Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India DEW Laser Weapon: ভারতের লেজার অস্ত্র পরীক্ষায় চিনের চোখ কপালে, ‘‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’’ লিখল গ্লোবাল টাইমস

    India DEW Laser Weapon: ভারতের লেজার অস্ত্র পরীক্ষায় চিনের চোখ কপালে, ‘‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’’ লিখল গ্লোবাল টাইমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে ওড়িশার উপকূলে দেশীয় ‘সুদর্শন চক্র’-র (Sudarshan Chakra) তকমা পাওয়া ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স ওয়েপন্স সিস্টেম’ (আইএডিডব্লিউএস)-এর প্রাথমিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)। ফলে, হাতে ডাইরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন (DEW) সিস্টেম থাকা দেশগুলির এলিট তালিকায় যোগ দিয়েছে ভারত। এই কৃতিত্বের দৌলতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চিন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ইজরায়েলের সঙ্গে একাসনে যুক্ত হল ভারত, যাদের কাছে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে। ভারত এই মাইলফলক অর্জন করার পর প্রতিক্রিয়ায় চিন স্বীকার করেছে যে, লেজার-ভিত্তিক আকাশসীমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নয়াদিল্লির এই সাফল্য আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে একটি ‘‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’’। মোদির চিন-সফরের মুখে ভারতের অস্ত্র-পরীক্ষা নিয়ে চিনা স্তুতি বিশেষ অর্থবহ।

    ভারতের নিজস্ব ‘সুদর্শন চক্র’

    গত বৃহস্পতিবার (২১ অগাস্ট) ওড়িশা উপকূলে পরীক্ষা চালানো হয় আইএডিডব্লিউএস-এর (IADWS) পরীক্ষা।। দুদিন পর, সেই কথা খোলসা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। আইএডিডব্লিউএস একটি বহু-স্তরযুক্ত প্রতিরক্ষা ঢাল হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়েছে। এগুলি হল— (১) কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (কিউআরএসএএম), (২) অ্যাডভান্সড ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (ভিএসএইচওআরএডিএস) ক্ষেপণাস্ত্র এবং (৩) উচ্চ-শক্তি লেজার-ভিত্তিক নির্দেশিত শক্তি অস্ত্র (ডিইডব্লিউ)।

    আইএডিডব্লিউএস-এর তিন বাহু

    এই তিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাজেও ফারাক রয়েছে। কিউআরএসএএম- দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম। এটি ৩ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত শত্রুর বিমান হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করতে সক্ষম। ভিএসএইচওআরএডিএস- স্বল্প দূরত্বের কোনও লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে পারে। কাছাকাছি কোনও বিপদ আঁচ করলেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে উঠবে। এই সিস্টেম কাছাকাছি দূরত্বে আসা হুমকি যেমন – ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করতে কার্যকর। অন্যদিকে, ডিইডব্লিউ- এটি অত্যাধুনিক লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। শত্রুপক্ষের কোনও অস্ত্র আকাশসীমায় ঢুকলেই তা নষ্ট করে দেবে। এটি আলোর গতিতে শত্রুর বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন সহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। এই অস্ত্র বহুবার ব্যবহার করা যায় এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে।

    চমকে গিয়েছে চিন…

    ভারতের এই পরীক্ষা যে বিশ্বের নজর কেড়েছে তা বলাই বাহুল্য। চিন ভারতের আইএডিডব্লিউএস পরীক্ষার ওপর নজর রাখছিল। তবে, কিউআরএসএএম এবং ভিএসএইচওআরএডিএস প্রযুক্তি নিয়ে বেশি মাতামাতিকে নারাজ চিন। তবে, ডিইডব্লিউ নিয়ে চিনা সামরিক বিশেষজ্ঞদের মধ্য বিশাল আগ্রহ। বেজিং-ভিত্তিক এয়ারোস্পেস নলেজ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক ওয়াং ইয়ানান চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস-কে বলেন, “ভারতের আইএডিডব্লিউএস (IADWS) সিস্টেম মূলত ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং কম উচ্চতায় উড়তে থাকা বিমান থামানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।”

    ওয়াং আরও বলেন, “কিউআরএসএএম এবং ভিএসএইচওআরএডিএস প্রযুক্তিগতভাবে তেমন নতুন কিছু নয়, কিন্তু লেজার-ভিত্তিক সিস্টেম প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।” চিনের বিশেষজ্ঞের এই মন্তব্য দুটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথম কারণ, চিন সাম্প্রতিক সময়ে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে এবং পাকিস্তানকেও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহ করছে। দ্বিতীয় কারণ, ৯ বছর পর চলতি সপ্তাহের শেষে চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ডিইডব্লিউ ঠিক কী?

    ডাইরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন সিস্টেম (ডিইডব্লিউ) হল একটি উন্নত এবং উচ্চ প্রযুক্তির উন্নত যন্ত্র। এটি শত্রুর লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস বা ক্ষতি করার জন্য প্রচলিত গোলাবারুদের পরিবর্তে কেন্দ্রীভূত শক্তি (Directed Energy) ব্যবহার করে। ডিইডব্লিউ গুলি বা বিস্ফোরক ওয়ারহেডের পরিবর্তে আলোর গতিতে চলা উচ্চ-শক্তির লেজার রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ বা পার্টিকেল বিম ব্যবহার করে।

    • হাই এনার্জি লেজার (এইচইএল): এটি শত্রুর ড্রোন, বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে মাঝ-আকাশেই পুড়িয়ে বা অক্ষম করতে ঘনীভূত আলোক বিম ব্যবহার করে।

    • হাই পাওয়ার মাইক্রোওয়েভ (এইচপিএম): এটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ দিয়ে শত্রুর ড্রোন, বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলির ইলেকট্রনিক সার্কিটগুলিকে নষ্ট করে তাদের অক্ষম করতে পারে।

    • পার্টিকেল বিম ওয়েপন (পিবিডব্লিউ): এটি তীব্র চার্জযুক্ত কণার স্রোত ব্যবহার করে শত্রুর ড্রোন, বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে অক্ষম করে দেয়। বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।

    প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরিবর্তে ডিইডব্লিউ-গুলি শান্তভাবে নিজেদের কাজ করে। এখানে রিলোডিং-এর সমস্যা নেই। ফলে, যতবার খুশি চালানো যেতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, শট প্রতি খরচ অত্যন্ত কম। ফলে, কামিকাজে ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল এবং সস্তার সোয়ার্ম ড্রোন মোকাবিলায় এগুলি একটি গেম চেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে।

  • Mohan Bhagwat: প্রত্যেক ভারতীয় পরিবারকে তিনটি সন্তান নেওয়ার কথা বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: প্রত্যেক ভারতীয় পরিবারকে তিনটি সন্তান নেওয়ার কথা বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের উচিত কমপক্ষে তিনটি সন্তান থাকা।

    কী বললেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)?

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) নিজের বক্তব্যে বলেন, “ডাক্তাররা আমাকে বলেছেন—সঠিক বয়সে বিয়ে করা এবং তিনটি সন্তান থাকলে বাবা-মা ও সন্তান, উভয়েরই শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে তা উপকারী। বাড়িতে যদি তিন ভাইবোন থাকে, তাহলে শিশুদের মধ্যে অহংকার কমে এবং ভবিষ্যতে তাদের পারিবারিক জীবনে জটিলতা দেখা দেয় না।” সংঘপ্রধান বলেন, ‘‘ভারতের জনসংখ্যা নীতিতে ২.১ সন্তান থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা গড় হিসাবে ঠিক আছে। কিন্তু আপনার কখনওই ০.১ সন্তান থাকতে পারে না। গণিতে, ২.১ হলে ২ হয়, কিন্তু যখন জন্মের কথা আসে, দুইয়ের পরে তিন জন হতে হয়। চিকিৎসকেরা আমাকে এটাই বলেছেন।’’

    জনসংখ্যা আশীর্বাদও হতে পারে, আবার বোঝাও হয়ে উঠতে পারে

    তিনি (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “একটি দেশের জনসংখ্যা আশীর্বাদও হতে পারে, আবার বোঝাও হয়ে উঠতে পারে—কারণ, দিন শেষে সকলকেই খাওয়াতে হয়। তাই জনসংখ্যা নীতি থাকা জরুরি। এই নীতির মধ্যে থেকেই এমন ভারসাম্য রাখা প্রয়োজন, যাতে প্রতিটি পরিবারে তিনটি সন্তান থাকে, কিন্তু তার বেশি নয়। এই লক্ষ্যটি সর্বজনগ্রাহ্য হওয়া উচিত।” মোহন ভাগবত এদিন বলেন, ‘‘বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, তিনটির কম সন্তান হলে বংশবিস্তারের গতি কমে যায়। এর ফলে সেই পরিবার তথা কোনও সম্প্রদায় ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।’’

    হিন্দুদের জন্মহার প্রথম থেকেই কম

    মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) মতে, বর্তমানে সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যেই জন্মহার হ্রাস পাচ্ছে, তবে হিন্দুদের মধ্যে তা তুলনামূলকভাবে বেশি। তিনি বলেন, “হিন্দুদের জন্মহার প্রথম থেকেই কম। অন্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে আগে এটি বেশি ছিল, তবে এখন কমছে। তবুও, সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে তাদের নতুন প্রজন্মকে তিনটি সন্তান নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।”

  • RSS: ভারতের প্রত্যেকটা ভাষাই হল জাতীয় ভাষা, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: ভারতের প্রত্যেকটা ভাষাই হল জাতীয় ভাষা, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) শতবর্ষের পথচলা — এই শীর্ষক বক্তৃতা সিরিজে বৃহস্পতিবার সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ভারতে ভাষা সম্প্রীতির কথা বলেন। ২৮ অগাস্ট দিল্লিতে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ভারতের বিভিন্ন ভাষার গুরুত্ব এবং তিনি জানান যে ভারতের প্রত্যেকটা ভাষাই হল জাতীয় ভাষা। তাঁর নিজের ভাষায়, “ভারতের প্রত্যেক কথ্য ভাষাই হল এ দেশের জাতীয় ভাষা।”

