Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • ICC New Rule: ক্রিকেটের নিয়মে বদল! কারা পাবে সুবিধা, কী জানাল আইসিসি? 

    ICC New Rule: ক্রিকেটের নিয়মে বদল! কারা পাবে সুবিধা, কী জানাল আইসিসি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নিয়ম সংশোধন বিশ্ব ক্রিকেটে। নিয়মের সংশোধন করে আরও কড়া হওয়ার ইঙ্গিত দিল আইসিসি (ICC New Rule)। নিজেদেরই তিনটি নিয়মে বদল করল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। এই সিদ্ধান্তের ফলে এ বার থেকে আর নিয়মের ফাঁক গলে অতিরিক্ত সুবিধা পাবে না বোলিং দল। ডিআরএস প্রযুক্তি এবং কনকাশন পরিবর্তের নিয়মে বদল করা হয়েছে। বদল করা হয়েছে মাঠে চোট পরীক্ষার সময়ের নিয়মেও।

    নয়া নিয়ম কী কী

    আইসিসি (ICC New Rule) জানিয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর থেকে এই সংশোধন কার্যকর হয়েছে। স্টাম্পের ক্ষেত্রে ডিআরএসের বদল হয়েছে। এই ব্যাপারে আবেদন করলে এবার থেকে সাইডভিউ ক্যামেরা থেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তৃতীয় আম্পায়রকে। বোলার আহত হলে পরিবর্তন হিসাবে মাঠে নেমেই বল করতে পারবেন না কোনও বোলার। দেখতে হবে, আহত হওয়ার সময় বোলার বল করছিলেন কী না। পরিবর্ত বোলার তখনই বল করতে পারবেন যদি আগের বোলার বল করার সময় চোট পান। যদি অন্য কোনও সময় তিনি চোট পান তা হলে পরিবর্ত হিসাবে বোলার নামলেও তিনি বল করতে পারবেন না। কেপ টাউনে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় টেস্টের মধ্যেই এই নিয়ম সংশোধনের কথা জানিয়েছে আইসিসি।

    আরও পড়ুন: দেড় দিনে শেষ পাঁচ দিনের টেস্ট! কেপ টাউনে জিতে সিরিজ ড্র করল ভারত

    স্টাম্পিং আর কট বিহাইন্ডের ক্ষেত্রে এত দিন অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছিল ফিল্ডিং সাইড। উইকেটকিপার স্টাম্পিংয়ের আবেদন করলে, টেলিভিশন আম্পায়ার কট-বিহাইন্ড পরীক্ষা করে তবেই ব্যাটসম্যান স্টাম্পড হয়েছে কিনা দেখে সিদ্ধান্ত জানাতেন। নতুন নিয়মের ফলে শুধু সাইড-অন রিপ্লে খতিয়ে দেখবেন টেলিভিশন আম্পায়ার। খতিয়ে দেখা হবে না কট বিহাইন্ড। যে দল ফিল্ডিং করছে, সেই দলকে কট-বিহাইন্ডের আবেদনের জন্য আলাদা রিভিউ নিতে হবে। অর্থাৎ, এক আবেদনে একাধিক আউটের রিভিউ আর নেওয়া যাবে না। এখন থেকে কোনও ক্রিকেটার চোট পেলে মাঠে ৪ মিনিটের বেশি চিকিৎসা করাতে পারবেন না। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ira Khan Wedding: কনের সাজে আমির-কন্যা ইরা, জগিংয়ের পোশাকে বিয়ের আসরে বর নূপুর

    Ira Khan Wedding: কনের সাজে আমির-কন্যা ইরা, জগিংয়ের পোশাকে বিয়ের আসরে বর নূপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তাঁর জিম ট্রেনার প্রেমিক নূপুর শিখর। কোভিডের সময় দেখা, সেখান থেকে প্রেম। প্রায় তিন বছরের সম্পর্ক নূপুর শিখর ও ইরা খানের। গত বছর নভেম্বর মাসে বাগ্‌দান সারেন আমির-কন্যা। অবশেষে মুম্বইতে আমিরের প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে চার হাত এক হল। 

