Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Anubrata Mondal: কেষ্টহীন কালী পুজো কেমন হবে বোলপুরে? নজর সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: কেষ্টহীন কালী পুজো কেমন হবে বোলপুরে? নজর সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মা কালীর অন্যতম বিশেষত্ব তাঁর রাশি রাশি সোনার গয়না। কালী পুজোর (Kali Pujo) আগের দিন সেই সব গয়না একত্রিত করা হয়। এরপর অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে সেই গয়না মা কালীর অঙ্গে এক এক করে পরানো হয়। কিন্তু এবার তিনি জেলে। তাহলে কী হবে?  তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে বীরভূম জেলা তৃণমূলের অফিসে (Birbhum TMC)। তবে এই পুজোর দিকে নজর রাখছে সিবিআইও (CBI)।

    আরও পড়ুন: ৮ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    গরু-পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর কালী প্রতিমার গয়নাও রয়েছে সিবিআইয়ের স্ক্যানারে। গত বছর পর্যন্ত যে পরিমাণ গয়নার হিসাব পাওয়া গিয়েছে তার বর্তমান বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা। এত গয়না কোথা থেকে এল, তা জানতে গয়নার ব্যবসায়ীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রতিবছর বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ঘটা করে শ্যামাপুজো করতেন অনুব্রত মণ্ডল।  ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হওয়া পুজোয় এত জাঁকজমক আগে ছিল না। তবে, রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে পুজোর জৌলুস বাড়তে থাকে। পাশাপাশি বাড়তে শুরু করে অনুব্রতের কালী প্রতিমার সোনার অলংকারও।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ প্রমোটার রানা সরকারকে সিবিআইয়ের জেরা! কী জানতে চাইলেন অফিসারেরা

    বিশেষ সূত্রে খবর, ২০১৮ সালে কালী প্রতিমার সোনার গয়নার পরিমাণ ছিল ১৮০ ভরি। ২০১৯ সালে তা বেড়ে হয় ২৬০ ভরি। ২০২০ সালে এই  সোনার গয়নার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৬০ ভরি। ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, চুর, কানের দুল, গলার হার মিলিয়ে প্রায় ৫৭০ ভরি সোনার গয়নায় কালীমূর্তিকে সাজিয়েছেন অনুব্রত নিজে। এবছর কালীপুজো ২৪ অক্টোবর। অনুব্রতকে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানোর কথা ২৯ তারিখ। অতএব দুর্গাপুজোর মতো কালীপুজোও হয়ত জেলেই কাটবে কেষ্টর। যদিও পুজো বন্ধ হবে না, বলে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ, বোলপুরের বিধায়ক ও মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিং। তাঁর কথায়, ‘‘পুজো যেমন হয় তেমনই হবে। দলের কর্মীরাই দায়িত্ব নিয়ে সেই পুজোর আয়োজন করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bhubaneswar: সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে ওড়িশার লেডি ব্ল্যাকমেলারের কাহিনী! জানেন অর্চনার গল্প?

    Bhubaneswar: সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে ওড়িশার লেডি ব্ল্যাকমেলারের কাহিনী! জানেন অর্চনার গল্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার লেডি ব্ল্যাকমেলারের কাহিনী হার মানাবে সিনেমার চিত্রনাট্যকেও। ওড়িশার কালাহান্ডির গরীব ঘরের মেয়ে অর্চনা নাগ। এখন প্রাসাদের মতো বাড়ি। বাড়ির সাজসজ্জা চোখ ধাঁধাবে। বিদেশি আসবাবপত্র, বিলাসবহুল গাড়ি, চারটি দামি কুকুর এবং একটি সাদা ঘোড়া কী নেই অর্চনার অন্দরে। তবে এখন তার স্থান গারদের পিছনে। তোলাবাজি,মধুচক্র চালানোর অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  তার জালে ধরা দিয়েছিল প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী থেকে সিনেমার প্রযোজক। অর্চনার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিয়ো ও ছবি প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তোলাবাজি চালাত অর্চনা। তোলাবাজির মাধ্যমে তুলত কোটি কোটি টাকা। ২৫ বছরের অর্চনার উত্থান-পতন নিয়ে ওড়িশার এক চলচ্চিত্র পরিচালক একটি সিনেমা তৈরির কথাও ভাবছেন।

