Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Covid Travel Advisory: বিমানে আর বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক! ইচ্ছে হলে পরুন, জানাল মন্ত্রক

    Covid Travel Advisory: বিমানে আর বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক! ইচ্ছে হলে পরুন, জানাল মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানে আর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে করোনা ভাইরাসকে চিরতরে নির্মূল করতে গেলে মাস্ক পরা জরুরি বলে জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। এমনকি, ধূলো-বালি, ধোঁয়া ও নানান এয়ার ভাইরাস থেকে বাঁচতে  মাস্ক পরা উচিত।

    কোভিড-১৯ ঠেকাতে মাস্ক

    সংক্রমণ থেকে বাঁচতে, গত দু’বছর বিমানে উঠতে গেলে মুখে মাস্ক এবং ‘ফেস শিল্ড’ পরা বাধ্যতামূলক ছিল। কিছু কিছু বিমান সংস্থা বিমানে ওঠার আগেই যাত্রীদের এক বার ব্যবহারযোগ্য মাস্ক, স্যানিটাইজারের পাউচ এবং ‘ফেস শিল্ড’হাতে ধরিয়ে দিত। কিন্তু দেশে প্রতিদিন এখন করোনার গ্রাফ নামছে। পথে-ঘাটে, বাসে-ট্রামে মাস্ক পরে এখন খুব কম লোকেই যাতায়াত করেন। স্কুল, কলেজেও এখন আর সবসময় মাস্ক পরতে দেখা যায় না। অফিসে মাস্ক খুলে কাজ করাটাই আবার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এবার থেকে বিমান ভ্রমণে (Air Travel) মুখে মাস্ক (Mask) পরা আর বাধ্যতামূলক রইল না। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার (Centre) একথা জানিয়ে দিল। তবে যদি কেউ মাস্ক পরেন, তা তাঁর পক্ষেই ভালো বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। 

    বিমানযাত্রার বিজ্ঞপ্তি

    দেশে কোভিড (Covid 19) সংক্রমণের হার কমতে থাকায় বিমানে মাস্ক পরা নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এদিন বিমান সংস্থাগুলিকে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সব ধরনের বিমানেই এই সুপারিশ কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিমান সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, উড়ানের আগে যে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করা হয়, সেখানে সমস্ত যাত্রীকে মাস্ক পরতে পরামর্শ দেওয়া যাবে। মাস্ক না পরলে কোনও জরিমানা বা অর্থদণ্ড কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন কথা বলা যাবে না।  প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত বিমানযাত্রীদের মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    কোভিড-গ্রাফ নিম্নমুখী

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ০.০২ শতাংশ। আরোগ্যের হার ৯৮.৭৯ শতাংশ। যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কোভিড পরবর্তীকালে বিমান সেবক-সেবিকাদের পিপিই কিট পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে সেই নির্দেশও প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। এবার বিমানযাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নিয়মও তুলে নেওয়া হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে! আদালতে কী বলল রাজ্য?

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে! আদালতে কী বলল রাজ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি যে মন্তব্য করেছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অখিল-মন্তব্যের বিরুদ্ধে করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। দেশের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে রামনগরের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। তাঁর দাবি ছিল, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য, সংবিধানের অবমাননা। সংবিধানের উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির প্রসঙ্গে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে অপরাধের সামিল। যিনি মন্তব্য করেছেন তিনি একজন রাজ্যের মন্ত্রী। তার এই মন্তব্য আদিবাসী সমাজকেও আঘাত করেছে। তার এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। শুধুমাত্র এক লাইনে অ্যাপোলজি চেয়ে খান্ত থেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী আদালত উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে নতুন রেল লাইনে বিস্ফোরণ, তদন্তে এনআইএ

    মামলার শুনানি

    সেই মামলারই শুনানি ছিল বুধবার। বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতে রাজ্য জানিয়েছে, অখিলের মন্তব্যে বিরুদ্ধে যে সব স্মারক লিপি জমা পড়েছে তার প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ-ও বলা হয়েছে, এ নিয়ে নির্দিষ্ট করে এফআইআর হয়নি। কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। একটা ডেপুটেশন জমা পড়েছে। তার ভিত্তিতে অনুসন্ধান চলছে। বুধবার আদলতের কাছে এক দিন সময় চেয়েছেন অখিলের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার ফের হতে চলেছে ওই মামলার শুনানি। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারকে নিশানা করতে গিয়ে গত শনিবার বিতর্কিত মন্তব্য করেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। বাদ পড়েননি রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুও। অখিল গিরি বলেন, “আমরা রূপের বিচার করি না। তোমার রাষ্ট্রপতির চেয়ারকে আমরা সম্মান করি। তোমার রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা?”

