Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ranikhet: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও হিমালয়ের রূপ দর্শন শৈলশহর রানিক্ষেতে যেন বাড়তি পাওনা!

    Ranikhet: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও হিমালয়ের রূপ দর্শন শৈলশহর রানিক্ষেতে যেন বাড়তি পাওনা!

    নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন হিমালয়ের অন্যতম জনপ্রিয় শৈলশহর এবং পর্যটন কেন্দ্র রানিক্ষেত (Ranikhet)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই রানিক্ষেত এক সময় ছিল চাঁদ বংশের রানি পদ্মিনীর অত্যন্ত প্রিয় স্থান। কারও কারও মতে, রানি পদ্মিনীর প্রিয় স্থান হওয়ায় স্থানের নাম হয়েছে রানিক্ষেত। আরও পরে বৃটিশদের হাত ধরে নতুন সাজে সেজে ওঠে এবং জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে ওঠে এই রানিক্ষেত। বর্তমানে কুমায়ুন রেজিমেন্টের সদর দফতর বসেছে এই রানিক্ষেতে। শান্ত, নির্জন, অমলিন পরিবেশের মধ্যে দুটি দিন থেকে এখানকার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য Natural Beauty, হিমালয়ের রূপ দর্শন তো করবেনই, সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় কুমায়ুন রেজিমেন্টের মিউজিয়ামটিও।

    সংগ্রহশালায় দেখার কী রয়েছে? (Ranikhet)

    এই সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে ভারতের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র, ভারত-চিন যুদ্ধে ব্যবহার হওয়া রাইফেল, ওয়্যারলেস সেট প্রভৃতি। রয়েছে বিভিন্ন কুমায়ুনী বাদ্যযন্ত্র, কুমায়ুনী মানুষজনের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র। এই মিউজিয়াম খোলা থাকে প্রত্যেক সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং বিকেল ৩ টে থেকে ৫ টা অবধি। রবিবার খোলা থাকে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা অবধি। বুধবার বন্ধ।

    আপেলের বাগান ও গবেষণা কেন্দ্র

    চৌবাটিয়া-শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে এই চৌবাটিয়াতে আছে আপেলের বাগান ও আপেল গবেষণা কেন্দ্র। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রীতিমতো মন ভরিয়ে দেওয়ার মতো। এখানে এলে একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় এখান থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে ঝুলাদেবীর মন্দির (Ranikhet)। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা দুর্গা। এছাড়াও রানিক্ষেত থেকে দেখে নেওয়া যায় শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত কালীমন্দির, ৬ কিমি দূরে হেরাথান মন্দির প্রভৃতি। আর রানিক্ষেতের অন্যতম আকর্ষণ এখানকার ভারতখ্যাত গল্ফ কোর্সটি।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Ranikhet)

    যাতায়াত-নৈনিতাল থেকে সরাসরি বাস আসছে রানিক্ষেতে। দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এছাড়াও বাস আসছে হলদোয়ানি, কাঠগুদাম থেকেও। তবে সবচাইতে ভালো নৈনিতাল থেকে স্থানীয় প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়া রানিক্ষেত, আলমোড়া, কৌশানি প্রভৃতি। রানিক্ষেতে (Ranikhet) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে কেএমভিএনের (KMVN) কয়েকটি ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস বা TRH। এগুলির মধ্যে রয়েছে ১)রানিক্ষেত (কালিকা) টিআরএইচ (ফোন-০৫৯৬৬-২২০৮৯৩) ২)রানিক্ষেত টিআরএইচ মোনাল (০৭৫৩৪০০১৭৩১) এবং ৩) রানিক্ষেত টিআরএইচ, চিলিয়ানওয়ালা (ফোন-০৫৯৬৬-২২০৫৮৮। এছাড়াও এখানে রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল ও লজ (Natural Beauty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bharatiya Nyaya Sanhita: বদলাল ধর্ষণের সংজ্ঞা, বাড়ল সাজার মেয়াদ, নয়া আইনে মৃত্যুদণ্ড কোন অপরাধে?

    Bharatiya Nyaya Sanhita: বদলাল ধর্ষণের সংজ্ঞা, বাড়ল সাজার মেয়াদ, নয়া আইনে মৃত্যুদণ্ড কোন অপরাধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ পয়লা জুলাই থেকে দেশে কার্যকর হয়ে গেল নয়া তিন আইন – ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। সংসদে পাশ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হয়েছিল আইনে। লাগু হল আজ, সোমবার থেকে। নয়া আইন লাগু হওয়ায় অতীত হয়ে গেল আইপিসি।

    ধর্ষণের সংজ্ঞা (Bharatiya Nyaya Sanhita)

