Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Rajasthan Assembly Election 2023: ১৯৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭০ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী! শুরু রাজস্থানে ভোটগ্রহণ

    Rajasthan Assembly Election 2023: ১৯৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭০ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী! শুরু রাজস্থানে ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে (Rajasthan Assembly Election 2023) ভোটগ্রহণ পর্ব। শনিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে কড়া নিরাপত্তায় ঢাকা রয়েছে জয়পুর, জয়সলমীর, যোধপুর-সহ রাজস্থানের বিভিন্ন প্রান্ত। জানা গিয়েছে, মরুরাজ্যে মোট ১.৭০ লাখেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজস্থানে মোট ১৯৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রতিটি বুথেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এদিন সকালেই ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ভোটদানের আর্জি জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  

    কী বলছে জনমত সমীক্ষা

    কয়েকটি জনমত সমীক্ষা বলছে, পাঁচ বছর অন্তত সরকার বদলের প্রথা মেনেই এ বার কংগ্রেসকে হারিয়ে জয়পুরের কুর্সি (Rajasthan Assembly Election 2023) দখল করতে পারে বিজেপি। ১১৪ থেকে ১২৪টি আসনে জিতে সরকার গড়তে পারে পদ্ম শিবির। কংগ্রেস পেতে পারে ৬৭ থেকে ৭৭টি আসন। নির্দল এবং অন্য দলগুলির ঝুলিতে যেতে পারে ৫ থেকে ১৩টি আসন। বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে (ঝালারাপাটন) এবং প্রাক্তন দুই রাজ্য সভাপতি সতীশ পুনিয়া (অম্বর)। বিধানসভা ভোটে সাত জন লোকসভা সাংসদকেও প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অলিম্পিক পদকজয়ী প্রাক্তন শুটার তথা জয়পুর গ্রামীণ কেন্দ্রের সাংসদ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠৌর, রাজসমন্দের সাংসদ দিয়া কুমারী, ঝুনঝুনুর সাংসদ নরেন্দ্র কুমার, জালৌরের বিজেপি সাংসদ দেবজী পটেল, অজমেরের ভগীরথ চৌধুরি এবং অলওয়ারের সাংসদ মহন্ত বালকনাথ। এ বার বিজেপি তাদের প্রচারে জোর দিয়েছে গত কয়েক বছরে ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং অপরাধের ঘটনার উপর। গহলৌত সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে বিভিন্ন সরকারি কাজে দুর্নীতির ঢালাও প্রচার করা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    নির্বাচন কমিশন (Rajasthan Assembly Election 2023) জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৭০ হাজারের বেশি রাজস্থান পুলিশ, ১৮ হাজার রাজস্থান হোম গার্ড, ২ হাজার রাজস্থান বর্ডার হোম গার্ড, ১৫ হাজার অন্যান্য রাজ্যে পুলিশ (উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ), ১২০ কোম্পানি আরএসি মোতায়েন করা হয়েছে। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী (সিআরপিএফ, বিএসএফ, আইটিবিপি, সিআইএসএফ, এসএসবি, আরপিএফ ইত্যাদি) থেকে সশস্ত্র বাহিনী সহ সব মিলিয়ে মোট ১,৭০,০০০ এরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের মোট ৫২,১৩৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মিড ডে মিল দুর্নীতির (Mid Day Meal Scam) তদন্তে সিবিআইয়ের সুপারিশ করেছে কেন্দ্র। এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সিবিআই তদন্তের কথা জানান বলে সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যেই  রাজ্যে মিড ডে মিলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দেন শুভেন্দু।