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য, অখিল গিরির পদত্যাগের দাবিতে রাজভবন অভিযান শুভেন্দুদের

    অখিল গিরির সমালোচনা

    এই প্রসঙ্গে শাসকদলকে নিশানা করেছেন বিজেপি। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় অখিল গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দিল্লির নর্থ অ্যাভিনিউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীও মেনে নিয়েছেন অখিল গিরি অন্যায় করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতিকে সন্মান করি। সর্বোচ্চ সম্মানীয় ব্যক্তি। অখিলের এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। অখিল এটা অন্যায় করেছে। আমি সমালোচনা করছি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে!  তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদেরকে হাইকোর্ট মনে করে না কি? নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন তিনি। পর্ষদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলবও করেন বিচারপতি। যদিও পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করেন তিনি।

    কী হয়েছিল

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা সাউ, নামে আদালতে আবেদনকারী এক চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র দিতে হবে। কিন্তু তা হয়নি। তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৪ নভেম্বর। মঙ্গলবার বিচারপতিকে সেকথা জানান প্রিয়াঙ্কার আইনজীবী। এর পরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উদ্দেশে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, কেন ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি? এদিন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে তা জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। তিনি বলেন, ‘যদি সময়ে চাকরি না দিতে পারে, তা হলে আদালতে এসে জানানো উচিত ছিল। কেন পর্ষদ নিয়োগপত্র দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেনি আদালতে?’ এ প্রসঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে এজলাসে তলবও করেন তিনি। পরে পর্ষদের তরফে জানানো হয় যে, ২৮ অক্টোবর এসএসসি নিযোগ সুপারিশপত্রের হার্ড কপি হাতে পায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তাই ২৮ অক্টোবর প্রিয়াঙ্কা সাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া যায়নি। একথা জানার পর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতির হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: জামিন হল না পার্থ-সুবীরেশ সহ ধৃত ৭ জনের! এসএসসি কাণ্ডে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ

    প্রিয়াঙ্কা সাউয়ের অভিযোগ ছিল, তার থেকে কম নম্বর প্রাপ্তরা নিয়োগ পেলেও তিনি পাননি। পর্ষদের দফতরে অভিযোগ জানাতে গেলে কর্ণপাত করেননি কোনও আধিকারিক। তাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রিয়াঙ্কা। আদালতের তরফে এদিন বিচারপতি পর্ষদের কাজে উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজ্যের একাধিক শিক্ষা সংক্রান্ত অফিসার জেলে। তারপরেও এই বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ পরীক্ষার্থী বিরোধী। বোর্ডের বহু কর্তা ছাত্রবিরোধী কাজ করছেন। যা কখনওই কাম্য নয়’।

    সিটের প্রধানকে তলব

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের সিটের প্রধানকেও তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২টোয় সিটের প্রধানকে তলব করেছেন তিনি। ‘ভুয়ো নিয়োগের প্রকৃত সংখ্যা কত?’ সিবিআইয়ের কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) সেমিফাইনাল থেকে ভারতের বিদায় কেউ যেন মেনে নিতে পারছেন না। ঘোর যেন কিছুতেই কাটছে না। অনেকেই রোহিত শর্মাদের (Rohit Sharma) ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত। তবে ৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক কপিল দেব কিন্তু আগেভাগেই বলেছিলেন, বিরাট কোহলিরা এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবেন না। তখন অবশ্য হারিয়ানা হ্যারিকেনের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। যদিও বাস্তবে মিলে গেল কপিলের বাণী।

