Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • S-400 Sudarshan: আরও ৫টি এস-৪০০ কেনার প্রক্রিয়া শুরু কেন্দ্রের, ভাবনা ‘সুদর্শন’-এর সুরক্ষায় বিশেষ কবচ নিয়েও

    S-400 Sudarshan: আরও ৫টি এস-৪০০ কেনার প্রক্রিয়া শুরু কেন্দ্রের, ভাবনা ‘সুদর্শন’-এর সুরক্ষায় বিশেষ কবচ নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই লক্ষ্যে আরও পাঁচটি রুশ নির্মিত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্কোয়াড্রন কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভারতে এই ব্যবস্থাটি ‘সুদর্শন’ নামে পরিচিত। সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘর্ষক্ষেত্রে চিনা প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর না হওয়ায় ভারতের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন এস-৪০০ স্কোয়াড্রনগুলি মূলত দেশের পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ বাজিমাত ‘সুদর্শন’-এর

    বর্তমানে ভারতের হাতে তিনটি এস-৪০০ সিস্টেম রয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই আরও দুটি সিস্টেম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার কথা। গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে আসে। ১০ মে ভারতের অভিযানের সময় পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান, এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং এয়ারক্র্যাফ্ট ও নজরদারি বিমান আকাশে উঠতে পারেনি। চার দিনের সংঘর্ষে এস-৪০০ একাধিক পাকিস্তানি বিমান ভূপাতিত করে এবং ইতিহাসের দীর্ঘতম আকাশপথে আঘাত হানার নজির গড়ে—পাকিস্তানের ভূখণ্ডের ভিতরে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে একটি উচ্চমূল্যের গুপ্তচর বিমান ধ্বংস করা হয়।

    আরও ৫ স্কোয়াড্রন এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পথে ভারত!

    প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য অতিরিক্ত পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ইতিমধ্যেই এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এবার এটি যাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদে (DAC)। সেখান থেকে ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অব নেসেসিটি’ (AoN) মিললে ব্যয় নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। পরে বিষয়টি অর্থ মন্ত্রকের মাধ্যমে যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তান চিনা প্রযুক্তির এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছিল। তবে তা ভারতীয় বিমান প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। ভারত তখন পাকিস্তানের অভ্যন্তরে একাধিক সন্ত্রাসবাদী লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের ব্যবস্থা সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলা ও ইরানের ক্ষেত্রেও মার্কিন ও ইজরায়েলি অভিযানের সময় কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।

    এস-৪০০ সিস্টেমকে রক্ষা করতে ‘প্যান্টসির এস-১’

    এদিকে, এস-৪০০ সিস্টেমের পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনীর থেকে ১৩টি রুশ ‘প্যান্টসির এস-১’ স্বয়ংক্রিয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে প্রস্তাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই ব্যবস্থা মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, স্বল্পপাল্লার রকেট এবং কামিকাজে (আত্মঘাতী) ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম। এর মধ্যে ১০টি প্যান্টসির সিস্টেম কেনা হবে বায়ুসেনার জন্য, যাতে ভবিষ্যতে মোট ১০টি এস-৪০০ ব্যবস্থাকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। বাকি তিনটি সেনাবাহিনী কিনবে সীমান্তে ক্রুজ মিসাইল, আক্রমণকারী হেলিকপ্টার, লয়টারিং মিউনিশন, সশস্ত্র ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার জন্য। জানা যাচ্ছে, প্যান্টসির কেনার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ফাস্ট-ট্র্যাক পদ্ধতিতে সরাসরি কিছু সিস্টেম কেনা হবে। পরে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ভারতের বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে দেশেই উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বাহিনী এই প্যান্টসির ব্যবস্থা ব্যবহার করছে এবং ইরানি কামিকাজে ড্রোন ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

  • Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের হাই-স্পিড রেল (High-Speed Rail) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে দেশে ৭,০০০ কিলোমিটার উচ্চ গতির বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী রেল করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে ২১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

    নতুন করিডর অনুমোদন (Bullet Train)

    কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই ৪,০০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ৭টি নতুন উচ্চ-গতির যাত্রী করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন। এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ১৬ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং যা আগামী ১০ বছরের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে কাজের বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে তিনি আরও জানিয়েছেন, “এই লক্ষ্য পূরণের জন্য ভারতীয় রেলকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেললাইন চালু করতে হবে। এটি কার্যত প্রতি বছর একটি করে ‘মুম্বই-আহমেদাবাদ’ বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের সমান কাজ করার মতো কাজ হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উচ্চগতি সম্পন্ন বুলেট ট্রেন সম্পর্কে আরও বলেছেন, “আমরা এই প্রকল্পকে প্রথমে ৩,০০০ কিলোমিটার করিডর (High Speed Rail Corridors) অনুমোদন করব, এরপর তাকে ৭০০০ কিমিতে, তারপর ১৫০০০ কিমি এবং তাকেই আরও ২১০০০ কিমি পর্যন্ত পরিকল্পনার আওতায় নিয়ে আসব। সবটাই ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে মোট নেটওয়ার্ক (Bullet Train) গড়ে তোলা হবে।” ভারতীয় রেলের জন্য এই অভূতপূর্ব সাফল্য সত্যই প্রগতির এক নতুন অধ্যায়।

    মুম্বই-আহমেদাবাদ প্রকল্প প্রেরণা

    ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্প মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডোর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী প্রকল্পগুলো (High Speed Rail Corridors) দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। সাধারণ দৃষ্টিতে ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টার বেশি গতিতে ট্রেন চালানো প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত জটিল। তবে ভারত সাফল্যের সঙ্গে এই ব্যবস্থাকে আয়ত্ত করছে। এই উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব আনবে না, বরং ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে এবং লজিস্টিকস ও পরিকাঠামো খাতের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • RSS: “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা,” বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) জোর দিয়ে বলেছেন যে, সনাতন ধর্মের উন্নতি ও পুনরুত্থানের যে নিরন্তর প্রক্রিয়া চলছে। সংঘ তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা যা বিশ্বজুড়ে মানবতাকে পথ দেখায়। সংঘকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বরং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখুন যাতে এটি আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।”

    সনাতন ও ভারত (RSS)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) উল্লেখ করে বলেন, “ভারত ও সনাতন ধর্ম একে অপরের পরিপূরক। ভারতের অস্তিত্ব ও পরিচিতি সনাতন ধর্মের আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ভারত জাগরিত হলে সনাতন ধর্মও জাগরিত হয়। সনাতন জাগ্রহ হলে দেশ এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।” রাজস্থানে সংঘের (RSS) একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন মোহন ভাগবত।

    সংঘের ভূমিকা

    সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সংঘ (RSS) কোনো নতুন মতাদর্শ প্রচার করছে না, বরং সনাতন ধর্মের প্রাচীন ও শাশ্বত মূল্যবোধগুলোকেই সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে।” তিনি তাই স্বয়ংসেবকদের আহ্বান করে বলেন, “তারা ব্যক্তি চরিত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজ গঠনে ব্রতী হন। সমাজ গঠন আর পুনঃনির্মাণ হলে ভারত রাষ্ট্রও সঙ্ঘবদ্ধ হবে।”

    তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে অস্থিরতা চলছে, তার সমাধান কেবল সনাতন ধর্মের প্রদর্শিত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ অর্থাৎ বিশ্বই এক পরিবার দর্শনের মাধ্যমেই সম্ভব। আরএসএস এই একতার ভাবধারাকে শক্তিশালী করতেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।”

    সাংস্কৃতিক জাগরণ

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি মনে করেন, যখন প্রতিটি ভারতীয় নিজের শিকড় ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, তখনই ভারত প্রকৃত অর্থে ‘বিশ্বগুরু’র আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারবে।

    ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দাদা গুরু ঐতিহ্যের অবদান শীর্ষক একটি জাতীয় স্তরের সিস্পোজিয়াম ৭ এবং ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। যোধপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় প্রাকৃত ভারতী ইন্সটিউট এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক অধ্যায়ন কেন্দ্র সহ বেশ কয়েকটি নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জ্ঞান অংশীদার হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন আচার্য সন্ন্যাসী এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন। এখানে সরসংঘ (RSS) চালক বিশেষ ভাষণ রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

  • India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঞ্চলিক উত্তেজনার আবহে পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন দক্ষিণ সেক্টরে বিমানবাহিনীর মহড়ার জন্য নোটাম (Notice to Airmen) জারি করেছে ভারত। আজ ৫ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষিত থাকবে বলে সরকারি বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর নির্ধারিত মহড়ার অংশ এবং অসামরিক বিমান চলাচলকে নিরাপদ রাখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই নোটাম (India’s NOTAM) জারি করা হয়েছে। সামরিক মহড়ার আগে নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষণের এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত রীতি।