    কী বলেছেন শুভেন্দু

    ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল ‘পিএম পোষণ’ বা ‘পিএম পোষণ শক্তি নির্মাণ’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা স্কুলগুলির প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একবেলা করে রান্না করা খাবার (Mid Day Meal Scam) দেওয়া হয়। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিবিআই হেড কোয়ার্টারে অনুরোধ করেছেন পিএম পোষণ ফান্ডের অপব্যবহার হয়েছে।’ গত ৫ জানুয়ারি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধানকে।  সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত জানুয়ারিতেই রাজ্যে আসে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদল। মোট ২৬টি বিষয়ের ওপর মিড ডে মিলের মান যাচাই করেন তাঁরা। এর পর দিল্লি ফিরে রিপোর্ট দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, সেই রিপোর্টে রাজ্যে মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। তার পরই পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল দুর্নীতিতে (Mid Day Meal Scam) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে তারা। এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘তৃণমূলের শুধু গরিব মানুষের মুখের গ্রাস চুরি করেনি। তারা শিশুদের খাবারও চুরি করেছে। কেন্দ্রের এই নির্দেশে আমাদের একটা সাফল্য। স্বচ্ছভাবে তদন্ত করে দ্রুত সত্য প্রকাশ্যে আনা হবে বলে আশা করছি। অপরাধীদের শাস্তি চাই।’ এ প্রসঙ্গে সিবিআই তদন্ত হলে গ্রেফতার হতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এই দাবি করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • China Outbreak: ‘সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত’! চিনে নয়া সংক্রমণ প্রসঙ্গে বিবৃতি কেন্দ্রের

    China Outbreak: ‘সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত’! চিনে নয়া সংক্রমণ প্রসঙ্গে বিবৃতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর চিনে মহামারীর রূপ নিচ্ছে অজানা নিউমোনিয়া (Pneumonia)। বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে এই নিউমোনিয়ায়। পাশাপাশি বাড়ছে এইচ৯এন২ সংক্রমণও। পড়শি দেশে এই সংক্রমণে  উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানিয়েছে, “যেকোনো ধরনের জরুরি অবস্থার জন্য ভারত প্রস্তুত। আমার খুব ঘনিষ্ঠভাবে এই রোগের কেসগুলি পর্যবেক্ষণ করছি। ভারতে এই অসুস্থতার ঝুঁকি খুব কম রয়েছে।”

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতি

    চিনের এই অজানা নিউমোনিয়া নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। এই সংক্রমণ নিয়ে ২৩ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে একটি বিবৃতি জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, “কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং কিছু পরিচিত রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ফলেই এই রোগের বাড়বাড়ন্ত। এমনটাই দাবি করছেন চিনা কর্তৃপক্ষ। আর এই রোগজীবাণু বা প্যাথোজেনের মধ্যে অন্যতম হল ইনফ্লুয়েঞ্জা, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া (একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণ, যা ছোট ছোট বাচ্চাদের মধ্যেই বেশি হয়), রেসপিরেটরি সিনসিশিয়াল ভাইরাস (আরএসভি) এবং এসএআইএস-সিওভি-২ (এটাই সেই ভাইরাস, যা কোভিড ১৯ সংক্রমণের জন্য দায়ী)।” উত্তর চিনে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিউমোনিয়া সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে এখনও অবধি অজানা কোনও প্যাথোজেনের হদিস পাওয়া যায়নি। 

    কী বলছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    এই পরিস্থিতিতে এবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফেও চিনের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, চিনে শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ফুসফুসের সংক্রমণ ও এইচ৯এন২ সংক্রমণের উপরে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে আরও জানানো হয়, ভারত যে কোনও জনস্বাস্থ্য ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। কেন্দ্র স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়ন করেছে, বিশেষ করে করোনাকালের পর থেকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে পিএম আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য প্রকল্পও সমস্ত স্বাস্থ্য ক্ষেত্র ও প্রতিষ্ঠানকে একছাতার নীচে আনতে ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবিধ কারণেই বৈবাহিক জীবনে অশান্তি নেমে আসে। অনেক সময় তা গড়িয়ে যায় বিচ্ছেদ পর্যন্ত। এরপরই চলে আসে ভরণ-পোষণের দায়িত্ব। মহিসারা খরপোশের দাবি জানায়। এবার সেই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ করল দিল্লি হাইকোর্ট। আয় করতে পারেন। তাঁর সেই যোগ্যতা আছে অথচ কোনও চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন স্ত্রীরা বিচ্ছেদের পর স্বামীর কাছে খোরপোশ দাবি করতে পারেন না, বলে জানাল আদালত।