    নয়া আইনে বদলে গিয়েছে ধর্ষণের সংজ্ঞা। ব্রিটিশ আইনের ৩৭৫ ধারা থেকে ধর্ষণকে নিয়ে আসা হয়েছে নয়া আইনের ৬৩ নম্বর ধারায়। দুটো সংশোধনীও আনা হয়েছে। এর একটি হল ১৫ বছরের নীচের কোনও কিশোরী বিবাহিত হলেও ধর্ষণের মামলা দায়ের করতে পারবে।  ৬৪ নম্বর ধারায় ধর্ষণের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ আইনে ১৬ বছরের নীচে কোনও কিশোরীক ধর্ষণের সাজা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। নয়া আইনে বলা হয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের ধর্ষণের ক্ষেত্রেই শাস্তি দেওয়া হবে (৬৫ নম্বর ধারা, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ধর্ষণের সাজা)। ৬৫ (১) ধারা অনুযায়ী, ষোড়শ বর্ষীয়া কিংবা তার নীচের বয়সি কোনও কিশোরী ধর্ষণের শিকার হলে দোষী ব্যক্তিকে ২০ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে। ৬৫ (২) ধারায় বারো বছরের নীচের কোনও নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হল দোষী ব্যক্তিকে সাজা ভোগ করতে হবে অন্তত ২০ বছর। যাবজ্জীবন জেল হতে পারে। হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও। ধর্ষিতার পুনর্বাসনের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে গুণতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানাও। এই জরিমানার মধ্যেই ধরা থাকবে নির্যাতিতার চিকিৎসার খরচও (Bharatiya Nyaya Sanhita)। জরিমানার টাকা তুলে দিতে হবে নির্যাতিতার হাতেই।

    আর পড়ুন: ‘‘দিদির বাংলা মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়’’, চোপড়া ইস্যুতে মমতাকে তোপ নাড্ডার

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    প্রতারণা করে কিংবা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলেও ভোগ করতে হবে কড়া শাস্তি। এক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আইনে ‘ডিসিটফুল মিনস’ শব্দবন্ধ প্রয়োগ করা হয়েছে। চাকরির প্রতিশ্রুতি কিংবা প্রোমোশানের টোপ অথবা পরিচয় গোপন করে বিয়ে, এসবই পড়বে ডিসিটফুল মিনসের মধ্যে।

    গণধর্ষণ

    গণধর্ষণের ক্ষেত্রেও কড়া সাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে (Bharatiya Nyaya Sanhita)। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ২০ বছর থেকে আজীবন কারাদণ্ডের সাজার কথা বলা হয়েছে। যৌন হিংসার মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতার বয়ান নেওয়া হবে তাঁরই বাড়িতে গিয়ে। বয়ান নথিবদ্ধ করা হবে একজন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। সাজার সঙ্গে সঙ্গে এ ক্ষেত্রেও বিধান রয়েছে জরিমানার। এই জরিমানার মধ্যেও ধরা থাকবে নির্যাতিতার চিকিৎসার যাবতীয় খরচখরচাও। ১৮ বছরের নীচের কোনও বালিকা ধর্ষণে সাজা হবে মৃত্যু কিংবা কারাদণ্ড।

    মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থা

    মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থার সাজা বিধানও করা হয়েছে নয়া আইনের ৭৩ থেকে ৭৭ নম্বর ধারায় (Bharatiya Nyaya Sanhita)। মহিলাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন, কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ কিংবা অঙ্গভঙ্গীর ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে ৭৮ নম্বর ধারায়। মহিলাদের বিরক্ত উৎপাদন করে এমন কোনও কাজ করলেও ভোগ করতে হবে কড়া সাজা। ক্রিমিনাল ফোর্স এবং যৌন হেনস্থার মামলায় বিচার হবে এসবের।

    বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ

    বিবাহ সংক্রান্ত নানা অপরাধের ক্ষেত্রেও সাজার বিধান রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায়। পণসংক্রান্ত মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে আসা হয়েছে নয়া আইনের ৭৯ নম্বর ধারায়। এই সব মামলার বিচার হবে ‘অফেনসেস রিলেটিং টু ম্যারেজ’ ব্যানারে। এ সংক্রান্ত সমস্ত আইন রয়েছে নয়া আইনের ৮০ থেকে ৮৪ নম্বর ধারায়। ৪৯৪ (স্বামী বা স্ত্রী বেঁচে থাকতে দ্বিতীয়বার দার পরিগ্রহণ) এবং ৪৯৫ (পূর্বের বিয়ে লুকিয়ে ফের বিয়ে করা) এই দুটিকে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে নয়া আইনের ৮১ নম্বর ধারায়। কোনও মহিলাকে অপহরণ, জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া কিংবা জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে ৮৫ নম্বর ধারায়। নারী এবং শিশুদের ক্ষেত্রে এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হবে এই ধারায়।