    ভাষার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে ভাগ হওয়া উচিত নয়

    তিনি এদিন আরও বলেন যে ভাষার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে ভাগ হওয়া উচিত নয় এবং প্রত্যেকটা ভারতীয় ভাষার মধ্যেই প্রতিধ্বনিত হয় দেশপ্রেম, যখন একজন মানুষ অপরজনের সঙ্গে কথা বলেন। এদিনের বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসংঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত আরও বলেন, ভাষার বিবিধতা এবং বৈচিত্র্যতাই এ দেশের বড় শক্তি। এদিন আরএসএস প্রধান যে কোনও দুটি ভারতীয় ভাষার (RSS) মধ্যে বিভেদ আনার প্রবণতার বিরুদ্ধে সরব হন এবং তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা জাতীয় ঐক্য এবং সংহতিকে নষ্ট করবে। ভাষাগত বিভেদ নিজেদের মধ্যে আনা উচিত নয়।

    কথোপথন ভারতীয় ভাষাতেই হওয়া উচিত (RSS)

    এদিন তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতীয় ভাষাই হল জাতীয় ভাষা এবং আমরা যখন নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতা বা কথোপকথন করব, তখন যেন অবশ্যই যে কোনও ভারতীয় ভাষাতে কথা বলি — কোনও বিদেশি ভাষায় নয়।’’ সব মিলিয়ে ডঃ মোহন ভাগবত এদিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য় রাখলেন। বিশেষত ভারতীয় ভাষা নিয়ে যখন দেশে বিতর্ক চলছে। আঞ্চলিক ভাষা এবং হিন্দি প্রসঙ্গে। মোহন ভাগবতের এই ভাষা-সম্পর্কিত মন্তব্য জাতীয় ঐক্য এবং সংহতিকে জোরদার করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরএসএস কখনও কাউকে বিদেশি মনে করে না

    এদিনের বক্তব্যে ডঃ মোহন ভাগবত বলেন, ১৯৪৮ সালে জয়প্রকাশ নারায়ণ ‘জ্বলন্ত মশাল’ হাতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কার্যালয় পুড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জরুরি অবস্থার পরে তিনিই সংঘের একটি শিবিরে উপস্থিত হয়ে বলেন, “পরিবর্তন একমাত্র সংঘের মাধ্যমেই আশা করা যায়।” মোহন ভাগবতের মতে, আরএসএস কখনও কাউকে বিদেশি মনে করে না — গোটা সমাজই আমাদের আপন। তিনি আরও বলেন, “অখণ্ড ভারতের ধারণা কখনও রাজনৈতিক নয়, এটি সাংস্কৃতিক।” এদিনের বক্তৃতায় উঠে আসে জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রসঙ্গও। ডঃ ভাগবত বলেন, “যখন জনবিন্যাসে পরিবর্তন ঘটে, তখনই দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।” হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হিন্দু ও মুসলমান ভিন্ন নয়, তারা এক। তাই তাদের মধ্যে আলাদা করে কোনও ‘ঐক্য’ গঠনের প্রয়োজনই নেই।” এদিনের বক্তব্যে মোহন ভাগবত আরও বলেন, ব্যক্তি নির্মাণের মাধ্যমেই সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব। প্রথমে সমাজকে বদলাতে হয়, তারপরই রাষ্ট্রের ব্যবস্থা বা কাঠামো পরিবর্তিত হয়। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ কোনও হিংসাত্মক সংগঠন নয়। যদি সংঘ সত্যিই হিংসা ছড়াত, তাহলে দেশের ৭৫ হাজার স্থানে তার শাখা গড়ে উঠত না।

  • Bihar Assembly Election: “চরম লজ্জাজনক!” বিহারে ভোটার অধিকার যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য

    Bihar Assembly Election: “চরম লজ্জাজনক!” বিহারে ভোটার অধিকার যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’-র একটি ভাইরাল ভিডিওকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিহারে কংগ্রেসের একটি সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে কুরুচিকর ভাষায় স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’র সময়েই দ্বারভাঙায় একটি সভা থেকে এই স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির অভিযোগ

    দ্বারভাঙার সিমরি থানার অন্তর্গত বিথৌলির ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে একটি সভায় এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় কংগ্রেস নেতা এবং আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট প্রত্যাশী মহম্মদ নওশাদ-এর উদ্যোগে এই মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মায়ের (হীরাবেন মোদী) নামে কুরুচিকর ভাষায় স্লোগান দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। বৃহস্পতিবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিজেপি লেখে, “রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত যাত্রার মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির প্রয়াত মা সম্পর্কে চরম অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতের রাজনীতিতে এরকম অধঃপতন আগে কখনও দেখা যায়নি। এই যাত্রা অপমান, ঘৃণা এবং অশ্লীলতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে।”

    বিহারের মানুষ ক্ষমা করবে না

    ওই পোস্টেই রাহুল এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করে বলা হয়, ‘এটি এমন একটি ভুল যে রাহুল এবং তেজস্বী যদি হাজার বার কান ধরে ওঠবোস করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তবুও বিহারের মানুষ তাঁদের ক্ষমা করবে না।’যদিও এই ভাষায় আক্রমণকে ‘নিন্দনীয়’ বলেই জানানো হয়েছে কংগ্রেসের তরফে। কংগ্রেসের ওই মিটিংয়ের ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ বিহারে ১৬ দিনের এক রাজনৈতিক অভিযান, যা ২০টি জেলায় ১,৩০০ কিমি পথ অতিক্রম করছে। এই যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ভোটার তালিকায় অনিয়ম ও “ভোট চুরি”-র বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা। যাত্রাটি ১ সেপ্টেম্বর পাটনায় শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে।