    দৌড়ে বিয়ের আসরে

    ইরার গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে মরাঠি সাজে দেখা গিয়েছিল আমিরের প্রাক্তন দুই স্ত্রী রিনা ও কিরণকে। ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিজনের উপস্থিতিতে আইনি মতে বিয়ে সম্পন্ন হল ইরা-নূপুরের। আগেই জানা গিয়েছিল বিয়েতে অতিথিদের কাছ থেকে উপহার গ্রহণ করতে নারাজ ইরা। বিয়ের দিন সকালেও সাদামাটা সাজেই মুম্বইয়ের এক সাঁলোর বাইরে দেখা যায় ইরাকে। প্রায় আট কিলোমিটার দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে পৌঁছন নুপূর। প্রথমে কালো স্যান্ডো গেঞ্জি পরে বর বিয়ে করতে এলেও, পরে বদলে নেন পোশাক।

    রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের আসর

    বিয়ে সেরে বাড়ির বাইরে এসে উপস্থিত পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে ছবির জন্য পোজ দিতে দেখা গেল নব দম্পতিকে। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বন্দি হলেন আমির খানও। শ্বশুরের খুব ঘনিষ্ঠ নূপুর। দীর্ঘদিন ছিলেন তিনি আমিরেরই জিম ট্রেনার। এছাড়াও বহু বলিউড তারকার সঙ্গে কাজ করেছেন মিস্টার পারফেকশনিস্টের জামাই। ৭টা নাগাদ সম্পন্ন হয় বিয়ের অনুষ্ঠান।

    আইনি মতে সইসাবুদ করে বিয়ে সারেন ইরা ও নূপুর। রীতি মেনে বিয়ে না করলেও সঙ্গীত, মেহেন্দির মতো অনুষ্ঠান হয়েছে তাঁদের। মুম্বইতে আইনি বিয়ে সারলেও ৮ জানুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরে রয়েছে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান। তার পরর ১৩ জানুয়ারি মুম্বইতে রয়েছে বউভাতের অনুষ্ঠান। ওই দিনই আমান্ত্রিত বলিউডের খ্যাতনামী তারকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: ইচ্ছেপূরণ হল না! বাড়িতে বসেই চিকিৎসা করানোর নয়া আবদার পার্থর

    Partha Chatterjee: ইচ্ছেপূরণ হল না! বাড়িতে বসেই চিকিৎসা করানোর নয়া আবদার পার্থর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মূল্যে জামিন পেতে মরিয়া নিয়োগ দুর্নীতিতে (Teacher Recruitment Scam) গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। কিন্তু বারবার আবেদন করেও জামিন মিলছে না। বুধবারও আদালতে জামিনের জন্য আর্জি জানান পার্থর আইনজীবী। এদিন আদালতে আইনজীবী, তাঁর শারীরিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তাঁকে যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আর্জি জানান। জেলে ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না৷ তাই বাড়িতে বসেই চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হোক৷ এমন কি, তার জন্য যে কোনও শর্ত পালনেও রাজি ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু এবারও মিলল না অনুমতি। ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    পার্থর আবেদন

    এদিন আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবী বলেন, “যে কোনও শর্তে জামিন চাইছি। দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ। বাড়িতে বসে চিকিৎসা করার আবেদন জানাচ্ছি।” আদালতে আইনজীবি আরও জানান যে, “মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ ছিল নিয়মিত রক্তপরীক্ষা করার। কিন্তু গত ৯ মাসে রক্তপরীক্ষা হয়নি। জেলে থেকে চিকিৎসা হচ্ছে না। যেভাবে চিকিৎসা হওয়া দরকার, সেটা হচ্ছে না। দিনের পর দিন বিনা চিকিৎসায় রয়েছেন। হেফাজতে রয়েছেন, তদন্ত হচ্ছে না।” মেডিক্যাল বোর্ড অনুসারে, ওনার নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা দরকার৷ কিন্তু সেটা হচ্ছে না। কিডনির সমস্যা, হাই ব্লাড সুগার, জয়েন্টে সমস্যা ও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতি নেতাজি নগর থানা এলাকার নাকতলায় পৈতৃক বাড়িতে বসে ওনার চিকি়ৎসার ব্যবস্থা করা হোক৷

