Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় একাধিক দুর্নীতির টাকা ফেরত দেওয়া হবে, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি কথা রাখলেন। টাকা ফেরাতে শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হল। অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটিকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আদালতের নির্দেশেই টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল।

    মোদির প্রতিশ্রুতি

    লোকসভা ভোটের প্রচারে একাধিকবার বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। সেই প্রচার সভা থেকেই টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এতদিন পর্যন্ত আবাস যোজনা-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। এই টাকা বাংলার মানুষের হাতে কীভাবে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তারই আইনি উপায় খুঁজছি আমরা। ক্ষমতায় ফিরলে, আইনি উপায়েই বাংলার মানুষকে সেই ৩০০০ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।” রাজ্যে দুর্নীতির টাকা ফেরানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবারই রোজভ্যালি মামলায় বাজেয়াপ্ত করা ১৯.৫০ কোটি টাকা ফেরাল ইডি। আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য প্রথম ধাপ হিসেবে এই টাকা তুলে দেওয়া হল বিশেষ কমিটির হাতে। 

    আরও পড়ুন: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    দ্রুত পদক্ষেপ ইডির

    ইডি (ED) সূত্রে খবর, সংস্থার তিন উচ্চপদস্থ অফিসার, স্পেশাল ডিরেক্টর সুভাষ আগরওয়াল, জয়েন্ট ডিরেক্টর সুদেশ শেওরান এবং ডেপুটি ডিরেক্টর অজয় লুহাচ অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির অফিসে যান। সেখানে জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে আমানতকারীদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রোজভ্যালির যে টাকা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, তার মধ্যে থেকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে মাথায় রেখে আগেই এই কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। তারাই এবার আমানতকারীদের ফেরত দেবে ওই টাকা। আমানতকারীরা বৈধ কাগজ দেখালে তাঁদের টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে ওয়েবসাইটও খোলা হয়, যেখানে নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়ে টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করতে পারেন আমানতকারীরা। সেই নথি যাচাই করে আমানতকারীদের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়। ইডি (ED) সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে বাজেয়াপ্ত করা আরও টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার নতুন সদস্য ‘আইএনএস অরিঘাত’ (INS Arighat)। বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে নৌসেনার (Indian Navy) নতুন সদস্য হিসাবে যোগ দিল পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ডুবোজাহাজ। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে বানানো হয়েছে এই ডুবোজাহাজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এর ধারণা থেকে নকশা, নির্মাণ এবং একীভূত করা – সবটাই হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে। এটি দেশের দ্বিতীয় পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ। এই ডুবোজাহাজ সাধারণ সাবমেরিনের তুলনায় অনেক বেশিক্ষণ জলের নীচে ডুবে থাকতে পারে। ফলে, শত্রুর চোখকে ফাঁকি দিতে এর জুড়ি মেলা ভার।

    ঘুম ছুটবে চিনের

    ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমে দুই বিশাল জলসীমা। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর। দুই সাগর দক্ষিণে এসে মিশেছে ভারত মহাসাগরে। ফলে দেশের পূর্ব-পশ্চিমের দুই জলসীমাই যাতে সমান সুরক্ষিত থাকে সে জন্য নৌসেনার (Indian Navy) চাহিদা ছিল অন্তত ২টি বিমানবাহী রণতরী। আইএনএস বিক্রমাদিত্যর পর আইএনএস বিক্রান্ত এসে যাওয়ায় সে প্রয়োজন মিটেছে। একইভাবে নৌসেনার দাবি ছিল চিনের বিপদের কথা মাথায় রেখে অন্তত ২টো পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ চাই-ই চাই। এতদিন ভারতের হাতে ১টা পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ ছিল। ২০১৮ সাল থেকে কাজ করছে আইএনএস অরিহন্ত। এবার তার সঙ্গেই নৌ-সেনায় এসে গিয়েছে আইএনএস অরিঘাত (INS Arighat)। পাকিস্তানের একটা বড় অংশ ও চিনের ইউনান প্রদেশ চলে আসছে এর আওতায়।

