Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • AIFF meeting in Kolkata: প্রধানমন্ত্রী মোদির আগ্রহ দেখে খুশি ফিফা সভাপতি, জানালেন এআইএফএফ প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে

    AIFF meeting in Kolkata: প্রধানমন্ত্রী মোদির আগ্রহ দেখে খুশি ফিফা সভাপতি, জানালেন এআইএফএফ প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) আগ্রহ এবং উৎসাহ দেখে খুশি ফিফা (FIFA) প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। ফোন করে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (All India Football Federation) নতুন সভাপতি কল্যাণ চৌবেকে (Kalyan Chaube) এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এআইএফএফ-এর নয়া সভাপতি হওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কল্যাণকেও। এ প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, “তিনি আমাকে ফোন করে দোহা, জুরিখ অথবা প্যারিসে দেখা করতে বলেছেন। আমি জানিয়েছি দেখা করার আগে এআইএফএফ (AIFF) নিজেদের মধ্যে বৈঠক করতে চায়। আমরা কী করে ভারতীয় ফুটবলকে আর্থিক ও বাকি দিক থেকে এগিয়ে নিতে পারি তা দেখব। আগে সমস্যা বুঝব, তারপর আপনার সঙ্গে দেখা করব।” কল্যাণের মতে, “ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ দেখে খুশি ফিফা সভাপতি।”    

    আকাশকুসুম স্বপ্নে ভাসতে চান না নতুন সভাপতি কল্যাণ চৌবে। আগামী আট বছরে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে ভারত এই অলীক স্বপ্ন ফেরিও করতে চান না। বাস্তবের মাটিতে পা দিয়ে, ধীরে চলো নীতিতে ভারতীয় ফুটবলকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে চান নয়া সভাপতি। ফিফার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়াকে ৩৩-১ ভোটে হারিয়ে এআইএফএফ প্রেসিডেন্ট হয়েছেন কল্যাণ।

    আরও পড়ুন: এই প্রথম, কোনও ফুটবলারের হাতে ভারতীয় ফুটবলের দায়িত্ব! বাইচুংকে হারিয়ে সভাপতি কল্যাণ চৌবে

    নতুন সভাপতি স্পষ্ট জানালেন,”অবাস্তব প্রতিশ্রুতি’ দেব না। আমরা আপনাদের স্বপ্ন বিক্রি করব না। আমরা বলব না যে আমরা এতগুলো অ্যাকাডেমি গড়েছি এবং আট বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ খেলব। আমার জীবনে আমি একশোর বেশি অ্যাকাডেমির উদ্বোধনে গিয়েছি এবং সেই সমস্ত অ্যাকাডেমিতে বলা হয়, বাচ্চারা আট বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ খেলবে। কিন্তু বাস্তবে এইভাবে  হয় না। আমরা কোনও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না তবে বলতে পারি, বর্তমান অবস্থা থেকে ভারতীয় ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাব। কতটা এগোব তা দেখা যাবে। কিন্তু আমরা মিথ্যে স্বপ্ন দেখাতে চাই না।” 

    ফুটবলের শহর কলকাতাতেই হবে ভারতীয় ফুটবলের নতুন কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক, জানান কল্যাণ। আগামী বুধবারের মধ্যে স্বল্পমেয়াদী একটি পরিকল্পনা সামনে রাখতে চান তিনি। আগামী ১৭-১৮ সেপ্টেম্বর নবনির্বাচিত কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক হবে কলকাতায়। কল্যাণ জানিয়েছেন, সভাপতি হলেও নিজে একা নন, সবাইকে নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চান তিনি। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতিতে বিশিষ্ট ফুটবলারদের  মতামত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। তিনি বাইচুংকেও এক্সিকিউটিভ কমিটিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, “বাইচুং ভুটিয়া ভারতীয় ফুটবলে যা দিয়েছেন, তা খুব কম মানুষই দিয়েছেন। আমরা ওকে স্বাগত জানাই।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jharkhand Political Crisis: বিজেপির ওয়াক আউট, ঝাড়খণ্ডে আস্থাভোটে জয়ী হেমন্ত সোরেন

