Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Modi Government: লগ্নি ৩৩০০ কোটি টাকা, দেশের পঞ্চম সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটকে অনুমোদন কেন্দ্রের

    Modi Government: লগ্নি ৩৩০০ কোটি টাকা, দেশের পঞ্চম সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটকে অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরে গুজরাটের সানন্দ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi Government) এই রাজ্যে নয়া সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট (Semiconductor Factory) খুলছে কেন্স কোম্পানি। পুরো নাম কেন্স সেমিকন প্রাইভেট লিমিটেড। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আয়োজিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। এই ইউনিটটি হবে ভারতের পঞ্চম সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট। এটি তৈরি হলে মজবুত হবে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম।

    বিরাট বিনিয়োগ

    জানা গিয়েছে, কোম্পানিটি সানন্দের এই ইউনিটে বিনিয়োগ করবে ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এই ইউনিটে প্রতিদিন ৬০ লাখ চিপ উৎপাদন হবে। বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হবে এই চিপগুলি। এর মধ্যে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিস্টেম, অটোমোটিভ টেকনোলজি, ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল, কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স, টেলিকম ইক্যুপমেন্ট এবং মোবাইল ফোন।

    সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট

    ২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর হয় প্রোগ্রাম ফর ডেভেলপমেন্ট অফ সেমিকন্ডাক্টর্স অ্যান্ড ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম ইন ইন্ডিয়া। এই প্রোগ্রামের টোটাল বাজেট ছিল ৭৬ হাজার কোটি টাকা। সানন্দে দেশের প্রথম সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটটি খোলে ২০২৩ সালের জুন মাসে। তার পরের তিনটি ইউনিট অনুমোদন পায় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। টাটা ইলেকট্রনিক্স ঢোলেরায় সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব সেটিং তৈরি করেছে। এই চারটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট দ্রুত তৈরি হচ্ছে। যার জেরে এই এলাকায় দ্রুত সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে উঠছে। এই ইউনিটগুলি সব মিলিয়ে টানবে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ। সব ইউনিটগুলি মিলিয়ে দৈনিক উৎপাদন (Modi Government) হবে ৭ কোটি চিপ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    কৃষিক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকার প্যাকেজ

    এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে কৃষিক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকার প্যাকেজও অনুমোদিত হয়েছে। দেশে যাতে খাদ্য নিরাপত্তা বজায় থাকে, তাই এই প্যাকেজ অনুমোদন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, সব মিলিয়ে সাতটি প্রকল্পকে এদিন সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “কৃষকদের জীবনের মানোনয়ন ও তাঁদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রথমটি হল, ডিজিট্যাল কৃষি মিশন। এটি কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “মোট ২০ হাজার ৮১৭ কোটি টাকার (Semiconductor Factory) বিনিয়োগে ডিজিটাল কৃষি মিশন স্থাপন করা হবে (Modi Government)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    Jharkhand: শাল-মহুয়া-পলাশের ঘন অরণ্য, দূরে পাহাড়ের শ্রেণি, ঘুরে আসুন প্রজাপতির দেশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরণ্য যাঁদের প্রথম প্রেম, অখণ্ড নির্জনতা, পাখির কূজন আর পাহাড়ের বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর প্রাণবন্ত চপলতায় নেমে আসা ঝর্ণা যাঁদের হৃদয়ে, তাঁদের কাছে অন্যতম সেরা গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান মারোমার (Jharkhand) আর আঁকশি। বেতলা জাতীয় উদ্যান থেকে নেতারহাট যাওয়ার পথে পড়বে মহুয়াডার। এই মহুয়াডার থেকেই রাস্তা ভাগ হয়ে গিয়েছে। একটি রাস্তা চলে গিয়েছে নেতারহাট, অপর রাস্তাটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এবড়ো-খেবড়ো, আঁকা-বাঁকা রুক্ষ পাথুরে পথ বেয়ে চলে গিয়েছে মারোমারের দিকে। চারদিকে শাল, মহুয়া, পলাশ, শিমুলের ঘন অরণ্য, দূর থেকে দেখা যায় পাহাড়ের শ্রেণি, এরই মাঝে অবস্থান এই মারোমারের। মারোমার যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি, স্থানীয় মানুষের ভাষায় যা বেশি পরিচিত মারুমার নামে।

    প্রজাপতির দেশ (Jharkhand)

