Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Vande Bharat: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?

    Vande Bharat: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে উৎসবের মরশুম। নবরাত্রির শুভ দিনেই আমেদাবাদ (Ahmedabad) থেকে মুম্বই (Mumbai) যাত্রা শুরু করতে পারে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (New Vande Bharat Express)। সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি এই আধুনিক ট্রেনটি গতির দিক থেকে বুলেট ট্রেনকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। টেস্ট রানের সময় একটি রেকর্ড তৈরি করেছে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এর গতি দেখে অনেকেই অবাক। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন যে, তৃতীয় এবং নতুন বন্দে ভারত ট্রেনটি পরীক্ষা চালানোর সময় মাত্র ৫২ সেকেন্ডে শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি অর্জন করেছে। এটি বুলেট ট্রেনের থেকেও বেশি। বুলেট ট্রেনের এই গতি পেতে ৫৪.৬ সেকেন্ড সময় লাগে।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে ৮১ থেকে ৪৬তম স্থানে ভারত, বিজ্ঞান সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আমেদাবাদ থেকে মুম্বইয়ের ৪৯১ কিমি পথ অতিক্রম করতে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সময় লাগবে ছ’ঘণ্টা। রেল সূত্রে খবর, সকাল ৭-২৫ মিনিটে আমেদাবাদ থেকে ট্রেনটি ছাড়বে। মুম্বই পৌঁছবে দুপুর দেড়টায়। আবার ২-৪০ মিনিটে মুম্বই থেকে ট্রেনটি আমেদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়ে পৌঁছবে রাত ৯-০৫ মিনিটে। চেয়ার কার, এক্সিকিউটিভ চেয়ার কার মিলিয়ে মোট যাত্রী সংখ্যা ১১২৮। স্বয়ংক্রিয় মোটরের সাহায্যে চলে এই ট্রেন। ১৬ বগি বিশিষ্ট এই ট্রেনের পাঁচটি বগিতে মোটর বসানো হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় মোটর ব্যবহারের ফলেই এর গতি অনেক বেশি। বন্দে ভারত-এর পুরো ট্রেনে লাগানো ২০ টি মোটর বুলেট ট্রেনের সামনে বসানো একটি ইঞ্জিনের থেকে বেশি কার্যকর বলে দাবি করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন : অক্টোবর থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসছে জিএসটি নিয়মে, জেনে নিন

    ২০২৩-এর ১৫ অগস্টের আগে গোটা দেশে ৭৫টি বন্দে ভারত ট্রেন তৈরি করা হবে। তার পর সেগুলি দাপিয়ে বেড়াবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। গত মাসে চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে নতুন বন্দে ভারত ট্রেনগুলি পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি যে, নির্ধারিত সময়ের আগেই দুর্দান্ত মানের বন্দে ভারত ট্রেন তৈরি করেছে ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি। এটি দুনিয়ার অন্যতম সেরা ট্রেন হয়ে উঠতে চলেছে। এই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করে আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Arshdeep Singh: ‘খলিস্তানি’ তকমা! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের পরই অর্শদীপের পেজের নিরাপত্তা বাড়াল উইকিপিডিয়া

    Arshdeep Singh: ‘খলিস্তানি’ তকমা! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের পরই অর্শদীপের পেজের নিরাপত্তা বাড়াল উইকিপিডিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটার অর্শদীপ সিংয়ের উইকিপিডিয়া পেজের নিরাপত্তা বাড়াল সংস্থা। উইকিপিডিয়ার তরফে অর্শদীপের পেজ সেমি প্রোটেকটেড করে দেওয়া হল। এর ফলে বিশ্বস্ত এবং নির্ভর যোগ্য লোকেরা ছাড়া আর কেউ অর্শদীপের উইকিপিডিয়া পেজে এডিট করতে পারবে না। রবিবার চলছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ১৮ ওভারে আসিফ আলির সহজ ক্যাচ মিস করে খলনায়ক অর্শদীপ সিং। উইকিপিডিয়ায় তাঁর প্রোফাইল এডিট করে দেওয়া হয় ‘খালিস্তানি’ তকমা। ভারত সরকার এই বিষয়ে সক্রিয় হয়। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে উইকিপিডিয়াকে এই নিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। আইটি মন্ত্রক সূত্রে খবর, অর্শদীপ সিং-এর উইকিপিডিয়া পেজে খালিস্তান সমর্থক বলে দাবি করা হলে ভারতের পরিবেশ যেমন নষ্ট হতে পারে, তেমনি অর্শদীপের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। মনে করা হয়েছিল, এর পিছনে পাকিস্তানের যোগ থাকতে পারে। কেন্দ্রের চিঠি পাওয়ার পরই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেয় উইকিপিডিয়া।

