Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Manik Bhattacharya: মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে মিলল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি! টাকা নেওয়ার অভিযোগ স্পষ্ট, কী রয়েছে সেই চিঠিতে

    Manik Bhattacharya: মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে মিলল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি! টাকা নেওয়ার অভিযোগ স্পষ্ট, কী রয়েছে সেই চিঠিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের (Manik hattacharya) বাড়ি থেকে মিলল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উদ্দেশে লেখা চিঠি। আদালতে এমনই দাবি করল ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) মানিকের বাড়ি থেকে একটি চিঠি মিলেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠিটি একটি অভিযোগপত্র। চিঠিতে কেউ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন যে, ৪৪ জনের কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মোট ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে। চাকরির বিনিময়েই এই টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ইডির। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    ইডি সূত্রে খবর, এই চিঠি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ককে জেরা করা হলে, তিনি পরস্পরবিরোধী উত্তর দেন। মানিকের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। মঙ্গলবার তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আদালতেই এই চিঠির কথা জানান ইডির আইনজীবী। তিনি জানান, এই টাকা যুব তৃণমূলের কোনও একজন সাধারণ সম্পাদক সংগ্রহ করছিলেন। ইডির হাতে পাওয়া নথি থেকে জানা যাচ্ছে, মানিক ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাইরের লোকেদের জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। অপরিচিতদের সঙ্গেও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেখানে প্রচুর টাকা রয়েছে। এই টাকা কোথা থেকে এবং কীভাবে এসেছে তা খতিয়ে দেখছে ইডি।  

    আরও পড়ুন: উপাচার্য নিয়োগেও বেনিয়ম? শিক্ষার সর্বস্তরের লজ্জা প্রকট আদালতে!

    এছাড়াও ইডির তরফে জানানো হয়, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি ফোল্ডার। যারমধ্যে ৬১ জন প্রার্থীর নাম পাওয়া গিয়েছে। যারমধ্যে ৫৫ জনের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। পাশপাশি,মানিক ভট্টাচার্যের মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। অনুমান এই মোবাইল থেকেই মিলতে পারে প্রাইমারি টেট দুর্নীতির নানান তথ্য। ইডি সূত্রে খবর, মানিক ভট্টাচার্যের হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে বিতর্কিত সেই চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা। ‘RK’ নামে সেভ থাকা একটি নম্বর থেকে সেই মেসেজ আসে। যাতে লেখা ছিল, চূড়ান্ত লিস্টে অনুমোদন দিয়েছেন ‘DD’। এই ‘RK’ ও ‘DD’কে তা জানতে চায় ইডি। এর উত্তর মিললেই অনেক প্রশ্নের জট খুলে যাবে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • T-20 World Cup: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ তৈরি! টি-২০ বিশ্বকাপ শুরুর  আগে কী বললেন রোহিত?

    T-20 World Cup: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ তৈরি! টি-২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে কী বললেন রোহিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৩ অক্টোবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (world cup schedule t20) প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। ওই ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান (india pakistan match)। ২০২১ সালে ভারত-পাক দ্বৈরথে শেষ হাসি হেসেছিল বাবর আজমরা। এবার ভারতীয় দলের উপর যে একটু বাড়তি চাপ থাকবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবুও চিন্তিত নন ভারত অধিনায়ক। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন শেষ সময়ে নয় ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ তৈরি করে ফেলেছেন তিনি।

    রোহিত শর্মা বলেছেন,’পাকিস্তান ম্যাচের প্রথম একাদশ ভেবে ফেলেছি। যারা খেলবে তাদের জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। শেষ মুহূর্তের জন্য কিছু ফেলে রাখতে চাইছি না। তাই ছেলেদের আগে থেকেই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছি যাতে ওরা প্রস্তুত হয়ে নামতে পারে।’রোহিত আরও বলেছেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব কতটা, সেটা আমরা ভালই জানি। তবে সব সময় এই নিয়ে কথা বলি না। এশিয়া কাপের সময়েও অন্য কথা বলে নিজেদের ব্যস্ত রেখেছিলাম। আধুনিক ক্রিকেটে সব দলই ভয়ডরহীন হয়ে গিয়েছে। আমাদের সেই মানসিকতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। আগে টি-টোয়েন্টিতে ১৪০ রান তুললেই জেতা যেত। এখন ১৪-১৫ ওভারেই সেই রান উঠে যায়।”