    গর্ভপাত

    নয়া আইনে জোর করে গর্ভপাত করা হলে কী শাস্তি হবে, তারও বিধান রয়েছে। গর্ভপাতের কারণ, মহিলার সম্মতি ব্যতিরেকে গর্ভপাত, জন্মের পর শিশুকে মেরে ফেলা কিংবা এমন কোনও কাজ করা যা শিশুর পৃথিবীতে আসা বন্ধ করে এসব ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৮৬ থেকে ৯০ নম্বর ধারায়।

    শিশু সুরক্ষা

    নয়া আইনে শিশুদের সুরক্ষায়ও রয়েছে নানা বিধান। বারো বছরের নীচের কোনও শিশুকে পরিত্যাগ এবং শিশু মৃত্যু গোপন করা বা মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলা সংক্রান্ত সাজার বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৯১ ও ৯২ ধারায়। কোনও ব্যক্তি যদি ১৮ বছরের নীচে কোনও শিশুকে ভাড়া করে, কাজে লাগায় কিংবা তাকে দিয়ে কাজ করায়, তাহলেও সাজা ভোগ করতে হবে ওই ব্যক্তিকে। শিশুটির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হলেও, পেতে হবে কড়া শাস্তি। শিশুটি যৌন নিগ্রহের শিকার হলেও অপরাধীর সাজার বিধান রয়েছে। শিশুটিকে দিয়ে পর্নোগ্রাফি বানালেও ভোগ করতে হবে কড়া সাজা। অন্য কোনও ব্যাক্তির সঙ্গে যৌন সম্পর্কেও লিপ্ত করানো যাবে না শিশুটিকে। এসব ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হলে কারাবাস করতে হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত। গুণতে হবে জরিমানাও। ১০ বছরের নীচে কোনও বাচ্চাকে অপহরণ করা হলেও, কড়া সাজা ভোগ করতে হবে। কারাবাস হতে পারে ৭ বছর পর্যন্ত, সঙ্গে দিতে হবে জরিমানাও। শিশু বিক্রি কিংবা পতিতার কাজে লাগানো হলে কী শাস্তি হবে, তার বিধান রয়েছে নয়া আইনের ৯৬ ও ৯৭ নম্বর ধারায় (Bharatiya Nyaya Sanhita)।

    প্রসঙ্গত, পয়লা জুলাইয়ের আগে পর্যন্ত যে প্রায় সাড়ে চার কোটি মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলির বিচার হবে পুরানো আইনেই। পয়লা জুলাই থেকে যেসব অভিযোগ দায়ের হবে, সেগুলির বিচার হবে নয়া আইনে। নয়া আইনে এফআইআর থেকে শুরু করে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিই সেরে নেওয়া যাবে অনলাইনে (Bharatiya Nyaya Sanhita)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘দিদির বাংলা মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়’’, চোপড়া ইস্যুতে মমতাকে তোপ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘দিদির বাংলা মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়’’, চোপড়া ইস্যুতে মমতাকে তোপ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সালিশি সভার নামে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এসেছে, তাতে নিন্দায় সরব হয়েছে গোটা দেশের সভ্য সমাজ। ইতিমধ্যে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে গেরুয়া শিবিরও। এই ঘটনায় এক্স হ্যান্ডেলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তাঁর (JP Nadda) দাবি, ‘‘দিদির পশ্চিমবঙ্গ মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়।’’

    তৃণমূলের ক্যাডার ও বিধায়করা জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন, মত নাড্ডার (JP Nadda)

    সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের একটি ভয়ঙ্কর ভিডিও সামনে এসেছে। নৃশংসতায় চরমে। অথচ তৃণমূলের ক্যাডার ও বিধায়করা সেটাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন। সন্দেশখালি হোক বা উত্তর দিনাজপুর বা অন্য কোনও জায়গা, দিদির পশ্চিমবঙ্গ মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়।’’

    বিতর্কিত মন্তব্য বিধায়ক হামিদুলের 

    চোপড়ার (Chopra) ঘটনায় বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধায়ক হামিদুল রহমান। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘সমাজকে খারাপ করছিল। তাই গ্রামে সালিশি বসে এটা করেছে। যেটা করে দিয়েছে সেটা একটু বেশি বেশিই করে দিয়েছে। এটা নিয়ে আমরাও দুঃখিত। আর অন্যায় তো মেয়েটাও করেছে। নিজের স্বামী, নিজের সন্তান বাদ দিয়ে দুশ্চরিত্রবান হয়েছে। আমাদের মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার বিচার হয়েই থাকে।’’