  • Ajit Doval: কয়েকটা মাত্র চুল সংগ্রহ করেই পাকিস্তানের পারমাণবিক পরিকল্পনার পর্দা ফাঁস করেছিলেন ডোভাল

    Ajit Doval: কয়েকটা মাত্র চুল সংগ্রহ করেই পাকিস্তানের পারমাণবিক পরিকল্পনার পর্দা ফাঁস করেছিলেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ে ছেঁড়াফাটা একটা শাল। রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন মলিন বেশের একটি মানুষ (Ajit Doval)। গায়ে মাথায় ধূসর ধুলোর আস্তরণ। এহেন ভিখিরিকে দেখে পাকিস্তানের কেউ একটা বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি (Pakistans Nuclear Plans)। এমন কত মানুষই তো রাস্তার ধারে বসে থাকে! সমাজের অবাঞ্ছিত এই সব মানুষের ভিড়েই সেদিন মিশে গিয়েছিলেন অজিত ডোভাল। বর্তমানে আশি ছুঁইছুঁই যে মানুষটি সামলাচ্ছেন মোদি সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব। আটের দশকে তিনিই উদ্দেশ্যহীনভাবে (?) ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের অলিতে-গলিতে।

    ভিখিরির ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইসলামাবাদের রাস্তায় (Ajit Doval)

    দিন কয়েক রাস্তার ধারে ধূলিধূসরিত যে মানুষটি বসেছিলেন, তিনিই এবার ভিখিরির ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইসলামাবাদের রাস্তায় রাস্তায়। লোক দেখলেই চাইছেন ভিক্ষে। মাথা ভর্তি চুল-দাড়ি আর ছেঁড়া শালের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছেন যে মানুষটি, তাঁর বুদ্ধি ক্ষুরধার। ইসলামাবাদে তাঁর এই ছদ্মবেশ ধারণ করার আসল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের গোপন পারমাণবিক পরিকল্পনার পর্দা ফাঁস করা। পাকিস্তানের সব চেয়ে সুরক্ষিত পারমাণবিক পরিকল্পনার রহস্য উদ্ঘাটন করা। আর তা করতে হলে যেন-তেন প্রকারে ঢুকতে হবে পাকিস্তানের গবেষণা কেন্দ্রে কিংবা সংগ্রহ করতে হবে নমুনা। ১৯৭৪ সালে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার পর নয়াদিল্লিকে টেক্কা দিতে কোমর (Ajit Doval) বেঁধে মাঠে নেমে পড়ে ইসলামাবাদও। এ ব্যাপারে তাদের সাহায্য (Pakistans Nuclear Plans) করেছিল চিন। ভারতের প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের এই গোপন প্রচেষ্টার একটি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ। আর সেই গুরু দায়িত্ব পড়েছিল অজিত ডোভালের ঘাড়ে, যিনি তখন পরিচিত ছিলেন ‘সুপার কপ’ নামে।

    খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ

    ইসলামাবাদের কাহুটায় রয়েছে কুখ্যাত খান রিসার্চ ল্যাবরেটরি। এটি কোনও সাধারণ শহর নয়। বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে ঢুকতে হত শহরে। কঠোর নিয়ম মেনে চলাফেরা করতেন বিজ্ঞানী, নিরাপত্তা কর্মী এবং সরকারি কর্তারা। শ্যেনদৃষ্টিতে তাঁদের চলাফেরার ওপর তাকিয়ে থাকতেন প্রহরীরা। মাস কয়েক ধরে ভিখিরির ছদ্মবেশে এখানকারই রাস্তায় ঘুরতে লাগলেন ডোভাল। পর্যবেক্ষণ করলেন এখানে আসা লোকজনকে, নিলেন নোটও। হাতড়ে বেড়ালেন ওই গবেষণা কেন্দ্রে ঢোকার রাস্তা। সেখান থেকে বেরনোর উপায়ই বা কি! এই গবেষণা কেন্দ্রে যাতায়াত করার প্রতিটি ব্যক্তির অঙ্গভঙ্গি, নড়াচড়া, কে, কোথায় যান, তাঁদের গতিবিধির ওপরও নজর রাখতে শুরু করলেন ডোভাল।

    তিনি লক্ষ্য করলেন, এই গবেষণা কেন্দ্রে আসা লোকজন স্থানীয় একটি (Ajit Doval) নির্দিষ্ট সেলুনেই যান চুল কাটতে। একদিন ওই সেলুনে গেলেন ডোভালও। সংগ্রহ করলেন মেঝেয় পড়ে থাকা বিজ্ঞানীদের কয়েকটা চুল। গোপনে পাঠিয়ে দিলেন ভারতে, বিশ্লেষণের জন্য। সেই চুল পরীক্ষা করে ভারতীয় গবেষকরা জানতে পারেন, চুলে রয়েছে ইউরেনিয়াম এবং তেজস্ক্রিয়তার চিহ্ন, পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে যার গুরুত্ব অপরিসীম (Pakistans Nuclear Plans)। টানা ছ’বছর ধরে ইসলামাবাদে কাটিয়ে এলেও, এই দুঁদে গোয়েন্দার টিকিটিও ছুঁতে পারেননি কোনও পাক কর্তা। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর এই কাজের ফলে পাকিস্তানের পারমাণবিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছিল প্রায় ১৫ বছর (Ajit Doval)।

