Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ২৪ থেকে ৩০ মে, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Hindus Under Attack)

    মুসলমানদের মন পেতে ফের ‘তুষ্টিকরণে’র রাজনীতি করেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। সব মিলিয়ে ৫২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০২২ সালের কালাবুরাগি দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত ৭টি মামলাও রয়েছে। অভিযোগ, কালাবুরাগি দাঙ্গায় মুসলিম জনতা পুলিশের ওপর হামলা করেছিল (Roundup Week)।

    ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনেছেন কেরলের এক কলেজছাত্রী। মাডিওয়ালা থানায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে একটি পার্টিতে। এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন কয়েকজন ক্যাফে মালিক। অভিযোগকারিণী একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। একটি মোমো আউটলেটে তিনি পার্টটাইম কাজ করতেন। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ওই পার্টিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত হাইনাস নামে একজন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। কাজ করেন রিয়েল এস্টেট দালাল হিসেবে। ক্যাফেটি বিক্রির কাজে মালিকদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, আয়োজকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালান।

    লাভ জিহাদ

    উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বীর একটি সরকারি কলেজকে ঘিরে বিতর্কের জেরে দুই মহিলা অধ্যাপক এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এক হিন্দু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ চক্করের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপে লাগানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Roundup Week)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশাম্বীর একটি সরকারি বালিকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের দুই শিক্ষিকা এবং তাঁদের এক সহযোগী ছাত্রীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে উৎসাহিত করছিলেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইসলামী রীতিনীতি অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, হিন্দু বিশ্বাসের সমালোচনা করা এবং বারবার প্রভাবিত করার মাধ্যমে ছাত্রীদের মতাদর্শগতভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

    মন্দির ভাঙার চেষ্টা

    এদিকে, ভাটকালের মুরিনাকাট্টে বিরোধ আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, উপকূলীয় কর্নাটকের কিছু অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কীভাবে স্থানীয় উত্তেজনাকে বড় আইন-শৃঙ্খলার সঙ্কটে পরিণত করতে পারে। জাতীয় সড়ক ৬৬-এর পাশে ভেঙ্কটাপুরে থাকা একটি ছোট কিন্তু ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দির পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধই শেষতক একটি বড় উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শয়ে শয়ে মুসলমান পুনর্নির্মিত ওই মুরিনাকাট্টে মন্দিরের কাছে জড়ো হয়ে সেটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল (Roundup Week)।

    আমেরিকার ছবি

    ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও চলছে হিন্দু ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার। আমেরিকার নিউ জার্সির বিএপিএস স্বামিনারায়ণ মন্দিরের তীব্র সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রচার তারই একটি উদাহরণ। ফেডারেল তদন্তে কোনও অনিয়মের প্রমাণ না মিললেও, বিএপিএসের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমের প্রচার চলছেই (Hindus Under Attack)।

     

  • CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা বা চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (CDS) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani)। রবিবার, ৩১ মে, রাজধানী দিল্লির সাউথ ব্লকের লনে এক জমকালো ও আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে তাঁর এই নতুন কার্যকাল শুরু হয়।

    জেনারেল অনিল চৌহান গত ৩০ মে তাঁর কার্যকাল সম্পন্ন করার পর, জেনারেল রাজা সুব্রমণি দেশের তৃতীয় সিডিএস হিসেবে এই শীর্ষ সামরিক পদের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    মোদির জেএআই (JAI) মন্ত্রেই জোর নতুন সিডিএস-এর (CDS)

    সিডিএস (CDS) পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেনারেল রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani) দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং সমস্ত কৌশলগত প্রতিষ্ঠান একজোট হয়ে দেশের সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বিশেষ দর্শন জেএআই ‘JAI’ অর্থাৎ Jointness-যৌথতা, Atma Nirbharta-আত্মনির্ভরতা এবং Innovation-উদ্ভাবন-কে বাস্তবায়িত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিন বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, একীকরণ এবং সাংগঠনিক সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে কাজ করবো।

    দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে স্বাবলম্বী করার বার্তা দিয়ে নতুন সিডিএস (CDS) বলেন, “আত্মনির্ভরতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের বিকাশ, অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবহারকে আমরা আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আধুনিকিকরণের জন্য সেনাবাহিনী, শিল্পক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টার্ট-আপ এবং গবেষণা সংস্থাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে।”

    চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল সামরিক ক্যারিয়ার

    চলতি বছরের ৯ মে ভারত সরকার জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণিকে (General NS Raja Subramani) পরবর্তী সিডিএস এবং একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স’-এর সচিব হিসেবে নিযুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছিল।

    গত চার দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন:

    • ১৯৮৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি ‘৮ম ব্যাটালিয়ন গড়োয়াল রাইফেলস’-এ কমিশন লাভ করেন।
    • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের (NSCS) সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    • এর আগে তিনি ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে ৩১ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহ-প্রধান (Vice Chief of the Army Staff) এবং তারও আগে সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান (GOC-in-C) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
    • আসামে ‘অপারেশন রাইনো’ চলাকালীন কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি অপারেশন, জম্মু-কাশ্মীরে ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড এবং ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে ভারতীয় সেনার অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘২ কর্পস’-এর নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    পশ্চিম ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের জটিল সামরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও রণকৌশলগত দক্ষতার জন্য সেনাবাহিনীতে তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল (PVSM), অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (AVSM), সেনা মেডেল (SM) এবং বিশিষ্ট সেবা মেডেল (VSM)-এ ভূষিত হয়েছেন। পূর্বসূরি প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং বিদায়ী সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহানের দেখানো পথেই তিন বাহিনীর থিয়েটারাইজেশন (যৌথ কম্যান্ড গঠন) প্রক্রিয়াকে তিনি আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘মন কি বাতে’র ১৩৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনুপ্রেরণামূলক বিভিন্ন গল্প তুলে ধরেন। এই গল্পগুলির মধ্যে (Mann Ki Baat) ছিল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগও।

    ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সিনিয়র অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্প্রিন্টার গুরিন্দর বীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের প্রশংসা করেন। তাঁরা পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড়ে মাত্র দু’দিনের মধ্যে একাধিকবার জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াবিদরা তাঁকে জানিয়েছেন, পরিবারের সমর্থন, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প তাঁদের সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকের ধারণা ছিল যে, ভারতীয়রা স্প্রিন্ট ইভেন্টে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতা করতে পারবেন না, কিন্তু তাঁরা সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশংসা করেন। বলেন, “তাঁদের এই সাফল্য অসংখ্য তরুণ ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় জোর

    প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের (Astronomy) প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বেঙ্গালোর অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোস্যাইটি, অ্যাস্ট্রো কেরালা, বিগ ব্যাং অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাব (রাজকোট), জ্যোতির্বিদ্যা পরিসংস্থা এবং আইএসএএসি-এর মতো সংস্থাগুলির অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, এই সব সংস্থা শিক্ষার্থীদের মহাকাশ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানতে সাহায্য করছে।ছুটির সময় তরুণদের জ্যোতির্বিজ্ঞান ক্লাবে যোগ দিতে এবং তারামণ্ডল দর্শনে উৎসাহিত করেন।

    গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স

    উত্তরপ্রদেশে একটি খালে আটকে পড়া গাঙ্গেয় ডলফিন (Gangetic Dolphin)-কে উদ্ধারের অভিযানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর ডলফিনটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানান, নমামি গঙ্গে (Namami Gange) কর্মসূচির আওতায় তৈরি ভারতের প্রথম গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স এই উদ্ধারকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (Mann Ki Baat)। চিকিৎসার পর ডলফিনটিকে রাপ্তি নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “গঙ্গা নদীর বাস্তুতন্ত্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ডলফিন সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।”

     

  • Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের খোকন দাস গ্রেফতার। আজ, রবিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্ক এলাকা থেকে পাকড়াও করে (Political Violence Extortion Case) তাঁকে। হুমকি, তোলাবাজি এবং রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে খোকনকে (Khokan Das)। অভিযোগগুলি সেই সময়কার, যখন ক্ষমতায় ছিল খোকনের দল তৃণমূল।

    খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Political Violence Extortion Case)

    পুলিশ সূত্রে খবর, মুলতুবি মামলার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর রবিবার সকালে আটক করা হয় তাঁকে। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় একটি আদালতে তোলা হয় খোকনকে। তৃণমূলের প্রাক্তন এই বিধায়ককে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক হন খোকন। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক হিংসার একাধিক অভিযোগ ওঠে। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় আসায় সেই সময় পুলিশ খোকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক হিংসার পাশাপাশি তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ‘আমি এখন বিজেপি নেতা’

