Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • T-20 World Cup 2022: বিশ্বকাপের আগে বোলিং চিন্তায় ফেলেছে ভারতকে! বুমরাহর পরিবর্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন সামি

    T-20 World Cup 2022: বিশ্বকাপের আগে বোলিং চিন্তায় ফেলেছে ভারতকে! বুমরাহর পরিবর্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেন সামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপ (T-20 World Cup) খেলতে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে গিয়েছেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma), বিরাট কোহলিরা (Virat Kohli)। আইসিসি’র (ICC) এই মেগা ইভেন্টে ভারত অভিযান শুরু করবে ২৩ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই ভারতের সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। এই মহাম্যাচ ঘিরে পারদ ক্রমশ চড়ছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বহুদিন দাপট অব্যাহত রেখেছিল টিম ইন্ডিয়া (Team India)। সম্প্রতি সেই গর্বের ইতিহাস কিছুটা ফিকে হয়েছে। গত টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে বশ মেনেছিল ভারত। এশিয়া কাপেও সুপার ফোরের লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছিল পাকিস্তান। তাই ডনের দেশে টি-২০ বিশ্বকাপ অভিযানের আগে রোহিত শর্মারা কিছুটা চাপে। বোলিং সমস্যা কিছুটা ব্যাকফুটে রেখেছে ভারতকে।

    আরও পড়ুন: বিসিসিআই সভাপতি থাকছেন না মহারাজ! পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন রজার বিনি

    বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় শিবির খুব একটা স্বস্তিতে নেই। কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বোলিং। কারণ, ১৫ জনের স্কোয়াড থেকে ছিটকে গিয়েছেন যশপ্রীত বুমরাহ। পুরানো চোটে তিনি কাবু। তাঁর মতো পেসারের অভাব পূরণ করা সহজ ব্যাপার নয়। তাই বুমরাহর পরিবর্ত খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। খুব সম্ভবত মহম্মদ সামিকে বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও সামি দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে। করোনা থেকে সেরে উঠলেও ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ পাননি তিনি। তাই মনে করা হচ্ছিল, দীপক চাহারকে স্ট্যান্ডবাই থেকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে রাখা হবে। কিন্তু চাহারও চোটের কবলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তাঁকে দেখে নিতে চেয়েছিলেন জাতীয় নির্বাচকরা। আপাতত সেই সম্ভাবনা বিশ বাঁও জলে। সিরিজ থেকেই ছিটকে গিয়েছেন পেসারটি। তাই বিশ্বকাপ দলে ঢোকারও সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপের পরেই অবসর নেবেন লিওনেল মেসি! কী বললেন তিনি?

    হাতে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদেরকে দিয়েই কাজ চালাতে হবে কোচ দ্রাবিড়কে। তবে হার্শল প্যাটেল, ভুবনেশ্বর কুমাররা যদি দ্রুত ফর্মে ফেরেন, তাহলে চিন্তার কালো মেঘ ধীরে ধীরে কাটবে। অর্শদীপ সিংয়ের মতো বাঁহাতি তরুণ পেসার এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের তুরুপের তাস হতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে হাদির্ক পান্ডিয়াকেও। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও তিনি চমক দিতে পারেন। ২০০৭ সালের পর টি-২০ বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ‘মেন ইন ব্লু’। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে সেই আক্ষেপ মিটবে কিনা সময় বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tarapith: আজ তারা মায়ের আবির্ভাব দিবস! উত্তরমুখী তারা মা’কে এদিন পশ্চিম মুখে বসানো হয় কেন জানেন?

