Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • FIFA World Cup: কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নতুন বল! জানেন এর বৈশিষ্ট্য?

    FIFA World Cup: কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নতুন বল! জানেন এর বৈশিষ্ট্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটবল মহাযুদ্ধ শেষের পথে। বাকি আর মাত্র চারটি ম্যাচ। বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য নতুন বল নিয়ে এল ফিফা। বিশ্বকাপের গ্রুপ স্তর থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো খেলা হয়েছে আল রিহলা বলে। বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো খেলা হবে আল হিলম বলে। আরবি ভাষায় আল রিহলার অর্থ যাত্রা আর আল হিলম শব্দের অর্থ স্বপ্ন। এই বল পায়ে কারা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে তা সময়ই বলে দেবে। এখন আর্জেন্টিনা বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে এই বল মাঠে নামার অপেক্ষায়।

    নয়া চমক-স্বপ্নের বল

    প্রতিবার বিশ্বকাপের বল নিয়ে কিছু না কিছু কথা ওঠেই। এবার যেমন অনেক ফুটবলার দাবি করেছেন, আল রিহলা বলের জন্যই কাতার বিশ্বকাপে ফ্রি-কিক থেকে সেভাবে গোল হচ্ছে না। আল রিহলা বাতাসে ভেসে থাকলে অদ্ভুত আচরণ করছে। এমনই মত অনেক ফুটবলারের। তাই কী বল পরিবর্তন? তা নিয়ে অবশ্য কিছু জানায়নি ফিফা। নতুন এই বল আল হিল্‌মেও থাকছে আল রিহলার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। অ্যাডিডাস সংস্থা এবার বলের ভিতরে রেখেছে সেন্সর ও বিশেষ ধরনের চিপ। ম্যাচের আগে প্রতিটা বলকে চার্জ দেওয়া হয়। এর ফলে বলের ভিতরে থাকা চিপ ও সেন্সর কাজ করে। ম্যাচের প্রতিটা মুহূর্তের আপটেড ট্র্যাক করে বল। আল হিলমেও একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ম্যাচের প্রতি মুহূর্তের ট্র্যাক করতে সুবিধা হয় অফিসিয়ালদের। বল প্রস্তুতকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এটাকে কানেকটেড বল বলা হয়েছে। এরফলে ট্র্যাক অনেক দ্রুত করা যায় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। অফসাইড-এর ক্ষেত্রে নির্ভুল সিদ্ধান্ত পেতে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি থাকবে এই বলে। এবারের বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ দেখা গিয়েছে প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই। ‘আল হিলম’ এবং ‘আল রিহালার’ মধ্যে বস্তুগত কোনও পার্থক্যই নেই। প্রযুক্তি থেকে বলের ডিজাইন, আকার- সব একই। তবে নতুন বলে ব্যবহৃত হচ্ছে কাতারি পতাকার রং। 

    আরও পড়ুন: “তুমিই আমার কাছে সর্বকালের সেরা…”, রোনাল্ডোকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা বিরাটের

    রাজধানী দোহা সংলগ্ন মরু এলাকার সূক্ষ্ম ইঙ্গিত তুলে ধরা হয়েছে নতুন ‘আল হিলম’ বলে। অ্যাডিডাস জেনারেল ম্যানেজার নিক ক্রেইগ বলেছেন, “ক্রীড়া শক্তির আলোক বিচ্ছুরণের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে একত্রিত করার ঘটনাকে প্রতিনিধিত্ব করছে আল হিলম। এই খেলার প্রতি প্যাশনের জন্য দুনিয়ার লক্ষ লক্ষ সমর্থক প্রতিদিন ফুটবলের খোঁজ খবর রাখছে। ফুটবলের বৃহত্তম মঞ্চের শেষ পর্যায়ের লড়াইয়ে সমস্ত অংশগ্রহণকারী দলগুলির জন্য শুভকামনা রইল।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের ১৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২টি বিজেপির! বিস্ফোরক ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের ১৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২টি বিজেপির! বিস্ফোরক ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম থেকে বড় ভবিষ্যৎবাণী করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। রবিবার নন্দীগ্রামের (Nandigram) সভা থেকে আগামী পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হুঙ্কার দিলেন সেখানকার ভূমিপুত্র। তিনি বলেন, ‘১৭টি পঞ্চায়েতের (Panchayat) মধ্যে ১২টি বিজেপির ঝুলিতে যাবে। ১৭টির মধ্যে ১২টি পঞ্চায়েতের প্রধান হবে বিজেপির। আর বাকি পাঁচটির প্রধান কে হবেন, সেটিও বিজেপির সদস্যরাই ঠিক করবেন।’ না! এখানেই থেমে থাকেননি বিরোধী দলনেতা। তিনি আরও জানান,২টি পঞ্চায়েত সমিতিও বিজেপির ঝুলিতে যাবে। 

    কুণালকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যখন গোকুলনগরে, তখন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ জনসংযোগ সারলেন সোনাচূড়ায় ! আর তাঁদের চ্যালেঞ্জ আর পাল্টা চ্যালেঞ্জ ঘিরেই ফের তেতে উঠল নন্দীগ্রামের মাটি। নন্দীগ্রামের গোকুলনগরে ৩৬০০ বুথ কর্মীকে নিয়ে পঞ্চায়েতের প্রস্তুতি বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় পূর্ব নির্ধারিত জনসংযোগ কর্মসূচি – চাটাই বৈঠকে যোগ দেন কুণাল ঘোষ। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, সম্প্রতি কুণাল ঘোষের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেওয়া, নেতা ও কর্মীদের একাংশ ফের বিজেপিতে ফিরে যান শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, যত চাটাই সভা হবে, দলে ততই ছাঁটাই হবে।

    আরও পড়ুন: আজ হাজরায় শুভেন্দুর মেগা সমাবেশ! কাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক বিরোধী দলনেতার

    গাড়ি নয় বাইকে করে প্রচার করুন

    পঞ্চায়েতের প্রতিটি বুথকে বিজেপির দুর্গ করে তুলতে হবে, এই বার্তা দিয়ে এদিনের সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু ঘোষণা করেন যে, পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে গ্রামে গ্রামে গাড়ি করে নয়, পঞ্চায়েত ভোটে বাইক ও টোটো চড়ে ঘুরবেন তিনি। কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় যদি প্রকৃত গরীব মানুষজন বাড়ি না পেয়ে  শাসক দল ঘনিষ্ঠরা বাড়ি পান তাহলে প্রতিবাদ হবে’। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ১৯ ডিসেম্বর দিল্লিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী  পঞ্চায়েতে শাসক দলের বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে  আলোচনা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আজ হাজরায় শুভেন্দুর মেগা সমাবেশ! কী খোলসা করবেন? তুমুল জল্পনা

    Suvendu Adhikari: আজ হাজরায় শুভেন্দুর মেগা সমাবেশ! কী খোলসা করবেন? তুমুল জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বর ধামাকার নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১২, ১৪ এবং ২১ ডিসেম্বর রাজ্যে ‘পালাবদলের’ দিন। আজ, সোমবার তার শুরু। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় হাজরায় সভা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। 

    সুকান্ত-শুভেন্দু পাশাপাশি

    এদিন কেন্দ্রীয় নেতাদের বাদ দিয়েই বিজেপি তৃণমূলের খাস তালুক হাজরায় মেগা সমাবেশের আয়োজন করেছেন যা রাজ্য বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ। এই সভায় দশ হাজার জমায়েতের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উত্তর কলকাতার জমায়েত হবে ম্যাডক্স স্কোয়ারে। দক্ষিণ কলকাতা জেলার কর্মীরা সরাসরি হাজরা মোড়ে আসবেন। আর দক্ষিণ ২৪পরগনা থেকে যাঁরা আসবেন তাঁরা দক্ষিণ শহরতলির কোথাও জমায়েত হবে বলে জানা গিয়েছে।

    হটুগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে সভা

    ৩ ডিসেম্বর, ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে, হটুগঞ্জে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই আজ মমতার এলাকায় সভা করবেন শুভেন্দু-সুকান্ত। আগামীকাল হাজরা মোড়ে পাল্টা সভা করবে তৃণমূল। এদিন হাজরার জনসভায় মঞ্চে পাশাপাশি দেখা যাবে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। ভোটের বাংলায় দুই শীর্ষ নেতার ভোকাল টনিকের অপেক্ষায় এখন রাজ্যের গেরুয়া শিবির। তবে শুধু পদ্মশিবিরই নয়, হাজরার সভায় বাড়তি নজর শাসক দলেরও। শুভেন্দুর সভা নিয়ে প্রথমে আইনি জটিলতা থাকলেও বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট জানায় হাজরায় ১২ ডিসেম্বর ও কাঁথিতে ২১ ডিসেম্বর শুভেন্দু সভা করতে পারবেন। তবে মেনে চলতে হবে শব্দবিধি। 

    ডিসেম্বর হুঁশিয়ারি

    গত কয়েকমাস ধরেই, বারে বারে ডিসেম্বর নিয়ে নতুন নতুন সব হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলে ডিসেম্বর নিয়ে কৌতুহলের পারদও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে! আর এবার তো সরাসরি তারিখও বলে দিয়েছেন তিনি! এই আবহে এই দিনটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন সকলেই। এদিকে, আজই ৩ দিনের মেঘালয় সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata)। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে মেঘালয় ও ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। গত ২ বছর ধরে ত্রিপুরায় সাংগঠনিক শক্তি বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। এবার তাদের লক্ষ্য মেঘালয়।

    আরও পড়ুন: বর্ধমান স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকার সোনা, গ্রেফতার ২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ramakrishna Sarada Mission: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    Ramakrishna Sarada Mission: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা (Sarada Math president) প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা (Pravrajika Bhaktiprana)। রবিবার রাত ১১টা ২৪ মিনিট নাগাদ তিনি ইহলোক ছেড়ে চলে যান।  দক্ষিণ কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে কয়েক দিন ধরে ভক্তিপ্রাণা মাতাজি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ৭ ডিসেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রবীণ সন্ন্যাসিনীকে। হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন তিনি। জানা যাচ্ছে, ফুসফুসেও সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল। তীব্র জ্বরেও আক্রান্ত ছিলেন। রবিবার দুপুর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হয়ে যায়।  বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১০২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। রাতে তাঁর দেহ আনা হয় টালিগঞ্জে মাতৃ ভবনে। সকাল ১০টা নাগাদ দেহ নিয়ে যাওয়া হবে সারদা মঠে। 

    কর্মযোগী

    ১৯৯৮ সালের ২০ ডিসেম্বর সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সহ অধ্যক্ষা পদে নিযুক্ত হন প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা। ২০০৯ সালে সঙ্ঘের তৃতীয় অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণার মৃত্যুর পরে, ওই বছরের ২ এপ্রিল ওই পদে বসেন ভক্তিপ্রাণা মাতাজি। টানা ১৩ বছর তিনি অধ্যক্ষা পদের দায়িত্ব সামলেছেন। সারা জীবন সমাজ ও মানব কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন ভক্তিপ্রাণা মাতাজি। তার আগে দীর্ঘ সময় তিনি টালিগঞ্জের মাতৃভবন হাসপাতালের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর হাত ধরেই ওই হাসপাতাল ১০ শয্যার প্রসূতি সদন থেকে ১০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত হয়। সেখানে সকলের কাছে তিনি ছিলেন ‘বড় মা’ নামে পরিচিত। ধাত্রী বিদ্যায় পারদর্শী মাতাজি আপন স্নেহে ও মমতায় সারদা মাতৃভবনকে মা ও শিশুদের চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল হিসেবে সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: সারদা মায়ের জন্মভিটেতেও পুজো হয় দেবী জগদ্ধাত্রীর! জানেন এর পিছনের গল্প?

