Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির সংলগ্ন ৮৪-কোশী পরিক্রমা অঞ্চল ‘মদবিহীন এলাকা’ হিসাবে ঘোষিত করা হল। ওই এলাকায় মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা বা প্রস্তুত করা যাবে না। এমনকি, এলাকায় আগে থেকে যে মদের দোকান রয়েছে,  সেগুলিকেও তুলে দেওয়া হবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এমনই নির্দেশ দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। 

    ‘মদবিহীন’ অঞ্চল

    আগামী ২২ জানুযারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন হবে। সূচনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে সমগ্র অযোধ্যা জুড়ে সাজ সাজ রব। তারই মাঝে বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাম মন্দির সংলগ্ন এলাকায় এখন থেকে আর মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা- কোনওকিছুই করা যাবে না। জারি করা নির্দেশিকার জেরে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আগে থেকে থাকা সরকারি মদ দোকানগুলিও সরতে চলেছে। সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনও মদ ব্যবসায়ী দোকান সরাতে না চাইলে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পৎ রাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল। তার পরেই মন্দির সংলগ্ন এলাকা ‘মদবিহীন’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কে? চিনে নিন

    নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সরযূ নদীর তীরে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন তিনি। তার মাঝেই নতুন নিয়মের কথা জানাল উত্তরপ্রদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের সিদ্ধান্ত, ৮৪ কোশী পরিক্রমা মার্গে মদ বিক্রি বন্ধ। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সঙ্গে আলোচনা করেই এলাকাকে মদ-বিহীন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা ওখানে অবস্থিত দোকানগুলি সরিয়ে দিয়েছি। ১৫০-১৭৫ কিমি দীর্ঘ ওই রাস্তায় সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মদ বিক্রি। নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: দক্ষিণ আফ্রিকায় ফের হতাশা! এক ইনিংস ও ৩২ রানে লজ্জার হার ভারতের

    India vs South Africa: দক্ষিণ আফ্রিকায় ফের হতাশা! এক ইনিংস ও ৩২ রানে লজ্জার হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনেই শেষ ভারত -দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa) প্রথম টেস্ট। অসহায় আত্মসমর্পণ রোহিতদের। টুর্নামেন্টে ফেভারিট হিসাবে খেলতে নেমে  সেঞ্চুরিয়নে প্ৰথম টেস্টে এক ইনিংস এবং ৩২ রানে হারল ভারত। শেষ হয়ে গেল ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট সিরিজ জয়ের আশা করেছিল ভারতবাসী। এক লহমায় ভেঙে গেল সেই আশা। বিশ্বকাপ ফাইনালে যেমনভাবে মাথা নীচু করে মাঠ ছেড়েছিলেন, সেভাবেই হতাশাকে সঙ্গী করে বৃহস্পতিবারও মাঠ ছাড়লেন রোহিতরা।

    ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটাররা

    দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa) টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায়। প্রথম ইনিংসে ভারত তোলে ২৪৫ রান। সেবারে কেএল রাহুলের শতরানের সৌজন্যে খানিকটা হলেও মুখরক্ষা হয়েছিল ভারতের। জবাবে ভারতীয় বোলারদের পিটিয়ে রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। এলগার করেন ১৮৫ রান। অন্যদিকে শেষবেলায় জানসেনের ৮৪ রানের ওপর ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস শেষ হয় ৪০৮ রানে। ভারতের হয়ে চারটি উইকেট নেন বুমরাহ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় ভারত। অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ। যদিও এদিন দিনের সেরা বলেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ভারত অধিনায়ক। একমাত্র বিরাট কোহলি ছাড়া কেউই তেমনভাবে রান করতে পারেননি। বিরাট করেন ৭৬ রান। শুভমান করেন ২৬ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বার্গার নেন চারটি উইকেট। 

