Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Rajnath Singh: আত্মনির্ভর ভারত! বিদেশ থেকে আমদানি নয়, আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী তৈরি হবে দেশেই

    Rajnath Singh: আত্মনির্ভর ভারত! বিদেশ থেকে আমদানি নয়, আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী তৈরি হবে দেশেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের দিনই শোনা গিয়েছিল অত্যাধুনিক দেশীয় কামানের গর্জন। এবার আত্মনির্ভর ভারত তৈরিতে আর একটি পদক্ষেপ করল ভারতীয় সেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Minstry) রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) দেশে আরও নতুন যুদ্ধ সামগ্রী তৈরির তালিকা প্রকাশ করলেন। এই নিয়ে তৃতীয়বার তালিকা প্রকাশ করা হল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই তালিকায় বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে রফতানি নয় আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী দেশেই তৈরি হবে। কিছুদিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক অস্ত্র। 

    গত ১৫ অগাস্ট প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশেই নয়া যুদ্ধ সমাগ্রী তৈরির উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তাঁর স্বপ্নের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India)’প্রকল্প প্রসারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সমস্ত অস্ত্রের স্বদেশীকরণের জন্য দীর্ঘ দিন ধরেই কাজ করে আসছে ভারত সরকার। নেওয়া হয়েছে একাধিক নীতিও।’

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত তিনটি তালিকায় মোট ২,৫০০ যুদ্ধ সামগ্রী দেশে তৈরি হওয়ার কথা। শীঘ্রই দেশের পদাতিক সেনায় যান্ত্রিক সরঞ্জামের সংযুক্তিকরণ ঘটবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনাকে ভবিষ্যতমুখী বানাতেই এই পদক্ষেপ করা হবে। যানবাহন, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং রাত্রিকালীন যুদ্ধের গিয়ার থেকে শুরু করে অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থায় এই নয়া সংযুক্তিকরণ ঘটবে। দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করেই সেনাকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। গোয়েন্দাগিরি থেকে নজরদারির ক্ষেত্রে এই আধুনিকীকরণ খুব কার্যকরী হবে বলে আশা সেনার। দ্রুত গতিতেই এই নয়া যান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাজিয়ে ফেলা হবে সেনাকে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে,স্বদেশী পদ্ধতিতে তৈরি একাধিক অস্ত্র আসছে সেনা বাহিনীতে। এর মধ্যে ল্যান্ড মাইন্স, পার্সোনাল ওয়েপেন্স এবং ইনফেন্ট্রী কমব্যাট যানও রয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে জুন মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রক ৭৬৩৯০ কোটি টাকার দেশীয় সেনা উপকরণ কেনার জন্য সম্মতি দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Modi on 6G: উৎসবের মরশুমে ৫জি, চলতি দশকের শেষে ৬জি! জানুন দেশে প্রযুক্তি বিপ্লব নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi on 6G: উৎসবের মরশুমে ৫জি, চলতি দশকের শেষে ৬জি! জানুন দেশে প্রযুক্তি বিপ্লব নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের লক্ষ্য চলতি দশক শেষ হওয়ার আগে ৬জি (6G) প্রযুক্তির টেলিকম পরিষেবা চালু করে দেওয়া।  বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে এই কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। পুজোর সময়েই কলকাতা-সহ দেশের ১৩টি শহরে চালু হতে চলেছে ৫জি পরিষেবা৷ তার আগেই ৬জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা। মোদি বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির উপরেই এই শতকের অগ্রগতি নির্ভর করছে। তাই চলতি দশকের মধ্যে ৬জি আনতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স।”

    এদিন দেশের টেলিকম ক্ষেত্রের ভূয়সী প্রশংসাও করতে দেখা যায় মোদিকে। তাঁর মতে, আত্মনির্ভরতা ও স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতার এক সেরা নিদর্শন এই ক্ষেত্রের উত্তরণ। এরপরই তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যেই যাতে ৬জি পরিষেবা শুরু করা যায়, সেবিষয়ে পদক্ষেপ ইতিমধ্য়েই করেছে কেন্দ্র। মোদি বলেন, “আজ দেশের প্রতিটি গ্রামকে যুক্ত করা যাচ্ছে অপটিক্যাল ফাইবারের সাহায্যে। ২০১৪ সালের আগে ১০০টি গ্রাম পঞ্চায়েতেও অপটিক্যাল ফাইবার ছিল না। অথচ আজ ১ কোটি ৭৫ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্রন্ডব্যান্ড সংযোগ রয়েছে। আর এর ফলে গ্রামে গ্রামে সরকারি পরিষেবা পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে। এই ভাবে প্রযুক্তি আজ আর কেবল একটি ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই। তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে।”

    আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    সব কিছু ঠিক থাকলে ১২ অক্টোবর থেকেই হাই স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা পাবে কলকাতা-সহ ১৩টি শহর৷ সেপ্টেম্বরের শেষে ‘ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই হয়তো ৫জি’র যাত্রাপথের শুভ সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী ৷ কলকাতা ছাড়াও প্রথম পর্যায়ে ৫জি পরিষেবা চালু করা হবে দিল্লি, আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, গান্ধীনগর, গুরুগ্রাম, লখনউ, হায়দরাবাদ, জামনগর, মুম্বই ও পুণেতে। ইতিমধ্যেই সার্ভিস প্রোভাইডারদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব৷ ৫জি স্পেকট্রামের নিলামে জয়ী হয়েছে ভারতী এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও, ভোডাফোন আইডিয়া ও আদানি ডেটা নেটওয়ার্কস৷ এই সংস্থাগুলির কাছে ইতিমধ্যেই সরকারি চিঠি পৌঁছে গিয়েছে। যাতে তারা  প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পরিষেবা শুরু করার জন্য তৈরি থাকতে পারে৷ প্রধানমন্ত্রী জানান, “৫জির ফলে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিকাঠামো ও লজিস্টিক্সের মতো বহু ক্ষেত্রেরই উন্নতি হবে। এর ফলে অনেক নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Supreme Court: অসাংবিধানিক! ১৯৮৮ সালের বেনামি লেনদেন আইনের একটি ধারা বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: অসাংবিধানিক! ১৯৮৮ সালের বেনামি লেনদেন আইনের একটি ধারা বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের আগে বেনামি সম্পত্তির লেনদেন (Benami Transaction) করলে, আর কোনও শাস্তি পাবেন না অপরাধী। এমনকি কোনও জরিমানাও করা যাবে না তাঁকে। মঙ্গলবার এমনই নিদান দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বেনামি লেনদেনের সাজা দেওয়ার জন্য ভারতীয় আইনের যে ধারা লাগু করা হত, তাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে ঘোষণা করল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ভারতীয় সংবিধানে বেনামি লেনদেন সংক্রান্ত আইন তৈরি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। ১৯৮৮ সালের বেনামি লেনদেন (প্রতিরোধ) আইনের ৩(২) ধারায় এই ধরনের অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হত। এদিন সম্পূর্ণ ধারাটিকেই ‘অসাংবিধানিক’ বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। 

    আরও পড়ুন: শিন্ডে বনাম উদ্ধবের লড়াই পৌঁছল সাংবিধানিক বেঞ্চে

    ১৯৮৮ সালের আইনের (Benami Law) ৩(২) ধারা অনুযায়ী, বেনামি লেনদেনকারীকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত জেল বা জরিমানা অথবা জেল ও জরিমানা উভয় শাস্তি দেওয়ার বিধান ছিল। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এমভি রামানার নেতৃত্বাধীন ৩ বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, আইনটি ভারতীয় সংবিধানের ২০(১) অনুচ্ছেদের বিরোধী এবং অযৌক্তিক। ২০১৬ সংশোধন করা হয় এই আইন। কিন্তু ২০১৬ সালের আগের কোনও মামলায় সংশোধনী আইনকে ব্যবহার করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের আবেদন মেনে ফিফার নিয়মকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের! সিওএ বাতিলের নির্দেশ

