Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর আবারও সম্পর্কের উন্নতির পথে হাঁটছে ভারত ও বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation)। মহম্মদ ইউনূসের পরবর্তী জমানায় ঢাকায় নতুন সরকারের গঠন ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দুই দেশ ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থে সব ধরনের ভিসা পুনরায় চালু করেছে। অন্যদিকে, ভারত সরকারও ধাপে ধাপে তাদের ভিসা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতীয়দের জন্য ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি চালু

    বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে। নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের ভিসা সেন্টারগুলো এখন পুরোপুরি কার্যকর। বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ (Riaz Hamidullah) জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর মাসে যে পরিষেবাগুলি বন্ধ হয়েছিল, সেগুলি ফেব্রুয়ারি থেকেই ধাপে ধাপে চালু হয়েছে। গত দুই মাসেই ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে পর্যটন, ব্যবসা, চিকিৎসা এবং পারিবারিক কারণে ভিসা দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকেরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা।

    ভেবেচিন্তে এগোচ্ছে ভারতও

    বাংলাদেশ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও ভারত এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ বর্তমানে আগের তুলনায় মাত্র ১৫–২০ শতাংশ হারে চলছে। জরুরি ও চিকিৎসাজনিত আবেদনগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের সফরে এসে ভিসা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। এর কিছুদিন পরই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri) ঢাকায় যান। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এছাড়া নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীর (Dinesh Trivedi) নিয়োগ এই প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে নানাবিধ অশান্তির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা পরিষেবায় কড়াকড়ি করেছিল। কেবল চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ‘ডবল-এন্ট্রি’ ছাড়া বাকি সব ধরনের ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল অনির্দিষ্ট কালের জন্য। তবে এ বার সেই পরিষেবাও চালু হচ্ছে। সে দেশে অবস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

    ফের পর্যটনে সাড়া

    বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম বড় বিদেশি পর্যটক উৎস। ২০২৩ সালে প্রায় ২১.২ লক্ষ বাংলাদেশি ভারতে এসেছিলেন, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়ায় ১৭.৫ লক্ষে। তবে ২০২৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংখ্যা তীব্রভাবে নেমে আসে প্রায় ৪.৭ লক্ষে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো শহরে ভারতীয় মিশনের সামনে বিক্ষোভের জেরে পরিষেবা কমানো হয়েছিল। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভিসা পরিষেবা সহজ করা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রথম ধাপ। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে দুই দেশ। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সময় বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে, নয়াদিল্লি ও ঢাকা—দুই পক্ষই সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

  • Hypersonic Glide Missile Test: হাইপারসনিক যুগে ভারতের বড় লাফ! নতুন অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা

    Hypersonic Glide Missile Test: হাইপারসনিক যুগে ভারতের বড় লাফ! নতুন অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তিতে বড়সড় সাফল্য পেল ভারত। শুক্রবার ওড়িশা উপকূলের কাছে দীর্ঘ-পাল্লার অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের (Long-Range Anti-Ship Missile বা LR-AShM) সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। শীর্ষ প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি, এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ১,৫০০ কিলোমিটার দূরে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে, যা দেশের সমুদ্র প্রতিরক্ষার পরিসর আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় মাইলফলক।

    গতি ঘণ্টায় ৬১০০ কিমি…

    প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ম্যাক ৫ (শব্দের পাঁচগুণ বা আনুমানিক ঘণ্টায় ৬১০০ কিমি)-এর বেশি গতিতে উড়তে সক্ষম। ফলে আধুনিক যুদ্ধজাহাজে থাকা ইন্টারসেপশন সিস্টেম বা প্রতিরোধী প্রযুক্তিকে ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা এই ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে। পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটির উন্নত টার্মিনাল গাইডেন্স সিস্টেমের নির্ভুলতাও যাচাই করা হয়েছে। উৎক্ষেপণ থেকে চূড়ান্ত আঘাত পর্যন্ত সব মিশন উদ্দেশ্য সফলভাবে পূরণ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল মিড-কোর্স ম্যানুভার এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চগতির ফ্লাইট।

    বিরাট সাফল্য ভারতের…

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য তৈরি অ্যান্টি-শিপ মিসাইল (LR-AShM) হল একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র, যা স্থির ও চলমান—দুই ধরনের লক্ষ্যবস্তুকেই নিশানা করতে পারে। এতে ব্যবহৃত হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অ্যাভিওনিক্স এবং উচ্চ-নির্ভুলতার সেন্সর। ক্ষেপণাস্ত্রটি আধা-ক্ষেপণাস্ত্র গতিপথ (quasi-ballistic trajectory) অনুসরণ করে এবং সর্বোচ্চ ম্যাক ১০ (শব্দের দশ গুণ) পর্যন্ত গতি অর্জন করতে পারে, যদিও গড় গতি থাকে প্রায় ম্যাক ৫। একাধিক ‘স্কিপ’ কৌশল, কম উচ্চতায় উড়ান এবং দ্রুত গতির কারণে শত্রুপক্ষের রাডারে এটি শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।

    হাইপারসনিক গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র..