    প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে কার্যত আত্মসমর্পণ করে বসল ভারতীয় ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৩ রানের ঘাটতি নিয়ে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৩১ রানে গুটিয়ে গেল ভারতের ব্যাটিং। সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্ট পার্কে তিনদিনের মধ্যে ভারতকে ইনিংস ও ৩২ রানে হারিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাও ১০ জন ক্রিকেটার নিয়ে। চোটের জন্য তাদের অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা মাঠেই নামতে পারেননি। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ১-০ এগিয়ে গেল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের কাজ করেই কেটে যাচ্ছে দিন রাত। তবু শুনতে হয় ‘ঘরেই তো বসে থাক! কোনও কাজ তো নেই…’। এমন কথা প্রায়শই অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু আইন বলছে অন্য কথা। আইনের চোখে গৃহবধূর শ্রম পারিশ্রমিকের যোগ্য। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court) বলল, গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁরাও স্বোপার্জনকারী। সংসারে তাঁরা দিবারাত্রি যে কাজ করেন, তার মূল্য রয়েছে।

    কী বলল আদালত

    ৫ বছরের পুরনো একটি ঘটনা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চে। মামলার রায় দেওয়ার সময় বিচারপতি বলেন, ‘‘কে বলেছে, গৃহবধূরা বেকার? সংসারে গৃহবধূদের অবদান অনেক বড়। তাঁরা কোনও ছুটি না নিয়ে ৩৬৫ দিন সংসারের যাবতীয় কাজ করেন। একই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করালে যে খরচ হত, তা ব্যয় করতে হয় না ওঁদের দৌলতেই। তাই সংসারে ওঁদের কাজের আর্থিক মূল্যও রয়েছে। আর সেই জন্যই গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁদেরকেও উপার্জনকারী হিসাবেই দেখতে হবে।’’  এক্ষেত্রে হাইকোর্ট (Calcutta High court) মনে করে দিয়েছে ২০০৮ সালে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের কথা। সর্বোচ্চ আদালত ব্যাখা করেছিল, যাঁরা বাড়িতে থাকেন তাঁদের বেকার বলে গণ্য করলে হবে না। প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে ধার্য্য করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    কোন প্রসঙ্গে এই মত

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বর্ধমানের বাসিন্দা লুফতা বেগম। পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ছেলে মীর শামিম আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেম ট্রাইব্যুনাল থেকে ক্ষতিপূরণের যথেষ্ট অর্থ তাঁরা পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন মৃতের ছেলে। কারণ যে গাড়িটির দ্বারা দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেই গাড়িটির বিমা করা ছিল। এই মামলারই শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তা ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা গৃহবধূ তাঁদের বেকার ভাবলে চলবে না। তাঁদের শ্রমের মূল্য তা গণ্য করতে হবে। এরপর হাইকোর্টে (Calcutta High court) ওই বিমা সংস্থাকে ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মামলার শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, ওই মহিলার ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য টাকা অবিলম্বে তাঁকে দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Electra Wicket: কাজ কমল আম্পায়ারদের! ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’ উইকেট 

    Electra Wicket: কাজ কমল আম্পায়ারদের! ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘ইলেকট্রা’ উইকেট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে আনা হল নতুন প্রযুক্তি ইলেক্ট্রা স্টাম্প। এই নতুন ধরনের স্টাম্পগুলিতে ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রঙের আলো জ্বলে উঠবে। নতুন এই স্টাম্পগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইলেকট্রা’। বিগ ব্যাশ লিগে এই স্টাম্পের উদ্বোধন করেছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন এবং প্রাক্তন অসি ক্রিকেটার মার্ক ওয়। 

    কেমন এই নতুন স্টাম্প

    ইতিপূর্বে রঙিন আলো ঝলমলে ইলেক্ট্রা উইকেট স্টাম্প মহিলাদের বিগ ব্যাশ লিগে ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার পুরুষদের ক্রিকেট লিগে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই স্টাম্পের প্রধান আকর্ষণ এই স্টাম্পে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আলাদা আলাদা আলো জ্বলতে থাকে। ওয়াইড বল কিংবা নো-বলে বদলে যাবে উইকেটের রং। বাউন্ডারি কিংবা টাইম আউটের সময়ও বদলে যাবে স্টাম্পের রং। এই বিশেষ স্টাম্পে আলাদা আলাদা ডিসপ্লে দেখতে পাওয়া যায়। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের দাবি, নতুন এই স্টাম্পগুলি দর্শকদের আরও বেশি করে আকৃষ্ট করবে এবং ম্যাচের মাঝে কী হচ্ছে সেটা সম্পর্কে আরও বেশি করে তাঁদের জানাবে।

