Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    PM Modi: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করে এসেছে কংগ্রেস সরকার, অভিযোগ এমনটাই। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জমানায় উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভূত উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে বিগত ৯ বছরে। মোদি সরকারের উত্তর-পূর্ব ভারতের নীতির ফলে সেখানকার দুর্গম অঞ্চলেও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ট্রেন ব্যবস্থা চালু করা গেছে। আর্থিকভাবে উন্নতি সাধন করা সম্ভব হয়েছে উত্তর পূর্ব ভারতের। স্থানীয় সংস্কৃতিকে দেশ জুড়ে তুলে ধরা হয়েছে মোদি জমানায়। বিগত নয় বছর ধরে দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিটি মানুষের দরজায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যরা বার বার পৌঁছেছেন সেখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মানুষদের সঙ্গে মিশে তাঁদের সংস্কৃতিকে আপন করে নিয়েছেন। তাঁদের মতো করে পোশাক পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই যেন উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রান্ড-অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠতে পেরেছেন।

    বিগত ৯ বছর ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতের আর্থিক উন্নতি উল্লেখযোগ্য ভাবে হয়েছে। ৩,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে মোট ১৫৫টি প্রকল্পে। নর্থ ইস্ট স্পেশাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টস-এর অধীনে ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই বরাদ্দ হয়েছে। অন্যদিকে ১,৩৫০ টি বিভিন্ন প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫,৮৬৭ কোটি টাকা। এই হিসাব ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে বাজেটেরও অনেকখানি অংশ বরাদ্দ হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে। উত্তর-পূর্ব ভারতে বোগিবেল ব্রিজ প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করেন ২০১৮ সালে। উদ্বোধনের ষোলো বছর আগে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ি। উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলপথ সম্প্রসারণের কাজও চোখে পড়ার মতো হয়েছে। সেখানে ৭টি নতুন এয়ারপোর্ট স্থাপন করা গেছে। নতুন মেডিক্যাল কলেজও হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম এইমস স্থাপন করা গেছে অসমে। সেখানে দিনের পর দিন বেড়ে চলা পর্যটকদের ভিড় প্রমাণ করে এই উন্নতির কথা। উত্তর-পূর্ব ভারত বিভিন্ন সময়ে সাক্ষী থেকেছে নানা অভ্যন্তরীণ সংকটের। এই সমস্যার সমাধানের জন্য মোদি সরকার বেশ কতগুলি শান্তি চুক্তিও করেছে। ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নতির জন্য নেওয়া হয়েছে জাতীয় বাম্বু মিশন প্রকল্প। বাঁশ উৎপাদন এবং তা থেকে ঘর সাজানোর উপকরণের সামগ্রী সেখানে ভালই তৈরি হচ্ছে। জৈব চাষেও মিলেছে নজরকাড়া সাফল্য। দেশের সিকিম রাজ্য হয়ে উঠেছে বিশ্বের মধ্যে প্রথম ১০০ শতাংশ প্রাকৃতিক চাষের রাজ্য। মোদি সরকারের এই সাফল্য দেখে মনে হয় যে ভারতবর্ষের উন্নয়নের ইঞ্জিন হতে চলেছে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল।

    বিগত ৯ বছরে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের (PM Modi) সাফল্য এক নজরে 

     ১) ১৬ বছর পর সম্পূর্ণ হয়েছে বোগিবেল ব্রিজ।

    ২) ২০২২ সালে সম্পন্ন হয়েছে আদিবাসী অসম শান্তি চুক্তি, সেখানকার স্থানীয় বোরো, নাগা, এনএলএফটিদের মধ্যে শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে।

    ৩) উত্তর-পূর্ব ভারতে বিগত ৯ বছরে স্থাপিত হয়েছে সাতটি বিমানবন্দর। ২০১৪ সালের আগে সেখানে ছিল ৯টি বিমানবন্দর।

    ৪) ব্রডগেজ রেলওয়ে ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রত্যেকটি রাজ্যের রাজধানীকে সংযুক্ত করা গেছে। 

    ৫) জৈব চাষের জন্য সেখানকার ১.৫৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ চলছে মোদি সরকারের উদ্যোগে।