    Tarapith: আজ তারা মায়ের আবির্ভাব দিবস! উত্তরমুখী তারা মা’কে এদিন পশ্চিম মুখে বসানো হয় কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথিত আছে আশ্বিনের শুক্লপক্ষের চতুর্দশীতে মা তারার (Tara Maa) আবির্ভাব ঘটে তারাপীঠে (Tarapith Temple)। জনশ্রুতি,কোজাগরী পূর্ণিমার আগের দিন তারাপীঠ মহাশ্মশানের শ্বেত শিমুল গাছের নীচে দেবীর শিলামূর্তি পেয়েছিলেন ঋষি বশিষ্ঠ। পরে সেই মূর্তি তলিয়ে যায় কালের গর্ভে। পাল রাজাদের আমলে জয়দত্ত সওদাগর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে দেবীর শিলা মুর্তি উদ্ধার করে মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন। জয়দত্তের পর নাটোরের রানি পুনরায় তৈরি করেন মন্দির। 

    আজ শনিবার, তারা মায়ের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে  সকাল থেকেই তারাপীঠ মন্দিরে ভক্তদের ঢল নেমেছে। শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর তোড়জোড়। তারা মা সাধারণভাবে উত্তরমূখী হলেও, এ দিন তাঁকে পশ্চিম দিকে মুখ করে বসানো হয়। আয়োজন করা হয় বিশেষ পুজোর। তার জন্য চলছে শেষ লগ্নের প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে মন্দির চত্বরে বহু দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় জমিয়েছেন শুধুমাত্র আজকের দিনে মা তারার দর্শনের জন্য। কথিত আছে,  বাংলার ১১০৮ ও ইংরেজির ১৭০১ সালে তান্ত্রিক ও পুরোহিতরা এই আবির্ভাব তিথিতে বিশ্রাম মন্দিরের পূর্ব দিকে মুখ করে পুজোয় বসতেন ৷ সে সময় মালুটির নানকার রাজা রাখর চন্দ্র মায়ের সামনে আরাধনায় বসেন৷ তা দেখে তান্ত্রিক, সাধকরা রাজাকে পুজোয় বাধা দেন৷ শুধু তাই নয়, তাঁর পুজো বন্ধ করে দেন৷ অভিমান করে রাজা চলে যান দ্বারকা নদীর পশ্চিম পাড়ে ৷ সেখানেই ঘট প্রতিষ্ঠা করে শুরু করেন পুজো৷ পুজো শেষে ফিরে যান মলুটি গ্রামে ৷ সেই রাতেই তৎকালীন প্রধান তান্ত্রিক আনন্দনাথকে স্বপ্নে দেখা দেন তারা মা৷ বলেন, রাখরচন্দ্র আমার ভক্ত, সে অভিমান করে চলে গিয়েছে ৷ এ বার থেকে আমার পুজো যেন পশ্চিম মুখে মলুটির কালিবাড়ির দিকে মুখ করেই করা হয় ৷ তারপর থেকে এই দিকে দেবী-কে একদিনের জন্য পশ্চিম মুখে বসিয়ে পুজো করার রীতি।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর পরে পূর্ণিমা তিথিতে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় মাতে বাঙালি! জানেন কেন “কোজাগরী” পুজো বলে?

    আজকের দিনেই মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে বের করে এনে বিশ্রাম কক্ষে রাখা হয়। সন্ধের পর আবাবও তাঁকে গর্ভগৃহে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সারাদিন বিরাম মঞ্চে থাকার পর বিকেলে আরতির পর তারা মা-কে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূলমন্দিরে। স্নানের পর নবরুপে সাজানো হয় দেবীমূর্তিকে। রীতি অনুযায়ী আজ মা তারার উপোস। এ দিন মায়ের মধ্যাহ্ন ভোগ হয় না। দিনভর তাই ফল-মিষ্টি খান মা সন্ধ্যায় মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে ভোগ নিবেদন করা হয়। মা তারা যেহেতু অভুক্ত থাকেন, তাই প্রসাদ নিবেদন না হওয়া পর্যন্ত আজ মন্দিরের সব সেবায়েত অভুক্ত থাকেন ৷ মাকে ভোগ নিবেদনের পর তাঁরা প্রসাদ গ্রহণ করেন।

