Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) আদিবাসীদের ওপর কোনওভাবেই প্রভাব ফেলবে না। একই সঙ্গে তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে ছড়ানো ‘ষড়যন্ত্র’ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) শাসিত যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়কে এর আওতার বাইরে রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সংস্থান রেখেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।”

    দিল্লিতে ভগবান বিরসা মুণ্ডার ১৫০ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে আরএসএস ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাজার হাজার আদিবাসী বনবাসী এবং জনজাতি সমাজের মানুষ যোগদান করেন।

    ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’

    রবিবার দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে ভগবান বিরসা মুন্ডার সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’-এ বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিতশাহ (Amit Shah) বলেন, “বর্তমানে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কারণে আদিবাসী সম্প্রদায় তাঁদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব রীতিনীতি অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। আজ এই মঞ্চ থেকে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কোনও ধারাই আদিবাসী সম্প্রদায় বা বনবাসী সমাজের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হবে না।”

    প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় পাবেন না 

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “যেসব রাজ্যে বিজেপি সরকার ইউসিসি (UCC) চালু করেছে, সেখানে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যাতে সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায় এর আওতার বাইরে থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদিবাসী সমাজকে এই প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানান এবং গ্রাম ও বনাঞ্চলে এই বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আপিল করেন।”

    বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টাকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আমি বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বলতে চাই যে, ইউসিসি (UCC) কোনও আদিবাসী বা বনবাসী ভাই-বোনের ঐতিহ্য ও রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। এই বার্তা প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি অঞ্চলে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে পৌঁছে দিন এবং প্রতিটি আদিবাসী সম্প্রদায়কে সচেতন করুন যে ইউসিসি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।” ‘জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ অংশ নেন।

    নকশালবাদের অবসান ও উন্নয়ন

    নকশালবাদ প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মোদি সরকার গত পাঁচ দশক পুরোনো এই অভিশাপকে নির্মূল করেছে এবং বর্তমানে দেশ নকশাল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার পথে। আজ আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই মহাসমাবেশে আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, আমাদের দেশ নকশাল সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা হিংসার মাধ্যমে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল, তাদের কারণে প্রায় ৪০,০০০ আদিবাসী মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এখন সেই সংকট থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসেছি। এখন পাহাড়, জঙ্গল ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উন্নয়নের সময় এসেছে।” উল্লেখ্য দিল্লিতে আরএসএস (RSS)-এর সহযোগী সংগঠনগুলির দ্বারা আয়োজিত এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    আদিবাসী কল্যাণ ও বাজেট বরাদ্দ

    আদিবাসী কল্যাণে বরাদ্দের খতিয়ান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলিকে আক্রমণ করেন। মোদি সরকার আদিবাসী সমাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আগে আদিবাসী কল্যাণের মোট বাজেট ছিল মাত্র ২৮,০০০ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদিজি তা বাড়িয়ে ১.৫ লাখ কোটি টাকা করেছেন।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রথম পৃথক আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক (Ministry of Tribal Affairs) গঠন করেছিলেন এবং আদিবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৃতিত্ব বিজেপিরই প্রাপ্য।”

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ

    দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দ্রৌপদী মুর্মুর নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এটি আদিবাসী সমাজের জন্য সর্বোচ্চ স্তরে সম্মান ও প্রতিনিধিত্ব বয়ে এনেছে। স্বাধীনতার ৭৬ বছরে কোনও আদিবাসী ব্যক্তিত্ব দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসেননি। নরেন্দ্র মোদিজি একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের নারী, দ্রৌপদী মুর্মুজিকে রাষ্ট্রপতি পদে উন্নীত করে সমগ্র আদিবাসী সমাজকে সম্মানিত করেছেন।”

  • India-US Relation: ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের কড়া নিন্দা! জয়শঙ্কর-ডোভালের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল বৈঠক রুবিওর

    India-US Relation: ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের কড়া নিন্দা! জয়শঙ্কর-ডোভালের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল বৈঠক রুবিওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সফররত মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) রবিবার ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “কিছু বোকা মানুষের মন্তব্য” কখনও আমেরিকার (India-US Relation) প্রকৃত চরিত্রকে তুলে ধরে না। তিনি স্পষ্ট করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিশ্বের অন্যতম অভিবাসীবান্ধব দেশ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো বিদ্বেষমূলক মন্তব্যকে গোটা দেশের মানসিকতা বলে মনে করা উচিত নয়। নয়াদিল্লিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S. Jaishankar) সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে রুবিওকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, “মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময়ে বোকা কথা বলে। এগুলোর অনেকই ট্রোল বা বট অ্যাকাউন্ট থেকেও হতে পারে।”

