Author: suman-das

  • Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    Ramakrishna 539: “নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন; গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী, শ্যাম রাসরসবিহারী”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    গণুর মার বাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঠাকুর (Ramakrishna) বলিতেছেন, “এর উপরেই বস না। আই আমি লিচ্ছি।” এই বলিয়া আসন গুটাইয়া লইলেন। ছোকরারা গান গাহিতেছে:

    কেশব কুরু করুণাদীনে কুঞ্জকাননচারী
    মাধব মনোমোহন মোহন মুরলীধারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥
    ব্রজকিশোর, কালীয়হর কাতরভয়ভঞ্জন,
    নয়ন-বাঁকা, বাঁকা-শিখিপাখা, রাধিকা-হৃদিরঞ্জন;
    গোবর্ধনধারণ, বনকুসুমভূষণ, দামোদর কংসদর্পহারী।
    শ্যাম রাসরসবিহারী।
    (হরিবোল, হরিবোল, হরিবোল, মন আমার) ॥

    গান—এস মা জীবন উমা—ইত্যাদি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—আহা কি গান!—কেমন বেহালা!—কেমন বাজনা!

    একটি ছোকরা ফ্লুট বাজাইতেছিলেন। তাঁহার দিকে ও অপর আর আকটি ছোকরার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিয়া বলিতেছেন। “ইনি ওঁর যেন জোড়।”

    এইবার কেবল কনসার্ট বাজনা হইতে লাগিল। বাজনার পর ঠাকুর আনন্দিত হইয়া বলিতেছেন, “বা! কি চমৎকার!”

    একটি ছোকরাকে নির্দেশ করিয়া বলিতেছেন, “এঁর সব (সবরকম বাজনা) জানা আছে।”

    মাস্টারকে বলিতেছেন,—এঁরা সব বেশ লোক।”

    ছোকরাদের (Ramakrishna) গান-বাজনার পর তাহারা ভক্তদের বলিতেছে—“আপনারা কিছু গান!” ব্রাহ্মণী দাঁড়াইয়া আছেন। তিনি দ্বারের কাছ থেকে বলিলেন, গান এরা কেউ জানে না, এক মহিমবাবু বুঝি জানেন, তা ওঁর সামনে উনি গাইবেন না।

    একজন ছোকরা — কেন? আমি বাবা সুমুখে গাইতে পারি।

    ছোট নরেন (উচ্চহাস্য করিয়া) — অতদূর উনি এগোননি!

    সকলে হাসিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ব্রাহ্মণী আসিয়া বলিতেছেন,—“আপনি ভিতরে আসুন।” শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন (Kathamrita), “কেন গো!”

    ব্রাহ্মণী—সেখানে জলখাবার দেওয়া হয়েছে; যাবেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এইখানেই এনে দাও না।

    ব্রাহ্মণী—গণুর মা বলেছে, ঘরটায় একবার পায়ের ধুলা দিন, তাহলে ঘর কাশী হয়ে থাকবে, — ঘরে মরে গেলে আর কোন গোল থাকবে না।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna), ব্রাহ্মণী ও বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে অন্তঃপুরে গমন করিলেন। ভক্তেরা চাঁদের আলোতে বেড়াইতে লাগিলেন। মাস্টার ও বিনোদ বাড়ির দক্ষিণদিকে সদর রাস্তার উপর গল্প করিতে করিতে পাদচারণ করিতেছেন!

  • Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) পুরসভা নির্বাচনে (Local Body Election) ভারতীয় জনতা পার্টি আবারও বিরোধীদের ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চবনের নেতৃত্বে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট রাজ্যজুড়ে নিজেদের জয়কে অব্যাহত রাখল। সম্প্রতি কেরলেও পুর নির্বাচনে বিজেপির বিরাট জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ২১৪টি বেশি পুর সভাপতি পদে জয়

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) ২৮৮টি পুর পরিষদের মধ্যে, মহাযুতি ২১৪টিরও বেশি পুর সভাপতি পদে জয়লাভ করেছে। রাজ্যের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের বিধায়ক মহেশ লান্ডগে সমস্ত বিজয়ী (Local Body Election) প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জনাদেশকে বিজেপির শাসন মডেল হিসেবে বিশেষ ভাবে উল্লেখও করেছেন। বিজেপি নেতা লান্ডগে বলেন, “উত্তর পুনে জেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার সময়, দলের সাংগঠনিক শক্তি, পদাধিকারী ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জয়ের জন্য বিশেষ ভাবে কার্যকারী ছিল। সরকারের উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার নানা বিষয়গুলিতে ভোট এবং ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফলেছে। দলের প্রতিটি স্তরের সামগ্রিক প্রচেষ্টার কারণে নির্বাচনে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সুবিধা হয়েছে।”