    এখানকার বন বাংলোটিতে বসে বসেই কাটিয়ে দেওয়া যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এখানে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতির। তাই অনেকেই একে প্রজাপতির দেশ বলে থাকেন। বাংলোর পাশেই পাহাড়। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে এসেছে একটি অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা। নাম, মিরচাইয়া ফলস। উত্তর কোয়েল নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট মিরচাইয়া ফলস প্রায় ১০০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে এসেছে নীচে। এই অপরূপ সৌন্দর্যকে (Maromar Forest) ভাষায় প্রকাশ করা এক প্রকার অসাধ্য।

    সুগা বাঁধ ও আঁকশি 

    মারোমার থেকে আরও প্রায় ২০ কিমি দূরে আর একটি দারুণ সুন্দর স্পট ‘সুগা বাঁধ’। মারোমার থেকে আর একটু অরণ্য পথে গেলে ‘আঁকশি’। এও এক অসামান্য রূপসী স্থান। চারদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নীচ দিয়ে বয়ে চলা নদী, মনপ্রাণ যেন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এর কাছেই রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। এখানকার অরণ্যে বাস হরিণ, বুনো শুকর, শজারু, হায়না, বন্য কুকুর, যাদের স্থানীয় ভাষায় বলে ‘ঢোল’। আছে অজস্র বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, আর আছে দামাল হাতির পাল। তবে মারোমারের (Jharkhand) পর থেকে আর সহজে হাতির দেখা মেলে না।

    অবস্থান, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া (Jharkhand)

    বেতলা থেকে মারোমারের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। পথ হবে এই রকম, বেতলা-গাড়ু-মহুয়াডার-মারোমার-বারেসাদ-আঁকশি-উলফ স্যাংচুয়ারি।

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে ডাল্টনগঞ্জ যাওয়ার ট্রেনে (যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন ) এসে নামতে হবে বারাওডি ষ্টেশনে। সেখান থেকে বাকি পথ যেতে হবে গাড়িতে।

    থাকা-খাওয়া-এই পথে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভরসা বনবাংলো। এখানেই হতে পারে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (Maromar Forest)। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ-ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ, অথবা ফোন করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর গাড়ি বা জঙ্গলে সাফারি করার জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    Tripura: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনএলএফটি (NLFT) ও এটিটিএফ (ATTF)-এর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করলেন (Tripura) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। গত বছরেরই অক্টোবরে ত্রিপুরার এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠীকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (ইউএপিএ) নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠী ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলিকে। বছর ঘোরার আগেই অবস্থান বদলে তাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ (Tripura)

    এই চুক্তি স্বাক্ষরকে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে বর্ণনা করেছেন শাহ। তিনি বলেন, “৩৫ বছর পরে আপনারা অস্ত্র ছেড়ে গণতন্ত্রের মূল স্রোতে ফিরে এলেন। এটা আমাদের সকলের জন্য আনন্দের বিষয়।” এদিন নয়াদিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে স্বাক্ষরিত হয় শান্তিচুক্তি। শাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এবং গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকরা। শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় একদিকে যেমন রাজ্যে উন্নত হবে আইনশৃঙ্খলা, তেমনি সুগম হবে উন্নয়নের পথ।

    কী বললেন শাহ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে আর একটি পদক্ষেপ করল ত্রিপুরা। উত্তর-পূর্ব ভারতে এ নিয়ে দ্বাদশ চুক্তি হল, ত্রিপুরায় হল তৃতীয় চুক্তি। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বিদ্রোহী আত্মসমর্পণ করেছেন, অস্ত্র ছেড়ে দিয়েছেন এবং সমাজের মূলধারায় যোগ দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ এনএলএফটি এবং এটিটিএফ-এর আত্মসমর্পণ ও এই চুক্তির মাধ্যমে ৩২৮ এর বেশি সশস্ত্র ক্যাডার সমাজের মূলধারায় যোগ দেবেন।”

    আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    ১৯৯৬ সালে বাম আমলে আত্মপ্রকাশ করে ওই দুই জঙ্গি সংগঠন। গণহত্যা, অপহরণ, চোরাচালান-সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির মধ্যে এনএলএফটি উগ্র বাম বিরোধী বলে পরিচিত। আবার এটিটিএফ নেতৃত্বের একাংশ বাম ঘনিষ্ঠ বলে নানা সময় অভিযোগ উঠেছে। দুই সংগঠনের নেতারাই দক্ষিণ ত্রিপুরার জনজাতি সম্প্রদায়ের। উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি ফেরাতে এই দুই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর (Amit Shah) একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে (Tripura)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) মামলার। এদিন যে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বসছে না, তা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার জানা গেল, অন্য বেঞ্চেও রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। শীর্ষ আদালতে নয়া শুনানির যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেই তালিকায় রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। তবে কবে পরবর্তী শুনানি হবে, তা আজ, বৃহস্পতিবার জানানো হতে পারে বলে আদালত সূত্রে খবর।

    সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি (RG Kar Incident)

    বুধবার সন্ধেয় সুপ্রিম কোর্টের তরফে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বসবে না প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। এই বেঞ্চের দুই সদস্য বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্র আলাদা করে ১০ নম্বর কোর্টের কিছু মামলা শুনবেন। তবে কোন মামলা শুনবেন, তা স্পষ্ট নয়। পরে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে শীর্ষ আদালত। সেখানে ১০ নম্বর কোর্টে কোন কোন মামলার শুনানি হবে, তার তালিকা প্রকাশিত হয়। এই তালিকায় দেখা যায়, আরজি কর মামলা নেই। আরজি করের (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে দিন গুণছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররাও তাকিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিকে। শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশ তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ৫২ বাড়িয়ে ৮০! কার চাপে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বাড়ানো হত নম্বর?

    সুয়োমটো কগনিজেন্স

    জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই আদালতে আসছেন না প্রধান বিচারপতি। অসুস্থতার কারণেই তাঁকে কোর্টে দেখা যাচ্ছে না বলে খবর। বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বরও তিনি কোর্ট গরহাজির থাকছেন। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলা হয় ‘মাস্টার অফ রস্টার’। কোন মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে, তা ঠিক করেন তিনিই। তবে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) সুয়োমটো কগনিজেন্স নিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাই মামলাটি অন্য বেঞ্চে পাঠানো হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার একটি পরিবর্তিত মামলার তালিকা আসতে পারে। তখনই জানা যাবে এই মামলার ভবিষ্যত কী হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘মন চায় না গরমের ছুটিতে বেতন নিতে’, মন্তব্য দেশের হবু প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতির

    Supreme Court: ‘মন চায় না গরমের ছুটিতে বেতন নিতে’, মন্তব্য দেশের হবু প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৭ সালেই দেশ পেতে চলেছে প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতিকে (Supreme Court)। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র বিচারপতিদের মধ্যে একজন হলেন বিভি নাগরত্না (Justice BV Nagarathna)। সম্প্রতি বিচারপতি নাগরত্না মন্তব্য করেছেন, বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা প্রত্যেক বছরই গরমের সময় লম্বা ছুটি নেন, সবেতন ছুটি নেন, কাজ না করে এমনভাবে বেতন নিতে তাঁর অন্তরাত্মা সায় দেয় না, কিন্তু চাইলেই বেতন ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

    মধ্যপ্রদেশের একটি মামলার শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন বিচারপতি নাগরত্না (Supreme Court)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিভি নাগরত্না এই মন্তব্য করেন। মামলাটি ছিল মধ্যপ্রদেশের চারজন বিচারকের বরখাস্ত সংক্রান্ত। মধ্যপ্রদেশের সরকার একটি বিবাদের কারণে নিম্ন আদালতের এই বিচারকদের বরখাস্ত করেছিল। সেই বিচারকদের বিচারপতি নাগরত্না (Justice BV Nagarathna) মাস কয়েক আগে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় চাকরিতে বহাল করেন। চাকরিতে বহাল হওয়ার পরে ওই বিচারকরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন, বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ে তাঁর বেতনের দাবিতে। তাঁদের অভিযোগ ছিল রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি মানছে না তাই শীর্ষ আদালতে এই ব্যাপারে তার নির্দেশ দিক। এই শুনানিতেই বিভি নাগরত্না (Justice BV Nagarathna) মামলাকারীর আইনজীবীকে বলেন, মধ্যপ্রদেশ সরকারের বরখাস্তের আদেশকে সুপ্রিম কোর্ট বেআইনি বলেনি। শুধু বরখাস্তের মেয়াদ কমিয়ে চাকরি ফিরিয়ে দিয়েছে। বরখাস্ত থাকাকালে ওই ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করেননি। বিনা কাজে বেতন দাবি করেন কীভাবে? এই প্রেক্ষিতেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘‘কাজ না করে এমনভাবে বেতন নিতে আমার মন সায় দেয় না।’’