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদির বড় ভক্ত

    রুবিও আরও বলেন, “এটা শুধু আমেরিকার সমস্যা নয়। বিশ্বের সব দেশেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ খারাপ বা দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করে থাকে। কিন্তু কয়েকজনের বক্তব্য দিয়ে পুরো আমেরিকাকে বিচার করা ঠিক নয়।” তিনি জোর দিয়ে জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিভিন্ন দেশের মানুষের জন্য উন্মুক্ত একটি দেশ। একইসঙ্গে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের দৃঢ়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রুবিও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ভারতের প্রতি অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। রুবিও বলেন, “প্রেসিডেন্ট ভারতকে ভালোবাসেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির বড় ভক্ত। যদি তিনি ভারতকে গুরুত্ব না দিতেন, তাহলে আমাকে এখানে পাঠাতেন না।”

    ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন মার্কো রুবিও। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, পরমাণু সহযোগিতা এবং মাদক পাচার রুখতে দুই দেশের যৌথ পদক্ষেপের মতো একগুচ্ছ বিষয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে একটি যৌথ সংবাদিক সম্মেলনও করেন তাঁরা। সেখানেই চিন ও ভারত সফরের তুলনা করতে গিয়ে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী বলেন, দুই দেশই গুরুত্বপূর্ণ, তবে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। তাঁর কথায়, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। এটি একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র এবং আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার।”

    পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন!

    এদিকে সাংবাদিক বৈঠকে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার সম্ভাবনা নিয়ে ভারত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কি না জানতে চাওয়া হলে রুবিও জানান, বৈঠকে এই বিষয়টি ওঠেনি। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, পাকিস্তানের মাটি থেকে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলিকে নিয়ে ভারতের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। রুবিও বলেন, “ভারত বরাবরই বলে এসেছে যে পাকিস্তানের ভূখণ্ড থেকে সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন ভারতে হামলা চালায়। সেই উদ্বেগ তাদের সবসময়ই রয়েছে।”

    অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক

    রবিবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভালের সঙ্গেও এক মেগা বৈঠকে বসেন মার্কিন বিদেশ সচিব। উল্লেখ্য, রুবিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিব হওয়ার পাশাপাশি সে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার (NSA) দায়িত্বেও রয়েছেন। ফলে দুই দেশের দুই শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধানের এই বৈঠক আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ এই বৈঠকের কথা জানিয়ে লিখেছে, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ‘কমপ্রিহেনসিভ গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ বা ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    দুই দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘ট্রাস্ট’ (TRUST বা Transforming the Relationship Utilising Strategic Technology) উদ্যোগ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওয়াশিংটন সফরের সময় এই বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়েছিল। সমগ্র এই প্রকল্পটির তদারকি সরাসরি দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের (অজিত ডোভাল ও মার্ক রুবিও) অফিস থেকে করা হচ্ছে। এর অধীনে ভারত ও আমেরিকা যৌথভাবে বেশ কয়েকটি অত্যন্ত আধুনিক ও সংবেদনশীল ক্ষেত্রে কাজ করছে:

    • ● সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI): দুই দেশের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন এবং এআই প্রযুক্তির আদানপ্রদান।
    • ● কোয়ান্টাম টেকনোলজি ও মহাকাশ: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং স্পেস বা মহাকাশ গবেষণায় যৌথ কোলাবোরেশন।
    • ● গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বায়োটেকনোলজি: ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ সরবরাহ এবং জৈবপ্রযুক্তি।
    • ● এআই ইনফ্রাস্ট্রাকচার রোডম্যাপ: এই প্রকল্পের একটি বড় অংশ হলো ভারতে মার্কিন প্রযুক্তির এআই সিস্টেমের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

    নজরে ইন্দো-প্যাসিফিক ও সন্ত্রাসবাদ দমন

    বৈঠকের পর ভারতের মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকেও এক্স-এ এক পোস্টে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। আমেরিকার তরফে বলা হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কাউন্টার-টেররিজম বা সন্ত্রাসবাদ দমন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক (Indo-Pacific) বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দুই দেশের কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে। বৈশ্বিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই করার বিষয়ে দুই এনএসএ-ই নিজেদের আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। চার দিনের ভারত সফরে আসা মার্কিন বিদেশসচিবের এই সফরের আসল ক্লাইম্যাক্স এখনও বাকি। আগামিকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বহুল চর্চিত ‘কোয়াড’ (QUAD Foreign Ministers’ Meeting) ভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সভাপতিত্বে এই মেগা সম্মেলনে যোগ দিতে চলেছেন আমেরিকার মার্কো রুবিও ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের বিদেশমন্ত্রীরা।