  • Jaish Terrorists: নেপাল হয়ে বিহারে ঢুকেছে পাকিস্তানের ৩ জইশ জঙ্গি, জারি হাই অ্যালার্ট

    Jaish Terrorists: নেপাল হয়ে বিহারে ঢুকেছে পাকিস্তানের ৩ জইশ জঙ্গি, জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে ভায়া নেপাল হয়ে বিহারে ঢুকে পড়েছে তিন জইশ জঙ্গি (Jaish Terrorists)। গোয়েন্দাদের তরফে বিহার পুলিশকে এ ব্যাপারে সতর্ক (High Alert) করা হয়েছে। তার পরেই রাজ্যজুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে বিহার পুলিশ। ভারতে ঢুকে পড়া তিন পাক জঙ্গিকেই শনাক্ত করা গিয়েছে। এরা হল রাওয়ালপিন্ডির বাসিন্দা হাসনাইন আলি, উমরকোটের বাসিন্দা আদিল হুসেন এবং বহওয়ালপুরের মহম্মদ উসমান।

    জইশ-ই-মহম্মদের ৩ জঙ্গি (Jaish Terrorists) 

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জইশ-ই-মহম্মদের এই জঙ্গিরা অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকিস্তান থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে পৌঁছয়। সম্প্রতি তারা ঢোকে ভারতে। তিন জঙ্গির ছবি প্রকাশ করে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযানও। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হয়েছে, কোনওরকম সন্দেহজনক কিছু দেখলেই যেন খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হিন্দু পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হামলার পরে পাকিস্তান ও পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় ভারত। তার পর থেকে আঁটসাঁট করা হয়েছে বিহারে ভারত-নেপাল সীমান্তের নিরাপত্তা।

    ভায়া নেপাল ভারতে ঢুকেছে পাক জঙ্গিরা!

    বিহারের দিকে ভারতের সঙ্গে নেপাল সীমান্তের প্রায় ৭২৯ কিলোমিটার উন্মুক্ত। তাই এই জায়গাগুলিই অনুপ্রবেশের হটস্পট হয়ে উঠেছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, সহজেই সীমান্ত পারাপার হয় এই অঞ্চল দিয়ে। গোয়েন্দাদের অনুমান, সীমান্তবর্তী জেলাগুলির কোনও একটি হয়েই জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করেছে বিহারে। চলতি বছরেই রয়েছে বিহার বিধানসভার নির্বাচন। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, তার আগে বিহারে একটি বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। এই তিন জঙ্গিকেই গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। চলছে জেরাও। যদিও সরকারিভাবে এখনও জানানো হয়নি তিন জঙ্গির গ্রেফতারির খবর। এই জঙ্গিদের (Jaish Terrorists) জেরা করে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, তাদের সঙ্গে আর কোনও জঙ্গি ভারতে প্রবেশ করেছে কিনা। নাশকতার ছকের এই জাল কতদূর বিস্তৃত, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    প্রসঙ্গত, মাত্র তিন মাস আগেই ২০ দিনের মধ্যে বিহারে ঢুকেছিল ১৮ জন সন্দেহভাজন। তাদের (High Alert) মধ্যে একজনকে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে পুলিশ (Jaish Terrorists)।

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের বান্দিপোরায় সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি, চলছে তল্লাশি-অভিযান

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের বান্দিপোরায় সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি, চলছে তল্লাশি-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে জঙ্গিদের ভারতে ঢোকার চেষ্টাকে সফল ভাবে রুখে দিল ভারতীয় সেনা। বৃহস্পতিবার ভোরে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বান্দিপোরার গুরেজ সেক্টরে নওশেরা নার এলাকায় সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম করা হয় দুই জঙ্গিকে। জানা যাচ্ছে, এখনও (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে, কারণ সন্দেহ করা হচ্ছে, আরও কেউ সেখানে লুকিয়ে থাকতে পারে।

    ভারতীয় সেনার বিবৃতি (Jammu and Kashmir)

    সেনাবাহিনীর (Indian Army) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোররাতে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল একদল জঙ্গি। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশের যৌথ বাহিনী এলাকায় অভিযান চালায়। এই অভিযানকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন নওশেরা নার ৪’। গুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয় এবং বাকিদের খোঁজে চলছে চিরুনি তল্লাশি। সেনার বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের চেষ্টা সম্পর্কে পুলিশের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গুরেজ় সেক্টরে একটি যৌথ অভিযান শুরু করেছিল ভারতীয় সেনা ও পুলিশের একটি দল। সে সময় দুই সন্দেহভাজনকে লক্ষ্য করে সেনা গুলি চালালে তারাও পাল্টা গুলি ছুড়তে শুরু করে। সংঘর্ষে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। অভিযান এখনও চলছে।’’

    উপত্যকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে

    সম্প্রতি পহেলগাঁও কাণ্ড ও ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় (Indian Army) ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে দেখা হচ্ছে, কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী লুকিয়ে রয়েছে কি না। গত মাসেই শ্রীনগরে (Jammu and Kashmir) ‘অপারেশন মহাদেব’-এ পহেলগাঁও হামলায় যুক্ত তিন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছিল। জঙ্গিদের কাছে থাকা টি৮২ আল্ট্রাসেট কমিউনিকেশন ডিভাইস চালু করে পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি মুসা। সেই ডিভাইসের মাধ্যমে জঙ্গিদের লোকেশন জেনে নিয়েই অপারেশন চালায় ভারতীয় সেনা। লোকসভায় এই বিষয়ে বিবৃতিও দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