    নৌসেনার প্রশংসায় রাজনাথ

    অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানান, দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ভারত উপমহদেশীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আইএনএস অরিঘাত। দেশীয় এই সাবমেরিনের অন্তর্ভুক্তির জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও-র ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজনাথ সিং। এ প্রসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর মন্ত্রকে স্মরণ করে রাজনাথ বলেন, “আজকের এই কৃতিত্ব আত্মনির্ভরতার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। ভারত একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। প্রতিরক্ষা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের দ্রুত এগোতেই হবে। বিশেষ করে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটা অপরিহার্য। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি, আমাদের একটা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী লাগবে। যাতে আমাদের সৈন্যরা ভারতের মাটিতে তৈরি সেরা মানের অস্ত্র এবং প্ল্যাটফর্মগলি পায়, আমাদের সরকার তার জন্য অভিযানে নেমেছে।”

    অত্যাধুনিক সাবমেরিনে নতুনত্ব

    সূত্রের খবর, ‘আইএনএস অরিঘাত’-এ (INS Arighat) ১২টি কে-১৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ১,৫০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুকে অনায়াসে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। পরমাণু শক্তিকে ব্যবহার করে এই জাহাজ সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ২৮ কিলোমিটার বেগে চলবে। সমুদ্রের নীচে ঘণ্টায় এর গতিবেগ ৪৪ কিলোমিটার। ১১৩ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজ সমুদ্রের ৯৮০ থেকে ১৪০০ ফুট নীচ দিয়ে চলতে পারে। কে-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি এই জাহাজে চারটি কে-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। যেগুলি ৩,৫০০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ক্ষেপনাস্ত্র ছাড়াও ২১ ইঞ্চির চারটি টর্পিডো লঞ্চার টিউব রয়েছে এই ডুবোজাহাজে। নতুন ডুবোজাহাজে দরকারে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোও যাবে।

    নৌসেনার পরিকল্পনা

    চিন ও পাকিস্তানকে ঠেকাতে ভারতের নৌসেনার (Indian Navy) পরিকল্পনা এখানেই শেষ নয়। আগামী বছর নৌসেনায় যোগ দেবে আরও একটা পরমাণু শক্তিধর সাবমেরিন। যার নাম ‘আইএনএস অরিদমন’। যাতে থাকবে সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র। আর দেশে চার নম্বর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরির কাজ এখন চলছে। সূত্রের খবর, এই ৪টি ছাড়া আরও ২টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির ছাড়পত্রের অপেক্ষায়। এটা সহজেই অনুমেয়, সবকটা জাহাজ হাতে চলে এলে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরে চিনের চোখ রাঙানোর দিন শেষ হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই কিছুটা ব্যাকফুটে খেলতে শুরু করেছে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: শাহি তলব! আরজি কর কাণ্ডের আবহে দ্রুত দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল বোস

    CV Ananda Bose: শাহি তলব! আরজি কর কাণ্ডের আবহে দ্রুত দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দিল্লিতে তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আরজি কর কাণ্ডের আবহেই বৃহস্পতিবার বিকেলেই রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কোন কারণে রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) দিল্লিতে তলব করা হয়েছে, সেই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা। 

    কেন দিল্লিতে তলব

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালকে ডেকে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই তলবেই তড়িঘড়ি দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। বাংলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে শাহের আলোচনা হতে পারে। আরজি করকাণ্ডের আবহে রাজ্যপালকে বৈঠকের জন্য দিল্লিতে ডেকে পাঠানো যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই রাজ্যপাল দিল্লি যাবেন বলে খবর। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আরও সিরিয়াস বিষয় আছে’’, ছবি মুক্তি নিয়ে রাজ্যের আপত্তি শুনলই না হাইকোর্ট

    সুকান্ত-দিলীপ সাক্ষাত

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামের একটি সংগঠন মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন করেছিল বিজেপি। তার পরে বুধবার তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন বিজেপিকে। তাঁর কিছু মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে শাহকে (Amit Shah) চিঠি লিখেছিলেন সুকান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছিলেন। মমতার মন্তব্য ‘বদলার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে’, বলে অভিমত সুকান্তর। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পর বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করেছেন সুকান্ত। এরপরই দিল্লিতে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বোসকে ডাকা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Projects: মোদি সরকারের উপহার, নয়া ৩টি রেলপ্রকল্প পেল বাংলা