    চোপড়া (Chopra) ইস্যুতে প্রতিবাদ সুকান্ত মজুমদারের

    চোপড়া ইস্যুতে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। বিধানসভা চত্বরে দলের মহিলা বিধায়করা এদিনই অবস্থানে বসে পড়েন। সংসদে অধিবেশন চলার কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রয়েছেন দিল্লিতে। সোমবার চোপড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘মণিপুরে যখন এক মহিলাকে নিগ্রহ করা হয়েছিল, তখন সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এখন চোপড়াতেও এক তরুণীকে নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে। এখন তিনি কোথায়? এ বার তিনি চোপড়ায় যান!’’ এদিন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া। তিনি বলেন, “সন্দেশখালি শাহজাহান দিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর দিল তাজেমুল।”

    ইন্ডি জোটের বিরুদ্ধে এনডিএ শিবিরের ইস্যু চোপড়া (Chopra)

    হিমাচলপ্রদেশের মাণ্ডীর বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা লোকসভায় ঢোকার আগে বলেন, ‘‘গত কয়েক দিন ধরে আপনারা দেখেছেন, তৃণমূল-সহ বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’র সাংসদেরা সংবিধান হাতে সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে কী নাটক করছেন! কিন্তু বাংলায় যা হয়েছে, তার অনুমতিও কি সংবিধান দেয়? যে ভাবে ‘অবৈধ’ সম্পর্কের অভিযোগে শরিয়ত আইন বলবৎ করা হচ্ছে, তা সংবিধানে কোথাও বলা হয়েছে? আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আমার ‘ইন্ডি’র সমস্ত সতীর্থের কাছেই এর উত্তর জানতে চাইব। রাহুল গান্ধীকেও এর জবাব দিতে হবে। গোটা দেশে এ নিয়ে একটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: কবে খুলবে জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার? মুখ খুললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী

    Odisha: কবে খুলবে জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার? মুখ খুললেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝির আশ্বাস পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার শীঘ্রই খোলা হবে। রবিবার রাজ্যের নবনির্বাচিত ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাংসদ এবং বিধায়কদের একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মোহন মাঝি বলেন, “প্রত্যেকের মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে রত্ন ভান্ডার কখন খোলা হবে। আমি বলতে চাই যে, রত্ন ভান্ডার (Ratna Bhandar) খুব শীঘ্রই খোলা হবে এবং সেখানে রাখা পবিত্র অলংকারগুলি খতিয়ে দেখা হবে। রত্ন যদি লোপাট হয় এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হয় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।”

    মোদির জন্মদিনে চালু হবে সুভদ্রা যোজনা

    মুখ্যমন্ত্রী মাঝি বলেন, “ওড়িশার (Odisha) অস্মিতা রক্ষার জন্য একটি নতুন ওড়িশার ভাবনা আমরা নিয়েছি। উৎকলের (ওড়িশা) ভাবমূর্তি বিকৃত করে, ওড়িশার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং ভাষাকে যারা অপমান করেছিল, তাঁদের শাসনের অবসান ঘটেছে।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি সরকার ওড়িয়া অস্মিতাকে রক্ষা করতে এবং ওড়িশাকে ভারতের এক নম্বর রাজ্যে পরিণত করতে কঠোর পরিশ্রম করবে। ওড়িশা ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি বিকসিত রাজ্য হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির এই অঙ্গীকার করেছেন।” মাঝি আরও জোর দিয়ে বলেন, “কর্মী ও নেতাদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে দীর্ঘ সংগ্রামের পরে বিজেপি নিজেরাই সরকার গঠনে সফল হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে রাজ্যে বহুল আলোচিত সুভদ্রা যোজনা চালু করা হবে। এতে মহিলারা এই যোজনার অধীনে ৫০,০০০ টাকার নগদ ভাউচার পাবেন, যা বিজেপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল।”

    ওড়িশায় রেলে ১ লক্ষ কোটির বিনিয়োগ (Odisha)

    এদিনের অনুষ্ঠানে সিএম মাঝি, দুই ডেপুটি সিএম, তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং জুয়েল ওরাম, রাজ্য ইউনিট বিজেপি সভাপতি মনমোহন শ্যামল, দলের অন্যান্য সাংসদ এবং বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে ওড়িশায় ১ লক্ষ কোটি টাকার নতুন রেল প্রকল্প হবে। অতীতে কেন্দ্রের কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার এবং ওড়িশায় বিজু জনতা দল (বিজেডি) সরকার দ্বারা ওড়িশায় রেল উপেক্ষিত ছিল।”

    আরও পড়ুন: “সিধু-কানুদের সাহস দেশবাসীর কাছে প্রেরণার উৎস”, হুল দিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “বিজেপি সরকার ভগবান জগন্নাথের আশীর্বাদ এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সমর্থন ও নির্দেশনায় ওড়িশার (Odisha) জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কঠোর পরিশ্রম করবে। জনগণকে আশ্বাস দিচ্ছি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় প্রথম মামলা দায়ের, কোথায়, কার বিরুদ্ধে?

