Author: suman-das

  • JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছেন। হাতে গোনা কয়েকমাস পরেই নির্বাচন। তাই দলকে সম্পূর্ণ ভাবে লড়াইয়ের ময়দানে নামাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অত্যন্ত তৎপর। বিজেপির সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda) বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি, কলকাতায় রাজ্য বিজেপির দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে শহরে এসেছেন। দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে পরাজিত করতে দলের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করতে তিনি দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন।

    স্বাগত জানান শুভেন্দু-শমীক (JP Nadda)

    বিজেপি বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal BJP) বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সাভপতি শমীক ভট্টাচার্য বিমানবন্দরে নাড্ডা স্বাগত জানান। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গতিশীল নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নাড্ডাজীর দূরদর্শিতা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করবে।” উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতা সফরে এসেছিলেন। তিনি বিজেপির নেতাদের ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন।

    তাঁর সফরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে

    • দলের (West Bengal BJP) পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের কোর কমিটির বৈঠক।
    • বিভিন্ন জেলা-স্তরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়।
    • বিজেপির ডক্টরস সেলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
    • নির্বাচনের আগে দলের মাঠ-স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে মতামত (ফিডব্যাক) গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা।

    দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৯ই জানুয়ারি নাড্ডা (JP Nadda) তাঁর কেন্দ্রীয় মন্ত্রক-সম্পর্কিত সরকারি দফতরের বেশ কিছু বৈঠকগুলিতে যোগ দেবেন। এই দিন তিনি যে যে জায়গা পরিদর্শন করবেন তার মধ্যে হল–

    • কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (CNCI) পরিদর্শন করবেন।
    • নদিয়া জেলার কল্যাণী এইমস-এ (AIIMS Kalyani) ডিপার্টমেন্ট অফ রেডিয়েশন অনকোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রমা অ্যান্ড এমার্জেন্সি মেডিসিন, এবং নিউম্যাটিক টিউব সিস্টেমের উদ্বোধন করবেন।
  • Election Commission: ভিন্‌রাজ্যে থাকা ভোটারদের আসতে হবে না শুনানিতে, নতুন পরিকল্পনা কমিশনের

    Election Commission: ভিন্‌রাজ্যে থাকা ভোটারদের আসতে হবে না শুনানিতে, নতুন পরিকল্পনা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের এসআইআর-এর (SIR) কাজে শুনানি পর্বে এখন নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। অনেক ভোটারকে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত নথি নিয়ে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও, বাইরের রাজ্য বা বিদেশে থাকা ভোটার এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শুনানিতে পরিযায়ী শ্রমিক-সহ রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের আসতে হবে না। এমনটাই জানালো নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে নথি পাঠালেও তা গৃহীত হবে (Election Commission)

    কমিশনের তরফে জানা গিয়েছে, রাজ্যের বাইরে থাকা শুনানিতে (SIR) নোটিশ দেওয়া ব্যক্তিদের আর আসতে হবে না। তাঁদের জন্য পোর্টাল বা হোয়াট্‌সঅ্যাপ নম্বর চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এসআইআর পর্বের দ্বিতীয় ধাপে কমিশন সূত্রে এমনটাই পরিকল্পনার কথা জানা গিয়েছে। পোর্টালে লগইন করে নথি আপলোড করলেই হবে। বিএলও-র হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে নথি পাঠালেও তা গৃহীত হবে। পরের ধাপে প্রাপ্ত নথি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর চূড়ান্ত তালিকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম তোলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এফআইআর-ও করা হতে পারে

    একইভাবে রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তিরা অনলাইনে নাম তুলতে চাইলে ওই ব্যবহার করা হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোথায় কাজ করেন, কী কাজ করেন সেই তালিকাও দিতে হবে। তবে কাদের কাদের শুনানি হবে তা নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথ লেভেল অফিসাররা এই সব ভোটারকে শুনানি কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করতে যেতে পারবেন না। এমনকি ভুল বার্তা দিলে পরে এফআইআর-ও করা হতে পারে।

    তবে এসআইআরের (SIR) শুনানি পর্বে বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের জন্য নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। শুনানি পর্বের ক্ষেত্রে অনাবাসী কোনও ভারতীয়কে নোটিস পাঠানো হলে তিনি সেই দেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে গিয়ে নিজের পাসপোর্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য জমা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে।

  • Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের আই প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযানকে আটকাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই অভিযানের সময় একই ভাবে বাড়িতে যান সিপি মনোজ ভর্মা। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন সবুজ ফাইল হাতে মমতা। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। কিন্তু পাল্টা মমতার বিরুদ্ধ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আগেও হস্তক্ষেপ করেছেন মমতা (Suvendu Adhikari)!

    দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় আই প্যাকের কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি করতে যান। এমন সময়ে আচমকা তদন্তকে আটকাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) উপস্থিত হন। এরপর সোজা ঢুকে সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অমিত শাহকে তোপ দেগে বলেন, “দলের রণনীতি, পরিকল্পনা, প্রার্থী তালিকা, হার্ডডিস্ক সব কিছুকে হাতিয়ে নিচ্ছে বিজেপি।” এরপর পাল্টা মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে এর আগেও হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২১ সালে তিনি নিজাম প্যালেসে ধরনা দিয়েছিলেন। ফিরাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। তারও আগে সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। সিপিকে নিয়ে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছিলেন।”

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ!

    আর্থিক দুর্নীতি মামলা বিষয়ে মমতার সরাসরি হস্তক্ষেপর বিষয়ে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ ও তদন্তে বাধা দেন। একজন মুখ্যমন্ত্রী কেবল রাজনৈতিক নেতানেত্রী নন, তিনি একজন প্রশাসনিক প্রধান। ইডির উচিত নিজের আইনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলা। মুখ্যমন্ত্রী এবং সিপির এই যাওয়াটা সম্পূর্ণ ভাবে অসাংবিধানিক, অনৈতিক এবং তদন্তে বাঁধা প্রধান করা।” তবে এদিনের তদন্তে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

  • Ramakrishna 551: “শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন?”

    Ramakrishna 551: “শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন?”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১১ই অগস্ট
    মৌনাবলম্বী শ্রীরামকৃষ্ণ ও মায়াদর্শন

    শ্রীরামকৃষ্ণ — স্বপন কি কম!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) চক্ষে হল। গদগদ স্বর!

    একজন ভক্তের জাগরণ অবস্থায় দর্শন-কথা শুনিয়া বলিতেছেন — “তা আশ্চর্য কি! আজকাল নরেন্দ্রও ঈশ্বরীয় রূপ দেখে!”

    মহিমাচরণ প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন।

    বেলা আটটা হইয়াছে। মণি গঙ্গাস্নান করিয়া ঠাকুরের কাছে আসিলেন। শোকাতুরা ব্রাহ্মণীও দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মণীর প্রতি) — এঁকে কিছু প্রসাদ খেতে দাও তো গা, লুচি-টুচি। তাকের উপর আছে।

    ব্রাহ্মণী—আপনি আগে খান। তারপর উনি প্রসাদ পাবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি আগে জগন্নাথের আটকে দাও, তারপর প্রসাদ।

    প্রসাদ পাইয়া মণি শিবমন্দিরে শিবদর্শন করিয়া ঠাকুরের কাছে আবার আসিলেন ও প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে— তুমি এসো। আবার কাজে যেতে হবে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর—মন্দিরে সকাল ৮টা হইতে বেলা ৩টা পর্যন্ত মৌন অবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন। আজ মঙ্গলবার ১১ই অগস্ট, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; (২৭শে শ্রাবণ, ১২৯২, শুক্লা প্রতিপদ)। গতকল্য সোমবার অমাবস্যা গিয়াছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) অসুখের সঞ্চার হইয়াছে। তিনি কি জানিতে পারিয়াছেন যে, শীঘ্র তিনি ইহলোক পরিত্যাগ করিবেন? জগন্মাতার ক্রোড়ে আবার গিয়া বসিবেন? তাই কি মৌনাবলম্বন করিয়া রহিয়াছেন? তিনি কথা কহিতেছেন না দেখিয়া শ্রীশ্রীমা কাঁদিতেছিলেন। রাখাল ও লাটু কাঁদিতেছেন। বাগবাজারের ব্রাহ্মণীও এই সময় আসিয়াছিলেন, তিনিও কাঁদিতেছেন। ভক্তেরা মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা করিতেছেন (Kathamrita), আপনি কি বরাবর চুপ করিয়া থাকিবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ ইঙ্গিত করিয়া বলিতেছেন, ‘না’।

    নারাণ আসিয়াছিলেন, বেলা ৩টার সময়, ঠাকুর নারায়ণকে বলিতেছেন, “মা তোর ভাল করবে।”