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দলের প্রথম একাদশ তৈরি করার কথা জানালেও, কারা থাকতে চলেছেন সেই প্রথম একাদশে তা নিয়ে এখনও কিছু খোলাসা করে জানানি টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক। তিনি এখন মজে রয়েছেন ফটোশ্যুটে।  কোথায় শত্রুতা! চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের মধ্যে যেখানে টানটান উত্তেজনার চোরাস্ত্রোত বয়ে চলে, সেখানে রোহিত শর্মা এবং বাবর আজমের ফটোশ্যুট  অন্য গল্প বলছে। খোশমেজাজে দুই অধিনায়ককে দেখে মনে হচ্ছিল, প্রতিবেশি দুই দেশের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বিজ্ঞাপন করছেন রোহিত-বাবর। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ফটোশ্যুট ছিল অধিনায়কদের। সেখানে রোহিত এবং বাবরের ছবিতেই পরিষ্কার, যে, রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক জটিলতা এবং টানাপোড়েন, বিদ্বেষের বাইরে বেরিয়ে রোহিত-বাবরদের সম্পর্ক কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর। আর সেটাই যেন আরও একবার প্রমাণিত হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue Update: সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে পাঁচ হাজার, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ প্রশাসন, অভিমত স্বাস্থ্য অধিকর্তার

    Dengue Update: সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে পাঁচ হাজার, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ প্রশাসন, অভিমত স্বাস্থ্য অধিকর্তার

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল :  ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়ানক। পুজোর মরশুমে প্রশাসন কোনও কাজ করেনি। এমনকি ডেঙ্গি আক্রান্তের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টও আসতে দেরি হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের থেকে অনেক পরে পাওয়া যাচ্ছে ডেঙ্গি রিপোর্ট। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্তের জন্য আলাদা বেড নির্ধারিত নেই। প্রয়োজনীয় পরিকল্পনার অভাব রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতিকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা কার্যত মেনে নিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী।

    স্বাস্থ্য দফতর (Health Department) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনের প্রশাসনিক বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান, হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গি রোগীর দিনে দু’বার প্লেটলেট কাউন্ট হচ্ছে না। তাই অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ে রক্ত দেওয়া হচ্ছে না। এতে পরিস্থিতি আরও সঙ্কটজনক হচ্ছে। তাছাড়া, ডেঙ্গি রোগীর জন্য হাসপাতালে আলাদা বেড নেই। তাই রোগী ভর্তি নিয়েও টালবাহানা হচ্ছে। সূত্রের খবর, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ডেঙ্গি পজিটিভ হলেই রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। রিপোর্ট দেরিতে পেলে বিপদ বাড়বে। ডেঙ্গি মোকাবিলা হবে না। কেন রিপোর্ট দেরিতে পাওয়া যাচ্ছে, সেটাও খতিয়ে দেখা জরুরি বলে তিনি এ দিনের বৈঠকে জানান।

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি এখন ভয়ঙ্কর। পুজোর পরে ডেঙ্গি পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাড়িয়েছে ১২ শতাংশ। এক সপ্তাহে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে পাঁচ হাজার। পুজোর মুখেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ডেঙ্গি চোখ রাঙাচ্ছিলো। স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানিয়েছিলেন, ঠিকমতো পরিকল্পনা মাফিক কাজ না করলে পুজোয় মানুষের হয়রানি আরও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য দফতরের পুজো পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়ল, শারদোৎসবে ডেঙ্গি আক্রান্তরা হয়রানির শিকার