  • 114 Rafale Jets: ১১৪ রাফালের জন্য আবেদনের পথে ভারত! শীঘ্রই ফ্রান্সে পাঠানো হবে ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’

    114 Rafale Jets: ১১৪ রাফালের জন্য আবেদনের পথে ভারত! শীঘ্রই ফ্রান্সে পাঠানো হবে ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় যুদ্ধবিমান চুক্তির পথে এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি অত্যাধুনিক রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাবে ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’ (LoR) চূড়ান্ত করেছে কেন্দ্র। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা ফ্রান্স সরকারের কাছে পাঠানো হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) প্রকল্পের অধীনে সরকার-টু-সরকার চুক্তির মাধ্যমে এই বিপুল প্রতিরক্ষা ক্রয় সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    কী এই ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’?

    প্রতিরক্ষা ক্রয়ের ক্ষেত্রে ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’ বা এলওআর হল একটি আনুষ্ঠানিক নথি, যার মাধ্যমে ক্রেতা দেশ বিক্রেতা দেশের সরকারকে জানায় তারা কত সংখ্যক যুদ্ধাস্ত্র বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনতে চায় এবং তার প্রযুক্তিগত ও অপারেশনাল চাহিদা কী। ভারতের পাঠানো এলওআর-এর ভিত্তিতে ফ্রান্স সম্ভাব্য মূল্য, সরবরাহের সময়সূচি, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য পাঠাবে। তারপর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল’ (RFP) জারি করে বাণিজ্যিক আলোচনা শুরু করবে।

    ভারতে তৈরি হবে অধিকাংশ রাফাল

    প্রস্তাবিত ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রায় ৯০টি ভারতেই তৈরি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ফরাসি সংস্থা ‘দাসো’র সঙ্গে একটি ভারতীয় সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এই উৎপাদন হবে। বাকি বিমানগুলি ফ্রান্স থেকে সরাসরি ‘ফ্লাই-অ্যাওয়ে’ অবস্থায় সরবরাহ করা হবে। এই প্রকল্পে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দেশীয় উপাদান ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে বড়সড় অগ্রগতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বছরের শেষেই চুক্তি সইয়ের লক্ষ্য

    সূত্রের খবর, চলতি বছরের শেষের মধ্যেই চূড়ান্ত চুক্তি সই করতে চাইছে কেন্দ্র। তবে তার আগে প্রয়োজন হবে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি বা সিসিএস-এর অনুমোদন। ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের উচ্চপর্যায়ের কমিটি ডিফেন্স অ্যাকুইডিশন কাউন্সিল (DAC) এই প্রস্তাবকে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া আগামী মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এপি সিংয়ের ফ্রান্স সফর এবং জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সম্ভাব্য ফ্রান্স সফরকে ঘিরেও এই প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    ইতিমধ্যেই ৩৫টি রাফাল ব্যবহার করছে ভারত

    ভারতীয় বায়ুসেনা বর্তমানে ৩৫টি রাফাল যুদ্ধবিমান পরিচালনা করছে, যা পূর্ববর্তী ভারত-ফ্রান্স চুক্তির অধীনে কেনা হয়েছিল। অন্যদিকে, ভারতীয় নৌবাহিনীও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ২৬টি রাফাল-এম (Rafale Marine) যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে, যা বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালিত হবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একই প্ল্যাটফর্মের আরও রাফাল অন্তর্ভুক্ত হলে প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, অস্ত্র সংযোজন এবং লজিস্টিক খরচ অনেকটাই কমবে। কারণ ইতিমধ্যেই রাফাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ভারতীয় বাহিনীর হাতে রয়েছে।

    ভারতীয় অস্ত্র সংযোজনের চেষ্টা

    ভারত বর্তমানে ফ্রান্সের সঙ্গে ইন্টারফেস কনট্রোল ডকুমেন্ট, সংক্ষেপে আইসিডি (ICD) নিয়ে আলোচনা করছে। এই প্রযুক্তিগত নথি হাতে এলে ভারতীয় অস্ত্র ব্যবস্থা যেমন অ্যাস্ট্রা (Astra) ক্ষেপণাস্ত্র এবং ভবিষ্যতের ব্রহ্মোস-এনজি (BrahMos-NG) মিসাইল রাফাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। এটি সফল হলে রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতীয় প্রতিরক্ষা চাহিদা অনুযায়ী আরও আধুনিক ও কার্যকর হয়ে উঠবে।

    কেন জরুরি এই চুক্তি?