    নারাণ আনন্দে ভক্তদের সংবাদ দিলেন, ‘ঠাকুর এইবার কথা কহিয়াছেন।’ রাখালাদি ভক্তদের বুক থেকে যেন একখানি পাথর নামিয়া গেল। তাঁহারা সকলে ঠাকুরের কাছে আসিয়া বসিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) রাখালাদি ভক্তদের প্রতি—‘মা’ দেখিয়ে দিচ্ছিলেন যে, সবই মায়া! তিনি সত্য, আর যা কিছু সব মায়ার ঐশ্বর্য।

    “আর একটি দেখলুম, ভক্তদের কার কতটা হয়েছে।”

    নারাণাদি ভক্ত—আচ্ছা কার কতদূর হয়েছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এদের সব দেখলাম (Kathamrita)—নিত্যগোপাল, রাখাল, নারাণ, পূর্ণ, মহিমা চক্রবর্তী প্রভৃতি।

  • Beyond The Kerala Story: এবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি’, মুক্তি পাবে ২৭ ফেব্রুয়ারি

    Beyond The Kerala Story: এবার প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি’, মুক্তি পাবে ২৭ ফেব্রুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দ্য কেরালা স্টোরি” (The Kerala Story) সিনেমা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে জমজামট কাহিনি ছিল। দেশজুড়ে দর্শক মহলে বিরাট সাড়া ফেলেছিল। এবার এই ছবির সিকোয়্যেল “বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি” (Beyond The Kerala Story) আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে প্রেক্ষাগৃহে। দর্শক মহলে এখন থেকেই চরম উন্মাদনা।

    কিছু কিছু গল্প থাকে যা শেষ করা যায় না (Beyond The Kerala Story)

    “বিয়ন্ড দ্য কেরালা স্টোরি” (Beyond The Kerala Story) সম্পর্কে প্রযোজক বিপুল অমৃতলাল শাহ এবং সানশাইন পিকচার্স লিমিটেড এই মুক্তির কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। একটি অনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে মোশন পোস্টারে মুক্তির তারিখ উন্মোচন করেছেন। এই পোস্টার শেয়ার করে সিনেমার নির্মাতারা জানিয়েছেন, “সিনেমার গল্প একটি শুধু নিছক গল্প। তবে এই গল্পকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছে। সিনেমার বিষয়কে নানা ভাবে অপমানও করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা থেমে থাকিনি। কারণ কিছু কিছু গল্প থাকে যা শেষ করা যায় না। এইবারে আরও নিখুঁত বিশ্লেষণ হয়েছে। কষ্ট এবং নির্মমতাকে আরও শক্তি দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।”

    প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বর

    এই সিনেমার (Beyond The Kerala Story) পরিচালনা করেছেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা কামাখ্যা নারায়ণ সিং এবং সহ প্রযোজক আশিন এ শাহ। প্রযোজনার পক্ষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে সিনেমার বিষয় হিসেবে বলা হয়, “প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বর, স্পষ্ট দৃষ্টিতে সত্য কথাকে তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের চারপাশে যে সব ঘটনা ঘটছে সেই সব বিবরণকেই তুলে ধরা হয়েছে।” ২০২৩ সালে মুক্তি পেয়ছিল সুদীপ্ত সেন পরিচালিত “দ্য কেরালা স্টোরি” (The Kerala Story)। তবে তৎকালীন বাম কেরল সরকার এবং ইন্ডিজোটের শরিকরা সাফ বলেছিলেন, কেরলকে বদনাম করার জন্য নাকি মিথ্যা গল্পের উপর সিনেমা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর দেশজুড়ে এই সিনেমা মুক্তি পায় এবং কট্টর ইসলাম, মোল্লাবাদ এবং জিহাদের বিকৃত জীবন কেমন করে নারীদের সর্বস্ব লুট করে নেয়, সেই চিত্র এখানে দেখানো হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধায়্যের নির্দেশে বাংলায় চলতে দেওয়া হয়নি এই লাভ জিহাদের বাস্তব কাহিনি।

  • SIR: একই সঙ্গে দুই জায়গায় নাম নয়, ১০ লক্ষ সরকারি কর্মীদের হলফনামা দিতে নির্দেশ কমিশনের