    Rail Projects: মোদি সরকারের উপহার, নয়া ৩টি রেলপ্রকল্প পেল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য নরেন্দ্র মোদি সরকার বড় উপহার দিল। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রাজ্যের জন্য নতুন তিনটি রেল প্রকল্পের ঘোষণা করে। এগুলি হল জামশেদপুর-পুরুলিয়া- আসানসোল (চান্ডিল- আনাড়া-দামোদর) তৃতীয় লাইনের প্রকল্প, বারগড়-নোয়াপাড়া নতুন লাইন প্রকল্প ও সরডেগা-ভালুমুডা ডবল লাইন প্রকল্প। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই প্রকল্পগুলি (Rail Projects) বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

    এ নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এর ফলে যেমন একদিকে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুবিধা হবে, তেমনি সার্বিকভাবে হাওড়া-মুম্বই এবং হাওড়া-দিল্লি করিডরকে আরও শক্তিশালী করে তোলা যাবে।’’ পাশাপাশি রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব আরও বলেন, ‘‘তৃতীয় লাইনের ফলে কার্বন নিঃসরনের পরিমাণ কমবে। সেটা যদি সবুজায়নের নিরিখে বিবেচনা করা যায়, তাহলে তিন কোটি নতুন গাছ বসানোর সমান।’’ এবিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেন প্রধানমন্ত্রী (Rail Projects)। লেখেন, এর ফলে উপকৃত হবে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্য ও সহজ হবে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ।

    জামশেদপুর-পুরুলিয়া-আসানসোল (চান্ডিল-আনাড়া-দামোদর) তৃতীয় লাইনের প্রকল্প

    এই প্রকল্পের (Rail Projects) আওতায় পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া এবং বর্ধমানে তৃতীয় লাইন তৈরির কাজ চলবে। এর পাশাপাশি, ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলাতেও এই প্রকল্পের কাজ হবে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১২১ কিলোমিটার লাইন তৈরি হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ৪২ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি হবে বলেও জানা গিয়েছে। এর ফলে, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যও লাভবান হবে, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। প্রকল্পে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২,১৭০ কোটি টাকা।

    রেলমন্ত্রীর মতে, ‘‘তৃতীয় লাইনের ফলে যাত্রীদের যেমন যাতায়াতের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে, তেমনি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সুবিধা হতে চলেছে। যেহেতু দুর্গাপুর-আসানসোল-বার্নপুরে শিল্প হাব রয়েছে, তাই সহজে সেখান থেকে পণ্য নিয়ে আসা যাবে। এছাড়া পর্যটকরাও যথেষ্ট লাভবান হবেন। কারণ ওই অংশের মধ্যেই চুরুলিয়া, মাইথন বাঁধ প্রকল্প এবং কল্যানেশ্বরী মন্দিরের মতো জায়গা রয়েছে।’’

    বারগড়-নোয়াপাড়া নতুন লাইন প্রকল্প (Rail Projects)

    ওড়িশার ধানের ভান্ডার বলেই পরিচিত বারগড়। রেলমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এই নতুন লাইন তৈরি হওয়ার পরে পশ্চিম এবং দক্ষিণ ভারতে সহজেই চাল পাঠানো সম্ভব হবে। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে ২৯২৬ কোটি টাকা।’’

    সরডেগা-ভালুমুডা ডাবল লাইন প্রকল্প

    এই প্রকল্প নিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওড়িশার সরডেগা এবং ছত্তিশগড়ের ভালুমুডার মধ্যে ৩৭ কিলোমিটার ডাবল লাইন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১,৩৬০ কোটি টাকা খরচ হবে। ২৫ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি হবে। হাওড়া-মুম্বই করিডরের ক্ষেত্রে ঝারসুগুড়া থেকে বিলাসপুর সেকশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সেকশনে (Rail Projects) এই নতুন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Sports Day 2024: “খেলার উন্নতিতে সরকার সদা সচেষ্ট”, জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ধ্যানচাঁদকে স্মরণ মোদির