    জানা গিয়েছে, ছাব্বিশের বিধান নির্বাচনে তৃণমূল গোহারা হেরে যেতেই খোকন নিজেকে বিজেপি নেতা বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর তাঁর একটি অডিও কথোপকথন ভাইরাল হয়। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ার পর এসব নিয়ে এত হইচই করছেন! মনে রাখবেন, আমি এখন বিজেপি নেতা।” এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান খোকন। শেষমেশ রবিবার বর্ধমান জেলা পুলিশের একটি দল উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তাঁকে।

    গ্রেফতার আরও এক তৃণমূল নেতা

    খোকনের বিরুদ্ধে অতীতেও তোলাবাজি এবং জমি-সংক্রান্ত অনিয়ম-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তদন্ত এড়ানোর চেষ্টাও করেছেন তিনি (Political Violence Extortion Case)। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার খোকন। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিকে, এদিনই পুলিশ গ্রেফতার করেছে পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কেও। তাঁর (Khokan Das) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের ত্রিপল এবং ফুটবল উদ্ধার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাটোয়ার এক শীর্ষস্থানীয় তৃণমূল নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের একটি (Political Violence Extortion Case) মামলায়।

     

  • Ghaziabad Murder: গাজিয়াবাদে বকরিদ পার্টির নামে ডেকে হিন্দু যুবককে খুনে মূল অভিযুক্ত আসাদ পুলিশি এনকাউন্টারে খতম

    Ghaziabad Murder: গাজিয়াবাদে বকরিদ পার্টির নামে ডেকে হিন্দু যুবককে খুনে মূল অভিযুক্ত আসাদ পুলিশি এনকাউন্টারে খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের (Ghaziabad Murder) খোড়া এলাকায় ১৭ বছর বয়সী হিন্দু যুবক সূর্য প্রতাপ চৌহানকে (Surya Pratap Chauhan) নৃশংসভাবে ছুরি মেরে খুনের ঘটনায় এক নাটকীয় মোড় এল। ঘটনার মূল অভিযুক্ত আসাদ শনিবার গভীর রাতে খোড়া এলাকায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে এক এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। তার মাথার উপর ৫০,০০০ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

    টাকা সংগ্রহ করে পালানোর ছক বানচাল (Ghaziabad Murder)

    গাজিয়াবাদের (Ghaziabad Murder) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিপিসি) ধবল জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে আসাদ খোড়া থানা এলাকায় তার কিছু সহযোগীদের সঙ্গে দেখা করতে আসছে। সেখান থেকে টাকা সংগ্রহ করে শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ছক ছিল তার (Surya Pratap Chauhan)।

    পুলিশের ওপর গুলি ও পাল্টা এনকাউন্টার

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে খোড়া ও ইন্দিরাপুরম থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সেই সময় একটি মোটরসাইকেলে চড়ে আসাদকে তার এক সহযোগীর সঙ্গে আসতে দেখে পুলিশ।

    পুলিশের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেলটি (Ghaziabad Murder) থামানোর চেষ্টা করা হলে আসাদ আত্মসমর্পণ করার পরিবর্তে পুলিশ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুপক্ষের এই তীব্র গুলি বিনিময়ের মাঝে আসাদ গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হয়।

    রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা আসাদকে (Surya Pratap Chauhan) মৃত ঘোষণা করেন। এই গুলি বিনিময়ের সময় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক কনস্টেবলও হাতে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। ঘটনাস্থল থেকে আসাদের ব্যবহৃত বাইক এবং একটি দেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তার সহযোগী অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    বকরিদের দিন ছাগল কোরবানির উপমা দিয়ে খুনের অভিযোগ

    উল্লেখ্য, গত ২৮ মে খোড়া (Ghaziabad Murder) কলোনিতে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সূর্য প্রতাপ চৌহানকে পেটে একাধিকবার ছুরি মেরে খুন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, অভিযুক্ত আসাদ সূর্যকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসা করেছিল, “তুই কখনো ছাগল কোরবানি হতে দেখেছিস?” সূর্য (Surya Pratap Chauhan) ‘না’ বলে চলে যেতে চাইলে আসাদ বলে, “আয়, তোকে দেখাই”— এবং এরপরই তাকে একের পর এক ছুরির কোপ মারা হয়।

    চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সূর্যের মৃত্যুর পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা দোষীদের কঠোর শাস্তি ও তাদের বাড়িতে বুলডোজার চালানোর দাবিতে খোড়া থানার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