    দুই-ধাপের সলিড রকেট মোটরের সাহায্যে চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমে বুস্টারের মাধ্যমে গতি অর্জন করে। এরপর প্রাথমিক ধাপ শেষে এটি পৃথক হয়ে যায় এবং দ্বিতীয় ধাপে এটি ইঞ্জিনবিহীন গ্লাইড পর্যায়ে (unpowered glide phase) প্রবেশ করে, তারপর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এই সফল পরীক্ষা ভারতের দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির অগ্রগতিকে আরও একবার সামনে আনল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দূরপাল্লায় শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ নৌ-সম্পদ ধ্বংস করার ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে গেল।

    দুটি পৃথক হাইপারসনিক প্রকল্প….

    চলতি সপ্তাহের গোড়ায় জাতীয় নিরাপত্তা সম্মেলনে (National Security Summit) বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিআরডিও-র (DRDO) প্রধান ড. সমীর ভি কামাত জানিয়েছিলেন, ভারত বর্তমানে দুটি পৃথক হাইপারসনিক প্রকল্পে কাজ করছে— একটি হল হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল (Hypersonic Glide Missile) এবং দ্বিতীয়টি হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল (Hypersonic Cruise Missile)। তিনি বলেন, “হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রে এয়ার ব্রদিং স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন (air-breathing scramjet engine) থাকে এবং পুরো উড়ানের সময় সেটি চালু থাকে। অন্যদিকে হাইপারসনিক গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র বুস্টারের মাধ্যমে প্রাথমিক গতি পেয়ে পরে কোনও প্রোপালসান (ইঞ্জিন) ছাড়াই গ্লাইড করে বা বাতাসে ভেসে যায়।” কামাত আরও জানান, গ্লাইড মিসাইল প্রকল্পটি তুলনামূলকভাবে বেশি উন্নত পর্যায়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, “গ্লাইড মিসাইলই আগে আসবে।”

    কনভেনশনাল মিসাইল ফোর্স গঠনের ভাবনা

    একই সঙ্গে তিনি একটি সম্ভাব্য কনভেনশনাল মিসাইল ফোর্স (conventional missile force) গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, স্বল্প, মধ্যম এবং প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলের (ballistic missile) পাশাপাশি ক্রুজ মিসাইল (cruise missile) এবং হাইপারসনিক মিসাইল (hypersonic missile) সহ বহুমুখী অস্ত্রভান্ডার দরকার, যাতে বিভিন্ন কৌশলগত ব্যবহারের (tactical application) প্রয়োজন অনুযায়ী জন্য আলাদা আলাদা আঘাত হানার ক্ষমতা (strike capability) তৈরি হয়।

    “ঐতিহাসিক অর্জন” বলেছেন রাজনাথ

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে ভারত ধারাবাহিক অগ্রগতি করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ড. এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে দীর্ঘ-পাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায় ডিআরডিও। এর আগে ২০২০ সালে হাইপারসনিক টেকনোলজি ডেমোন্সট্রেটর ভেহিক্যল (Hypersonic Technology Demonstration Vehicle বা HSTDV)-এর সফল পরীক্ষা এবং পরবর্তী স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সাফল্য এনে দেয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এর আগেই এই ধরনের সাফল্যকে “ঐতিহাসিক অর্জন” বলে উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর কথায়, এর মাধ্যমে ভারত বিশ্বের সেই নির্বাচিত কয়েকটি দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, যাদের হাতে উন্নত হাইপারসনিক প্রযুক্তি রয়েছে।

  • Kailash Mansarovar Yatra 2026: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী জুন মাসে, আপনি কী যেতে চান, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কীভাবে হবে জানুন

    Kailash Mansarovar Yatra 2026: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী জুন মাসে, আপনি কী যেতে চান, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কীভাবে হবে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বহুল প্রতীক্ষিত কৈলাস মানসরোবর (Kailash Mansarovar Yatra 2026) যাত্রা আগামী জুন মাস থেকে শুরু হতে চলেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই তীর্থযাত্রা। ইতিমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা এবং আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    ভারত ও চীন—উভয় দেশের সরকারের সমন্বয়ে আয়োজিত এই যাত্রাটি আধ্যাত্মিক শান্তির পাশাপাশি হিমালয়ের (Mount Kailash) অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাক্ষী হওয়ার এক অনন্য সুযোগ থাকে। যারা এই বছর যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা দ্রুত অফিসিয়াল পোর্টালে নজর রাখুন।

    জুন মাস থেকে শুরু হচ্ছে যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026)

    প্রতি বছরের মতো এই বছরেও জুন মাস থেকে কৈলাস মানসরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026) শুরু হওয়ার কথা। উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস এবং সিকিমের নাথুলা পাস—এই দুটি প্রধান পথ দিয়ে যাত্রীরা তিব্বতের এই পবিত্র স্থানে পৌঁছাতে পারেন।

    আবেদনের যোগ্যতা (Eligibility)

    এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলী রয়েছে। যা হল-

    ১. আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।

    ২. যাত্রীর বয়স ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক।

    ৩. যাত্রীকে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে (বডি মাস ইনডেক্স বা BMI ২৫ বা তার কম হওয়া বাঞ্ছনীয়)।