  • Dhamma Chakra Pravartan Din: ক্ষমা চাইতে হবে, হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে আপ মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    Dhamma Chakra Pravartan Din: ক্ষমা চাইতে হবে, হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে আপ মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও বিশ্বাস নেই। হিন্দু দেব-দেবীদের পুজো নয়। আম আদমি পার্টির দিল্লির মন্ত্রী  রাজেন্দ্র পাল গৌতমের এই শপথের ভিডিও ভাইরাল হতেই দেশজুড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আম আদমি পার্টির নেতার বিরুদ্ধে হিন্দু দেবতাদের অপমান করার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাঁকে বহিষ্কার করার দাবি জানানো হয়েছে। ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও। আপের তরফে প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কিছু বলা না হলেও সূত্রের খবর, গোটা ঘটানায় ক্ষুব্ধ আপ প্রধান কেজরিওয়াল। 

    আরও পড়ুন: মোদির সফল নেতৃত্বের দৌলতেই আজ বিশ্বে ভারতের গুরুত্ব বৃদ্ধি, বললেন জয়শঙ্কর

    গত ৫ অক্টোবর দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাজেন্দ্র। এই দিনটিতেই ১৯৫৬ সালে বুদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন ডঃ বি আর আম্বেদকর। সেই দিনটিতেই ধম্মচক্র প্রবর্তন দিবস (Dhamma Chakra Pravartan Din) পালন করা হয়। সেই উপলক্ষে বহু মানুষ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্মে দিক্ষিত হন। সেই ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল ভিডিয়ো অনুযায়ী শপথ বাক্য পাঠের সময় আপ মন্ত্রী বলেন, “আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও বিশ্বাস নেই। এই দেবতাদের আমি পুজোও করি না। রাম বা কৃষ্ণের উপরেও আমার কোনও বিশ্বাস নেই। যাঁদেরকে অবতার বলে চালানো হচ্ছে।” 

    দিল্লির আম্বেদকর ভবনে ধর্মান্তকরণের ওই অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে গিয়েই আপ মন্ত্রীর শপথ নেওয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। আপ মন্ত্রীর ভাইরাল ভিডিয়ো নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লেখেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল ভারত বিভাজনের প্রকল্প নিয়েছেন। কোনও ভুল নেই যে হিন্দুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানোর মূল কারিগর কেজরিওয়ালই।” অমিত মালব্যর পাশাপাশি এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন দিল্লির বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারিও। তিনি বলেন, “এভাবে তো হিন্দু এবং বৌদ্ধ দুই ধর্মকেই অপমান করা হল। আপের মন্ত্রীর কার্যকলাপ দেখে মনে হচ্ছে, উনি হিংসাকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইছেন।”  পাশাপাশি, আপের মন্ত্রীকে দল থেকে বহিষ্কারেরও দাবি তুলেছেন বিজেপি সাংসদ। যদিও ট্যুইট করে গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন রাজেন্দ্র পাল গৌতম। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kojagari Puja: দুর্গাপুজোর পরে পূর্ণিমা তিথিতে ধন-সম্পদের দেবী  লক্ষ্মীর আরাধনায় মাতে বাঙালি! জানেন কেন “কোজাগরী” পুজো বলে? 

    Kojagari Puja: দুর্গাপুজোর পরে পূর্ণিমা তিথিতে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় মাতে বাঙালি! জানেন কেন “কোজাগরী” পুজো বলে? 

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: “এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরেআমার এ ঘরে থাকো আলো করে “-  এই ছন্দেই বাঙালি ধনদেবীর আরাধনা করে।

    লক্ষ্মী দেবীকে এই রীতিতে আবাহন করার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর মাহাত্ম্য। শারদীয়া দুর্গাপুজোর অন্তে পূর্ণিমা তিথিতে পুজো হয় দেবী লক্ষ্মীর। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনি ধন, ঐশ্বর্য, সমৃদ্ধি, সুখ, শান্তি প্রদানকারী দেবী। বাংলার গৃহস্থ কত্রী থেকে সমাজের বণিক বা ব্যবসায়ী প্রত্যেকের কাছেই সাদরে পূজিতা হন এই দেবী। প্রতিমা ছাড়া শুধুমাত্র ঘট এবং অন্যান্য প্রতীকের মাধ্যমেও অনেক গৃহে দেবীর উপাসনা হয়। দুর্গাপূজার মন্ডপগুলিতেও কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো নিশ্চয়ই আমাদের দৃষ্টি এড়ায় না। গ্রাম বাংলায় ধানের গোলা সমেত মাটির দেওয়ালের বাড়ি এখন আর সেভাবে দেখা যায় না। লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে গোবরের গোলা এবং আলপনায় এই মাটির বাড়িগুলোই যেন সবথেকে বেশী প্রাণবন্ত হয়ে উঠতো।  