    কলকাতা হাইকোর্টের একটি রায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে এই মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টের ৩ বিচারপতির বেঞ্চ। একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের বেনামি লেনদেন প্রতিরোধ সংশোধনী আইনটিকে প্রয়োগ না করার নির্দেশ দেয়। কারণ মামলাটি ২০১১ সালে কেনা সম্পত্তির ওপর ভিত্তি করে ছিল। হাইকোর্টের বক্তব্য ছিল, ২০১১ সালের কেনা সম্পত্তির মামলার ক্ষেত্রে ২০১৬ সালের সংশোধনী আইন প্রয়োগ করা যাবে না।  হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রমনা, বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারি এবং বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে। শীর্ষ আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের পক্ষেই রায় দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Kathua: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    Kathua: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাছ থেকে ঝুলছে বিজেপি (BJP) নেতার দেহ। চাঞ্চল্য ছড়াল জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কাঠুয়া জেলার হীরানগর এলাকায়। গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন কাঠুয়ার বিজেপি নেতা সোম রাজ। মঙ্গলবার সোম রাজের ঝুলন্ত দেহ মেলে। তাঁর পরিবার ও বিজেপির দাবি, খুন করা হয়েছে সোম রাজকে।

    এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, হীরানগর শহরের এক গ্রামবাসী ওইদিন সকালে বিজেপি নেতার দেহ গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। এরপর তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। তাঁর দেহে দাগ ছিল পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের তরফে তদন্তও শুরু হয়েছে, বলে জানানো হয়।  

    আরও পড়ুন: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    মৃত বিজেপি নেতার পরিবারের অভিযোগ, এটা আত্মহত্যা নয়। খুন করে তারপর ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর দেহটি। খবর পেয়ে সোম রাজের বাড়ি পৌঁছন বহু বিজেপি নেতা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ট্যুইট করেছেন, “কাঠুয়া জেলার হীরানগরে আমাদের পুরানো সহকর্মী এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা শ্রী সোম রাজ (সোমা) এর মৃত্যুর কথা শুনে গভীরভাবে দুঃখিত। ঈশ্বর তাঁর আত্মাকে শান্তি দিন।” এরপরই এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানায় বিজেপি।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে কাশ্মীরে শুরু হয়েছে ‘টার্গেট কিলিং’। জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে প্রাণ দিতে হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে উপত্যকা ছাড়তে চেয়েছে তাঁরা। প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। জঙ্গিদের গুলির শিকার হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকরাও। এরই মধ্যে বিজেপি নেতা সোম রাজের রহস্য মৃত্যুতে  উপত্যকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cow Smuggling Case:  অনুব্রত-কন্যার নামে জমির হদিশ!  বোলপুরের বিএলআরও অফিসে কী পেল সিবিআই?

    Cow Smuggling Case: অনুব্রত-কন্যার নামে জমির হদিশ! বোলপুরের বিএলআরও অফিসে কী পেল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে জমির হদিশ পেল সিবিআই। মঙ্গলবার সকালে সিবিআইয়ের (CBI)দুই সদস্যের এক প্রতিনিধি দল বোলপুরে অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রার অফিস হানা দেয়। একেবারে অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আসেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। 

    আরও পড়ুন: পার্থ-কাণ্ডে এবার উঠে এল এক ব্যাঙ্ক দম্পতির নাম! কালো টাকা সাদা করতে এরাই কি সাহায্য করত ?

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অফিসের যেখানে দলিল সহ বাড়ি-জমির কাগজপত্র সার্চিং করা হয়, সেখানেই যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। অনুব্রত মণ্ডল সহ তাঁর কয়েকজন আত্মীয়ের যে সমস্ত বাড়ি-জমির নথি গোয়েন্দাদের কাছে এসেছে, সেগুলি কবে কেনা হয়েছে বা মালিকানা হস্তান্তর হয়েছে, সেটাই গোয়েন্দারা সার্চিং করে দেখেন। একেবার সার্চিং দফতরে কর্মীকে কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে কোন সম্পত্তি কবে, কার থেকে, কত দামে কেনা হয়েছিল এবং বর্তমান মালিক কে তার খোঁজ নেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: বাম-বিজেপি নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নয়া মোড়! কী হল আদালতে?

    সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। এদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ছ’ঘণ্টা ধরে তাঁরা বিভিন্ন নথিপত্র খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেন। এর পর তাঁরা ওই দফতর থেকে বেরিয়ে যান। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে নথিপত্র ঘেঁটে দেখার সময় সুকন্যার জমি ও সম্পত্তির হদিশ মেলে। অনুব্রতের মেয়ে সুকন্যা ছাড়াও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের স্থাবর সম্পত্তি ঠিক কত, সে সম্পর্কে তথ্য  খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অনুব্রতের দেহরক্ষী সহগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সহগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Achinta Sheuli Exclusive: ‘জেরেমি না আমি, সময়ই বলবে! যে যোগ্য সেই যাবে প্যারিস,’ অকপট অচিন্ত্য

    Achinta Sheuli Exclusive: ‘জেরেমি না আমি, সময়ই বলবে! যে যোগ্য সেই যাবে প্যারিস,’ অকপট অচিন্ত্য

    ঈষিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: ফিনিশিং লাইন এখনও অনেকটা দূরে। সাফল্যের শেষ স্টপেজ কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2022) সোনার পোডিয়াম নয়। সেটা অতীত। চাঁদের পাহাড় অলিম্পিক্স। আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক গেমস (Paris Olympics) এরিনায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাই এখন আশু লক্ষ্য বাংলার ভারোত্তলক অচিন্ত্য শিউলির (Achinta Sheuli)। মাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন বাংলার সফল ভারোত্তলক।

    চরম দারিদ্রের মধ্যে বেড়ে ওঠা অচিন্ত্য জীবনে ধীরে-চলো নীতিতেই বিশ্বাসী। তাঁর কথায়, “Slow and Steady wins the race: সোনা তো দূর-অস্ত, আগে তো যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। ২০২৪ সালে প্যারিস অলিম্পিক গেমসে (2024 Paris Olympic Games) খেলতে গেলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে (World Championship) ভালো ফল করতে হবে। সেখানেই মিলবে অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র।”

    বিশ্ব ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপে তাহলে প্রধান প্রতিপক্ষ কে? বন্ধু জেরেমি? মানতে নারাজ ২০ বছর বয়সি হাওড়ার ছেলে। তাঁর কথায়, “এটা কোনও সমস্যা নয়। বরং এই লড়াই দুজনকে আরও ভালো খেলতে উৎসাহ দেবে। বেশ মজাও হবে। আমরা একসঙ্গে অনুশীলন করব। আবার একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করব। দুজনেই জিততে চাই। যে ভালো পারফরম্যান্স করবে সেই অলিম্পিক্সে সুযোগ পাবে। যোগ্যতম জায়গা করে নেবে। আমাদের বন্ধুত্ব একরকমই থাকবে।”

    এক ফ্রেমে জেরেমি ও অচিন্ত্য

    কমনওয়েলথের আসর থেকে দুজনেই সোনা এনে দিয়েছেন। দুই বন্ধুরই পাখির চোখ প্যারিস অলিম্পিক গেমস। কিন্তু নিয়মের ফাঁদে যে কোনও একজনই অলিম্পিক্সে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। জেরেমি (Jeremy Lalrinnunga) কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয় করেন পুরুষদের ৬৭ কিলোগ্রাম ওজন বিভাগে। আর অচিন্ত্য ৭৩ কিলোগ্রাম ভারোত্তলন বিভাগে।  প্রসঙ্গত যে ৬৭ কেজি বিভাগে লড়াই করেন জেরেমি সেই বিভাগটি তুলে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক ওয়েটলিফটিং ফেডারেশন। ফলে ১৯ বছর বয়সি জেরেমিকে এবার থেকে লড়তে হবে ৭৩ কেজি বিভাগে। ফলে অলিম্পিক গেমসের জন্য ‘সম্মুখ সমরে’ দুই বন্ধু।

    নিজের লক্ষ্যে অবিচল অচিন্ত্য বলেন, “প্রতিপক্ষ যে-ই হোক আমি নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করব। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। কমনওয়েলথে মোট ৩১৩ কেজি ওজন তুলেছিলাম। এবার টার্গেট ৩৪০ কেজি ওজন তোলা। সে জন্যই আমেরিকায় প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছি। সেখানে আমার সঙ্গে দিদি মীরাবাঈ (Mirabai Chanu), জেরেমি সকলে থাকবে। নিজের ভুল-ত্রুটিগুলি শুধরে নেওয়া যাবে।”