    “বাকিদেরও এনকাউন্টার চাই”, দাবি মৃতের মায়ের

    আসাদের এনকাউন্টারে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সূর্যের পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের ক্ষোভ কমেনি। সূর্যের (Surya Pratap Chauhan) মা সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি জানিয়েছেন, তিনি আসাদের মৃতদেহের ছবি দেখতে চান যাতে নিশ্চিত হতে পারেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে মোট সাতজন মিলে এই হাল করেছিল। আমি আসাদের ছবি দেখে শান্ত হতে চাই এবং বাকি অপরাধীদেরও একই রকম এনকাউন্টার চাই। সবার ঘরবাড়ির ওপর বুলডোজার চালানো উচিত।”

    পুলিশ (Ghaziabad Murder) জানিয়েছে, এই মামলায় ইতিমধ্যেই ফারহান, আসিফ এবং নবাব-সহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

  • India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি আরও প্রসারিত করার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ভিয়েতনামের (Vietnam Indonesia Agreement) সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি (India Brahmos Missile Deal) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই রকম আরও একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে।

    সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (India Brahmos Missile Deal)

    শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (Shangri-La Dialogue)-এর ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠকে রাজেশ জানান, হ্যানয় ইতিমধ্যেই ওই মিসাইল কেনা সংক্রান্ত চুক্তিটি সই করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ভিয়েতনামের এক প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম—উভয় দেশের ক্ষেত্রেই চুক্তিগুলি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও এখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সাহায্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি ভারতের একটি বড় প্রতিরক্ষা রফতানিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রচেষ্টা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    প্রতিরক্ষা সচিবের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা। ২০২৪ সালে ম্যানিলা প্রথম ব্যাচের ক্ষেপণাস্ত্র কেনে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয় চালান পায়। এর মাধ্যমে বৃহৎ প্রতিরক্ষা রফতানি চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ক্ষমতা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা সচিব জানান, ভারত আসিয়ান (ASEAN) দেশগুলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সবাইকে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করি, যাদের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া যায়।” তিনি জানান,  সাধারণত উন্নত সামরিক প্রযুক্তি কেবল সেইসব দেশের সঙ্গেই ভাগ করা হয় যাদের ওপর গভীর আস্থা এবং কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে উন্নত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কার্যকর সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি কৌশলের অন্যতম প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে (India Brahmos Missile Deal)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্রহ্মোসের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজেশ বলেন, “ভারত এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, নিরাপদ সামুদ্রিক পরিবেশ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি জানান, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাগুলির একটি হয়ে উঠেছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করায় জোর

    প্রতিরক্ষা সচিবের এই ঘোষণার আগে আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি হ্যানয় সফর করে এসেছেন। সেখানে তিনি ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভানন জিয়াংয়ের (Phan Van Giang) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন (India Brahmos Missile Deal)। শাংরি-লা ডায়ালগের পাশাপাশি রাজেশ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেদারল্যান্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও জোরদার করছে।

    ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব মেঘান কুইন (Meghan Quinn)-এর সঙ্গে আলোচনায় উভয়পক্ষই ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (India-Australia Comprehensive Strategic Partnership)-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। অনুসন্ধান করে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ব্রহ্মোস চুক্তিগুলি ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রভাবের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এমন একটা সময়ে এই (Vietnam Indonesia Agreement) অগ্রগতি হচ্ছে, যখন অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে (India Brahmos Missile Deal)।

     

  • Ahilyabai Holkar: পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের জন্মজয়ন্তী, সুশাসন, করুণা ও সাহসের এক ঐতিহাসিক ভারতীয় প্রতীক

    Ahilyabai Holkar: পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের জন্মজয়ন্তী, সুশাসন, করুণা ও সাহসের এক ঐতিহাসিক ভারতীয় প্রতীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ মে সারা দেশজুড়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হল পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের (Ahilyabai Holkar) জন্মজয়ন্তী (Birth Anniversary)। তিনি কেবল অষ্টাদশ শতাব্দীর মালব সাম্রাজ্যের এক দূরদর্শী রানিই ছিলেন না, বরং ছিলেন ভারতীয় শাসনব্যবস্থা, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক রাজনীতির এক শাশ্বত ও কালজয়ী প্রতীক। আজ যখন ভারত নতুন মহাসড়ক, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং এআই (AI) প্রযুক্তির হাত ধরে এক নতুন যুগের দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন অহল্যাবাই হোলকারের শাসন দর্শন আধুনিক ভারতের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

    এক সাধারণ গ্রাম থেকে লোকমাতা হয়ে ওঠার যাত্রা (Ahilyabai Holkar)

