমস্যা দেখা গিয়েছে।  

    ৫৪ বছর আগের স্মৃতি

    বোয়িং স্টারলাইনারের বর্তমান পরিস্থিতি নাসার ৫৪ বছর আগেকার ‘সফল ব্যর্থ’ মিশনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। ১৯৭০ সালে মহাকাশযানের একটি বিস্ফোরণের ফলে তিনজন মহাকাশচারী পৃথিবী থেকে দুই লাখ পাঁচ হাজার মাইল দূরে চাঁদের চারপাশে থেকে গিয়েছিলেন। এই মিশনটি ছিল অ্যাপোলো ১৩ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাঁদে অবতরণ করার তৃতীয় প্রচেষ্টা। সেই সময় ক্রুদের কাছে বেঁচে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছিল। সুনীতাদের কাছেও বিষয়টা হয়তো তাই। আপাতত সুনীতাদের (Sunita Williams) পৃথিবীতে সুরক্ষিত ল্যান্ডিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে গোটা বিশ্ব।

    আরও পড়ুন: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    কী বলছে নাসা

    জানা গিয়েছে, স্টারলাইনার মহাকাশযানটি খুব বেশিদিন মহাকাশে থাকতে পারবে না। মহাকশযানটির জ্বালানি ক্ষমতা সীমিত। নিরাপদে ফিরে আসা নিশ্চিত করতে স্টারলাইনার মাত্র ৪৫ দিন অপেক্ষায় থাকতে পারবে। এর চেয়ে বেশি সময় লাগলেই সংকট তৈরি হতে পারে। তবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সুনীতা উইলিয়ামস এবং ব্যারি উইলমোর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদেই আছেন। তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য রয়েছে। ত্রুটিমুক্ত রয়েছে যোগাযোগের সরঞ্জামও। নাসা (NASA) জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে মহাকাশযানটি যে কোনও সময়ে উড়তে পারে। সব সংকট কাটিয়ে ফিরে আসতে পারে পৃথিবী পৃষ্ঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalki 2898 AD: প্রথম দিনেই বাজিমাত ব্যয়বহুল ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র! জানেন কার কত পারিশ্রমিক?

    Kalki 2898 AD: প্রথম দিনেই বাজিমাত ব্যয়বহুল ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র! জানেন কার কত পারিশ্রমিক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তি পেল নাগ অশ্বিন পরিচালিত বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (Kalki 2898 AD)।  চলতি বছরের অন্যতম বড় বাজেটের ছবি কল্কি বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। ৬০০ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই ছবি প্রথম দিনেই সাড়া ফেলেছে। প্রথম দিনই  ছবিটি সারা বিশ্বে সংগ্রহ করেছে ১৯১.৫ কোটি টাকা। বক্স অফিসে প্রথম দিনে ব্যবসার নিরিখে এখনও পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে রয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রভাস, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan), দীপিকা পাড়ুকোন, কমল হাসন, দিশা পটানি প্রমুখ।

    প্রথম দিনে কত আয় (Kalki 2898 AD)

    তামিল, তেলুগু, হিন্দি, কন্নড় ও মালয়ালম ভাষায় মুক্তি পেয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ (Kalki 2898 AD)। তেলুগু সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি টাকার ব্যবসা করেছে এখনও পর্যন্ত। বক্স অফিস সংগ্রহের পরিমাণ ৬৪.৫ কোটি টাকা। হিন্দিতে এই ছবি এখনও পর্যন্ত ২৭.৫ কোটি, তামিলে ৪ কোটি, মালয়ালমে ২.২ কোটি ও কন্নড়ে ৩০ লক্ষ টাকার ব্যবসা করেছে। বক্স অফিসে প্রথম দিনে ব্যবসার দিক থেকে ‘বাহুবলী ২’ ও ‘আরআরআর’-এর পরেই জায়গা করে নিয়েছে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। প্রভাসের ‘বাহুবলী ২’-এর প্রথম দিনের বক্স অফিস সংগ্রহ ছিল ২১৭ কোটি টাকা। ‘আরআরআর’ প্রথম দিনে বক্স অফিসে ২২৩ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল।

    কার কত পারিশ্রমিক (Kalki 2898 AD)

    এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য সবথেকে বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তেলুগু সুপারস্টার প্রভাস। এই ছবির (Kalki 2898 AD) জন্য প্রভাস নিয়েছেন ৮০ কোটি টাকা। তবে দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) এবং কমল হাসান একই পরিমাণ পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দীপিকা তাঁর প্রথম তেলুগু কাজের জন্য ২০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন। আসলে ওই ছবিতে দীপিকাকে দেখা যাবে সুমতি চরিত্রে। আর সুমতি এমন একজন মহিলা, যিনি সন্তানধারণ করছেন। সেই সন্তানই কল্কি ২৮৯৮-এর দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটাবে। ট্রেলারে গর্ভবতী সুমতির চরিত্রে দেখা গিয়েছে দীপিকাকে। তিনি নিজের সন্তানকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করছেন। অমিতাভ বচ্চন এবং কমল হাসান পারিশ্রমিক নিয়েছেন ২০ কোটি টাকা করে। এমনকী দীপিকাও ওই একই পরিমাণ অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়েছেন। অমিতাভ বচ্চনকে দেখা গিয়েছে অশ্বত্থামার চরিত্রে। এই ছবিতে বিগ-বির অভিনয় সকলের নজর কেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    UGC NET: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসি নেট-সহ (UGC NET) স্থগিত পরীক্ষাগুলির নতুন দিন ঘোষণা করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। পরীক্ষার ধরনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয়েছিল ওএমআর শিটে। এনটিএ জানিয়েছে, এ বার পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে অর্থাৎ কম্পিউটার বেসড্‌ টেস্ট (CBT)। শুক্রবার রাতেই জাতীয়স্তরের একাধিক পরীক্ষার (NET Exam) নতুন দিনক্ষণ ঘোষণা করে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা।

    কবে কবে পরীক্ষা

    ইউজিসি-নেট (UGC NET) পরীক্ষা হবে আগামী ২১ জুলাই থেকে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্দিষ্ট দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। একইভাবে সিএসআইআর-নেট পরীক্ষা হবে আগামী ২৫-২৭ জুলাইয়ের মধ্যে। ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চার বছরের স্পেশাল কোর্স করার প্রবেশিকা (ইন্টিগ্রেটেড টিচার এডুকেশন প্রোগ্রাম বা আইটিইপি) ন্যাশনাল কমন এন্ট্রান্স টেস্ট (এনসিইটি)। স্নাতকোত্তর আয়ুষ প্রবেশিকা (এআইএপিজিইটি) পরীক্ষার সূচিতে অবশ্য কোনও বদল আনা হয়নি। পূর্ব নির্ধারিত ৬ জুলাইয়েই হবে এই পরীক্ষা। 

    পরীক্ষার নয়া ধরন

    গত বছর পর্যন্ত ইউজিসি নেট (UGC NET) পরীক্ষা নেওয়া হত কম্পিউটারে। কম্পিউটারের পর্দায় প্রশ্ন আসত। প্রত্যেক প্রশ্নের জন্য চারটি উত্তর দেওয়া থাকত। সেখানেই চারটি উত্তরের মধ্যে একটি বেছে নিতে হত। এবারের পরীক্ষায় ওই পদ্ধতি বদলে ওএমআর শিটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রশ্নফাঁসের জেরে আবার পুরনো পদ্ধতিতে ফিরল এনটিএ। বিস্তারিত তথ্যের জন্য www.nta.ac.in – এ পরীক্ষার্থীদের নজর রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    কেন ফের পরীক্ষা

    যাঁরা গবেষণামূলক পড়াশোনা করতে চান বা যাঁরা কলেজে অধ্যাপনা করতে চান, তাঁদের কাছে ইউজিসি নেট (UGC NET) পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের জুন মাসের ইউজিসি নেটের প্রশ্ন ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠতেই সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা (NET Exam) বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। ১৮ জুন পরীক্ষা ছিল। নয় লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তার একদিন পরেই ১৯ জুন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা বাতিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার থেকেই প্রথম শিক্ষামন্ত্রককে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। দেশের বিভিন্ন প্রবেশিকা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেনিয়ম এবং প্রশ্নফাঁস রুখতে নতুন পরীক্ষা আইন কার্যকর করার কথাও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে মরিয়া রোহিতরা! ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফেভারিট ভারতই

    T20 World Cup 2024: অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে মরিয়া রোহিতরা! ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফেভারিট ভারতই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরেকটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে ভারত। আরেকবার রোহিত শর্মার সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। গত এক বছরে তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই বিশ্বসেরার ফাইনাল মঞ্চে পৌছেছে ভারত। কিন্তু টেস্ট বা ওয়ান ডে কোনওটাতেই কাপে চুম্বন করা হয়নি রোহিতদের। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সেই অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে চান রোহিতরা। অন্যদিকে প্রথমবার কোনও বিশ্বকাপের (T20 World Cup) ফাইনাল খেলতে নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa)। গোটা টুর্নামেন্টে যারা অপরাজেয়। 