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

    সিবিআই-এর বিরোধিতা

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবীর এই আবেদনের বিরোধিতা করেন সিবিআই-এর আইনজীবী৷ তিনি বলেন, “মিডলম্যানদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের সরাসরি যোগ ছিল। আর্থিক লেনদেন হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়-ই নির্দেশ দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে অফিসারদের দুর্নীতিতে যুক্ত করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়-ই এই দুর্নীতির কিংপিন।” দু-পক্ষের সওয়াল জবাবের পর ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়কে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। প্রসঙ্গত, শিক্ষা দুর্নীতির (Teacher Recruitment Scam) দায়ে ২০২২-এর জুলাই মাসে ইডি গ্রেফতার করে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়কে। একইসঙ্গে গ্রেফতার করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায়কেও। তারপর থেকে জেলেই দিন কাটছে প্রাক্তন মন্ত্রীর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: লজ্জার রেকর্ড ভারতীয় ব্যাটারদের! কেপটাউনের চমক, একদিনে পড়ল ২৩ উইকেট

    India vs South Africa: লজ্জার রেকর্ড ভারতীয় ব্যাটারদের! কেপটাউনের চমক, একদিনে পড়ল ২৩ উইকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লজ্জার রেকর্ড ভারতের। বিশ্বক্রিকেটে অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী থাকল কেপটাউন। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৭ বছরের ইতিহাসে এর আগে কখনও শূন্য রানে ৬ উইকেট পড়েনি। এই প্রথম বিনা রানে ছয় উইকেট হারাল ভারত। একই দিনে পড়ল ২৩টি উইকেট। এর আগে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড টেস্টের প্রথম দিন ২৫ উইকেট পড়েছিল। ১৯০২ সালে মেলবোর্নে হয়েছিল সেই টেস্ট। 

    বেহাল ব্যাটিং

    কেপটাউনে দ্বিতীয় টেস্টে শুরুটা ভাল হয়েছিল ভারতের। মহম্মদ সিরাজের দাপটে ৫৫ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa)। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব খারাপ হয়নি মেন-ইন-ব্লুদের। যশস্বী জয়সওয়াল আবার ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় উইকেটে রোহিত শর্মা এবং শুভমন গিল খেলাটা ধরে নেন। রোহিত শুরু করেছিলেন আগ্রাসী ভঙ্গিতে। তবে ৩৯ ও ৩৬ রানে ফিরে যান তাঁরা। চায়ের বিরতিতেও ৪ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান ছিল ভারতের। ক্রিজে ছিলেন বিরাট কোহলি এবং কেএল রাহুল। কে জানত বিশ্বরেকর্ড অপেক্ষা করছে! 

    চা-বিরতির পর একটা সময় ভারতের রান ছিল ১৫৩-৪। তার পরে মাত্র ১১ বলের ব্যবধানে ভারতের বাকি ৬টি উইকেট পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের দাপটে শেষ কয়েক মিনিটে যে ভাবে এতগুলি উইকেট পড়েছে তাতে চমকে গিয়েছেন অনেকেই। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। রবি শাস্ত্রী বলেন, “কে ভেবেছিল এরকম বিশ্বরেকর্ড হবে! সবাই যেন নতুন বছরের শুরুতে ধামাকা দেওয়ার মেজাজে ছিল।”  এগারোজনের মধ্যে ছয় জন শূন্যতে আউট হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে যশস্বী জয়েসওয়াল, শ্রেয়স আইয়ার, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ।