    আরও পড়ুন: অচিন্ত্য না জেরেমি! জানেন অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধি কে

    বুধবারই ভারতের সিনিয়র ভারোত্তলকদের বিশেষ অনুশীলনের জন্য আমেরিকা পাঠানো হচ্ছে। প্রায় এক মাসের মতো স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচের তত্ত্বাবধানে শিবির হবে তাঁদের। আমেরিকার সেইন্ট লুইসে তাঁদের বিশেষ ট্রেনিং দেবেন ড.অ্যারন হরশিগ। ২০২০ থেকে তাঁর অধীনে ট্রেনিং নিয়েছেন মীরাবাঈ চানু। সেখানেই এবার নিজেদের ঝালিয়ে নেবেন অচিন্ত্য, জেরেমিরা। তাই এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে নামছেন না তাঁরা।

    হাওড়ার দেউলপুরে মাটির বাড়িতে বেড়ে ওঠা। মা জরির কাজ করে সংসার চালান কোনওক্রমে। সাপ্তাহিক রোজগার পাঁচশো টাকা। তা-ও নিয়মিত নয় সেই কাজ। দাদা এখন দমকল দফতরের অস্থায়ী কর্মী। ছোট থেকেই লড়াই করে বড় হয়েছেন অচিন্ত্য। তাঁর লড়াই সকলকে প্রেরণা যোগাবে বলে ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। অচিন্ত্য বললেন, “মোদিজি অসাধারণ। কমনওয়েলথ গেমসে নামার আগে তাঁর ফোন মনের জোর অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেনার চাকরি আমাকে সাহস জুগিয়েছে। পুষ্টিকর খাবার খেতে সাহায্য করেছে। সাফল্যের জন্য পরিশ্রম যেমন জরুরি, তেমন দরকার ধৈর্যও । শুধু পরিশ্রম করলে হবে না, তার সঙ্গে ধৈর্য না থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন।”

  • Assam’s New Rules: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    Assam’s New Rules: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম এবং মাদ্রাসা ও মসজিদের শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন (Police Verification) ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হবে। জানিয়ে দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আল কায়দার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে অসম থেকে গত চারমাসে অন্তত ২৫জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছে।

    গত কয়েকদিনে অসমের একাধিক জায়গায় থেকে জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। এদের অনেকেই সেখানের ইমাম এবং মাদ্রাসার শিক্ষক হিসাবে কাজ করছিলেন। তারা বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন  আনসারুল্লা বাংলা টিমের (Ansarullah Bangla Team) সঙ্গে যুক্ত বলে সূত্রের খবর। একইসঙ্গে ধৃতরা জিহাদি কাজ এবং আল কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের (Al Qaida in Indian Subcontinent) সঙ্গেও যুক্ত বলে দাবি অসম পুলিশের। একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়ার জেরেই নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম প্রশাসন।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma)  আবেদন, গ্রামের লোকজন যদি তাঁদের এলাকায় অপরিচিত ইমামদের দেখেন তাহলে তাঁরা যেন সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানান।  তিনি বলেন, “রাজ্যে একের পর এক জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ার পরে এখানে নতুন একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল (Standard Operating Protocol) চালু করা হচ্ছে। এরই অঙ্গ হিসাবে যারা রাজ্যের বাইরে থেকে মাদ্রাসায় আসছেন তাঁদের সম্পর্কে একটি ‘পোর্টাল’ করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: আল কায়দা যোগ, অসমে গ্রেফতার দুই ইমাম! কী মিলল তাদের কাছ থেকে?