    উইকিপিডিয়ার তরফে বলা হয়েছে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক থাকবে। পরবর্তী সময়ে যাতে কেউ এই পেজ ব্যবহার করে প্ররোচনামূলক কিছু ছড়াতে না পারে তাই জন্যই অর্শদীপের পেজের নিরাপত্তা বাড়িয়ে পেজটিকে সেমি প্রোটেকটেড করে দেওয়া হয়েছে। রবিবার ভারত-পাক ম্যাচের ১৭.৩ ওভারে ফুল আউটসাইড অফ ডেলিভারি করেছিলেন রবি বিষ্ণোই। সেই বল স্লগ সুইপ করতে গিয়েছিলেন আসিফ। কিন্তু বলটা তাঁর ব্যাটের উপরের দিকের কানা লেগে সোজা শর্ট থার্ডের উপরে উঠে যায়। কিন্তু, ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের স্নায়ুর লড়াইয়ে হেরে গিয়ে ক্যাচটি মিস করেন অর্শদীপ। যদিও শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ৭ রান। ম্যাচে উত্তেজনার রসদ আমদানি করে আসিফ আলিকেই লেগ বিফোর করে ফেরত পাঠান অর্শদীপ। শেষ দু-বলে জয়ের সমীকরণ নেমে আসে ২ রানে। এক বল বাকি থাকতে জয় সম্পন্ন করেন পাক ব্যাটাররা। তারপরই হঠাতই নেট দুনিয়ায় অর্শদীপকে ভিলেন বানিয়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে অর্শদীপের বাবা দর্শন সিং ছেলের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন,”ক্যাচ মিস খেলার অঙ্গ। এ নিয়ে ভাবার কিছু নেই। আর সমালোচনা। সবাইকেই সমালোচিত হতে হয়। এটাকেও স্বাভাবিক ভাবেই নিতে হবে। একটা সাফল্য পেলে সমর্থকরা আবার প্রশংসায় ভরিয়ে দেবে।”

    আরও পড়ুন: সুপার ফোরে পাকিস্তানের কাছে হার! জানেন কীভাবে এশিয়া কাপের ফাইনালে যেতে পারে টিম ইন্ডিয়া?

    ঘরের ছেলের পাশে দাঁড়ান পঞ্জাবের ক্রীড়ামন্ত্রী গুরমীত সিং মীত হেয়ার। অর্শদীপের মা বলজিৎ কৌরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। জানান, পাঞ্জাব এবং গোটা দেশ অর্শদীপকে নিয়ে গর্ব করে। বলজিৎ বলেন,”সমর্থকরা সবসময় দেশকে জিততে দেখতে চায়। তাঁরা ভালবাসেন। তাই হতাশা থেকে এমন বলেছেন। অর্শদীপ বা আমরা এসব নিয়ে চিন্তিত নই। নিজের পারফরম্যান্স দিয়েই সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চান অর্শদীপ।”

    ভারত-বিরোধী শিখ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে অর্শদীপকে জড়িয়ে দেওয়ায় প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও। হরভজন সিং ট্রোলারদের একহাত নিয়ে বলেন, “তরুণ অর্শদীপ সিংয়ের সমালোচনা বন্ধ হোক। কেউই ইচ্ছা করে ক্যাচ মিস করে না। ছেলেদের জন্য আমরা গর্বিত। পাকিস্তান এদিন অনেক ভালো খেলেছে। যাঁরা এভাবে আমাদের ছেলেদের এরকম সস্তা কমেন্ট করে দলকে নামিয়ে দিচ্ছেন তাদের জন্য লজ্জা হচ্ছে। অর্শ সোনার ছেলে।”