    SIR: একই সঙ্গে দুই জায়গায় নাম নয়, ১০ লক্ষ সরকারি কর্মীদের হলফনামা দিতে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই জায়গায় ভোটার লিস্টে (SIR) নাম থাকলে এক জায়গায় কাটাতে হবে। সরকারি কর্মীদের হলফনামা তলব করল কমিশন। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের দফতরগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে হলনামা চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন (Election Commission) বিশেষ নজরদারি চালিয়ে জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের এমন অনেক কর্মচারী রয়েছেন যারা এ রাজ্য বাদ দিয়ে অন্য রাজ্যে ভোটার ছিলেন বা এখনও আছেন। এই সংখ্যাটা প্রায় ১০ লক্ষের কাছাকাছি। তাই সরকারি কর্মচারীদের ডিক্লারেশন ফর্ম জমা করতে হবে।

    নাম বাদ দিতে ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ (SIR)

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সময়সীমা সম্পর্কে উল্লেখ না করলেও হলফনামা দেওয়ার কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ আগরওয়ালের সাফ কথা, দুই জায়গায় নাম থাকলে এসআইআরে এক জায়গার নাম বাদ যাবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে এনুমারেশন ফর্ম (SIR) ইস্যু হবে একটাই। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়ার জন্য ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। নিজের নাম অন্য জায়গায় ট্রান্সফার করতে হলে একাধিক নথি জমা দিতে হয়। তাই কমিশন নজর দিয়েছে রাজ্য সরকারের অনেক কর্মীর নামে, যা এখনও দু জায়গায় থেকে গিয়েছে।

    নথির ভিত্তিতে কমিশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে অবশ্য সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের কর্মীরা শুধুমাত্র একটি জায়গাতেই ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত থাকতে পারবেন। কমিশন আরও জানিয়েছে, এই তথ্য সরকারি কর্মীদেরকেই জানাতে হবে। আর যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত তথ্য জমা করে, তাহলে তা হলফনামা হিসেবেও জমা থাকবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে সেই নথির ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই কাজের ক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কমিশন এই বিষয়ে আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মীদের জন্য আলাদা করে এই ফর্ম চালু করা হয়েছে। ফর্মে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করতে হবে তাঁদের নাম অন্য কোনও জায়গার ভোটার তালিকায় রয়েছে কিনা। উক্ত নাম তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, এই সংক্রান্ত আবেদন সম্পর্কেও জানাতে হবে।

  • Manoj Agarwal: ছাব্বিশের নির্বাচনে বাড়বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    Manoj Agarwal: ছাব্বিশের নির্বাচনে বাড়বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস! এরপর রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। তবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত তৎপর হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই মর্মে সোমবার নয়াদিল্লিতে কমিশনের একটি বিশেষ মিটিং-এ যোগদান করেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, গতবারের তুলনায় আসন্ন বিধানসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। এমনটাই নাকি মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal) বৈঠকে দাবি করেছেন।

    একুশের নির্বাচনে আট দফায় ছিল ভোট (Manoj Agarwal)

    জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক (Assembly Election) মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal) ভোটের দফা কামানো হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করেন। তবে দফা বা পর্যায় কমালে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক। পশ্চিমবঙ্গে মোট আসন সংখ্যা ২৯৪। একুশের নির্বাচন আট দফায় ভোট হয়েছিল। প্রত্যকে দফায় পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। এদিনের বৈঠকে বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পন্ডিচেরির মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। আর এখানেই বাংলায় ভোটের পর্যায় কামানোর প্রস্তাব রাখা হয়। সূত্রের খবর, মোট সংবেদনশীলতা যুক্ত বুথের সংখ্যা কত হবে, তাকে ঠিক রেখেই বাহিনীর সংখ্যা ফাইনাল করা হবে।

    বুথের ভিতরেও বাহিনীকে রাখতে হবে

    আগামী বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) কত সংখ্যায় বাহিনী দেওয়া হবে এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কত হবে তা ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন। তবে আমাদের দাবি একটাই বুথ কেন্দ্রগুলিতে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে বাহিনী থাকে।” উল্লেখ্য ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অন্য এক প্রবীণ বিজেপি নেতা বলেছেন, “বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখলে হবে না। যে ভাবে তৃণমূল ভোট লুট করে তাই বুথের ভিতরেও বাহিনীকে রাখতে হবে।” ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১০৯৪ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তার থেকেও বেশি সংখ্যক বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Ramakrishna 550: “প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন”