    ক্রিকেটকে আরও দর্শনীয় করে তুলতেই এই ব্যবস্থা। কোনও ব্যাটার আউট হলে স্টাম্পের রং লাল হয়ে যাবে। চার বা ছয় হলে স্টাম্পে একাধিক আলোর খেলা দেখা যাবে। দর্শকদের আনন্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন রঙের খেলা দেখানো হবে। তেমন ভাবে নো বল হলে লাল এবং সাদা রং মিশিয়ে আলোর খেলা দেখানো হবে। আম্পায়ারদেরও এতে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, দু’টি ইনিংসের বিরতির মাঝেও বেগুনি এবং নীল রঙের আলোর কারিকুরি থাকছে। সিডনি সিক্সার্স বনাম অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ম্যাচে প্রথম বার এই ধরনের স্টাম্প দেখা যায়। বিবিএলে এটি নতুন ইতিহাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bharat Rice: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    Bharat Rice: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির জেরে নাজেহাল মধ্যবিত্ত। স্বস্তি দিতে সদা সচেষ্ট কেন্দ্র সরকার। তাই ভারত ডাল ও ভারত আটার পর এবারে বাজারে চাল আনছে সরকার। আসছে ভারত রাইস (Bharat Rice)। বাজারে ভারত রাইস আসছে মাত্র ২৫ টাকা কিলো দরে। বাজারচলতি মূল্যের চেয়ে এই দাম অনেকটাই কম। সাধারণ বাজারচলতি চালের দামের প্রায় অর্ধেক। এর আগে আটা এবং ডালের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকার একই ভাবে মূল্যহ্রাসে উদ্যোগী হয়েছিল। ‘ভারত আটা’ এবং ‘ভারত ডাল’ বর্তমানে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। যে কোনও সংস্থার ডাল বা আটার চেয়ে যার দাম বেশ কম।

    কীভাবে পাওয়া যাবে ভারত রাইস

    এর আগে, দেশে ক্রমবর্ধমান পেঁয়াজ ও টমাটোর দাম বৃদ্ধি রুখতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে পেঁয়াজ ও টমাটো কম দামে বিক্রির বন্দোবস্ত করে। তারপর ডাল ও আটা এবার চাল। সরকারি সূত্রে খবর, ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (এনসিসিএফ), এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (নাফেড), কেন্দ্রীয় ভান্ডারের দোকান এবং মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে এই চাল বিক্রি করা হবে। তবে, কবে থেকে এই চাল (Bharat Rice) বাজারে পাওয়া যাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় এবার চালের মূল্যবৃদ্ধি ১৪.১ শতাংশ হয়েছে। গড়ে ৪৩.৩ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে চাল। 

    আরও পড়ুন: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    খাদ্যশস্যের দাম কমাতে সক্রিয় সরকার

    বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার কম দামে আটা আর ছোলার ডাল বিক্রি করেছে। সরকারি সংস্থাগুলির আউটলেটে ভারত আটা প্রতি কেজিতে ২৭.৫০ টাকা ও ভারত ডাল ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে, খুচরো বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার বাসমতি চালের রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। পরিসংখ্যান বলছে, নভেম্বরে দেশে খাদ্যশস্যের দাম ১০.২৭ শতাংশ বেড়েছে। যা মুদ্রাস্ফীতিকে পৌঁছে দিয়েছে ৮.৭০ শতাংশে। খাদ্যশস্যের দাম কমাতে তাই সক্রিয় সরকার। চাল (Bharat Rice) অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাদ্যশস্য। দেশের একটা বড় অংশের মানুষের জীবনে যা অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাই চালের দামে লাগাম টানা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে, বলে অভিমত সরকারি মহলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election 2024: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    Election 2024: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় অনুশাসন না মানলে অনুপম হাজরার মতোই পরিণতিও হবে। বর্ধিত রাজ্য কমিটির বৈঠকে দলের নেতাদের এই বার্তাই দিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Election 2024) রাজ্য থেকে ৩৫টি আসন লাভের জন্য একশো দিনের বিশেষ কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করল রাজ্য নেতৃত্ব।