    Jharkhand Political Crisis: বিজেপির ওয়াক আউট, ঝাড়খণ্ডে আস্থাভোটে জয়ী হেমন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত একমাস ধরে টালমাটাল চলার পর সোমবার আস্থাভোটে জয়ী হলেন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৮টি। এদিন আস্থাভোটের আগেই বিজেপি বিধায়করা ওয়াক আউট করে। বিজেপির শরিকদল AJSU এর দুই নির্দল বিধায়কও ‘ওয়াকআউট’ করেন বিধানসভা থেকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের অভিযোগ, বিজেপি (BJP) ঝাড়খণ্ডে সরকার ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    এদিন বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের স্লোগান ও চিৎকারের মাঝেই সোরেন জানিয়েছেন, ‘বিরোধীরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। কিন্তু আমরা আমাদের শক্তি দেখাব।’ প্রসঙ্গত, ৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) একক বৃহত্তম দল। তাদের অধিকারের রয়েছে মোট ৩০টি আসন। কংগ্রেসের কাছে আছে ১৮ এবং আরজেডির রয়েছে একজন বিধায়ক। এদিকে বিজেপির হাতে রয়েছে ২৬ জন বিধায়ক। ম্যাজিক ফিগার ৪১-এর থেকে অনেকটাই বেশি ছিল জোটের আসন সংখ্যা। এদিন আস্থাভোটে গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে তাই কোনও অসুবিধা হয়নি মুখ্যমন্ত্রী সোরেনের।

    আরও পড়ুন: দেশ কোনও সাহায্য করেনি, ৩২ বছর পর পাকিস্তান জেল থেকে ফিরে জানালেন ভারতীয় গুপ্তচর

    হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ‘অফিস অফ প্রফিট’-এর অভিযোগ উঠেছে। এই মামলায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয় রাজ্যপালের কাছে। এই রিপোর্টে হেমন্ত সোরেনের বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সোরেনকে অযোগ্য বলে রাজ্যপাল বেইসের কাছে রিপোর্ট জমা করে। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সোরেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই পরিস্থিতিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকারের দাবি জানায় বিজেপি। বিরোধী দল বিজেপি দাবি করে, খনির ইজারা দিয়ে নির্বাচনী নিয়ম ভেঙেছেন হেমন্ত। তাই খারিজ করা হোক তাঁর বিধায়ক পদ। জেএমএম পাল্টা অভিযোগ করে, অসময়ের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। রাজ্যের শাসক জোটের বিধায়কদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Naval Ensign: ‘দাসত্বের ছাপ’ মুছে গেল! নৌসেনার নয়া নিশানে ছত্রপতি শিবাজির ‘রাজমুদ্রা’, গর্বিত প্রধানমন্ত্রী

    Naval Ensign: ‘দাসত্বের ছাপ’ মুছে গেল! নৌসেনার নয়া নিশানে ছত্রপতি শিবাজির ‘রাজমুদ্রা’, গর্বিত প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেন্ট জর্জ ক্রস আর থাকবে না। থাকবে না ব্রটিশ শাসনের স্মৃতি। এখন থেকে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) পতাকায় থাকবে ছত্রপতি শিবাজির ‘রাজমুদ্রা’।  শুক্রবার কেরলের কোচিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীর সেই নতুন নিশানের (Naval Ensighn) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। নৌসেনার নতুন পতাকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এতদিন অবধি ভারতীয় নৌসেনার পতাকায় দাসত্বের ছাপ রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে, ছত্রপতি শিবাজির অনুপ্রেরণায় নৌসেনার নতুন পতাকা সমুদ্র ও আকাশে গর্বের সঙ্গে উড়বে।”

    মোদি জানান, ঔপনিবেশিকতার স্মৃতি বহন করছে যে পতাকা তার বদল করতে পেরে তিনি খুশি। মারাঠা শাসক ‘ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের রাজমুদ্রা’ প্রতীকযুক্ত পতাকা নৌসেনার হাতে তুলে দিতে পেরে তিনি গর্ব অনুভব করছেন। ১৯৫০ সালের পর থেকে এই নিয়ে চার বার রং এবং ধাঁচ বদলেছে ভারতীয় নৌসেনার পতাকা।

    আরও পড়ুন: নৌসেনা পাচ্ছে নতুন নিশান! শুক্রবারই উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