    Ramakrishna 550: “প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই ও ১০ই অগস্ট
    মহিমাচরণের ব্রহ্মচক্র—পূর্বকথা—তোতাপুরীর উপদেশ
    ‘স্বপ্নে দর্শন কি কম?’ নরেন্দ্রের ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন 

    রাত নয়টা হইল। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া আছেন। মহিমাচরণের সাধ—ঘরে ঠাকুর থাকিবেন—ব্রহ্মচক্র রচনা করিবেন। তিনি রাখাল, মাস্টার, কিশোরী ও আর দু-একটি ভক্তকে লইয়া মেঝেতে চক্র করিলেন। সকলকে ধ্যান করিতে বলিলেন। রাখালের ভাবাবস্থা হয়েছে। ঠাকুর নামিয়া আসিয়া তাঁহার বুকে হাত দিয়া মার নাম করিতে লাগিলেন। রাখালের ভাব সম্বরণ হইল।

    রাত একটা হইবে। আজ কৃষ্ণপক্ষের (Ramakrishna) চতুর্দশী তিথি, চতুর্দিকে নিবিড় অন্ধকার। দু-একটি ভক্ত গঙ্গার পোস্তার উপর একাকী বেড়াইতেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ একবার উঠিয়াছেন। তিনিও বাহিরে আসিলেন ও ভক্তদের বলিতেছেন, ন্যাংটা বলত, ‘এই সময়ে—এই গভীর রাত্রে—অনাহত শব্দ শোনা যায়।’

    শেষরাত্রে মহিমাচরণ ও মাস্টার ঠাকুরের ঘরেই মেঝেতে শুইয়া আছেন। রাখালও ক্যাম্প খাটে শুইয়াছেন।

    ঠাকুর পাঁচ বছরের ছেলের ন্যায় দিগম্বর হইয়া মাঝে মাঝে ঘরের মধ্যে পাদচারণ করিতেছেন।

    প্রত্যূষ (১০ই অগস্ট) হইল। ঠাকুর মার নাম করিতেছেন। পশ্চিমের বারান্দায় গিয়া গঙ্গাদর্শন করিলেন। ঘরের মধ্যস্থিত দেবদেবীর যত পট ছিল, কাছে গিয়া নমস্কার করিলেন। ভক্তেরা শয্যা হইতে উঠিয়া প্রণামাদি করিয়া প্রাতঃকৃত্য করিতে গেলেন।

    ঠাকুর পঞ্চবটীতে একটি ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। তিনি স্বপ্নে চৈতন্যদেবকে দর্শন করিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবাবিষ্ট হইয়া) — আহা! আহা!

    ভক্ত—আজ্ঞা, ও স্বপনে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — স্বপন কি কম!

    ঠাকুরের (Ramakrishna) চক্ষে হল। গদগদ স্বর!

    একজন ভক্তের জাগরণ অবস্থায় দর্শন-কথা শুনিয়া বলিতেছেন — “তা আশ্চর্য কি! আজকাল নরেন্দ্রও ঈশ্বরীয় রূপ দেখে!”

    মহিমাচরণ প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া, ঠাকুরবাড়ির প্রাঙ্গণের পশ্চিম দিকের শিবের মন্দিরে গিয়া, নির্জনে বেদমন্তর উচ্চারণ করিতেছেন।

    বেলা আটটা হইয়াছে। মণি গঙ্গাস্নান করিয়া ঠাকুরের কাছে আসিলেন। শোকাতুরা ব্রাহ্মণীও দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ব্রাহ্মণীর প্রতি) — এঁকে কিছু প্রসাদ খেতে দাও তো গা, লুচি-টুচি। তাকের উপর আছে।

    ব্রাহ্মণী—আপনি আগে খান। তারপর উনি প্রসাদ পাবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি আগে জগন্নাথের আটকে দাও, তারপর প্রসাদ।

    প্রসাদ পাইয়া মণি শিবমন্দিরে শিবদর্শন করিয়া ঠাকুরের কাছে আবার আসিলেন ও প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সস্নেহে— তুমি এসো। আবার কাজে যেতে হবে।

  • Suvendu Adhikari: এসআইআর ইস্যুতে জ্ঞানেশকে করা মমতার চিঠির পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর, চাপে তৃণমূল!