    মাঠে নেমে কাজ

    অমিত শাহ, জে পি নাড্ডাদের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে কীভাবে এগোবে দল, বুধবারের রাজ্য কমিটির বৈঠকে (Bengal BJP) তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘরে বসে না থেকে লোকসভায় রাজ্যে কাঙ্খিত আসন সংখ্যা জিততে ১ জানুয়ারি থেকে আগামী একশো দিন মাঠে নেমে কর্মীদের কাজ করার নির্দেশই দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপি-র শীর্ষ নেতারা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অমিতাভ চক্রবর্তী, এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা সহ পদ্ম শিবিরের অন্যান্য পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 

    ছুটি বাতিল

    বুধবার সন্ধ্যায় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর)-এ হওয়া বিজেপির বৈঠকে রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে বলেন, ‘‘এখন যাঁদের যা ছুটি নেওয়ার রয়েছে নিয়ে নিন। আগামী ১ জানুয়ারি নতুন বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত ছুটি পাওয়া যাবে। পরের দিন ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে একেবারে ভোটগণনা পর্যন্ত কেউ কোনও রকম ছুটি নিতে পারবেন না।’’ বিজেপি সূত্রের খবর, কোনও রকম আত্মতুষ্টিতে যেন না ভোগেন নেতারা সে বিষয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব। সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আদি বিজেপি নেতাকর্মীদের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘উন্নয়নের টাকায় মোচ্ছব করছে তৃণমূলের চেয়ারম্যান’, বিস্ফোরক দলীয় কাউন্সিলাররা

    দলীয় শৃঙ্খলা মানতেই হবে

    লোকসভায় ভাল ফল করার জন্য দলের কর্মীদের মধ্যে সদ ভাব বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। মানতে হবে দলীয় অনুশাসনও। বিজেপি সূত্রে খবর, গতকালের বৈঠকে অনুপমের ঘটনা উল্লেখ করে কড়া বার্তা দেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন ‘আমাদের দলের প্রথম এবং শেষ কথা হল শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা। সেটা না মানলে গতকাল রাতে কী হয়েছে সেটা দেখেছেন। সুতরাং, দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলতেই হবে। আমাদের দলে কেউ উপরে উঠতে গেলেই নীচ থেকে তাঁকে টেনে নামিয়ে দেওয়া হয়। এসব করলে দলেরই ক্ষতি হবে। কেউ যদি দলীয় অনুশাসন অমান্য করেন তাহলে অনুপম হাজরার মতো কড়া ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে দল৷’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: রাহুলের সেঞ্চুরির পর এলগারের শতরান, চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা

    India vs South Africa: রাহুলের সেঞ্চুরির পর এলগারের শতরান, চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa)। ডিন এলগারের শতরানে ভর করে বুধবার খেলা শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা করল পাঁচ উইকেটে ২৫৬ রান। এর মধ্যে এলগারের একারই ১৪০ রান। ভারতের ইনিংসের হাল ধরেছিলেন লোকেশ রাহুল। তাঁর শতরান দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। প্রোটিয়াদের ইনিংসে সেই কাজ করলেন এলগার।

    দুরন্ত এলগার

    ভারতের শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ডিন এলগার একা দলকে টেনে ছিলেন। এবারও সেটাই করলেন তিনি। এক সময় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এখন অবশ্য তিনি নেতা নন। তবে এদিন দলের ব্যাটিংকে নেতার মতোই সামলালেন এলগার। প্রথম টেস্টে তিনি দুর্দান্ত শুরু করলেন। সেঞ্চুরি করতে তিনি নিলেন মাত্র ১৪০ বল। ১৯টা চার মেরে তিনি সেঞ্চুরি করলেন। বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে তিনি জ্বলে উঠলেন।  এদিন বল হাতে জসপ্রীত বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজ দারুণ ছন্দে ছিলেন। ডিন এলগার টার্গেট করলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও শার্দূল ঠাকুরকে। রানও করে গেলেন স্বছন্দে। এলগার ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৫৬ রান করেছেন ডেভিড বেডিংহাম।

