Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • First Bullet Train: হায়দরাবাদ ও চেন্নাইয়ের মধ্যে ছুটবে বুলেট ট্রেন! শুরু সমীক্ষা

    First Bullet Train: হায়দরাবাদ ও চেন্নাইয়ের মধ্যে ছুটবে বুলেট ট্রেন! শুরু সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদ ও চেন্নাইয়ের মধ্যে বুলেট ট্রেন করিডরের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে শুরু হয়েছে সমীক্ষা। এ খবর জানিয়েছে মেট্রো রেল টুডে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১২ ঘণ্টার যাত্রা সময় কমে দাঁড়াবে মাত্র ২ ঘণ্টা ২০ মিনিটে (First Bullet Train)। সমীক্ষাটি পরিচালনা করছে সরকারি মালিকানাধীন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রাইটস লিমিটেড। এটি ভারতের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, পশ্চিম ভারতের বাইরে বুলেট ট্রেন নেটওয়ার্ক প্রসারিত করা (High Speed Rail Corridor)। ইতিমধ্যেই মুম্বই আমেদাবাদ করিডরের কাজ চলছে। জানা গিয়েছে, রাইটসকে ডিপিআর তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা ট্রাফিক বিশ্লেষণ, রুট সমীক্ষা এবং ভূ-প্রকৃতি মূল্যায়নও করবে। প্রাথমিক নকশা তৈরিও এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে, যা দক্ষিণ ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ করিডরের ভিত্তি স্থাপন করবে।

    লাইন হবে সম্পূর্ণ পৃথক উঁচু ট্র্যাকে (First Bullet Train)

    প্রস্তাবিত ৭০৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইন হবে সম্পূর্ণ পৃথক উঁচু ট্র্যাকে নির্মিত। যেখানে ট্রেনের গতি হবে সর্বোচ্চ ৩৫০ কিমি/ঘণ্টা। যদিও ট্রেনগুলি চলবে ৩২০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এই করিডর বিমান ভ্রমণের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে। কারণ দুটি রাজ্যের রাজধানীর মধ্যে যাত্রার সময় কমে হবে ২ ঘণ্টার সামান্য বেশি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতীয় রেলের প্রচলিত ট্রেনে এই রুটে সময় লাগে ১২–১৪ ঘণ্টা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বুলেট ট্রেন চালু হলে শুধু যাত্রার সময়ই কমবে না, লাইনের ভিড়ও কমবে, বাড়বে আঞ্চলিক সংহতি, ত্বরান্বিত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। এমআরটি রিপোর্টে ওই কর্তারা অনুমান করেছেন যে মুম্বই – আহমেদাবাদ করিডরের সময়সীমার ভিত্তিতে এই প্রকল্প নির্মাণে কমপক্ষে ১৫ বছর লাগবে (First Bullet Train)।

    বুলেট ট্রেন ত্রিভুজ প্রকল্পের অংশ

    হায়দরাবাদ – চেন্নাই রেল সংযোগ দক্ষিণ ভারতের একটি বৃহত্তর বুলেট ট্রেন ত্রিভুজ প্রকল্পের অংশ, যেখানে একইসঙ্গে হায়দরাবাদ – বেঙ্গালুরু রুটেরও একটি সমান্তরাল সমীক্ষা চলছে। শুক্রবার অন্ধ্রপ্রদেশের (High Speed Rail Corridor) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু ঘোষণা করেন যে দক্ষিণ ভারতে শীঘ্রই বুলেট ট্রেন সংযোগ স্থাপন করা হবে, যা হায়দরাবাদ, অমরাবতী, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু জুড়ে ভ্রমণে আমূল পরিবর্তন আনবে (First Bullet Train)।

  • Missionary Networks: বাড়ছে খ্রিস্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য, বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক!

    Missionary Networks: বাড়ছে খ্রিস্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য, বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর চল্লিশের মার্কিন খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারক ড্যানিয়েল স্টিফেন কর্টনি এখন বিশ্বব্যাপী বিতর্কের কেন্দ্রে। তিনি নিজেকে এক নির্ভীক ধর্ম প্রচারক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে খ্রিস্টান ধর্ম (Missionary Networks) প্রচার করেছেন ভারত, নেপাল, ইজরায়েল, ব্রিটেন এবং আমেরিকায়। এই ধর্ম প্রচারের আড়ালেই (Indias Social Fabric) তিনি অস্ত্র পাচার করছেন বলে অভিযোগ। গত ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘ইন্ডিয়া টুডে’। সেখানে এক ভিডিওতে দেখা যায়, মণিপুরে গোষ্ঠীসংঘর্ষ চলাকালীন কর্টনি গোপনে কুকি জঙ্গিদের ড্রোন, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছেন। ভিডিও ফুটেজটি সংগ্রহ করা হয়েছে ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে। সেখানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে সক্রিয়ভাবে তিনি হিন্দু মেইতেইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এবং সাহায্য করছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি শুধু ধর্ম প্রচারের কাজই নয়, বরং ভারতের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে হস্তক্ষেপ, যা সশস্ত্র বিদ্রোহীদের প্রত্যক্ষ সমর্থনের কাছাকাছি।

