Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাচপ্যেচে গরমে (Weather Update) নাজেহাল বাঙালি। শহরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে। একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এই সময়ই সুখবর দিল হাওয়া অফিস। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করছে বর্ষা (Monsoon Forecast 2026)। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলে ২৬ মে ঢুকে যেতে পারে বর্ষা।

    দেশে কবে বর্ষার প্রবেশ

    এবছর ১৬ মে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঢুকেছিল বর্ষা ৷ আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অগ্রগতি হতে পারে কোমোরিন এলাকাতে। দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের বাকি এলাকা এবং পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরের এলাকাতে ঢুকবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

    বাংলায় কবে আসছেন বর্ষারানি

    কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের দিক দিয়ে প্রবেশ করে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে ৫ জুনের কাছাকাছি সময় লাগে এবং দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি পৌঁছাতে প্রায় ১০ জুন পর্যন্ত সময় গড়ায়। বাংলায় বর্ষা প্রবেশ না করলেও উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত।

    এল নিনোর প্রভাব দেশে

    দেশে সময়ের আগে বর্ষা প্রবেশ করলেও আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। ইতিমধ্যেই জৈষ্ঠ্যে চাঁদিফাটা রোদে জ্বলছে বঙ্গবাসী। সকাল থেকেই অস্বস্তিকর গরমে হাঁসফাঁস করছে কলকাতা সহ- দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Heatwave) একাধিক জেলা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। এই আবহে বর্ষাতেও যদি কম বৃষ্টি হয়, তাহলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হবে।

     

  • PM Modi: ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রিসভার রদবদল! প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক দিল্লিতে

    PM Modi: ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রিসভার রদবদল! প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক দিল্লিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই দিল্লির ‘সেবা তীর্থে’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে। এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীরা। চলতি বছরে এটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইতালি— পাঁচ দেশে ছয় দিনের সফর শেষে এই বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ৷

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক

    বিদেশ সফর শেষ করে এদিন দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশে ফিরেই তিনি বৈঠকে যোগ দেন। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ইস্যু, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং তার প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যকে। শুধু পূর্ণমন্ত্রী নন, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদেরও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। এমনকি বিভিন্ন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা হয়।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম এবং আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রেও পড়তে পারে। ফলে কেন্দ্র সরকার এই বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় বলে সূত্রের খবর অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে যে, কিছু নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ এবং বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক অবস্থান বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিও এই মুহূর্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলা থেকে কাউকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

  • NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নিট ইউজি (NEET UG) রি-এক্সামিনেশনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জাল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন (Re Exam)। এই চ্যানেলগুলি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী জানান, সেফ, সিকিওর এবং ফেয়ার কনডাক্ট (safe, secure and fair conduct) নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতা ও নিখুঁত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি (NEET UG)

    জানা গিয়েছে, বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের প্রবীণ আধিকারিক এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র ডিরেক্টর জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। আগে থেকেই সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করে সময়মতো যাতে ঠিকঠাক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাই এই বৈঠক। মেটা, গুগল এবং টেলিগ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আর একটি বৈঠকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধিকারিকরা জানান, পরীক্ষার আগে অনেক টেলিগ্রাম চ্যানেলস ও অনলাইন গ্রুপ অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ক্লিকবেট কনটেন্ট (clickbait content) এবং যাচাই না করেই বিভিন্ন ইনফর্মেশন ছড়িয়ে দেয়। এক আধিকারিক বলেন, “এমন অনেক লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের অটোমেটেড বটস (automated bots) এবং ভুয়ো গ্রুপে নিয়ে যায়, যেগুলি পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায় (NEET UG)।”