    দুর্গা পুজোর শুরুতেই অবশ্য স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছিল, পুজোর সময় স্বাস্থ্য ভবনে আলাদা ডেঙ্গি কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। চব্বিশ ঘণ্টা কাজ হবে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্তের ভর্তি, রক্তের প্রয়োজন, কোথাও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে সেই এলাকার দিকে বিশেষ নজরদারির মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করবে এই বিশেষ কন্ট্রোল রুম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনও সুবিধা পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন ব্লাড ব্যাঙ্কে গেলে রক্ত পাওয়া যাবে, সেই তথ্যও পাওয়া যায়নি। পজিটিভ গ্রুপের রক্ত পেতেও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে রোগীর পরিজনদের।

    পুজোর আগে স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা ফি-বছরের হয়রানি মেনে নিয়ে বলেছিলেন, পুজোর সময় সরকারি হাসপাতালগুলোর পরিষেবা নিয়ে সমস্যা হয়। চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী, নার্স ছুটি নেন। সরকারি হাসপাতাল পরিষেবা থমকে যায়। কিন্তু যে হারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক না থাকলে, পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হবে। তাই সরকারি হাসপাতালগুলোতেও উৎসব স্পেশাল ডিউটি রোস্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্লাড ব্যাঙ্কে যাতে রক্তের জোগান ঠিক থাকে, সেদিকেও বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ডেঙ্গি চিকিৎসায় প্লেটলেট খুব জরুরি। কিন্তু অন্য বছরের মতো এ বছরেও পুজোর দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হলেন।

    শুক্রবার এই সমস্ত অভিযোগকে কার্যত মেনে নিলেন খোদ স্বাস্থ্য অধিকর্তা। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে তিনি জানান, ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য ডেঙ্গি তথ্য গোপন কিংবা পজিটিভ রিপোর্ট দেরিতে দিলে বিপদ আটকানো যাবে না। বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তাই আলাদাভাবে ডেঙ্গি মোকাবিলায় গুরুত্ব দিতে হবে। না হলে মশাবাহিত এই রোগ আরও ভয়ানক আকার নেবে।

  • Jasprit Bumrah: বুমরাহর পরিবর্ত কে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিমানে উঠবেন শামি না চাহার

    Jasprit Bumrah: বুমরাহর পরিবর্ত কে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিমানে উঠবেন শামি না চাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পিঠের চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন ভারতীয় দলের নির্ভরযোগ্য বোলার জসপ্রীত বুমরাহ। তবে এখনও বুমরাহর পরিবর্তে ভারতীয় দলে কে জায়গা করে নেবেন তা জানায়নি বিসিসিআই। দলে পরিবর্ত ক্রিকেটারের নাম জানানোর জন্য আইসিসির নির্ধারিত সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। তবে আইসিসির অনুমতি সাপেক্ষে পরিবর্ত ক্রিকেটারের নাম জানাতে পারবে বিসিসিআই। তার জন্যই চলছে শেষ লগ্নের প্রস্তুতি। মহম্মদ শামি না দীপক চাহার না অন্য কেউ কে অস্ট্রেলিয়ার বিমানে উঠবে তা খুব শীঘ্রই জানাবে বিসিসিআই।  তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ১২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হতে পারেন শামি।

    আরও পড়ুন: কোহলি থেকে কার্তিক! সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়ত এটাই

    ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শামির দুরন্ত রেকর্ড রয়েছে। ২০১৫ সালে অসিভূমে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বোলার ছিলেন তিনি। গত আইপিএলেও বল হাতে জ্বলে উঠেছিলেন শামি। তাঁর অভিজ্ঞতা আছে, তা ছাড়া শামি পরিস্থিতি অনুযায়ী বল করতে সক্ষম। তবে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি শামি।  তবে এখন তিনি করোনা মুক্ত। বর্তমানে  শামি ব্যাঙ্গালোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে রয়েছেন। নিজের ফিটনেসের দিকে নজর দিয়েছেন ভারত তথা বাংলার এই বোলার।  যদিও এখনও পর্যন্ত ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি থেকে মেডিক্যাল ক্লিয়ারেন্স পাননি মহম্মদ শামি। যে কারণে ভারতীয় দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেননি তিনি। তবে অনুমান, শীঘ্রই তিনি তা পেয়ে যাবেন।

    আরও পড়ুন: বিসিসিআই সভাপতি থাকছেন না মহারাজ! পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন রজার বিনি