    বহিষ্কার করা হয়েছিল কোর্টনিকে (Missionary Networks)

    ঘটনাটি কোর্টনির আগের কুখ্যাতির পরপরই সামনে আসে। ২০১৭ সালে ভারতে ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং নিষিদ্ধ ধর্মীয় কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণে দেশ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে তিনি আবার নেপাল ও ভারতে আসেন, আড়ালে থেকে চালাতে থাকেন কার্যকলাপ। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তিনি নেপালের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় ধর্মান্তরকরণে সহায়তা করেছেন এবং সামাজিক সেবার আড়ালে মিশনারি অ্যাজেন্ডা চালিয়ে গিয়েছেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যকলাপেও প্রায়ই হিন্দু-বিরোধী ও বিজেপি-বিরোধী বক্তব্য থাকত, যা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। অবশেষে গত ডিসেম্বরে নেপালের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করে।

    বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়

    কোর্টনি মামলাটি কোনও এক উগ্র মিশনারির (Missionary Networks) বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি আরও গভীর একটি সমস্যাকে উন্মোচিত করে, কীভাবে বিদেশি এজেন্টরা, যারা প্রায়ই সাহায্যকর্মী বা মানবাধিকার কর্মীর ছদ্মবেশে ভারতের সংবেদনশীল অঞ্চলে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নেয়। এমন উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি এমন এক নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে যেখানে এই ধরনের কার্যকলাপ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে (Indias Social Fabric)। কোর্টনি গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলার এক চমকপ্রদ ছবি সামনে আসে। একটি ছবি থেকে জানা যায়, তিনি কলকাতা-ভিত্তিক একটি এনজিও, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এটি প্রমাণ করে, কীভাবে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা নিঃশব্দে এনজিও নেটওয়ার্কে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারছে। এই এনজিওগুলির সিংহভাগই বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত হয় বলে খবর।

    চিকিৎসা শিবিরগুলি আসলে ধর্মান্তরের আড়াল মাত্র

    ২০২৫ সালের অগাস্টে প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে যে, তথাকথিত চিকিৎসা শিবির বা বিশ্বাসভিত্তিক চিকিৎসা শিবিরগুলি আসলে ধর্মান্তরের আড়াল মাত্র (Missionary Networks)। হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদা অঞ্চলে গ্রামবাসীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা কিংবা বিশ্বাসভিত্তিক আরোগ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আকৃষ্ট করা হচ্ছিল। একবার তারা এর প্রতি আকৃষ্ট হলে সন্ধ্যার প্রার্থনা সভার সময় আধ্যাত্মিক পরামর্শ ও সামাজিক চাপের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের খ্রিস্টধর্মের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল। একই ধরনের আর একটি ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের জুন মাসে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে কিছু মিশনারি অলৌকিক আরোগ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামবাসীদের ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করেছিলেন (Indias Social Fabric)। তবে স্থানীয় হিন্দুরা প্রতিবাদ করলে পালিয়ে যান মিশনারিরা। প্রতিবারই এদের কৌশল একই থাকে- প্রথমে দান-দক্ষিণা, পরে ধর্মান্তর।

    মোদীর আমলে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    দশকের পর দশক ধরে ভারতে এনজিওগুলি এক ধরনের দ্বিমুখী তলোয়ারের মতো কাজ করে। অনেকে সত্যিই সমাজকল্যাণ, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার জন্য কাজ করে। আবার অনেকে, যারা বিশেষ করে যারা বিপুল বিদেশি সহায়তা পায়, তারা কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে ধর্মান্তরকরণের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করছে (Missionary Networks)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমলে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করা হয়। বাতিল করা হয় শ’য়ে শ’য়ে এনজিওর লাইসেন্স। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশ এক ব্যতিক্রম হিসেবে উঠে আসছে ওপরের সারিতে। এখানে বিশ্বাসভিত্তিক চিকিৎসাশিবির, গোপন প্রার্থনাসভা এবং প্রলোভনভিত্তিক ধর্মান্তরের খবর ক্রমেই বাড়ছে।

    বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক

    ধর্মান্তরের সমস্যা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়। গোটা ভারতে, বিশেষ করে ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার মতো রাজ্যে মিশনারি কার্যকলাপের বাড়বাড়ন্ত। শুধু ছত্তিশগড়েই বিধানসভায় বিদেশি-অর্থায়িত এনজিওগুলি কীভাবে আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে ধর্মান্তরের কাজে ব্যবহার করছে, তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার তার বিরোধী-ধর্মান্তর আইনের অধীনে একাধিক এফআইআর দায়ের করেছে। আদালত প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে করা ধর্মান্তরের জন্য কারাদণ্ডও দিয়েছে। তার পরেও রমরমিয়ে চলছে ধর্মান্তরের এই ‘ব্যবসা’ (Indias Social Fabric)। যার জেরে বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক (Missionary Networks)।

  • India: গত জুলাই মাসে ইউক্রেনে সবচেয়ে বেশি ডিজেল রফতানি করেছে ভারত, উঠে এল রিপোর্টে

    India: গত জুলাই মাসে ইউক্রেনে সবচেয়ে বেশি ডিজেল রফতানি করেছে ভারত, উঠে এল রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে জুলাই মাসে সর্বাধিক ডিজেল সরবরাহ করেছে ভারত (India)। ইউক্রেনের সংস্থা নাফতোরাইনক–এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওই মাসে ইউক্রেন যে পরিমাণ ডিজেল আমদানি করেছে, তার ১৫.৫ শতাংশই এসেছে ভারতের থেকে। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ২,৭০০ টন ডিজেল ভারত থেকে বিভিন্ন রুট ধরে পৌঁছেছে ইউক্রেনে। এক বছরের ব্যবধানে এ হারে ভারতের ডিজেল সরবরাহে বিপুল বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    বিভিন্ন রুটে ইউক্রেনে (Ukraine) পৌঁছেছে ভারতের ডিজেল

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইউক্রেনে (Ukraine) ডিজেল রফতানিতে ভারতের (India) অংশীদারিত্ব ছিল মাত্র ১.৯ শতাংশ। কিন্তু ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০.২ শতাংশে, অর্থাৎ মাত্র এক বছরে প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের ডিজেল রফতানি। ভারতে পরিশোধিত ডিজেল মূলত রোমানিয়া ও তুরস্কের মাধ্যমে ইউক্রেনে প্রবেশ করেছে। রোমানিয়া থেকে পৌঁছেছে ট্যাঙ্কার-এর মাধ্যমে এবং তুরস্কের মারমারা এরিগলিসি বন্দর থেকে রফতানি হয়ে ইউরোপের এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পৌঁছেছে জ্বালানি।দেখা যাচ্ছে ওই মাসে স্লোভাকিয়া থেকে ইউক্রেন ডিজেল আমদানি করেছে ১৫ শতাংশ, গ্রীস থেকে ১৩.৫ শতাংশ, তুরস্ক থেকে ১২.৪ শতাংশ, লিথুয়ানিয়া থেকে ১১.৪ শতাংশ, অন্যান্য দেশ থেকে ৩২.২ শতাংশ।

    কেন এই ঘটনা এত তাৎপর্যপূর্ণ?

    ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসন একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরোক্ষ মদতদাতা হিসেবে ভারত কাজ করছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখায় ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর চাপ বাড়িয়েছে (India)। রাশিয়া থেকে তেল কেনার জেরে ভারতীয় পণ্যে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা এর ফলে আমেরিকায় রফতানি হওয়া ভারতীয় পণ্যে মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৫০ শতাংশে। এই আবহে ইউক্রেনের ডিজেল আমদানিতে ভারতের অংশীদারিত্বের এই বৃদ্ধি শুধু বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কে চাপ থাকলেও, ভারত ইউক্রেনের সর্ববৃহৎ ডিজেল সরবরাহকারী হিসেবে উঠে এসেছে — যা বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

  • Rahul Gandhi: কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া

    Rahul Gandhi: কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব হলেন কংগ্রসেরই নেতা কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)। ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাহুলকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। স্বদলেরই এক বরিষ্ঠ নেতার এমনতর গুরুতর অভিযোগের জেরে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি।

    হেরে গিয়েছিলাম জালিয়াতির কারণে (Rahul Gandhi)

    প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনে কপ্পল লোকসভা কেন্দ্রে জনতা দলের প্রার্থী হয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের বাসবরাজ পাটিল আনওয়ারি। তাঁর কাছে ১১ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। সেদিনের কথা স্মরণ করেই বেঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া বলেন, “১৯৯১ সালে আমি ভোটে লড়েছিলাম এবং হেরে গিয়েছিলাম জালিয়াতির কারণে।” সেই কঠিন সময়ে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য তিনি রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রফেসর রবি বর্মা কুমারকে ধন্যবাদও দেন।