    Delhi Police: ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় প্রথম মামলা দায়ের, কোথায়, কার বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (Bharatiya Nyaya Sanhita) আওতায় প্রথম এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা- ২০২৩ এর ২৮৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে দিল্লির কমলা নগর থানায়। দিল্লির রাস্তার একজন ফুটপাত ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারণ হিসেবে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) জানিয়েছে, রেলের ওভারব্রিজের নিচের রাস্তার একটি এংশ জোর করে দখলে নিয়েছিলেন ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী। এর ফলে সাধারণ মানুষদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। 

    বারবার সরে যেতে বলা হলেও ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী সরে যান নি (Delhi Police)

    জানা গিয়েছে, একটি গাড়ির ওপরে গুটখা ও জলের বোতল বিক্রি করতেন ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী। তাঁকে সেই রাস্তা থেকে একাধিক বার সরে যেতে বলা হলেও তিনি যেতে চান নি। এরপরেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁর নামে এফআইআর (Delhi Police) দায়ের করা হয়। একইভাবে নতুন ফৌজদারি আইনের (Delhi Police) অনুসারে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের নিশাতপুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল রাত বারোটার পরে ওই অভিযোগ দায়ের করা হয়। যদিও মামলার বিষয়ে বিস্তারিত এখনও কিছু জানা যায়নি।

    নয়া আইনের বৈশিষ্ট্য

    এত দিন আইনে সাজার কথা বলা ছিল। এ বার নতুন আইনের নামের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায় পান সেই ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। ভারতীয় বিধানে ন্যায়দণ্ডের কাছে সবাইকে সমান চোখে দেখার কথা বলা রয়েছে। ন্যায় সংহিতায় (Bharatiya Nyaya Sanhita) নতুন ২০টি অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে। আর ভারতীয় দণ্ডবিধিতে থাকা ১৯টি বিধান বাদ পড়েছে ন্যায় সংহিতায়। একই সঙ্গে ৩৩টি অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সাজার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৮৩টি অপরাধের জন্য জরিমানার পরিমাণও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার ২৩টি এমন অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে একটি বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন শাস্তির কথা বলা রয়েছে ন্যায় সংহিতায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lonavala waterfall: লোনাভালার জলপ্রপাতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের ৭ জন! প্রকাশ্যে ভিডিয়ো

    Lonavala waterfall: লোনাভালার জলপ্রপাতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের ৭ জন! প্রকাশ্যে ভিডিয়ো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুরতে গিয়ে বিপত্তি। মুম্বইয়ের কাছে লোনাভালা জলপ্রপাতে (Lonavala waterfall) ঘুরতে গিয়ে স্রোতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের সাত জন। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু (Lonavala Drowning Death) হয়েছে বলে খবর। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা। আছে একাধিক শিশুও। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। যা দেখে নেটাগরিকেরা অনেকেই শিউরে উঠেছেন। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Lonavala Drowning Death) 

    মহারাষ্ট্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র লোনাভালার ভুশি বাঁধ। রবিবার ছুটির দিনে সেখানেই পিকনিক করতে গিয়েছিল পুনের সায়েদ নগরের আনসারি পরিবার। দুপুরে জল খানিকটা কম থাকায় নিচে নামে ওই পরিবারের সাত জন। তখনই কয়েক মুহূর্তে খরস্রোতা নদীর আকার নেয় জলপ্রপাত (Lonavala waterfall)। জলের একেবারে মাঝখানে আটকে পড়েন ওই তাঁরা। একে অপরকে আঁকড়ে বাঁচার চেষ্টা করলেও তাঁরা প্রবল জলের তোড়ে মুহূর্তের মধ্যেই ভেসে যান। আশেপাশে লোকজন দাঁড়িয়ে থাকলেও কেউ কিছুই করে উঠতে পারেনি।

    জানা গিয়েছে, ঘটনার পরে ওই সাত জনের মধ্যে দুজন সাঁতরে ডাঙায় উঠতে পেরেছিলেন। পুলিশ এসে তিন জনের দেহ উদ্ধার (Lonavala Drowning Death) করে। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি দুজনের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন, সাহিস্তা লিয়াকত আনসারি (৩৬), আমিমা আদিল আনসারি (১৩), উমেরা ওরফে সালমান আদিল আনসারি (৮)। এখনও নিখোঁজ আদনান শাবাত আনসারি (৪), এবং মারিয়া আনসারি (৯)। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। তবে ভারী বৃষ্টি আর বজ্রপাতের জন্য তল্লাশিতে বেগ পেতে হচ্ছে। তবে এই ঘটনায় লোনাভালায় (Lonavala waterfall) পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    আরও পড়ুন: স্বামীর আনন্দের দিনে পাশে স্ত্রী অনুষ্কা! স্ত্রীর বার্তার জবাব দিলেন বিরাট

    স্থানীয়রা কী জানালেন? 

