Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Asia Cup 2023: সেপ্টেম্বরেই বাইশ গজে ফের মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান! জানাল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল

    Asia Cup 2023: সেপ্টেম্বরেই বাইশ গজে ফের মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান! জানাল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বর মাসে আবার মুখোমুখি ভারত এবং পাকিস্তান। গত বছরই এশিয়া কাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তিন বার মুখোমুখি হয়েছিল প্রতিবেশী দুই দেশ। নতুন বছর শুরু হতেই জানা গেল, ফের কবে বাইশ গজে মুখোমুখি হবে চির প্রতিদ্বন্দ্বি দুই দেশ। বৃহস্পতিবার সকালে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ ট্যুইট করে জানিয়ে দেন, সেপ্টেম্বর মাসে ভারত এবং পাকিস্তান আবার মুখোমুখি হতে চলেছে এশিয়া কাপে। দুই দলকেই রাখা হয়েছে একই গ্রুপে।

    কোথায় হবে এশিয়া কাপ

    এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও সভাপতি জয় শাহ। এ দিনের ট্যুইটে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং তাঁর ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছেন তিনি। সেখানেই দেখা গিয়েছে, এ বছরের সেপ্টেম্বরে হতে চলেছে এশিয়া কাপ। সেখানে ভারত এবং পাকিস্তান রয়েছে একই গ্রুপে। তৃতীয় দল হিসাবে কোনও দেশকে যোগ্যতা অর্জন করে আসতে হবে। অপর গ্রুপের তিন দল শ্রীলঙ্কা,বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান। ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড জানিয়ে দিয়েছিল, ২০২৩ সালে পাকিস্তানে এশিয়া কাপ খেলতে যাবে না ভারত। জয় শাহ আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, ‘ভারত এশিয়া কাপ খেলবে নিরপেক্ষ ভেনুতে।’ তবে কোথায় খেলা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি।

    আরও পড়ুন: আগুন ঝড়ানো বোলিং! ১৫৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় বল করে রেকর্ড উমরান মালিকের

    জয় শাহ সরাসরি জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এরফলে বদলে যেতে পারে এশিয়া কাপের ভেনু। এর পালটা হিসেবে ভারতে আয়োজিত হতে চলা বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছিল পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, গায়ের জ্বালা মেটাতে আরও বড় বড় হুমকি দিয়েছিল রামিজ রাজার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে এশিয়া কাপ যদি পাকিস্তান থেকে সরে যায় তাহলে এশিয়া থেকে সরে যাবে তারা। কারণ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৩ সালে এশিয়া কাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল পাকিস্তান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Rishabh Pant: অস্ত্রোপচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে লন্ডন! কবে মাঠে ফিরবেন ঋষভ পন্থ?

    Rishabh Pant: অস্ত্রোপচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হতে পারে লন্ডন! কবে মাঠে ফিরবেন ঋষভ পন্থ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় ক্রিকেট মাঠে ফেরাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার ঋষভ পন্থের। ঋষভের চোটের যা অবস্থা তাতে তিনি কবে মাঠে ফিরতে পারবেন,আদৌ আর ক্রিকেটটা খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। মুম্বইয়ে পন্থের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিক্যাল রিসার্চ ইন্সস্টিটিউটের সেন্টার ফর স্পোর্টস মেডিসিনের প্রধান এবং অর্থোস্কোপি অ্যান্ড সোল্ডার সার্ভিসের ডিরেক্টর দীনেশ পার্দিওয়ালা। চিকিৎসকদের সর্বক্ষণের নজরদারিতে রাখা হয়েছে পন্থকে।

    বোর্ডের উদ্যোগেই মুম্বই যাত্রা

    ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের নির্দেশেই পন্থকে দেরাদুন হাসপাতাল থেকে  চিকিৎসার জন্য মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, পন্থের চোটের ধরন যা, তাতে অন্তত চার মাস লাগবে সেরে উঠতে। মাঠে ফিরতে অন্তত দরকার ছ’মাস। আর একটি সূত্রে জানানো হয়েছে, পন্থের বাইশ গজে ফিরতে অন্তত পক্ষে নয় মাস সময় লাগবে। এর ফলে শ্রীলঙ্কা,নিউজিল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়া সিরিজ এবং আইপিএলে কোনও ভাবেই খেলা হবে না পন্থের। জুন মাসে রয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। সেখানে যদি ভারত খেলতে পারে, তা হলে ওই ম্যাচে পন্থকে মাঠে দেখা যেতে পারে। সেটাও নির্ভর করছে কতটা দ্রুত চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে তিনি সেরে ওঠেন তার উপরে।