    এবার আসা যাক, “কোজাগরী” শব্দের আক্ষরিক বিশ্লেষণে- কোজাগরী শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত শব্দ ‘কো জাগতী’ থেকে। এর অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ বিশ্বাস মতে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে ধন-সম্পদ-ঐশ্বর্য এর দেবী লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্ত্যে অবতীর্ণ হন এবং প্রতিটি ভক্তের বাড়ি গিয়ে সুখ, সমৃদ্ধি  প্রদান করেন। কথিত আছে, এ ক্ষেত্রে যে বাড়ির দরজা খোলা থাকে একমাত্র সেই বাড়িতেই প্রবেশ করেন দেবী কারও বাড়ির দরজা বন্ধ থাকলে, তাঁর বাড়িতে লক্ষ্মী প্রবেশ করেন না ও সেখান থেকে ফিরে চলে যান। এ কারণে লক্ষ্মীপুজোর রাতে জেগে থাকার রীতি প্রচলিত আছে। সারা রাত জেগে লক্ষ্মী আরাধনাই এই পুজোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এখানেই কোজাগরী শব্দ এই লক্ষ্মী পুজোর সাথে সম্পর্কিত হয়ে ওঠে। বাংলার প্রতিটি ঘর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে , প্রদীপের আলোতে সুসজ্জিত থাকে।

    প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর পরে এই বিশেষ পূর্ণিমার রাতে যে ব্যক্তি জেগে পাশা খেলেন, দেবী লক্ষ্মী তাঁকে ধনসম্পদ দান করেন। মূর্তি ছাড়াও নানান প্রতীকের মাধ্যমে দেবীকে কল্পনা করে পুজো করা হয়, এই বিশেষ পূর্ণিমার রাতে।  গৃহস্থ কত্রীরা এই প্রতীকগুলির ভিন্ন ভিন্ন নামকরণও করেছেন যেমন আড়ি লক্ষ্মী। এ ক্ষেত্রে ধান ভর্তি ঝুড়ির ওপর কাঠের লম্বা দুটি সিঁদুর কৌটো লালচেলিতে মুড়ে লক্ষ্মীর রূপ দেওয়া হয়। “বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী”- বাণিজ্যের উপর মা লক্ষ্মীর কৃপা দৃষ্টি পেতে আবার কোন বণিক না চায়! তাই  কলার পেটোর তৈরি নৌকা লক্ষ্মী আরাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলিকে সপ্ততরী বলা হয়। বাণিজ্যিক নৌকার প্রতীক এই সপ্ততরী। অনেকেই পুজোর সময় এই সপ্ততরীতে টাকা, শস্য, হরিতকি, কড়ি, হলুদ রাখেন।

    পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় লক্ষ্মীসরা আঁকা হয়। বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল ভেদে এই সরায় অঙ্কিত পুতুলের সংখ্যাও বদল হয়ে যায়। কোথাও তিনটি, কোথাও পাঁচটি, কোথাও সাতটি পুতুল আঁকা হয়। এতে থাকে লক্ষ্মী, জয়া ও বিজয়া-সহ লক্ষ্মী, রাধাকৃষ্ণ, সপরিবার দুর্গা ইত্যাদি। সুরেশ্বরী সরা নামক একপ্রকারের সরা দেখা যায় যেখানে মহিষাসুরমর্দিনী অর্থাৎ মা দুর্গা আঁকা থাকে। আর এই সরার নীচের দিকে থাকেন সবাহন লক্ষ্মী। আবার কলার বের ও লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পোড়া মাটির ঘটকেও লক্ষ্মী রূপে কল্পনা করে পুজো করা হয়। এই ঘটে চাল বা জল ভরে সেটিকে লক্ষ্মী কল্পনা করে পুজো করা হয়। অনেক জায়গায় গৃহস্ত কত্রীরা নিজেরাই এই পুজো করতে পারেন৷ শ্বেতপদ্ম ও শ্বেতচন্দন দ্বারা দেবী  লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। নৈবেদ্যতে ফলমূল তো রাখতেই হয়, বিশেষ ভাবে থাকে চিড়ে এবং নারকেল। আতপ চাল তো লাগেই।  ঘরে ঘরে আলো জ্বেলে রাখা হয়, ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে ঘরে আলো জ্বলে সেখানেই মা লক্ষ্মী পা রাখেন। মা লক্ষ্মীর ঘটের সামনে কড়ি রাখা হয়। প্রতিটি দ্বারে দ্বারে আলপনা দেন গৃহস্থ কত্রীরা। লক্ষ্মী দেবীর ১০৮ নাম জপ করলে এবং কোজাগরী পূর্ণিমার দিন লক্ষ্মী পাঁচালি পড়লে সৌভাগ্যের উদয় হয় , গৃহে সুখ, শান্তি, ধন , সম্পত্তি আসে বলেই ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে।

  • Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর হিংসায় (Mominpur clash) ভোট বাক্সের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বিজেপি (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইট করে এ নিয়ে খোঁচা দিয়েছন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন এত বড় ঘটনা যেখানে তিন জন আইপিএস অফিসার আক্রান্ত, আহত একাধিক পুলিশ কর্মী সেখানে কেন চুপ রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো?  ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে তাঁরা কোনও গোষ্ঠীকে আড়াল করছেন? 

    প্রসঙ্গত, গত ১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্তা। সেই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসএসকেএমে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর এসএসকেএম চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন যে পুলিশ অনেক সংযত থেকেছে। তিনি থাকলে বিজেপি কর্মীদের মাথায় গুলি করতেন। তাহলে এখন প্রকৃত দোষীদের মাথায় গুলি করার কথা বলছেন না কেন অভিষেক ? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি ওই ঘটনায় আক্রান্ত  সিএমআরআই-তে চিকিৎসাধীন অফিসারদের সঙ্গে দেখাও করতে যাননি কেউ। তবে কী নিজের গা বাঁচিয়ে চলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? 

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশে রাজ্যের পাঠানো রিপোর্ট বিশ্লেষণের পর মোমিনপুর হিংসায় NIA-তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  শুক্রবার রাতে ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নেতৃত্বে রেখে সিট গঠন করে। কারা এই হামলায় যুক্ত তা খুঁজে বার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলে আদালত। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এই ঘটনার রিপোর্ট নিয়ম মেনে কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে তারা। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে মোমিনপুরে NIA তদন্ত প্রয়োজন কি না তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, NIA তদন্ত হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Women’s Asia Cup: শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

    Women’s Asia Cup: শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলেরা পারেনি, মেয়েরা পারল। রোহিত-কোহলিদের আক্ষেপ মেটালেন হরমনপ্রীত-স্মৃতি মান্ধানারা। একপেশে ফাইনালে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কাকে (India vs Sri Lanka) আট উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপ  (Women’s Asia Cup) চ্যাম্পিয়ন হল ভারতের মেয়েরা।  প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬৫/‌৯ তোলে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৮.‌৩ ওভারে ২ উইকেটে ৭১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। 

    শনিবার বাংলাদেশের শিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার মুখোমখি হয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে মাত্র ৬৫ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৮.‌৩ ওভারে ২ উইকেটে ৭১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। এদিন দুরন্ত বোলিং করলেন রেনুকা সিং, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, স্নেহ রানারা। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চামিরা আতাপাত্তু। কিন্তু ভারতের বোলারদের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা। ভারতের সামনে জয়ের জন্য মাত্র ৬৬ রানের লক্ষ্য খাড়া করতে সমর্থ হয়।