    আরও পড়ুন : মুদ্রাস্ফীতির দিকে চোখ রেখে তৈরি হবে আগামী বাজেট, জানালেন সীতারমন

    পুলিশ সূত্রে খবর, কালাহান্ডির লাঞ্জিগড়ে জন্ম অর্চনার। ওই জেলারই কেসিঙ্গা নামে ছোট্ট এক শহরে বড় হয়েছে সে। ২০১৫ সালে অর্চনা ভুবনেশ্বরে চলে আসে। প্রথমে একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থায় কাজ করে। পরে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতে থাকে। সেখানে বালেশ্বরের জগবন্ধু চাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। জগবন্ধুর একটি পুরনো গাড়ির শোরুম ছিল। সেই সূত্রে তার সঙ্গে রাজ্যের বহু বিত্তশালী লোকেদের পরিচয় ছিল। অর্চনা ও জগবন্ধু বিয়ে করে ২০১৮ সালে। তারপরই শুরু হয় মধুচক্র চালানোর কাজ। অর্চনা প্রভাবশালী ও ধনী লোকেদের সঙ্গে ভাব জমাত এবং তাঁদের নিয়মিত নারীসঙ্গের ব্যবস্থা করে দিত। পুলিশের দাবি, সেই সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি তুলত জগবন্ধু। এরপরই শুরু হত ব্ল্যাকমেলের পালা। এইভাবে কোটি কোটি টাকা তুলেছে তারা। 

    আরও পড়ুন: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা 

    সম্প্রতি, নয়াপল্লি থানায় ওড়িয়া সিনেমার প্রজোযক অক্ষর পারিজা অভিযোগ করেন, অশ্লীল ছবি ভাইরাল করে দিয়ে তাঁর থেকে তিন কোটি টাকা দাবি করেছিল অর্চনারা। সূত্রের খবর, শুধু পারিজা নয়, অর্চনাদের নিশানায় ছিল রাজ্যের শাসক দল বিজেডির একাধিক নেতা, ব্যবসায়ীরাও। এরপর একটি মেয়ে অর্চনার বিরুদ্ধে মধুচক্রে কাজ করানোর অভিযোগ জানানোর পরই গ্রেফতার করা হয় তাকে।  ভুবনেশ্বরের ডেপুটি কমিশনার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, যে মহিলা অর্চনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তিনি নিজের পরিচয় গোপন রাখতে চেয়েছেন। ওই পুলিশ কর্তা বলেছেন, ‘সংবাদমাধ্যমের কাছে যাতে কোনও তথ্য ফাঁস না হয়ে যায়, সেজন্য উনি আমাদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা যে পরিচয় ফাঁস হয়ে গেলে তাঁর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে আমরা আপাতত বেশি কিছু বলতে পারব না।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    SSC Scam: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  টেট দুর্নীতি মামলায় (TET Scam) রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) গ্রেফতার করল ইডি। আজ, মঙ্গলবারই আদালতে পেশ করার কথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে। পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে বয়ানে অসঙ্গতি ও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে ইডি।

    আরও পড়ুন: একদিনের সুপ্রিম ‘রক্ষাকবচ’ মানিক ভট্টাচার্যের,কাল কি হবে?

    টেট দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) মানিকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।  নিয়োগের ক্ষেত্রে যে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছিল, তার যাবতীয় তথ্য  প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির কাছে রয়েছে বলে দাবি ইডি আধিকারিকদের। মানিককে আগে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডির আধিকারিকরা। সেই সময় বাজেয়াপ্ত নথি পরীক্ষা করার জন্যই মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করা হয়। ইডি চায় দ্রুত নিয়োগ দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে। পাশাপাশি কিভাবে আর কোন পথে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর পেতেই ইডি তলব করেছিল মানিক ভট্টাচার্যকে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এবার তা খাটল না। ইডি কর্তাদের দাবি, সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই মামলায় মানিককে রক্ষাকবচ দিয়েছে। ইডি-র গ্রেফতারির ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।

    আরও পড়ুন: ‘মানিক ইজ টেকিং মানি…’, অভিযোগ পেয়েও চেপে গিয়েছিলেন পার্থ! দাবি ইডির

    সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মানিককে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। গতকাল দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, বয়ানে অসঙ্গতি ও সহযোগিতা না করার অভিযোগেই মঙ্গলবার ভোররাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি হিসাবে নিজের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে চাকরি পাইয়ে দেওয়া, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগসাজশ, তাঁকে সুপারিশ পাঠানোর কাজ মানিক করতেন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, ঘুষের টাকা নিয়ে তা পার্থ-অর্পিতার কাছে পাঠাতেন মানিক। বার্ক কমিটির রিপোর্টেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানিক ভট্টাচার্যের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
     