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ২৯-এ, যেখানে অনুমোদিত সংখ্যা ৪২। ফলে যুদ্ধ প্রস্তুতিতে বড়সড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন রাফাল যুদ্ধবিমান বায়ুসেনার ক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিশেষ করে দেশীয় প্রকল্প যেমন হ্যাল-এর তেজসের মার্ক-১এ (Tejas Mk1A), মার্ক-২ (Tejas Mk2) সংস্করণ এবং পঞ্চম প্রজন্মের অ্যামকা (AMCA) সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হতে আরও অনেক সময় লাগবে। অ্যামকা পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান ২০৩৫ সালের পর পরিষেবায় আসতে পারে বলে অনুমান।

    রাশিয়ার সু-৫৭ জেটও বিবেচনায়

    অন্তর্বর্তী সময়ে ভারত বিদেশি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়েও ভাবনাচিন্তা করছে। তার মধ্যে রাশিয়ার সুখোই সু-৫৭ (Sukhoi Su-57) স্টেলথ ফাইটারের নামও উঠে এসেছে। তবে আপাতত রাফাল এফ-৪ সংস্করণই ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান পছন্দ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

    চুক্তির সম্ভাব্য মূল্য কত?

    ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছিল, ১১৪টি রাফাল এফ-৪ (Rafale F4) মাল্টিরোল ফাইটার কেনার জন্য প্রায় ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার সরকার-টু-সরকার চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। মার্কিন ডলারে যার মূল্য প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। চুক্তি চূড়ান্ত হলে এটিই হবে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় যুদ্ধবিমান ক্রয়।

  • Donald Trump: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় ভক্ত”, লাইভ ফোন কলে বললেন ট্রাম্প, হঠাৎ কী হল ‘পোটাস’-এর?

    Donald Trump: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় ভক্ত”, লাইভ ফোন কলে বললেন ট্রাম্প, হঠাৎ কী হল ‘পোটাস’-এর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বড় ভক্ত”। কথাগুলি বললেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে সরাসরি নয়, ফোনে। ঘটনাটি খুলেই বলা যাক। বর্তমানে ভারত সফর করছেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। কলকাতা সফর সেরে তিনি গিয়েছেন দিল্লিতে। সেখানেই মার্কিন স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানে লাইভ ফোন কলে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উপস্থিত ছিলেন রুবিও-ও। এই অনুষ্ঠানেই ট্রাম্পের মুখে শোনা গেল মোদি-প্রশস্তি। ট্রাম্প বলেন, “সার্জিও, আপনাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধি হতে হবে। তবে আমি সবাইকে শুধু শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ। তিনি আমার বন্ধু।”

    ‘আমি মোদির বড় ভক্ত’ (Donald Trump)

    অনুষ্ঠানস্থলে দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছিল এক বিশাল স্ক্রিন। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন গর এবং রুবিও। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনও এত ঘনিষ্ঠ ছিল না। ভারত শতভাগ আমার এবং আমাদের দেশের ওপর ভরসা করতে পারে। যদি তাদের কোনও সাহায্য লাগে, তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে। তারা এখানেই ফোন করবে। আমরা খুব ভালো করছি। আমরা একের পর এক রেকর্ড গড়ছি।” তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি রেকর্ড পর্যায়ে, শেয়ার বাজারও রেকর্ড উচ্চতায়। ভারত যা চাইবে, তা-ই পাবে। আর আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন বড়, খুব বড় ভক্ত।”

    মোদিকে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ

    রুবিওর প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “তিনি (রুবিও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা বিদেশসচিব হিসেবে পরিচিত হবেন। যখন আপনার সঙ্গে মার্কো এবং সার্জিওর মতো মানুষ থাকেন, তখন আপনি বড় ধরনের কাজই পাবেন।” তিনি বলেন,
    “আমি জানি আপনি আমাদের ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সবাই সন্ধেটা উপভোগ করুন। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানো আমার কাছে সম্মানের। আর তাঁকে জানিয়ে দিন যে, আমি তাঁর বড় ভক্ত।” শনিবার সার্জিও, ট্রাম্পের (Donald Trump) পক্ষ থেকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণও জানান।

    দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি

    প্রসঙ্গত, রুবিওর ভারত সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন আমেরিকায় বড় ধরনের অভিবাসন নীতির পরিবর্তন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে (PM Modi)। নয়া নীতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসরত বহু অভিবাসীকে দেশ ছেড়ে নিজ দেশের বাইরে থেকে ফের একবার গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে রুবিও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে, যা উভয় দেশের পক্ষেই উপকারী, স্থিতিশীল এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।” রুবিও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও বৈঠক করেন। উভয় পক্ষের এই আলোচনায় (Donald Trump) বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মতো বিষয়ও উঠে এসেছিল।