    সতীর্থের সমর্থনে মুখ খুলেছেন বিরাট কোহলিও। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, “চাপের মুখে যে কেউ ভুল করতে পারে। এরকম বড় ম্যাচে পরিস্থিতি বেশ শক্ত ছিল। মনে আছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্ৰথমবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে শাহিদ আফ্রিদির বলে বাজে এক শটে আউট হয়ে যাই। সেই রাতে ঘুমোতে পারিনি। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সিলিংয়ের দিকে চেয়ে বসেছিলাম।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডিএ দিয়ে দেব! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডিএ দিয়ে দেব! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় এলে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দেওয়া হবে। পাণ্ডবেশ্বরে এক জনসভায় এমনই দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেছেন, ‘পুলিশ কর্মীরা দীর্ঘদিন প্রাপ্য ডিএ থেকে বঞ্চিত। একজন কনস্টেবল কমপক্ষে প্রায় দশ হাজার টাকা কম পাচ্ছেন। আর সাব ইন্সপেক্টরের ক্ষেত্রে সেটা প্রায় কুড়ি হাজার টাকা। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এলে আরটিজিএস কিংবা এনইএফটি করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাদের অ্যাকাউন্টে ডিএ পাঠিয়ে পাঠিয়ে দেব।’ একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে পরামর্শ দেন, নবান্নে আমাদের আটকাবেন না। তিনদিক থেকে মিছিল করে যাব আমরা। আমি থাকব সাঁতরাগাছিতে।

    আরও পড়ুন: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ’র দাবি বহুদিনের। তা নিয়ে মামলা গড়ায় হাইকোর্টে (High Court)। তার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কেন্দ্রীয় হারে (৩১ শতাংশ) দ্রুত ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই রায় মানতে রাজি নয়। এক্ষেত্রে যুক্তি দেখানো হয়, রোপা রুল অনুযায়ী ১৬ শতাংশ ডিএ বাকি রয়েছে। একই সঙ্গে তাই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানিও শেষ। রায় বেরনোর অপেক্ষা। রাজ্য সরকারি কর্মীরা আশা করছেন, এবারও রায় তাদের পক্ষেই যাবে। তবে অনেকে আশঙ্কা করছেন, হেরে গেলে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যেতে পারে রাজ্য। তাতে প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা পেতে আরও কিছু সময় লাগবে।

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপের প্রভাব! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলছে বৃষ্টি

    এই দড়ি টানাটানির মধ্যেই বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারি ডিএ নিয়ে প্রতিশ্রুতি মাস্টারস্ট্রোক বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। যা শুধু পুলিশ কর্মীদের নয়, সব রাজ্য সরকারের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। কারণ, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেলে রাজ্য সরকারের কর্মীদের বেতন এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Queen Elizabeth II: তারার দেশে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ! শোকবার্তা মোদির

    Queen Elizabeth II: তারার দেশে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ! শোকবার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ব্রিটেনের (London) রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ (Queen Elizabeth II)। দীর্ঘ অসুস্থতার পর বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল (Balmoral retreat in the Scottish highlands) প্রাসাদে ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন রানি। আজ, শুক্রবার তাঁর দেহ লন্ডনে নিয়ে আসা হবে। টানা ৭০ বছর ব্রিটেনের সিংহাসনে বসেছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ বসেছেন মোট ১৫ জন। মঙ্গলবারই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে লিজ ট্রাসকে নিয়োগ করেছিলেন রানি এলিজাবেথ। অসুস্থতার জন্য প্রথা ভেঙে বাকিংহামের পরিবর্তে বালমোরাল প্রাসাদে বসেই লিজকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন রানি  দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

    বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন রানি। ভালোভাবে চলাফেরাও করতে পারতেন না। বৃহস্পতিবার সকালে রানির শরীরের অবস্থা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতি বুঝে বালমোরে ছুটে আসেন যুবরাজ চার্লস, রাজকুমারী অ্যান, উইলিয়াম, হ্যারি ও তাঁদের স্ত্রী। নবতিপর রানির শেষকৃত্য কীভাবে হবে তা নাকি বহুদিন আগেই ঠিক করে রেখেছে রাজ পরিবার। তেমনটাই দাবি করেছিল মার্কিন সংবাদ সংস্থা ‘পলিটিকো’। বহুদিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছে। সংবাদ সংস্থাটির দাবি, রানির শেষকৃত্য সংক্রান্ত সম্পূর্ণ গোপন পরিকল্পনার নাম ‘অপারেশন লন্ডন ব্রিজ’। কিন্তু বৃহস্পতিবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ প্রয়াত হয়েছেন স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে। তাই স্কটল্যান্ডের প্রতীক ইউনিকর্নের নামে নামাঙ্কিত হয়েছে রানির প্রয়াণ পরবর্তী করণীয়গুলি। তৈরি হয়েছে সপ্তাহব্যাপী শোকপালনের কর্মসূচি।

    তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় মোদি জানান, ‘রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আমাদের সময় প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এই দুঃখের দিনে তাঁর পরিবার ও ইংল্যান্ডের অধিবাসীদের সমবেদনা জানাচ্ছি।’

    এর সঙ্গেই অপর ট্যুইটে মোদি লিখেছেন, ‘২০১৫ ও ২০১৮ সালে ইংল্যান্ড সফরের সময় আমার সঙ্গে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের বৈঠক হয়েছিল। তাঁর উদারতা ও দয়াশীলতা কোনওদিন ভুলব না। তিনি আমায় একটি রুমাল দেখিয়েছিলেন। সেই রুমালটি তাঁর বিয়েতে মহাত্মা গান্ধী তাঁকে দেন। সেই মুহূর্তটা চিরদিন মনে থাকবে।’

    রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে গভীর শোকজ্ঞাপন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশিষ্টজনেরা। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট, কানাডার প্রধানমন্ত্রী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও আছেন। বিশ্বনেতারা রানির গভীর কর্তব্যবোধ, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও উদারতার প্রতি সম্মান জানান। জো বাইডেন ৪০ বছর আগে রানির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ করার কথা জানান। বাইডেন বলেন, তিনি রানির চেয়েও বড় কিছু ছিলেন। তিনি নিজেই একটি যুগের জন্ম দিয়েছেন।যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৪০ বছর আগে রানির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ করেন। বাইডেন বলেন, তিনি রানির চেয়েও বড় কিছু ছিলেন। তিনি নিজেই একটি যুগের জন্ম দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • MGNREGA: কেন্দ্র দিয়েছে ডেডলাইন! মনরেগা প্রকল্পের টাকা পেতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ রাজ্যের

    MGNREGA: কেন্দ্র দিয়েছে ডেডলাইন! মনরেগা প্রকল্পের টাকা পেতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ করা হল। মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সব রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে যে তাদের মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (MNREGA) এর অধীনে টাকা পেতে হলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং জানিয়েছেন “MNREGA তহবিলের ব্যবহারে স্বচ্ছতা আনা প্রয়োজন। অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত রাজ্যগুলিকে এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে।” কেন্দ্রের এই হুঁশিয়ারিতেই টনক নড়ে রাজ্যের। দ্রুত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়  ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। এঁরা সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পকে ঘিরে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে সরকারি কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে। প্রকল্পে স্বচ্ছতা থাকলে তা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেবে।

    আরও পড়ুন: তিনবছরে বিজয়ীদের আয় ৫৮ হাজার কোটি টাকা, সিবিডিটির নজরে গেমিং অ্যাপ

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুলাই মাসে মনরেগা তহবিল আটকানোর জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেছিলেন। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় কর্তারা রাজ্যে গিয়ে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার সত্যতাও পেয়েছেন। একশো দিনের কাজে রুল নম্বর ২৭ অনুযাযী যদি কোনও রাজ্য কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে না চলে সে ক্ষেত্রে সেই রাজ্যের বকেয়া অর্থ আটকে দেওয়ার অধিকার রয়েছে কেন্দ্রের। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমি রাজ্যগুলিকে লিখেছি যে আমাদের তহবিলের কোনও অভাব নেই, তবে তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও আর্থিক অনিয়ম কাম্য নয়। রাজ্যগুলি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কী পদক্ষেপ করেছে তা আমরা অক্টোবরে খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে, এনআইএ আদালতে খারিজ নভলাখার জামিনের আবেদন

    মন্ত্রী আরও বলেন, “আমি রাজ্যগুলিকে MNREGA-তে আরও স্বচ্ছতা আনতে বলেছি এবং এর জন্য আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যেমন কমিশনারদের পরিদর্শন, রিয়েল-টাইম উপস্থিতি, একটি সক্রিয় লোকপাল, সামাজিক অডিট, একটি জাতীয় মোবাইল পর্যবেক্ষণ।” একটি অ্যাপের সাথে পুরো সিস্টেমটি যোগ করার কথাও বলেন তিনি। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা দুর্নীতির বেড়াজালে আটকে রয়েছে রাজ্য। তাই স্বচ্ছতা দেখাতে তড়িঘড়ি ‘ওমবাডসম্যান’ নিয়োগের কথা ভাবা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • PM-SHRI Scheme: প্রধানমন্ত্রীর নয়া প্রকল্পে দেশ জুড়ে ১৪,৫০০টি স্কুলে উন্নয়নের সিদ্ধান্ত