    শামির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার যেতে পারেন দীপক চাহারও। মনে করা হচ্ছে, দুই খেলোয়াড়ই রিজার্ভ খেলোয়াড় হিসেবে দলের সঙ্গে থাকবেন। তবে চাহার এখনও পর্যন্ত সুস্থ নয় বলে বিসিসিআই সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে গিয়েছেন রোহিত শর্মারা। ১৬ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের খেলা। ২২ অক্টোবর থেকে শুরু মূল পর্বের খেলা। ২৩ অক্টোবর বিশ্বকাপের প্রথম খেলায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন রোহিতরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bomb threat: মস্কো থেকে দিল্লিগামী বিমানে বোমাতঙ্ক! উড়ো খবরে আতঙ্ক ছড়াল বিমানবন্দরে

    Bomb threat: মস্কো থেকে দিল্লিগামী বিমানে বোমাতঙ্ক! উড়ো খবরে আতঙ্ক ছড়াল বিমানবন্দরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল হতে না হতেই বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে। সূত্রের খবর, মস্কো থেকে দিল্লিতে (Moscow-Delhi Flight) আসা একটি বিমানে বোমা রাখা হয়েছে বলে ফোন আসে। আর তারপরেই হাই অ্যালার্ট জারি হয় বিমানবন্দরে। ফোনের পাশাপাশি, হুমকি মেলও আসে বলে বিমানবন্দর সূত্রের খবর। সিআইএসএফের কাছে মেল করে ওই বিমানে বোমা রাখার কথা জানান হয়। সেই হুমকি মেল পেতেই গোটা বিমানবন্দরকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। এয়ারপোর্টে নিরাপত্তারক্ষীরা কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপ তৈরি করে। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় দিল্লি পুলিশে (Delhi Police)। খবর পাঠানো হয় বম্ব স্কোয়াডকেও (Bomb Squad)। 

    আরও পড়ুন: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা 

    পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোর ৩:১৫ নাগাদ ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে মস্কো থেকে ফ্লাইট নাম্বার SU232। ৩৮৬ জন যাত্রী এবং ১৬ জন ক্রু মেম্বার নিয়ে ২৯ নং রানওয়েতে বিমানটি অবতরণ করে। প্রত্যেক যাত্রীকে নিরাপদে বিমান থেকে নামানো হয়। তারপর গোটা বিমান জুড়ে চলে তল্লাশি। বিমান পরীক্ষা করে দেখার পরও কিছু পাওয়া যায়নি। তবে বিমানবন্দরে সুরক্ষা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। একইসাথে বম্ব স্কোয়াডকে তৈরি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সকল যাত্রীদের ভালোভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং বিমানবন্দরের বাইরে ও ভিতরে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মমতার নাম ইডির নথিতে, সব জানতেন মুখ্যমন্ত্রী

     দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল এবং কে করেছিল তার সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। এর আগে সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে একটি লন্ডন থেকে আগত এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে বোম আছে বলে হুমকি ফোন এসেছিল। সে সময়ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহ আগেই ভারতের আকাশসীমায় ইরানের যাত্রীবাহী বিমান ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। ইরানের তেহরান থেকে চিনের গুয়াংজু যাওয়ার পথে মাহান এয়ার সংস্থার তরফে দিল্লি বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মাঝ আকাশে বোমার হুমকি থাকায় বিমানটি দিল্লিতে অবিলম্বে অবতরণের জন্য অনুমতি চায় তারা। বিমানটিকে জয়পুর যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় দিল্লি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের তরফে। তবে শেষমেশ বিমানের পাইলট ভারতের আকাশসীমা ছেড়ে চলে যান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BCCI President: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন রজার বিনি! জানেন তিনি কে?