    ২৭ দিনের জন্য হবেন প্রধান বিচারপতি

    প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রধান বিচারপতি হবেন তিনি (Supreme Court)। সে ক্ষেত্রে তিনিই হবেন দেশের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি। অবশ্য তা মাত্র ২৭ দিনের জন্য। বিচারপতি বিভি নাগরত্না আদতে কর্নাটকের বাসিন্দা, তাঁর পিতা ভেঙ্কটারামাইয়া শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। বিচারপতির এমন মন্তব্যে একাধিক আইনজীবীর ভিন্ন মত শোনা গিয়েছে। কোনও কোনও আইনজীবীর মত হল, ছুটি মানেই কাজ বন্ধ এমনটা নয়। আইনজীবীদের লম্বা সময় কাটে মামলার কাগজপত্র পড়তেই। প্রচুর পড়াশোনা করতে হয় তাঁদের সুষ্ঠু বিচারের আশায়। তারপরও বিচারপতি নাগরত্নার এমন মন্তব্য বহু মানুষের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Teacher’s Day: সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণের স্মরণে আজ শিক্ষক দিবস, জেনে নিন তাঁর জীবনী

    Teacher’s Day: সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণের স্মরণে আজ শিক্ষক দিবস, জেনে নিন তাঁর জীবনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবস হল বিশ্বের প্রতিটি মানুষের তাঁদের গুরুদেবদের সম্মান জানানোর দিন। প্রতি বছর এই দিনে দেশ জুড়ে পালিত হয় শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day)। কিন্তু দিনটি যাঁর জন্মদিনের স্মরণে পালিত হয়, তিনি হলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ (Sarvepalli Radhakrishnan)। তিনি ছিলেন ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি। শিক্ষা, উন্নয়ন এবং মানব কল্যাণকেই তিনি করে নিয়েছিলেন জীবনের ব্রত। আসুন জেনে নিই, কেন পালিত হয় শিক্ষক দিবস?

    রাধাকৃষ্ণণের শিক্ষাজীবন (Teacher’s Day)

    ১৮৮৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ (Sarvepalli Radhakrishnan) তামিলনাড়ুর তিরুত্তানিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবা সর্বপল্লি বীরস্বামী এবং মা সীতাম্মা। লুথার্ন মিশনারি স্কুল, তিরুপতি এবং ভেলোরে প্রাথমিক শিক্ষা (Teacher’s Day)। ছোট থেকেই পড়াশোনায় তাঁর তেমন মন ছিল না। এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ানোই ছিল পয়লা পছন্দের। ছেলের এমন মতিগতি দেখে চিন্তায় পড়ে যান বাবা। তাই তাঁকে ভর্তি করিয়ে দেন ভেলোরের একটি মিশনারি স্কুলে। মন পড়াশোনায় না বসলে কী হবে, স্কুলজীবন থেকেই পড়াশুনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন তিনি। বরাবরই সে জন্য তিনি বৃত্তি পেয়ে এসেছেন। এরপর মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে দর্শনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। ১৯১৬ সাল থেকে মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। জীবনের বড় সময় শিক্ষকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ছিলেন ছাত্র সমাজের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। একবার তাঁকে ফুলসজ্জিত কার্ট নিয়ে স্টেশন থেকে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরই মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তিনি যে সব বক্তৃতা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে আলোড়ন পড়ে যায়। তাঁর হাতে সৃষ্টি হয়েছে একাধিক দার্শনিক গ্রন্থ, যা নিয়েও হইচই পড়ে গিয়েছিল। তাঁর ‘অ্যান আইডিয়ালিস্ট ভিউ অব লাইফ’ বিবেচিত হয়েছিল নোবেল প্রাইজের জন্যও। ১৯৭৫ সালে ‘প্রগতিতে ধর্মের অবদান’ রচনা তাঁকে এনে দিয়েছিল ‘টেম্পলটন’ পুরস্কার।

    প্রশাসনিক জীবন

    সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ (Teacher’s Day) ১৯৩১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ১৯৫২ সালে তিনি ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং ১৯৬২ সালে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    কেন পালিত হয় শিক্ষক দিবস?