    সন্দেহজনক চ্যানেল নিয়ে ব্যবস্থা

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক সন্দেহজনক চ্যানেল সীমিত সংখ্যক ফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি সংগঠিত ও সমন্বিত কার্যকলাপের ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরীক্ষার আগে ভুয়ো তথ্য ও প্রচার চালানো চ্যানেলগুলিকে চিহ্নিত করে ব্লক করতে হবে। মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে শিক্ষামন্ত্রক, এনটিএ এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দ্রুত ভুয়ো তথ্য রোধ করা যায় এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে রক্ষা করা এবং পরীক্ষার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখাই সরকারের সর্বোচ্চ (Re Exam) অগ্রাধিকার।” প্রসঙ্গত, ৩ মে হয়েছিল নিট ইউজি (NEET UG) ২০২৬ এর পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ (NTA)। অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। বাতিল হওয়া ওই পরীক্ষাই ফের হওয়ার কথা ২১ জুন।

     

  • Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে জাঁকিয়ে বসা তীব্র দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের (Weather Update) কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে বুধবার দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা (Peak Power Demand) রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াট (GW)। এই নিয়ে টানা তিন দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (Rising Temperature) চাহিদা পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই গ্রিড সফলভাবে এই সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর (IMD) সতর্ক করেছে যে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

    টানা তিন দিনের রেকর্ডের খতিয়ান (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের ব্যবহারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এসি (Air Conditioner), কুলার এবং রেফ্রিজারেটরের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই চাহিদাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে:

    • ● সোমবার (১৮ মে): বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁয়েছিল ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াট।
    • ● মঙ্গলবার (১৯ মে): আগেরর রেকর্ড ভেঙে চাহিদা পৌঁছায় ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে।
    • ● বুধবার (২০ মে): সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে এক লাফে প্রায় ৫ গিগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাঁড়ায় ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটে।

    এর আগে গত ২৫ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৫৬.১১ গিগাওয়াট। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে চতুর্থবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ (Rising Temperature) চাহিদার নতুন রেকর্ড তৈরি হল।

    গ্রিড ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটের এই বিশাল চাহিদা সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চাহিদার সিংহভাগ বা প্রায় ৬১.২% মেটানো হয়েছে তাপবিদ্যুৎ (Thermal Power) থেকে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ২১.৫%, বায়ুবিদ্যুৎ ৬.৫%, জলবিদ্যুৎ ৬.৩% এবং পারমাণবিক শক্তি থেকে ২.৬% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি মরসুমে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুতের (Rising Temperature) চাহিদা ২৭১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র সর্বোচ্চ ২৮০ গিগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা সামলানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    আইএমডি (IMD) জানিয়েছে, দেশের একাধিক অংশে, বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heatwave) অব্যাহত থাকবে। দিল্লির জন্য ইতিমধ্যেই ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update) ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা (Rising Temperatur) কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে দুপুরের পাশাপাশি রাতের দিকেও বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতের প্রমাণ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ-র তরফে দাবি করা হয়েছে, গোটা হামলার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ এবং জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া—সবকিছুই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-এর সক্রিয় ভূমিকার তথ্যও।

    লাহোরে বসে হামলাকারীদের নির্দেশ দিচ্ছিল জঙ্গি-নেতা সইফুল্লাহ্

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে হামলার নেপথ্য মূলচক্রী হিসেবে কাজ করছিল সইফুল্লাহ্ ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’। সে লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-এর শীর্ষ জঙ্গি-নেতা। চার্জশিট অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের সঙ্গে সে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং রিয়েল-টাইমে অবস্থান, চলাচলের পথ, লুকিয়ে থাকার জায়গা ও পালানোর রুট সংক্রান্ত তথ্য পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামলার আগে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান থেকে তিন জঙ্গি— ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোটু এবং হামজা আফগানিকে— বৈসরণ উপত্যকা ও আশপাশের এলাকায় রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা পর্যটকদের আনাগোনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হামলার সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখে। এরপর হামলার দিন লাহৌর থেকেই সইফুল্লাহ্ জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে হামলা পরিচালনা করে।