    অতিরিক্ত নজরদারি

    নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের এই পদক্ষেপকে ঘিরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ সীমান্ত, অর্থাৎ রাজস্থান–সিন্ধ সংলগ্ন অঞ্চলে মহড়া ঘিরে ইসলামাবাদ অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করেছে বলে খবর। পাকিস্তান বর্তমানে আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তে বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার জেরে আরব সাগরেও নৌ-সতর্কতা বজায় রাখতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের নতুন নোটাম জারির পর পাকিস্তান অতিরিক্ত বিমান ও স্থলসেনা মোতায়েন করেছে বলে নিরাপত্তা মহলের দাবি। এক শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকের কথায়, একাধিক ফ্রন্টে চাপ সামলাতে গিয়ে পাকিস্তানের সামরিক ক্ষমতা “চাপের মুখে” রয়েছে। এই আবহে ভারতীয় বায়ুসেনার মহড়া পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। তবে এটি, নিয়মিত অনুশীলনের অঙ্গ বলে জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ভারতের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

    উল্লেখ্য, ভারত–পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণ অংশ অতীতে বহুবার সামরিক মহড়া করেছে, বিশেষত উত্তেজনার সময়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত বার্তা দেওয়ার অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিয়মিত নোটাম জারির প্রবণতা বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত। ‘অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক দিক থেকে পাকিস্তান এখন অনেকটা ব্যাকফুটে। এটাই পাকিস্তানে হামলা চালানোর আদর্শ সময়। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণে ভারত নোটাম জারি করেছে মানে প্রস্তুতি নিচ্ছে’। এই ভয়ে আকাশসীমা বন্ধ করেছে পাকিস্তান। করাচি-লাহোর রুটে নোটাম জারি করেছে ইসলামাবাদ।

  • Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সঙ্কটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত (Middle East Crisis) ভারতীয় (India) নাগরিকদের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলল বিদেশমন্ত্রক (MEA) । এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে, এই প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রকে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।”

    কন্ট্রোল রুম (Middle East Crisis)

    বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক বসবাস করেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “কন্ট্রোল রুমে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাবে: ১৮০০১১৮৭৯৭ (টোল ফ্রি), +৯১ ১১ ২৩০১ ২১১৩, +৯১ ১১ ২৩০১ ৪১০৪, +৯১ ১১ ২৩০১ ৭৯০৫।” বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজরদারি অব্যাহত রাখবে এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি, নয়াদিল্লি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলির সঙ্গে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এদিকে, মঙ্গলবার জেড্ডায় অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল জানায়, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে আঞ্চলিক ভ্রমণ ব্যাহত হওয়ায় শহর (Middle East Crisis) থেকে বিশেষ ফ্লাইটে যাত্রাকারী ভারতীয় নাগরিকদের পূর্ণ সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।

    কনস্যুলেটের বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট জানায়, কনসাল জেনারেল ফাহাদ আহমেদ খান সুরি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বিভিন্ন ভারতীয় গন্তব্যে অনিয়মিত (নন-স্কেজুলড) ফ্লাইটে যাত্রারত যাত্রীদের জন্য করা ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করেন।ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির পরিচালিত এই বিশেষ ফ্লাইটগুলি সাম্প্রতিক ভ্রমণ বিঘ্নের প্রভাব কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা করা হয়েছে (India)। ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল সমন্বিত সামরিক হামলা চালায় ইরানের ওপর, যাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি নিহত হন। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটি অঞ্চলটিতে অন্যতম বড় উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরবর্তী কয়েক দিনে ইরান একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, যার মূল লক্ষ্য ছিল (India) ইজরায়েল এবং বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি—সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডন এবং সৌদি আরব-সহ (Middle East Crisis)।

     

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কথা বলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইজরায়েল, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং কাতারের নেতাদের সঙ্গে (Peace Stability Security)। এই অঞ্চলে দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা এবং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির পক্ষ থেকে ইজরায়েল, উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ, এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক টার্গেটে হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

    কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি কাতারের ওপর হামলার নিন্দে করেন এবং কাতারে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন ও যত্নের জন্য আমিরকে ধন্যবাদও জানান। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ভাই, মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা কাতারের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি এবং তার (Peace Stability Security) সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার যে কোনও লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দে করি। সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে দ্রুত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর আমরা জোর দিয়েছি। এই কঠিন সময়ে কাতারে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর অব্যাহত সমর্থন ও যত্নের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।”

    কথা আরও ৭ বিশ্বনেতার সঙ্গেও

    মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও (PM Modi) দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন কুয়েতের যুবরাজ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ-এর সঙ্গেও। দুটি ক্ষেত্রেই আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মহামান্য সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ওমানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের নিন্দে করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, টেকসই কূটনৈতিক সম্পৃক্ততাই দ্রুত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। ওমানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি (PM Modi)।”

    হামলার তীব্র নিন্দে

    এদিনই প্রধানমন্ত্রী জর্ডনের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহের সঙ্গেও কথা (Peace Stability Security) বলেন এবং জর্ডনের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি এবং এই কঠিন সময়ে জর্ডনে প্রবাসী ভারতীয়দের দেখভাল করার জন্য ধন্যবাদ জানান বাদশাহকে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ এবং বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন টেলিফোনে। আলোচনায় তিনি সৌদি আরব ও বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। পাশাপাশি ওই দেশগুলিতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে ভারতের অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয় (PM Modi)।

    শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান

    প্রসঙ্গত, এই ফোনালাপগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ। ১ মার্চ, রবিবার তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং দ্রুত সব ধরনের শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান (Peace Stability Security)। ভারতের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমষ্টিগত নিরাপত্তার প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে এবং সর্বোপরি নিরীহ অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেয় বলে দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • Iran-Israel Conflict: “সক্রিয় সরকার, মিসাইলের শব্দের মধ্যেই সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম” মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে জানালেন ভারতীয়রা

    Iran-Israel Conflict: “সক্রিয় সরকার, মিসাইলের শব্দের মধ্যেই সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম” মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফিরে জানালেন ভারতীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সশস্ত্র সংঘাতের জেরে উদ্বেগের মধ্যে থাকা বহু ভারতীয় নাগরিক ধীরে ধীরে দেশে ফিরছেন। ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আল খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei) নিহত হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটেছে। এর জেরে গোটা অঞ্চলের আকাশপথে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। দুবাই, যেখানে বিশ্বের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর একটি অবস্থিত, সেই শহরও ইরানের পাল্টা হামলার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশসীমা আংশিক বন্ধ থাকায় বহু ফ্লাইট (Iran-Israel Conflict) বাতিল হয়েছে এবং হাজার হাজার যাত্রী আটকে পড়েন।

    দুবাই থেকে ফিরছেন ভারতীয়রা

    সংঘাতের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আটকে পড়েছিলেন বহু ভারতীয়। সোমবার (২ মার্চ) থেকে তাঁদের অনেকেই বিশেষ ও বিকল্প বিমানে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। দুবাই থেকে ইন্দোরে ফিরে আসা ব্যবসায়ী প্রভীন কক্কর জানান, “ওখানে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আছে। সরকার ভালো কাজ করছে।” একদল বিজেপি নেতাও দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। তাঁদের মধ্যে বিশাল প্যাটেল বলেন, “মিসাইল প্রতিহত করার শব্দ শোনা যেত, তখন কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হতো। তবে আমিরাত সরকার সতর্ক ছিল। সেখানে থাকা সব ভারতীয়রই দেখভাল করা হয়েছে।” সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া ভিডিও বার্তায় বিজেপি নেতা সঞ্জয় শুক্লাও একই কথা বলেন। তাঁর কথায়, “প্রথম দু’দিন পরিস্থিতি বেশ খারাপ মনে হচ্ছিল। দুবাইতেও হামলার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ ও মার্কিন বাহিনী তা প্রতিহত করে। আমরা নিয়মিত সতর্কবার্তা পাচ্ছিলাম।”

    দিল্লিতে নামতেই স্বস্তি

    দুবাই থেকে দিল্লিতে ফেরা সুনীল গুপ্ত জানান, “আমি খুবই চিন্তায় ছিলাম। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনও হইনি। চারদিকে যা ঘটছিল, তা দেখে খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। শুধু বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলাম।” অন্যদিকে, ওমানের মাস্কাট থেকে ফেরা সুহেল আহমেদ জানান, বিমানবন্দরে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তিনি বলেন, “দীর্ঘ লাইন, বিভ্রান্তি—পরিবার নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েছিলেন। অনেকের টাকাও ফুরিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় দ্রুত ছাড়পত্র ও ভালো ব্যবস্থাপনা দরকার।”