    ১৭২৫ সালে বর্তমান মহারাষ্ট্রের চোন্ডি নামক একটি ছোট গ্রামে অহল্যাবাইয়ের (Ahilyabai Holkar) জন্ম হয় (Birth Anniversary)। তাঁর ক্ষমতার পথ সহজ ছিল না। জীবনজুড়ে ব্যক্তিগত ক্ষতি, অকাল বৈধব্য এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও তিনি অসীম সাহসের সঙ্গে ইন্দোরের হোলকার রাজবংশের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। যে যুগে নারীদের পক্ষে জনসমক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া অত্যন্ত বিরল ও কঠিন ছিল, সেখানে তিনি নিজের শৃঙ্খলা এবং সেবামূলক মানসিকতার মাধ্যমে সমাজের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন। প্রজারা তাঁকে ভালোবেসে ‘লোকমাতা’ বলে ডাকতেন, কারণ তাঁর শাসন ক্ষমতার ভিত্তি ভয় নয়, বরং ছিল জনগণের আস্থা, ন্যায়বিচার ও গভীর করুণা।

    আধুনিক সুশাসনের আদি রূপকার

    আজকে আমরা রাজনীতিতে যে সমস্ত আধুনিক শব্দ বা নীতি যেমন — সুশাসন (Good Governance), নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন (Women-led development), এবং ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবন (Heritage Restoration)-এর কথা শুনি, কয়েক শতাব্দী আগে অহল্যাবাই তার বাস্তবে রূপ দিয়ে দেখিয়েছিলেন। অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) তাঁর রাজধানী মহেশ্বরকে (Maheshwar) কেবল ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে নয়, বরং শিল্প, সংস্কৃতি ও জীবিকার এক পুণ্যভূমি হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। বিখ্যাত ‘মহেশ্বরী শাড়ি’-র বয়ন ঐতিহ্যকে তিনি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে স্থানীয় অর্থনীতির এক মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

    সাংস্কৃতিক পরিকাঠামো ও জাতীয় চেতনা গঠন

    সাম্রাজ্য বিস্তার বা সম্পদ সঞ্চয়ের চেয়েও অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) বেশি স্মরণীয় হয়ে আছেন ভারতের পবিত্র ভূখণ্ডকে পুনর্গঠন করার জন্য। কাশী (বারাণসী), সোমনাথ, দ্বারকা, গয়া এবং রামেশ্বরম-সহ সমগ্র ভারতের বহু প্রাচীন ও পবিত্র তীর্থক্ষেত্র এবং মন্দিরগুলি তিনি সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করেন। রাস্তাঘাট, ঘাট, কুয়ো ও ধর্মশালা তৈরি করে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে আধ্যাত্মিক ও মানসিকভাবে এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। আজকের পরিভাষায় যাকে ‘সাংস্কৃতিক পরিকাঠামো’ (Cultural Infrastructure) বলা হয়, অহল্যাবাইয়ের কাছে তা ছিল স্রেফ ‘ধর্ম ও কর্তব্য’।

    নারী ক্ষমতায়নে এক অনন্য মডেল

    আধুনিক ভারতের তরুণী ও নারীদের জন্য অহল্যাবাই হোলকারের (Ahilyabai Holkar) জীবন এক মস্ত বড় অনুপ্রেরণা। তিনি দেখিয়েছিলেন যে, নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কাউকে নিজের সহজাত মানবিক গুণাবলি বা কোমলতা বিসর্জন দিতে হয় না। তাঁর করুণা তাঁকে দুর্বল করেনি এবং তাঁর আধ্যাত্মিকতা তাঁকে কর্মবিমুখ করেনি। তিনি একই সঙ্গে ছিলেন প্রশাসনিকভাবে আধুনিক, রণকৌশলে পারদর্শী এবং সনাতন ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আস্থাশীল। তাঁর শ্বশুর মলহার রাও হোলকার যেভাবে তাঁর ভেতরের প্রতিভাকে চিনে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তা আজকের কর্পোরেট জগত বা পারিবারিক ব্যবস্থার জন্যও একটি বড় শিক্ষা। তাঁর জন্মদিনে (Birth Anniversary) আধুনিক ভারতীয় নারী সমাজকে ভালো করে জানাশোনা দরকার।

    ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে অহল্যাবাইয়ের প্রাসঙ্গিকতা

    আজ ২০৪৬-৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ (Viktis Bharat) গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোনোর সময়েও অহল্যাবাইয়ের নীতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রযুক্তি বা উন্নয়ন যেন মানুষের চেয়ে বড় না হয়ে ওঠে। উন্নয়ন যেন সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষটির কাছেও পৌঁছায়।

    যদি অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) আজ আমাদের মাঝে থাকতেন, তবে তিনি নিশ্চয়ই জানতে চাইতেন— প্রযুক্তি কি মানুষের জীবনের অস্থিরতা বাড়াচ্ছে, নাকি সমাজের সেবা করছে? এআই (AI) কি মানুষের কর্মসংস্থান কেড়ে নিচ্ছে, নাকি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করছে?