  • PM Modi in Japan: ভূমিকম্পেও লাইনচ্যুত হবে না! মোদির জাপান সফরে আলোচনার কেন্দ্রে কোয়াড ও বুলেট ট্রেন প্রকল্প

    PM Modi in Japan: ভূমিকম্পেও লাইনচ্যুত হবে না! মোদির জাপান সফরে আলোচনার কেন্দ্রে কোয়াড ও বুলেট ট্রেন প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা থেকে দিল্লি পৌঁছে যাওয়া যাবে পাঁচ ঘণ্টায়। এমনই এক বুলেট ট্রেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi in Japan) দেখাতে চলেছে জাপান। ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ, বৃহস্পতিবার ২৮ অগাস্ট সন্ধ্যায় জাপান সফরে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই সফরে ভারত ও জাপানের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলি। ২৯ ও ৩০ অগাস্ট জাপানে থাকবেন মোদি। জাপান সফর শেষে চিনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী (Modi’s Big Japan Agenda)।

    শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে জাপানে

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এর আগে সাতবার জাপানে গিয়েছেন মোদি (PM Modi in Japan)৷ এটি তাঁর অষ্টম সফর ৷ তবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বদলের পর এই প্রথমবার সূর্যোদয়ের দেশে যাবেন তিনি৷ দীর্ঘদিন দেশের বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলে আসার পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শিগেরু ইশিবা৷ তাঁর অনুরোধে ১৫তম ভারত-জাপান দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এবার জাপান সফরে যাচ্ছেন মোদি৷ শুক্রবার টোকিও-তে শুরু হচ্ছে ভারত-জাপান (India-Japan) শীর্ষ সম্মেলন। ভারত ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার ব্যাপারে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে৷ প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা, ব্যবসা, অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দুটি দেশ একে অপরকে কীভাবে সাহায্য করতে পারে তা নিয়ে কথা বলবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী৷ এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এমন কয়েকটি বিষয় নিয়েও কথা বলবেন দুই নেতা ৷

    বুলেট ট্রেন নিয়ে আলোচনা

    বুলেট ট্রেন তৈরিতে গোটা বিশ্বে এক নম্বর স্থান বহু বছর জাপানের (Japan) দখলে। নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে সেই ট্রেনকে রকেটের গতি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে জাপান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) এই সফরে জাপান সরকার এমনই একটি বুলেট ট্রেন (Bullet Train) তাঁকে দেখাতে চলেছে যেটি সে দেশে এখনও চলাচল শুরু করেনি। কারখানায় নির্মীয়মান অবস্থায় আছে। শুক্রবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মিয়াগিতে যাবেন। সেখানে ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানিতে তৈরি হচ্ছে ই-১০ সিরিজের বুলেট ট্রেন। ওই ট্রেন জাপানে চালু হওয়ার পর পরই ভারতে মুম্বই-আমেদাবাদের মধ্যে চলাচল শুরু করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ২০১৫ সালের জাপান সফরে মুম্বই-আমেদাবাদের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালুর চুক্তি হয়েছিল। তখন কথা হয় জাপান তাদের ই-৫ সিরিজের বুলেট ট্রেন ভারতকে সরবরাহ করবে। এখন তারা সিদ্ধান্ত বদলে ই-১০ সিরিজের বুলেট ট্রেন সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রাথমিক আলোচনায় দু-দেশের আধিকারিকেরা ওই ট্রেন নেওয়ার আলোচনা সেরে রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Modi’s Big Japan Agenda) সরাসরি কারখানায় নিয়ে গিয়ে ই-১০ সিরিজের নির্মীয়মান ট্রেন দেখাতে চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

    কত কোটি বিনিয়োগ

    জাপানের বুলেট ট্রেনগুলি (Japan’s Bullet Train) ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। অর্থাৎ কলকাতা-দিল্লি রুটে চলাচল করলে মাত্র পাঁচ ঘণ্টায় ১৪০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা সম্ভব। মুম্বই-আমেদাবাদের মধ্যে সময় লাগবে বড়জোর দু-ঘণ্টা। এই প্রকল্পে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা (JICA) প্রায় ৮৮,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, যা মোট ১,০৮,০০০ কোটির প্রকল্পের প্রায় ৮১ শতাংশ। বাকি অর্থ কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট রাজ্য সরকার মিলে বিনিয়োগ করবে।

    দুর্ঘটনার সম্ভাবনাই নেই

    ই-১০ সিরিজের (E-10 series) যে নতুন ট্রেন তৈরি হচ্ছে সেটির বৈশিষ্ট হচ্ছে তা সাইক্লোন তো দূরের কথা, ভূমিকম্পেও বেলাইন হবে না। এমনকী মুখোমুখি সংঘর্ষেও নয়। ক্ষয়ক্ষতি যা হওয়ার সামনের কামরার হবে। সেই কামরাই যাবতীয় ধাক্কা সামলে নেবে। কারও মারা যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ইঞ্জিনে কোনও চালক থাকবেন না। জাপান এই নতুন ট্রেনের মহড়া চালাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষী রেখে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি

    ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি জানান, ভারত-জাপান সম্পর্কের সর্বোচ্চ স্তরের সংলাপ মঞ্চই হল এই সম্মেলন। তাঁর কথায়,“গত দশকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের পরিধি ও উচ্চতা অনেক বেড়েছে। এই সফরে নতুন কিছু যৌথ উদ্যোগের সূচনা হতে পারে, যা পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করবে।” এই সফরে ২০০৮ সালের ‘জয়েন্ট ডিক্লেয়ারেশন অন সিকিউরিটি কো-অপারেশন’ (Joint Declaration on Security Cooperation) নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি একটি নতুন ‘অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পদক্ষেপ’ (Economic Security Initiative) প্রসঙ্গে কথা হবে। এতে সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), টেলিযোগাযোগ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    কোয়াড ও ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা

    দুই নেতার আলোচনায় কোয়াড জোটও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসবে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের এই জোট ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের প্রভাবের মোকাবিলায় একটি কৌশলগত গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক টানাপোড়েন—বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত—কোয়াডের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, তবুও ভারত এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    ব্যবসায়ী সম্মেলন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi in Japan) তাঁর এই সফরকালে একটি বিজনেস লিডারস ফোরামেও অংশ নেবেন, যেখানে ভারত ও জাপানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সম্প্রতি গুজরাটে মোদির উপস্থিতিতে সুজুকি মোটর প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে ইভি উৎপাদন শুরু করেছে, যা এই সফরের প্রেক্ষাপটে উল্লেখযোগ্য। এই সফর শুধু ভারত-জাপান সম্পর্ক নয়, গোটা এশিয়া অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলের অভিমত।

  • New Data Law: ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আসছে নয়া আইন! মৌখিক ভাবে চাওয়া যাবে না ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর

    New Data Law: ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আসছে নয়া আইন! মৌখিক ভাবে চাওয়া যাবে না ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, শপিং মল বা নামী বিপণি মৌখিকভাবে ক্রেতাদের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর চাইতে পারবে না (New Data Law)। কেন্দ্রীয় সরকার এমনই এক নতুন আইনের পথে হাঁটছে, যার লক্ষ্য ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। কেন্দ্রের মতে, মুখে মোবাইল নম্বর চাওয়া হলে সেই তথ্য গোপন থাকে না এবং তা নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করে। আবার কেন্দ্রের তরফ সাফ জানানো হয়েছে, মোবাইল নম্বর না দিলেও পণ্য পরিষেবা দিতে হবে বিক্রেতাকে।

    ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট (New Data Law)

    ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট চালু হলে, জনসমক্ষে ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর চাওয়া বেআইনি বলে গণ্য হবে। ইতিমধ্যেই ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আইনের খসড়া তৈরি করেছে কেন্দ্র। অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে ( Digital Personal Data Protection Act), প্রস্তাবিত বিধিতে কোনও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে প্রায় সব বড় দোকান, ওষুধের শোরুম বা শপিং মলে রশিদ দেওয়ার নাম করে বা ‘লয়্যালটি পয়েন্ট’ দেওয়ার অজুহাতে ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি হয় মুখে জিজ্ঞাসা করে, যেখানে আশপাশের লোকজনও শুনে ফেলেন নম্বরটি। এতে ব্যক্তিগত তথ্য অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ পায়, যা নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি বলে মনে করছে সরকার।

    বিপণিগুলি সাধারণত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেই ক্রেতাদের তথ্য রেকর্ড করে রাখে (New Data Law)

    নতুন আইন বলছে, আর মুখে মোবাইল নম্বর চেয়ে নেওয়া যাবে না। বিকল্প কোনও পদ্ধতি অনুসরণ করতেই হবে। বিপণিগুলি সাধারণত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেই ক্রেতাদের ( Digital Personal Data Protection Act) তথ্য রেকর্ড করে রাখে। লয়্যালটি পয়েন্ট, ডিসকাউন্ট বা অফারের সুবিধা দিতে এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে নতুন নিয়ম কার্যকর হলে তাদের প্রচলিত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। ডিজিটাল ও সাইবার সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা এক আইন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ছোট কিছু বদলের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। যেমন, মুখে না বলে ক্রেতা (New Data Law) যেন কিপ্যাড বা স্ক্রিনে নিজে নম্বর টাইপ করেন। এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করলে গোপনীয়তা বজায় রাখা যাবে। ওই বিশেষজ্ঞ আরও জানিয়েছেন, নতুন আইনের অধীনে, কোনও তথ্য কেন নেওয়া হচ্ছে, কতদিন রাখা হবে এবং কবে মুছে ফেলা হবে — এসব বিষয়ে ক্রেতাকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। শুধু তথ্য চাওয়ার মাধ্যমে সম্মতি ধরে নেওয়া যাবে না। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলাদা করে সম্মতি নিতে হবে।

    ইমেল আইডি ব্যবহার করে রশিদ পাঠানো যেতে পারে

    আইন অনুযায়ী, কোনও ক্রেতা যদি মোবাইল নম্বর না-ও দেন, তবু তাঁকে পরিষেবা দিতে হবে। তবে, মোবাইল রিচার্জ বা অনুরূপ যেসব পরিষেবায় মোবাইল নম্বর আবশ্যক, সেখানে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে, শুধু মোবাইল নম্বর নয় — বিপণিগুলিকে বিকল্প চিন্তা করতেও হতে পারে। যেমন, ইমেল আইডি ব্যবহার করে রশিদ পাঠানো, অথবা কাগজে ছাপা রশিদ দেওয়া। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আইন, ব্যবসাতে বাধা দেওয়ার জন্য নয় বরং, ক্রেতার দেওয়া তথ্য যেন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই ব্যবহার হয় এবং সময়মতো তা মুছে ফেলা হয় — সেটাই মূল লক্ষ্য।