    ৬) বর্তমানে চলছে ৪,০১৬ কিলোমিটার সড়ক পথ নির্মাণের কাজ। 

    ৭) ২০০০ এরও বেশি প্রকল্পের বরাদ্দ হয়েছে ২২,০০০ কোটি টাকা।

    ৮) সেখানকার বাঁশের শিল্পের উন্নতির জন্য বিশেষ নজর দিয়েছে মোদি সরকার।

    ৯) অসমে ১২টি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করা গেছে।

    ১০) স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে মণিপুরে ২০২২ সালে এবং মেঘালয়ে ২০২৩ সালে পণ্য ট্রেন চালু করা গেছে। 

    ১১) সাতটি ক্যান্সার হাসপাতাল চালু হয়েছে ডিব্রুগড়, কোকরাঝোড়, তেজপুর, লক্ষীপুর এবং জোড়হাটে।

    ১২) উত্তর-পূর্ব ভারতের মহান বীর লাচিত বরফুকনের ৪০০ তম জন্মজয়ন্তী দেশজুড়ে পালন করেছে মোদি সরকার।

     

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • UP News: গাড়ির মধ্যে মোদির প্রশংসা! উত্তরপ্রদেশে হিন্দু প্রৌঢ়কে পিষে দিল মুসলিম চালক

    UP News: গাড়ির মধ্যে মোদির প্রশংসা! উত্তরপ্রদেশে হিন্দু প্রৌঢ়কে পিষে দিল মুসলিম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ ছিল মোদি-যোগীর কাজের প্রশংসা। তার মূল্য যে এভাবে চোকাতে হবে তা ভাবেননি উত্তরপ্রদেশের রাজেশধর দুবে (৫৯)। তাঁকে পিষে দিল বোলেরো চালক আমজাদ। নিজের বন্ধুর সঙ্গে একটি ভাড়া গাড়িতে উঠেছিলেন উত্তরপ্রদেশের (UP News) মির্জাপুরের বাসিন্দা রাজেশ। গাড়ির মধ্যে মোদিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করাই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাঁর জীবনে। মুসলিম গাড়িচালক নৃশংসভাবে হত্যা করেন রাজেশধরকে। ঘটনার ছ’ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত চালককে গ্রেফতার করেছে যোগী পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, মির্জাপুরের (UP News) বিন্ধ্যাচল থানা এলাকার কোলহানি গ্রামে রবিবার সন্ধ্যায় নিজের ভাগ্নের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রাজেশধর দুবে। বিয়ের অনুষ্ঠান পর্ব সম্পন্ন হলে সোমবার সকালে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রাজেশধর তাঁর দুই আত্মীয় লালজি মিশ্র এবং ধীরেন্দ্র কুমার পাণ্ডের সঙ্গে বাড়ি ফেরার জন্য একটি ভাড়া গাড়িতে ওঠেন। বোলেরো গাড়িটিতে ওঠার পর থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক আলোচনা। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের আমজাদ। গাড়িতে হাজির থাকা রাজেশের ঘনিষ্ঠরা জানাচ্ছেন, রাজনৈতিক আলোচনা ধীরে ধীরে তর্কবিতর্কে গড়ায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রসঙ্গ উঠতেই বাদানুবাদ উত্তপ্ত হতে থাকে। একটা সময় রাজেশধর দুবে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শুরু করেন মোদি-যোগীর। আর এতেই বেজায় চটে যান আমজাদ। এরপর বাকি আত্মীয়দের বাড়ির কাছে নামিয়ে দিলেও রাজেশকে তাঁর ঠিকানা থেকে বেশ কিছুটা দূরে নামায় আমজাদ। রাজেশ বাড়ির উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করলে তাঁকে ধাক্কা মারে আমজাদ। প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত রাজেশধরকে পিষে দিয়েই এগিয়ে যায় আমজাদের বোলেরো। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় সে।   

    কীভাবে গ্রেফতার করা হল আমজাদকে?