    পূর্বাশ্রম

    ১৯২০ সালের অক্টোবরে কলকাতাতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।   ছোটবেলা থেকেই ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি ছিল অগাধ। যোগাযোগ ছিল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গেও। সারদেশ্বরী আশ্রম ও হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে তিনি নার্সিং প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৫০ সালে টালিগঞ্জের মাতৃভবন হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজে যোগ দেন। ১৯৫৩ সালে ভক্তিপ্রাণা মাতাজীকে ব্রহ্মচর্যে দীক্ষা দেন শ্রী রামকৃষ্ণের প্রত্যক্ষ শিষ্য তথা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের চতুর্থ অধ্যক্ষ স্বামী বিজ্ঞানানন্দ। অনেকের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন পূর্বাশ্রমের নাম কল্যাণীদি হিসেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Mohan Bhagwat: প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত, দাবি ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত, দাবি ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত। প্রত্যন্ত গ্রামও যেন সংগঠনের আওতায় থাকে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে একথা বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রধান (RSS) মোহন ভাগবত। সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে, বলেও জানান তিনি।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    অসম ইউনিটের কর্মী শিবিরের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রবিবার সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত বলেন,  “সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে, জাতি-ধর্মের পার্থক্য না করে সকল মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এটিই হিন্দুত্বের মূল মন্ত্র। সমগ্র সমাজের জন্য কাজ করতে গেলে সঙ্ঘ সেবকদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। তাই দেশের প্রতিটি গ্রামে সংগঠনের একটি শাখা থাকা উচিত, বলে জানান মোহন ভাগবত।”

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    আরএসএস-এর অসম ইউনিটের তিনদিনের রুদ্ধদ্বার শিবিরের শেষে ভাগবত বলেন, “ভারতের গর্ব এবং ঐতিহ্যের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে সঙ্ঘ সেবকদের কাজ করতে হবে। দেশের আদর্শ হল বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। তাই এই ঐক্যের কথা মাথায় রেখে দেশের সকল নাগরিকদের জন্য জাতির কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের জাতির জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। ডাঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার ১৯২৫ সালে মানব সম্পদ বিকাশের লক্ষ্যে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমাদের মতামতের পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু মনের নয়।” প্রসঙ্গত, ১৯২৫ সালেই আরএসএস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মোহন ভাগবত আগেও বলেছিলেন, ভারতীয়রা এক। এখানে যাঁরা বসবাস করেন তাঁরা সবাই হিন্দু বলে জানান তিনি। যাঁরা ভারতকে তাদের ‘মাতৃভূমি’ বলে মনে করে এবং বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচতে চায় এবং ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, খাদ্যাভ্যাস এবং আদর্শ যাই হোক না কেন, এই পথে এগোনোর চেষ্টা করেন, তারা সকলেই হিন্দু, বলে ঘোষণা করেছিলেন ভাগবত।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ

    মোহন ভাগবতের কথায়, আরএসএস তার শতবর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। প্রতি বছর তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করে এই সংগঠন। নতুন নতুন সেবকরা দেশ গঠনের কাজে ব্রতী হয়। একটা দুর্বল সমাজ কখনও রাজনৈতিক স্বাধীনতার ফল ভোগ করতে পারে না। তাই সমাজকে শক্ত করতে হবে, বলে জানান ভাগবত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • FIFA World Cup: মেসিকে আলাদা করে আটকানোর কিছু নেই! দাবি ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার পেটকোভিচের

    FIFA World Cup: মেসিকে আলাদা করে আটকানোর কিছু নেই! দাবি ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার পেটকোভিচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের প্রথম সেমি ফাইনালে মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার মুখোমুখি ক্রোয়েশিয়া। অনেকে এই ম্যাচটাকে এল এম টেনের দ্বৈরথ হিসাবে দেখছেন। কারণ, একদিকে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি, অন্য দিকে লুক মড্রিচ। দুজনেই খেলেন ১০ নম্বর জার্সি পরে। তবে ধারে ভারে মেসি অনেক এগিয়ে। তিনি একাই বদলে দিতে পারেন ম্যাচের রং। শুধু গোল করা নয়, গোল করানোর ক্ষেত্রেও তাঁর জুড়ি মেল ভার। মেসির পায়ে বল মানেই বিপক্ষ ডিফেন্স আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে আটকানোর জন্য একজন বা দুজন নয়, একাধিক ফুটবলের ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এই দৃশ্য নতুন নয়। কিন্তু সেমি ফাইনালে মেসিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে না ক্রোয়েশিয়া।