    প্রসঙ্গত, মোদির আগে কোনও প্রধানমন্ত্রীই দেশের সেনা বাহিনীর কোনও শাখায় ‘দাসত্বের চিহ্ন’ নিয়ে মন্তব্য করেননি। নতুন পতাকায় মুছে দেওয়া হয়েছে জর্জ ক্রস। সাদা পতাকার কোণে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি, যুক্ত করা হয়েছে ভারতীয় নৌসেনার প্রতীক এবং স্লোগান— ‘শ নৌ বরুণ’ (বরুণদেব আমাদের সৌভাগ্য দিন)। উল্লেখ্য, বেশিরভাগ কমনওয়েলথ দেশগুলির নৌ চিহ্নের অংশ হিসেবে সেন্ট জর্জের ক্রস ছিল। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং কানাডার মতো দেশগুলি ইতিমধ্যেই তাদের নৌসেনার পতাকা থেকে সেন্ট জর্জের ক্রস বাদ দিয়েছে। কানাডা ২০১৩ সালে, অস্ট্রেলিয়া ১৯৬৭ সালে, নিউজিল্যান্ড ১৯৬৮ সালে তাদের নৌবাহিনীর পতাকা পরিবর্তন করে। শুক্রবার কেরলের কোচির ওই কর্মসূচি থেকেই দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্তকে ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Asia Cup 2022: বদলার ম্যাচ পাকিস্তানের! জিতে ফাইনালে যাওয়াই লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার

    Asia Cup 2022: বদলার ম্যাচ পাকিস্তানের! জিতে ফাইনালে যাওয়াই লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে মুখোমুখি চির প্রতিদ্বন্দ্বি ভারত-পাকিস্তান। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই ভারতকে হারিয়ে বদলার ম্যাচ বাবরদের। শান্ত থেকে, সেরাটা দিয়ে নিজেদের চ্যাম্পিয়ন প্রমাণ করতে মরিয়া রোহিতরা। এই ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা, বাড়তি উৎসাহ। সম্মানের লড়াইও বটে। দু’দেশের সমর্থকরাই এই ম্যাচে জয়কে প্রাধান্য দেন। 

    দু’দলেই চোট আঘাতের সমস্যা রয়েছে। তবে এটা খেলার অঙ্গ বলে মনে করছে দুই শিবিরই। চোটের জন্য দলের সেরা বোলার শাহিন আফ্রিদিকে এশিয়া কাপে পায়নি পাকিস্তান। পরে চোট পেয়ে স্কোয়াড থেকে ছিটকে যান মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। এবার ভারতের বিরুদ্ধে সুপার ফোরের ম্যাচের আগে চোটের জন্য দল থেকে ছিটকে গেলেন শাহনওয়াজ দাহানি।আফ্রিদিদের অনুপস্থিতিতে পেস বোলিং বিভাগে দাহানির উপর অনেকটাই নির্ভর করছিল পাকিস্তান। কেরিয়ারে মোটে ৪টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলা শাহনওয়াজের ব্যাটের হাতটাও মন্দ নয়। শনিবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে দাহানির চোটের কথা জানানো হয়। শাহনওয়াজের বদলে হাই-প্রোফাইল ম্যাচে পাকিস্তানের প্রথম একাদশে ঢুকে পড়তে পারেন অভিজ্ঞ পেসার হাসান আলি।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তান ম্যাচের আগে ফুরফুরে মেজাজে রোহিত-কোহলিরা! জাদেজার অভাব টের পাবে ভারত ?

    অন্যদিকে, চোটের জন্য এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন ভারতের তারকা অল-রাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুপার ফোরের ম্যাচে ভারতকে তাদের প্লেয়িং ইলেভেনে রদবদল করতেই হবে। জাদেজার বদলে অক্ষর প্যাটেল, রবিচন্দ্রন অশ্বিন বা রবি বিষ্ণোইয়ের মধ্যে কোনও একজনকে খেলাতে পারে ভারত। ব্যাটের হাত ভালো বলে অক্ষর বা অশ্বিনের মধ্যে একজন থাকতে পারেন। বাঁ-হাতি স্পিনার রাখতে চাইলে অক্ষর ঢুরবেন। অন্যদিকে হংকং ম্যাচে বিশ্রামে থাকা হার্দিক পান্ডিয়া যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মেগা ম্যাচে দলে ফিরবেন, এটা অবশ্যম্ভাবী।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা (ক্যাপ্টেন), লোকেশ রাহুল (ভাইস ক্যাপ্টেন), বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, দীনেশ কার্তিক/ঋষভ পন্ত (উইকেটকিপার), অক্ষর প্যাটেল/রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার, আবেশ খান, যুজবেন্দ্র চাহাল ও অর্শদীপ সিং।