    আরও পড়ুন: সাইবাবার জীবন জুড়ে রয়েছে নানান অলৌকিক কাহিনী! তাঁর তিরোধান দিবসে জানুন সেই গল্প

    ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। ৩ ওভারে ৩০ রান ওঠে। তখনই প্রায় জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। চতুর্থ ওভারে রণবীরার বলে স্টাম্পড হন শেফালি ভার্মা (‌৫)‌। পরের ওভারেই কভিশা দিলহারির বলে বোল্ড হন জেমিমা রডরিগেজ (‌২)‌। দারুণ ব্যাটিং করে ভারতকে জয় এনে দেন স্মৃতি মান্ধানা। ২৫ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৬টি ৪, ৩টি ৬। রনসিংঘেকে ৬ মেরে দলকে কাঙ্খিত জয় এনে দেন স্মৃতি। হরমনপ্রীত ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেলেন ভারতের রেনুকা সিং। প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পেলেন দীপ্তি শর্মা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: মানিক ঘনিষ্ঠের টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে ইডি! ভাঙা হল তালা, জানেন কী মিলল?

    Manik Bhattacharya: মানিক ঘনিষ্ঠের টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে ইডি! ভাঙা হল তালা, জানেন কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মহিষবাথানে মানিক (Manik Bhattacharya) ঘনিষ্ঠের টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে (Teachers Training Center) তল্লাশি চালাল ইডি। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তালা ভেঙে ঢোকেন ইডির অফিসারেরা। ইডি (ED) সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যোগ রয়েছে। সেই কারণেই অভিযান। 

    এদিন সকালে এক মহিলা অফিসার-সহ ইডির ছ-জন আধিকারিক মহিষবাথানের মিনার্ভা এডুকেশেন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটিতে তদন্তে আসে। ওই ট্রেনিং সেন্টার চালাতেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি। ইডি যখন এদিন এখানে আসে তখন সেন্টারটি তালা বন্ধ ছিল। স্থানীয়দের কাছ থেকে ওই সেন্টারের একটি মোবাইল নম্বর নিয়ে ফোন করা হয়। কিন্তু কেউ ফোন তোলেননি। তখন স্থানীয় এক চাবিওয়ালাকে ডেকে এনে তালা ভাঙেন তদন্তকারীরা। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এরপর তল্লাশি চালায় ইডি।

    আরও পড়ুন: শুধু চাকরি নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক! অভিযোগ ইডির

    ইডি আধিকারিকরা জানতে পারেন যে সময়ে রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে উত্তাল ছিল, সেই সময় অর্থাৎ ২ মাস আগে আচমকাই এই সেন্টারের সামনের সাইনবোর্ড খুলে ফেলা হয়। কেন হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেওয়া হল? তা নিয়ে বাড়ছে দ্বন্দ্ব। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি তৎপরতা বাড়তেই এই ট্রেনিং সেন্টার বন্ধ করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। আলিমারি থেকে যেমন নথি বের করে দেখা হচ্ছে, তেমনই সব ছবি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রচুর নথি মিলেছে। তা খতিয়ে দেখছে ইডি। এদিকে, এই ভাড়া নেওয়া সেন্টারের বাড়িওয়ালার দাবি প্রায় পাঁচ মাস ভাড়া বাকি রয়েছে। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে এই সেন্টারের বিষয়ে সবরকম তথ্য সংগ্রহেরও চেষ্টা করে চলেছেন ইডির আধিকারিকরা। সেন্টারের মধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরার দিকেও নজর রেখেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: মামলার পথে ১৪০০ চাকরি প্রার্থী! প্রাথমিক নিয়োগে অতীতে এত আবেদন জমা পড়েনি

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর এই ঘনিষ্ঠের খোঁজ পায় ইডি। তিনি যে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার চালাতেন মহিষবাথানে, তা জানতে পেরেই হানা দেওয়া হয় এখানে। যে সমস্ত অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ হয়েছে, তাঁদের এখানেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে? এখান থেকেই কি নকল ওএমআর সিট তৈরি হয়েছে? এইসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Primary Teacher Recruitment: মামলার পথে ১৪০০ চাকরি প্রার্থী! প্রাথমিক নিয়োগে অতীতে এত আবেদন জমা পড়েনি