    উল্লেখ্য, প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক বর্ষার সময়ে লোনাভালায় ভিড় জমান। বেশ কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে উপচে পড়েছে বাঁধের জল। তাই প্রশাসনের তরফ থেকে পর্যটকদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু সব নিয়ম উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় চলে যায় ওই পরিবার। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি। তবে এ প্রসঙ্গে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জলপ্রপাতের (Lonavala waterfall) সামনে শ্যাওলা জমে রয়েছে। দীর্ঘদিন তা পরিষ্কার করা হয় না। তার জেরে হামেশাই অনেকে পা পিছলে পড়ে যান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Doctor’s Day 2024: আজ, ১ জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবস, জানুন দিনটির তাৎপর্য

    National Doctor’s Day 2024: আজ, ১ জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবস, জানুন দিনটির তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপন্ন রোগীকে বাঁচিয়ে তোলা থেকে সুস্থ জীবন উপহার দেওয়া- এসব কাজই ডাক্তাররা করে থাকেন। তাঁদের অবদানের জন্যই আমরা সুস্থ জীবনযাপন করতে পারি। ডাক্তারদের (National Doctor’s Day 2024) এমন নিঃস্বার্থ সেবা প্রতিদিনই আমাদের চোখে পড়ে। তাঁদের এই সেবাকে সম্মান-স্বীকৃতি ও মর্যাদা দিতে প্রতিবছরই পালিত হয় জাতীয় চিকিৎসক দিবস। প্রতিবছর ১ জুলাই সারা দেশজুড়ে পালিত হয় জাতীয় চিকিৎসক দিবস। চলতি বছরের তা আজ সোমবার। 

    ১ জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবস কেন? (National Doctor’s Day 2024)

    ১৮৮২ সালের ১ জুলাই স্বনামধন্য চিকিৎসক বিধানচন্দ্র রায় (Bidhan Chandra Roy) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর বিশেষ অবদান ছিল। আবার ঘটনাক্রমে ১ জুলাই তাঁর মৃত্যু দিবসও বটে। ১৯৬২ সালের এই দিনে তিনি প্রয়াত হন। চিকিৎসা পরিষেবা তথা তথা জনসাস্থ্যের ওপর তাঁর বিপুল অবদানের জন্য এই দিনটিকে (১ জুলাই) বেছে নেওয়া হয়েছে জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে। ১৯৯১ সালের ১ জুলাই প্রথমবারের জন্য ভারত সরকার এই দিনটিকে জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) দ্বারা জাতীয় চিকিৎসক দিবস উদযাপন শুরু হয়েছিল। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের অবদানের (National Doctor’s Day 2024) জন্য তাঁকে ১৯৬১ সালে ভারতরত্ন প্রদান করা হয়।

    কী কী অনুষ্ঠান হয় এদিন (National Doctor’s Day 2024)?

    জাতীয় চিকিৎসক দিবসে (Bidhan Chandra Roy) বিভিন্ন রকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডাক্তারদেরকে সম্মান জানাতে, শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবার জন্য এই দিনে সাধারণ নাগরিকরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানও করে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল জুড়ে চিকিৎসকদের সমাজের প্রতি অবদান নিয়ে বিভিন্ন লেখাও নজরে পড়ে। এই দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির আয়োজন করা হয়। জায়গায় জায়গায় সম্মেলন করা হয় স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর। বিভিন্ন ডাক্তাররা বক্তব্য রাখেন সেমিনারে (National Doctor’s Day 2024)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bharatiya Nyaya Sanhita: আইপিসি অতীত! দেশে জারি হল ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’, নতুন কী রয়েছে এতে?

    Bharatiya Nyaya Sanhita: আইপিসি অতীত! দেশে জারি হল ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’, নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার, ১ জুলাই থেকে গোটা দেশে চালু হচ্ছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita)-সহ নতুন তিন অপরাধমূলক আইন। এর ফলে ভারতীয় আইন ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া নিয়মগুলি। তার বদলে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর জায়গা করে নেবে ভারতের নতুন তিনটি ফৌজদারি আইন (New Criminal Laws) — ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) ও ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (BSA)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলছেন, ‘১ জুলাই থেকে বদলাচ্ছে স্বাধীন ভারতের ইতিহাস। ভারতীয় ন্যায়বিচারের ঐতিহ্যকে মাথায় রেখে নতুন আইন তিনটি আনা হয়েছে যার সঙ্গে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের আর কোনও সম্পর্ক রইল না।’