    অমিত মালব্যর আক্রমণ

    সিদ্দারামাইয়ার ওই মন্তব্যের ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “যিনি এক সময় কংগ্রেসের ভোট চুরির বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, তিনিই আজ কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভোটার অধিকার মিছিলেন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তখন তিনি (সিদ্দারামাইয়া) ব্যালট পেপারে হেরে গিয়ে ভোট চুরি বলে কেঁদেছিলেন। আর আজ রাহুল গান্ধী নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে হাহাকার করছেন। কারণ ভারতের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ও হ্যাক করা যায় না, এমন যন্ত্র ইভিএমের মাধ্যমে কংগ্রেসকে সাফ করে দিয়েছে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এও লেখেন, “কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah) প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ১৯৯১ সালের কপ্পল লোকসভা নির্বাচনে তিনি কংগ্রেসের ভোট কারচুপির শিকার হয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই ভোট চুরির রাজনীতি করেছে।আয়রনি হল, রাহুল গান্ধী বিজেপিকে সেই কাজের জন্য অভিযুক্ত করছেন, যা তাঁর নিজের দল দশকের পর দশক ধরে করেছে।”

    আক্রমণ পদ্ম শিবিরের

    কর্নাটকের বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বিজেপির আর অশোকও বলেন, “কংগ্রেস (Rahul Gandhi) প্রতারণা করে সিদ্দারামাইয়াকে হারিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সিদ্দারামাইয়া নিজেই কংগ্রেস পার্টির মুখোশ খুলে দিয়েছেন। তিনি ১৯৯১ সালে জনতা দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন, আর এখন তিনি স্বীকার করছেন যে কংগ্রেস জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত করেছিল। সত্যটি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকেই বেরিয়ে এসেছে।” পদ্ম শিবিরের আর এক নেতা সরাসরি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ (Siddaramaiah) করে বলেন, “রাহুল গান্ধী কি এখন প্রতারণা ফাঁস করার জন্য সিদ্দারামাইয়াকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করবেন? নাকি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শুধু দলিত নেতা সত্যিশ জারকিহোলির মতো নেতাদের জন্যই রাখা হয়েছে, যিনি আগে অপমানের শিকার হয়েছিলেন? সিদ্দারামাইয়া যখন কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন, তখন রাহুল গান্ধী নীরব কেন?”

    ১৯৯১ সালের অশান্ত লোকসভা নির্বাচন

    সিদ্দারামাইয়ার মন্তব্য ১৯৯১ সালের অশান্ত লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ওই নির্বাচনে একাধিক আসনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এখন বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে (Rahul Gandhi) বিজেপির। তাদের প্রশ্ন, যদি কংগ্রেস ১৯৯১ সালে ভোট কারচুপি করে থাকে, তবে আজ বিজেপিকে অভিযুক্ত করার নৈতিক অধিকার তাদের কোথায়? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল এবং সিদ্দারামাইয়ার মন্তব্যে বিরোধাভাস স্পষ্ট। রাহুল জোরালোভাবে বিজেপিকে একমাত্র নির্বাচনী জালিয়াত হিসেবে তুলে ধরেছেন, অথচ তাঁর নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন অনিয়মের শিকার হয়েছিলেন তিনি স্বয়ং (Siddaramaiah)।

    প্রশ্ন একাধিক

    বিহার এবং কর্নাটক-সহ অন্যান্য নির্বাচনে বিজেপি যে এটিকেই প্রধান ইস্যু করবে, তা স্পষ্ট। তারা কংগ্রেসকে এমন একটি দল হিসেবে ব্র্যান্ড করবে, যারা অনেক আগেই ভোট কারচুপিকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল, আর এখন অন্যদের দিকে আঙুল তুলছে। এই বিতর্কে সিদ্দারামাইয়া ও রাহুল (Rahul Gandhi) কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে যা প্রয়োগ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেটিই যে ব্যুমেরাং হয়ে ফিরবে, তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। স্বাভাবিকভাবই তাঁদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন হল, কংগ্রেস কি আসলেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কারচুপি করেছিল? আর যদি করেই থাকে, তবে (Rahul Gandhi) প্রকৃত ভোট চোর কারা?

  • Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত! ২০৩৮ সালের মধ্যে উত্থান, দাবি রিপোর্টে

    Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত! ২০৩৮ সালের মধ্যে উত্থান, দাবি রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে (Indian Economy) পরিণত হতে পারে ভারত। ‘আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং’ (ইওয়াই) নামে একটি বেসরকারি সংস্থার রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ট্রাম্প (Donald Trump) বলেছিলেন ‘ডেড ইকোনমি’ (Dead Economy), সেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে এবার বড় দাবি করল ‘আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং’। তাদের দাবি, ২০৩৮ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতির মোট মূল্য হবে ৩৪.২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    ভারতের শক্তি কী