  • S Jaishankar: আমি রস টেলরের ভক্ত! ভারত-নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট নিয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: আমি রস টেলরের ভক্ত! ভারত-নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট নিয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ক্রিকেটপ্রেম অজানা নয়। স্কুল, কলেজ জীবনে ব্যাট-বল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতেন সবুজ গালিচায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু। কর্মক্ষেত্রে বেড়েছে দায়দায়িত্ব। বিদেশমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের যাবতীয় খবর যে তিনি এখনও সমানভাবে রাখেন, তা ধরা পড়ল এস জয়শঙ্করের কথায়। ভারত-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ক্রিকেটকে মাধ্যম করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেট সিরিজের প্রশংসা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাইশ গজে দুই দেশের সুষ্ঠু লড়াই সকলেই উপভোগ করে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কথা উঠলেই অনেক মুখ চোখের সামনে ভিড় করে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে ক্রিকেটের সুবাদে।’

    আরও পড়ুন: ভারতীয়দের মার্কিন ভিসা পেতে এত দেরি হচ্ছে কেন? ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন জয়শঙ্করের   

    ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচ জন রাইটের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ‘জন রাইটের কোচিংয়ে ভারতীয় ক্রিকেট নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। স্টিফেন ফ্লেমিং এখন চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ। আমিও যেহেতু ওই অঞ্চলের মানুষ, তাই চেন্নাইয়ের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ফ্লেমিংরে জনপ্রিয়তা টের পাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়ামসন। অত্যন্ত ভদ্র ক্রিকেটার। তবে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে আমি রস টেলরের ভক্ত।’

    আরও পড়ুন : ভারতকে নিশানা করে মিথ্যা অভিযোগ! নিরাপত্তা পরিষদে ফাঁস হল পাকিস্তানের দ্বিচারিতা

    এটা জয়শঙ্করের দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। তাঁকে স্বাগত জানাতে তেরঙ্গা পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল রাজপথ। যা দেখে অভিভূত ভারতের বিদেশমন্ত্রী। পরে তিনি ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে ভারত কি ভোট দেবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর দিকে। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ধাঁচেই বাউন্সার সামলে তিনি বলেন, ‘ভোট দানের ক্ষেত্রে আগে থেকে কোনও কিছুই বলা সম্ভব নয়।’ ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে রাশিয়ার তৈরি অস্ত্রের বাড়বাড়ন্ত প্রসঙ্গে করা প্রশ্নের জবাবে মাঠের বাইরে ছক্কা মারেন জয়শঙ্কর। তাঁর সোজা জবাব, ‘পশ্চিমি দেশগুলি তো তখন ভারতে অস্ত্র সরবরাহ করত না। তাই বিকল্প ভাবা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, এর আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত ছিল ভারত। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই ভোটদানের ব্যাপারে আগেভাগে মুখ খুলতে চাননি বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে স্টুডেন্ট ভিসা আরও সরলীকরণের দাবি জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Amit Malviya: গোষ্ঠী হিংসা এখন রাজ্যে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা! মোমিনপুর-কাণ্ডে মমতার সরকারকে দুষলেন অমিত মালব্য

    Amit Malviya: গোষ্ঠী হিংসা এখন রাজ্যে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা! মোমিনপুর-কাণ্ডে মমতার সরকারকে দুষলেন অমিত মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র  আক্রমণ করলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে যাঁরা শিক্ষা নেয়নি তারাই এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।’ উল্লেখ্য, রবিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার ইকবালপুর থানার অন্তর্গত মোমিনপুরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় আহত হন অনেকে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু দোকানপাট, বাইক। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঠুটো জগন্নাথের মতো দাঁড়িয়েছিল। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে এত ক্ষয়ক্ষতি হত না।

    ইতিমধ্যেই মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্য বিজেপি নিতেরা সরব হয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরারী থেকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে ট্যুইট করেছেন। মোমিনপুর কাণ্ডের ভয়বহাতার আরও ছবি ফুটে উঠেছে অমিত মালব্যের ট্যুইটে। তিনি লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামানায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ মোমিনপুর কাণ্ড। বিশেষ একটি সম্প্রদায় ইকবালপুর থানায় বিক্ষোভের নামে রীতিমতো লুঠতরাজ চালায়। টেবিলের নীচে লুকিয়ে প্রাণ বাঁচানোর ঘটনা বাংলায় নতুন নয়। এক্ষেত্রে পুলিশ অসহায়তার ছবি ফুটে উঠেছে। ইকবালপুর থানায় যেভাবে ভাঙচুর, লুঠের ঘটনা ঘটেছে, তা গণতন্ত্রের কালো দিন। পুলিশমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।’