    এখনও ম্যাচে ভারত 

    কেপ টাউনে সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে খেলতে নেমেছিল ভারত। আগে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকাকে দু’ওভারে গুটিয়ে দিয়েছিল ৫৫ রানে। কিন্তু নিজেরাও তার সুবিধা নিতে পারল না। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হল ১৫৩ রানে। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ উইকেট হারিয়ে ৬২ রান তোলে। হাতে ৭ উইকেট। প্রোটিয়ারা এখনও পিছিয়ে ৩৬ রানে। ম্যাচের যা পরিস্থিতি তাতে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট দু’দিনেই শেষ হওয়ার মুখে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: সিরাজ-সাইক্লোন! একাই নিলেন ৬ উইকেট, ৫৫ রানে শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা

    India vs South Africa: সিরাজ-সাইক্লোন! একাই নিলেন ৬ উইকেট, ৫৫ রানে শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এক, দুই বা তিন নয়, একাই ৬টি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের সেরা স্পেল উপহার দিলেন মহম্মদ সিরাজ (Mohammed Siraj)। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন আপ। আরও চমকপ্রদ হল, সিরাজ-বুমরা-মুকেশ ত্রয়ীতে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে গেল প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংস। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটাই ভারতের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন স্কোর দক্ষিণ আফ্রিকার।

    দুরন্ত বোলিং ভারতের

    কেপ টাউনে দ্বিতীয় টেস্টে শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার উপর চেপে বসে ভারত। একের পর এক ব্যাটার আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এডেন মার্করামকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন সিরাজই। এর পর ডিন এলগার, টোনি ডি জর্জি, ডেভিড বেডিংহ্যাম, কাইল ভেরেইনে এবং মার্কো জানসেনকে আউট করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে সিরাজ ৯ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। সিরাজ ছাড়াও উইকেট নিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা এবং মুকেশ কুমার। দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন তাঁরা। শার্দূল ঠাকুরকে বসিয়ে এই ম্যাচে মুকেশকে দলে নেয় ভারত। সেই ম্যাচে কোনও রান না দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন বাংলার পেসার।

    এলিট ক্লাসে সিরাজ

    এদিন টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করে ভারত। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডের যা অবস্থা ভারতীয় সমর্থকরা এখন বলতে শুরু করেছেন, শুরুতে বোলিং করে লাভবান হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। শুরু থেকেই বল হাতে আগুন ঝরালেন সিরাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের তালিকায় তিনে পৌঁছে গেলেন সিরাজ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন শার্দূল ঠাকুর। ২ বছর আগে আজকের দিনে শার্দূল ঠাকুর জোহানেসবার্গে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। অল্পের জন্য এই রেকর্ড ভাঙা হল না সিরাজের। ভারতীয় প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ভারতীয় কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে ২০০৪ সালে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চা বিরতি পর্যন্ত ভারত ৪ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান করে। রোহিত শর্মা ৩৯ রানে আউট হন। শুভমন গিল করেন ৩৬ রান। শ্রেয়স আইয়ার ও যশস্বী জয়সওয়াল কোনও রান পাননি। তাঁরা দুজনেই শূন্য হাতে ফেরেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই মোহনবাগানের (Mohun Bagan) কোচের পদ থেকে সরে গেলেন জুয়ান ফেরান্দো (Juan Ferrando)। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হল টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে। তাঁর কোচিংয়েই সুপার কাপ এবং মরসুমের বাকি ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। এর আগে হাবাস সবুজ-মেরুনের কোচ ছিলেন। এ মরসুমের শুরুতে তাঁকে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর করে দলের সঙ্গে রাখা হয়েছিল। এবার ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হল হাবাসকে।

    ফেরান্দোর সাফল্য

    ২০২১ সালে কোচ করা হয়েছিল ফেরান্দোকে (Juan Ferrando)। সে বার হাবাসের কোচিংয়ে আইএসএলে সাফল্য আসছিল না। ওই মরসুমেই গোয়ার কোচ হিসেবে ডুরান্ড কাপ জিতেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। ওই সাফল্যের কথা মাথায় রেখে মরসুমের মাঝপথে হাবাসকে সরিয়ে বাগানের (Mohun Bagan) কোচ হয়েছিলেন ফেরান্দো। দু’বছর পর সেই ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার বাগানের হটসিটে এলেন হাবাস। এএফসি কাপে ব্যর্থতা, আইএসএলে পরপর তিন ম্যাচে হার, এর জেরেই ফেরান্দোর ওপর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মোহনবাগান এ বারের আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১০টি ম্যাচে ৬টি জিতেছে। পেয়েছে ১৯ পয়েন্ট। গত বারের চ্যাম্পিয়ন দল রয়েছে পাঁচ নম্বরে।