    কী বলছেন ক্রোয়েশিয়ান স্ট্রাইকার

    ক্রোট স্ট্রাইকার ব্রুনো পেটকোভিচের কথায়, “আমরা টিম গেমে বিশ্বাসী। কোনও একজন ফুটবলারকে আটকানোর কোনও পরিকল্পনা করিনি। পুরো আর্জেন্টিনা দলকে কীভাবে রুখে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা আমাদের সবাইকে করতে হবে। তাহলেই মিলবে ফাইনালের টিকিট।” মেসিকে কি তাহলে আপন মনে খেলবেন, সে তো আরও বিপজ্জনক? পেটকোভিচ বলেছেন, “মেসিকে আটকানোর জন্য আমাদের আলাদা করে কাউকে রাখা হবে না। আর্জেন্টিনা দলটা খুই ভালো। আরও অনেক ফুটবলার আছে, যারা ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে। তাই আমরা গোটা দলকে আটকানোর কথা বলছি। বাকিরা আটকে গেলে মেসি একা কিছু করতে পারবে না। আমরা যদি মেসিকে রোখার জন্য বেশি পরিকল্পনা করি তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।”

    আরও পড়ুন: “তুমিই আমার কাছে সর্বকালের সেরা…”, রোনাল্ডোকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা বিরাটের

    ব্রাজিলের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে ১১৭ মিনিটের মাথায় ক্রোয়েশিয়ার হয়ে সমতা ফিরিয়েছিল পেটকোভিচের গোল। তার পরে পেনাল্টিতে ব্রাজিলকে হারিয়েছিলেন তাঁরা। তেকাঠির নীচে লিভাকোভিচ থাকায় তাঁরা অনেক ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি নিতে পারছেন বলে জানিয়েছেন পেটকোভিচ। তিনি বলেছেন, ‘‘পেনাল্টি নেওয়ার সময় মানসিক দৃঢ়তা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সেই সময় মাথার উপর প্রচণ্ড চাপ থাকে। কিন্তু দলে লিভাকোভিচের মতো গোলরক্ষক থাকলে চাপ অনেকটাই কমে যায়।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতেই শহরে বাড়ছে দূষণের পরিমাণ। বায়ুদূষণে এবার দিল্লিকে ছুঁতে বসেছে কলকাতা। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কলকাতার কিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি। বাতাসে দূষণের পরিমাণ কতটা তা দেখা হয় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স দিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে,এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা AQI  শূন্য থেকে ৫০ হলে, সেখানকার বাতাসের মান ভাল।  AQI ৫১ থেকে ১০০-র মধ্যে হলে তা satisfactory বা সন্তোষজনক। ১০১ থেকে ২০০ হলে তা মডারেট বা পরিমিত। AQI ২০০ থেকে ৩০০ পর্যন্ত থাকলে সেখানকার বাষুদূষণ poor বা খারাপ। এই বাতাসে বেশিক্ষণ থাকলে ফুসফুসের সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ৩০১ থেকে ৪০০ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে তা ভীষণই উদ্বেগের। এরকম জায়গায় বেশিক্ষণ নিঃশ্বাস নিলে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। আর AQI ৪০১- ৫০০ হলে তা সিভিয়ার, মারাত্মক উদ্বেগের। সারা বছর AQI ২০০-র আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও, শীতের সময় দূষণের মাত্রা বাড়ে।  গত ২ দিনে, কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় দেখা যাচ্ছে, AQI ৩০০-র ওপরে।

    কলকাতার এখন অবস্থা

    ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, বালিগঞ্জ, ভিক্টোরিয়া, ফোর্ট উইলিয়াম, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর, রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় দূষণের মাপ ধরা পড়েছে অনেকটাই বেশি। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণার এই বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পরিবেশবিদ ও চিকিৎসকরা। দীপাবলিতে মহানগরে যে পরিমাণ দূষণ ছিল ডিসেম্বরের প্রথম রবিবার তা ছাপিয়ে গেল৷ ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, রবিবার শহরে দূষণের সূচক ছিল ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই-এর মধ্যে। এখানে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দূষণের সূচক ছিল ৩২৮ একিউআই। যাদবপুরে ৩১৩, সল্টলেকে ৩০২, বালিগঞ্জে ২৯৯ এবং আরবিইউতে ছিল ২৯১ একিউআই। এই অবস্থায় বয়স্ক মানুষ এবং শিশুদের শারীরিক সমস্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। বায়ুদূষণ নিয়ে বোস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস, ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর শীতে কলকাতায় বায়ুদূষণ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুন: মাত্রা ছাড়া বায়ুদূষণ দেশের রাজধানীতে, স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিলেন কেজরিওয়াল