    মিসাইল দেখামাত্রই ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে দুবাইয়ের বিমানবন্দর আংশিক চালু হয়েছে। যদিও যাত্রীদের জানানো হয়েছে বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে তবেই বিমানবন্দরে যেতে। মঙ্গলবার ওমান থেকে ফিরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পর্যটকরা। তাঁর বলছেন দেশের মটিয়ে পা দিয়ে তাঁর যারপরনাই নিশ্চিন্ত বোধ করছেন। ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ভারতে ফের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস। ফিরে আসা যাত্রীদের মধ্যে অনিশা আগরওয়াল নামের একজন বলেন, “ওখানে মিসাইল দেখামাত্রই ব্যবস্থা নিচ্ছিল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। আমরা সে সব দেখে ভয়ে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও দুবাইয়ের সরকার কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে যথা সম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে মিসাইল ও সেই মিসাইল ধংসের কারণে কান ফাটানো আওয়াজ আমরা পেয়েছি। যে কারণে আমাদের সঙ্গে থাক বাচ্চাদের বেশ সমস্যা হচ্ছিল।”

    রণাঙ্গনের মাঝে আটকে

    পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে এয়ার ইন্ডিয়া আংশিকভাবে বিমান পরিষেবা চালু করে। তাতে একটি বিমানে দুবাই থেকে দেশে ফিরতে পেরেছেন অন্তত ১৫০ জন। এর মধ্যে রয়েছেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, বলিউড নায়িকা ইশা গুপ্তা। দুবাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামা পীযুষ পল্লভ, নীতা শর্মা, সঞ্জীবরা জানাচ্ছেন, “ফোনে ক্রমাগত অ্যালার্ট আসছিল। মাঝেমধ্যে সাইরেনের শব্দে বুঝতে পারছিলাম, মিসাইল ছোড়া হয়েছে, কোথাও ধ্বংসলীলা চলছে। শুধু ভাবছিলাম, কখন এই অবস্থা থেকে বেরব। আপনার পকেটে যথেষ্ট অর্থ না থাকলে এই পরিস্থিতি সামলানো কঠিন।” সেলিব্রেটি থেকে সাধারণ পর্যটক রণাঙ্গনের মাঝে আটকে ছিলেন সবাই। স্বদেশে ফিরেও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না তাদের। যেমন অভিজ্ঞতা হল, সেই রেশ কাটাতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে।

    ফ্লাইট পরিস্থিতি

    কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পর্যন্ত ভারতীয় এয়ারলাইন্সের ১,২২১টি এবং বিদেশি সংস্থার ৩৮৮টি বিমান বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বিকল্প রুট ব্যবহার করে ধাপে ধাপে দীর্ঘ ও অতিদীর্ঘ দূরত্বের বিমান পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ২৪টি ভারতীয় বিমান পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় এমিরেটস ও ইতিহাদের ৯টি ফ্লাইট উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে পরিচালিত হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) অতিরিক্ত ৫৮টি ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি ইন্ডিগো এবং ২৩টি এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস পরিচালনা করবে।

    সক্রিয় কেন্দ্রের মোদি সরকার

    আরব দুনিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনা (Iran-Israel Tension) ও সংঘাতের মধ্যে গালফ অঞ্চলে (Gulf region) আটকে পড়া ভারতীয়দের (stranded Indian nationals) দেশে ফেরাতে সবরকম ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র। পরিবর্তিত আকাশপথ পরিস্থিতি নজরে রেখে ভারত সরকার গালফে থাকা ভারতীয় দূতাবাসগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যও তাদের বাসিন্দাদের সাহায্যে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ হলেও, ধীরে ধীরে স্বাভাবিকতার দিকে এগোচ্ছে বিমান পরিষেবা এবং দেশে ফিরছেন উদ্বিগ্ন ভারতীয় নাগরিকরা।

    ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Prahlad Joshi) বলেন, গালফ অঞ্চলে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়। তাঁর কথায়, “যেখানে যেখানে ভারতীয়রা বিপদে পড়েছে, কেন্দ্র সবসময়ই তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছে। ইউক্রেন (Ukraine) থেকেও আমরা নিজের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনেছিলাম। ভারতীয়দের সুরক্ষা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।”

LinkedIn
Share