    কোন প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ

    একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট বলে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনও স্বামী বা স্ত্রীর আর্থিক বিষয়ে সঙ্গীর বোঝা হওয়া উচিত নয়। কিছুদিন আগে, দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক যুবক। তিনি জানান, পরিবার আদালতে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, মামলার নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত স্বামীকে খোরপোশ দিতে হবে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান যুবক। তাঁর যুক্তি, তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিতা। তিনি আগে চাকরি করতেন। কিন্তু এখন কোনও কাজ করেন না। ইচ্ছে করলে তিনি নিজেই আয় করতে পারেন। তা ছাড়া যে পরিমাণ অর্থ খোরপোশ হিসাবে তাঁকে দিতে বলা হচ্ছে, সেটা তাঁর পক্ষে যথেষ্ট বেশি।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    কী বলল আদালত

    মামলাকারীর আইনজীবী জানান, মাসিক ৩০ হাজার টাকা করে তাঁর মক্কেলকে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিত এবং একটি হাসপাতালের রিসেপশনে কাজ করতেন। বেতন পেতেন ২৫ হাজার টাকার আশপাশে। অন্য দিকে, তাঁর মক্কেলের মাসিক বেতন ৫৬,৪৯২ টাকা। তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন। বোনেরা রয়েছেন। তাঁদের সবার দায়িত্ব নিতে হয়। তা ছাড়া, একটি ঋণ রয়েছে। মাসে মাসে তার সুদ গুনতে হয়। অন্য দিকে, মহিলার পক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেল সমাজকর্মী হিসাবে কাজ করেন। কিছু দিন যে হাসপাতালে কাজ করতেন, সেখান থেকে কোনও পারিশ্রমিক তিনি নেননি। এর পর হাইকোর্ট বলে, ‘‘স্বামী বা স্ত্রী উপার্জনে সক্ষম। কিন্তু তিনি চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন সঙ্গীর কাছে খোরপোশ চাইছেন, এটা সমীচীন নয়।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহর থেকে জেলা সর্বত্র ঠান্ডার মেজাজ। সপ্তাহান্তে আরও নামবে পারদ। বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট থাকবে। এরই মধ্য়ে ডিসেম্বরের শুরুতে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছেন আবহবিদরা। আন্দামান সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। 

    ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

    আলিপুর হাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ২৬-২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত অচিরেই পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এর পর যদি সেই নিম্নচাপ আরও শক্তি বৃদ্ধি করে, তা হলে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে অচিরেই পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়েও। ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে তা বঙ্গোপসাগর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। এই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে মিগজাউম( ‘Michaung’ pronunciation – Migjaum)। মায়ানমারের দেওয়া এই নাম। ঘূর্ণিঝড় হলে চলতি বছরে বঙ্গোপসাগরে এটি চতুর্থ ঘূর্ণিঝড় হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের জেলায় ঠান্ডার আমেজ

    উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই শীতের আমেজ বহাল রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও বেড়েছে। আগামী কয়েকদিনে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও তীব্র হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে তাপমাত্রা। আগামী কয়েকদিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূমে শীতের দাপট থাকবে বেশি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও আপাতত তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না।

    আরও পড়ুন: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    কলকাতায় ঠান্ডার ব্যাটিং 

    এক ধাক্কায় কলকাতায় ১৮-র ঘরে নেমেছে পারদ। ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতার বেশ কিছু এলাকার তাপমাত্রা ছিল এই মরশুমে সবচেয়ে কম। বৃহস্পতিবার প্রথম কলকাতার তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। শুক্রবারও তা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচেই রয়েছে। শুক্রবার দমদম এবং আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৯ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে কম। এ ছাড়া বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রির নীচে। নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও ২০ ডিগ্রির নীচে ছিল তাপমাত্রা।