    পাকিস্তানের “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে দিল এনআইএ

    এনআইএ-র তদন্তে পাকিস্তানের তথাকথিত “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে গিয়েছে। হামলার পরপরই ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে টিআরএফ হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র নিন্দা শুরু হলে এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হামলার নিন্দা জানালে সংগঠনটি নিজেদের অবস্থান বদলায়। পরে দাবি করা হয়, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি নাকি “হ্যাক” হয়েছিল এবং হামলার সঙ্গে টিআরএফ-এর কোনও যোগ নেই। তবে এনআইএ-র প্রযুক্তিগত তদন্তে উঠে এসেছে, ‘কাশ্মীর ফাইট’ টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে পরিচালিত হত। এছাড়া ‘TheResistanceFront_OfFcial’ নামে আরেকটি চ্যানেল রাওয়ালপিন্ডি থেকে চালানো হত বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এবং হামলার দায় এড়াতে লস্কর ও টিআরএফ যৌথভাবে এই ভুয়ো প্রচার চালায়।

    নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অন্তত দুটি মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এনআইএ জানিয়েছে, একটি ফোন অনলাইনে কেনা হয়েছিল এবং সেটি লাহোরের কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। অন্য ফোনটি কেনা হয়েছিল করাচির শাহরা এলাকা থেকে। এই তথ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় দুই বাসিন্দা— পারভেজ এবং বশির আহমেদ— পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আশ্রয় দেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং পালানোর পথ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রত্যাঘাত ভারতের

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্করের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। গ্লাইড বোমা, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে বহু জঙ্গি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এনআইএ-র দাবি, এই চার্জশিটে থাকা তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ, যোগাযোগের নথি এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ফরেন্সিক বিশ্লেষণ পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পুরনো কৌশলই আবারও সামনে এল পহেলগাঁও হামলার ঘটনায়।

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এ সংশোধন এনে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা যেসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নিজের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণা করা (CAA) বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি (CAA)

    সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে (Passport), আবেদনকারীদের এখন ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের কাছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারের জারি করা বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনও পাসপোর্ট নেই। যদি কোনও আবেদনকারীর কাছে বর্তমানে সচল পাসপোর্ট থাকেও, তবে তাঁকে পাসপোর্ট নম্বর, কোথায়, কবে ইস্যু হয়েছে, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ-সহ সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।

    আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র

    সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে এই মর্মে যে, নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা তাঁদের বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট বা সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্টের কাছে জমা দেবেন। নয়া এই বিধানটি নাগরিকত্ব বিধির সিডিউল আইসি (Schedule IC)-এর পরে সংযোজন করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ভুক্ত নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন (CAA)। এই পদক্ষেপটি সিএএ (Citizenship Amendment Act, 2019)-এ কার্যকর করতে করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা (CAA) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ (Passport) পাবেন।

    নাগরিকত্ব বিধির প্রথম বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিধি (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রথমে জারি হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে। সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ১১ মার্চ, ২০২৪ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়েছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA)। আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে পড়ে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের স্বস্তি দেওয়াই এই আইনের উদ্দেশ্য। তিনি এও জানিয়েছিলেন, এই আইন ভারতের কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয় (Passport)। ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

    অমিত শাহের দাবি

    শাহ বলেছিলেন, এই আইনে যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, তা ভারতে প্রবেশের তারিখ ও বছর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব অভিবাসীদের পাসপোর্ট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে (Passport) সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তাই বহু মানুষ ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন (CAA)।

     

  • PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তারপর থেকে আর বড় কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (G7 Summit) মুখোমুখি হওয়া হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার। এবার হবে। জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেই ফের মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই ‘মহান বন্ধু’। ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক স্টাইলের কারণে একটি ছোট্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এতে কি আর ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যিক টানাপোড়েন কমবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে জুন পর্যন্ত।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলন (PM Modi)