    রাহুলের শতরান

    ৮ উইকেটে ২০৮ রান থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। সেই সময় ৭০ রানে ব্যাট করছিলেন রাহুল। সঙ্গে ছিলেন সিরাজ। মেঘলা আবহাওয়ায় দ্রুত রান তোলা সহজ ছিল না। কাগিসো রাবাডা প্রথম দিনের ছন্দেই বল করছিলেন। তাই বাকি বোলারদের বিরুদ্ধে রান করার পরিকল্পনা করেন রাহুল। সেই মতো খেলছিলেন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দেন সিরাজ। ৮৯ রান থেকে ছক্কা মেরে ৯৫ রানে পৌঁছন রাহুল। এরপর ছক্কা মেরে শতরান পূরণ করেন। টেস্টে এটি তাঁর অষ্টম শতরান। আগের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও এই মাঠেই শতরান করেছিলেন রাহুল। সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন তিনি। ১০০ রানের মধ্যে ৮০ রানই এসেছে বাউন্ডারিতে। ১৪টি চার ও চারটি ছক্কা মেরেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: স্বাগত নয় চিনা কোম্পানি! আইপিএলের স্পনসরশিপে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত বিসিসিআই-এর

    বড় রানের লক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা

    এদিন বল হাতে শুরুটা ভালই করেছিলেন সিরাজ ও বুমরা। কিন্তু তৃতীয় ও চতুর্থ পেসার হিসাবে শার্দূল ঠাকুর ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ দাগ কাটতে পারলেন না। মহম্মদ শামির অভাব টের পেল ভারত। দিনের শেষে আপাতত ভারতের থেকে ১১ রানে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। হাতে রয়েছে আরও পাঁচ উইকেট। তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত রান তুলে বড় লিড নেওয়াই হবে প্রোটিয়াদের লক্ষ্য। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ২ কোটি পার! বিশ্বের বড় বড় নেতাদের পিছনে ফেলে ইউটিউব ফলোয়ার সংখ্যায় শীর্ষে মোদি

    PM Modi: ২ কোটি পার! বিশ্বের বড় বড় নেতাদের পিছনে ফেলে ইউটিউব ফলোয়ার সংখ্যায় শীর্ষে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউব চ্যালেনে জনপ্রিয়তায় বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতাদের পিছনে ফেলে শীর্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও বারবার দেখা গিয়েছে মোদি-ম্যাজিক। মোদির ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ২ কোটি ছাড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ভিউয়ার সংখ্যাও।

    শীর্ষে মোদি, অন্য নেতারা কোথায়

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটর্ফম ইউটিউবের পক্ষ থেকে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদির ইউটিউব চ্যানেলের বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা সংখ্যা প্রায় ২০ মিলিয়ন অর্থাৎ ২ কোটি। সেই সঙ্গে ভিউয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন। এক্ষেত্রে তিনি অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের পিছনে ফেলে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছেন বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হেয়েছে। মোদির থেকে অনেক পিছনে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের গ্রাহক সংখ্যা মাত্র ৭ লাখ ৯৪ হাজার। তবে, ইউটিউবে জনপ্রিয়তায় মোদির পরেই অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। তাঁর চ্যানেলের গ্রাহক সংখ্যা ৬.৪ মিলিয়ন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর। ৪.১ মিলিয়ন তাঁর গ্রাহক।

    আরও পড়ুন: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    মোদির জনপ্রিয়তা 

    প্রসঙ্গত, ভারতে মোদির জনপ্রিয়তা নিয়ে সম্প্রতি এক সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছিল। তাতে দেখা গেছে, জনপ্রিয়তার নিরিখে শীর্ষ আছেন নরেন্দ্র মোদি। ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন তিনি। মোদিই বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্রনেতা, যিনি ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছিলেন। তারপর থেকে ডিজিটাল নীতির পক্ষে সওয়াল করে আসছেন তিনি। বিদেশের মাটিতেও স্লোগান ওঠে, ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়…’। সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা, ভিডিয়োয় ভিউ এবং ভিডিয়োর মানের দিক থেকে ইউটিউবে একাই ‘রাজ’ করছেন মোদি। মোদির ইউটিউব চ্যানেলে তাঁর রাজনৈতিক বক্তৃতা গুলির অংশবিশেষ সাধারণত স্থান পেয়ে থাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীতে ভোট এলে চোখে পড়ত দেওয়াল লিখন। এখন প্রচার হয় ‘ফেসবুক ওয়ালে’। জনমত গঠনে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমাজ মাধ্যমে কাঁটাতারের বাধা নেই। এক লহমায় সাত-সমুদ্র তেরো নদীর পারেও পৌঁছে দেওয়া যায় বার্তা। তাই আসন্ন লোকসভা ভোট (Loksabha Election) প্রচারে সাইবার-যোদ্ধাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Shah-Nadda in Bengal)। কলকাতায় দলের সাইবার টিমকে সেই রণকৌশলই বুঝিয়ে দিলেন শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    কী বললেন শাহ