    কপিলের কথায়

    ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের কথায়, ‘‌চোকার্স শব্দটা এখন ভারতীয় দলের সঙ্গে যায়। তীরে এসে তরী ডোবে। অর্থাৎ চোক করে যায় ভারতীয় দল।’‌ তবে ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত সমালোচনা করাটাও কপিলের পছন্দ নয়। তিনি বলেছেন, ‘‌অতিরিক্ত সমালোচনা ঠিক নয়। মানছি ভারতীয় দল অত্যন্ত খারাপ ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু একটা ম্যাচ দিয়ে সব বিচার হয় না। এই ক্রিকেটাররাই দেশকে অনেক সম্মান এনে দিয়েছে।’‌ সেমিফাইনালের হার নিয়ে কপিলের মত, ‘‌পরিস্থিতিটা খুব ভাল কাজে লাগিয়েছে ইংরেজ ব্যাটাররা। ভারতকে পুরো উড়িয়ে দিয়েছে।’‌ ভারতীয় দলকে কেন চোকার্স বলা হচ্ছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন পেসার। কপিলের কথায়, ‘একবার দুবার না একটা দল বার বার খেতাবের এত কাছে পৌঁছেও খালি হাতে ফিরছে। এই দলকে চোকার্স বলবে না তো কি বলবে? বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, দল থেকে ছাঁটাই করতে হবে অনেককে। নতুন প্লেয়ারদের জন্য দলে জায়গা দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: রোহিতদের পারফরম্যান্সে খুশি নয় বিসিসিআই! দলে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সম্ভাবনা

    সমালোচক গম্ভীর 

    ২০১৩ সালের পর আর আইসিসি ট্রফি জেতেনি ভারত। কখনও সেমিফাইনাল, ফাইনাল তো কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে। সমালোচনা করেছেন গৌতম গম্ভীরও। ২০০৭ সালে উদ্বোধনী টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। তারপর গত ১৫ বছরে আর ট্রফি আসেনি। সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গম্ভীর। ফাইনালে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। সেই গম্ভীর বলেছেন, ‘‌যাঁরা সাফল্য এনে দিতে পারবে, তাঁদের উপরই ভরসা রাখা উচিত।’

     

  • Weather Update: আগামী সপ্তাহেই পারদ পতন! শীতের প্রবেশ রাজ্যে

    Weather Update: আগামী সপ্তাহেই পারদ পতন! শীতের প্রবেশ রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার থেকেই ঠান্ডা পড়ছে কলকাতা-সহ সারা রাজ্যে। পূর্বাভাস আলিপুর হাওয়া অফিসের। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী চার–পাঁচ দিনের মধ্যে পারদ নামতে পারে প্রায় ২–৩ ডিগ্রি। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বাড়বে শীতের দাপট। যেমন শুক্রবারের তুলনায় শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি কমেছে। শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হয়েছে ২০ ডিগ্রি।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    রাজ্যে তাপমাত্রার পতন

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি হয়ে গেলেও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে পারছিল না বাংলায়। কিন্তু পশ্চিমের ঝঞ্ঝা সরে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে উত্তরের হাওয়া বইতে শুরু করল বলে। ফলে দুই বঙ্গেই নামতে থাকবে তাপমাত্রা। জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে, শনিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিমে রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,আজ শনিবার থেকেই রাজ্যে পারদ পতনের শুরু। রবিবার থেকে কলকাতাবাসীও শীতের আমেজ অনুভব করতে পারবে। রবিবার, ছুটির দিন আলমারি থেকে গরম জামা কাপড় বের করার পরিকল্পনা করেছেন অনেকে। হালকা চাদর, অথবা স্টাইলিস্ট সোয়েট-শার্টও বের করে নিন। শীতের পরশ গায়ে মেখে সপ্তাহান্তে ঘুরে আসতেঁ পারেন কোনও বিনোদন পার্ক, চিড়িয়াখানা বা বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম বা জাদুঘরে। 

    আরও পড়ুন: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    রাজ্যে শীতের আমেজ