    ভারত জি৭-এর স্থায়ী সদস্য নয়। তবে বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে নিয়মিত যোগ দেয় এই সম্মেলনে। এ বছর ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ স্বয়ং আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-ব্যাঁ (Evian-les-Bains) ১৫-১৭ জুন হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। শুল্ক উত্তেজনার পটভূমিতে অনুষ্ঠিত সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ট্রাম্প মোদিকে ‘মহান বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছনোর অঙ্গীকারও করেছিলেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা।

    নোবেল পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্পের দাবি

    যদিও গত বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্প হঠাৎই দাবি করতে থাকেন, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি হয়েছে তাঁরই মধ্যস্থতায়। এর পর থেকে ট্রাম্প যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই বলে বেড়িয়েছেন, তাঁরই বাণিজ্যিক চাপের কারণে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পুরোপুরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ট্রাম্পের এহেন ঘোষণায় খুব খুশি হয়েছিল শাহবাজ শরিফের দেশ। তবে পাকিস্তান ট্রাম্পের প্রশংসা করলেও, ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দেন, যুদ্ধবিরতি হয়েছে সরাসরি ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা করেই, কারও মধ্যস্থতায় নয়। বস্তুত, এর পর থেকেই তলানিতে ঠেকে দুই ‘হুজুরে’র সম্পর্ক (G7 Summit)।

    ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

    গত বছর জুনে কানাডায় হয়েছিল জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে পার্শ্ব বৈঠকে ফের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল এই দুই নেতার। যদিও ট্রাম্প হঠাৎ করেই সম্মেলন ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাতিল হয়ে যায় প্রস্তাবিত বৈঠক। পরে অবশ্য ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা থেকে ফেরার পথে ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু মোদির পূর্বনির্ধারিত ক্রোয়েশিয়া সফর থাকায়, সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ভারত। তবে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে সরকারি কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে ট্রাম্প হয়ত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মোদিকে নিয়ে একটি ছবি তোলার জন্য চাপ দিতে পারেন। সেই সময় একইসঙ্গে (PM Modi) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুনিরকেও।

    ভারতকে শায়েস্তা করার চেষ্টা

    তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে, ততই অবনতি হয়েছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের। ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ভারতকে শায়েস্তা করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি ট্রাম্প। তাঁর সরকার প্রথমে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। রাশিয়ার তেল কেনায় বসানো হয় অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও। ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent) এবং পিটার নাভারো (Peter Navarro) বারবার অভিযোগ করেন, রাশিয়ার তেল কিনে ঘুরপথে ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে সাহায্য করছে ভারত। এই শুল্ক-চাপ মূলত ভারতকে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে থাকা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি করানোর মরিয়া চেষ্টা ছিল বলেই খবর (G7 Summit)।

    সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত

    এই পুরো পর্বটায় কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা নত করেননি ট্রাম্পের চাপের কাছে। শুধু তা-ই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শার্ম এল-শেখ এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান (ASEAN) সম্মেলনের মতো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানও এড়িয়ে যান। কারণ সেখানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারত ট্রাম্পের। গত সেপ্টেম্বরে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত মেলে। ট্রাম্প জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফের গতি পায় বাণিজ্য আলোচনা। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছয় দুই দেশ। ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের করা মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আবারও শোনা কিংবা দেখা যায় পরিচিত বাক্য — “ইন্ডিয়া থেকে আমার বন্ধু” (PM Modi)।