    ৪. তীর্থযাত্রীদের (Mount Kailash) নির্বাচন করা হয় কম্পিউটারাইজড ড্র-এর (Computerized Draw) মাধ্যমে।

    রেজিসট্রেশন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া

    কৈলাস মানসরোবর যাত্রার (Kailash Mansarovar Yatra 2026) জন্য ভারতের বিদেশমন্ত্রক (Ministry of External Affairs) নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আবেদন করার সময় বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক, যার মেয়াদ অন্তত ছয় মাস অবশিষ্ট থাকতে হবে।

    যাত্রার রুট বা পথ। সাধারণত দুটি পথ দিয়ে এই যাত্রা সম্পন্ন হয়:

    উত্তরাখণ্ড রুট: লিপুলেখ পাসের মাধ্যমে এই পথটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং এবং ট্রেকিংয়ের ওপর নির্ভরশীল।

    সিকিম রুট: নাথুলা পাসের মাধ্যমে এই পথটি বয়স্কদের জন্য সুবিধাজনক, কারণ এখানে অধিকাংশ পথই মোটরগাড়িতে যাওয়া যায়।

    প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা

    নির্বাচিত হওয়ার পর যাত্রীদের (Kailash Mansarovar Yatra 2026) দিল্লিতে কঠোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। উচ্চতাজনিত অসুস্থতা (Altitude Sickness) মোকাবিলা করার মতো শারীরিক ক্ষমতা থাকলেই কেবল যাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া যাত্রীদের সাথে রাখতে হয় যথাযথ পরিচয়পত্র এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট।

    পৌরাণিক কাহিনী দ্বারা পরিবেষ্টিত মানসরোবর যাত্রা

    কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026) একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় তীর্থযাত্রা, যেখানে কৈলাস পর্বতকে (Mount Kailash) ভগবান শিবের বাসস্থান হিসেবে পূজা করা হয়। এটি কেবল হিন্দুদের জন্যই নয়, জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্যও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে। হিন্দু বিশ্বাসে এটিকে অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি সমৃদ্ধ পৌরাণিক কাহিনী দ্বারা পরিবেষ্টিত। পুরাণে শ্রুতি রয়েছে, এই পবিত্র স্থানটি ভগবান ব্রহ্মা তৈরি করেছিলেন এবং বিশ্বাস করা হয় যে এর জলে স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়।

    ভারত সরকারের তরফে এই বছর পবিত্র এই তীর্থযাত্রা জুন মাসে শুরু হতে চলেছে। যাত্রার পথ, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে সরকারের ওয়েব সাইটে নজর রাখুন।

  • Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোবার মুহূর্তেও সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন মা। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের কাছে বরগি বাঁধে পর্যটকবাহী ক্রুজ উল্টে যাওয়ার ঘটনায় সামনে এল এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শুক্রবার সকালে উদ্ধারকারীরা যখন নর্মদা নদী থেকে এক মহিলা ও তাঁর চার বছরের সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করেন, দেখা যায় মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মা তাঁর সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টায় বুকের সঙ্গে শক্ত করে জাপটে রেখেছিলেন। একটি লাইফজ্যাকেট। সেই লাইফজ্যাকেটে চার বছরের সন্তানকেও ঢুকিয়ে নিয়েছিলেন। তার পর জাপটে ধরে রেখেছিলেন। শেষ সময়েও আলগা হয়নি মায়ের হাত। এই দৃশ্য উদ্ধারকারীদেরও কাঁদিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সকাল উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানের দেহ। মৃত মা ও শিশুটি দিল্লির বাসিন্দা। তাঁরা সপরিবারে নর্মদায় ভ্রমণে এসেছিলেন। চার জনের ওই পরিবারটিতে বাবা ও মেয়ে কোনওক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে নৌকাডুবি হয়েছে। সেই দুর্ঘটনায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ন’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওই মহিলা এবং তাঁর চার বছরের সন্তান। এখনও নিখোঁজ অনেকে। উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র লোধী। বিজেপি বিধায়ক আশিস দুবে। তিনি বলেন, ‘‘বেশির ভাগ পর্যটককেই উদ্ধার করা হয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, জবলপুরের এই বাঁধটি পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ। বাঁধের জলে নৌকাসফরের বন্দোবস্ত আছে। ছোট ছোট ক্রুজ়ে করে পর্যটকদের ঘোরানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি ক্রুজ নর্মদার মাঝ বরাবর যেতেই হঠাৎ ঝড় শুরু হয়ে যায়। নদীর জলের ঢেউ বাড়তে থাকে। জল উথালপাথাল করতে থাকে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রচণ্ড বেগে হাওয়া চলছিল। বেশ কিছু ক্ষণ ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার পর ক্রুজ়টি এক দিকে হেলে যায়। তার পর সেটি ধীরে ধীরে জলে তলিয়ে যায়।