    বিহার ও ঝাড়খণ্ড লাগোয়া পশ্চিমের জেলাগুলিতে দ্রুত নামবে পারদ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে। কলকাতায়ও নামবে পারদ। আগামী সপ্তাহে ২০ ডিগ্রির নিচেই থাকবে কলকাতার তাপমাত্রাও। মাঝে দু-একদিন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেও নেমে যেতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। সকালে ও সন্ধ্যায় শীতের আমেজ থাকবে কলকাতায়। তবে বেলা বাড়লে তাপমাত্রা বাড়বে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকবে রাস্তা-ঘাট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গত তিন মাস ধরে তিনি জেলে রয়েছেন। এবার তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। শুক্রবার ইডি-কে জেরা করার অনুমতি দিল আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

    ইডিকে অনুমতি

    গরু পাচার মামলায় একযোগে তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ইডি দফতরে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল সহ একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে তলব করে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। সেই তালিকায় রয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন পরিচারক তথা বোলপুরের কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, রয়েছেন মলয় পিট, ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্য। এবার সরাসরি অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। শুক্রবার আসানসোল আদালতে ইডি আবেদন করে জানায়, আগামী ১৭ নভেম্বর অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। ইডির আবেদন মঞ্জুর করে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক বলেন, ‘‘যে কোনও দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইডির তদন্তকারী অফিসাররা আদালতে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন।’’ইডির আইনজীবী অভিজিৎকুমার ভদ্র বলেন, ‘‘অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে ইডি অনুমতি পেয়েছে। এর আগে অনুব্রতের কন্যা সুকন্যা মণ্ডল এবং হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁদের বিবৃতি রেকর্ড করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ইডি মনে করেছে অনুব্রতকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আর্জি

    গরু পাচার মামলায় তদন্তের জন্য অনুব্রতের (Anubrata Mondal)প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে ইডি। বর্তমানে সায়গল রয়েছেন তিহার জেলে। এই মামলার আরও এক অভিযুক্ত এনামুল হকও তিহার জেলে রয়েছেন। তাই অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি, এমন অনুমান করা হয়েছিল। তবে ইডি সূত্রে খবর, আপাতত তাঁকে আসানসোলের জেলে গিয়েই জেরা করা হবে। এখনই দিল্লি নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। এখানে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা না করলে বা প্রয়োজন পড়লে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হবে।

     

  • Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলেই থাকতে হবে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় শুক্রবার তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। এদিনও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক। তাঁকে আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের (Judicial Custody) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আদালতে অনুব্রত

    দীর্ঘদিন পর আজ অনুব্রতকে আদালতে পেশ করা হয়। তিনি জামিন পাবেন কি পাবেন না,তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। অবশেষে ফের প্রভাবালী তত্ত্বেই তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এদিন আসানসোল আদালত চত্বরে অনুব্রতকে হাসিখুশিই দেখায়। 

    আরও পড়ুন: নেতার পরিচারক থেকে কাউন্সিলর, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিশ্বজ্যোতিকে দিল্লিতে তলব ইডির

    সিবিআইয়ের আইনজীবীর দাবি

    এদিন অনুব্রতের আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন করেন। তার বিরোধিতা করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী কালীচরণ মিশ্র। তিনি বলেন, অনুব্রত এতটাই প্রভাবশালী যে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দেবেন, যা তদন্তকে প্রভাবিত করবে। তথ্যপ্রমাণও নষ্ট করা হতে পারে। এই প্রেক্ষিতে কালীচরণ রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথা উল্লেখ করেন। সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে ফিরহাদ দাবি করেছিলেন, অনুব্রত বাঘ। তাঁকে কত দিন খাঁচায় বন্দি করে রাখবে! আইনজীবী এই প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘বুঝতেই পারছেন, অনুব্রত কতটা প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি যে, রাজ্যের মন্ত্রী পর্যন্ত তাঁকে বাঘ হিসেবে অভিহিত করছেন। তিনি বেরিয়ে এলে সাক্ষীদের হুমকি দেবেন।’’ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত জেলে, তাই রক্ষাকবচ গুরুত্বহীন! ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় শীর্ষ আদালত

    ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। এছাড়াও সিবিআই জানায়, কোটি কোটি টাকা রয়েছে অনুব্রতের নামে। বেআইনি সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্তর দাবি, এর তদন্ত তো করবে ইডি। তাহলে সিবিআই জামিনের বিরোধিতা করছে কেন? তিনি জানান, গরু পাচার-কাণ্ডে অভিযুক্তদের জামিন হয়ে গিয়েছে। অথচ, ৯২ দিন ধরে জেলে রয়েছেন অনুব্রত। তাঁর সওয়াল, ‘‘যে কোনও শর্তে অনুব্রতকে জামিন দেওয়া হোক।’’ 

    দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে শুনানির পর কিছুক্ষণ রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারক। অবশেষে বেলা বাড়লে অনুব্রতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • G20 Summit: মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন! আলিঙ্গন বন্ধু মাক্রঁর, শুরু জি-২০ বৈঠক

    G20 Summit: মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন! আলিঙ্গন বন্ধু মাক্রঁর, শুরু জি-২০ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুরু হল জি-২০ বৈঠক। গতকালই জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে বালিতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোকো উইডোডো তাঁকে সম্মেলন স্থলে আমন্ত্রণ জানান। সম্মেলনের ফাঁকেই তাঁকে দেখে এগিয়ে যান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গলা মেলান বন্ধু ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ।

    মোদি-বাইডেন মুখোমুখি

    বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখে এগিয়ে আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাঁদের দুজনের মধ্যে ক্ষণিক আলাপচারিতা হয়। সৌহার্দ্য বিনিময় করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। এর আগে গতকালই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দেখা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে। দুজনের মধ্যে তাইওয়ান প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয় বলে খবর।

    মাক্রঁ-মোদি সাক্ষাত

    জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দেখা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দুজনের মধ্যেই কিছুক্ষণ কথা হয়। তবে কী নিয়ে কথা হয়েছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।  বালিতে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে চিনের রাষ্ট্রনেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন মাক্রঁ। প্যারিস ও বেজিংকে ইউক্রেনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ম্যাক্রঁ।

    বৈঠকে কী বললেন মোদি

    এদিন বৈঠকে মোদি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তি। আমরা অবশ্যই জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ  করব না। আমাদের জ্বালানির বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। ভারত পরিচ্ছন্ন শক্তি এবং পরিবেশের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” যুদ্ধ- হিংসার পথ ত্যাগ করে শান্তিই শ্রেয় বলে দাবি করেন মোদি।

    তিনি বলেন, ” দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্বের সর্বনাশ হয়েছিল। এরপর ওই সময়ের নেতারা শান্তির পথে চলার প্রাণপণ চেষ্টা চালান। এবার আমাদের পালা। কোভিড পরবর্তী সময়ের জন্য একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা তৈরির দায়িত্ব আমাদের কাঁধে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • India At UN: সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়! রাষ্ট্রপুঞ্জে সওয়াল ভারতের

    India At UN: সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়! রাষ্ট্রপুঞ্জে সওয়াল ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সভায় নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের কড়া জবাব দিল ভারত। জেনেভায় শুরু হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের বৈঠক। সেখানে আলোচনায় উঠেছে ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন  (CAA Issue in United Nation Human Right Council Meeting) এবং ঘৃণা ভাষণ প্রসঙ্গ।

    ভারত যা বলল

    জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সভায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। ওই অধিবেশনে কয়েকটি দেশ ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আই নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এর উত্তরে সলিসিটার জেনারেল বলেন, সিএএ (CAA) কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য করা হয়নি। ওই আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য, প্রতিবেশী দেশে বসবাসকারী নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের ভারতে (India) বসবাসের সুযোগ দেওয়া। সেই উদ্দেশে তাদের নাগরিকত্ব প্রদানে এই আইন তৈরি করা হয়েছে। আর বাক স্বাধীনতা নিয়ে তিনি জানান,  ভারতের সংবিধানের মৌলিক ভিত্তিই হল কথা বলার অধিকার। কিন্তু অধিকার প্রয়োগে নাগরিকদেরও কিছু কর্তব্যসাধন জরুরি। ঘৃণা ভাষণ প্রতিরোধে ভারতে আইনি বিধান রয়েছে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে সুপ্রিম কোর্ট ঘৃণা ভাষণ নিয়ে সরব হয়। সাম্প্রতিককালে ঘৃণা ভাষণের বেশ কিছু ঘটনায় উদ্বেগ ছড়ায় দেশ জুড়ে।