    উত্তরে ঠান্ডার দাপট

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে থাকা শীত শীত ভাব নভেম্বরের বাকি দিনগুলিতেও থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে হাওয়া অফিস।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আর দু’তিন দিনের মধ্যেই উত্তুরে হিমেল হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে ঢুকতে শুরু করবে। ফলে আরও কমবে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকলেও শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পার্বত্য এলাকায়। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    Calcutta High Court: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে আদালত অবমাননার মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আদালত অবমাননার রুলের উত্তর দিতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে রাজীবকে। তবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এ-ও জানান যে, আদালত প্রয়োজন মনে করলে আবার ডেকে পাঠাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে। ৮ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করেননি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলায় গত শুনানিতে হাইকোর্ট রাজীবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে। শুক্রবার ওই মামলার শুনানিতে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন রাজীব। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ আদালতে পৌঁছে যান তিনি। এদিন, তাঁকে রুলের উত্তর দিতে সময় দিয়েছে আদালত। 

    কেন রুল জারি করে আদালত

    কোনওপ্রকার অসাংবিধানিক বা বেআইনি ঘটনা ঘটলে হাইকোর্ট নিজে অথবা কারও দায়ের করা মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে পারে। একেই রুল জারি বলা হয়। রাজীবা সিনহার ক্ষেত্রে আজ শুক্রবার সেই রুলের শুনানি ছিল। রুল অনুযায়ী, জবাব দেওয়ার জন্য ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া হোক, শুক্রবার সেই আর্জি জানান কমিশনার। এরপর প্রধান বিচারপতি রুলের শুনানির দিন স্থির করেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছ রাজীবা সিনহাকে। তার মধ্যে উত্তর দিতে হবে তাঁকে। ৮ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়ে গত ডিসেম্বরে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। শুধু তা-ই নয়, অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নজরদারিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর আর্জি জানান তিনি। বিভিন্ন প্রচারসভা থেকেই শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমেই অশান্তি ছড়াচ্ছে। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra row: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    Mahua Moitra row: ‘সংসদীয় পোর্টাল গোপনীয়’, মহুয়া-বিতর্কের মধ্যেই নয়া নির্দেশ লোকসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া বিতর্কের মধ্যেই সংসদীয় পোর্টালের গোপনীয়তা নিয়ে সচিবালয় থেকে দেওয়া হল একটি নয়া নির্দেশিকা। গত ১০ নভেম্বর জারি করা নির্দেশিকাটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদরা বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে প্রশ্ন করতে পারেন। এর জন্য, তাঁদের আগে থেকে সংসদীয় ওয়েবসাইটে প্রশ্নগুলি আপলোড করতে হয়। এই প্রশ্নগুলি সংসদে করা এবং সেগুলির উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত, এই প্রশ্নগুলির উত্তর ‘অত্যন্ত গোপনীয়’। এমনই মত লোকসভার সচিবালয়ের।

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    সংসদের নানা নিয়ম নিয়ে  ১০ নভেম্বর এক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে লোকসভা সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকসভা সচিবালয়ের সেই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি বরাদ্দ সময়ে কোনও প্রশ্ন সংসদের অভ্যন্তরে জিজ্ঞাসা না করা হয় বা তার উত্তর না দেওয়া হয়, তাহলে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত, সেই প্রশ্নের উত্তরও প্রকাশ করা উচিত নয়। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, সাংসদরা দুই ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন। কয়েকটি প্রশ্ন থাকে স্টার মার্ক দেওয়া, আর কতগুলি নয়। স্টার মার্ক দেওয়া প্রশ্নগুলির মৌখিক উত্তর দেওয়া হয়। আর যেগুলি নয়, সেগুলি লিখিত আকারে দেওয়া হয়ে থাকে। জানা গেছে, স্টার মার্ক করা প্রশ্নের উত্তর প্রশ্নোত্তর পর্বের দিন সকাল ৯টার মধ্যে আপলোড করা হয়ে থাকে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে যে উত্তরের প্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন যাতে সংশ্লিষ্ট সাংসদ করতে পারেন, তারজন্য এই ব্যবস্থা। আর এই উত্তরগুলি সংশ্লিষ্ট সাংসদের অ্যাকাউন্টেই করা হয় পোস্ট। 