    ট্রাম্পের মুখে মোদি-স্তুতি

    তবে ইরান যুদ্ধ এবং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায়ের কারণে আটকে যায় আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি সই। ১৭ এপ্রিল টানা ৪০ মিনিট ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। চলতি বছরে এটি ছিল তাঁদের তৃতীয় ফোনালাপ। যদিও সেই কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে শোনা যায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন মোদি-ট্রাম্প। ফোনালাপের পর (G7 Summit) সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “ওঁর (মোদির) সঙ্গে আমার খুব ভালো কথা হয়েছে। উনি ভারত থেকে আমার বন্ধু। উনি দারুণ কাজ করছেন।” এই প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ফের মুখোমুখি হতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্র প্রধানের এই সাক্ষাৎই কেড়ে নিতে পারে তামাম দুনিয়ার নজর (PM Modi)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসি, করমর্দন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের বাইরেও হবে আসল পরীক্ষা — দুই দেশ সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না। খুব সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত আলাপও দিকনির্দেশ করে দিতে পারে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায়ের।

     

  • Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেওয়া নিজেদের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছিল, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও সরকারি বা সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানের আশপাশ থেকে পথকুকুর সরাতে হবে। বিভিন্ন আবেদন সত্ত্বেও আদালত এই রায়ে কোনও শিথিলতা বা পরিবর্তন আনতে অস্বীকার করে। আদালত আরও জানায়, রাজ্য সরকারের উচিত (Euthanasia) নয় জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ (Supreme Court)

    বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লোকালয়ে দুর্বল ও অসহায় মানুষদের যে বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা বিচারব্যবস্থা উপেক্ষা করতে পারে না। আদালতের মন্তব্যে “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” (Survival of the Fittest) তত্ত্বের উল্লেখ করে বলা হয়, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মানবজীবন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জলাতঙ্কগ্রস্ত, আরোগ্যহীন বা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক কুকুরদের ক্ষেত্রে আইনসম্মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন হলে মৃত্যুও দিতে হবে।

    আদালতের বক্তব্য

    আদালত জানায়, ছোট শিশুদের কুকুরে কামড়েছে, প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা হয়েছে, এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও আক্রান্ত হয়েছেন। মনে হচ্ছে চার্লস ডারউইনের “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” তত্ত্ব বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে। সরকারি পদক্ষেপের অভাবে শিশু ও বয়স্কদের নিজেদের বাঁচার লড়াইয়ে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব (Supreme Court)।

    ডগ বাইটের পরিসংখ্যান

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশজুড়ে পথকুকুরে কামড়ানোর ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে তিন মাসে ১,৪৮৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, উদয়পুরে ২০২৬ সালে ১,৭০০-র বেশি ঘটনা ঘটেছে। তামিলনাড়ুতে এ বছর ২,৪০,০০০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মার্চ মাসেই ঘটে ছিল ৭১,০০০টি ঘটনা এবং ৩৪ জনের মৃত্যুও হয়েছে। এই সমস্যা এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায়ও পৌঁছে গিয়েছে, যেমন ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেখানে টার্মিনাল এবং রানওয়েতেও পথকুকুর দেখা গিয়েছে। এটি জননিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর ব্যর্থতার প্রমাণ।

    শীর্ষ আদালতের সাফ কথা

    রাষ্ট্র নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আদালতও এই কঠোর বাস্তবতা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না, যেখানে শিশু, আন্তর্জাতিক পর্যটক এবং প্রবীণ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হচ্ছেন। সংবিধান এমন সমাজ কল্পনা করে না, যেখানে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের কেবল শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হবে। এছাড়া, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পশুচিকিৎসা পরিষেবা বৃদ্ধি, আশ্রয়কেন্দ্র শক্তিশালী করা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সমন্বয়ে টিকাকরণ অভিযান-সহ বিস্তৃত সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ (Euthanasia) বাস্তবায়নের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর বা ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না (Supreme Court)।

     

  • Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মতো অন্ধকার সময় ফিরে আসবে।” কথাগুলি বললেন বাংলাদেশের (Bangladesh) পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। প্রসঙ্গত, ওই সময় বাংলাদেশের রাশ ছিল বিএনপির হাতে। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানান, তিনি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। আওয়ামি লিগের এই নেত্রী ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে রয়েছেন ভারতে।

    জনকল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি (Sheikh Hasina)