    আরও পড়ুন: আগুন ঝড়ানো বোলিং! ১৫৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় বল করে রেকর্ড উমরান মালিকের

    বোর্ডের চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে রবীন্দ্র জাডেজা লিগামেন্টে ঠিক যে ধরনের চোট পেয়েছিলেন, পন্থের চোটের ধরনও সে রকমই। কার্যত ওষুধে তেমন কাজ না দেওয়ার ফলেই পন্থের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বোর্ড জানাচ্ছে, ডঃ দীনেশ পার্দিওয়ালার নেতৃত্বে পন্থের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হবে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। দেশের চিকিৎসায় যদি কাজ না হয়, সেক্ষেত্রে পন্থকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলেও খবর। তাঁকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। সেখানে ঋষভের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আগে মুম্বইয়ে চিকিৎসায় কী প্রভাব পড়ছে তা দেখা হবে। তারপরই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পর এবার নতুন বছরে পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন(Hydrogen Train)। ভারতীয় রেলের তরফে দেশবাসীকে ফের আর একটি উপহার দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)।  সম্প্রতি এশিয়ার প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন (Hydrogen Train) লঞ্চ করেছে চিন। এটিকে বিশ্বের ‘সবুজতম ট্রেন’ বলা হচ্ছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতেও এই ট্রেন চালু হবে। ভারতের হাইড্রোজেন ট্রেন তৈরি হবে দেশেই। 

    হাইড্রোজেন ট্রেনের বৈশিষ্ট্য

    রেল মন্ত্রক সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, ২০২৩ সালে হাইড্রোজেন ট্রেনের চাকা গড়াবে। চলতি বছরে হরিয়ানার শোনপত থেকে জিন্দ ৮৯ কিলোমিটারের রুটে প্রথম এই ট্রেন চলবে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, হাইড্রোজেন ট্রেন অন্যান্য ট্রেনের মতো বড় হবে না। বগির সংখ্যা হবে বড় জোর ছয় থেকে আটটি। ঘণ্টায় এই ট্রেন দৌড়বে সর্বাধিক ১৪০ কিলোমিটার বেগে। এক্ষেত্রে খরচ বাঁচবে আবার পরিবেশ দূষণ রোধ হবে। সমুদ্রের জল থেকে সহজেই তৈরি করা যাবে হাইড্রোজেন, যার যোগান অফুরন্ত। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অন্তর্গত

    হাইড্রোজেন ট্রেন সম্পর্কে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন,আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অধীনে দেশেই তৈরি করা হবে এই ট্রেন। এটি বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে না। রেলমন্ত্রী বলেন, “চলতি বছরের ডিসেম্বরে হেরিটেজ রুটগুলিতে হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালাব আমরা। এর মাধ্যমে এই রুটগুলির সম্পূর্ণ সবুজায়ন নিশ্চিত করা যাবে।” রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই হাইড্রোজেন চালিত ট্রেনের একটি প্রোটোটাইপ উত্তর রেলের ওয়ার্কশপে পাঠানো হচ্ছে।  অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, রেলের পূর্ণ বৈদ্যুতিকরণ সম্ভব হচ্ছে না। আর্থিক কারণেই হোক বা অন্যান্য কোনও সমস্যার ফলে। এমন ক্ষেত্রে ডিজেল চালিত লোকোমোটিভ বদলে হাইড্রোজেন চালিত লোকোমোটিভ আনার কথা চিন্তা করা হয়। এটি সস্তা বিকল্প হওয়ার পাশাপাশি দূষণমুক্তও। হাইড্রোজেন ট্রেন রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় পর্যটনমুখী করে চালালে উপকৃত হবেন বহু মানুষ বলে মনে করেছেন রেলকর্তাদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের ইচ্ছাকে স্বাগত জানাল মোদি সরকার। প্রতিবেশী দেশে বসবাসকারী হিন্দুদের অনেকেরই শেষ ইচ্ছা থাকে মৃত্যুর পরে তাঁদের অস্থি যেন গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। কিন্তু পাকিস্তান থেকে অস্থি ভারতে আনা সহজ নয়। এই পরিস্থিতিতে  মোদি সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা যাতে মৃত ব্যক্তির অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারে তাই তাঁদের ১০ দিনের ভিসা দেওয়া হবে। মোদি সরকারের এই প্রয়াসে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পাক হিন্দুরা।