    কোচের আস্থা

    ভারতীয় দলের কোচ হিসাবে শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ফাইনালে শেষ বার সাজঘরে থাকবেন দ্রাবিড়। যদি না আবার ভবিষ্যতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন। ক্রিকেটার জীবনে বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ হয়নি দ্রাবিড়ের। ২০০৩ এবং ২০২৩ দু’বার এক দিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও জেতা হয়নি। এক বার ক্রিকেটার হিসাবে, আর এক বার কোচ হিসাবে ব্যর্থ হয়েছেন। কোচ দ্রাবিড় চান বার্বাডোজের ২২ গজে ট্রফি জিতুন রোহিত, বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরারা। কারণ তাঁরা এই ট্রফির যোগ্য। দ্রাবিড় বলেছেন, ‘‘ছেলেদের বলেছি, চাপ নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আর একটা দিন মাঠে উপভোগ করার চেষ্টা করো। পরিকল্পনাগুলো ঠিক ভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করো। আমাদের ক্রিকেটারদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। ছেলেদের মানসিকতা দুর্দান্ত। ওদের জেতা উচিত।”

    বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টির জন্য বার বার বিঘ্নিত হয়েছে। গায়ানা থেকে বার্বাডোজে ফাইনাল খেলতে গিয়েও স্বস্তি নেই রোহিত শর্মাদের। সেখানেও বৃষ্টি। ফাইনালের দিন শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির জন্য সেমিফাইনাল দেরিতে শুরু হওয়ায় শুক্রবার আর অনুশীলন করতে পারেননি রোহিতরা। ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়ার জন্যই অনুশীলন বাতিল করা হয়। প্র্যাক্টিস বাতিলে আরও একটা ইঙ্গিত যেন পাওয়া যায়, ফাইনালের কম্বিনেশনে কোনও বদলে আনার ভাবনা নেই ভারতীয় শিবিরে।

    পিচ কেমন

    ফাইনাল (T20 World Cup) ম্যাচটি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্বাডোজে অবস্থিত কেনসিংটন ওভাল মাঠে। এখনও পর্যন্ত এখানে মোট তিনটি ম্যাচ খেলেছে ভারতীয় দল। বার্বাডোজের এই স্টেডিয়ামে ব্যাটার ও বোলারদের আধিপত্য রয়েছে। এখানে মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনাররা বাড়তি সহায়তা পান। এখানে পেসাররাও স্যুইংয়ে বাড়তি সুবিধা পান। দ্রুত আউটফিল্ডের কারণে এখানে সহজেই রান ওঠে। টস জিতে সাধারণত এখানে প্রথমে ব্যাট করতে দেখা গিয়েছে দলগুলোকে। এই স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে ১৯ বার। যেখানে রান তাড়া করা দল জিতেছে ১১ বার। ২টি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল। তাই টসে জিতে স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলাই রোহিতদের প্রাথমিক লক্ষ্য। তারপর তো বুমরা-কুলদীপ-অক্ষররা রয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Dharmendra Pradhan: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    Dharmendra Pradhan: “সরকার সব রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত” নিট বিতর্কে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা (NEET-UG) এবং ইউজিসি নেট-এর প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিতর্ক-বিক্ষোভে (NEET Row) উত্তাল দেশ। নিট ইস্যুতে উত্তাল লোকসভা। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নিট বিতর্কে যে কোনও প্রশ্নের জবাব দিতে তৈরি সরকার। তারা আলোচনাও করতে চায়। কিন্তু বিরোধীদেরও সেই আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হবে। নিট প্রসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। এই ঘটনায় সবরকম তদন্ত চলছে। 

    আলোচনায় বসতে রাজি সরকার  

    নিট বিতর্কে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) বলেন, ‘‘সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত ৷ তবে এটি সুষ্ঠু এবং সঠিকভাবে হওয়া উচিত। গতকাল যখন রাষ্ট্রপতি নিজেই তাঁর বক্তৃতায় এই সমস্যাটি সম্বোধন করেছিলেন, তখন বোঝা যায় যে সরকার যেকোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। আমি প্রত্যেককে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা দোষীদের রেহাই দেব না। ইতিমধ্যেই সরকার এনটিএ (ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি) চেয়ারপার্সনকে সরিয়ে দিয়েছে ৷ তাঁর বদলে অভিজ্ঞ অফিসারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৷ যা থেকে স্পষ্ট, সরকার বেনিয়ম বরদাস্ত করবে ৷ এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের রেহাই দেওয়া হবে না ৷’’ ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিটে দুর্নীতি (UGC NET Controversy) প্রমাণিত হলে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। নেটের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। কাউকে কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। পরীক্ষা পদ্ধতির উপর বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার।’’ 