    সংস্থার প্রধান নীতি উপদেষ্টা ডি কে শ্রীবাস্তব বলেন, “ভারতের শক্তি হল, তার তরুণ এবং দক্ষ কর্মী এবং শক্তিশালী সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হার। গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলিতে স্থিতিস্থাপকতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে, ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশ বিকশিত ভারত হওয়ার যে লক্ষ্যে তার অনেক কাছে পৌঁছে যাবে।” সংস্থার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, উচ্চ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হার এবং ক্রমহ্রাসমান সরকারি ঋণের কারণে আগামী ১৩ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে (Indian Economy) খুব সহজেই পৌঁছতে পারে। এই মুহূর্তে ভারতের অর্থনীতির মোট মূল্য ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পেরিয়ে গিয়েছে। বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় জাপানকে টপক ভারত এখন চতুর্থ স্থানে। একমাত্র আমেরিকা, চিন এবং জার্মানিই ভারতের চেয়ে এগিয়ে।

    কতটা এগোবে ভারত

    ‘আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং’-এর রিপোর্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) অনুমানের উপর ভিত্তি করে তৈরি। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি হল এর জনসংখ্যা। ২০২৫ সালে ভারতের গড় বয়স মাত্র ২৮.৮ বছর। সঞ্চয় হারের দিক থেকেও ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে (Indian Economy) রয়েছে। সরকারের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ২০২৪ সালে ৮১.৩ শতাংশ থেকে কমে ২০৩০ সালের মধ্যে ৭৫.৮ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তার সমকক্ষ দেশগুলিতে ঋণের মাত্রা বাড়ছে। আইএমএফের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি ২০.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    ভারতের এই উত্থানের কারণ

    ভারতীয় অর্থনীতির (Indian Economy) এ-হেন উত্থানের নেপথ্যে একাধিক যুক্তি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষক সংস্থা। তাদের দাবি, বর্তমানে এ দেশের জনগণের গড় বয়স ২৮.৮ বছরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় আমজনতার আর্থিক সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লগ্নি করছেন তাঁরা, যা দেশের আর্থিক বৃদ্ধির সূচককে ক্রমশ উপরের দিকে উঠতে সাহায্য করছে। দ্বিতীয়ত, গত কয়েক বছরে সরকারি ঋণ এবং মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) অনুপাত বেশ অনেকটাই কমেছে। গত বছর (পড়ুন ২০২৪) এই সূচক দাঁড়িয়েছিল ৮১.৩ শতাংশে। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটা ৭৫.৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ‘ইওয়াই ইকোনমিক’। এর জেরে আর্থিক শক্তির নিরিখে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশে পরিণত হওয়া ভারতের পক্ষে সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ‘অগস্ট-২০২৫’ শীর্ষক আর্থিক রিপোর্টে ‘আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার’ বা আইএমএফ-কে (IMF) উদ্ধৃত করেছে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষক সংস্থা। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৮-’৩০ সালের মধ্যে ভারত ও আমেরিকার আর্থিক বৃদ্ধির হার যদি ৬.৫ এবং ২.১ শতাংশে স্থির থাকে, তা হলে ২০৩৮ সালের মধ্যে ক্রয়ক্ষমতার নিরিখে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে যাবে নয়াদিল্লি। অর্থাৎ, পিপিপি-র (পড়ুন পারচেজ়িং পাওয়ার প্যারিটি) দিক দিয়ে একে উঠে আসবে ভারত।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড় অঞ্চলে মাওবাদী-বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণে অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী (Anti Maoist campaign)। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২৯ অগাস্ট যৌথ বাহিনীর অভিযানে এই অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার হয়। নারায়ণপুরের পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া এক বিবৃতিতে জানান, ২৪ আগস্ট থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী এই অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে। অভিযানে অংশ নেয় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG), স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)। অভিযান চালিয়ে চার-পাঁচটি ভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    কী কী উদ্ধার করা হল

    রবিনসন গুড়িয়া আরও জানান, অবুঝমাড় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিছু আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকেও অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী (Chhattisgarh), এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে— ৪৯টি বন্দুক,একটি ইনসাস রাইফেল, একটি এসএলআর রাইফেল, একটি স্টেনগান, একটি লাইট মেশিনগান (LMG), আটটি ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (BGL), বিভিন্ন মাপের ছোট ও মাঝারি সাইজের গ্রেনেড সেল। প্রসঙ্গত, ২৮ অগাস্ট (বুধবার) ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলের ৩০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা এক বিবৃতিতে জানান, আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি পুনর্বাসন নীতির আওতায় পুনর্বাসন দেওয়া হবে (Chhattisgarh)। তিনি আরও আহ্বান জানান, যারা এখনও উগ্র বামপন্থা অনুসরণ করছেন, তারা যেন সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসেন (Chhattisgarh)। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৭ অগাস্টও ছত্তিশগড় পুলিশের (Anti Maoist campaign) কাছে আরও চারজন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন।