    আগের নিয়ম

    এতদিন পর্যন্ত ভারত সরকারের নীতি ছিল, একজন মৃত পাকিস্তানি হিন্দুর পরিবারের সদস্যকে ভারতে আসার জন্য ভিসা দেওয়া হবে, যদি ভারতে বসবাসকারী তাঁর আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কেউ তাঁকে স্পনসর করে। এমন পাকিস্তানি হিন্দুর সংখ্যা বেশ কম, যাঁদের আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ভারতে থাকেন। করাচির সোলজার বাজারের শ্রী পঞ্চমুখী হনুমান মন্দিরের এক সদস্য জানিয়েছেন, মন্দিরে শত শত মানুষের অস্থি রাখা রয়েছে। যাঁরা রেখেছেন, সেইসব পরিবারগুলির আশা এইসব দেহাবশেষ গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া যাবে। এব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    নয়া নিয়ম

    মোদি সরকারের নয়া নীতি অনুসারে,যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে চান, সেই সব হিন্দু পরিবারগুলি ১০ দিনের জন্য ভারতে আসার ভিসা পাবে। এইসময়ের মধ্যে তাঁদেরকে আচার-রীতি মেনে গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে হবে। ভারতে এসে সোজা উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে যেতে পারবে ওই পরিবারগুলি এবং ধর্মীয় আচার অনুযায়ী,গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে পারবে। প্রথম পর্বে অন্তত ৪২৬টি পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেবেন। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর অস্থি যদি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়, তাহলে তা স্বর্গের পথ পায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) স্যর ক্রিক ও ‘হারামি নাল্লা’ জলাভূমি সংলগ্ন এলাকায় বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত। প্রথমবার গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ীভাবে বাঙ্কার তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত (India-Pak Border) এলাকায় আটতলা সমান উচতার বাঙ্কার তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কঠোর নিরাপত্তা 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, আটটি বহুতল বাঙ্কার নির্মাণের জন্য ৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এ এলাকায় প্রায়ই পাকিস্তানি জেলে ও মাছ ধরার নৌকার অনুপ্রবেশ ঘটছে। গুজরাট সীমান্ত এলাকায় একাধিকবার পাক অনুপ্রবেশকারীদের আটক করা হয়েছে ২০২২ সালে। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই বাঙ্কার তৈরি করা হবে। সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২২ সালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) গুজরাটের এই এলাকা থেকে ২২ জন পাকিস্তানি জেলেকে গ্রেফতার করেছিল। সেই সঙ্গে ৭৯টি মাছ ধরার নৌকাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই বছরে (২০২২), বিএসএফ ২৫০ কোটি টাকার হেরোইন এবং ২.৪৯ কোটি টাকার চরস উদ্ধার করে। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত গুজরাট সীমান্ত ব্যবহার করে একাধিকবার ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছে পাক জঙ্গিরা। জলপথ ব্যবহার করেই ২৬/১১র জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। তাই এবার এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইছে সেনা।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ভুজ সেক্টরেই এই বাঙ্কার বানানোর কাজ শুরু করা হবে। চার হাজার বর্গ কিলোমিটারের বেশি জায়গা জুড়ে থাকা স্যর ক্রিক এলাকায় পাঁচটি বাঙ্কার তৈরি করা হবে। ৯০০ বর্গ কিলোমিটার হারামি নাল্লাতেও ৪২ ফুট উঁচু বাঙ্কার বানানো হবে। আটতলা সমান উঁচু এই বাঙ্কারে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম রাখা হবে। যেসমস্ত এলাকা থেকে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে, মূলত সেই অঞ্চলেই নজরদারি চালানোর জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে এই বাঙ্কারে। প্রত্যেক বাঙ্কারে মোট ১৫ জন বিএসএফ জওয়ানের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। বিপদসংকুল ক্রিক এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য পায়ে হেঁটেই চলাফেরা করতে হত জওয়ানদের। বিষাক্ত সাপ-সহ নানা বিপদের মধ্যেই কাজ করতে হত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অঞ্চল ঘুরে দেখেই বাঙ্কার বানানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। বিএসএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এপ্রিল মাস থেকে সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রবণতা বাড়তে থাকে। তাই মার্চ মাসের মধ্যেই এই বাঙ্কার তৈরির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য বিএসএফের একটি বিশেষ দল নিযুক্ত করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sandip Chowdhury: মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মারা গেলেন প্রখ্যাত পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র সন্দীপ চৌধুরী