    National Sports Day 2024: “খেলার উন্নতিতে সরকার সদা সচেষ্ট”, জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ধ্যানচাঁদকে স্মরণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে খেলার মান উন্নত করতে বদ্ধপরিকর সরকার। জাতীয় ক্রীড়া দিবসে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। হকি কিংবদন্তি মেজর ধ্যানচাঁদের জন্মদিনে প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া দিবস (National Sports Day 2024)। বৃহস্পতিবার এই বিশেষ দিন উপলক্ষে এক্স হ্যান্ডেলে দেশের প্রতিটি খেলোয়াড়কে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধা জানান মেজর ধ্যানচাঁদকে।

    মোদির বার্তা

    বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভারতীয়দের পারফরম্যান্সের একটি ভিডিও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে বিশেষ বার্তায় মোদি জানান, যে সকল ক্রীড়াবিদ বিশ্বমঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। খেলার দুনিয়ায় বিশেষ ভূমিকা রয়েছে তাঁদের। পাশাপাশি দেশকে গর্বিত করেছে ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁদের পারফরম্যান্স। মোদি লেখেন, “জাতীয় ক্রীড়া দিবসে সকলকে শুভেচ্ছা জানাই। আজকের এই বিশেষ দিনে মেজর ধ্যানচাঁদজিকে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য। যাঁরা ভারতের হয়ে খেলেছেন, যাঁরা খেলা ভালোবাসেন তাঁদের সকলকে বাহবা জানানোর দিন আজ। ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতিতে সরকার বদ্ধপরিকর। আগামী দিনে যুবপ্রজন্ম যেন খেলার দুনিয়ায় আরও এগিয়ে আসতে পারেন, নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারেন- সেটাও নিশ্চিত করতে চায় সরকার।”

    শাহি-শুভেচ্ছা

    প্রসঙ্গত, ১৯০৫ সালে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে জন্ম নিয়েছিলেন ধ্যানচাঁদ। ১৯২৬ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত হকির বিশ্ব পেয়েছিল তাঁকে। ১৮৫ ম্যাচে ৪০০-র বেশি গোল করেছেন তিনি। ১৯২৮, ১৯৩২ ও ১৯৩৬ পরপর তিনটি অলিম্পিক্সে ভারতকে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিক করানোর পিছনে অন্যতম বড় ভূমিকা ছিল বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা হকি খেলোয়াড়ের। এদিন ধ্যানচাঁদকে স্মরণ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, “ধ্যানচাঁদ শুধু ভারতীয় হকিকে উন্নত করেননি, বরং দেশের মধ্যে ক্রীড়া সম্পর্কে একটি ইতিবাচক চেতনা জাগিয়ে তুলেছেন। এই বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথপ্রদর্শন করে যাবেন।”

    দেশের প্রতিটি নাগরিককে দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা খোলা মাঠে খেলার আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয়। তাঁর মতে, এই উদ্যোগটি প্রধানমন্ত্রী মোদির সুস্থ জাতির স্বপ্নকে অনুপ্রাণিত করে চালু হওয়া ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মান্ডবীয়র কথায়, জাতীয় ক্রীড়া দিবস কেবলমাত্র ক্রীড়া আইকনদের সম্মান জানানোর জন্য নয়, এটি একটি সুস্থ ও সুষম জীবনধারা বজায় রাখার জন্যও সমান গুরুত্বপূ্র্ণ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে শিল্প বিপ্লব আনতে উদ্যোগী মোদি সরকার (Central Government)। জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা এনআইসিডিপি-এর তত্ত্বাবধানে নতুনভাবে দেশে তৈরি হতে চলেছে ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি। এর জন্য বিনিয়োগ করা হবে ২৮,৬০২ কোটি টাকা। ‘বিকশিত ভারত প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ১০ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর পাশাপাশি ৩০ লাখ চাকরির জায়গা তৈরি হবে পরোক্ষভাবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজের বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্টসিটি হবে দেশের শিল্প ক্ষেত্রের অন্যতম অলঙ্কার (Industrial Smart Cities)।

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? (Central Government)

    এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Central Government) এই ১২টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি তৈরির বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রচুর কর্মসংস্থানের জায়গা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর। পীযূষ গোয়েল আরও জানিয়েছেন, ১১টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর তৈরিরও ভাবনা চলছে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে দেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ যুক্ত হবে ঠিক স্বর্ণ চতুর্ভুজের ধাঁচে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি, মাল্টি মডেল লজিস্টিক হাব, মাল্টি মডেল ট্রান্সপোর্ট হাব- এগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকাগুলিকে বিশ্বমানের গ্রিনফিল্ড স্মার্ট সিটি হিসেবে (Industrial Smart Cities) গড়ে তোলা হবে। বোঝাই যাচ্ছে, এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট শহরগুলি উন্নত পরিকাঠামোতে সজ্জিত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Board: বিহারে হিন্দু অধ্যুষিত গোটা গ্রামই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! খালি করার নির্দেশ, পাল্টা মামলা

    Waqf Board: বিহারে হিন্দু অধ্যুষিত গোটা গ্রামই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! খালি করার নির্দেশ, পাল্টা মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের একটা আস্ত গ্রামই নাকি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি (Waqf Board)। গোবিন্দপুর নামের ওই গ্রামের ৯৫ শতাংশ বাসিন্দাই হলেন হিন্দু। জানা গিয়েছে, এই গ্রামের সাতজন বাসিন্দার কাছে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board)। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে যে ৩০ দিনের মধ্যে গোটা গ্রামকে খালি করতে হবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই গ্রামটি পাটনা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ওই গ্রামের সাতজন বাসিন্দা চিঠি পেয়েছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাঁরা জোর জবরদস্তিভাবে ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি দখল করে আছেন এবং অবশ্যই তাঁদের এটা খালি করা দরকার। এর প্রত্যুত্তরে অবশ্য গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, যে জায়গায় (Bihar) তাঁরা বসবাস করছেন তা আদতে তাঁদের পূর্বপুরুষদের।

    ১৯১০ সাল থেকেই ওই সাত ব্যক্তি জমির মালিক বলে জানিয়েছে পাটনা হাইকোর্ট 

    কয়েক পুরুষ ধরে তাঁরা ওই জমিতে বসবাস করছেন বলেও জানিয়েছেন ওই গ্রামবাসীরা। জানা গিয়েছে, চিঠি পাঠানো হয়েছে ব্রিজেশ বল্লভ প্রসাদ, রাজকিশোরী মেহতা, রামলাল সাউ, মালতি দেবী, সঞ্জয় প্রসাদ, সুদীপ কুমার এবং সুরেন্দ্র বিশ্বকর্মার কাছে। চিঠি পাওয়ার পরেই ওই ৭ জন গ্রামবাসী পাটনা হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন বলে খবর। হাইকোর্ট ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে ওই ৭ জন পিটিশনারের পূর্বপুরুষরা ১৯১০ সাল থেকেই ওই জমির মালিক।

    চলতি মাসের শুরুতেই কেন্দ্র সরকার ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Board) সংসদে এসেছে

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই কেন্দ্র সরকার ওয়াকফ সংশোধনী বিল সংসদে (Waqf Board) এনেছে। নিজের ভাষণে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু জানিয়েছেন, ওয়াকফ সম্পত্তিকে ব্যক্তি মালিকানা হিসেবে ব্যবহার করার একাধিক প্রমাণ মিলেছে। কীভাবে ওয়াকফ সম্পত্তিতে দুর্নীতি হয়, তা নিজের দীর্ঘ ভাষণে তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রসঙ্গত নিজের বক্তব্যে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে,  তামিলনাড়ু ত্রিচিরাপল্লি জেলায় একটি গোটা গ্রামকে এবং গুজরাটের সুরাট পুরসভাকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কীভাবে তা সম্ভব হতে পারে, সে প্রশ্নও তেলেন কিরেণ রিজিজু। তার মধ্যেই বিহারের (Bihar) এমন খবর সামনে এল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gujarat Flood: গুজরাটে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ২৯, উদ্ধারে বায়ুসেনা, সাহায্যের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    Gujarat Flood: গুজরাটে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ২৯, উদ্ধারে বায়ুসেনা, সাহায্যের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে গুজরাটে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুর্যোগের কারণে সেই রাজ্যে ২৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। চতুর্থ দিনে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গুজরাটের (Gujarat Flood) বিভিন্ন অংশ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। দুর্গত এলাকা থেকে প্রায় ১৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভাদোদরায় বৃষ্টি কমে যাওয়ার পরও বিশ্বামৈত্রী নদীর পাড় ভেঙে যায়। এর ফলে শহরের বিস্তীর্ণ নিচু অংশ প্লাবিত হয়েছে।