    সবরকম সহায়তার আশ্বাস সরকারের

    স্থানীয়েরা কয়েক জনকে দড়ির সাহায্যে উদ্ধার করেন। তাঁদের পরনে লাইফজ্যাকেট ছিল। ক্রুজ়টির ছাদের দিক জলের নীচে চলে যায়। ফলে অনেকে লাইফজ্যাকেট পরে থাকা সত্ত্বেও ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সব যাত্রীকে লাইফজ্যাকেট দেওয়া হয়নি। কয়েক জন পেয়েছিলেন। তবে মৃতের আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং আরও কয়েকটি উদ্ধারকারী দল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখনও ৫ শিশু-সহ মোট ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ক্রুজটির ক্যাপ্টেন মহেশ প্যাটেল লাইফ জ্যাকেট পরে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার পূর্ণ সহানুভূতির সঙ্গে পাশে রয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ১ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস (International Labour Day)। এই দিন ‘মে দিবস’ (May Day) নামেও পরিচিত। শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস বহন করে এই দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে এই দিনটি। কিন্তু কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই বিশেষ দিনটির পিছনে? আসুন জেনে নিই।

    সহজ কথায়…

    সহজ ভাষায় বলতে গেলে কাজের ফাঁকে শ্রমিকদের একটু বিশ্রামের দিন এই শ্রমিক দিবস। কাজ তো করতেই হবে। কিন্তু সারাদিন ধরে কাজ করা তো সম্ভব নয়। তাই কাজ যেমন জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাওয়া। এই সহজ কথাটাই নতুন করে মনে করার দিন ১ মে। আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবস। আর এরই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দিতেই দিনটি পালিত হয়ে থাকে।

    আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবসের ইতিহাস

    মে দিবসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শ্রমিকরা আরও ভালো কাজের পরিবেশ, সংক্ষিপ্ত কাজের সময় এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। ১৮৮২ সালে সেন্ট্রাল লেবার ইউনিয়নের আয়োজনে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম শ্রমিক দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় শ্রমিকদের দৈনিক ১২-১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হত। এর বিরুদ্ধে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে হাজার হাজার শ্রমিক রাস্তায় নামেন। ১৮৮৬ সালের ১ মে শুরু হয় ঐতিহাসিক ধর্মঘট। ৪ মে হে মার্কেট অ্যাফেয়ার-এ বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিচালনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়। ভিড় থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে কেউ একজন বোমা ছোড়ে। তার পরে পুলিশ শ্রমিকদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। ফলে প্রায় ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। এই ঘটনাই শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৮৮৯ সালে সেকন্ড ইন্টারন্যাশনাল ঘোষণা করে, প্রতি বছর ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হবে। হে মার্কেটে আন্দোলনের বলিদান হওয়া শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে মনে রেখে এই দিনটি পালন করা হয়।

    ভারতে মে দিবসের ইতিহাস

    ভারতে প্রথম মে দিবস পালিত হয় ১৯২৩ সালে চেন্নাই (তৎকালীন মাদ্রাজ) শহরে। শ্রমিক নেতা এম সিংগারাভেলার এই উদযাপনের সূচনা করেন। তিনিই প্রথম ভারতে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা উত্তোলন করেন। ভারতে শিল্প, নির্মাণ, পরিবহণ, কৃষি ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের কোটি কোটি শ্রমিকের জন্য এই দিন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির যুগে গিগ ইকোনমি, চুক্তিভিত্তিক চাকরি এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার কারণে শ্রমিক অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা জরুরি হয়ে উঠেছে।

    এই দিনটির তাৎপর্য

    বিশ্বব্যাপী ৮০টিরও বেশি দেশে শ্রমিক দিবস পালিত হয়, প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব অনন্য উপায়ে দিবসটি পালন করে। অনেক দেশে, শ্রমিক দিবস একটি জাতীয় সরকারী ছুটির দিন (National Holiday) হিসাবে পালন করা হয়, যার ফলে শ্রমিকরা তাদের কাজের থেকে প্রাপ্য বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে।

    কেন এখনও প্রাসঙ্গিক মে দিবস?

    বর্তমানে শ্রমিকদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে—

    • চুক্তিভিত্তিক কাজের বৃদ্ধি
    • সামাজিক সুরক্ষার অভাব
    • কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সমস্যা
    • নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও সুযোগের প্রশ্ন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র অতীতের সংগ্রাম স্মরণ নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মপরিবেশ আরও মানবিক করার প্রতিশ্রুতিও বহন করে মে দিবস।

    সচেতনতা বৃদ্ধি

    প্রতি বছর বিভিন্ন দেশ আলাদা থিম নিয়ে মে দিবস পালন করে। ২০২৬ সালে মূল ফোকাস রাখা হয়েছে শ্রমিক কল্যাণ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা-র উপর। শ্রমিক দিবসের দিন অনেক জায়গাতেই প্যারেড বা সমাবেশ হয়, যেখানে শ্রমিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলি তাঁদের দাবিতে সরব হতে এবং তাদের সাফল্য উদযাপন করতে একত্রিত হয়। এই অনুষ্ঠানগুলি আসলে শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও উন্নত কাজের পরিবেশের পক্ষে প্রচারের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। মে দিবস শুধুমাত্র একটি ছুটির দিন নয়, বরং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। বিশ্বজুড়ে কর্মপরিবেশ বদলালেও শ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

  • Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চাণক্য সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly election) ও অসমে গেরুয়া ঝড় এবং কেরল ও তামিলনাড়ুতে পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চাণক্যের (Chanakya Analysis) বুথ ফেরত সমীক্ষায় অসম এবং বাংলায় বিজেপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তামিলনাড়ুতে স্টালিনের নিজের জয় অবিচল রাখতে জোরদার লড়াই হবে। কেরলে কংগ্রেস সমর্থিত ইউডিএফ সরকার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে আছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ৪ এপ্রিলেই জানা যাবে  যেসরকার কারা গড়ছে চার রাজ্যে।

    ১. পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Chanakya Analysis)

    চাণক্যের (Chanaky Analysis) পূর্বাভাস সত্যি হলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি+: ১৯২ (±১১) আসন
    • তৃণমূল কংগ্রেস (TMC): ১০০ (± ১১) আসন
    • অন্যান্য: ০২ (± ০২) আসন

    রাজ্যে তৃণমূলের (West Bengal Assembly election) দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারে।

    ২. অসম: ডাবল ইঞ্জিন সরকারে আস্থা

    অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পথে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি জোট (NDA): ১০২-১১১ আসন
    • কংগ্রেস জোট (INC+): ২৩-৩২ আসন
    • অন্যান্য: ০-১ আসন

    অসমে বিরোধী জোট বিশেষ সুবিধা করতে পারছে না, বড় জয়ের পথে এনডিএ।

    ৩. তামিলনাড়ু: দ্রাবিড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

    তামিলনাড়ুতে এম.কে. স্ট্যালিনের ডিএমকে (DMK) জোট এগিয়ে থাকলেও, অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে (TVK) চমকপ্রদ ফল করতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ডিএমকে জোট (DMK+): ১২৫-১৩৬ আসন
    • টিভিকে (TVK): ৬৩-৭৪ আসন
    • এআইএডিএমকে (AIADMK/NDA): ৪৫-৫৬ আসন

    ডিএমকে কোনোমতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Chanakya Analysis) পেলেও প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে বিজয়ের দল।

    ৪. কেরল: ক্ষমতার পটপরিবর্তন

    কেরলে প্রথা মেনে আবারও বামপন্থীদের হটিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ইউডিএফ (UDF): ৬৯-৭৭ আসন
    • এলডিএফ (LDF): ৬৪-৭৩ আসন
    • বিজেপি (BJP): ৭-১১ আসন

    এলডিএফ এবং ইউডিএফ-এর মধ্যে কড়া টক্কর হলেও পাল্লা সামান্য ভারী কংগ্রেস শিবিরের দিকে। বিজেপিও রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও নাবালিকাকে গর্ভপাত না-করানোর জন্য জোর করা যায় না— বৃহস্পতিবার এক মামলার শুনানিতে এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্য, কেন্দ্রের উচিত আইন সংশোধন করা, যাতে ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলারা গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরেও (বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ সপ্তাহ পরে) স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর অনুমতি পান। চলতি মাসেই শুরুর দিকে ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। একজন ১৫ বছরের কিশোরীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়

    একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিন্তু গর্ভধারণ যখন সাত মাসে পৌঁছে যায়, তখন বিষয়টি কেবল চিকিৎসাবিজ্ঞানের নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে জটিল নৈতিক প্রশ্নও। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট একটি ১৫ বছরের কিশোরীকে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তাকে এই গর্ভধারণ চালিয়ে যেতে বাধ্য করা হলে তার মর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কিশোরী তীব্র মানসিক চাপে ছিল, এমনকী আত্মহত্যার চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। এই রায় সংশ্লিষ্ট পরিবারকে স্বস্তি দিলেও, একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে এমন এক বাস্তবতা, গর্ভাবস্থার শেষের দিকে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনওই সহজ নয়।

    মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আদালতের ওই নির্দেশের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আর্জি জানিয়েছিল এমস। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। এমসের ওই আর্জি নিয়ে প্রশ্ন তোলে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। গর্ভপাতের অনুমতি না দিলে ওই শিশুকে সারাজীবন সেই মানসিক ক্ষত বয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে নাবালিকা মায়ের কোনও শারীরিক অক্ষমতা না থাকলে গর্ভপাত করানো উচিত বলেই মনে করছে আদালত। এমসের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলে, কেউ না চাইলে তাঁর উপর জোর করে গর্ভাবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যায় না। বেঞ্চের মন্তব্য, “এক বার ভেবে দেখুন, সে তো এখনও ছোট। এখন তার পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকার কথা। অথচ আমরা তাকে জোর করে মা বানাতে চাইছি। ভাবুন তো এই গোটা প্রক্রিয়ায় নাবালিকা কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আইনেও সংশোধনী আনা দরকার

    স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর জন্য আইনেও সংশোধনী আনা দরকার বলে মনে করছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কেন্দ্রের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে আপনারা আইনটি সংশোধন করুন। ধর্ষণ বা এই ধরনের ঘটনায় কেউ অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ করলে স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের জন্য যেন কোনও সময়সীমা না থাকে।” আইনের আরও প্রগতিশীল হওয়া এবং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা দরকার বলে মনে করছে আদালত। কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনকে এমন ভাবে সংশোধন করতে হবে যাতে এই ধরনের আবেদনগুলির এক সপ্তাহের মধ্যেই বিচার হয়ে যায়। এমস-কে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে এবং সঠিক কাউন্সেলিং করে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে ওই নাবালিকারই হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত কঠিন

    চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত আর সাধারণ অ্যাবরশন নয়। এই সময়ে ভ্রূণ অনেকটাই পরিণত হয় এবং মায়ের শরীরের বাইরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। ফলে প্রক্রিয়াটি অনেকটা আগাম প্রসব (প্রিটার্ম ডেলিভারি)-এর মতো হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত এই পর্যায়ে গর্ভপাত করতে হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ, এমনকী অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়তে পারে। শারীরিক ঝুঁকির পাশাপাশি মানসিক অভিঘাতও কম নয়। অন্যদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভপাত করলে অনেক ক্ষেত্রেই জীবিত শিশুর জন্ম হতে পারে, যাকে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা (এনআইসিইউ)-এর সাহায্যে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। এখানেই তৈরি হয় আরেকটি জটিলতা, একদিকে মায়ের অধিকার ও সুস্থতা, অন্যদিকে ভ্রূণের সম্ভাব্য জীবন। এই দ্বন্দ্বের সমাধান নেই।

    কিশোরী মায়েদের ঝুঁকি বেশি

    ১৫ বছর বয়সে শরীর পুরোপুরি গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত থাকে না। তাই এ সময় গর্ভধারণে রক্তাল্পতা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া বা প্রসবজনিত জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। গর্ভপাত করালেও এই ঝুঁকিগুলো পুরোপুরি এড়ানো যায় না, বরং প্রক্রিয়ার ধরন অনুযায়ী নতুন জটিলতা যোগ হতে পারে। ১৫ বছরে গর্ভধারণ শুধু শারীরিক নয়, গভীর মানসিক চাপও তৈরি করে। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে থাকে ভয়, লজ্জা, সামাজিক চাপ এবং কখনও কখনও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা। এই পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক সহায়তাও অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ একসঙ্গে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন। তারা মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, গর্ভাবস্থার সময়কাল এবং ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।

  • UAE: ওপেক গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে এল আরব আমিরশাহি, পোয়া বারো ভারতের, কীভাবে জানেন?

    UAE: ওপেক গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে এল আরব আমিরশাহি, পোয়া বারো ভারতের, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (UAE) অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (OPEC) থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় বদলে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিস্থিতি। শুধু তাই নয়, এটি (Strait of Hormuz) জন্ম দিয়েছে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যেও নয়া সম্ভাবনার। ১ মে থেকে আবুধাবি আর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন তেল কার্টেলের উৎপাদন সীমাবদ্ধতার অধীনে থাকবে না। নিজস্ব ক্ষমতা অনুযায়ী অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করতে পারবে।

    ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন (UAE)

    এর ফলে কৌশলগত ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন ব্যবহার করে ভারতের কাছে তেল রফতানি বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হয়েছে। এভাবে তেল এলে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া যাবে হরমুজ প্রণালী। যেহেতু ইউএই অবিলম্বে দৈনিক ১০ লক্ষ ব্যারেল পর্যন্ত উৎপাদন বাড়াতে পারে, তাই ভারতের জন্য এটি একটি ইতিবাচক খবর। ভারত এবং ইউএইর মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা ভিত্তিক গভীর কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। ইউএই ইতিমধ্যেই ভারতের অন্যতম প্রধান অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশের জায়গা নিয়ে নিয়েছে। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে অশান্তির সময় ভারত ফুজাইরাহ পথ ব্যবহার করে তেল আমদানি বাড়িয়েছে। এখন ওপেকের কোটা না থাকায় ইউএই ভারতের কাছে আরও বেশি তেল, এমনকি তুলনামূলকভাবে সস্তা দরে তেলও পাঠাতে পারবে। ভারত তার পেট্রোল, ডিজেল ও পেট্রোকেমিক্যাল চাহিদার জন্য এই সব আমদানির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল (UAE)।

    ওপেকের সদস্যপদে ইতি

    মঙ্গলবার ঘোষিত আবুধাবির এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রায় ৬০ বছরের ওপেক সদস্যপদে ইতি ঘটল। ইউএইর রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ডাব্লুএএম (WAM) জানিয়েছে, উৎপাদন নীতি ও জাতীয় স্বার্থের গভীর পর্যালোচনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রী সুহাইল মোহাম্মদ আল মাজরুইয়ের মতে, “এটি দীর্ঘমেয়াদি বাজার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিনির্ভর একটি পরিবর্তন (Strait of Hormuz)।” এডিএনওসি (ADNOC) প্রধান সুলতান আল জাবের একে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন, যা দেশের প্রকৃত উৎপাদন ক্ষমতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বহু বছর ধরে ওপেক ইউএইর উৎপাদন দৈনিক প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন ব্যারেলে সীমাবদ্ধ রেখেছিল, যদিও দেশটির তেলক্ষেত্র ও পরিকাঠামো তার চেয়ে অনেক বেশি সামলাতে সক্ষম। ইউএই মনে করেছিল, এই কোটা তাদের বাড়তে থাকা ক্ষমতার তুলনায় খুবই কম। কারণ বর্তমানে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ৪.৮–৫ মিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি (UAE)।