    Sandip Chowdhury: মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মারা গেলেন প্রখ্যাত পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র সন্দীপ চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শুরুটা বাংলার বিনোদন জগতের পক্ষে ভাল যাচ্ছে না। মঙ্গলবার ভোরেই সুরলোকে পাড়ি দেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী  সুমিত্রা সেন। তারপরই দুঃসংবাদ টলি পাড়ায়। প্রয়াত পরিচালক সন্দীপ চৌধুরী। তবে তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে তিনি খ্যাতনামী পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর। গত ১৭ ডিসেম্বর শুটিং ফ্লোরেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার পর সন্দীপকে ইকবালপুর নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। কিডনির সমস্যায় দীর্ঘ দিন ধরেই ভুগছিলেন। এ ছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্দীপ চৌধুরী। তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ইন্ডাস্ট্রি। 

    বাংলা টেলিভিশনে উজ্জ্বল নাম

    বাংলা টেলিভিশনের জগতে এক উজ্জ্বল নাম সন্দীপ চৌধুরী। ইন্ডাস্ট্রিতে ‘বাবু’ নামেই পরিচিত ছিলেন। সম্প্রতি কালার্স বাংলার ‘ফেরারি মন’ ধারাবাহিকের দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে।  সেই সিরিয়ালের সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। যদিও তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ ‘এরাও শত্রু’ এবং ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’। বাবা অঞ্জন চৌধুরীর কাছে পরিচালনার হাতেখড়ি করেছিলেন সন্দীপ। শুধুমাত্র পরিচালনাই নয়। তাঁর বাবা চলে যাওয়ার পর প্রযোজনা সংস্থাও তিনি সামলেছেন। তাঁর নিজস্ব অ্যাক্টিং স্কুলও আছে। ‘বিদ্রোহিনী’র মতো ছবি থেকে শুরু করে ‘বিবি চৌধুরানী’, ‘উড়ন তুবড়ি’ সহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক ও টলিউডে একাধিক ছবি তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর বিদ্রোহিনী ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    আরও পড়ুন: বাংলা সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুমিত্রা সেন

    ‘ডিরেক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া’-র সভাপতি ছিলেন সন্দীপ চৌধুরী। জি বাংলা’ থেকে সান বাংলা, সব কটি চ্যানেলেই প্রায় কাজ করেছেন। গত বছর অগস্ট মাসে প্রয়াত হয়েছিলেন অঞ্জন চৌধুরীর স্ত্রী জয়শ্রী চৌধুরী। মাস কয়েক যেতে না যেতেই এদিন একমাত্র ভাইকে হারালেন অভিনেত্রী চুমকি ও রিনা চৌধুরী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Vande Bharat Express: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর বৃষ্টি মালদায়! ভাঙল জানলার কাচ, তদন্তে রেল

    Vande Bharat Express: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর বৃষ্টি মালদায়! ভাঙল জানলার কাচ, তদন্তে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্রান্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। নতুন বছরেই সাধারণের জন্য চালু হয়েছে এই ট্রেন। যাত্রা শুরুর দ্বিতীয় দিনেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হল মালদায়। দুষ্কৃতীদের মুহুর্মুহু পাথরের হামলায় ভেঙে যায় ট্রেনের কাচ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। যদিও দ্রুত হামলার জায়গা পেরিয়ে এগিয়ে চলতে শুরু করে বন্দে ভারত। তবে কে বা কারা এই ট্রেনকে টার্গেট করল, খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: কোনও কথা বললেন না, কর্তব্যে অবিচল! সবুজ পতাকা নেড়ে বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    কী ঘটেছিল