    আরও পড়ুন: দেশবিরোধী কাজে যুক্ত থাকলেই পদক্ষেপ! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের সভায় ভারত

    সিএএ কী

    ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে CAA-র কোনও সম্পর্ক নেই। এদেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের উল্লেখ রয়েছে ভারতীয় সংবিধানে। CAA বা এই সম্পর্কিত কোনও আইন তা খর্ব করতে পারে না। এই সম্পর্কিত ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। মুসলিম-সহ ভারতীয় নাগরিকদের উপর CAA-র কোনও প্রভাব পড়বে না। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর ধর্মীয় কারণে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে বিতাড়িত হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের জন্য CAA। ওই তিন দেশ বা অন্য কোনও দেশ থেকে আসা মুসলিম-সহ অন্য কোনও বিদেশি শরণার্থীদের জন্য CAA লাগু হবে না।  তবে, এর মানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের মুসলিমরা কখনই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবে না, তা নয়। এমন কোনও লক্ষ্যে CAA গঠন করা হয়নি। বিগত বছরগুলিতে ওই দেশগুলি থেকে শতাধিক মুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও যোগ্যতার বিচারে নাগরকিত্ব পাবেন তাঁরা। ধর্মের বিচারে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। 

     

  • T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র একটি ম্যাচের অপেক্ষা। তারপরেই মেলবোর্নে হতে পারে মহারণ। নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে রোহিতরা হারাতে পারলেই ফের মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। এবার ফাইনাল। 

    ১৩ বছর পর বিশ্বকাপের হাতছানি

    এক সময় সেমিফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত ছিল। সুপার ১২-এ নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেওয়ায় সেমিফাইনালের রাস্তা খুলে যায়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তারপর দাপটে জয় আর শেষ চারের ম্যাচে বুধবার নিউজিল্যান্ডকে এক কথায় উড়িয়ে দিল বাবর আজমের পাকিস্তান। এদিন একমাত্র টস ভাগ্য নিউজিল্যান্ডের সহায় ছিল। প্রথমে ব্যাট করে কেন উইলিয়ামসনের দল ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তোলে। ড্যারিল মিচেল অর্ধশতরান করেন। জবাবে মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজমের জোড়া অর্ধশতরানের ভর করে সাত উইকেট বাকি থাকতে জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পাকিস্তান। ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ বলে ৫৩ রান করেন বাবর। ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৩ বলে ৫৭ রান করেন রিজওয়ান। শেষমেশ ম্যাচের সেরার পুরস্কার ওঠে রিজওয়ানের হাতে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কেন উইলিয়ামসন। বল করতে নেমে প্রথম ওভারেই কিউইদের ধাক্কা দেয় পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির চতুর্থ বলেই ফিরে যান দলের ওপেনার ফিন অ্যালেন। আফ্রিদির সোজাসুজি নেমে আসা বল আড়াআড়ি ভাবে খেলতে গিয়েছিলেন অ্যালেন। লাইন ফস্কান এবং সোজা এলবিডব্লিউ। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ডেভন কনওয়ে এবং কেন উইলিয়ামসন। সেখানেও বাধা পেতে হয়। শাদাব খানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে ২১ রানেই ফিরে যান কনওয়ে। এরপরে একমাত্র ড্যারিল মিচেল দাঁড়াতে পেরছিলেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান ঝড় তোলেন। আর পিছনফিরে তাকাতে হয়নি পাকিস্তানকে।

    আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ব্রিটিশ-রাজে নৈশভোজ টিম ইন্ডিয়ার! কেন জানেন?

    মেলবোর্নে মহারণের অপেক্ষা

    ২০০৭-এর পর আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি হয়ে গেল। ২০০৭ সালে যেমন পাকিস্তানকে ফাইনালে হারিয়ে উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে মেলবোর্নে,এখনই সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীরা। আবার ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চাইবে পাকিস্তান। সেই ফাইনালে ভারতকে দাঁড়াতেই দেননি মহম্মদ আমিররা। তবে কী হবে তা সময় বলবে? আপাতত বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে ভারতকে! তবেই মহারণ।

     

LinkedIn
Share