    আরও পড়ুন: চলতি অর্থবর্ষের প্রথম সাত মাসেই ৮০০ কোটি ডলারের মোবাইল রফতানি ভারতের

    কেন এই নির্দেশিকা

    লোকসভার সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এই উত্তরগুলি যাতে শুধুমাত্র সাংসদরাই ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্য এগুলি লগইন এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সংসদীয় পোর্টালে সুরক্ষিত রাখা হয়। তাই, সাংসদদের এই উত্তরগুলির গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্যদের সঙ্গে সেগুলি ভাগ না করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। মৌখিক এবং লিখিত দুই ধরণের প্রশ্নের উত্তরই একটি নির্দিষ্ট দিনের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোপনীয় বলে বিবেচনা করতে হবে।” তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে সরকার বিরোধী প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে তাঁকে। মহুয়া মৈত্র সংসদের ওয়েবসাইটে তাঁর অ্যাকাউন্টের লগ-ইন সংক্রান্ত তথ্য হিরানন্দানিকে দেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: হারল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা! টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচেই জয় ভারতের

    India vs Australia: হারল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা! টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচেই জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের পর প্রথম ম্যাচেই হার বিশ্বজয়ীদের। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারত। ফর্মে ফিরলেন সূর্যকুমার যাদবও। টি-টোয়েন্টির ময়দানে যে তাঁর অবাধ বিচরণ তা ফের প্রমাণ করলেন সূর্য। এদিন প্রথমে ব্যাট করে জশ ইংলিসের আগ্রাসী শতরানের সুবাদে ম্যাথু ওয়েডের দল করে ৩ উইকেটে ২০৮ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে ২০৯ রান তুলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। 

    ইংলিশের শতরান

    এদিন  টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে, বিশাখাপত্তনমের ২২ গজে সুবিধা করতে পারেননি ভারতের বোলারেরাও। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শুরু করেন স্টিভ স্মিথ এবং শর্ট। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেন অসি ওপেনারেরা। শর্ট আউট হতেই তিন নম্বরে নামা ইংলিসএবং স্মিথ দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে তুললেন ১৩০ রান। যা কার্যত চালকের আসনে বসিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়াকে। ক্রিকেটজীবনে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম শতরান পেলেন ইংলিস।  ৫০ বলে ১১০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেললেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে এল ১১টি চার এবং ৮টি ছক্কা। স্মিথ করলেন ৪১ বলে ৫২ রান। 

    দুরন্ত ব্যাটিং

    ব্যাট করতে নেমে বিশ্বকাপে রান না পাওয়া সূর্যকুমারকে আবার চেনা মেজাজে দেখা গেল ২০ ওভারের ক্রিকেটে। ২২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ভারতের ইনিংসের হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং সূর্যকুমার যাদব। তাঁদের তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ওঠে ১১২ রান। ইশান খেললেন ৩৯ বলে ৫৮ রানের ইনিংস। ২টি চার এবং ৫টি ছক্কা মারেন তিনি। সূর্যকুমার করলেন ৪২ বলে ৮০ রান। অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ৯টি চার এবং ৪টি ছয়। তিনিই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পান। ছয় নম্বরে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন কলকাতার রিঙ্কু সিং। শেষ বলে ঠান্ডা মাথায় জয় এনে দিলেন নাইট শিবিরের তারকা। ১৪ বলে ২২ রান করলেন। মারলেন ৪টি চার। শেষ বলে ছক্কা মেরে দলকে জেতালেন তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patna High Court: জোর করে কপালে সিঁদুর পরালেই বিয়ে হয় না! মত পাটনা হাইকোর্টের

    Patna High Court: জোর করে কপালে সিঁদুর পরালেই বিয়ে হয় না! মত পাটনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর করে কোনও মেয়ের কপালে সিঁদুর পরালেই তা বিয়ে হয়ে যায় না। হিন্দু  বিয়ে নিয়ে চাঞ্চল্যকর কথা বলল পাটনা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। গত ১০ নভেম্বর এক ব্যক্তির মামলার পর্যবেক্ষণে বিচারপতি পিবি বাজনাথ্রি এবং বিচারপতি অরুণ কুমার ঝা তাঁদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন যে বিয়ের সময় কপালে সিঁদুর পরানো যদি স্বেচ্ছায় হয়, তবেই সেই বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হয়। 