    ‘লাল সতর্কতা’ (Gujarat Flood)

    আবহাওয়া বিভাগ এখনও কোনওরকম স্বস্তির খবর শোনায়নি। বরং, জানানো হয়েছে আগামী বেশ কয়েকদিনে গুজরাটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবারও ১১ জেলায় (Gujarat Flood) ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেখানে ‘লাল সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। এর ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাড়তে পারে হতাহতের সংখ্যাও। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সৌরাষ্ট্র এবং কচ্ছ এলাকার ওপর অবস্থান করছে একটি নিম্নচাপ। তা উত্তর-পশ্চিম আরবসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আর এই নিম্নচাপের দরুন গুজরাটে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এছাড়াও ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে ২২টি জেলায়। গুজরাট সরকার জানিয়েছে মোরবি, ভাদোদরা, ভারুচ, জামনগর, আরাবল্লি, পঞ্চমহল, দ্বারকা এবং ডাং জেলায় কমপক্ষে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আনন্দে ৬ জন, আমেদাবাদে ৪ জন, গান্ধীনগর, খেদা, মহিসাগর, দাহোদ এবং সুরেন্দ্রনগরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্বামৈত্রী থেকে শুরু করে আরও বেশ কয়েকটি নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে দ্বারকা, মোরবি, সুরেন্দ্রনগর, জুনাগড়, রাজকোটে। আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা এমনটাই।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন প্রধানমন্ত্রীর

    গুজরাটের (Gujarat Flood) বেশ কিছু অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় অসংখ্য গ্রাম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে ফোন করে পরিস্থিতির খোঁজ খবর নিয়েছেন। প্রয়োজন মোতাবেক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সমস্ত ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীকে।

    রাস্তায় কুমির!

    ভিটেমাটি হারিয়ে ত্রাণ শিবিরে (Gujarat Flood) আশ্রয় নিয়েছেন অনেকেই। আর এই পরিস্থিতিতে নদীর জল উপচে গেলে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে কুমিরের দল। হ্যাঁ, ভাদোদারার রাস্তায় জলে ভেসে বেড়াতে দেখা গেল মানুষ সমান কুমিরকে। যা দেখে রীতিমতো আতঙ্কে স্থানীয়রা। বিশ্বামৈত্রী নদী ছাপিয়ে যাওয়ায় লোকালয়ে প্রবেশ করছে কুমিরের দল। এমনটাই অনুমান স্থানীয়দের। কুমিরের উপদ্রবের জেরে আতঙ্কে ঘরবন্দি ভাদোদারাবাসী।

    উদ্ধারে বায়ুসেনা

    বন্যার (Gujarat Flood) জলে প্লাবিত মাইলের পর মাইল এলাকা। এখনও বন্যা বিধ্বস্ত অঞ্চলে আটকে রয়েছেন বহু। এ বার তাঁদের উদ্ধার করতে ময়দানে নেমেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Airforce)। হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হচ্ছে দুর্গতদের। জানা গিয়েছে, দ্বারকার কল্যাণপুর মহকুমার দেবভূমিতে আটকে পড়েছিলেন কয়েকজন। তাঁদেরকেই উদ্ধার করতে সেখানে পৌঁছে যায় বায়ুসেনা। অবশেষে তাঁদের উদ্ধার করা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ASI: মহাভারতের সঙ্গে রয়েছে যোগসূত্র? দিল্লির পুরনো কেল্লায় সমীক্ষা চালাবে এএসআই