    মাওবাদী অভিযান চলছেই

    প্রসঙ্গত, মাওবাদী মুক্ত দেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ তারিখকে একটি নির্ধারিত ডেডলাইন হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে জোরকদমে চলছে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান, যার ইতিবাচক ফলও মিলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের একাধিক শীর্ষনেতাক খতম করা গিয়েছে। এই ঘটনার পর আরও গতি পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান। এই প্রেক্ষাপটে সরকারও মাওবাদীদের উদ্দেশে সরকার আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে। সরকারের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেক মাওবাদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করছেন।

  • Vladimir Putin: ভারতে আসছেন পুতিন, শুল্ক-সংঘাতের আবহে আরও কাছাকাছি আসছে ভারত-রাশিয়া!

    Vladimir Putin: ভারতে আসছেন পুতিন, শুল্ক-সংঘাতের আবহে আরও কাছাকাছি আসছে ভারত-রাশিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্পের চড়া শুল্কহারের জেরে আরও কাছাকাছি আসছে ভারত (India) ও রাশিয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে সাড়া দিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। শুক্রবার সরকারিভাবে এ কথা ঘোষণা করে দিল মস্কো। ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির ক্ষেত্রে পুতিনের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    শুল্ক আরোপ আমেরিকার (Vladimir Putin)

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে মস্কোকে কাঠগড়ায় তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়েছিল। তাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে ভারত। তার জেরে দু’দফায় ভারতীয় পণ্যের ওপর সব মিলিয়ে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে আমেরিকা। সঙ্গে চাপিয়ে দেয় মোটা অঙ্কের জরিমানাও। এই আবহে ৩১ অগাস্ট দু’দিনের চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লক্ষ্য, এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়া। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টও। সোমবার তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। তার ঠিক আগেই পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের বার্তা দিল ক্রেমলিন।

    মোদির ডাকে সাড়া

    প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর মাসে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময়ও দু’জনের মধ্যে হয়েছিল পার্শ্ববৈঠক। সেই সময়ই তিনি ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্টকে। চলতি বছরের মার্চ মার্চ মাসে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছিলেন, মোদির আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন পুতিন। যদিও সেই সময় পুতিনের ভারত সফরের সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কে কিছু জানাননি লাভরভ। চলতি মাসে মস্কোয় গিয়ে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেই সময় (Vladimir Putin) তিনিই জানিয়েছিলেন, চলতি বছরই ভারতে আসতে পারেন পুতিন। শুক্রবার সেটাই নিশ্চিত করল রাশিয়া।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। গত সপ্তাহেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিরও ভারতে (India) আসার খবর মিলেছিল। নয়াদিল্লিতে ইউক্রেনের দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শীঘ্রই ভারতে আসবেন জেলেনস্কি। তিনি চান, বন্ধু দেশ রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করুক ভারত। তবে জেলেনস্কি ঠিক কবে নয়াদিল্লিতে আসবেন, তা এখনও জানানো হয়নি ইউক্রেনের তরফে (Vladimir Putin)।

  • Telangana: বন্যায় বিপর্যস্ত তেলেঙ্গানা, উদ্ধারকাজে সামিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ

    Telangana: বন্যায় বিপর্যস্ত তেলেঙ্গানা, উদ্ধারকাজে সামিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের লাগাতার অতি ভারী বৃষ্টিতে তেলেঙ্গনার (Telangana) কামারেড়ি জেলা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। হায়দরাবাদ শহর থেকে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অঞ্চলের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। এলাকার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া মানাইয়ার নদী, যা গোদাবরী নদীর একটি শাখা, তীব্র বর্ষণে প্লাবিত হয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জলমগ্ন অবস্থা তৈরি হয়।

    জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ

    এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্যে নেমে পড়েন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) ও সেবা ভারতী-র স্বেচ্ছাসেবকরা। তারা রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছেন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আটজন মানুষকে সরাসরি জলবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে (Telangana)।

    এক হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছেন

    সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী (Telangana), সেবা ভারতী-র কর্মীরা ও সংঘের স্বয়ংসেবকরা এক হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছেন। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চালানো হচ্ছে ত্রাণ বিতরণ। প্লাবিত এলাকার মানুষদের মধ্যে খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, কলা, বিস্কুট, ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