    ভারত প্রধান বাণিজ্য অংশীদার

    বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর এই সফরের উদ্দেশ্য হল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আস্থা আরও জোরদার করা এবং একটি বিস্তৃত বাণিজ্য কাঠামোর আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। রুবিও বলেন, “এটি ভারতের বিরুদ্ধে কিছু নয়।” তাঁর মতে, বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের ঐতিহ্যগত মিত্রদের সঙ্গেও একই ধরনের আলোচনা করছে। তিনি বলেন, “ভারত একটি বিশাল অর্থনীতি এবং আমাদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। ভারতের সঙ্গে আমাদের বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য রয়েছে (PM Modi)। এত বড় অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্যের ভারসাম্য পুনর্গঠন করাও স্বাভাবিকভাবেই ভিন্ন ধরনের বিষয় (Donald Trump)।”

     

  • Assam Assembly: অসম বিধানসভায় ইতিহাস, সংস্কৃত ও ৩ জনজাতি ভাষার শপথে উঠে এল ‘বৈচিত্র্যের ভারত’

    Assam Assembly: অসম বিধানসভায় ইতিহাস, সংস্কৃত ও ৩ জনজাতি ভাষার শপথে উঠে এল ‘বৈচিত্র্যের ভারত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬তম অসম বিধানসভার (Assam Assembly) প্রথম অধিবেশনেই তৈরি হল ইতিহাস। ২১ মে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা হয়ে উঠেছিল অসম ও ভারতের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক বিরল প্রতিচ্ছবি। এদিন মোট ১২৪ জন বিধায়ক ৯টি ভিন্ন ভাষায় শপথ নেন। এর মধ্যে কয়েকটি ভাষা এই প্রথম কোনও ভারতীয় বিধানসভার অন্দরমহলে শোনা গেল। ফলে দিনটি অসমের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে

    সংস্কৃতে শপথ নিলেন বিধায়করা

    সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে সংস্কৃত ভাষায় শপথগ্রহণ। বিজেপি-এনডিএ জোটের ১৭ জন বিধায়ক সংস্কৃতে শপথ নেন, যা অসম বিধানসভার ইতিহাসে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রাক্তন স্পিকার বিশ্বজিৎ দইমারি, বিজেপি নেতা বিমল বরা, জয়ন্ত মল্ল বরুয়া, ভবেশ কলিতা, ডঃ মৃদুল কুমার দত্ত, এজিপি নেতা পৃথ্বীরাজ রাভা-সহ একাধিক বিধায়ক সংস্কৃতকে বেছে নেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধায়কদের একযোগে সংস্কৃত ভাষা বেছে নেওয়া ছিল এক ধরনের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত ঐক্যের বার্তা।

    জনজাতি ভাষার ব্যবহার

    এই অধিবেশনের সবচেয়ে ঐতিহাসিক দিক ছিল তিনটি জনজাতি ভাষার ব্যবহার। প্রথমবার অসম বিধানসভায় কর্বি, রাজবংশী ও রাভা ভাষায় শপথ নেওয়া হয়। পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক কর্বি ভাষায়, তিনজন বিধায়ক রাজবংশী ভাষায় এবং একজন বিধায়ক রাভা ভাষায় শপথ নেন। এই ভাষাগুলি সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সরকারি স্বীকৃতিও সীমিত। তবু বিধানসভার ভিতরে এই ভাষাগুলির উচ্চারণ সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে এক বড় স্বীকৃতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভাষাভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী, ৭৫ জন বিধায়ক অসমিয়া ভাষায় শপথ নেন। ১৭ জন সংস্কৃতে, ৯ জন বাংলায়, ৮ জন বোড়ো ভাষায়, ৫ জন কর্বি ভাষায়, ৩ জন রাজবংশী ভাষায় শপথ নেন। এছাড়া ৪ জন ইংরেজিতে, ১ জন হিন্দিতে এবং ১ জন রাভা ভাষায় শপথ গ্রহণ করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, বিধায়কেরা যাতে নিজেদের সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ ভাষায় শপথ নিতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অতুল বোরা এবং প্রো-টেম স্পিকার চন্দ্রমোহন পাটোয়রি-র সঙ্গে আলোচনা করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “নিয়ম কখনও মানুষের ভাষা ও পরিচয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচিত নয়।”

  • PM Modi on Falta Repoll: ‘গণতন্ত্রের জয়, ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরাজয়’ ফলতায় রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পরে রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন মোদির