    ফলাফলের আরেকটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আলান্দি পুর নির্বাচনে বিজেপির নির্ণায়ক ফলাফল। এখানে ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জয়ী হয়েছে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরসভার সভাপতি হিসেবে প্রশান্ত পোপট কুড়হাদের জয়কে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন জনগণ

    হিন্দুত্ব ও আদর্শের প্রতি বিজেপি সবসময় আনুগত্যশীল থাকে। ভোটারদের স্পষ্ট সমর্থন এবং বিজেপির নীতির প্রতি জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন (Local Body Election) ঘটেছে এই নির্বাচনে। লান্ডগে আরও বলেন, “রাজ্য জুড়ে মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। এই রায় আমাদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার শক্তি দেবে। আলান্দি থেকে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পর্যন্ত, আমরা সাধারণ নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং উন্নয়ন মূলক শাসনব্যবস্থা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapore) ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতার বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে (Lagnajita Chakraborty) ভক্তিমূলক গান পরিবেশনের জন্য হেনস্থা এবং শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা। ওই মুসলিম নেতা লগ্নজিতাকে ভক্তিমূলক গান গাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এই ঘটনাটি থেকে তীব্র ভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভারতে যদি ভক্তিমূলক গান গাইতে না দেওয়া হয়, তাহলে আর কোথায় গাইতে পারবেন শিল্পীরা? এই প্রশ্নই এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    অকথ্য ভাষায় আক্রমণ (Lagnajita Chakraborty)

    বাংলার সঙ্গীত মহলে এক জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হলেন লগ্নজিতা চক্রবর্তী (Lagnajita Chakraborty)। একটি বেসরকারি স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিবেশনায় আমন্ত্রণ পেয়ে সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লগ্নজিতার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানমঞ্চে দেবী চৌধুরানী ছবির একটি জনপ্রিয় গান ‘জয় মা’ গাওয়া শুরু করলে সেখান থেকেই ঝামেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চে গান শুরু করলে স্কুলের মালিক এবং তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতা মেহেবুব মল্লিক বাধা দেন। এরপর মেহবুব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। লগ্নজিতা বলেন, “যখন আমি ‘জয় মা’ গান শুরু করি তখন মালিক মেহবুব মল্লিক আমাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন। হুমকি দিয়ে বলেন, এতো কিছু হেয়েছে এবার ধর্ম নিরপেক্ষ গান করুন। তবে শুধু হট্টগোল নয়, আমাকে শারীরিক ভাবে হেনস্তাও করা হয়।”

    বিভাগীয় তদন্ত ওসির বিরুদ্ধে

    ঘটনার পরেই লগ্নজিতা (Lagnajita Chakraborty) এবং তাঁর বাদকেরা মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। এরপর ভগবানপুর থানায় (East Midnapore) সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে নির্যাতিতা গায়িকার অভিযোগ গ্রহণ না করে অনেক সময় ধরে থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগেও সরব হয়েছেন লগ্নজিতা। ইতিমধ্যে জেলা শাসক মিতুন কুমার দে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ওসি শাহেনশাহ হকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযযুক্ত মেহবুবকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

  • Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) কাঙ্কের জেলায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতদের মধ্যে সমাধি প্রথা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং উত্তেজনা তীব্রতর রূপ নিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি গির্জা ভাঙচুর (Vandalized Church) করে এবং এরপর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন জেলার একটি গ্রামের শীতলা মাতা মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ঘটায়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন (Chhattisgarh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা প্রথমে মন্দিরে (Chhattisgarh) প্রবেশ করে এবং এরপর প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ইতিমধ্যে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। তবে যে গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে স্থানীয় ধর্মের লোকজন যে এই কাজের নেতৃত্ব দেননি এই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের মধ্যে খ্রিষ্টান এবং অন্য ধর্মান্তরিতদেরকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দায়ের করা মামলায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর, কাঁকের জেলার আমাবেদা (Chhattisgarh) এলাকার অন্তর্গত বাদেতেভদা গ্রামে আদিবাসী সম্প্রদায় এবং ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সমাধি প্রথাকে কেন্দ্র করে বিবাদ ব্যাপক হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ (Vandalized Church) হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চামরা রাম সালামের মৃত্যুর পর, পঞ্চায়েত প্রধান রাজমান সালাম, যিনি আবার খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তিনি উপজাতীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করে তাঁর বাবাকে সকলের জন্য ব্যবহৃত জমিতে সমাহিত করেন। আর এখানেই বাধে বিরোধ। ভিন্ন ধর্মে ধর্মান্তিরতরা কেন আদিবাসীদের জায়গা দখল করবেন?

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন

    সমাধির খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এটিকে তাদের ঐতিহ্য এবং সামাজিক রীতিনীতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হয়। তারা প্রশাসনের কাছে মৃতদেহটি কবর থেকে তোলার দাবিও জানান। এই দাবিতে দুই দিন ধরে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল, কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং আন্দোলন ধীরে ধীরে হিংসাত্মক (Vandalized Church) হয়ে ওঠে।

    গ্রামের একটি গির্জায় (Chhattisgarh) আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আশেপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাবেদায় জড়ো হন। আনুমানিক ৩,০০০ জনেরও বেশি লোক জড়ো হয়েছিল, যার পরে আমাবেদায় আরেকটি গির্জাও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে পুলিশ কর্মী সহ ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

  • Ramakrishna 538: “পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত”

    Ramakrishna 538: “পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    গণুর মার বাড়িতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    গণুর মার বাড়ির বৈঠকখানায় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বসিয়া আছেন। ঘরটি একতলায়, ঠিক রাস্তার উপর। ঘরের ভিতর ঐকতান বাদ্যের (Concert) আখড়া আছে। ছোকরারা বাদ্যযন্ত্র লইয়া ঠাকুরের প্রীত্যর্থে মাঝে মাঝে বাজাইতেছিল।

    রাত সাড়ে আটটা। আজ আষাঢ় মাসের কৃষ্ণা প্রতিপদ। চাঁদের আলোতে আকাশ, গৃহ, রাজপথ সব যেন প্লাবিত হইয়াছে। ঠাকুরের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তেরা আসিয়া ওই ঘরে বসিয়াছেন।

    ব্রাহ্মণীও সঙ্গে সঙ্গে আসিয়াছেন। তিনি একবার বাড়ির ভিতর যাইতেছেন, একবার বাহিরে আসিয়া বৈঠকখানার দরজার কাছে আসিয়া দাঁড়াইতেছেন। পাড়ার কতকগুলি ছোকরা বৈঠকখানার জানলার উপর উঠিয়া ঠাকুরকে দেখিতেছে। পাড়ার ছেলে-বুড়ো সকলেই ঠাকুরের আগমন সংবাদ শুনিয়া ব্যস্ত হইয়া মহাপুরুষ(Ramakrishna) দর্শন করিতে আসিয়াছেন।

    জানলার উপর ছেলেরা উঠিয়াছে দেখিয়া ছোট নরেন বলিতেছেন, “ওরে তোরা ওখানে কেন? যা, যা বাড়ি যা।” ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ সস্নেহে বলিতেছেন (Kathamrita), “না, থাক না, থাক না।”

    ঠাকুর মাঝে মাঝে বলিতেছেন, “হরি ওঁ! হরি ওঁ!”

    শতরঞ্জির উপর একখানি আসন দেওয়া হইয়াছে, তাহার উপর শ্রীরামকৃষ্ণ বসিয়াছেন। ঐকতান বাদ্যের ছোকরাদের গান গাহিতে (Kathamrita) বলা হইল। তাহাদের বসিবার সুবিধা হইতেছে না, ঠাকুর তাঁহার নিকটে শতরঞ্জিতে বসিবার জন্য তাহাদের আহ্বান করিলেন।

  • PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর আবহে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন নদিয়ার রানাঘাটের তাহেরপুরের মাঠে জনসভা করবেন। তাহেরপুরের এই জনসভা অপারেশন সিঁদুরের পর আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর এবং দমদমের সভার পর চতুর্থ সভা হতে চলেছে। এই সভা থেকে বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এসআইআরের আবহ। তার ওপর বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই মতুয়া সমাজের ভোটকে বিজেপির খাতায় সম্পূর্ণ ভাবে আনতে এদিনের সভা গুরুত্বপূ্র্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দলের তরফে সভাকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে সফর সূচি।

    একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন

    ঘোষিত সময় সূচি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সকালে দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র (PM Modi) মোদি বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে যাত্রা শুরু করবেন। সকাল ১০টায় কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে যাবেন। এরপর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ১১টা ০৫ মিনিটে রানাঘাটের (Nadia) হ্যালিপ্যাডে নামবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছে যাবেন। সেখানে ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এই অনুষ্ঠানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছাবেন। ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত জনসভায় বক্তৃতা দেবেন। সভা শেষ করে আবার হ্যালিপ্যাডে পৌঁছাবেন এবং এরপর হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর বায়ুসেনার বিমানে করেই তিনি রওনা দেবেন অসমের গুয়াহাটির উদ্দেশে।

    এসআইআর ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে

    তবে রাজ্য বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) সমানে রেখে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা (Nadia) বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তু নাগরিকদের নাগরিকত্ব এবং ভোটাধিকার নিয়ে দিতে পারেন সদর্থক বার্তা। তাই এসআইআর, সিএএ, অনুপ্রবেশ, হিন্দু সুরক্ষা, জনবিন্যাস পরিবর্তন বিষয়ে প্রধান চুম্বক থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু যুবককে (Hindu Youth Brutally Murder) খুন করে কার্যত গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে বীভৎস ভাবে পুড়িয়ে হত্যার ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে বিজেপি। ভারত বিরোধী ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রীতিমতো গোটা দেশে উত্তাল হয়ে উঠেছে। পদ্মাপারের সোনার বাংলা এখন রক্তাক্ত বাংলায় পরিণত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন দেশে এখন গৃহযুদ্ধ লেগেছে। ঢাকা থেকে হিংসার আগুন এখন জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। টার্গেট করা হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দু এবং সাংবাদিকদের। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন ফেবুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেছে। তাই হাসিনাকে টার্গেট করে অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগী দলগুলি এবং কট্টর মৌলবাদী সংগঠনগুলি ভারত বিরোধিতার সুর চরম পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইছে। তাই হিংসার ঘটনা বেলাগাম ভাবে পরিকল্পনা করে ঘটানো হচ্ছে। মহম্মদ ইউনূস আইন শৃঙ্খলাকে ইচ্ছে করেই বেলাগাম করেছেন, এমনটাই মনে করছে বিজেপি।

    কট্টর মৌলবাদের দাপাদাপি (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে ময়মনসিংহে এক হিন্দু ধর্মের যুবককে পিটিয়ে প্রথমে নৃশংস ভাবে হত্যা (Hindu Youth Brutally Murder) করা হয়। এরপর মৃতদেহকে গাছের ডালে ঝুলিয়ে পাশবিক ভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই নির্মম হত্যার পিছনে স্থানীয় উন্মত্ত জনতার প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভালুকা থানার ডিউটি অফিসার রিপন মিয়া। এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আবার উপস্থিত জনতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও করেছে। ফলে কট্টরপন্থীদের সাফ বার্তা, এটা কোনও সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়, তার ভয়াবহতা এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। লক্ষ্য একটাই হিন্দুদের উপর হত্যালীলা যত বাড়বে কট্টর মৌলবাদ তত সুনিশ্চিত ভাবে নতুন নির্বাচিত সরকারে প্রতিষ্ঠা পাবে। আর তাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ড!

    মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস

    এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি আইটি সেলের নেতা অমিত মালব্য। বাংলাদেশে শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু যুবকদের জীবন কতটা বিপজ্জনক, তা খুব স্পষ্ট করে বলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস (Hindu Youth Brutally Murder)। তিনি একটি পোশাকের করখানায় কাজ করতেন।” তবে এখন হাসিনা (Bangladesh) এবং ভারত বিরোধী উন্মত্ত জনতার রোষের শিকার শুধু একজন হিন্দু যুবকই হননি। কট্টর মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন বহু মুক্তমনা সাংবাদিকেরাও। প্রথম আলো, দ্যা ডেইলি স্টার সংবাদ মাধ্যমকের অফিস কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কোনও ক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন মহিলা সাংবাদিকরা। পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে শুক্রবারের সংস্করণও প্রকাশিত হয়নি। কার্যত সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন এক বদ্ধভূমিতে পরিণত হয়েছে কট্টরপন্থীদের দৌরাত্মে।