    বন্যা পীড়িত মানুষদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার

    তেলেঙ্গানার প্লাবিত এলাকাগুলিতে সেবা ভারতী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-এর স্বেচ্ছাসেবকরা একনিষ্ঠভাবে ত্রাণ ও সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে রান্নার ব্যবস্থা করে দুর্গত মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে উষ্ণ ও পুষ্টিকর খাবার। কোথাও কোথাও আবার কেন্দ্রীয়ভাবে রান্না করে তা পাঠানো হচ্ছে আশ্রয় শিবিরগুলিতে, যাতে একসঙ্গে বহু মানুষ খাবার পান।উদ্ধার হওয়া ও আশ্রয়হীন মানুষদের অভুক্ত না রাখার জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সংঘ ও সেবা ভারতীর স্বেচ্ছাসেবকরা। শুধু খাবারই নয়, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওষুধ, শিশুদের জন্য দুধ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে নিয়মিত।স্থানীয় স্তরে এই সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। জলবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও, যেখানে তারা অন্তত কিছুদিন নিরাপদে থাকতে পারবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবারের জন্য এই সহায়তা এখন একমাত্র আশার আলো।সেবা ভারতী-র তরফে জানানো হয়েছে, যতদিন না পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, ততদিন তারা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবেন এবং এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

  • Sambhal Report: মাত্র ১৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে হিন্দু! ষড়যন্ত্র কীভাবে ঘটেছিল পরিষ্কার সম্ভল হিংসার রিপোর্টে পেশ

    Sambhal Report: মাত্র ১৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে হিন্দু! ষড়যন্ত্র কীভাবে ঘটেছিল পরিষ্কার সম্ভল হিংসার রিপোর্টে পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভলের সাম্প্রতিক হিংসার (Sambal Report) বিচার বিভাগীয় কমিশনের রিপোর্টে ২০২৪ সালের দাঙ্গার পিছনে থাকা ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস হয়েছে, বলে জানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি এই রিপোর্ট পেশ করে। শুক্রবার, যোগী বলেন, “রিপোর্টে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা উঠে এসেছে তা হল সম্ভলে জনসংখ্যার বড়সড় পরিবর্তন। স্বাধীনতার সময় সম্ভলে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল ৪৫ শতাংশ, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশে। অপরদিকে মুসলিম জনসংখ্যা এখন ৮৫ শতাংশ। উত্তরপ্রদেশ এখন তুষ্টির রাজনীতি ছেড়ে সন্তুষ্টির পথে হাঁটছে। জনসংখ্যা পরিবর্তনের কোনও সুযোগ আর দেওয়া হবে না।”

    রিপোর্টে কী বলা হয়েছে

    উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের হিংসা নিয়ে সেই রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে রিপোর্ট জমা পড়ল। তিন সদস্যের এক কমিটি এই রিপোর্ট তুলে দেন যোগীর হাতে। ৪৫০ পাতার এই রিপোর্টে ওই এলাকার জনবিন্যাস, হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক, স্বাধীনতা পরবর্তী ও বর্তমান সময়ের সম্ভলের যাবতীয় তথ্য তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টে উল্লেখ, সম্ভলে এখন মাত্র ১৫ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। অথচ স্বাধীনতার সময় সম্ভলের পুরসভা এলাকায় সেই জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ উল্লেখযোগ্য হারে ওই এলাকায় হ্রাস পেয়েছে হিন্দু বসবাসকারীর সংখ্যা।

    শাহি জামা মসজিদকে ঘিরে অশান্তি

    গত বছর সম্ভলের (Sambal Report)  শাহি জামা মসজিদকে ঘিরে অশান্তি হয়। সেই মসজিদের জরিপের নির্দেশ দিয়েছিল স্থানীয় আদালত। দাবি করা হয়েছিল, সেই মসজিদটি আগে মন্দির ছিল। কিন্তু সেখানে জরিপের জন্য সরকারের তরফে আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা গেলে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী। এমনকী মসজিদের কাছে জড়ো হওয়া একদল লোক পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েন। নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। গাড়িতে অগ্নিসংযোগ চলে। ২০ জনেরও বেশি পুলিশকর্মী জখম হন। এই হিংসার জেরে অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারক দেবেন্দ্র আরোরার নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। আরও দুই সদস্য হলেন প্রাক্তন আইপিএস একে জৈন ও অমিত প্রসাদ।

    ১৫ টি সাম্প্রদায়িক হিংসার সাক্ষী সম্ভল

    কমিটির দেওয়া রিপোর্টে উল্লেখ, ১৯৪৭ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১৫ টি সাম্প্রদায়িক হিংসার সাক্ষী থেকেছে সম্ভল। যার মধ্যে ১৯৪৮, ১৯৫৩, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭৬, ১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৯০, ১৯৯২, ১৯৯৫, ২০০১ এবং ২০১৯ সালের হিংসার উল্লেখও রয়েছে। সূত্রের খবর, যোগীর কাছে পেশ করা রিপোর্টে উল্লেখ সম্ভলে স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই পুরসভা এলাকার জনবিন্যাসে বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সেই সময় হিন্দু ও মুসলিমের শতকরা ভাগ ছিল ৪৫ ও ৫৫। তবে তারপর থেকে হিন্দুদের সংখ্যা কমতে শুরু করে। এখন সেখানে হিন্দু কমে এসে দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে। হিন্দুদের সংখ্যা কমার কারণ হিসেবে তুষ্টিকরণের রাজনীতিকে দায়ি করা হয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরের ঘটনা সম্পর্কে কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জিয়া উর রহমান বারকের ২২ নভেম্বরের মন্তব্যের পর ধর্মান্তরিত হিন্দু পাঠানরা বিক্ষোভ শুরু করে। তার ২ দিন পর তুর্কি ও পাঠানদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে ক্রস ফায়ারিং হয়, যেখানে চারজন নিহত হন।