    ভারতের গর্ব বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন। বাংলায় বন্দে ভারতের সূচনা লগ্নে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই ট্রেনের চাকা গড়াতেই এমন কাণ্ড। রেল সূত্রে খবর, তখন সবেমাত্র সন্ধে নেমেছে। এনজেপি থেকে হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। মালদার কুমারগঞ্জ স্টেশন পার করার সময়ে ট্রেনে সি ১৩ কোচে পাথর ছোড়া হয়। পাথরের আঘাতে দরজার কাচে চিড় ধরেছে। এরপর ট্রেন যখন মালদা টাউন স্টেশনে থামে, তখন ঘটনাটি নজরে পড়ে। কিন্তু কারা এ কাজ করল? কেনই বা করল? তা স্পষ্ট নয়।  ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হননি।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী গোটা ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক হিসেবে উল্লেখ করে ট্যুইটে লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় ভারতের গর্ব বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়া হয়েছে। এই ঘটনা কি উদ্বোধনের দিনে জয় শ্রীরাম স্লোগানের প্রতিশোধ?’ পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এই হামলার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান তিনি। পূর্ব রেলের তরফে বলা হয়, ট্রেনে পাথর ছোড়া একটা সামাজিক ব্যাধি। সারা বছর এ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালান হয়। আরপিএফের সঙ্গে এটা জিআরপিরও দেখার কথা। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে রেলের তরফে এটা নিয়ে কথা বলা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Mamata Banerjee: বিধানসভায় ভাঙচুর, সিঙ্গুর থেকে টাটাকে বিদায় কি গঠনমূলক কাজ ছিল? মমতাকে প্রশ্ন বিরোধীদের

    Mamata Banerjee: বিধানসভায় ভাঙচুর, সিঙ্গুর থেকে টাটাকে বিদায় কি গঠনমূলক কাজ ছিল? মমতাকে প্রশ্ন বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী থাকাকালীন তিনি কখনও ডেসট্রাক্টিভ (ধ্বংসাত্মক) কিছু করেননি। সব সময় কনস্ট্রাক্টিভ (গঠনমূলক) কাজ করেছেন। এখন বিরোধীরা ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করছে।  গঠনমূলক রাজনীতি চোখে পড়ছে না। নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের কর্মী সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য়মন্ত্রী আরও বলেন এ রাজ্য়ে বিরোধীরা সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে যে ধরনের কুকথার ব্য়বহার করে, তা গোটা দেশে কোথাও হয় না। 

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    যদিও মুখ্য়মন্ত্রীর এই দাবিকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। তাদের পাল্টা প্রশ্ন, ধ্বংসাত্মক রাজনীতি না করলে বিধানসভায় ভাঙচুর কারা করেছিল? বিধানসভা ভবন ভাঙচুরে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানা করতে দেননি মমতা। এখন শিল্পায়নের কথা বললেও টাটা বিদায়ের জন্য মুখ্য়মন্ত্রী যা করেছিলেন তা বাংলা ভুলবে না। কামতাপুরীদের সঙ্গে নিয়ে একসময় বাংলা ভাঙারও চক্রান্ত করেছিলেন মমতা। বিরোধী আসনে থাকার সময় পাহাড়েও অশান্তির বীজ বপন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধীদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী এখন ক্ষমতায় এসে যদি এমন কিছু বলেন যা একশো শতাংশ মিথ্য়ে, হাস্য়কর, তাহলে তা রাজ্য়ের সম্পর্কে ধারণা আরও খারাপ করে দেবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    বিরোধীদের বক্তব্য, মমতা এখন কুকথার প্রসঙ্গ টানছেন। অথচ, মুখ্য়মন্ত্রী যখন বলেন, বিরোধীদের জিভ টেনে ছিঁড়ে ফেলব, তার থেকে বড় কুকথা আর কী হতে পারে? বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এ রাজ্যে যা দুর্নীতি হয়েছে, ভারতবর্ষে কোথাও তা হয়নি। তৃণমূল যে দুর্নীতি করেছে, তাতে তিনটি প্রজন্মের ভবিষ্য়ৎ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর পর তৃণমূল পঞ্চায়েত ভোটের আগে নতুন যে প্রকল্পই নিয়ে আসুক না কেন, মানুষ আর তা গ্রহণ করবে না।’