    হাসিনা বলেন, “ফিরে আসার বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভর করে না। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এটি শুধু আমার ফিরে আসার জন্য নয়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও জরুরি।” তিনি বলেন, “আমি একটি বিষয় খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই। আমার অনুপস্থিতি মানে আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতিটি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনগত কাঠামোর মধ্যে এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।” চলতি বছর সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে বিএনপি। তার পরেই দেশটিতে ভারতবিরোধী নানা মন্তব্য করার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে।

    ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু

    এ প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং প্রতিবেশী (Sheikh Hasina)। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সমর্থন ছিল প্রশ্নাতীত। তিনি বলেন, “অবশ্য আমাদের দেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য দীর্ঘদিন ধরেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও আদর্শগতভাবে দেউলিয়া গোষ্ঠীগুলির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও এই চর্চায় যোগ দিয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা প্রায়ই আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) ভারতের কাছে নতি স্বীকার করা এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করার অভিযোগ তুলত। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ১৮ মাসের শাসন কালে কিংবা বিএনপি—কেউই এমন একটি চুক্তিরও প্রমাণ দিতে পারেনি, যা জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

    ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে দুই দেশ

    বছর দেড়েকের অস্থিরতার পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারত ও বাংলাদেশ পুরো মাত্রায় ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে এগোচ্ছে (Bangladesh)। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই সব ধরনের ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করেছে। এদিকে, ভারতও ফের ধীরে ধীরে ভিসা কার্যকলাপ শুরু করার পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের এক মাস পরেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁর সফরে ভিসা স্বাভাবিকীকরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল। উল্লেখ্য, ভারতে থাকা বাংলাদেশের সব ভিসা কেন্দ্র—নয়াদিল্লির হাইকমিশন এবং কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের কনস্যুলার বিভাগ (Bangladesh), এখন আগের মতোই কাজকর্ম শুরু করেছে (Sheikh Hasina)।

     

  • Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil Imports) কেনা বন্ধ করবে না ভারত, মার্কিন চাপ উড়িয়ে স্পষ্ট জানাল মোদি সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থই সর্বাগ্রে, তাই আমেরিকার ‘ওয়েভার’ থাক বা না থাক, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা চলবে আগের মতোই। সোমবার, ১৮ মে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (মার্কেটিং ও অয়েল রিফাইনারি) সুজাতা শর্মা বলেন, “আমেরিকার ওয়েভার নিয়ে আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে, ওয়েভারের আগেও আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনেছি, ওয়েভারের সময়ও কিনেছি, এখনও কিনছি।”

    দেশবাসীর স্বার্থকেই প্রাধান্য

    সুজাতা শর্মা স্পষ্ট করে জানান, ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাণিজ্যিক যুক্তি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “অপরিশোধিত তেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই ওয়েভার থাক বা না থাক, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।” উল্লেখ্য, মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানিকৃত তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি লাইসেন্স বা ছাড় দিয়েছিল। পরে সেটির মেয়াদ বাড়ানো হলেও ১৬ মে তা শেষ হয়ে যায়। তবে বাস্তবে ভারত কখনওই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেনি। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড় মূল্যে রুশ তেল পাওয়া শুরু হলে ভারত বড় পরিমাণে সেই তেল আমদানি করতে শুরু করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ২০ শতাংশের বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। কেন্দ্র বারবার জানিয়েছে, কোন দেশ থেকে কত তেল কেনা হবে, তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল।

    বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখাই লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে তার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে তুলনামূলক সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই কেনার নীতি নিয়েছে নয়াদিল্লি। মজার বিষয় হল, অতীতে মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছিল যে ভারত রাশিয়ার তেল কিনে চলায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুবিধা হয়েছে। গত বছর ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও জানিয়েছিল, আমেরিকা অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে বলেছিল, যাতে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল থাকে। তবে পরবর্তীতে অবস্থান বদলে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। বর্তমান পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।

LinkedIn
Share