    ভোটে জিততেই কি হত্যাকাণ্ড?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে হবে এই কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ঠিক তার পরে পরেই দেশে চরম অশান্তির বাতাবরণের পরিস্থিতি। তবে মূল সূত্রপাত অবশ্য হয়েছে গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। যেদিন কট্টরপন্থীরা গণভবন দখল করেছিল। হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। মহম্মদ ইউনূস এই সব কিছুর মাস্টার মাইন্ডদের কথা বারবার প্রকাশ্যে বলেছেন। আইএসআই, সিএমএম এবং সিআইএ-এর প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কট্টর ভারত বিরোধী নেতা হাদি নির্বাচনী প্রচারে নানা ভাবে উস্কানি দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল আওয়ামিলীগের। গত ১২ ডিসেম্বর ই-রিকশাতে চেপে যাচ্ছিলেন। আচমকা সেই সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতলে এরপর সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর নেমে পড়ে কট্টরপন্থীরা। বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয় হামলা, অগ্নি সংযোগ এবং হত্যাকাণ্ড। শুক্রবারও তাণ্ডবের ধারা অব্যাহত ঢাকাজুড়ে।

    গৃহযুদ্ধ

    অপরদিকে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) এখন গৃহযুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চর্চার পীঠস্থান ছায়ানটে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছে। সব কিছুকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। ‘নাড়ায়ে তাকবির আল্লা হো আকবর’ স্লোগান দিয়ে একের পর এক ভবনে ভাঙচুর চলছে।” যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস মুখে ‘প্রথম আলো’ বা ‘দ্যা ডেইলি স্টার’ সংবাদ মাধ্যমের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু দেশের আইন শৃঙ্খলা যে তালানিতে ঠেকেছে তা দেখতে পাচ্ছেন না। মুখে তা নিয়ে অবশ্য কোনও রা নেই। একই ভাবে লাগাতার ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারের অফিসে লাগাতার হামলার ঘটনায় সতর্ক বাণীও বলতে শোনা যায়নি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পদ্মার জল এখন কোন পথে গড়ায় তাই এখন দেখার।

  • Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ (Bangladesh) এখন ফের অশান্ত। দেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি (Osman Hadis Death) প্রায়াত। এই কট্টরপন্থী নেতা ভারত-বিরোধী হিসেবে বেশ কুখ্যত ছিলেন। ১২ ডিসেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাদির মৃত্যুর পর পরই উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকার শাহবাগ সহ জায়গায় জায়গায় অশান্তি এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে। দেশের একাধিক ভারতীয় উপদূতাবাসে হামলা করার অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যে রাজপথে নামানো হয়েছে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারত বিরোধী জনতার রোষ সামাল দিতে আসরে নেমেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ওই দেশে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে ইউনূস বলেন, “দেশের জনগণকে আমি ধৈর্য ধরতে বলব। হাদির মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।”

    শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস (Bangladesh)

    হাদির মৃত্যর খবর জানাজানি হতেই গোটা বাংলাদেশে (Bangladesh) দাবানলের মতো আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আক্রশের মূল টার্গেট ভারত। তাই ঢাকা সহ একাধিক শহরে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’, ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর অফিসে। রোষ আবারও আছড়ে পড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে। সেখানেও আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। এই অবস্থায় নিরুপায় হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রাত ১১টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “শনিবার দেশের সব সরকারি, সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এবং বেসরকারি ভবন, বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই ভাবে শুক্রবার দেশের প্রত্যেক মসজিদ থেকে ওসমানের জন্য শোক প্রকাশ করা হবে। শনিবার দিনভর রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। ওসমানের স্ত্রী এবং সন্তানদের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।” তবে আইন শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস। ভারত বিরোধী আন্দলন নিয়ে মুখ খোলেননি। শুক্রবার সন্ধ্যে বেলায় হাদির দেহ সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশে ফেরানো হবে। তবে দেহ ফেরার পর পরিস্থিতি আরও উত্তাল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাজশাহীতে মজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর

    বিবিসির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, হাদির মৃত্যুর পরেই উন্মত্ত জনতা ঢাকার (Bangladesh) সংবাদ মাধ্যমকে টার্গেট করে। প্রথম আলো, দ্য ডেলি স্টার –এর মতো সংবাদ মাধ্যমের অফিসে জোর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় বিরাট ভাঙচুর। অফিসের ভিতরে আটকে থাকা সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়। অবশ্য আটকে থাকা সাংবাদিকরা জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সব জেনে শুনেই চুপ ছিলেন। পুলিশ কোনও রকম ভাবেই সহযোগিতা করেনি। আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনিতে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে খুলনায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। আবার ময়মনসিংহ জেলার এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই ভাবে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু মজিবুর রহমানের একটি বাড়ি এবং আওয়ামি লিগের দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের আগ্রাসন থেকে রেহাই পায়নি দেশের প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। রাতভর ছায়ানট ভবনে তাণ্ডব ও লুটপাট চলেছে। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আছড়ে ভাঙা হয়েছে হারমোনিয়াম।

    বেশির ভাগ বিক্ষোভ দেখানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের বিরোধিতা করে দেওয়া হয় ভারত-বিরোধী নানা হিংসাত্মক স্লোগান। কট্টরপন্থীরা বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভারতীয় সহকারী-হাইকমিশনারের বাসভবন  লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট, পাটকেল। রাতেই দূতাবাসের সামনে উন্মত্ত ছাত্র-যুবরা অবস্থান করে। দিকে দিকে ফের ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছে একদল। উল্লেখ্য গত ১৬ ডিসেম্বর ছিল বিজয় দিবস। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার এই বিজয় দিবসকে বিজয় দিবস হিসেবে মানতে নারাজ। এনসিপির এক নেতা প্রকাশ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ভারতও এই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভোটের আগে ভারত-বিরোধী আবহ তৈরি করতে কট্টরপন্থীরা ব্যাপক প্রচেষ্টা করছেন। বাংলাদেশে এই অশান্তির দিকে নজর রাখছে ভারত।

    নির্বাচনকে ঘিরে হিংসা-হানাহানি

    ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে হাসিনাকে চক্রান্ত করে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে বিতারিত করা হয়। এরপর থেকেই ক্ষমতা চলে যায় কট্টর মৌলবাদী এবং জেহাদি সংগঠনের হাতে। অন্তর্বর্তী সরকারের মাথায় বসেন মহম্মদ ইউনূস। পাকিস্তানের আইএসআই এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদ কর্তাদের শুরু হয় অবাদ যাতায়েত। ১৯৭১ সালের পর থেকে যে রাস্তায় বাংলাদেশ হাটেনি সেই রাস্তায় শুরু হয় নতুন যাত্রা। ঢাকা-ইসলামাবাদ, করাচি- চট্টগ্রামের মধ্যে শুরু হয় আকাশপথ এবং জলপথের মাধ্যমে যাতায়েত। পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট। সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয় ওইদেশের সংখ্যা লঘু হিন্দুরা। দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনতিতে পরিণত হয়েছে। গত দেড় বছরের বেশি সময়ে মৌলবাদী কট্টর সংগঠনগুলি আরও শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। তাই নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ভোট এবং প্রচারকে ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পারদ তত বেশি চড়ছে।

  • Ramakrishna 537: “সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,—যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    Ramakrishna 537: “সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,—যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শোকাতুরা ব্রাহ্মণীর বাটীতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ব্রাহ্মণী (Ramakrishna) অধীর হইয়া বলিতেছেন, “ওগো, আমি যে আহ্লাদে আর বাঁচি না, গো! তোমরা সব বল গো আমি কেমন করে বাঁচি! ওগো, আমার চণ্ডী যখন এসেছিল, — সেপাই শান্ত্রী, সঙ্গে করে— আর রাস্তায় তারা পাহারা দিচ্ছিল—তখন যে এত আহ্লাদ হয়নি গো!—ওগো চণ্ডীর শোক এখন একটুও আমার নাই! মনে করেছিলাম, তিনি যেকালে এলেন না, যা আয়োজন করলুম, সব গঙ্গার জলে ফেলে দেব;—আর ওঁর (ঠাকুরের) সঙ্গে আলাপ করব না, যেখানে আসবেন একবার যাব, অন্তর থেকে দেখব,—দেখে চলে আসব।

    “যাই— সকলকে বলি, আয়রে আমার সুখ দেখে যা!—যাই,— যোগীনকে বলিগে, আমার ভাগ্যি দেখে যা!”