    নিয়ন্ত্রণের উপায়

    বোস ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত দুই বছর করোনা অতিমারির কারণে দূষণ কম ছিল৷ কিন্তু, করোনা কাটার পরেই দূষণও বেড়েছে। এই অবস্থায় দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই ইনস্টিটিউটের মতে, ২০২৩ সালে রাজ্যে এরোসল দূষণ ৮% বৃদ্ধি পাবে। যা এরোসল দূষণের মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অর্থাৎ রেড জোনে ঢুকে পড়বে। দেশে এরোসল দূষণের ক্ষেত্রে বিহারের পরেই পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করবে। গবেষণাপত্রে পশ্চিমবঙ্গের এরোসল দূষণের পরিমাণ কমানোর জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে। চিরাচরিত জ্বালানির পদ্ধতি থেকে তৈরি হওয়া দূষণ এরোসেল দূষণের প্রধান কারণ। সম্প্রতি এলপিজি দাম বৃদ্ধির ফলে গরিব মানুষেরা আবার চিরাচরিত কাঠ, কয়লা দিয়ে রান্নার পদ্ধতিতে ফিরে গেছে। পাশাপাশি রাস্তার ধারে খাবারের দোকানগুলির সংখ্যাও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এগুলি বন্ধ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tarn Taran: পাঞ্জাবের তরন তরন থানায় রকেট লঞ্চার হামলা! ঘটনার পিছনে কি আইএসআই?

    Tarn Taran: পাঞ্জাবের তরন তরন থানায় রকেট লঞ্চার হামলা! ঘটনার পিছনে কি আইএসআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পাঞ্জাবের তরন তরন (Tarn Taran) থানায় গভীর রাতে রকেট লঞ্চার (Rocket launcher) দিয়ে হামলা চালানো হল। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি না ঘটলেও সীমান্তবর্তী থানায় এই ধরনের হামলায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পাঞ্জাব পুলিশের বিশাল বাহিনী।

    বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, অমৃতসর-ভাতিন্ডা হাইওয়ে ( Amritsar-Bathinda Highway)-র উপর থানা লক্ষ্য করে রাত প্রায় একটা নাগাদ হামলা চলে। বিস্ফোরণের জেরে থানার কাচের দরজা ভেঙে পড়ে বলে খবর। বিস্ফোরণের জেরে পাশের একটি সার্ভিস স্টেশনের জানলাও ভেঙে পড়ে। এই ঘটনার পিছনে খলিস্থানি জঙ্গিদের হাত থাকতে পারে বলে খবর। এর আগেও বারবার খালিস্তানপন্থীদের স্লিপার সেলকে কাজে লাগিয়ে রকেট লঞ্চার হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদী হরবিন্দর সিং ওরফে রিন্দা (Harvinder Singh Alias Rinda)-র মৃত্যুর হয়েছে। অনেকেই বলছেন,তার মৃত্যুর বদলা নিতেই এই হামলা।

    আইএসআই-এর হাত

    অনেকে এর পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI খালিস্তানপন্থীদের স্লিপার সেল ব্যবহার করে এই ধরনের হামলার পরিকল্পনা চালাচ্ছে। চলতি বছর মে মাসে মোহালিতে পাঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদর দফতরে হামলা হয়। মোহালির এসএএস নগরের সেক্টর ৭৭-এর ওই অফিসেও রকেট লঞ্চারের সাহায্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানায় গ্যাংস্টার -খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের ব্যবহার করে এই ধরনের হামলার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    ঘটনার তদন্ত