    PM-SHRI Scheme: প্রধানমন্ত্রীর নয়া প্রকল্পে দেশ জুড়ে ১৪,৫০০টি স্কুলে উন্নয়নের সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক দিবসে (Teachers’ Day) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) দেশের স্কুলগুলির সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন। প্রধানমন্ত্রী স্কুল ফর রাইজিং ইন্ডিয়া (PM-SHRI) এই নয়া প্রকল্পের অধীনে দেশ জুড়ে ১৪,৫০০টি স্কুলের উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্কুলগুলিকে জাতীয় শিক্ষানীতির আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্প স্কুলগুলিকে একটি বিকল্প, আধুনিক, রূপান্তরিত শিক্ষা প্রদানে সহায়তা করবে ৷ অর্থাৎ আধুনিক ক্লাসরুম, ডিজিটাল মাধ্যমে লেখাপড়া, খেলাধুলায় আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার সহ একাধিক, আধুনিক পরিকাঠামোয় জোর দেওয়া হবে।

    এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের কথা জানান। তিনি লেখেন, ‘আজ শিক্ষকদিবসে আমি একটি নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত৷ প্রধানমন্ত্রী স্কুল ফর রাইজিং ইন্ডিয়া যোজনার অধীনে ভারত জুড়ে ১৪,৫০০টি স্কুলের উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এগুলি মডেল স্কুলে পরিণত হবে।’  

    আরও পড়ুন: বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন উদ্ধব, তাঁর শিক্ষা পাওয়া প্রয়োজন, জানালেন শাহ

    শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা ট্যুইট করেন। তাঁর কথায়, ‘মা আমাদের জন্ম দেন, কিন্তু শিক্ষক আমাদের জীবনদান করেন। আমরা ভাল শিক্ষক পেলে, ভাল বৈজ্ঞানিক পেলে, ভাল ডাক্তার পেলে, মনে রাখতে হবে তাঁদের পিছনে ভাল শিক্ষক ছিলেন।’ 

    প্রধানমন্ত্রীর আশা, এই প্রকল্পের মাধ্যমে লাখ লাখ ছাত্র ছাত্রী উপকৃত হবে। মোদী লেখেন, “জাতীয় শিক্ষা নীতি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে। আমি নিশ্চিত যে নয়া প্রকল্পে (PM-SHRI) শিক্ষার্থীরা আরও উপকৃত হবে।” আগামী দিনে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিকাঠামোয় উন্নতির জোয়ার আসবে, বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sheikh Hasina: রাজস্থানের শিল্পীদের সঙ্গে পা মেলালেন হাসিনা! ঢাকায় ফিরে কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী?

    Sheikh Hasina: রাজস্থানের শিল্পীদের সঙ্গে পা মেলালেন হাসিনা! ঢাকায় ফিরে কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উষ্ণ অভ্যর্থনায় অভিভূত বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। চার দিনের সফর শেষ তিনি বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরে গিয়েছেন। তবে তাঁর সঙ্গী হয়েছে এমন কিছু স্মৃতি, যা হয়তো বহুদিন তাঁর মনের মণিকোঠায় গেঁথে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) আমন্ত্রণে হাসিনার এই ভারত সফর। যা শুরু হয়েছিল রাজধানী দিল্লি (Delhi) থেকে। আর শেষ হল আজমের শরিফ দরগায় প্রার্থনা দিয়ে।