    ম্যাচ শুরু: সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, দেখা যাবে স্টার স্পোর্টসে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sheikh Hasina: ভাষা আন্দোলনই স্বাধীনতার পথ দেখায়! ভারত সফরে এসে বাংলার  প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ হাসিনার

    Sheikh Hasina: ভাষা আন্দোলনই স্বাধীনতার পথ দেখায়! ভারত সফরে এসে বাংলার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দশক আগে  বাংলা ভাষাই পাকিস্তান (Pakistan) থেকে বাংলাদেশকে (Bangladesh) আলাদা হতে সাহায্য করেছিল। ভারত (India) সফরে এসে এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলা ভাষার প্রতি নিজের গভীর ভালবাসা ব্যক্ত করে হাসিনা ( sheikh hasina) জানান, “আমার মাতৃভাষা বাংলা। যখন পাকিস্তান তৈরি হয়, ঠিক সেই সময় থেকে আমাদের উপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল। সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল ভাষা আন্দোলন। বাংলা ভাষাকে জাতীয় ভাষার মর্যাদা দিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। ভাষা আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতার পথ দেখায়। তৈরি হয় বাংলাদেশ।”

    ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের ভারত সফর। আজ, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। পাশাপাশি দু’দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি দলের বৈঠক এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জলসম্পদ, যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক চুক্তিপত্র সই হওয়ার কথা আজকে। 

    আরও পড়ুন: চারদিনের সফরে ভারতে শেখ হাসিনা, মোদির সঙ্গে বৈঠকে নজরে জলবণ্টন

    সোমবার এক সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জানান, যে কোনও সম্প্রদায়ের কাছে তার ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ এমন একটা দেশ, যা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষার্থেই তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি ইংলিশ বলি, কিন্তু স্বচ্ছন্দ নই। এটা আমার কাছে কোনও বিষয় নয় কারণ ইংলিশ বিদেশি ভাষা, আমি আমার ভাষা বাংলাতেই স্বচ্ছন্দ। আমরা কোনও ভাষাকে ছোট করছি না। কোনও ভাষার সঙ্গে আমাদের বৈরিতা নেই। তবে আমাদের কাছে বাংলা ভাষা ভালবাসার এবং গর্বের।”

    নৈশভোজে এ দিন বেশ হাসিখুশি ছিলেন শেখ হাসিনা। জানান, ইলিশ রফতানির ছাড়পত্র দিয়েই তিনি দিল্লি সফরে এসেছ‌েন। পুজোর সময়ে এ দেশের মানুষকে এটা তাঁর উপহার। এ দেশের বাঙালিদের বিশেষ করে রাজ্যবাসীর সঙ্গে তাঁর মধুর সম্পর্কের কথাও জানান হাসিনা। বাংলা ও বাঙালি তাঁর কাছে বড়ই প্রিয়। হাসিনা বলেন, “যে কোনও নতুন ভাষা শিখতে ভাল লাগে। সব ভাষার নিজস্ব মাধুর্য্য আছে কিন্তু আমার কাছে বাংলাই শ্রেষ্ঠ।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদে পুজোর অনুমতি! আজ কী রায় দেবে আদালত?

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদে পুজোর অনুমতি! আজ কী রায় দেবে আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে মামলার রায় বেরোবে আজই। বারাণসী জেলা আদালত সোমবার শ্রিংগার গৌরী জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলার ওপর কী রায় দেয়, আপাতত গোটা দেশের নজর তার দিকে। জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিতর হিন্দু দেবদেবীদের পূজা করার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন হিন্দু মহিলারা। সেই মামলাতেই আজকের এই রায় দান।  এই রায়কে ঘিরে যাতে কোনও অশান্তি ছাড়াতে না পারে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্র বারাণসীতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বারাণসী কমিশনারেটে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ আধিকারিকদের স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    বিখ্যাত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশে অবস্থিত শহরের জ্ঞানবাপি মসজিদের ভিতরে উপাসনার অধিকার চেয়ে করা মামলাটি “মেন্টেনেবল” কিনা সেই বিষয়ে এদিন সিদ্ধান্ত জানাবে বলে মনে করা হচ্ছে বারাণসী আদালত। এই মামলার ফলে জ্ঞানবাপি মসজিদের অভ্যন্তরে একটি সমীক্ষার করা হয়। মসজিদের চত্বরে একটি শিবলিঙ্গের মতো কাঠামো আবিষ্কৃত হওয়ার পরে এই আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল। যদিও মসজিদ কমিটি দাবি করেছে যে কাঠামোটি একটি ঝর্ণার। এখনও পর্যন্ত, মসজিদ কমিটি জানিয়েছে যে সম্পত্তিটি ওয়াকফ বোর্ডের এবং বিষয়টি আদালতে শুনানি করা যাবে না। তারা যুক্তি দিয়েছিলেন যে মসজিদ সম্পর্কিত যে কোনও বিষয়ে শুনানির অধিকার কেবল ওয়াকফ বোর্ডের রয়েছে।