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকরা। বিস্ফোরণস্থল খতিয়ে দেখতে রওনা দিয়েছে ফরেনসিক টিম। পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি গৌরব যাদব খোদ ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি বলেন, “গতকাল রাত ১১টা বেজে ২২ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে। আপাতত গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। রকেট বাহিত গ্রেনেড ছোড়া হয়। সরহলি থানার সুবিধা কেন্দ্রে সেটি এসে পড়ে। ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ফরেনসিক দল এসে পৌঁছেছে। এসে পৌঁছেছে সেনার একটি দলও।”

    প্রযুক্তিগত দিক থেকে এবং ফরেনসিকদের তথ্য অনুযায়ী তদন্ত এগোবে বলেও জানান ডিজি। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা নিয়েও চলছে পর্যালোচনা। রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।এই ঘটনায় যদিও পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি। দলের নেতা মনজিন্দর সিংহ সিরসা ট্যুইটারে লেখেন, ‘আপ সরকার গুজরাট বিধানসভা এবং দিল্লি পৌরসভা নির্বাচনের ফল উদযাপনে ব্যস্ত। সীমান্ত লাগোয়া পাঞ্জাবের শান্তি এবং নিরাপত্তা নিয়ে গা ছাড়া ভাব দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • India vs Bangladesh: ঈশানের দ্বি-শতরান, কোহলির সেঞ্চুরি! ২২৭ রানে বাংলাদেশকে হারাল ভারত

    India vs Bangladesh: ঈশানের দ্বি-শতরান, কোহলির সেঞ্চুরি! ২২৭ রানে বাংলাদেশকে হারাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়লেন ঈশান কিষান, বিরাট কোহলি। প্রথম জন হাঁকালেন ডাবল সেঞ্চুরি। আর বিরাট কোহলি থামলেন শতরান করে। দুই ব্যাটসম্যানের সৌজন্যে ভারত নিয়মরক্ষার ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল ২২৭ রানে। এই জয় হয়তো হোয়াইট ওয়াশের হাত থেকে ভারতকে বাঁচালো ঠিকই, কিন্তু সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ।

    ম্যাচের নায়ক ঈশান

    চট্টগ্রামে শনিবারের মাচের নায়ক ঈশান কিষান। ১৩১ বলে তাঁর সংগ্রহ ২১০ রান। দ্বিশতরান করতে তার লেগেছে ১২৬টি বল। যা একদিনের ক্রিকেটে দ্রুততম। ঈশান ভেঙে দিলেন ক্রিস গেইলের রেকর্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৩৮ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। শুধু তাই নয়, সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন ঈশান। তিনি পিছনে ফেললেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। এদিনের ম্যাচে ঈশানকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন বিরাট কোহলি ৯১ বলে করেছেন ১১৩ রান। একদিনের ফরম্যাটে এটি তার ৪৪তম সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে মোট আন্তর্জাতিক শতরানের তালিকায় রিকি পন্টিংকে টপকে গেলন তিনি। পন্টিং ৭১টি সেঞ্চুরি করেছেন। কোহলির ঝুলিতে ৭২টি শতরান। শীর্ষে শচীন তেন্ডুলকর (১০০টি)।

    আরও পড়ুন: আগামী তিন মাসে টানা ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা ইডেনেও

    ম্যচের ইতিউতি

    টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ভারত তোলে ৪০৯ রান। যা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি রান। চোটের কারণে খেলেননি রোহিত শর্মা। তাঁর জায়গায় শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ওপেন করেন ঈশান কিষান। শুরুতেই ফিরে যান শিখর। তবে সেই ধাক্কা সামলে ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিরাট কোহলি দ্বিতীয় উইকেটে ২৯০ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়েন। ঈশান আউট হওয়ার পর ভারতের বাকি ব্যাটসম্যানরা দ্রুত মাঠ ছাড়েন। না হলে স্কোর আরও বেশি হতে পারত। শ্রেয়স আইয়ার ৩, লোকেশ রাহুল ৮ রান করে আউট হন। অক্ষর প্যাটেল ২০ ও ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৭ রান যোগ করেন।
    বাংলাদেশ জবাবে ৩৪ ওভারে ১৮২ রানে অলআউট হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • FIFA World Cup: কান্নায় ভাসলেন নেইমার! ব্রাজিলকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে ক্রোয়েশিয়া