    Primary Teacher Recruitment: মামলার পথে ১৪০০ চাকরি প্রার্থী! প্রাথমিক নিয়োগে অতীতে এত আবেদন জমা পড়েনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি চাই, চাকরি! পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক-যুবতীদের এটাই যেন এখন একমাত্র স্লোগান। টেট পাস করে মেরিট লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও অনেকে চাকরি থেকে বঞ্চিত। আবার পাস না করেও চাকরি করছেন অনেকে। যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা দিনের পর দিন ধর্না দিয়েছেন। আবেদন জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের কাছে। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। এবার তাই মামলার পথ বেছে নিলেন ১৪০০ চাকরি প্রার্থী। আরও ২০০০ চাকরি প্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন। প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় একদিনে কলকাতা হাইকোর্টে এক সঙ্গে এত আবেদন অতীতে জমা পড়েনি। তাই এটা এক নজিরবিহীন ঘটনা।

    আরও পড়ুন: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    যাঁরা নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই ২০১৪ সালে প্রাইমারি টেট (Primary TET) পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই এই পরীক্ষায় যাঁরা বসেছিলেন, তাঁদের দু’বার নিয়োগও হয়েছে। ২০১৬ সালের পরীক্ষায় নিয়োগ হয়েছে চার বছর পর পর অর্থাৎ ২০২০ সালে। তবে মজার ব্যাপার হল, ২০২২ শেষ হতে চলল, কিন্তু ২০২০ প্রাইমারি টেট পরীক্ষার্থীরা এখনও চাকরি পাননি। আর সেই কারণেই এত সংখ্যক চাকরি প্রার্থী একসঙ্গে সুবিচারের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন।

    সব কিছু ঠিক থাকলে মঙ্গলবার অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে। তবে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ২০২০ সালে প্রাথমিকে ১৬৫০০ পদ নিয়োগের পর শূন্য থাকা ৩৯২৯টি আসনও দ্রুত পূরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, মেধা ও যোগ্যতার বিচারেই চাকরি দিতে হবে ৭ নভেম্বরের মধ্যে। ১১ নভেম্বর বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে আদালতকে।

    আরও পড়ুন: টেট নিয়োগ ঘিরে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, আইনি জটিলতায় থেমে যাবে না তো প্রক্রিয়া?

    এই রায়ের পরেই শ’য়ে শ’য়ে মামলা হচেছ কলকাতা হাইকোর্টে। চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, ‘আমার কাছে প্রায় হাজার তিনেক আবেদন এসেছে। ইতিমধ্যে ১৪০০ মামলা দায়ের হয়েছে। আদলত অনুমতি দিলে বাকি মামলাও দায়ের করা হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mominpur violence:  ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Mominpur violence: ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওনার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে হাত পড়ে যাবে বলে তিনি দোষীদের আড়াল করছেন এমনই দাবি রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি বলেন, ‘ওরা মোমিনপুর, ইকবালপুর এবং খিদিরপুর থেকে হিন্দুদের তাড়িয়ে দিতে চায় । এটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি। যেহেতু হিন্দু ভোট বিজেপির দিকে যাচ্ছে তাই মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়ে এবং সাম্প্রদায়িক প্রচার করে সংখ্যালঘু ভোট নিচ্ছেন ।’