    PM Modi on Falta Repoll: ‘গণতন্ত্রের জয়, ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরাজয়’ ফলতায় রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পরে রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের (PM Modi on Falta Repoll) নির্বাচনে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। ফলতার এই ঐতিহাসিক ফলাফলের পর বিজেপি প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১,০৯,০২১ ভোটের বিশাল ব্যবধানে ফলতা বিজয়র পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদির বার্তা, “ফলতাবাসী নিজেদের রায় দিয়ে দিয়েছে! গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। ভয়ভীতি-হুমকি হেরে গিয়েছে।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির জন্য, বিকশিত বাংলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করলেন রাজ্যবাসীর কাছে।

    অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাব

    ফলতায় বিজেপি প্রার্থীর জয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ফলতা থেকে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হওয়ার জন্য দেবাংশু পণ্ডাজিকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই জয় পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিজেপির প্রতি অটুট আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রতিফলন। রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অসাধারণ কাজ মানুষ প্রত্যক্ষ করছেন, আর সেই কারণেই তাঁরা আমাদের প্রতি আরও আশীর্বাদ ও সমর্থন জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির সকল কর্মী ও সমর্থকদের তাঁদের অসাধারণ পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জন্য আমার আন্তরিক অভিনন্দন। আগামী দিনেও আমরা পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।” নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার দু’সপ্তাহ পরেই এই নির্বাচন হয়েছে। রাজ্যের নতুন সরকার যে ইতিমধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে, তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীও। তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করে চলেছে, তা মানুষের নজর এড়ায়নি। এই কারণেই পশ্চিমবঙ্গবাসী আবার আমাদের আশীর্বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

    কেন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ফলতার ফল শুধু একটি বিধানসভা আসনে পুনর্নির্বাচনের ফল নয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেলের অন্যতম অংশ এই ফলতা। নির্বাচন কমিশন ফলতায় পুনর্নির্বাচন ঘোষণার পর অভিষেক বলেছিলেন, ‘দশ জন্মেও আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে দমাতে পারবে না। দিল্লি থেকে যত শক্তশালী, যাকে খুশি আনুন, ক্ষমতা থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাও।’ এই ফলতায় ভোটাররা বছরের পর বছর ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ ওঠে। চব্বিশের লোকসভা ভোটে এই ফলতায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন অভিষেক। সেই ফলতাতে বিজেপি প্রার্থীর লক্ষাধিক ভোটে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী বার্তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এ বারের নির্বাচনে যে বিজেপি জিতবে, তা প্রত্যাশিতই ছিল। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই ময়দান ছেড়েছেন। তবে বিজেপি যে এই বিপুল ব্যবধানে ফলতায় বিজয়ধ্বজা ওড়াবে, তা আগে থেকে অনুমান করতে পারেনি অনেকেই। ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জিতেছেন বিজেপির দেবাংশু পান্ডা। তৃণমূল সেখানে নেমে গিয়েছে চতুর্থ স্থানে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, এক ঝলকে সাপ্তাহিক সংবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১৭ থেকে ২৩ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ইসলামিক সংগঠনের দাবি (Hindus Under Attack)

    প্রায় ৪৮টি ইসলামিক সংগঠন ১৭ মে বেঙ্গালুরুর টাউন হলে একজোট হয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের কাছে সম্প্রদায়ভিত্তিক একাধিক দাবি পেশ করেছে। ঘটনায় কর্নাটকে সূত্রপাত হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কের। ফেডারেশন অফ কর্নাটক মুসলিম অর্গানাইজেশন্সের ব্যানারে আয়োজিত এই সম্মেলনে মুসলিমদের জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ, সংরক্ষণ কোটা পুনর্বহাল ও সম্প্রসারণ, ধর্মান্তর-বিরোধী ও গবাদি পশু জবাই সংক্রান্ত আইন বাতিল, এবং ইসলামিক সম্প্রদায়ের জন্য আরও বেশি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়। এইচআর অ্যান্ড সিই (HR&CE) প্রশাসনের অধীনস্থ রামেশ্বরমের অরুলমিগু রামনাথস্বামী মন্দিরে অভ্যন্তরীণ তদন্তে লাড্ডু প্রসাদম প্রস্তুতি, বিক্রি এবং বিনামূল্যে বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ছ’জন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমান, এর ফলে ৩.৪০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

    গাড়ি বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএর চার্জশিট

    দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট দাখিল করেছে। ওই ঘটনায় ১১ জন নিহত ও বহু মানুষ জখম হয়েছিলেন। এনআইএর চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ‘অপারেশন হেভেনলি হিন্দ’ নামে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভারতে শরিয়া শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের।মহারাষ্ট্রের মিরা রোড এলাকায় এক হিন্দু দম্পতির ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে (Hindus Under Attack)। অভিযোগ, ওলা-উবার চালক অজয় রাজেন্দ্র চৌধুরী এবং তাঁর বান্ধবী রোমা জয়ভগবান কাগদাকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বিবাদের জেরে হিলাল খানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি আক্রমণ করে। এফআইআর অনুযায়ী, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    মন্দির চত্বরের ভেতরে হিজাব পরে!