    ভারতের জন্য নিরাপদ রফতানি পথ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন ভারতের জন্য একটি নিরাপদ রফতানি পথ। এই নয়া সুযোগের মূল আকর্ষণ হল হাবশান-ফুজাইরাহ্ তেল পাইপলাইন, যা আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (ADCOP) নামেও পরিচিত। এটি আবুধাবির হাবশান তেলক্ষেত্র থেকে ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ্ বন্দরের ৩৮০–৪০৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পাইপলাইনটি ২০১২ সালে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এড়ানো। ৪৮ ইঞ্চি ব্যাসের এই পাইপলাইনের ক্ষমতা দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল, যা ১.৮ মিলিয়ন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে (UAE)। ফুজাইরাহ্ থেকে ট্যাঙ্কারগুলি মুরবান ক্রুড নিয়ে সরাসরি আরব সাগরে চলে যায়, ফলে ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করতে হয় না। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের ২০ শতাংশই চলাচল করে এই প্রণালী দিয়ে (Strait of Hormuz)।

    বাড়ানো হল ফুজাইরাহ্ দিয়ে আমদানি

    ভারতের জন্য এই পথ ইতিমধ্যেই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। হরমুজে বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ফুজাইরাহ্ দিয়ে আমদানি বাড়িয়েছে। এখন ইউএই ওপেক সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হওয়ায় এই পথে আরও বেশি তেল পাঠানো সম্ভব হবে।ফুজাইরাহ্ বর্তমানে বড় তেল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে স্টোরেজ ট্যাঙ্ক, বাঙ্কারিং সুবিধা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর রয়েছে। উপসাগরের বাইরে এর অবস্থান হওয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনায়ও কম ঝুঁকিপূর্ণ। ভারত ও ইউএইর মধ্যে একটি কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ রয়েছে, যা শুধু তেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে জ্বালানি।

    অপরিশোধিত তেল আমদানি

    ইউএই ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ৯–১০ শতাংশ সরবরাহ করে এবং এলএনজি (LNG) সরবরাহেও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সাম্প্রতিক চুক্তির মধ্যে রয়েছে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলএনজি চুক্তি, এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলির ইউএইর তেলক্ষেত্রে অংশীদারিত্বও রয়েছে। ইউএইর ওপেক ত্যাগ এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ভারতীয় রিফাইনারিগুলি, যারা ইতিমধ্যেই মার্বান (Murban) গ্রেডের সঙ্গে পরিচিত, তারা আরও স্থিতিশীল সরবরাহ ও সম্ভবত ভালো মূল্য পেতে পারে (UAE)। আজকের যুদ্ধ ও অস্থিরতার যুগে নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই ইউএইর মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদার ভারতের জন্য বিশেষ মূল্যবান। ফুজাইরাহ্ পথ ভারতের হরমুজ প্রণালী নির্ভরতার ঝুঁকি কমায় এবং বহুমুখী আমদানির সরকারি নীতি সমর্থন করে।

    ওপেকের পক্ষে বড় ধাক্কা

    আমিরশাহির এই সিদ্ধান্ত বহুদিনের অসন্তোষের ফল। আবুধাবি এডিএনওসির মাধ্যমে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবং ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ওপেক নিয়মের কারণে তাদের অনেক সময় ক্ষমতার তুলনায় ৩০ শতাংশ কম উৎপাদন করতে হয়েছে। এটি ওপেকের পক্ষে একটি বড় ধাক্কা, কারণ তারা তাদের তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদককে হারাল। এখন ওপেকের সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ১১-য়। স্বাভাবিকভাবেই বৈশ্বিক সরবরাহে তাদের প্রভাব কিছুটা কমবে। যদিও ইউএই সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে তারা ধীরে ধীরে ও দায়িত্বশীলভাবে উৎপাদন বাড়াবে। দীর্ঘমেয়াদে এই নীতিগত পরিবর্তন ইউএইকে ভারতের মতো দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির চাহিদার একটি দেশের জন্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সাহায্য করবে (UAE)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আবুধাবি সম্ভবত তাদের অবশিষ্ট তেল মজুত দ্রুত নগদীকরণ করতে চায়, যতদিন (Strait of Hormuz) ভারত-সহ এশিয়ার বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

     

  • US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (US Returns Indian Antiquities) রক্ষায় বড় সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরল ৬৫৭টি চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শন, যার মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দফতর ভারতে ফিরিয়ে দিল ওই চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শনগুলি। আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ তদন্তের পর এই বিরল সংগ্রহ উদ্ধার করা হয়। মোট মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। নিউ ইয়র্কে ভারতীয় কনস্যুলেটের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই নিদর্শনগুলি হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল কুখ্যাত পাচারকারী সুভাষ কপুর এবং দোষী সাব্যস্ত আর্ট ডিলার ন্যান্সি উইনার।

    উদ্ধার হওয়া উল্লেখযোগ্য নিদর্শন

    ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন এল ব্র্যাগ জুনিয়র বলেন, “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্য করে যে পাচারচক্র কাজ করেছে, তার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এই পুনরুদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ হলেও, হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর কাজ এখনও চলবে। ফিরিয়ে দেওয়া সামগ্রীগুলির মধ্যে রয়েছে বহু ঐতিহাসিক ও উচ্চমূল্যের শিল্পকর্ম—