    কার পরিবর্তে কী

    ১৮৬০ সালে তৈরি ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’ (ভারতীয় দণ্ডবিধি)-র পরিবর্তে হয়েছে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (Bharatiya Nyaya Sanhita)। ১৮৯৮ সালের ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট’ (ফৌজদারি দণ্ডবিধি)-র নতুন রূপ ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ এবং ১৮৭২ সালের ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট’ (ভারতীয় সাক্ষ্য আইন)-এর বদলে কার্যকর হচ্ছে ‘ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম’। তবে, নতুন ফৌজদারি আইন চালু হলেও পুরনো আইনগুলি যে একেবারে ব্যবহার হবে না, তাও নয়। কারণ, দেশের বিভিন্ন আদালত ও থানায় রবিবার পর্যন্ত পেন্ডিং কেসের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার কোটি, যার সবই চলবে পুরনো আইন মোতাবেক। নতুন কোনও অভিযোগ আইপিসি অনুসারে আর দায়ের করা যাবে না। 

    নয়া আইনের বৈশিষ্ট্য

    এত দিন আইনে সাজার কথা বলা ছিল। এ বার নতুন আইনের নামের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায় পান সেই ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। ভারতীয় বিধানে ন্যায়দণ্ডের কাছে সবাইকে সমান চোখে দেখার কথা বলা রয়েছে। ন্যায় সংহিতায় (Bharatiya Nyaya Sanhita) নতুন ২০টি অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে। আর ভারতীয় দণ্ডবিধিতে থাকা ১৯টি বিধান বাদ পড়েছে ন্যায় সংহিতায়। একই সঙ্গে ৩৩টি অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সাজার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৮৩টি অপরাধের জন্য জরিমানার পরিমাণও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার ২৩টি এমন অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে একটি বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন শাস্তির কথা বলা রয়েছে ন্যায় সংহিতায়।

    প্রযুক্তি নির্ভর, অনলাইন প্রক্রিয়া

    নয়া আইনগুলোর (Bharatiya Nyaya Sanhita) সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, এফআইআর থেকে শুরু করে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটাই থাকবে অনলাইনে। তার ফলে অভিযোগ দায়ের থেকে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত সবটাই হবে প্রযুক্তি চালিত। মামলা যাতে বছরের পর বছর ধরে পেন্ডিং না থাকে, সে জন্য বিচারপ্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হবে ৩ বছরের মধ্যে এমনই বলা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতায়।

    আরও পড়ুন: স্কুল থেকেই পাচার মিড ডে মিলের চাল! গ্রেফতার ১, কাঠগড়ায় তৃণমূল বুথসভাপতি

    নারী সুরক্ষায় জোর

    নতুন আইনে (New Criminal Laws) নারী সুরক্ষা এবং নারীদের সঙ্গে ঘটা বিভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে বিধি আরও কঠোর করা হয়েছে। নয়া আইনে ১৮ বছরের কমবয়সি অর্থাৎ নাবালিকা ধর্ষণে সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড অথবা আজীবন কারাদণ্ড। গণধর্ষণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ২০ বছর থেকে আজীবন কারাবাসের সাজার কথা বলা হয়েছে। যৌন হিংসার মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতার বয়ান নেওয়া হবে তাঁরই বাড়িতে। এক জন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সেই বয়ান নথিবদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায়। বিয়ে বা অন্য প্রতিশ্রুতি দিয়ে মহিলাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অপরাধের জন্য ১০ বছরের সাজার কথা বলা হয়েছে।

    নতুন অপরাধ 

    নতুন আইনে (Bharatiya Nyaya Sanhita) সাইবার অপরাধ এবং আর্থিক প্রতারণার মতো নতুন অপরাধ যুক্ত করা হয়েছে। এত দিন দেশে গণপিটুনির ক্ষেত্রে কোনও আলাদা আইন ছিল না। এ বার এমন অপরাধে কারও মৃত্যু হলে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সাজার কথা বলা রয়েছে। পাশাপাশি, পরিবেশ দূষণ এবং মানব পাচারের মতো অপরাধকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় সাজার আওতায় আনা হয়েছে। তার জন্য আলাদা আলাদা বিধানের কথাও রয়েছে এই আইনে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Commerical LPG Cylinder: ফের সস্তা হল রান্নার গ্যাস, দাম কমল ৩১ টাকা, কলকাতায় কত হল?