    ASI: মহাভারতের সঙ্গে রয়েছে যোগসূত্র? দিল্লির পুরনো কেল্লায় সমীক্ষা চালাবে এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাভারতে পাণ্ডবদের রাজধানী বলে পরিচিত ছিল ইন্দ্রপ্রস্থ। সেখানেই নতুন কিছু আবিষ্কার করার জন্য এবার সমীক্ষা চালাবে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)। এএসআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দ্রপ্রস্থের পুরনো কেল্লাতে এই সমীক্ষা চালানো হবে। প্রসঙ্গত ওই পুরনো কেল্লা নিয়ে সাধারণ মানুষেরও কৌতূহলেরও শেষ নেই। বলতে গেলে দিল্লির অন্যতম জনপ্রিয় স্থান হল পুরনো কেল্লা (Purana Qila)। অনেকেই মনে করেন, এই স্থানের সঙ্গেই যোগসূত্র রয়েছে মহাভারতের।

    অক্টোবর থেকেই শুরু হবে সমীক্ষা (ASI) 

    আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সমীক্ষা শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই। জানা যাচ্ছে, ইন্দ্রপ্রস্থে অবস্থিত কুন্তী মন্দিরের আশেপাশেই সমীক্ষা চালাবে এএসআই। জানা গিয়েছে, এই সমীক্ষা করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিরও ব্যবহার করবে এএসআই এবং সে ক্ষেত্রে ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করতে লেজার স্ক্যানিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে, এতেই নির্ভুলভাবে বিভিন্ন কাঠামো ও প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তুগুলিকে সনাক্ত করা সহজ হবে। তৈরি করা যাবে মানচিত্র। ২০২২ সালে দিল্লির পুরনো কেল্লার খননকার্যে মৌর্য যুগের অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল তবে সে সময় ইন্দ্রপ্রস্থ বা মহাভারতের কোনও কিছু পাওয়া যায়নি।

    দেশের মোট ১৭টি স্থানে সমীক্ষা চালাবে এএসআই (ASI)

    প্রতিবেদনে শুরুতেই বলা হয়েছে দিল্লির একমাত্র স্থান হল পুরনো কেল্লা (Purana Qila) যা সরাসরি মহাভারতের বর্ণনার সঙ্গে যুক্ত। এখানে ইতিমধ্যেই প্রাক মৌর্য, মৌর্য, শুঙ্গ কুষাণ, গুপ্ত, রাজপুত, সুলতানি এবং মুঘল যুগের বর্ণনা পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, আর্কেওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) ইতিমধ্যে ভারতের ১৭টি স্থানের সমীক্ষা চালানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে এবং এই জায়গাগুলি — দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, অসম, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। দিল্লির পুরনো কেল্লা ছাড়াও হরিয়ানার রাখিগড়িতেও চলবে খনন কাজ। প্রসঙ্গত, হরিয়ানার এই স্থান সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)-কে আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাইয়ের অনুমতি দিল কেন্দ্র। এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় যেমন আধারের তথ্য লাগবে, তেমনই পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পূজা খেড়কর (Puja Khedkar) নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝেই ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্র (Central Government)। 

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন করা হবে। ফলে, এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় আধারের তথ্য দিতেই হবে পরীক্ষার্থীদের। এদিকে পরে পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খতিয়ে পরীক্ষা করা হবে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ইউপিএসসি-তে এবার আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই করতে আধার অথেনটিকেশন করা হবে। এছাড়া পরীক্ষা ও নিয়োগের বিভিন্ন ধাপেও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) পদ্ধতিতে প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে। ইউআইডিএআই(UIDAI)-এর নিয়ম ও নির্দেশ মেনেই ইউপিএসসি (UPSC) এই ভেরিফিকেশন করবে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, আধার ভিত্তিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট অথেন্টিকেশন, ফেসিয়াল রেকগনিশন, ই-অ্যাডমিটের কিউআর কোড স্ক্যান, লাইভ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক সিসিটিভি সার্ভিসের ব্যবহার করা হবে এবার থেকে। 

    কেন এই নয়া নিয়ম

    সম্প্রতিই পূজা খেড়কর নামক একজন ট্রেনি আইএএস অফিসারের ভুয়ো নথি ও তথ্য দিয়ে ইউপিএসসি পাশ করা এবং প্রতারণা করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। পূজার প্রার্থীপদ বাতিল করে ইউপিএসসি। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর ভবিষ্যতে না ঘটে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট। কবে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও জানানো হয়নি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share