    আরও পড়ুন: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    অধিবেশন মুলতুবি 

    নিট বিতর্কে (NEET Row) আলোচনার দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকেই লোকসভায় সরব হন বিরোধীরা। হইহট্টগোলের মধ্যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। পরে অধিবেশন শুরু হলে ফের বিক্ষোভ দেখান বিরোধীরা। বাধ্য হয়ে গোটা দিনের জন্যই অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। স্পিকারের বক্তব্য, রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা চলাকালীনও নিট ইস্যুতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারেন বিরোধীরা। তবে বিরোধী শিবির, শুধুমাত্র নিট ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে অনড় থাকায় সংসদ মুলতবি করে দেওয়া হয়। আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত সংসদের দুই অধিবেশনই মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানিয়েছেন, যথাসময়ে নিট নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত বিরোধীদের সংসদ চালানোর মতো পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Heavy Rain in Delhi: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    Heavy Rain in Delhi: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাসছে দিল্লি। ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain in Delhi) জেরে থমকে গিয়েছে রাজধানী। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে , বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। এর ফলে কার্যত জলের নীচে ডুবে গিয়েছে দিল্লির অধিকাংশ এলাকা। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে দিল্লিতে। 

    রেকর্ড বৃষ্টি

    ১৯৩৬ সালের পর এই প্রথম দিল্লিতে (Heavy Rain in Delhi) টানা ২৪ ঘণ্টায় এত পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১৯৩৬ সালে পরিমাণ ছিল ২৩৫.৫ মিলিমিটার। সাধারণত জুন মাসে দিল্লিতে গড়ে ৮০.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এবার সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টি হচ্ছে দিল্লিতে। শুক্রবার সকালে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে। জলমগ্ন দিল্লিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    আন্ডারপাসে আটকে বাস

    বৃহস্পতিবার অফিস ফেরত যাত্রীরা প্রায় পথেই আটকে গিয়েছেন। দিল্লির  কাইজজারগঞ্জে কোদিয়া সেতুর আন্ডারপাসে আটকে যায় একটি যাত্রীবোঝাই বাস। প্রায় ৮ ফুট সমান জলে যাত্রীদের নিয়ে আটকে পড়ে বাসটি। আন্ডারপাসের মাঝ বরাবর বাসটি জলের মধ্যে আটকে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে বাসটি আটকে ছিল। আন্ডারপাসের নীচে বাস আটকে পড়ার খবর পুলিশের কাছে পৌঁছয়। তার পরই সেখানে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল আসে। পুলিশ সূত্রে খবর, আটকে পড়া যাত্রীদের বাস থেকে এক এক করে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকাজের জন্য দড়ি এবং লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা হয়েছিল।  পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

    জলমগ্ন বহু রাস্তা

    প্রশাসনের তরফে খবর,  দিল্লি-মেরাঠ হাইওয়ে, নারাইনা-মোতি বাগ রোড, ধৌলা কুঁয়া উড়ালপুল, বীর বান্দা বৈরাগী মার্গ, আজাদ মার্কেট আন্ডারপাস, তিলক সেতু, অরবিন্দ মার্গ, অনুব্রত মার্গ, আইটিও এবং এমস যাওয়ার বহু রাস্তা মথুরা রোড, মুলচাঁদ, মিন্টো রোড, মেহরৌলি, বদরপুর রোড, মান্ডাওয়ালি, ভিখাজি কামা প্লেস, মধু বিহার, তিন মূর্তি মার্গ, প্রগতি ময়দান, মুনিরকা, ধৌলা কুঁয়া, মোতি বাগ, আইটিও এবং নয়ডার বহু রাস্তা প্লাবিত। নীচু এলাকাগুলিতে বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে গিয়েছে।

    বিপর্যস্ত বিমানবন্দর

    ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ দিল্লিতে (Heavy Rain in Delhi) তুমুল বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়ে দিল্লি বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১-এর একাংশ। পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি এবং ট্যাক্সি চাপা পড়ে যায় ভেঙে পড়া অংশের নীচে। ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টার্মিনাল ১-এর পরিষেবা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: চোখে জল রোহিতের! কোহলির ওপর আস্থা, দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক

    T20 World Cup 2024: চোখে জল রোহিতের! কোহলির ওপর আস্থা, দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র সাত মাস আগে দেশের মাটিতে স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবার আবার কাপ থেকে এক কদম দূরে দল। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) ফাইনালে ভারত উঠতেই সাজঘরে আবেগ চাপতে পারলেন না অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। 

    চোখে জল

    মাঠ থেকে সাজঘরে ফেরার সময় হঠাতই চেয়ারে বসে পড়লেন রোহিত। তাঁর চোখে তখন জল। বাঁ হাত তুলে চোখ ঢাকলেন। চেষ্টা করলেন নিজেকে সামলে নেওয়ার। তিনি অধিনায়ক তো। কয়েক সেকেন্ড পরে হাত নামালেন। দেখে বোঝা যাচ্ছিল, ফাইনালে উঠে, আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন তিনি। এই ইংল্যান্ডের কাছেই দু বছর আগে হেরে বিদায় নিয়েছিল ভারত। এবার তার বদলা নেওয়া গেল। তাঁর অধিনায়কত্বে ২২৬ দিন পরে ভারত আরও একটি ফাইনালে। সেই সব কথাই হয়তো ভাবছিলেন তিনি। কিছু ক্ষণ পরে বিরাট কোহলি সাজঘর থেকে বেরিয়ে রোহিতের সামনে দাঁড়ালেন। তাঁর গায়ে হাত রেখে কথা বললেন। হাসানোর চেষ্টা করলেন। কিছু ক্ষণ পরে হাসি দেখা গেল রোহিতের মুখেও। 

    দলের উপর আস্থা

    ম্যাচ শেষে দলের উপর পূর্ণ আস্থা রেখে অধিনায়ক (Rohit Sharma) বলেন,  “আমরা দল হিসাবে খুব পরিশ্রম করেছি। এই জয়ে সবার যোগদান রয়েছে। আমাদের কাছে এটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। সেটা আমরা জিতেছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলেছি আমরা। সেটাই তফাত গড়ে দিয়েছে।” স্পিনারদের প্রশংসা শোনা গিয়েছে রোহিতের মুখে। তিনি বলেন, “অক্ষর ও কুলদীপ খুব অভিজ্ঞ স্পিনার। ওরা বুদ্ধি করে বল করে। পরিকল্পনা কাজে লাগায়। আমি জানতাম, ওদের বিরুদ্ধে খেলা সহজ হবে না। সেটাই হল। এই জয় আমাকে খুব স্বস্তি দিয়েছে।” কোহলির ফর্ম নিয়েও চিন্তায় নেই মুম্বইয়ের রাজা। তাঁর কথায়, “বিরাট কেমন ক্রিকেটার তা আমরা সবাই জানি। সবার কেরিয়ারেই খারাপ সময় আসে। ও জাত ক্রিকেটার। সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। খারাপ সময় কেটে যায়। ওর রান করার কতটা তাগিদ রয়েছে সেটা দেখা যাচ্ছে। ফাইনালেও ওই ওপেন করবে।”

    ফাইনালের হ্যাটট্রিক

    টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পর্যুদস্ত করেছে ভারত। ম্যাচ জিতেছে ৬৮ রানে। আর এই জয়ের ফলে অনন্য নজির গড়ে ফেলেছেন রোহিতরা। ১০ বছরের খরা কেটে গেছে ভারতের জন্য। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল উঠেছে ভারত। পরপর তিনটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার নজিরও গড়ে ফেললেন রোহিতরা। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ এবং টি-২০ বিশ্বকাপ, পরপর এই তিনটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • KGF: ধূলোয় উড়ত সোনা! কোলারে ফের সোনার খনি চালুর চিন্তা কেন্দ্রের

    KGF: ধূলোয় উড়ত সোনা! কোলারে ফের সোনার খনি চালুর চিন্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনার ‘খনির শ্রমিক হয়েও কানাকড়ি নাই’! একদা সোনার আঁতুরঘর কর্নাটকের কোলার গোল্ড ফিল্ড (KGF) এখন শূন্য-মরুপ্রায়। যেখানে একদা সোনালি আভা চিকচিক করত সেখানে এখন শুধুই অন্ধকার। সোনার খনির লক্ষাধিক শ্রমিকের ঘরে এখন ‘নুন আন্তে পান্তা ফুরোয়’। কাজ নেই, খাবার নেই, জল নেই, জীবনধারণের নূন্যতম পরিষেবা পেতে তাঁদের যেতে হয় ১০০ কিলোমিটার দূরে বেঙ্গালুরুতে। ২০০১ সালে বন্ধ হয়েছিল সোনার খনি। কেটে গিয়েছে দু দশকের বেশি সময়। প্রতিদিন অবহেলাই সঙ্গী হয়েছে কোলারের। ক্ষমতায় এসেই কোলার নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। অবশেষে তা বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। কোলারে ফের সোনার খনি চালু করার কেন্দ্রের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে কর্নাটক (Karnataka) সরকার।