    ব্রাহ্মণী (Ramakrishna) আবার আনন্দে অধীর হইয়া বলিতেছেন, “ওগো খেলাতে (লটারী-তে) একটা টাকা দিয়ে মুটে এক লাখ টাকা পেয়েছিল,—সে যেই শুনলে এক লাখ টাকা পেয়েছি, অমনি আহ্লাদে মরে গিছল—সত্য সত্য মরে গিছল!—ওগো আমার যে তাই হল গো! তোমরা সকলে আশীর্বাদ কর, না হলে আমি সত্য সত্য মরে যাব।”

    মণি ব্রাহ্মণীর আর্তি ও ভাবের অবস্থা দেখিয়া মোহিত হইয়া গিয়াছেন। তিনি তাঁহার পায়ের ধুলা লইতে গেলেন। ব্রাহ্মণী বলিতেছেন, ‘সে কি গো!’—তিনি মণিকে প্রতিপ্রণাম করিলেন।

    ব্রাহ্মণী, ভক্তেরা আসিয়াছেন দেখিয়া আনন্দিত হইয়াছেন আর বলিতেছেন, “তোমরা সব এসেছ,—ছোট নরেনকে এনেছি,—বলি তা না হলে হাসবে কে!” ব্রাহ্মণী এইরূপ কথাবার্তা কহিতেছেন, উহার ভগ্নী আসিয়া ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন, “দিদি এসো না! তুমি এখানে দাঁড়ায়ে থাকলে কি হয়? নিচে এসো! আমরা কি একলা পারি।”

    ব্রাহ্মণী আনন্দে বিভোর! ঠাকুর ও ভক্তদের দেখিতেছেন। তাঁদের ছেড়ে যেতে আর পারেন না।

    এইরূপ কথাবার্তার পর ব্রাহ্মণী অতিশয় ভক্তিসহকারে ঠাকুরকে অন্য ঘরে লইয়া গিয়া মিশটান্নাদি নিবেদন করিলেন। ভক্তেরাও ছাদে বসিয়া সকলে মিষ্টমুখ করিলেন।

    রাত প্রায় ৮টা হইল, ঠাকুর বিদায় গ্রহণ করিতেছেন। নিচের তলায় ঘরের কোলে বারান্দা, বারান্দা দিয়ে পশ্চিমাস্য হইয়া উঠানে আসিতে হয়। তাহার পর গোয়ালঘর ডান দিকে রাখিয়া সদর দরজায় আসিতে হয়। ঠাকুর যখন বারান্দা দিয়া ভক্তসঙ্গে সদর দরজার দিকে আসিতেছেন, তখন ব্রাহ্মণী (Kathamrita) উচ্চৈঃস্বরে ডাকিতেছেন, “ও বউ, শীঘ্র পায়ের ধুলা নিবি আয়!” বউ ঠাকুরানী প্রণাম করিলেন। ব্রাহ্মণীর একটি ভাইও আসিয়া প্রণাম করিলেন।

    ব্রাহ্মণী ঠাকুরকে বলিতেছেন, “এই আর একটি ভাই; মুখ্যু।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—না, না, সব ভাল মানুষ।

    একজন সঙ্গে সঙ্গে প্রদীপ ধরিয়া আসিতেছেন, আসিতে আসিতে এক যায়গায় তেমন আলো হইল না।

    ছোট নরেন উচ্চৈঃস্বরে বলিতেছেন, “পিদ্দিম ধর, পিদ্দিম ধর! মনে করো না যে, পিদ্দিম ধরা ফুরিয়ে গেল!” (সকলের হাস্য)

    এইবার গোয়ালঘর। ব্রাহ্মণী ঠাকুরকে বলিতেছেন, এই আমার গোয়ালঘর। গোয়ালঘরের সামনে একবার দাঁড়াইলেন, চতুর্দিকে ভক্তগণ। মণি ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিতেছেন ও পায়ের ধুলা লইতেছেন।

    এইবার ঠাকুর গণুর মার বাড়ি যাইবেন।

LinkedIn
Share