    ১৯৪৬ সালের নোয়াখালি হিংসার কথা উল্লেখ করে মালব্য বলেন, “যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না তারা এর পুনরাবৃত্তি করতে পারে।” অতীতে কোজাগরী পূর্ণিমার রাতেই নোয়াখালিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। এবার সেই একই ঘটনা ঘটল কলকাতায়। মালব্যের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা খুবই সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, এই ঘটনায় পুলিশ শুধু নিষ্ক্রিয় ছিল না, ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কীভাবে গণ্ডগোল লাগল, কারা এর পিছনে রয়েছে, সব তথ্য প্রকাশ্যে আনা উচিত।’

  • Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কেটেছে জেলে। কালীপুজোর আগে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় (Post Poll Violence Case) তাঁকে হেফাজতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন জানাল সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি, আবেদন হাইকোর্টে

    গরু পাচার কাণ্ডে গরাদেই রয়েছেন কেষ্ট।  ৫৭ দিনের মাথায় গরু-পাচার মামলায় চার্জশিটও জমা দেয় সিবিআই অফিসাররা। সেখানে উঠে এসেছে অনুব্রতর একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জমিজমা ইত্যাদির কথা। আদালতের নির্দেশে একদা বীরভূমে তৃণমূলের বেতাজ বাদশা অনুব্রতের ঠিকানা এখন আসানসোল জেল। এবার আরও চাপে তিনি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে  ইলামবাজারের খুনের তদন্তে নেমে সিবিআই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিক বার তলব করে। কিন্তু  তখন অসুস্থতার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন অনুব্রত। সেই সময় নিজের শারীরিক অবস্থা ভাল নয় বলে হাইকোর্টে আবেদন জানান তিনি। হাইকোর্টের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়, এখনই এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    সিবিআই সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ১০টায় বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ধূলিয়ানের বেঞ্চে শুনানি রয়েছে এই মামলার। এই মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। তাদের বক্তব্য, অনুব্রতকে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে তার জেরে তিনি আগাম জামিন পেতে পারেন। এই রক্ষাকবচের ফলে তদন্ত থমকে গেছে। তাই শীর্ষ আদালতে যাওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।  ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) করে সিবিআই। তাঁদের যুক্তি, অনুব্রতের রক্ষাকবচ আগাম জামিনের অনুরূপ। এর ফলে তদন্ত থমকে যেতে পারে। তদন্তে সহযোগিতা না-ও করতে পারেন অনুব্রত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Karnataka hijab row: ‘সুপ্রিম’ দুয়ারেও সমাধান অধরা! হিজাব পরা নিয়ে ভিন্নমত দুই বিচারপতির, মামলা গেল উচ্চতর বেঞ্চে

    Karnataka hijab row: ‘সুপ্রিম’ দুয়ারেও সমাধান অধরা! হিজাব পরা নিয়ে ভিন্নমত দুই বিচারপতির, মামলা গেল উচ্চতর বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো তথা দশেরার (Dusshera) ছুটির আগেই কর্নাটকের হিজাব বিতর্ক (Hijab Row) নিয়ে মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। তবে সেই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় দিল শীর্ষ আদালত। এই মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ ‘স্প্লিট’ রায় দিয়েছেন। অর্থাৎ, এখনও হিজাব মামলার প্রকৃত ফলাফল স্পষ্ট নয়। রায়দান করে বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত (Justice Hemant Gupta) বলেছেন যে ‘মতের ভিন্নতা’ ছিল। তাই মামলাটি উচ্চতর বেঞ্চের কাছে পাঠানোর দায়িত্বভার প্রধান বিচারপতিকে দিল বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি শুধাংশু ধুলিয়ার (Sudhanshu Dhulia) বেঞ্চ। 

    আরও পড়ুন: ১০ দিন ধরে শুনানি হচ্ছে, এটা চলতে পারে না, হিজাব বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট

    গত ১৫ মার্চ কর্নাটক হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, হিজাব পরাকে ধর্মাচরণের প্রয়োজনীয় অঙ্গ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। এই মামলার রায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করেছিল কর্ণাটক হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পড়ুয়াদের একাংশ। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সেই রায় বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত। তিনি মুসলিম ছাত্রীদের আবেদন খারিজ করে দিলেও  বিচারপতি শুধাংশু ধুলিয়া বলেন, হিজাব পরা নিজের পছন্দের বিষয়। সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারার উল্লেখ করে বিচারপতি ধুলিয়া মুসলিম ছাত্রীদের আবেদনের যৌক্তিকতা মেনে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি শুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ ‘খণ্ডিত রায়’ দিয়েছে। রায় দিতে গিয়ে দুই বিচারপতি ভিন্নমত হওয়ায় এই মামলায় এবার সিদ্ধান্ত নেবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে থাকা উচ্চতর বেঞ্চই এই মামলার রায় দেবেন।

    আরও পড়ুন: হিজাব না পরায় গ্রেফতার, পরে মৃত্যু তরুণীর, প্রতিবাদে উত্তাল ইরান

    কর্নাটক সরকারের হয়ে আদালতে সওয়াল-জবাব করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা, কর্নাটক সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রভুলিং কে নাভাগলি এবং অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল কেএম নটরাজ। অন্যদিকে মামলাকারীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেছেন সিনিয়র আইনজীবী দুষ্মন্ত দাবে এবং সলমন খুরশিদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    Anubrata Mondal: ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, সুকন্যার আয়কর রিটার্নে মিলেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১৩-১৪ থেকে ২০২১-২২-এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষিকা কেষ্ট-কন্যার সম্পত্তি বেড়েছে রকেট গতিতে। করোনার সময় যখন প্রতিদিন চাকরি হারিয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের পেটে ভাত জুটছে না। বেসরকারি কর্মীদের পকেট শূন্য। ব্যবসায়ীরা জমানো টাকা ভাঙিয়ে খেতে ব্যস্ত। সেই বছর অর্থাৎ, ২০১৯-২০-তে আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে সুকন্যার। তাঁর আয়কর রিটার্ন থেকেই এই তথ্য পেয়েছে সিবিআই। সামান্য প্রাথমিক শিক্ষিকার এই বিপুল আয়বৃদ্ধি কীভাবে? চার্জশিটে সেই প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ প্রমোটার রানা সরকারকে সিবিআইয়ের জেরা! কী জানতে চাইলেন অফিসারেরা

    গরু পাচার মামলায় সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে গত ১০ বছরে  শুধু সুকন্যা নয়,বিপুল হারে সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে অনুব্রত মণ্ডলেরও (Anubrata Mondal)। ৮ বছরে অনুব্রতর আয় বেড়েছে প্রায় ১৯ গুণ। সুকন্যা ও অনুব্রতের বার্ষিক আয়ের পরিমান দেখে আলোড়ন ছড়িয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। গরু পাচার মামলায় আসানসোল সিবিআই কোর্টে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে ২০১২-১৩ আর্থিক বছরে সুকন্যা মণ্ডলের আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকার মতো। পরের বছর তা বেড়ে হয় সাড়ে ৮ লাখ। ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সেটা এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা। ২০১৮-১৯ সালে সুকন্যা আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা আয় দেখিয়েছেন। ১৯-২০ সালে সেটাও বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। আর গত আর্থিক বছরে তাঁর আয় হয়েছে ৯২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। এই আয় শুধুমাত্র সুকন্যা মণ্ডলের ব্যক্তিগত আয়।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    অনুব্রত কন্যা সুকন্যা তো প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা কিন্তু, তাঁর মা তথা অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের কোন পেশা না থাকলেও তাঁর ২০১২-১৩ সালে বার্ষিক আয় ছিল প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। ২০১৪-১৫ সালে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ লক্ষ টাকা। ২০১৭-২০১৮ সালে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩ লক্ষ টাকা। এই আয়ের উৎস কী? কোথা থেকে আসত এত টাকা? এখন সেই সত্যই খুঁজতে ব্যস্ত সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে চিঠি পাওয়া গিয়েছে, তাই  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তমলুকে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “সাত হাজার টাকার প্লেটে বিজয়া করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর চাকরি না পাওয়া যোগ্য ছেলেরা গাছের তলায় বসে পুজো কাটাচ্ছে। আমি বলব মমতার নামে চিঠি যখন পাওয়া গিয়েছে, তখন তাঁকে অবিলম্বে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক অফিসারেরা।” শুভেন্দুর প্রশ্ন “কেন মমতাকে ডেকে বা নবান্নে গিয়ে ইন্টারোগেশন করা হচ্ছে না?”