    ঘটনায় আত্মীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে যোগী রাজ্যের পুলিশ। ছ’ঘণ্টার মধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ এবং আত্মীয়দের দেওয়া চালকের মুখের বর্ণনা থেকে তাঁকে পাকড়াও করতে সক্ষম হয় তদন্তকারী অফিসাররা। ইতিমধ্যেই হেফাজতে নেওয়া হয়েছে আমজাদকে।

     

    আরও পড়ুন: ৭ জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    PM Modi: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১১

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অগ্রগতিতে প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিগত ৯ বছরে প্রযুক্তির ভরপুর প্রয়োগ করেছে মোদি (PM Modi) সরকার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ডিজিটাল লেনদেন। লক্ষণীয়ভাবে বিগত কয়েক বছরে এর প্রবণতা বেড়েছে। নতুন প্রজন্ম এখন ক্যাশলেস লেনদেনকেই বেশি পছন্দ করে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির রিপোর্ট অনুযায়ী, দু লাখ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে সারা ভারত জুড়ে। দেশের ডিজিটাল লেনদেন সংযুক্ত হয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও। এর ফলে বিভিন্ন আমদানি-রফতানি ব্যবসাও বাড়ছে রমরমিয়ে। মোবাইল ব্যবহারে ভারত নতুন রেকর্ড তৈরি করতে পেরেছে। পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দেশে ১২১ কোটি মোবাইল ব্যবহারকারী রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে ৭৯ কোটি মানুষ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। এই বিপুল পরিমাণ মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে ভারতেই ডেটা সবথেকে সস্তা। ইতিমধ্যে ফাইভ-জি সার্ভিসও আমাদের দেশে চলে এসেছে।

    ভারত নেট প্রকল্পে ৭০% এরও বেশি, প্রায় ২,৫০,০০০ গ্রাম পঞ্চায়েতে এই সার্ভিস চালু করা গেছে। বর্তমান দিনে ব্রডব্যান্ড কানেকশন ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতেও পৌঁছে গেছে, যা মোদি (PM Modi) সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল মাধ্যমেই সম্পন্ন হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবাও মেলে। ডিজিটাল ব্যবস্থা কংগ্রেস জমানার দুর্নীতিকেও নির্মূল করতে পেরেছে। পাশাপাশি সাধারণ ভারতীয়দের জীবনমানের উন্নতিও সম্ভব হয়েছে এর দ্বারা। মোদি সরকার প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল টুলগুলিকে ব্যবহার করছে সরকারি সুবিধা দিতে। প্রত্যন্ত গ্রামেও প্রযুক্তির সুবিধা যেমন পৌঁছে গেছে, তেমনি মহাকাশ গবেষণাতেও গত ৯ বছরে মিলেছে একাধিক সাফল্য। বিভিন্ন ধরনের মিশন বিশ্ব জুড়ে আলোচিত হয়েছে। সম্প্রতি বিক্রম-এস স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে মহাকাশে। যা ভারতের প্রথম বেসরকারি উপগ্রহ। ভারত এখন সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত অগ্রগতির নতুন ধাপে পৌঁছানোর জন্য, যা আসবে প্রযুক্তির সহায়তায়।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গত ৯ বছরে কতটা এগিয়েছে দেশ 

    ১) ১২১ কোটি মোবাইল গ্রাহক রয়েছে ভারতবর্ষে। ২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী, এর মধ্যে ৭৯ কোটি মানুষ বর্তমানে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছেন। ১.৯৮ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতে অপটিক ফাইবার চালু করা গেছে। প্রতি জিবি ডেটার দাম ৩০৮ টাকা থেকে কমে ৯.৯৪ টাকায় নেমেছে।

    ২) নতুন স্টার্ট-আপ প্রজেক্ট শুরু করা গেছে ৬৬৯ টি জেলায়।

    ৩) ২০২২ সালের রিপোর্ট বলছে, সারা বিশ্ব জুড়ে ডিজিটাল লেনদেনের ৪৬ শতাংশই হল ভারতের।

    ৪) বিগত পাঁচ বছরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।

    ৫) ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পে ৫.৪৭ লক্ষ কমন সার্ভিস সেন্টার শুরু করা গেছে।

    ৬) ভারত নেট প্রকল্পের আওতায় ৬.২০ লক্ষ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সম্প্রসারণ হয়েছে।

    ৭) ১০৪টি উপগ্রহকে মহাকাশে স্থাপন করা গেছে, যা একটি বিশ্ব রেকর্ড।

    আরও পড়ুন: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

  • Amit Shah: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    Amit Shah: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন বিজেপির (BJP) সঙ্গে। ভোটে লড়া হয়েছিল মোদিজি ও দেবেন্দ্রজির নামে, আর উনি (উদ্ধব ঠাকরে) কংগ্রেসের কোলে গিয়ে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য।” মহারাষ্ট্রের নান্দেদে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদ্ধবকেই নিশানা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    শাহের (Amit Shah) নিশানায় উদ্ধব