    হাবাসেই ভরসা

    দু’বছরে সবুজ-মেরুনের ৭৭টি ম্যাচে কোচ ছিলেন ফেরান্দো (Juan Ferrando)। এর মধ্যে ৪২টি ম্যাচে জিতেছিল দল। হেরেছিল ২০টিতে। বাকি ১৫টি ম্যাচ ড্র হয়। ফেরান্দোর প্রশিক্ষণেই গত মরসুমে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয় মোহনবাগান (Mohun Bagan)। তার পরে জেতে ডুরান্ড কাপও। কিন্তু এ বারের আইএসএলে টানা তিনটি ম্যাচে হারের পরেই দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন ফেরান্দো। ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু কলিঙ্গ সুপার কাপ। এক সপ্তাহ সময় পাবেন হাবাস দল গোছানোর জন্য। হাবাসেই আপাতত ভরসা রাখছেন কর্তারা। আশা করা হচ্ছে, হাবাসের হাত ধরেই মোহনবাগান আবার জয়ে ফিরবে।

     

    আরও পড়ুন: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগী বা তাঁর পরিবারের অনুমতি ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা যাবে না। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। যদি রোগীর পরিস্থিতি খারাপের দিকেও যায় তবেও রোগীর পরিবার বা খোদ রোগীর অনুমতি ছাড়া তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা যাবে না। তবে মহামারী, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে নির্দেশ

    বিভিন্ন সময়েই আইসিইউ-তে (ICU) রোগী ভর্তি করানো নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রোগী আত্মীয়দের মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হলে বা দেহের কোনও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল না হলে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় না। অনেক সময় হাসপাতালগুলির দিকে অভিযোগের তির ওঠে তারা নাকি জোর করে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে দেন। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আর কোনও দায় থাকবে না। সবটাই রোগী বা তাঁর পরিবারের ওপর বর্তাবে। 

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও গুরুতর অসুস্থ রোগীর আর কোনও চিকিৎসা সম্ভব নয় অথবা চিকিৎসার সুবিধা নেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে ওই রোগীকে আইসিইউতে (Centre guideline on ICU) রাখা নিরর্থক। একই ভাবে উপযুক্ত চিকিৎসার পরও রোগী যদি ‘প্রত্যাশিত সাড়া’ না দেন সে ক্ষেত্রেও তাঁকে আইসিইউতে রাখার কোনও মানে হয় না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের এই গাইডলাইন। তবে সবচেয়ে যে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল, কারও বাঁচার ইচ্ছে আছে কিন্তু তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি হতে চান না, এমনটা হলেও ওই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখতে পারবেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিমারি কিংবা কোনও বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে আইসিইউতে রোগী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে বলছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    আইসিইউ-তে ভর্তির জন্য কী দেখা হবে 

    নির্দেশিকায় (Centre guideline on ICU) রোগীর বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একমাত্র সেই পরিস্থিতিতেই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। যেমন, কোনও রোগীর রেসপিরেটরি সাপোর্ট অর্থাৎ শ্বাসজনিত সাপোর্ট লাগলে তাকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। অন্যদিকে, ইনটেনসিভ কেয়ারের জরুরি  এমন কোনও গুরুতর রোগ (সিভিয়ার অ্যাকিউট ইলনেস) হলে রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। এছাড়াও, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কোনও বড় সমস্যা হলে তাকে আইসিইউ-তে ট্রান্সফার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কেন নয়া নির্দেশিকা