    স্বেচ্ছায় যাঁরা বিজেপির সমর্থন বাড়াতে কাজ করেন, সেই ‘সাইবার যোদ্ধা’দের উৎসাহ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আইটি-সোশাল মিডিয়া টিমের বৈঠকে বার্তা দিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘৩৫টি পদ্ম ফোটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে সাইবার যোদ্ধারা’। পাশাপাশি এদিন তৃণমূলের দুর্নীতি, তোষণ, হিংসার ঘটনাকে সামনে আনার সঙ্গে কৃষক ও উন্নয়ন বিরোধী তৃণমূলের নীতিকে প্রকাশ্যে আনার নির্দেশও দেন শাহ। 

    সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ

    মঙ্গলবার কলকাতায় রাজ্য নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন তাঁরা। বৈঠক শেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বেরিয়ে জানান, সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন দুই নেতা। তিনি জানিয়েছেন, এই সাইবার যোদ্ধাদের জন্যই বিজেপি ২০১৯ সালে ভাল ফল করেছিল, ২০২১ সালে ৩ থেকে ৭৭ (বিধায়ক সংখ্যা) হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা যথেষ্ট।

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রের জনমুখী প্রকল্পগুলি আরও বেশি করে বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মন্ত্রী জেলবন্দি রয়েছেন, সেই সব দুর্নীতি নিয়ে আরও সরব হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াকে আরও বেশি করে ব্যবহার করে শাসক দল তৃণমূলকে কোণঠাসা করার মন্ত্রই দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুপম হাজরাকে। সম্প্রতি সর্বভারতীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অনুপমকে দেওয়া নিরাপত্তা তুলে নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দীর্ঘ দিন কেন্দ্রের ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’-র নিরাপত্তা পেতেন অনুপম। তখনই বোঝা গিয়েছিল অনুপমের (Anupam Hazra) দল-বিরোধী আচরণ ভালভাবে নিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার তাই কলকাতায় শাহ-নাড্ডার বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

    কেন অপসারণ

    একসময়ে বোলপুরের তৃণমূল সাংসদ ছিলেন অনুপম হাজরা। পরে যোগ দেন বিজেপি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে গত লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর আসনে প্রার্থীও হন। দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই রীতিমতো ‘বেসুরো’ হয়ে উঠেছিলেন অনুপম। স্রেফ রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা নয়, বোলপুর তৃণমূলের ধরনা মঞ্চের সামনেও চলে গিয়েছিলেন। এক নাগাড়ে রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা করা, তৃণমূলের মঞ্চে যাওয়া, সমাজমাধ্যমে দলকে অস্বস্তিতে ফেলার মতো মন্তব্য করে চলছিলেন অনুপম। এটা যে রাজ্য নেতৃত্ব ভাল চোখে দেখছেন না তা আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সেটা বুঝিয়ে দেন অনুপমকে। 

    আরও পড়ুন: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    দলবিরোধী মন্তব্য

    গত বিধানসভা নির্বাচনে অনুপমকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। তখন থেকেই দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করতে থাকেন অনুপম। সেই সময়ে নানা ভাবে তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। বিজেপির অনেকেই বলেন, সেই কারণে রাজ্য থেকে সরিয়ে অনুপমকে কম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বিহারের সংগঠন দেখতে বলা হয়। কিন্তু তাতেও দলের রাজ্য নেতৃত্বকে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন অনুপম। তাই আর দেরি না করে এবার, ‘দলকে অস্বস্তিতে ফেলা’ প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করা হল। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সদর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নেতা অরুণ সিংহ মঙ্গলবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share