    সক্রিয় যোগী সরকার

    সম্ভল প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী যোগী বলেন, “আগের সরকারগুলির সময়ে (বিশেষ করে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস শাসনকালে) হিন্দুদের নিশানা বানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে দাঙ্গা ঘটানো হয়েছে। হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। দাঙ্গাকারীদের বাইরে থেকে আনা হয়েছে। কিছু উগ্রপন্থী সংগঠন, বেআইনি অস্ত্র এবং মাদকের চক্র সক্রিয় ছিল এই অঞ্চলে অশান্তি ছড়ানোর জন্য।” রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গুলাব দেবী প্রশ্ন তুলেছেন, “যেখানে স্বাধীনতার সময় হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ৪৫ শতাংশ, এখন তা ১৫ শতাংশ—তাহলে বাকি ৩০ শতাংশ কোথায় গেল? তারা কি দেশ ছেড়েছে? ধর্মান্তরিত হয়েছে? নাকি খুন হয়েছে?” তিনি বলেন, “এই রিপোর্টের ভিত্তিতে হাইকোর্ট কিংবা সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।” রিপোর্টে রাজ্য পুলিশের ভূমিকাকে প্রশংসা করে বলা হয়েছে, “তাদের সময়মতো হস্তক্ষেপের কারণে একটি বড়সড় গণহত্যা রোখা সম্ভব হয়েছে।” রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, “জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তন করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।” সূত্রের খবর, সেখানে আরও উল্লেখ, সম্ভলে একসময় ৬৮টি তীর্থস্থান এবং ১৯টি পবিত্র কূপ ছিল। যোগী আদিত্যনাথ সরকার সেগুলোর পুনরুজ্জীবনের জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছে।

     

     

     

     

     

  • Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চিঠির মাধ্যমে ভারত-চিন সম্পর্ক নতুন করে কোন পথে এগোতে পারে, তার সম্ভাবনা যাচাই করতে চেয়েছিল বেজিং। ভারতের এক শীর্ষ প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

    চিঠি পৌঁছায় মোদির হাতে

    প্রতিবেদন অনুসারে, রাষ্ট্রপতির দফতকে (Droupadi Murmu) পাঠানো সেই চিঠি পরে পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে। তার কয়েক মাসের মধ্যেই, জুন মাসে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ কিছুটা কমে আসে এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নামে উভয় দেশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্প্রীতির পিছনে বড় একটি ভূমিকায় ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতি।

    শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত

    চিনের বার্তা ছিল স্পষ্ট (Droupadi Murmu)— যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত, কারণ এই দুই দেশেরই সামনে অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই বার্তাই পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে শি জিনপিংয়ের (Chinese President) চিঠিতে। চিঠি প্রকাশ্যে আসার কিছুদিন পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যান। প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা রবিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    ভারতের ওপর শুল্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকার বিরোধী দল

    মার্চ থেকে অগাস্ট— এই কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক কূটনীতির পরিমণ্ডলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির কারণে ভারতের পণ্যের উপর প্রায় ৫০ শতাংশ আমেরিকান শুল্ক চাপানো হয়, যা মোদি প্রশাসনের জন্য চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, চিন (Chinese President) রাশিয়া থেকে ভারতের তুলনায় অনেক বেশি তেল আমদানি করলেও, তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। এই বৈষম্য নিয়ে আমেরিকার বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে। কারণ, গত দুই দশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চিনের প্রভাব ঠেকাতে ভারতকে কৌশলগতভাবে পাশে চেয়েছিল আমেরিকা। এখন সেই ভারতই যদি বাণিজ্য নীতিতে কোণঠাসা হয়, তা হলে সেই কৌশলগত বোঝাপড়ার ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    চিন তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে

    চিন বারবার তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে। ভারতও একইসঙ্গে বিশ্ব কূটনীতিতে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে, দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা, কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো বিষয়গুলিতে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতি হয়েছে। কয়েক দিন আগেই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্জীবিত করতে চাইছে এবং এর পেছনে তাদের স্পষ্ট ও কৌশলগত স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

LinkedIn
Share