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    সোমবার জেলা জজ সিদ্ধান্ত নেবেন পূজার অনুমতি সংক্রান্ত এই মামলায় আবেদনকারীদের যুক্তি আদৌও সঠিক কীনা। জেলা জজ অজয় কৃষ্ণ বিশ্বেশ গতমাসেই ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন। কেননা বিষয়টি সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল। তাই সবদিক ভালভাবে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবেন বিচারক।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন না হেমন্ত সোরেন (Hemanta Soren)। বৃহস্পতিবার রাতে একথা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় ঝাড়খন্ডের (Jharkhand) শাসকজোট। খনি মামলার জেরে বর্তমানে রাজ্যের নেতৃত্বে থাকাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে হেমন্ত সোরেনের। মুখ্যমন্ত্রী সহ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা-কংগ্রেসের জোট সরকারকে একহাত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের অফিস থেকে তথ্য ফাঁস করা হচ্ছে বলে রাজ্যপাল রমেশ বাইসকে চিঠি দিল ইউপিএ (UPA)। জোট সরকারকে অপদস্থ করার চেষ্টায় মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন ইউপিএ নেতারা।

    বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ রাজ্যপাল রমেশ বাইসের সঙ্গে রাজভবনে গিয়ে দেখা করে ইউপিএ জোটের বিধায়কদের প্রতিনিধি দল। তবে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন  সেই দলে ছিলেন না বলেই খবর। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, সোরেনের ইস্তফা দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বৈঠকের পর রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি বান্ধু তিরকে  জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিচ্ছেন না। রাজ্যপাল আশ্বাস দিয়েছেন আর দু’দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর কাছে আমরা জানতে চেয়েছি কী করে কিছু বিশেষ তথ্য এভাবে ফাঁস হয়ে গেল। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর অফিস থেকে কোনও খবর বাইরে যায়নি।”

    আরও পড়ুন: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    প্রসঙ্গত, খনি দুর্নীতি মামলায় হেমন্ত সোরেনকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট পেশ করার পর থেকেই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকারের দাবি জানায় বিজেপি। ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় জেএমএম বিধায়ক ৩০ জন। এছাড়াও কংগ্রেসের ১৮ বিধায়ক ও একজন আরজেডি বিধায়ক রয়েছেন সরকারে। ইতিমধ্যেই বিজেপি দাবি করেছে, হেমন্ত সোরেনের উচিত নৈতিক দিক বিবেচনা করে নির্বাচনের দিকে যাওয়া। এখনই বিধানসভা ভেঙে ৮১টি কেন্দ্রেই নির্বাচন হোক। 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ঝাড়খণ্ডে পুরনো পেনশন স্কিম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর একদিনের জন্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকার কথা  ভাবা হয়েছে। সূত্রের খবর, হেমন্ত সোরেনের সরকার আস্থা ভোট আনার কথা ভাবছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Virat Kohli to MS Dhoni: নম্বর তো অনেকেই জানে! অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময়ে ফোন করেছিল শুধুই ধোনি, অকপট কোহলি

    Virat Kohli to MS Dhoni: নম্বর তো অনেকেই জানে! অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময়ে ফোন করেছিল শুধুই ধোনি, অকপট কোহলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের সময়ে বন্ধু চেনা যায়। যেমন চিনেছেন বিরাট। বোঝা যায় কে আপনাকে ভালবাসে, কে ভাল চায়। রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের শেষে নিজের ক্ষোভ, অভিমান উজাড় করে দিলেন কোহলি। জানালেন খারাপ সময়ে অনেকেই সমালোচনা করেছেন কিন্তু কী করতে হবে তা বলেছিল বিরাট কোহলির অধিনায়ক, মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)।

    পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট হারের পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে চলে এসেছিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। তাঁর খারাপ সময় প্রশ্ন উঠতেই টিম ইন্ডিয়ার  প্রাক্তন অধিনায়ক ব্যাঙ্গের সুরে বললেন,  ‘আমার নম্বর অনেকের কাছে ছিল কিন্তু যখন আমি অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলাম, সেইসময় একমাত্র মহেন্দ্র সিং ধোনিই আমাকে ফোন করেছিলেন। আর কেউ কোনও ফোন করেননি। কেউ নয়। এর থেকেই বোঝা যায় কে আমার ভাল চায়।’ বিরাটের কথায়, ‘আমি যদি কাউকে সত্যিই মন থেকে সাহায্য করতে চাই, তাহলে তো তাঁকে আলাদা করে বোঝাব যে তোমার এটা ভুল হচ্ছে কিংবা ঠিক হচ্ছে। সকলের সামনে তো আর সেটা বলব না। আমাদের দুজনের সম্পর্কের মধ্যে একটা আলাদা বোঝাপড়া রয়েছে।’

    আরও পড়ুন: বাজিমাত বাংলার! ভারতীয় ফুটবল ও ক্রিকেটের মসনদে দুই বাঙালির দাপট

    বিরাট আরও বলেন, “টিভিতে অনেকেই অনেক পরামর্শ দেন। তাঁদের কাছে বলার মতো অনেক কিছুই থাকে। আমার নম্বর থাকলেও তাঁদের কোনও মেসেজ আসেনি। কারও সঙ্গে  যে শ্রদ্ধার সম্পর্ক থাকে, সেটা কতদূর সত্যি তা, এমন পরিস্থিতিতেই বোঝা যায়। আমার আর ধোনির মধ্যে একটা নিঃস্বার্থ সম্পর্ক রয়েছে। না তিনি আমার কাছে কিছু চান, না তো আমি কিছু চাই তাঁর কাছে। কেউ কাউকে নিয়ে কোনওদিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিনি। তাই সম্পর্কটা রয়ে গিয়েছে।”

    অনেকের দাবি ছিল ছন্দ হারানো বিরাটকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে রাখা উচিত নয়। তবে এ বারও নিন্দুকদের গ্যালারিতে ফেললেন ‘কিং কোহলি’। চলতি এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যাবে, কথা বলতে শুরু করেছে বিরাটের ব্য়াট। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে ৩৫ করার পর, হংকং-এর বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪৪ বলে ৫৯ রান। আর এ বার পাকিস্তানের কাছে দল হারলেও তাঁর ব্যাট থেকে এল ৪৪ বলে ৬০ রান। 

  • High Court on TET Exam: ভুল প্রশ্নের জের! ২৩ টেট পরীক্ষার্থীকে দ্রুত চাকরি দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    High Court on TET Exam: ভুল প্রশ্নের জের! ২৩ টেট পরীক্ষার্থীকে দ্রুত চাকরি দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক দিবসে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ফের রায় কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় (2014 TET Case) প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। ছয়টি ভুল প্রশ্নের কারণে টেট-এ পাস মার্ক না পাওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ২৩ টেট পরীক্ষার্থী। ওই ২৩ পরীক্ষার্থীকে আগামী  ২৩ দিনের মধ্যে শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijeet Ganguly)।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্নর চার দিনের সিবিআই হেফাজত
     
    প্রসঙ্গত, আগেই এই মামলায় বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভুল প্রশ্ন থাকায় বাড়তি ৬ নম্বর দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বাড়তি নম্বর পেয়েও অনেকেই চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। টেট-এর প্রশ্নপত্রের ভুল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলায় বিশ্বভারতীর বিশেষ কমিটি জানায়, ছটি প্রশ্নই ভুল। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরই ২০১৮ সালের শেষের দিকে এই কেসে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় অতিরিক্ত ছয় নম্বর করে দেওয়া হবে বলে জানান। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, অতিরিক্ত ৬ নম্বর পাওয়ার পরেও চাকরি মেলেনি। 