    BCCI President: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন রজার বিনি! জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জায়গায় বিসিসিআই সভাপতি হতে চলেছেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অলরাউন্ডার রজার বিনি। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে ভারতের হয়ে ৭২টা ওডিআই, ২৭টা টেস্ট খেলেছেন বিনি। ১৮ অক্টোবর মুম্বইয়ে বিসিসিআই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখনও পর্যন্ত সভাপতি পদে আর কেউ মনোনয়ন জমা দেননি। অতএব বলাই যায়, সৌরভ পরবর্তী জমানায়  বিসিসিআইয়ের সভাপতি নির্বাচিত হতে চলেছেন কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি ৬৭ বছর বয়সী রজার বিনি।

    আরও পড়ুন: বিসিসিআই সভাপতি থাকছেন না মহারাজ! পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন রজার বিনি

    ৯ জুলাই ১৯৫৫ তে বেঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন রজার মাইকেল হামফ্রে বিনি। ছোট থেকেই খেলার প্রতি ছিল তাঁর প্রবল অনুরাগ। স্কুলে থাকাকালীন তিনি ফুটবল ও হকি খেলেন। বর্শা নিক্ষেপ করে রেকর্ডও গড়েন বিনি। তারপর ক্রিকেটের প্রতি প্রেম। রজার বিনি প্রথম অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান হিসেবে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করেন। ১৯৭৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে অভিষেক হয় তাঁর। ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে সর্বোচ্চ ১৮ উইকেট সংগ্রহ করেছিলেন বিনি।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের আগে বোলিং চিন্তায় ফেলেছে ভারতকে! বুমরাহর পরিবর্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন সামি

    তবে, সৌরভের বদলে কেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট রজার বিনি! ধারে-ভারে, মাঠের গরিমা, মাঠের বাইরের ক্যারিশ্মায় সৌরভের সঙ্গে কোনও তুলনাই চলে না বিনির। তবুও কেন সৌরভের রিপ্লেসেমেন্ট তিনি!বোর্ড সূত্রে খবর, প্রশাসক হিসেবে সৌরভকে নাকি পছন্দ নয় বহু রাজ্যের কর্তাদের। তাই সৌরভকে সরে যেতে হচ্ছে। তবে সৌরভের  জায়াগায় আনা যেতে পারত বোর্ড সচিব জয় শাহকে! তবে, প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি পরিবারতন্ত্রের বিরোধী। স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি সাফ বলেছিলেন, দেশের অনেক সংস্থায় স্বজনপোষণ, পরিবারতন্ত্রের প্রচ্ছন্ন ছায়া রয়েছে। এই পরিবারতন্ত্র আগে নির্মূল করতে হবে। তাই জয় শাহকে সচিব পদ থেকে সভাপতি করা হলে পরিবারতন্ত্রের কথা তুলতেন বিরোধীরা। তাই পছন্দ সদা বিতর্ক থেকে দূরে থাকা বিনিকেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jasprit Bumrah: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুমরাহর বিকল্প কে? শামি না সিরাজ দ্বিধাবিভক্ত নির্বাচকরা

    Jasprit Bumrah: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুমরাহর বিকল্প কে? শামি না সিরাজ দ্বিধাবিভক্ত নির্বাচকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে পারথে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়াকে ১৩ রানে হারানোয় রোহিত শর্মাদের মনোবল তুঙ্গে। তবে জাতীয় নির্বাচকদের ঘুম উড়ে গিয়েছে যশপ্রীত বুমরাহর পরিবর্ত খুঁজতে গিয়ে। একটা সময় লড়াইয়ে ছিলেন মহম্মদ শামি, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজ। যদিও চোট পাওয়ায় দীপক চাহারের বিশ্বকাপ খেলার আর কোনও সম্ভাবনা নেই। এখন শামি ও সিরাজের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে নির্বাচকদের।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের আগে বোলিং চিন্তায় ফেলেছে ভারতকে! বুমরাহর পরিবর্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন সামি

    শামি ও সিরাজের মধ্যে কোনও একজনকে বেছে নেওয়া সহজ কাজ নয়। একদিকে সামির অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে সিরাজের তারুণ্য। দু’টোই বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে শামি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দারুণ বল করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে দিতে পারে টিম ইন্ডিয়ার। আবার সদ্য সমাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ একদিনের সিরিজে বল হাতে কার্যত আগুন ঝরিয়েছেন সিরাজ। তাঁর গতি অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে দারুণ কার্যকর হতে পারে বলে মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের। স্বাভাবিকভাবেই দু’জনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া সহজ নয়। তাই বুমরাহর বিকল্প খুঁজতে গিয়ে ঘুম উড়ে গিয়েছে চেতন শর্মাদের।