    Suvendu Adhikari: এসআইআর ইস্যুতে জ্ঞানেশকে করা মমতার চিঠির পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর, চাপে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতর চিঠির পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতার অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে নির্বাচন কমিশনকে সোমবার চিঠি লিখেছেন তিনি। শুভেন্দুর সাফ কথা, এসআইআর কোনও হঠকারী বা অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া নয়। ভুয়ো এবং অযোগ্য ভোটারদের নাম ছাঁটাই করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটার তালিকায় বেআইনি নাম ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছে তৃণমূল সরকার। এবার এই জাল ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৃণমূল সরকার এতো আপত্তি করছে।

    স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হচ্ছে কাজ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যনির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি লিখে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের মাধ্যমে কার্যত কমিশনের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষ নিজেরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে নিজেদের নথি যাচাই করাচ্ছেন। কমিশনের পদক্ষেপ সমর্থন করছেন। সারা দেশে একই নিয়মে সংশোধন করার কাজ করছে। প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাকেও স্বচ্ছতার সঙ্গে উন্নতি করা হচ্ছে। কোথাও কোনও রকম সংশোধন হলে পরিস্থিতির সাপেক্ষেই করা হচ্ছে।”

    রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে ‘না’

    এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ যে প্রশিক্ষণ, সময়সীমা এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে প্রশ্ন রয়েছে। কমিশনের পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং বুথ স্তরের এজেন্টদের ভূমিকা সীমিত করার সিদ্ধান্তকেও সমর্থন করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া যাতে কোনও রকম রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে প্রভাবিত না হতে পারে, সেই দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। উল্লেখ্য সম্প্রতি রাজ্যে চলা এসআইআর নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে কাজের বিষয় এবং পদ্ধতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    আলোচনা এবং প্রশিক্ষণের পরই কার্যকর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের চারপাতা চিঠিতে মমতার করা অভিযোগকে খণ্ডন করেছেন। মমতার ব্যাখ্যাকে মিথ্যা ব্যাখ্যা বলেছেন তিনি। মমতা বলেছিলে্‌ এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতির ব্যাপক অভাব রয়েছে। কর্মীদের সঠিক ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। শুভেন্দু মমতার দাবিকে নস্যাৎ করে বলেন, “অকারণ তাড়াহুড়ো এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গোটা দেশে আলোচনা এবং প্রশিক্ষণের পরই কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেই প্রায় ৫০ হাজার বিএলও এবং ইআরওকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।”

    বর্তমান যুগে প্রযুক্তি নির্ভর কাজ

    এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় নাকি বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন মানদণ্ড রয়েছে। বিহারের ক্ষেত্রে যে বংশ তালিকাকে বৈধ পরিচয়ের মান্যতা দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে নাকি তা করা হচ্ছে না। মমতার পাল্টা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, রাজ্য ভিত্তিক স্তরে স্তরে নিয়মবিধি বদলানো স্বেচ্ছাচারিতা নয়। এই ভিন্নতাকেই যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামো বলে মনে করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। মমতা আরও অভিযোগ করে বলেছিলেন, কমিশন নাকি কোনও রকম বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই হোয়াট্‌সঅ্যাপের মতো মাধ্যমে নতুন নতুন নির্দেশিকা দিচ্ছে। অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বর্তমান যুগে প্রযুক্তি নির্ভর কাজে বার্তা পাঠানোর মাধ্যমকে ব্যবহার করেই কাজ হবে এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম।”

    তালিকা নির্ভুল করতেই কমিশন তৎপর

    নামের বানান এবং বয়সের বিভ্রান্তি (SIR) থাকলে ভোটারদের নাকি হেনস্থা করছে কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “নামের বানান বা বয়সের অমিল ধরা পড়লে যাচাই করে নেওয়ার নির্দেশ তো রয়েছেই। তালিকা নির্ভুল করতেই কমিশন তৎপর। এটাই এখন বড় উপায়। কোথায় কী কী কাগজ লাগবে, সবটাই শুনানিতে জানিয়ে দেওয়া হয়। ফলে মমতার অভিযোগ সবটাই রং মেশানো ভেজাল।”

    দৌরাত্ম্যকে নিয়ন্ত্রণ জরুরি

    কাজের (SIR) পর্যবেক্ষক এবং শুনানিতে বুথ লেভেল এজেন্টদের নাকি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, এমন অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। অভিযোগকে অস্বীকার করে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যে এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত মাউক্রো অবজার্ভাররা সকলেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। ফলে তাঁরা নিরক্ষেপ। বিএলএরা (BLA) থাকলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব হতো না। স্থানীয় শাসক দলের দৌরাত্ম্য শুনানির কাজকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতো।”

LinkedIn
Share