    আরও পড়ুন: চারদিনের সফরে ভারতে শেখ হাসিনা, মোদির সঙ্গে বৈঠকে নজরে জলবণ্টন

    মামলাকারীদের কথায়, যোগ্যতামান ভিন্ন থাকায় ২০২০ সালে চাকরি পাননি তাঁরা। আগেরদিনের শুনানিতে পর্ষদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন শুনানি শেষে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, আদলতের নির্দেশের পর ৬ নম্বর দেওয়া হয়েছিল, সেই নম্বর দেওয়াতে যাঁরা পাশ করেছেন এমন ২৩ জনকে চাকরি দিতে হবে। ভবিষ্যতে শূন্যপদ তৈরি হলেই তাঁদের চাকরি দেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। তিনি আরও বলেন, এই ২৩ জন ছয় বছর ধরে বঞ্চিত। আর সময় দেওয়া যাবে না। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথাও বলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • INS Vikrant: শব্দ দিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে পারব না! বিক্রান্তের ডেকে উঠে আবেগপ্রবণ মোদি

    INS Vikrant: শব্দ দিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে পারব না! বিক্রান্তের ডেকে উঠে আবেগপ্রবণ মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে এটা একটা ঐতিহাসিক দিন। আইএনএস বিক্রান্তের (INS Vikrant) ডেকে উঠে কেমন লাগছিল তা ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারবেন না। ট্যুইটবার্তায় আবেগপ্রবণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। শনিবার বিক্রান্তের একটি ভিডিও সহ ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটে তিনি জানান, ‘আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিফলন এই আইএনএস বিক্রান্ত। যেসকল দেশ নিজেদের প্রযুক্তিতে যুদ্ধজাহাজ তৈরি করে, সেই সব দেশের তালিকায় নাম লেখাল ভারতও।’

    কোচিন শিপইয়ার্ড, শ্রমিক ও নৌসেনার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘স্বদেশী পদ্ধতিতে তৈরি এই জাহাজের স্টিল স্বদেশী, এই স্টিল ডিআরডিও বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন। এই জাহাজ যেন এক ভাসমান শহর। জাহাজে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তা ৫০০০ বাড়িকে উজ্জ্বল করতে পারে। এর ফ্লাইট ডেকে দুটি ফুটবল মাঠ এঁটে যাবে।’ ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন, ইজরায়েল বিশ্বের নানা দেশ ভরতে তৈরি প্রথম এই রণতরীকে কুর্নিশ করেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ট্যুইটবার্তায় জানান এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে রাশিয়া গর্বিত।

    এই রণতরীর দৈর্ঘ্য ১৬২ মিটার, প্রস্থ ৬২ মিটার, উচ্চতা ৫৯ মিটার। বিশালায়তন এই জায়গায় ঢুকে যেতে পারে ২টো ফুটবল মাঠও। ৩০টি যুদ্ধবিমানকে পরিচালনা করতে সক্ষম এই রণতরীতে রয়েছে ২৩০টি ঘর, একসঙ্গে থাকতে পারবেন ১৭০০ জন। বিশালাকার এই রণতরী ভারতকে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর পাশে নিয়ে গেল বলে ট্যুইট করেছেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত।

    ভারতে বর্তমানে একটিই মাত্র অপারেশনাল বিমানবাহী রণতরী রয়েছে— আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya)। রুশ নির্মিত এই যুদ্ধজাহাজও আবার বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইএনএস কারোয়ার (INS Karwar) ঘাঁটিতে বসে রয়েছে। জলে নামতে অন্ততপক্ষে জানুয়ারি। অন্যদিকে, চিনের বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। তৃতীয়টির উদ্বোধন হয়েছে সম্প্রতি। ফলে, ভারতীয় মহাসাগরে, চিনের মোকাবিলা করতে নতুন বিমানবাহী রণতরী থাকা ভারতের কাছে কৌশলগত ও সামরিক দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলে মনে করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা মহলের দাবি, সমুদ্রপথে যদি চিন কখনও ভারতকে আক্রমণের চেষ্টা করে তবে তা ঠেকাতে ভারতের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ হতে পারে বিক্রান্ত। 

    আরও পড়ুন: ‘দাসত্বের ছাপ’ মুছে গেল! নৌসেনার নয়া নিশানে ছত্রপতি শিবাজির ‘রাজমুদ্রা’, গর্বিত প্রধানমন্ত্রী

     সর্বোচ্চ গতি ২৮ নট। এছাড়া এই যুদ্ধজাহাজে বারবার জ্বালানি ভরার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন নির্মাণকারী সংস্থা। একবার জ্বালানি ভরলেই বিক্রান্ত যেতে পারবে প্রায় ৭ হাজার নটিক্যাল মাইল। অর্থাৎ একবারের জ্বালানিতে ভারতীয় জলসীমা দু’বার ঘুরে আসতে পারবে এই রণতরী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share