    রাধাকৃষ্ণণ (Sarvepalli Radhakrishnan) একজন মহান শিক্ষাবিদ। শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নিরন্তর ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। দেশে শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৯৬২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষক দিবস পালন শুরু হয়। আর এই দিনটি ছিল তাঁর ৭৭তম জন্মদিন। এই দিনে প্রথমবার শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day) পালন করা হয়। ১৯৬৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত এই দিনকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্কুল-কলেজে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ছাত্রছাত্রীরা নাচ, গান, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মান জানিয়ে থাকেন।

    আরও পড়ুনঃ বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি! কৃষক কল্যাণে ৭ বড় প্রকল্প মোদি সরকারের

    আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস

    ৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে সম্মান জানিয়ে ১৯৯৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day) পালন করা হয়ে থাকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের একটি বিশেষ সংগঠন ইউনেস্কো (ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন) এবং ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের যৌথ উদ্যোগে এই দিনটি স্মরণ করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস উদযাপন করার পিছনে একটি বড় কারণ হল, শিক্ষকদের শ্রমকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি দেওয়া। সমাজ গঠনে শিক্ষকের বিশেষ ভূমিকা থাকে। তাই মানুষ গড়ার এই কারিগরদের শ্রমের মর্যাদা দেওয়ার জন্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস পালন করা হয়ে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shivraj Chouhan: “শাহজাহানকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে তো?”, মমতাকে মোক্ষম প্রশ্ন শিবরাজের

    Shivraj Chouhan: “শাহজাহানকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে তো?”, মমতাকে মোক্ষম প্রশ্ন শিবরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে তো?” মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এই প্রশ্নটাই ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Chouhan)। মঙ্গলবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ভোটাভুটি ছাড়াই পাশ হয়েছে অপরাজিতা বিল, ২০২৪ (Anti Rape Bill)।

    চৌহানের প্রশ্ন (Shivraj Chouhan)

    আরজি করকাণ্ডের প্রেক্ষিতেই এই বিল পাশ করিয়েছে মমতার সরকার। ধর্ষণের কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে ভারতীয় দণ্ডসংহিতায়। তার পরেও পৃথক বিল পাশ করিয়ে মমতা আইওয়াশ করতে চাইছেন বলে অভিযোগ। এই বিল নিয়েই মোক্ষম প্রশ্নটি ছুড়ে দিলেন শিবরাজ। মঙ্গলবার ‘অপরাজিতা’ বিলকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এটা জনগণের নজর ঘোরানোর চেষ্টা।” তিনি বলেন, “চাপে পড়েই দিদি এই বিল এনেছেন। আরজি করের ঘটনা থেকে নজর ঘোরানোর জন্যই এই চেষ্টা করা হয়েছে। এর আগে তিনি কেন এই বিল আনেননি? আগে কেন নির্যাতিতার প্রতি সহানুভূতি দেখাননি?” মুখ্যমন্ত্রীর জবাবদিহিও দাবি করেন শিবরাজ। বলেন, “এসব প্রশ্নের জবাব দেওয়া উচিত দিদির।” এর পরেই তিনি বলেন, “এই আইনে কি শেখ শাহজাহানের মতো লোকদেরও মৃত্যদণ্ড দেওয়া হবে? এটা স্রেফ নজর ঘোরানোর চেষ্টা। এই ধরনের আইন আনার কোনও অর্থই হয় না (Shivraj Chouhan)।”

    শিবরাজের মুখে শাহজাহানের নাম

    প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারিতে রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় তদন্তে গেলে সন্দেশখালিতে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। উত্তর ২৪ পরগনার এই সন্দেশখালিতেই বাড়ি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের। তাঁর বাড়িতে তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। শাহজাহানের দলবল হামলা করেন তাঁদের ওপর। এই ফাঁকেই গা ঢাকা দেয় তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। তার পরেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন স্থানীয়রা। তখনই জানা যায়, তোলাবাজি, জমি দখল, খুন, ধর্ষণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই (Anti Rape Bill) মমতাকে নিশানা করতে গিয়ে শিবরাজের (Shivraj Chouhan) মুখে এল শাহজাহানের নাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Aadhaar Update: আর বাকি মাত্র ১০ দিন! নিখরচায় আধার আপডেট করার শেষ তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর

    Aadhaar Update: আর বাকি মাত্র ১০ দিন! নিখরচায় আধার আপডেট করার শেষ তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি-বেসরকারি যে কোনও কাজেই এখন গুরুত্বপূর্ণ নথি হল আধার কার্ড (Aadhaar Update)। কেন্দ্র সরকার আধার নিয়ে কড়া নিয়ম (Central Guidelines) জারি করেছে। নাগরিকদের আধার কার্ডে সঠিক তথ্য আপডেট করতে বলা হয়েছে। একই ভাবে প্রতি দশবছর অন্তর অন্তর আধারকে আপডেট করতে বলা হয়েছে। কীভাবে আধার আপডেট করবেন আসুন জেনে নিই-

    বিনামূল্যে আধার আপডেট (Aadhaar Update)

    আধার কার্ডে তথ্য আপডেট করার জন্য সরকার বিরাট সুযোগ দিয়েছে। তবে এই আপডেটে কোনও রকম টাকা খরচ করতে হবে না। সবটাই বিনামূল্যে করা যাবে। অনলাইনে আধার কার্ডে ব্যক্তিগত তথ্য হিসেবে নাম, ঠিকানা, বয়স, লিঙ্গ, ইমেল অ্যাড্রেসের মতো তথ্য আপডেট (Aadhaar Update) করতে হবে। বিনামূল্যে এই আপডেট করার শেষ সময় হল ১৪ সেপ্টেম্বর। তবে এই নির্ধারিত সময়ের পর থেকে আপডেট করতে গেলে ৫০ টাকা মূল্য দিয়ে করতে হবে। ফলে এখনও যারা আপডেট করেনি তাদের জন্য এই তথ্য (Central Guidelines) একান্ত প্রয়োজনীয়।

    আরও পড়ুনঃআরজি করে সিআইএসএফ-এর সঙ্গে অসহযোগিতা রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে গেল শাহের মন্ত্রক

    কীভাবে অনলাইনে আধার আপডেট (Aadhaar Update) করবেন–

    ১>প্রথমে ইউআইডিএআই (UIDAI) পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর myaadhaar.uidai.gov.in-এ যান এবং আপনার রেজিস্টার্ড ফোন নম্বরে পাঠানো আপনার আধার নম্বর এবং ওটিপি ব্যবহার করে লগ-ইন করুন।

    ২>আপনার বিবরণ যাচাই করুন: আপনার প্রোফাইলে প্রদর্শিত পরিচয় এবং ঠিকানার বিশদ বিবরণ পরীক্ষা করুন। সঠিকতা নিশ্চিত করুন: বিশদটি সঠিক হলে, ট্যাবে ক্লিক করুন ‘I’ আই-ভেরিফিকেশন ভালো করে করতে হবে।

    ৩>এরপর নথি নির্বাচন করুন: ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে আপনি যে পরিচয় এবং ঠিকানার নথিগুলি জমা দিতে চান তা চয়ন করুন (Aadhaar Update)৷

    ৪>প্রতিটি ফাইল দুই এমবি-র কম এবং জেপিইজি, পিএনজি বা পিডিএফ ফর্ম্যাটে নিশ্চিত করে নির্বাচিত নথিগুলি আপলোড করুন।

    ৫>আপডেটের জন্য জমা দিন: আপনার আধার বিবরণ আপডেট (Aadhaar Update) করতে আপনার নথিগুলি পর্যালোচনা করুন এবং জমা দিন।

    বায়োমেট্রিক্স, নাম, ফটোগ্রাফ বা মোবাইল নম্বরের আপডেটের জন্য, আপনাকে আপনার নিকটতম ইউআইদিএআই (UIDAI)-অনুমোদিত কেন্দ্রে যেতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: আরজি করে সিআইএসএফ-এর সঙ্গে অসহযোগিতা রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে গেল শাহের মন্ত্রক