    উল্লেখ্য, এদিনের সভা থেকে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ নামে একটি অ্যাপের উদ্বোধন করেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি বলেন, দুয়ারে সরকার তার মতো চলবে। কিন্তু তার বাইরেও মানুষ দলের কাছে অনেক অভিযোগ জানায়। সেই অভিযোগ জানানোর মঞ্চ হয়ে উঠবে এই অ্যাপ। সঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ১৫টি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ পাচ্ছে কি না তা জানতে এই অ্যাপ সহায়ক হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের দুই প্রতিনিধিদল। প্রাথমিক পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুর এবং মালদায় যাবে তারা। দুই জেলায় গিয়ে নিয়ম মেনে বাড়ি দেওয়া হয়েছে কিনা তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল। বুধবার কেন্দ্রের তরফে চিঠি দিয়ে নবান্নকে একথা জানানো হয়েছে। নবান্নে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ৩ জন করে ২টি দল চলতি সপ্তাহেই রাজ্যে পৌঁছবে। দলে থাকবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পদস্থ কর্তারা। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর ও অপর দলটি মালদায় প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখবে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসাবে নির্বাচিতদের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। তাঁরা প্রকৃতই আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার যোগ্য কি না তাও খতিয়ে দেখবেন। এমনকী এর আগে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত বাড়িগুলির অবস্থাও পরীক্ষা করবে এই দল। নির্মান সামগ্রীর মানে কোনও আপস হয়েছে কি না খতিয়ে দেখবে তা-ও। নবান্নর তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইটারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, গরিব মানুষদের যাঁরা বঞ্চিত করেছেন, তাঁদের জেলে পাঠানো দরকার।

    নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের

    পর্যবেক্ষক দলের আসার বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং এই চিঠি পাঠিয়েছেন। নবান্নে পাঠানো চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুরে যাবে এবং দ্বিতীয় দল মালদা জেলায় মূলত আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখবে। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন। 

    আরও পড়ুুন: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    তিনজন করে সদস্য প্রতি দলে

    চিঠি থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিটি দলে তিন জন করে সদস্য থাকবেন। একটি দলের দায়িত্বে থাকবেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার। সিনিরয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী এবং আন্ডার-সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং নিজেও থাকবেন। এই টিম পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন অংশে যাবে। অন্যদিকে,মালদার টিমের নেতৃত্বে থাকবেন মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং। এছাড়াও থাকবেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Vande Bharat Express: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    Vande Bharat Express: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন ঘুরতে না ঘুরতেই ফের হামলা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে। মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে দুবার পাথর ছোঁড়া হল। জনসাধারণের জন্য যাত্রা শুরুর তিন দিনের মধ্যেই পরপর দুবার হামলার মুখে পড়ল দেশের গর্ব এই ট্রেন।

    এবার ইটবৃষ্টি

    মঙ্গলবার নিউ জলপাইগুড়ি ঢোকার মুখে দুপুরে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ট্রেনের উপর আছড়ে পরে ইটবৃষ্টি।  যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সি-৩, সি-৬ কামরা। জানলার কাচে চিড় ধরতেও দেখা গেছে। পরপর আক্রমণে, স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত সাধারণ যাত্রীরা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে রেল। ঘটনায় হাওড়া স্টেশনে নেমে যাত্রীদের অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এর ফলে বড়সড় প্রশ্নের মুখে সেমি হাইস্পিড ট্রেনের যাত্রী সুরক্ষা। কেন বার বার এই হামলা উঠছে প্রশ্ন। এদিনের ঘটনাতেও অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের নামে এফআইআর দায়ের করেছে নর্থ রেল ফ্রন্টিয়ার। তদন্ত করে দেখবে কাটিহার ডিভিশনে তৈরি কমিটি।

    আরও পড়ুন: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় মালদা জেলার কুমারগঞ্জে হাওড়াগামী বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ জানান, ছোড়া পাথরের আঘাতে সি-১৩ কামরার ডানদিকের একটি দরজা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রাতের অন্ধকারের পর এবার দিনদুপুরেই বন্দে ভারত লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার অভিযোগ উঠল। এদিন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের আগে কারশেড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।  কে বা কারা কী উদ্দেশে এই ঘটনা বার বার ঘটাচ্ছে তা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শাসক বিরোধী দুই দলেরই দাবি পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছএন, রাজ্যকে বদনাম করতেই এই ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নিশানায় তৃণমীল সরকার। তিনি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share