    প্রায় তিন শতাব্দী পরেও পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকার (Ahilyabai Holkar) আমাদের কাছে দূর অতীতের কোনও চরিত্র নন, বরং এক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আদর্শ। তাঁর দেখানো পথ আমাদের মনে করিয়ে দেয় — ক্ষমতা যখন জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে এবং উন্নয়ন যখন মানবিক রূপ পায়, একমাত্র তখনই একটি সভ্যতা দীর্ঘকাল টিকে থাকে এবং বিশ্বমঞ্চে স্বমহিমায় মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে।

  • Hindu Youth killed: গাজিয়াবাদে ‘বকরিদ পার্টি’র নামে ডেকে নিয়ে হিন্দু যুবককে ছুরি মেরে খুনের অভিযোগ, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা

    Hindu Youth killed: গাজিয়াবাদে ‘বকরিদ পার্টি’র নামে ডেকে নিয়ে হিন্দু যুবককে ছুরি মেরে খুনের অভিযোগ, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গাজিয়াবাদের খোড়া এলাকায় এক ১৭ বছর বয়সী হিন্দু যুবক (Hindu Youth killed) সূর্য চৌহানকে তাঁর মুসলিম পরিচিতরা বকরিদ উৎসবের কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছুরি মেরে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ মে সন্ধ্যার সময় খোড়া থানার অন্তর্গত নবনীত বিহার কলোনিতে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে।

    বকরিদ পার্টির নামে ডেকে নিয়ে হামলা (Hindu Youth killed)

    মৃত যুবকের ভাই যশ চৌহানের (Hindu Youth Surya Chauhan) দায়ের করা পুলিশ অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সূর্য তাঁর দুই বন্ধু ভিকি ও আয়ুশের সঙ্গে বাড়ির কাছাকাছি হাঁটছিলেন। সেই সময় তাঁর পরিচিত আসাদ নামের এক যুবক ফোন করে সূর্যকে বকরিদ উদযাপনের জন্য ২ নম্বর গলির কাছে আসতে বলে। আসাদের কথামতো সূর্য ও তাঁর বন্ধুরা একটি কলার গুদামের (Uttar Pradesh) কাছে পৌঁছালে, সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল নবাব, ফারহান, আতিফ এবং সারিক।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, হামলার ঠিক আগে অভিযুক্তরা সূর্যকে জিজ্ঞাসা করে, “তুই কখনো ছাগল কোরবানি দিতে দেখেছিস?” সূর্য তাদের সঙ্গে যেতে অস্বীকার করলে দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তর্কাতর্কির মাঝেই হঠাৎ ধারালো ছুরি নিয়ে সূর্যের ওপর চড়াও হয় অভিযুক্তরা।

    রক্তাক্ত অবস্থাতেই বাঁচার জন্য দৌড়

    পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আক্রমণকারীরা প্রথমে সূর্যের পেটে ছুরি মারে। পেটে ছুরিবিদ্ধ অবস্থাতেই প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ২০০ মিটার দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন সূর্য। কিন্তু অভিযুক্তরা তাঁর পিছু ধাওয়া করে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং শরীর থেকে ছুরিটি টেনে বের করে আরও কয়েকবার কোপ মারে। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় তারা।

    চিৎকার ও গোলমাল শুনে সূর্যের মা (Hindu Youth killed) এবং ভাই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে নয়ডার (Uttar Pradesh) সেক্টর ৬২-র ফোর্টিস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ মে দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    পুলিশি তৎপরতা ও এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি

    প্রাথমিকভাবে পুলিশ খুনের চেষ্টার (Attempt to murder) মামলা রুজু করলেও, সূর্যের মৃত্যুর পর তা খুনের মামলায় (Murder case) রূপান্তরিত করা হয়েছে। ইন্দিরাপুরমের  (Uttar Pradesh) এসিপি অভিষেক শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে মূল অভিযুক্ত আসাদ এখনও পলাতক এবং তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা খোড়া থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং সমস্ত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LinkedIn
Share