    কী ঘটেছিল

    ঘটনার শুরু আজ থেকে প্রায় ১০ বছর আগে।  ২০১৩ সালে ৩০ জুন, পেশায় সেনাবাহিনীর সিগন্যালম্যান রবি কান্ত তাঁর কাকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন লক্ষ্মীসরাইয়ের একটি মন্দিরে। সেখানে প্রার্থনা সেরে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ কয়েকজন তাদের পথ আগলে দাঁড়ায়। কাকা সহ তাঁকে অপরহরণ করে একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণকারীরা রবিকে জোর করে এক মহিলার কপালে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করেছিল। এই ঘটনায় বিয়ে বাতিলের দাবিতে রবির কাকা জেলা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এরই পাশাপাশি আবেদনকারীও বিয়ে বাতিলের দাবিতে লক্ষ্মীসরাইয়ের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে অপরহণ এবং খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সওয়াল জবারের পর ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি রবির আবেদন খারিজ করে দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

    আরও পড়ুন: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    কী বলল আদালত

    নিম্ন আদালতে মামলা খারিজ হয়ে গেলে রবি ফের পাটনা হাইকোর্টে মামলা করেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের রায়কে খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেয় জোর করে স্বেচ্ছায় কপালে সিঁদুর পরালে, বিয়ে বলে গণ্য হয় না। হাইকোর্ট জানায়, বিয়ের সময় দুই পরিবার ও পাত্র-পাত্রীর মত থাকা জরুরি। শুধু সিঁদুর পরানো নয় মানতে হবে বিয়ের আচার-অনুষ্ঠানও। পবিত্র আগুনের চারপাশে বর ও কনের সাত পাক প্রদক্ষিণ প্রয়োজন। বিহারে অপরহণ করে বিয়ে দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রতি বছর বহু যুবককে অপহরণ করে বিয়ে দেওয়া হয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC: ফের ক্রিকেট দুর্নীতি! ৬ বছরের জন্য নির্বাসিত ইডেনে বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

    ICC: ফের ক্রিকেট দুর্নীতি! ৬ বছরের জন্য নির্বাসিত ইডেনে বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) রেশ কাটতে না কাটতেই ক্রিকেটে ফের দুর্নীতির ছায়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বজয়ী প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্লন স্যামুয়েলসকে (Marlon Samuels) ৬ বছরের জন্য নির্বাসিত করল আইসিসি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে স্যামুয়েলসের। ২০১২ এবং ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেশের হয়ে ফাইনালে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বিভিন্ন ফরম্যাটে ৩০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন স্যামুয়েলস। ১৮ বছর দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

    ইডেনে খেলেছিলেন স্যামুয়েলস

    ২০২১ সালে স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। চলতি বছরের অগাস্ট মাসে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হয়। অবশেষে এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতি দমন আইনে অভিযুক্ত হয়েছেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার। ২০১৬-র টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ইডেন গার্ডেন্সে খেলেছিলেন স্যামুয়েলস। কার্লোস ব্রেথওয়েটের চার ছক্কা সত্ত্বেও স্যামুয়েলসের অবদান ভোলার নয়। ওই খেলায় তিনি ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’ হয়েছিলেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তিনি ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।

    কী অপরাধ করেছিলেন স্যামুয়েলস

    চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে। জুয়াড়িদের থেকে উপহার, অর্থ এবং অন্যান্য ,সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তিনি। সেই তথ্য আইসিসি-র দুর্নীতি বিরোধী আধিকারিকদের কাছে লুকিয়ে গিয়েছেন। এ ছাড়া ৭৫০ ডলারের বেশি মূল্যের আর্থিক সুবিধা পেয়েও তা জানাননি।সবশেষে আইসিসি-র দুর্নীতি বিরোধী সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করেননি তিনি।  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা তথ্য লোপাট করে  তদন্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। আইসিসি-র দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের দাবি, স্যামুয়েলস সব নিয়ম জানা সত্ত্বেও দুর্নীতিতে মদত দিয়ে গিয়েছেন। অপরাধ করলেও তা লুকিয়ে গিয়েছেন। তাই তাঁকে ৬ বছরের জন্য় নির্বাসিত করেছে আইসিসি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share