    ২০২৩ সালের অগাস্টে সংসদের দুই কক্ষেই এই বিল পাশ হয়

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অগাস্টে সংসদের দুই কক্ষেই এই বিল পাশ হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর তা আইনে পরিণত হয়। তবে প্রায় দু’বছর কেটে গেলেও আইনটি এখনও কার্যকর হয়নি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্র খসড়া বিধি প্রকাশ করে এবং এখন জানানো হয়েছে, এতে কোনও বদল আনার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ এবার থেকে আর ক্রেতাকে মুখে বলে ফোন নং দিতে হবে না।

  • Trumps Tariffs: ট্রাম্পকে ‘শিক্ষা’ দিতে ভারতীয় বস্ত্রের জন্য ৪০টি দেশের বাজার ধরার ভাবনা নয়াদিল্লির

    Trumps Tariffs: ট্রাম্পকে ‘শিক্ষা’ দিতে ভারতীয় বস্ত্রের জন্য ৪০টি দেশের বাজার ধরার ভাবনা নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trumps Tariffs)। তার পরেই মার খেতে পারে ভারতের বস্ত্রশিল্প (Textile Exports)। এই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লি বিশ্বের ৪০টি দেশে বিশেষ মার্কেটিং করার পরিকল্পনা করছে বলে খবর। সরকারি এক আধিকারিক জানান, এই ৪০টি দেশের মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, পোল্যান্ড, রাশিয়া, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ব্রিটেন। তাঁর মতে, এই ৪০টি দেশে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা হল এমন একটি কৌশল গ্রহণ করা যেখানে নিজেদেরকে উচ্চমানের, টেকসই ও উদ্ভাবনী বস্ত্রপণ্যের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। অর্থাৎ, এক ঢিলে দুই পাখি! একদিকে ট্রাম্পের শুল্ক-নীতির মোকাবিলা করা হবে। অন্যদিকে, বিশ্বের দরবারে ভারতীয় বস্ত্রকে তুলে ধরাও হবে।

    সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য (Trumps Tariffs) 

    তিনি বলেন, “ভারতীয় শিল্পখাতের নেতৃত্বমূলক ভূমিকা (যার মধ্যে ইপিসিএস এবং ওই দেশগুলিতে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলিও অন্তর্ভুক্ত) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। জানা গিয়েছে, ভারত ইতিমধ্যেই ২২০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে রফতানি সম্পর্ক স্থাপন করেছে। তবে যে ৪০টি দেশের জন্য বিশেষ যোগাযোগের পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলিই বহুমুখীকরণের প্রকৃত চাবিকাঠি ধরে রেখেছে। প্রশ্ন হল, কেন এই ৪০টি দেশকেই বেছে নেওয়া হয়েছে? সরকারি ওই আধিকারিক বলেন, “এই ৪০টি দেশ একসঙ্গে টেক্সটাইল ও পোশাক আমদানিতে ৫৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি প্রতিনিধিত্ব করে, যা ভারতের জন্য বাজার অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিশাল সুযোগ তৈরি করছে। বর্তমানে ভারতের অংশীদারিত্ব মাত্র প্রায় ৫-৬ শতাংশ (Trumps Tariffs)। বিষয়টি উপলব্ধি করে সরকার এই ৪০টি দেশের প্রতিটিতে বিশেষ মার্কেটিং করার পরিকল্পনা করছে, যেখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে ঐতিহ্যবাহী বাজারের পাশাপাশি উদীয়মান বাজারকেও।”

    মার্কিন চড়া শুল্ক হার

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশের শুল্ক, যা ২৭ অগাস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে, ৪৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রফতানিকে প্রভাবিত করবে। আধিকারিকদের মতে, ভারতের এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিলস্‌ (ইপিসিএস) হবে বৈচিত্র্যকরণ কৌশলের মেরুদণ্ড (Textile Exports)। তারা বাজারের মানচিত্র তৈরি করবে, উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন পণ্য চিহ্নিত করবে এবং সুরাট, পানিপথ, তিরুপুর ও ভদোহির মতো বিশেষ উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকে ৪০টি দেশের সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করবে। ইপিসিএসের কাছ থেকে আরও আশা করা হচ্ছে যে, তারা ভারতের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী, বাণিজ্য মেলা এবং ক্রেতা-বিক্রেতা বৈঠকে অংশগ্রহণে নেতৃত্ব দেবে। একইসঙ্গে ‘ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া’ ধারণার অধীনে বিভিন্ন খাতে প্রচারও করবে। কাউন্সিলগুলি রফতানিকারকীদের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) ব্যবহারের উপায়, টেকসই মানদণ্ড পূরণ এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন পাওয়ার বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেবে। তিনি বলেন, “এই ভৌগোলিক অঞ্চলের সঙ্গে এফটিএ এবং আলোচনার ফলে ভারতীয় রফতানি প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং এই খাতে প্রবৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে (Trumps Tariffs)।”

LinkedIn
Share