    কোলারে সোনার খনি নিয়ে প্রস্তাব

    সুপারস্টার যশের কেজিএফ (KGF) সিরিজের দুটি ছবি কর্নাটকের কোলারে অবস্থিত সোনার খনির উপর ভিত্তি করে তৈরি। সেখানকার অতীত ও বর্তমানের কিছু অংশ ফুটে উঠেছিল সিনেমায়। বাস্তবের সেই ‘সোনার শহর’-কে ভুলতেই বসেছিল মানুষ। এবার তার পুনরুত্থানের স্বপ্ন দেখছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কোলারে সোনার খনি আবার নতুন করে চালু করার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্র। গত সপ্তাহে কেজিএফ-এর খনি নতুন করে খোলার কেন্দ্রীয় প্রস্তাবে সায় মিলেছে কর্নাটক সরকারের তরফে। পাশাপাশি কেজিএফ-এর হাজার একর জুড়ে থাকা ১৩টি খনি বর্জ্যের পাহাড় নিলামে তোলার প্রস্তাবেও সায় দিয়েছে ওই রাজ্যের সরকার। অনুমান করা হয়, কোলারে (KGF) এর ১৩টি বর্জ্য পাহাড়ে প্রায় ৩.৩০ কোটি টন নিষ্কাশিত বর্জ্য পড়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রতি এক হাজার বর্জ্যের পক্রিয়াকরণ করলে এক গ্রাম করে সোনা মিলবে।

    কোলার ঘিরে নতুন আশা

    কেজিএফের (KGF) খনিগুলি ‘ভারত গোল্ড মাইনস লিমিটেড’ (বিজিএমএল) সংস্থার মালিকানাধীন। বিজিএমএল একটি সরকারি সংস্থা, যা ১৯৭২ সালে কেজিএফে তৈরি করা হয়েছিল। তবে কেজিএফ খনির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই গুরুত্ব হারায় এই সংস্থা।সোনার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ২০১৫ সালে কেন্দ্রের তরফে বিজিএমএল-সহ পুরনো খনিগুলি আবার চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সেই মতোই কেন্দ্রের তরফে কেজিএফ চালু করতে কর্নাটক সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠায় কেন্দ্র। কর্নাটকের (Karnataka) আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এইচকে পাতিল জানিয়েছেন, কেজিএফ খনি নতুন করে চালু হলে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরির সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: বালিকা বধূ রূপা এখন ডাক্তার! মাত্র ৮ বছরে বিয়ে, দুই সন্তানের মা অবশেষে স্বপ্নপূরণ

    কীভাবে বন্ধ হল কোলার

    ১৮৭৫ সালে কোলারে সোনার খনি (KGF) গড়ে তোলে ব্রিটিশরা। ১৯৩০ সালে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক কোলার গোল্ড ফিল্ডে কাজ করতেন। ১৯৫৬ সালে স্বাধীনতার পর কেন্দ্রীয় সরকার এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে বেশির ভাগ খনির মালিকানা তুলে দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের হাতে। কিন্তু ব্রিটিশরা বিপুল পরিমাণ সোনা দ্রুত তুলে নেওয়ায় ধীরে ধীরে কোলারে সোনার পরিমাণ কমতে থাকে। এককালে যেখানে এক টন আকরিক থেকে অন্তত ৪৫ গ্রাম সোনা পাওয়া যেত, সেখানে প্রতি টনে তিন গ্রাম করে সোনা মেলে। পরিকল্পনার অভাবে বিপুল পরিমাণ লোকসানের পর কর্নাটকের (Karnataka) কোলার গোল্ড ফিল্ড ২০০১ সালে বন্ধ হয়ে যায়। তরপর থেকে ভারতের উপর সোনার আমদানির বোঝাও বেড়ে যায়। এবার সেই খনির হৃত গৌরব ফেরানোর চেষ্টায় কেন্দ্র সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share