    আরও পড়ুন: বিসিসিআই সভাপতি থাকছেন না মহারাজ! পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন রজার বিনি

    পাল্লা কিছুটা হলেও ভারী শামিরই। করোনা মুক্ত হওয়ার পর তিনি কোনও ম্যাচ খেলেননি। তবে ফিট। তাই অস্ট্রলিয়া উড়ে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপের আগে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচে তাঁকে খেলানোর পর নির্বাচকরা হয়তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। অস্ট্রেলিয়া উড়ে যাচ্ছন সিরাজও। তবে যে রকম ফর্মে তিনি আছেন, তাতে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে তাঁকে না দেখার কোনও কারণ নেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকরও ব্যাট ধরেছেন সিরাজের হয়ে। তাঁর যুক্তি, ‘শামি অনেকদিন খেলার বাইরে। হঠাৎ করে ওকে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নামিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তার চাইতে ফর্মে থাকা সিরাজকে খেলানো উচিত। ১৫ জনের দলে এখনও কেউ নির্বাচিত হননি। দেখা যাক নির্বাচকরা কাকে বেছে নেয়।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: সুপ্রিম কোর্টেও রক্ষা মিলল না! আগামী কয়েকদিন ইডির হেফাজতেই মানিক ভট্টাচার্য

    Manik Bhattacharya: সুপ্রিম কোর্টেও রক্ষা মিলল না! আগামী কয়েকদিন ইডির হেফাজতেই মানিক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জোর ধাক্কা খেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টচার্য  (Manik Bhattacharya)। আপাতত তাঁকে ইডির (ED) হেফাজতেই থাকতে হবে। মঙ্গলবার তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গতকালই তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদলতে তোলা হয়েছিল। ইডির গ্রেফতারি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মানিকের আইনজীবী। কিন্তু আবেদেন সাড়া দিল না দেশের সর্বোচ্চ আগালত। মানিকের আইনজীবী মুকুল রোহতগি মামলার দ্রুত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর ডিভিসন বেঞ্চ তাতে সাড়া দেয়নি। ইডিকে এই মামলায় নোটিস দিতে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত। আগামী সোমবার শুনানি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যের গোপন অফিসের খোঁজ! কী হত সেখানে?

    রাজ্যে শিক্ষা ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা যাতে তাঁকে এই মামলায় গ্রেফতার করতে না পারে, তার জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মানিকের আইনজীবী। রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তিনি। যা বহাল ছিল পুজো পর্যন্ত। কিন্তু ইডির ক্ষেত্রে এই নির্দেশ বলবত হয়নি। তাই মঙ্গলবার ম্যারাথন জেরায় মানিক ভট্টাচার্য তদন্তে অসহযোগিতা করছে, এই অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে গ্রেফতার করে ইডি। তখন মানিক ভট্টাচার্যের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁর মক্কেলকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করেছে। মানা হয়নি সুপ্রম কোর্টের রায়। এই যুক্তি সামনে রেখেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও জোর ধাক্কা খেলেন মানিক ভট্টাচার্য।

    আরও পড়ুন: কিংপিন মানিকের আমলেই ৫৮ হাজার বেআইনি চাকরি, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির

    তদন্তে ইতিমধ্যেই মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধ আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বহু প্রমাণ পেয়েছে ইডি। তাঁর ছেলেও এই কুকর্মের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। কারণ, মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখার সময় ইডি আধিকারিকরা বিপুল পরিমাণ টাকার বেশি হদিশ পেয়েছেন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জাল মানিক ভট্টাচার্যের মাধ্যমেই বিছানো হয়েছিল বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। কারণ, মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে পাঁচশোর বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গ যুক্ত ছিলেন। যার বিনিময়ে তিনি ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছিলেন বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • mominpur-ekbalpur-clash: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    mominpur-ekbalpur-clash: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) জামানায় বাংলার মাটিতে কোনও মানুষই সুরক্ষিত নন। তার আরও একটা প্রমাণ মিলল রবিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (mominpur) ঘটনায়। সাম্প্রদায়িক হিংসার (ekbalpur-clash) আগুনে ছারখার হল বহু দোকান। জ্বালিয়ে দেওয়া হল বাইক। যা শিউরে ওঠার মতোই ঘটনা। স্বাভাবিকভাবেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। এই ঘটনার বিরুদ্ধে সরব বিজেপি নেতারা। সুকান্ত মজুমদার থেকে শুভেন্দু অধিকারি, দিলীপ ঘোষ সকলেই ট্যুইটারে তীব্র নিন্দা করেছেন। একই সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবিলম্বে মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও তুলেছেন তিনি।

    শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করে লেখেন, ‘ইকবালপুর থানা দখল হয়ে গিয়েছে। ভয়ে থানা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে মমতার পুলিশ। কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রাজ্যের মুখ্যসচিব কোনও কাজের না। তাই অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা দরকার। সেই আবেদনই আমরা করেছি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে।।’

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    সোমবার সকালে শুভেন্দু ফের ট্যুইট করেন। তিনি বলেন, আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পাশাপাশি চিঠি লিখেছি রাজ্যপাল লা গণেশনকে। পুরো পরিস্থিতি তুলে ধরেছি। মোমিনপুরের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। ইকবালপুর থানায় লুটপাট ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ। তারা কীভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবে। তাই কেন্দ্রীয়বাহিনী মোতায়েন করা ছাড়া কোনও উপায় নিয়ে। পরিস্থিতি হাতে বাইরে চলে যাওয়ার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাকি উপাচার্যরাও পদত্যাগ করুন! সোনালি চক্রবর্তীর অপসারণের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাকি উপাচার্যরাও পদত্যাগ করুন! সোনালি চক্রবর্তীর অপসারণের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (Calcutta University VC) পুনর্নিয়োগ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের রায় মেনেই  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে অপসারিত হবেন সোনালী চক্রবর্তী (Sonali Chakraborty)। এই রায়ের পরই রাজ্য সরকারকে এক হাত নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেআইনিভাবে নিয়োগ হওয়া রাজ্যের অন্যান্য উপাচার্যদের অবিলম্বে পদত্যাগের কথা বলেন। 

    ট্যুইটবার্তায় শুভেন্দু জানান, ‘সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অরসারণের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের রায়ই বহাল রেখেছে। তাই, এই রাজ্যে বেআইনিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সমস্ত উপাচার্যদের অবিলম্বে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা জরুরি। এটা ওই উপাচার্যদের নৈতিক দায়িত্ব।’ তিনি তাঁর ট্যুইটে  ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, যেভাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে সেইভাবেই যেসব উপাচার্যদের নিয়োগ করা হয়েছে তাদের আদালতের কোপে পড়ার আগেই মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে সরে আসার পথ বেছে নেওয়া উচিৎ।

    আরও পড়ুন: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নন সোনালি চক্রবর্তী! তাঁর অপসারণেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট

    গত বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তীর পুনরায় নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি রাজ্য সরকার জারি করেছিল সেপ্টেম্বর মাসে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতও সেই রায় বহাল রাখল। মঙ্গলবার আদালতের পর্যবেক্ষণ, রাজ্যপালের ক্ষমতার অপব্যবহার করে সোনালী চক্রবর্তীকে পুনর্নিয়োগ করেছিল রাজ্য সরকার। পদ্ধতিগত ত্রুটি হয়েছে। তাই কলকাতা হাইকোর্টের রায় একদম সঠিক ছিল। বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও হিমা কোহলির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি  হয়। গত বছর তৎকালীন রাজ্যপাল ও আচার্য জগদীপ ধনকড় কোনওরকম বাছাই ছাড়াই সোনালি চক্রবর্তীর পুনর্নিয়োগকে স্বজনপোষণের অনন্য নজির বলে উল্লেখ করেছিলেন। রাজভবনের সিলমোহর ছাড়াই বেআইনি ভাবে ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন ধনকড়। এবার সেই উপাচার্যদেরই সময় থাকতে সসম্মানে সরে যাওয়ার কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share