    আইসিইউ সংক্রান্ত নির্দেশিকার (Centre guideline on ICU)  নেপথ্যে থাকা অন্যতম চিকিৎসক আর কে মনি বলেন, ভারতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। তাই যে রোগীর দরকার, সে-ই যেন আইসিইউ পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে কেন্দ্র। ইন্ডিয়ান কলেজ অব ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনের সেক্রেটারি চিকিৎসক সুমিত রায় বলেন, বেশিরভাগ দেশেই আইসিইউ নিয়ে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে। আইসিইউ যাতে লাগামছাড়া ব্যবহার না করা হয়, তার জন্যই এই নিয়ম। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন বাতিল কমিশনের

    Imran Khan: ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন বাতিল কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) দাখিল করা দু’টি মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিল নির্বাচন কমিশন। এর ফলে নির্বাচনে (Pakistan General Election 2024) ব্যাকফুটে চলে গেল  পাকিস্তান-তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) পার্টি। মরানের মনোনয়ন বাতিলকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ বলেছে তাঁর দল পিটিআই। ইমরানের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে দল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে পারে বলে ইঙ্গিত।

    মনোনয়ন বাতিল

    পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির আসন্ন নির্বাচনের (Pakistan General Election 2024) প্রার্থী হিসাবে ‘পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ’ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান লাহোরের এনএ–১২২ এবং মিয়াঁওয়ালির এনএ–৮৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।শনিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সেই মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে জানানো হয়েছে। পাক নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যে দু’টি কেন্দ্র থেকে ইমরান খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সেখানকার বৈধ ভোটার নন তিনি। এছাড়া, বর্তমানে দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। জেলবন্দি কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার নেই। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখার পর তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত

    এ প্রসঙ্গে ইমরানের (Imran Khan) দল পিটিআই মহাসচিব ওমর আয়ুব খান বলেন, ‘‘সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে পিটিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার সাহস না থাকায় এই ধরনের অসাধু পদ্ধতি অবলম্বন করছেন ক্ষমতাসীনেরা। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।’’ ঘটনার জেরে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছেন পিটিআই কর্মী-সমর্থকেরা। উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর ছিল পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনির শেষ দিন। মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের বিরুদ্ধে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আগামী ১০ জানুয়ারি ওই আপিলের বিষয়ে নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ১১ জানুয়ারি।  আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’ এবং প্রাদেশিক আইনসভাগুলির নির্বাচন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রম-আইন ভাঙার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী সমাজ কর্মী মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus)। সোমবার ইউনুসকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার আদালত। সেই সঙ্গে ছ’মাসের জেলের সাজাও দেওয়া হল তাঁকে। আদালত তাঁকে হাজতবাসের সাজা দিলেও অবশ্য তাঁকে জেলে যেতে হয়নি। তিনি এবং তাঁর সংস্থার চার কর্মী অবিলম্বে জামিনও পেয়ে যান। 

    কেন দোষী ইউনুস

    বাংলাদেশর সমাজকর্মী তথা একমাত্র নোবেলজয়ী ইউনুসের (Muhammad Yunus) বয়স এখন ৮৩। তাঁর সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বেআইনি ভাবে কাজ চালানোর মামলা চলছিল। সোমবার সেই মামলায় ইউনুস-সহ তাঁর সংস্থার চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা আদালত। সোমবার ঢাকা আদালতে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের এক প্রতিনিধিও। রায় ঘোষণার পর তিনিও এই রায়ের সমালোচনা করেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধি স্পষ্ট বলেন, ‘‘এই নির্দেশ বিচারের নামে প্রহসন। ঢাকা আদালত আদতে বাংলাদেশ সরকারের ইচ্ছা এবং সিদ্ধান্তে আইনি ছাপ দিল। শ্রম আইনের অপপ্রয়োগ করে হেনস্তা করা হল সেই নোবেলজয়ীকে, যিনি তাঁর দেশকে গর্বিত করেছেন।’’