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার জঙ্গি যোগের অভিযোগে গোয়ালপাড়া থেকে দুজন ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরই একেবারে তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে পোর্টাল খোলা হবে, তার  মাধ্যমে ইমাম ও বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক যারা অসমের বাইরে থেকে আসছেন তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে কবে থেকে এই পোর্টাল চালু হবে তা নিয়ে তিনি কিছু জানাননি।

    এদিকে গোয়ালপাড়ার পুলিশ সুপার ভিভি রাকেশ রেড্ডি জানিয়েছেন, ওই ইমামরা জেহাদি স্লিপার সেল তৈরির কাজ করত। তল্লাশি চালিয়ে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে বেশ কিছু বই, পোস্টার, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে অসম পুলিশ। এ ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড ও পরিচয় পত্র।

  • FIFA ban on AIFF: কেন্দ্রের আবেদন মেনে ফিফার নিয়মকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের! সিওএ বাতিলের নির্দেশ

    FIFA ban on AIFF: কেন্দ্রের আবেদন মেনে ফিফার নিয়মকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের! সিওএ বাতিলের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের আবেদন মেনে নিয়ে ফিফার নিয়মকেই মান্যতা দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। যে তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপে নির্বাসনের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে,  সেই তিন সদস্যের প্রশাসক কমিটির (সিওএ) আর কোনও ক্ষমতা থাকবে না, বলে সোমবার জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রশাসক কমিটির ক্ষমতা কেড়ে সর্বোচ্চ আদালতের আশা, এবার হয়তো বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা (FIFA), ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) এর উপর থেকে নির্বাসন তুলে নেবে।

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (এআইএফএফ) নির্বাচনও এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগে অগাস্টের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সেই নির্বাচন হবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। নির্বাচন পরিচালনা করবেন ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সচিব। ৩৬ সদস্যের ভোটার তালিকা তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের হস্তক্ষেপে উঠতে পারে ফিফার নির্বাসন! জানুন কী বলল শীর্ষ আদালত

    রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন নিয়ে যায়। তাতে বলা ছিল, সরকার ফিফার সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে এবং তাদের দাবি অনুসারে প্রশাসক কমিটির (সিওএ) শেষ চাইছে। সর্বোচ্চ আদালতের কাছে কেন্দ্রের আবেদন, সরিয়ে দেওয়া হোক সিওএ-কে। এর পাশাপাশি প্রাক্তন ফুটবলারদের ভোটাধিকার না দেওয়ার দাবিও জানায় কেন্দ্র। ক্ষমতাচ্যুত প্রফুল পটেল ও তার দলবলকে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন থেকে বাদ দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়। এদিন সরকারের সেই আবেদন মেনে নেয় শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: আর বাড়ি ফেরা হল না! প্রয়াত কিংবদন্তি ফুটবলার বদ্রু বন্দ্যোপাধ্যায়

    অন্যদিকে এদিন সকালে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া। প্রশাসক কমিটির তৈরি করা খসড়া সংবিধানকেই মান্যতা দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। কিন্তু প্রশাসক কমিটিরই অস্তিত্ব না থাকায় ভাইচুংয়ের আর্জির কোনও ভিত্তি রইল না। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভাইচুং ভারতীয় ফুটবলের আইকন। তাঁকে আরও বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবহার করা হবে।

    গত ১৬ অগস্ট ভারতীয় ফুটবলকে নির্বাসনে পাঠায় ফিফা। এর ফলে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ ভারতে না হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু নির্বাসনের জেরে বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার হারাতে নারাজ ক্রীড়ামন্ত্রক। তাই সক্রিয় কেন্দ্র। ফিফার সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে তারা। 

  • Jasprit Bumrah: বিশ্বকাপে অনিশ্চিত বুমরা! ভারতীয় তারকা পেসারের চোট নিয়ে গুঞ্জন

    Jasprit Bumrah: বিশ্বকাপে অনিশ্চিত বুমরা! ভারতীয় তারকা পেসারের চোট নিয়ে গুঞ্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিঠের চোটে কাবু ভারতের তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরা। বাদ পড়েছেন এশিয়া কাপ থেকেও। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তাঁকে পাওয়া যাবে কি না তাঁর নিশ্চয়তা নেই। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে বুমরা এখন রয়েছেন বেঙ্গালুরুতে। সেখানে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে (NCA) চোট সারাচ্ছেন তিনি। চিকিৎসক ও ফিজিওদের সামনেই চলছে অনুশীলন। বুমরার চোট নিয়ে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)। 

    ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের ক্রিকেটে শেষ খেলেছিলেন বুমরা। তার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ে সফর থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয় তাঁকে। মধ্যে আমেরিকায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতেও যান ভারতীয় পেসার। দেশে ফিরেই বেঙ্গালুরুতে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন তিনি। দেশের মাটিতে সেপ্টেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজের আগে সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন বুমরা। কিন্তু এক বোর্ড আধিকারিকের কথায়, বুমরার চোট নিয়ে শঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হয়েছে। তিনি জানান , বুমরার পিঠে চোট রয়েছে। সেই কারণেই এশিয়া কাপের দলে রাখা হয়নি তাঁকে। এই পিঠের চোটের কারণেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে খেলতে পারেননি বুমরা। তাঁর এই চোট পুরনো। সারতে সময় লাগবে।

    আরও পড়ুন: সামি বাদ পড়ায় ক্ষুব্ধ শ্রীকান্ত! বিশ্বকাপের দলে সামি ফিরলে অবাক হবেন না মোরে

    এর আগে ২০১৯ সালে চোটের জন্য দল থেকে ছিটকে যান বুমরা। তারপর থেকেই পিঠের চোট ভোগাচ্ছে তাঁকে। আশা করা হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন বুমরা। কিন্তু তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ওই আধিকারিকের কথায়, “বুমরা আমাদের সেরা বোলার। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওকে সম্পূর্ণ সুস্থ দেখতে চাই।”  তবে, একান্ত বুমরাকে না পাওয়া গেলে বিশ্বকাপে ভারতের পেস আক্রমণকে ভরসা করতে হবে ভুবনেশ্বর কুমার এবং অর্শদীপ সিংহের উপর।

  • Afghanistan: ফের রক্তাক্ত কাবুল! মসজিদে বিস্ফোরণ, ইমাম-সহ নিহত ২০

    Afghanistan: ফের রক্তাক্ত কাবুল! মসজিদে বিস্ফোরণ, ইমাম-সহ নিহত ২০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপল আফগানিস্তান (Afghanistan)। বুধবার রাজধানী কাবুলের (mosque in Kabul) একটি মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জেহাদিরা। ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের। আহত অন্তত ৪০। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এই হামলার নেপথ্যে ইসলামিক স্টেটের (IS) হাত রয়েছে বলে অনুমান।

    কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যায় প্রার্থনা চলাকালীন খইর খানা এলাকার একটি মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটে। সূত্রের খবর, হামলায় সিদ্দিকি মসজিদের ইমাম আমির মহম্মদ কাবুলিরও মৃত্যু হয়েছে।  তিনি একজন বিশিষ্ট তালিবান ধর্মীয় পণ্ডিত। তালিবানের (Taliban) এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, সিদ্দিকি মসজিদে হওয়া হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। ঘটনার তদন্ত করছে তালিবানি গোয়েন্দারা। 

    কাবুলের ইমার্জেন্সি হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরণের পর ৫ শিশুসহ ২৭ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক শিশুর বয়স মাত্র ৭। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উত্তর কাবুলের আশেপাশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে, আশেপাশের ভবনের জানালার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। বিস্ফোরণের পর তোলা ছবি ও ভিডিয়োতে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের গাড়িকে ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘লজ্জাজনক ঘটনা’, কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যার নিন্দায় সরব অনুপম খের

    এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে তালিবান। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, গত সপ্তাহে কাবুলে ইসলামিক স্টেটের (IS) হামলায় মৃত্যু হয় তালিবানপন্থী মুসলিম ধর্মগুরু শেখ রহিমুল্লা হাক্কানির। ফলে আফগানিস্তান দখল করলেও দেশে শান্তি ফেরাতে তালিবান যে অক্ষম তা স্পষ্ট।  গত অগাস্টে তালিবানরা ক্ষমতা পুনর্দখলের পর থেকেই, আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেট খোরাসান বা আইএসকেপি জঙ্গি গোষ্ঠী একাধিক হামলা চালিয়েছে। এর পাশাপাশি ক্রমে শক্তি বাড়াচ্ছে নর্দান রেসিস্ট্যান্স ফোর্সের মতো তালিবান বিরোধী আফগান যোদ্ধা গোষ্ঠীগুলিও।

     

LinkedIn
Share