    ৮ সেপেটম্বর জয়পুর(Jaipur) পৌঁছন হাসিনা। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন রাজস্থানের (Rajasthan) লোকশিল্পী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে তাঁরা সেখানেই নৃত্য পরিবেশন করেন। লোভ সামলাতে পারেননি হাসিনা। তিনিও রাজস্থানি শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে তাল মেলালেন। স্বভাবতই বেশ খুশি দেখাচ্ছিল মুজিব কন্যাকে। আর সেই ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করতে করতে নাচের ছন্দ দেখে নিজেই এগিয়ে যান হাসিনা। ভারতের সংস্কৃতির প্রতি হাসিনার ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা এই ভিডিয়ো থেকেই প্রমাণিত। হাসিমুখে ছবিও তোলেন শিল্পীদের সঙ্গে। দেশে ফিরে হাসিনা জানান, “ভারত আমাদের বন্ধু দেশ৷ আমি যখনই ভারতে যাই, সেটা আমার জন্য আনন্দের৷”  ভিডিওয় তাঁর নাচে সেই ‘আনন্দই’ যেন ফুটে ওঠে। আজমের শরিফে  দেশের জন্য, দেশবাসীর জন্য প্রার্থনা করেন বলে জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • Indians use antibiotics: পটাপট খান অ্যাজিথ্রোমাইসিন! শুধু আপনি নন দেশের অনেকেই স্বচ্ছন্দ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে, দাবি ল্যানসেটের

    Indians use antibiotics: পটাপট খান অ্যাজিথ্রোমাইসিন! শুধু আপনি নন দেশের অনেকেই স্বচ্ছন্দ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে, দাবি ল্যানসেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য জ্বর, সর্দি, কাশি বা পেটের গণ্ডগোল চাই চটজলদি নিরাময়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বাচ্চার স্কুলে পরীক্ষা তাই তার শরীর খারপ হলে বেশিদিন স্কুলে ছুটি হয়ে যাবে। নিজের শরীর খারাপ হলে অফিসে ছুটি নিতে হবে। তাই দ্রুত নিরাময়ের হাতিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক। ছোটখাটো সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় নেই। নিজের জানা একটি অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স করলেই চট করে রোগ সেরে যাবে। এই ধারণা নিয়ে চলেন বশিরভাগ ভারতীয়ই। 

    আরও পড়ুন: অগাস্টের বেতন হয়নি পাঞ্জাবে, বাংলারও কি একই হাঁড়ির হাল?

    সম্প্রতি ল্যানসেটের একটি সমীক্ষার ফল বলছে, নিজেদের ইচ্ছেমতো সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন ভারতীয়রাই। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে কোভিডের আগে এবং কোভিড চলাকালীন ভারতীদের মধ্যে অ্যাজিথ্রোমাইসিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। এই ওষুধগুলির মধ্যে বেশির ভাগই কেন্দ্রের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার দ্বারা অনুমোদিত নয়। গবেষকরা ভারতের কাছে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতি আনার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। প্রয়োজনে নিয়মকানুনের সংস্কারমূলক আইন আনা জরুরি বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ কাম্য নয়। উপযুক্ত  চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। ল্যানসেটের সমীক্ষা মতে, ভারতীয়দর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে অ্যাজিথ্রোমাইসিন ৫০০ খাওয়ার চল সবচেয়ে বেশি। আর তার পরেই সেফিক্সাইম ২০০ নামক ওষুধটির উপর নির্ভর করে ভারতীয়রা। কিছু অসুখের চিকিৎসা করতে গেলে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স পরীক্ষা করতে হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে বাতিল অ্যান্টিবায়োটিকের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অ্যান্টিবায়োটিক বেশি খেলে শরীরে তৈরি হয়, ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর)। আগামী দিনে তা বিপদ ডেকে আনে। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রয়োজনে আর ওই অ্যান্টিবায়োটিক কাজে লাগে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Taragiri: জলে ভাসল নৌসেনার স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তারাগিরি’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    Taragiri: জলে ভাসল নৌসেনার স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তারাগিরি’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সমরাস্ত্রে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পে তৈরি হচ্ছে আধুনিক অস্ত্র, মিসাইল, হেলিকপ্টার, ট্যাঙ্ক ও বড় বড় যুদ্ধ জাহাজ। কয়েকদিন আগেই ভারতীয় নৌবাহিনী হাতে পেয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত। এবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তৃতীয় স্টিলথ ফ্রিগেট ‘তারাগিরি’ (Stealth frigate Taragiri) যোগ হল নৌবাহিনীতে। তারাগিরি তৈরিতে ৭৫ শতাংশ দেশীয় উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে। যা মুম্বইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেডে তৈরি। রবিবার রণতরীটি আনুষ্ঠানিকভাবে পথ চলা শুরু করল। 

    আরও পড়ুন: জলে ভাসল দেশের তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত

    গাড়োয়ালে অবস্থিত হিমালয়ের একটি পর্বতশ্রেণীর নামানুসারে তারাগিরি রণতরীর নামকরণ করা হয়েছে। জাহাজটির ডিজাইন করেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর ইন হাউশ ব্যুরো অফ নেভাল। তারাগিরির ওজন ৩৫১০ টন। লম্বা ১৪৯ মিটার এবং চওড়া ১৭.৮ মিটার। জাহাজটির দুটি গ্যাস টারবাইন ও দুটি প্রধান ডিজেল ইঞ্জনের সমন্বয়ে চালিত হবে। তারাগিরির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৫২ কিমি। এতে ৩৫ জন অফিসারসহ মোট ১৫০জনকে মোতায়েন করা যাবে। 

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?

    জাহাজটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, সেন্সর, অ্যাডভান্স অ্যাকশন ইনফরমেশন সিস্টেম, ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যাটফর্ম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, বিশ্বমানের মডুলার প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এটি সারফেস টু সারফেস সুপারসনিক মিসাইল সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত। বিমান হামলা প্রতিরোধের জন্য এতে ৩২ বারাক ৮ ইআর এবং ভারতের গোপন অস্ত্র ভিএলএসআরএসএএম (VLSRSAM) ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার কথা রয়েছে। তারাগিরিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করা যাবে। সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধের জন্য দুটি ট্রিপল টর্পেডো টিউব রয়েছে এই রণতরীতে। এখান থেকে দুটি হেলিকপ্টার নামা ওঠাও করতে পারবে। দুটি একে ৬৩০ এম সি আই ডব্লু এস বন্দুকের পাশাপাশি একটি ৭৬ এমএম ওটিও মেলারা নেভাল গান লাগানো থাকবে এই যুদ্ধজাহাজে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India-US: মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত, আমেরিকার নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক বানিজ্যে না দিল্লির

    India-US: মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত, আমেরিকার নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক বানিজ্যে না দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে শায়েস্তা করতে নয়া পন্থা অবলম্বন করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হাতে না পেরে পাতে মারাই লক্ষ্য তাঁর। সেই অনুযায়ী জাপান, ভারত সহ এশিয়ার ১৩টি দেশকে নিয়ে আমেরিকা তৈরি করেছিল ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমওয়ার্ক। যেখানে সমমনোভাবান্ন দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলার পাশাপাশি বানিজ্য প্রসারই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু ভারত সরকার আপাতত এই প্রকল্পে অংশ নিতে চায় না। লস অ্যাঞ্জেলসে মার্কিন বানিজ্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর স্পষ্ট করে দিয়েছে দিল্লি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমওয়ার্ক প্রকল্প বড় ধাক্কা খেল।

    আরও পড়ুন: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    কিন্তু হঠাৎ করে ভারতের পিছিয়ে আসার কারণ কি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘এক ঢিলে দুই পাখি মারার কৌশল নিয়েছে আমেরিকা। একদিকে আর্থিকভাবে চিনকে দুর্বল করার পাশাপাশি নিজেদের বানিজ্য প্রসারের চেষ্টায় রয়েছে বাইডেন সরকার। এক্ষেত্রে বর্তমান ব্যবস্থা ধ্বংস হতে পারে। তার জেরে নতুন সমস্যা উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত। সঙ্গে রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপকে আরও শক্তশালী করে তোলা। পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়াই ভারত সরকারের মূল লক্ষ্য। ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্কে যোগ দিলে সেই প্রয়াস বাধা পাবে। তাই ভারত এই প্রকল্প থেকে আপাতত সরে আসার সিদ্ধান্ত নিল বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে ৮১ থেকে ৪৬তম স্থানে ভারত, বিজ্ঞান সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    তবে এখনই হাল ছাড়ার পাত্র নন আমেরিকা। মার্কিন বানিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথেরিন তাই জানিয়েছেন, ‘ভারত এখন ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্কে অংশ নিচ্ছে না ঠিকই, তবে আমরা আশা ছাড়ছি না। ভারতের বনিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে আলোচনায় আমরা খুশি। এবছরের শেষের দিকে দুই দেশের প্রতিনিধি আবারও মিলিত হবেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আমরা এই বিষয়ে ফের বিস্তারিত আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’ উল্লেখ্য, ভারত ছাড়াও আইপিইএফ প্রকল্পে থাকার কথা অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share