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলার ঐতিহাসিক বাদামি মন্দির কমপ্লেক্সে এক মুসলিম কর্মীকে মন্দির চত্বরের ভেতরে স্যান্ডেল ও হিজাব পরে দেখা যায়। ঘটনায় প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত হিন্দু ভক্ত ও পর্যটকদের আপত্তির পর ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ধর্মীয় রীতি ও উপাসনালয়ের মর্যাদা নিয়ে তীব্র জনমতও তৈরি হয় (Roundup Week)। মাদিকেরির কোদাগু জেলার হেরুর এলাকায়ও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এলাকার একটি আদিবাসী কলোনিতে নির্মিত একটি ভবন থেকে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপ চালানোর তোড়জোড় করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, তামিলনাড়ু থেকে একদল খ্রিস্টান ওই ভবনের উদ্বোধনে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানান। প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি মান্ডোডি জগন্নাথের নেতৃত্বে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ (Hindus Under Attack)।

    হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ

    পুনের ধানোরি এলাকার একটি ঘটনা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত জমি অবৈধভাবে দখল এবং আদালতের নির্দেশে পুনর্দখল ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা এটি। অভিযোগ, জনৈক ইলাহি শেখ প্রায় ১০ বছর ধরে এক হিন্দু মালিকানাধীন জমি দখল করে রেখেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জমির মালিক ফের জমির দখল নিতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। অভিযোগ, শেখ ও তাঁর দলবল ওই হিন্দু পরিবারের ওপর আক্রমণ চালায়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন

    বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত বলে দাবি করা হয়। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে অনেকে মনে করেন। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য প্রায়ই চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে অনেকেই (Roundup Week) এর উদাহরণ হিসেবে দেখান। আপাতভাবে এটি দূষণ সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ (Hindus Under Attack) এবং সেই নিষেধাজ্ঞার যুক্তির অভাব নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগও ওঠে।

     

  • Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Keralam) রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়ো আইএএস (IAS) পরিচয় ধারণ এবং জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। কেরল রাজ্য জনশিক্ষা অধিকর্তা (Director of Public Instruction – DPI) আসিফ কে ইউসুফের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে এই সংগঠন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে।

    নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট (Keralam)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেরল রাজ্য নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, আসিফ কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করে, এবং ভুয়ো নথির সাহায্যে নিজেকে আইএএস পরিচয় দিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ (Keralam) থেকে আরও অভিযোগ, এর আগেও ইউসুফের ওবিসি (OBC) নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। সেখানে তিনি নিজের পারিবারিক আয় গোপন করে কেন্দ্রীয় লোকসেবা আয়োগের (UPSC) সুবিধা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই এই ধরনের একজন ব্যক্তিকে কেন সরকারি পদে রাখা হবে?

    প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ?

    ভিএইচপি (VHP) নেতৃত্ব কেরল সরকারের সমালোচনা করে আরও জানিয়েছে, এই ধরনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পদে একজন বিতর্কিত এবং জালিয়াতিতে অভিযুক্ত আধিকারিককে বসিয়ে রাখা রাজ্যের প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। সংগঠনের হুঁশিয়ারি, যদি রাজ্য সরকার অবিলম্বে ওই কর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং তাঁকে পদ থেকে অপসারণ না করে, তাহলে তারা রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেরালার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কেরল (Keralam) রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে বাম শাসনের পতন ঘটিয়ে কংগ্রেস-ইউডিএফ জোট সরকার গড়েছে। রাজ্যে মুসলিম লীগের দল ক্ষমতায় আসতেই হিন্দুদের নানা ধর্মীয় আচার নিয়ে উসকানিমূলক কাজকর্ম শুরু হয়েছে বলেও দাবি ভিএইপির।

  • Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে চার দিনের ভারত সফরে এসেছেন আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও (Modi Rubio Meeting)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। শনিবার কলকাতা (Marco Rubio in India) থেকে ভারত সফর শুরু করলেন রুবিও। এদিন দুপুরে দিল্লি পৌঁছোন তিনি। রাজধানীতে নেমে সেবাতীর্থে মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসেন রুবিও। এক ঘণ্টার বেশি বৈঠক হয় দুই রাষ্ট্রনেতার। বৈঠক শেষে এক্স পোস্ট করে মোদি জানান কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে রুবিওর সঙ্গে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা

    রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স পোস্টে লেখেন, ‘‘আমরা ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। শুধু তা-ই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিও।’’রুবিওর এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি জানান, এই সফর কোনও সম্পর্ক মেরামতের উদ্দেশ্যে নয়। বরং দুই বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে যোগাযোগের প্রতিফলন। তিনি এ-ও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন। আসন্ন কোয়াড সম্মেলন নিয়েও আশাবাদী সার্জিও। তিনি জানান, ওই সম্মেলনে অনেক কিছু আলোচনার আছে। আশা করা যায়, ইতিবাচক ফলাফল বেরোবে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘দূরদৃষ্টির’ প্রশংসাও করেছেন সার্জিও।

    গত ১৪ বছরে এই প্রথম কলকাতায়

    শনিবার সকালে সস্ত্রীক কলকাতায় এসে পৌঁছোন রুবিও (Marco Rubio in India)। গত ১৪ বছরে এই প্রথম আমেরিকার কোনও বিদেশসচিব পশ্চিমবঙ্গে এলেন। শেষ বার কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব হিসাবে এসেছিলেন হিলারি ক্লিন্টন। ২০১২ সালে এই মে মাসেই তিনি কলকাতায় পা রাখেন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা চলে যান তালতলার মাদার হাউসে। সেখানে ঘণ্টাখানেক থাকার পর রুবিও যান নির্মলা শিশুভবনে। এর পর কলকাতা থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রুবিও। আগামী ২৬ মে পর্যন্ত রুবিও ভারতে থাকবেন। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দিল্লি ছাড়াও তাঁর আগরা, জয়পুরে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটে গিয়েছে। প্রথম বার এ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আমেরিকার বিদেশসচিবের এই কলকাতা সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    কোয়াড বৈঠকে অংশ

    শুধু কলকাতা নয়, পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে রুবিওর ভারত সফরের কূটনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় সমস্যার সমাধান এবং শান্তি স্থাপনের পক্ষে কথা বলেছে। হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি বলেও বার বার দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। উল্লেখ্য, ভারত সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ, ২৬ মে কোয়াডের বৈঠকে যোগ দেবেন রুবিও। তাঁর ভারত সফরে আসার অন্যতম উদ্দেশ্য ওই বৈঠক। কোয়াডের সদস্য দেশ অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং, জাপানের বিদেশমন্ত্রী মোটেগি তোশিমিৎসুর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও সেই বৈঠকে থাকবেন।

  • PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ১৯তম রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৫১ হাজারেরও বেশি প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোজগার মেলা যুবশক্তিকে নতুন সুযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ইউএই এবং ইতালিতে তাঁর সাম্প্রতিক সফর সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সবুজ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় যুবকদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, “নেদারল্যান্ডসে আমার সাম্প্রতিক সফরের সময় সেমিকন্ডাক্টর, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং উন্নত উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুইডেনে এআই ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে সহযোগিতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। নরওয়ে এবং ভারতের মধ্যে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আর ইউএই-এর সঙ্গে কৌশলগত, জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের প্রসঙ্গ

    তিনি আরও জানান, ভারত ও ইতালির মধ্যে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সমস্ত চুক্তি সরাসরি ভারতের যুবসমাজকে উপকৃত করবে।” সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ডাচ সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র নির্মাতা এএসএমএল (ASML) এবং টাটা গ্রুপের (Tata Group) অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন অংশীদার হয়ে উঠছে। এএসএমএল ও টাটার এই চুক্তি একটি বিরল অংশীদারিত্ব, যা অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ভারতের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির দরজা খুলে দেবে।”

    ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি

    তিনি জানান, সুইডেন ও ইউএই-এর সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বিশেষ করে এআই এবং সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে, ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রোজগার মেলা উদ্যোগের লক্ষ্য হল দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই উদ্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে আয়োজিত ১৮টি রোজগার মেলার মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি করা হয়েছে (PM Modi)। ১৯তম রোজগার মেলা (Rozgar Mela) দেশের ৪৭টি জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়। নবনিযুক্ত প্রার্থীরা ভারতের বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগে যোগ দেবেন, যার মধ্যে রয়েছে রেলমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইত্যাদি।

     

LinkedIn
Share