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    জমি অধিগ্রহণ না করে তাজপুরে কোনওদিন বন্দর হবে না বলেও জানান  শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। উনি নিজেই জানেন না ৷ একটা বন্দর করতে হলে পাঁচ হাজার একর জমি দিতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তাজপুর থেকে মাত্র  চার কিলোমিটার দূরে এক হাজার একর জমি আাদনিদের অফার করা হয়েছে । কিন্তু ওই চার কিলোমিটার রাস্তা যেতে হলে, ফোরলেন করতে হবে। ওই রাস্তা তৈরি করতে গেলেই জমি অধিকগ্রহণ করতে হবে। ” মুখ্যমন্ত্রীকে হলদিয়া বন্দর তৈরির ইতিহাস ঘাঁটতে বলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়,   “সতীশ সামন্ত, বিরাজ মোহন দাস, কুমার চন্দ্র জানা, সুশীল ধারা হলদিয়া বন্দর করার সময় পুরো পাঁচটা গ্রামের জমি নিয়েছিলেন । বোনবিষ্ণুপুর, রাজাচক, রায়রায়চক, বিষ্ণুর রামচক, দত্তের চকের ইতিহাসটা দেখবেন । তাহলেই বুঝবেন একটা বন্দর করতে গেলে কী কী করতে হয় ।”  শুভেন্দুর দাবি, বন্দরের জন্য রেল করিডোর লাগে । ওয়ারহাউস লাগে । সেগুলো কোথায় হবে? মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলে,বাজার গরম করছেন, অভিমত বিরোধী নেতার।

    আরও পড়ুন: বাকি উপাচার্যরাও পদত্যাগ করুন! সোনালি চক্রবর্তীর অপসারণের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু

    দলের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো প্রসঙ্গে তমলুকের আইসি ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এসপিকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। আগামী নির্বাচনে তমলুক লোকসভায় যে দাঁড়াবে তাঁকে নন্দীগ্রাম থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। শিল্প ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে শুভেন্দু বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী কয়েক মিনিটে আড়াইশো পুজোর উদ্বোধন করতে পারেন,কিন্তু সাড়ে ১১ বছর ক্ষমতায় থেকেও উনি একটা শিল্পের উদ্বোধন করতে পারেননি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jagdeep Dhankhar: বাংলায় শাসকের আইন চলে! মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: বাংলায় শাসকের আইন চলে! মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি হয়েও বাংলার মানুষের দুর্দশার কথা ভুলতে পারছেন না জগদীপ ধনখড়। যখন শাসকের শাসন আইনের শাসনকে ছাপিয়ে যায়, তখন কী পরিস্থিতি হয় তা প্রতিনিয়ত দেখছে বঙ্গবাসী। এমনই দাবি করলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল। বুধবার রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মত ব্যক্ত করেন তিনি। মানবাধিকার কমিশনের অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন,পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক দাঙ্গা ক্রমশ বাড়ছে। মোমিনপুর কাণ্ডের পর বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উপরাষ্ট্রপতির এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    ২০১৯ সালের জুলাই মাসে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন জগদীপ ধনখড়। তারপর থেকেই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ শুরু। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে বারংবার আওয়াজ তুলেছিলেন ধনখড়।  রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতি নিয়েও সরব ছিলেন তৎকালীন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে তাঁর সংঘাত এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন তিনি  ট্যুইটারে রাজ্যপাল ধনখড়কে ব্লক করে দিয়েছেন। এখনও তাঁর রেশ বর্তমান।

    আরও পড়ুন: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    এদিন অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি তিনবছর বাংলার রাজ্যপাল ছিলাম। আমি যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলাম তখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি রিপোর্ট পেশ করেছিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। রিপোর্টের প্রথম বাক্যটা আমি কোনওদিনও ভুলব না। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বাংলায় আইনের শাসন চলে না। শাসকের আইন চলে।’ এদিন পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ধনখড়। তিনি বলেন, “মানবধিকার লঙ্ঘন যাঁরা সহ্য করেন, তাঁরাও সমান অপরাধী। যেখানে শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন চলে সেখানেই মানবধিকার রক্ষিত হয়।” তাঁর মতে, “স্বাধীনতার সবচেয়ে ভাল সংজ্ঞা হল, সর্বত্র মানবধিকার রক্ষা এবং সংবিধানের সারমর্ম এবং সমস্ত ধর্মের মূলসত্ত্বাই হল, সবার ঊর্দ্ধে মানবধিকার রক্ষা করা।” তিনি আরও জানান, “রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা, বংশপরিচয়, জাতি বা ধর্মের নিরিখে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে রক্ষা করা যায় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share