    আরও পড়ুন: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন ইউনুস (Muhammad Yunus)। তাঁকে ওই সম্মান দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর তৈরি মাইক্রোফিন্যান্স ব্যাঙ্কিংয়ের জন্য। ওই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে ইউনুস বাংলাদেশের লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে টেনে তুলেছেন বলে মনে করেছিল নোবেল প্রদানকারী সংস্থা। যদিও বাংলাদেশ সরকার কখনওই তাঁর পাশে ছিল না। ইউনুস সাংবাদিকদের বলেন, “ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য আমরা কিছু করিনি।” আর মহম্মদ ইউনুসের আইনজীবী খোয়াজা তনভির বলেন, “এই মামলার কোনও মানে নেই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে ইউনুসের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করতেই এই কাজ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World’s oldest company: ১৫০০ বছর ধরে কাজ করে চলেছে! কীভাবে টিকে রয়েছে বিশ্বের প্রাচীনতম সংস্থা?

    World’s oldest company: ১৫০০ বছর ধরে কাজ করে চলেছে! কীভাবে টিকে রয়েছে বিশ্বের প্রাচীনতম সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সালটা ৫৭৮ খ্রিস্টাব্দ! শিগেমিৎসু কঙ্গো নামের এক কোরিয়ান অভিবাসী জাপানে পাড়ি জমান। তখন দেশটিতে বৌদ্ধ ধর্মের উত্থান ঘটে। শিতেনো-জি বৌদ্ধমন্দির নির্মাণের জন্য রাজকুমার শোটোকুর কাছ থেকে দায়িত্ব পান এই অভিবাসী। তার হাত ধরে ওসাকার বুকে নির্মিত হয় জাপানের প্রথম ও প্রাচীনতম (World’s oldest company) বৌদ্ধমন্দির। মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি এই কাজকে পারিবারিক ব্যবসায় পরিণত করার কথা ভাবলেন শিগেমিৎসু। প্রতিষ্ঠিত হলো ‘কঙ্গো গুমি কোম্পানি লিমিটেড’ (Kongo Gumi)। সেই থেকে এখনও টিকে রয়েছে এই কোম্পানি।

    প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার লড়াই

    প্রায় ১৫০০ বছর ধরে সমান তালে ব্যবসা করে যাচ্ছে ‘কঙ্গো গুমি কোম্পানি লিমিটেড’। এই সংস্থাই বিশ্বের প্রাচীনতম সংস্থা। কীভাবে এই প্রতিযোগিতার বাজারে এতদিন ধরে টিকে আছে তারা? সংস্থা জানিয়েছে এর গোপন রহস্য হল – ব্যবসার একটি বিশেষ জায়গা বেছে নিয়ে সেই জায়গায় নিজের জায়গা ধরে রাখতে হবে। তাহলেই, যে কোনও ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাওয়া যাবে। কঙ্গো গুমি লিমিটেড কোম্পানি যেমন, মন্দির নির্মাণের জন্য কাঠের সাথে কংক্রিট ব্যবহারকারী প্রথম জাপানি নির্মাণ সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম। তাদের আলাদাভাবে নাম রয়েছে জাপানি ঐতিহ্যগত স্থাপত্যে। এই সংস্থা, প্রধানত মন্দির, দুর্গ এবং জাপানি ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলির নকশা, নির্মাণ, পুনরুদ্ধার এবং মেরামতের কাজ করে থাকে। সংস্থার সদর দফতর ওসাকায়। 

    আরও পড়ুন: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    বর্তমানে জাপানে অনেক বড় বড় নির্মাণ সংস্থা তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতা অনেক বেড়েছে। এই অবস্থায় ২০০৬ সালে তাকামাতসু কনস্ট্রাকশন গ্রুপ কঙ্গো গুমি সংস্থা অধিগ্রহণ করেছে। বর্তমানে কঙ্গো গুমি তাকামাতসু কনস্ট্রাকশন গ্রুপের এক সহায়ক সংস্থা। মালিকানা বদলালেও, নিজেদের বিশেষত্ব ছাড়েনি সংস্থাটি। এখনও, প্রধানত বৌদ্ধ মন্দির এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক ভবনগুলি পুনরুদ্ধারের কাজ করে থাকে। সংস্থার কর্মীরা, প্রয়োজনে ১০ বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। এই সময়ে, তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share