    FIFA World Cup: কান্নায় ভাসলেন নেইমার! ব্রাজিলকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে ক্রোয়েশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতার বিশ্বকাপে ইন্দ্রপতন। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা পাকা করল ক্রোয়েশিয়া। স্বপ্নভঙ্গ নেইমারদের(Neymer)। স্বপ্নভঙ্গ অসংখ্য ফুটবলপ্রেমীর। কলকাতার অনেক ঘরেই আর রাত জাগবে না ব্রাজিল ভক্তেরা। হতাশার স্বস্তি। তাঁদের কাছে বিশ্বকাপ যেন শেষ। এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার ছিল ব্রাজিল। সবাই তাঁদের এগিয়ে রাখছিল। কিন্তু মুহূর্তের অসাবধানতায় সব হারাল ব্রাজিল। পেনাল্টি শ্যুটআউটে ২-৪ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল সেলেকাওরা। 

    কোয়ার্টারেই বিদায় ব্রাজিল

    বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিদায় যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০২ সালে শেষ বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে এই নিয়ে মোট চার বার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিল ব্রাজিল। প্রতি বারই ইউরোপের কোনও দলের কাছে হেরেছে তারা। ২০০৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে, ২০১০ নেদারল্যান্ডসের কাছে, ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিল ব্রাজিল।

    ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে কোনও গোল হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে ব্রাজিলের নেইমার গোল করলেও শেষ দিকে সমতা ফেরান ব্রুনো পেটকোভিচ। টাইব্রেকারে ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপার ডোমিনিক লিভাকোভিচ বাঁচিয়ে দেন রড্রিগোর শট। চতুর্থ শটে মার্কুইনোস পোস্টে মারেন। ক্রোয়েশিয়া চারটিতেই গোল করেছে। 

    আরও পড়ুন: কোচের পদ ছাড়লেন তিতে! ব্রাজিলের হয়ে আর কি মাঠে দেখা যাবে না নেইমারকে?

    প্রথম থেকে ব্রাজিলকে চাপে রাখার চেষ্টা করতে থাকে ক্রোয়েশিয়া। ব্রাজিলকে খেলার জন্য একটুও খোলা জায়গা দিচ্ছিল না তারা। বলের নিয়ন্ত্রণ বেশি ছিল ক্রোয়েশিয়ার পায়ে। অপেক্ষার মুহূর্ত শেষ হয় ১০৫ মিনিটে। নেইমারের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে মুভ শুরু করেছিলেন নেইমারই। প্রথমে পাস খেলেন পেড্রোর সঙ্গে। সেখান থেকে নেইমার বল পায়ে দেন পাকুয়েতাকে। পাকুয়েতার থেকে পাস পেয়ে গোলকিপার লিভাকোভিচকে এক টোকায় কাটিয়ে বল জালে জড়ান নেইমার। ব্রাজিলের জার্সিতে এই নিয়ে ৭৭ গোল করলেন নেইমার। ছুঁলেন পেলেকে। এতদিন পেলে ছিলেন ব্রাজিলের সর্বাধিক গোলদাতা। এবার তাঁর সঙ্গে নেইমারের নামও যুক্ত হল।

    ব্রাজিল ভেবেছিল তাঁরা সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছে। মুহূর্তের অসাবধানতায় গোল খেয়ে বসে তাঁরা। ১১৭ মিনিটের মাথায় প্রতি আক্রমণে আসে ক্রোয়েশিয়া। সেখান থেকে পেরিসিচের পাসে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন ব্রুনো পেটকোভিচ। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। জাপানের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দলের ত্রাতা। তিনটি শট বাঁচিয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছিলেন ডমিনিক লিভাকোভিচ। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও এক বার পাহাড় হয়ে দাঁড়ালেন ক্রোয়েশিয়ার ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার গোলরক্ষক। ১২০ মিনিটের খেলায় তাঁকে এক বারই মাত্র পরাস্ত করতে পারলেন নেইমাররা। লিভাকোভিচের হাত ধরে এই নিয়ে পরপর ২ বার বিশ্বকাপের সেমিতে পৌঁছল ক্রোয়েশিয়া। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

LinkedIn
Share