    Commerical LPG Cylinder: ফের সস্তা হল রান্নার গ্যাস, দাম কমল ৩১ টাকা, কলকাতায় কত হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সস্তা হল রান্নার গ্যাস (Commercial LPG Cylinder)। পরপর চার মাস দাম কমল বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের। খুশির হাওয়া হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলির হেঁসেলে। আজ, অর্থাৎ সোমবার ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হচ্ছে নয়া দাম। কলকাতায় গতকাল পর্যন্ত ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হত ১,৭৮৭ টাকা। তবে আজ থেকে তা এক ধাক্কায় নেমে হয়ে যাচ্ছে ১,৭৫৬ টাকা। কিন্তু ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য ১৪.২ কেজির যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়, তার দামে কোনও রকমের বদল বা পরিবর্তন আসছে না। ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৮২৯ টাকাই থাকছে (LPG Cylinder Price)।

    আর পড়ুন: রাজ্যে বাড়ছে গণপিটুনির ঘটনা, বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি কেন?

    আন্তর্জাতিক বাজারে দাম অনুযায়ী বিবেচনা (LPG Cylinder Price)

    জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামকে বিবেচনা করে স্থির করা হয় রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতি মাসেই এই তেলের দাম পর্যালোচনা করে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি। অর্থাৎ এইভাবেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওপর নির্ভর করে দেশীয় বাজারে (Commercial LPG Cylinder) রান্নার গ্যাসের দাম।

    বিগত মাসগুলিতে একাধিকবার কমেছে রান্নার গ্যাসের দাম

    গত জুন মাসে সিলিন্ডার পিছু বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম কমেছিল ৭২ টাকা। তার আগে মে মাসেও এই দাম কমেছিল ২০ টাকা। এপ্রিলের শুরুতে দাম কমেছিল ৩২ টাকা। তবে গত মার্চে এই দাম একবার বেড়েছিল ২৪ টাকা। কিন্তু এ মাসের মতো গত মাসেও ঘরোয়া ব্যবহারের সিলিন্ডারের দামের কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারগুলি (Commercial LPG Cylinder) সাধারণত ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন হোস্টেল রেস্টুরেন্টগুলিতে। অন্যদিকে বাড়িতে ব্যবহার করা হয় ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারগুলি।

    আরও পড়ুন: স্কুল থেকেই পাচার মিড ডে মিলের চাল! গ্রেফতার ১, কাঠগড়ায় তৃণমূল বুথসভাপতি

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “সিধু-কানুদের সাহস দেশবাসীর কাছে প্রেরণার উৎস”, হুল দিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সিধু-কানুদের সাহস দেশবাসীর কাছে প্রেরণার উৎস”, হুল দিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপজাতির নেতাদের শ্রদ্ধা প্রদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৩০ জুন হুল দিবস উপলক্ষে তিনি শ্রদ্ধা জানান সিধু-কানু, চাঁদ-ভৈরব এবং ফুলো-ঝানোকে। দেশের রাষ্ট্রপতি পদে উপজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করে বিরোধীদের মাত দিয়েছিলেন তিনিই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিও যে তাঁর সমদৃষ্টি রয়েছে, সেই ঘটনাই ছিল তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। এদিন জনজাতি সম্প্রদায়ের শহিদদের স্মৃতিতর্পণ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও একবার এই বার্তা দিলেন, “আমি তোমাদেরই লোক”।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জনজাতি সম্প্রদায়ের অসম সাহস, লড়াই এবং আত্মবলিদানের জন্য উৎসর্গীকৃত হুল দিবস হল একটি মহতী অনুষ্ঠান। এহেন পবিত্র দিনে সিধু-কানু, চাঁদ-ভৈরব এবং ফুলো-ঝানোকে আমি আমার অন্তরের শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি লিখেছেন, “ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁদের আত্ম-মর্যাদা বোধ এবং সাহস দেশবাসীর কাছে হয়ে থাকবে চিরকালীন এক প্রেরণার উৎস।” প্রসঙ্গত, এবছর ছিল ১৬৯তম হুল দিবস। ইতিহাসে দিনটিকে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠানেও হুল দিবস

    তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এদিনই (রবিবার) ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেও তিনি হুল দিবসের উল্লেখ করেন। এই দিনেই যে সিধু-কানু বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে অদম্য সাহস নিয়ে গর্জে উঠেছিলেন, তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ ৩০ জুন, খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। আমাদের উপজাতি সম্প্রদায়ের ভাইবোনেরা দিনটিকে হুল দিবস হিসেবে পালন করেন। এই দিনটি সিধু-কানুর অদম্য সাহসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে এঁরা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।”

    আর পড়ুন: রাজ্যে বাড়ছে গণপিটুনির ঘটনা, বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি কেন?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বীর সিধু-কানু হাজার হাজার সাঁওতাল সঙ্গীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধ সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করেছিলেন। এবং আপনারা জানেন, কখন এটা ঘটেছিল? এই ঘটনা ঘটেছিল ১৮৫৫ সালে। ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধেরও দু’বছর আগে। সেই সময় ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনায় আমাদের উপজাতি ভাইবোনেরা বিদেশি শাসকের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল (PM Modi)।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share