    RG Kar: আরজি করে সিআইএসএফ-এর সঙ্গে অসহযোগিতা রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে গেল শাহের মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার সরকারের (Mamata Government) বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের কাছে অমিত শাহের মন্ত্রক জানিয়েছে, আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ও হামলার পরে শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই সিআইএসএফ (CISF) জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। অথচ, তাঁদের থাকা বা খাওয়ার কোনও ব্যবস্থাই করেনি রাজ্য সরকার। আরও অভিযোগ, জওয়ানদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও করেনি মমতার সরকার। শুধু তাই নয়, আরজি কর হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মেটাল ডিটেক্টর-এর মতো একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও দেওয়া হয়নি জওয়ানদের (RG Kar)। শীর্ষ আদালতে যে হলফনামা জমা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাতে এই ঘটনাকে ‘অমার্জনীয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠির জবাব দেয়নি রাজ্য (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, সিআইএসএফ জওয়ানদের থাকার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতার উপকণ্ঠে এক জায়গায়। সেখান থেকে তাঁদের আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছাতেই সময় লাগছে এক ঘণ্টা। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিআইএসএফ (Supreme Court) কীভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে সে প্রশ্ন উঠছে, আর এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে রাজ্যকে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নজরে আসার পরেই গত ২ সেপ্টেম্বর এই মর্মে মমতা সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়, তাতে অনুরোধ জানানো হয় জওয়ানদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্যের তরফে কোনও উত্তরই দেওয়া হয়নি।

    আদালত অবমাননা তার সঙ্গে সংবিধান বিরোধী কাজ করছে রাজ্য

    প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ৯ অগাস্টের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং ১৪ অগাস্ট হাসপাতালে হামলার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ২০ অগাস্ট আরজি কর মামলার শুনানিতে ওই হাসপাতালে সিআইএসএফ জওয়ান মোতায়েনের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ মতো ২২ অগাস্ট থেকে ২ কোম্পানি সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে। এরপর থেকেই জওয়ানদের সঙ্গে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে থাকে রাজ্যের বিরুদ্ধে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে এই অসহযোগিতা করেছে রাজ্য সরকার যা শুধুমাত্র আদালতের অবমাননা নয় সংবিধান বিরোধীও বটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Government: বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি! কৃষক কল্যাণে ৭ বড় প্রকল্প মোদি সরকারের

    Central Government: বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি! কৃষক কল্যাণে ৭ বড় প্রকল্প মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষি ক্ষেত্রকে (Agriculture Sector) শক্তিশালী করতে বড় উদ্যোগ নিল মোদি সরকার। মোদি সরকারের (Central Government) মন্ত্রিসভায় একাধিক পদক্ষেপ করা হয় কৃষি ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে এবং একাধিক প্রকল্পে মোট ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় কৃষকদের সার্বিক উন্নতিতে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে সাতটি বড় প্রকল্পের বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

    ডিজিটাল এগ্রিকালচারের মাধ্যমে আধুনিক হবে কৃষি (Central Government)

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে লক্ষ্য রাখা হয়েছে— ডিজিটাল এগ্রিকালচার, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি শিক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী কৃষিফলনের ওপরে। ডিজিটাল এগ্রিকালচার মিশনের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার এখানেই বরাদ্দ করা হয়েছে ২,৮১৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় কৃষি ক্ষেত্রকে আধুনিকীকরণ করা হবে এবং কৃষি ব্যবস্থা ভরপুর প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ডিজিটাল এগ্রিকালচার (Agriculture Sector) মিশনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় জোর

    অন্যদিকে, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government) বরাদ্দ করেছে ৩,৯৭৯ কোটি টাকা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হবে। কৃষি বিজ্ঞানের ওপর বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাও করা যাবে এই প্রকল্পের আওতায়। কৃষি শিক্ষার ক্ষেত্রে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে ২,২৯১ কোটি টাকা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষি শিক্ষার বিষয়গুলির ওপর গবেষণা করার সুযোগ থাকছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি শিক্ষায় জোর দিতে চাইছে মোদি সরকার।

    দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ফলনে গুরুত্ব

    দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ফলনের ওপরেও জোর দিয়েছে মোদি সরকার এবং এই ক্ষেত্রে ১,৭০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের খাদ্য উৎপাদনকে বাড়াতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে সবজি, ফল এসবের বাগান, চাষ ইত্যাদির উন্নয়নে জোর দিয়েছে মোদি সরকার এবং এই ক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হয়েছে ৮৬০ কোটি টাকা। দেশের কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির উন্নয়নে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে ১,২০২ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কৃষি ব্যবস্থাতে প্রযুক্তির ভরপুর ব্যবহার করা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ১,১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার (Central Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share