    • ব্রোঞ্জ অবলোকিতেশ্বর মূর্তি: মূল্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার। রায়পুরের মহন্ত ঘাসিদাস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম থেকে চুরি হয়ে ১৯৮২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়। ২০২৫ সালে একটি ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে উদ্ধার করা হয়।
    • লাল বেলেপাথরের বুদ্ধ মূর্তি: মূল্য আনুমানিক ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। সুভাষ কপুরের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হয়ে নিউ ইয়র্কের একটি গুদাম থেকে উদ্ধার।
    • নৃত্যরত গণেশ মূর্তি: মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে ২০০০ সালে চুরি হয়। জাল নথির মাধ্যমে বিক্রি হয়ে ২০১২ সালে ক্রিস্টিজ নিলামে ওঠে। চলতি বছরে এক সংগ্রাহক তা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেন।

    আন্তর্জাতিক পাচারচক্রে বড় ধাক্কা

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সুভাষ কপুরের পাচারচক্রের (US Returns Indian Antiquities) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ২০২২ সালে ভারতে দোষী সাব্যস্ত হন কপুর এবং বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের কনসাল জেনারেল বিনয় প্রধন এই উদ্যোগের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই নিদর্শনগুলি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬,২০০টি নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার। এগুলি ৩৬টি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হস্তান্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা হবে দেশের আরও তিন রাজ্যের বিধানসভার (Assembly Elections 2026)। এই রাজ্য তিনটি হল অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ফল ঘোষণাও হবে ওই দিনই (Exit Poll)। বুধবারই বাংলায় সাঙ্গ হল দু’দফার ভোট-পর্ব। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসছে, তা নিয়ে জল্পনা। এর কারণ একাধিক এক্সিট পোল বা  বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। দেখে নেওয়া যাক, কী বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

    অসমের এক্সিট পোল

    ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৬৪। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, অসমে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৪ থেকে ৩৬টি আসন। একটিও আসনও পাচ্ছে না এআইইউডিএফ। অন্যরা পেতে পারে শূন্য থেকে ৩টি আসন। জনমত পোলস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৭ থেকে ৯৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৯ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা কোনও আসন পাবে না। জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০১টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৩টি আসন। এআইইউডিএফ পেতে পারে ২ থেকে ৫টি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫ থেকে ৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৬ থেকে ৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)।

    তামিলনাড়ুর এক্সিট পোল

    দক্ষিণের দুটি রাজ্যেও হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৮টি আসন। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, তামিলনাড়ুতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শাসকদল ডিএমকে, এডিএমকে এবং অভিনেতা বিজয়ের নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকে-ও। এবার সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে এই নয়া দল। ঘুরে দাঁড়াতে পারে এডিএমকে-ও। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৯২ থেকে ১১০টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ২২ থেকে ২৩টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ৯৮ থেকে ১২০টি আসন।

    বুথ ফেরত সমীক্ষা

    জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ৭৫ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ১২৮ থেকে ১৪৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৮ থেকে ১৫টি আসন। অন্যরা কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।কামাক্ষ্যা অ্যানালেটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৬৮ থেকে ৮৪টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন (Exit Poll)। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ১২২ থেকে ১৩২টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৮৭ থেকে ১০০টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। অন্যরা খুব বেশি হলে পেতে পারে ৬টি আসন।

    কেরলের এক্সিট পোল

    দক্ষিণের আর এক রাজ্য কেরলেও হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৭১টি আসন। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, কেরলে এবার সরকার পরিবর্তন হতে চলেছে। বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গড়তে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এলডিএফ ৪৯ থেকে ৬২টি আসন পেতে পারে। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯০টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)। পিপলস ইনসাইটের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, বামেদের জোট এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৬৬ থেকে ৭৬টি আসন। পদ্ম-ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১৪টি আসন। অন্যরা পাবে সর্বোচ্চ একটি আসন (Exit Poll)। পিপলস পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, এলডিএফ পেতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৫ থেকে ৮৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন। ভোট ভাইবের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৪টি আসন। বিজেপি কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।

    পুদুচেরির এক্সিট পোল

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি বিধানসভার ফলও বেরবে ৪ তারিখেই। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৬টি আসনের। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসির নেতৃত্বাধীন শাসকদল এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। অভিনেতা বিজয়ের টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ২ থেকে ৪টি আসন। অন্যরা পেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তার সহযোগীরা পেতে পারে ১৭ থেকে ২৪টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়তে পারে ৪ থেকে ৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন। অন্যরা পেতে পারে সর্বোচ্চ একটি আসন। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ১৯টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। টিভিকে কোনও আসনই পাচ্ছে না। অন্যরা পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন (Assembly Elections 2026)। প্রাইয়া পোলের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তাদের সহযোগীরা পেতে পারে ১৯ থেকে ২৫টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। টিভিকে কোনও আসন পাবে না। অন্যদের অবস্থাও তথৈবচ (Exit Poll)।

     

LinkedIn
Share