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজোর রাতে মোমিনপুর এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। বোমাবাজি,ইঁটবৃষ্টির পাশাপাশি বাড়িঘর,বাইক ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ কিছুই বাদ যায়নি। এমনকি এক সম্প্রদায়ের লোকজন ইকবালপুর থানা ঘেরাও করেছিল। দুই আইপিএস-সহ ৯ পুলিশকর্মী পর্যন্ত আহত হয়েছিলেন। এরপরই মোমিনপুরে হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল লা গণেশনকে চিঠি লিখেছিলেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শুক্রবার সাংবাদিক মানব গুহকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদও জানান রাজ্যের বিরোধী নেতা। হিংসার মুহুর্তের ভিডিও পোস্ট করার অপরাধে সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক মানব গুহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । পুলিশের দাবি,এই ধরনের ভিডিও সমাজে আরও উত্তেজনা ছড়াতে পারত । কিন্তু পুলিশের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার না করে যাঁরা সমাজের সামনে সত্য তুলে ধরছেন তাঁকে আটক করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, মোমিনপুরের ঘটনার পরেই পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। মোমিনপুরে তাণ্ডবের বিরুদ্ধে দু’টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে উচ্চ আদালতে (Calcutta High Court)। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া  হয়েছে, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে সিট গঠন করা হবে। উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত চালাতে হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তা ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটের আধিকারিকদের। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। সংরক্ষণ করতে হবে ভিডিও ফুটেজ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal:  চাঁদা দিয়ে কেষ্ট-র কালী আরাধনা বজায় রাখবে বীরভূম জেলা তৃণমূল! জানেন কীভাবে?

    Anubrata Mondal: চাঁদা দিয়ে কেষ্ট-র কালী আরাধনা বজায় রাখবে বীরভূম জেলা তৃণমূল! জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ম্বরে পার্টি অফিসে কালীপুজো করতেন বীরভূম জেলা তৃণমূল  সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এবছর কালীপুজো ২৪ অক্টোবর। গরু-পাচার মামলায় অনুব্রতকে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানোর কথা ২৯ তারিখ। অতএব দুর্গাপুজোর মতো কালীপুজোও হয়ত জেলেই কাটবে কেষ্টর। তবে অনুব্রত জেলে থাকলেও পুজো হবে, জানিয়েছেন বীরভূম জেলার তৃণমূলের সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়। তবে যে পুজোয় লাখ লাখ টাকা উড়ত, কোটি কোটি টাকার গয়না দেবীকে চড়ানো হতো, সেই পুজো কিনা হবে চাঁদা তুলে!

    আরও পড়ুন: নানারকমের সোনার অলঙ্কারই অনুব্রতের কালী প্রতিমার বৈশিষ্ট্য! জানেন কী কী রয়েছে সেই তালিকায়?

    পুজোর খরচ জোগাড় হবে কী ভাবে তাও জানিয়ে মলয় বলেন, ‘জেলায় মোট ১৫০ জন সদস্য আছেন। তাঁরা প্রত্যেকে এক হাজার টাকা করে চাঁদা দেবেন। ফলে মোট দেড় লক্ষ টাকা উঠবে। সেই টাকায় পুজো ও মায়ের ভোগ হবে।’ পুজো জাঁকজমক করে হবে বলেই জানান তিনি। ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের কালীপুজো। এবার সেই পুজো পা দিল ৩৫তম বছরে। পুজোয় দেবীর কাছে কেষ্ট-দার জন্য প্রার্থনা করবেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। ‘মা তো সব কথাই শোনেন’…। তবে, অনেকের প্রশ্ন বেআইনিভাবে যে কোটি কোটি টাকা নিজের পকেটে  পুড়েছেন অনুব্রত,ভয় দেখিয়ে বা জোড় করে যে দুর্নীতির টাকা আত্মসাৎ করেছেন, তার কী হবে? ‘মা কী তা দেখেননি?’ 

    আরও পড়ুন: ৮ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    কালীপুজোর দিন অবাধে পার্টি অফিসে প্রতিমা দর্শনে আসেন সাধারণ মানুষ। রাতে খাওয়ানো হয়। কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন। এলাকায় এই পুজো কেষ্ট-র কালী নামেই পরিচিত। এই পুজোর জৌলুস এবং প্রতিমার গয়না নিয়েও কথা উঠেছিল। বীরভূমে তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা-সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত মন্দির রয়েছে। জেলায় সতীপীঠও রয়েছে। তবু কেষ্ট-র কালী প্রতিমাতেই কেন গয়নার সম্ভার চোখে পড়ে তা-নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধী শিবির। চাঁদা তুলে তৃণমূলের এই পুজো করা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন বিরোধীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share