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিজেপির তরফে দেশজুড়ে আয়োজন করা হচ্ছে জনসভার। নান্দেদেও এমনই একটি সভায় যোগ দিয়েছিলেন শাহ। সেই সভায় তিনি বলেন, “গত বছর মহা বিকাশ আগাড়ি সরকারের যে পতন হয়েছে, তার জন্য বিজেপি দায়ী নয়। শিব সৈনিকরা যাঁরা উদ্ধব ঠাকরের নীতিতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন এবং শরদ পাওয়ারের দল এনসিপিতে যেতে চাননি, তাঁরাই একনাথ শিন্ডের সঙ্গে দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন।” উনিশে বিজেপি-শিবসেনা জোট প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “আমি সেই সময় বিজেপি সভাপতি ছিলাম। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশই শিবসেনার সঙ্গে জোটের আলোচনা করেছিলেন। সেই সময় ঠিক হয়েছিল, এনডিএ যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তবে দেবেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী হবেন। উদ্ধরও এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই ঠাকরে সেই প্রতিশ্রুতি ভাঙেন এবং কংগ্রেস-এনসিপির কোলে গিয়ে বসেন।”

    আরও পড়ুুন: পাহাড়়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    শাহ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিবসেনা তাদের প্রতীক তীর-ধনুক ফিরে পেয়েছে। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, আসল শিবসেনা কারা।” সংখ্যালঘু সম্পর্কে উদ্ধবের অবস্থান ঠিক কী, এদিন তাও স্পষ্ট করতে বলেন শাহ। বলেন, “তিন তালাক বিলোপ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু, মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণ এবং অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে আপনার অবস্থান স্পষ্ট করুন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    উদ্ধবের পাশাপাশি এদিন কংগ্রেসকেও একহাত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। বলেন, “গত ৯ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যা করেছেন, কংগ্রেস তা চার প্রজন্ম ধরেও করতে পারেনি।” এর পরেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেন শাহ। বলেন, “রাহুল বাবা যখন বিদেশে যান, তখন দেশের রাজনীতি নিয়ে কিছু বলেন না। আপনি যদি এ সম্পর্কে না জানেন, তাহলে প্রবীণ কংগ্রেস নেতাদের জিজ্ঞাসা করে নিন। রাহুল বাবা দেশে মুখ খোলেন না। বিদেশে গিয়ে বলেন। কারণ এদেশে তাঁর কথা শোনার মতো লোক খুব একটা নেই।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “বিশ্বের দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছেন মোদি। আর কংগ্রেসের যুবরাজ রাহুল বিদেশে গিয়ে দেশকে অপমান করছেন। মনে রাখবেন, মানুষ কিন্তু এটা দেখছেন”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Payments: ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে মাইল ফলক স্পর্শ ভারতের

    Digital Payments: ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে মাইল ফলক স্পর্শ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল পেমেন্ট (Digital Payments) সিস্টেমে আরও একটি মাইল ফলক স্পর্শ করল ভারত। তথ্য বলছে, ২০২২ সালে ভারতে ৮৯.৫ মিলিয়ন ডিজিটাল ট্রানজাকশন (Digital Payments) হয়েছে। বিশ্বে যে সেরা ৫ টি দেশে ডিজিটাল ট্রানজাকশন হয়, তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে রিয়েল টাইম ডিজিটাল ট্রানজাকশন হয়েছে ২৯.২ মিলিয়ন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চিন। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির এই দেশে ডিজিটাল ট্রানজাকশনের পরিমাণ ১৭.৬ মিলিয়ন। চার নম্বরে রয়েছে, থাইল্যান্ড। পঞ্চম স্থানে দক্ষিণ কোরিয়া।

    ডিজিটাল ট্রানজাকশনে জোর

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বরাবরই ডিজিটাল স্টার-এর উপর জোর দিয়েছেন। বছরের শুরুতে তিনি বলেছিলেন, ডিজিটাল ট্রানজাকশনে ভারত বিশ্বের এক নম্বর স্থানে রয়েছে। তার একটা বড় কারণ অবশ্যই মোবাইল ইন্টারনেট ডেটার মূল্য অনেকটাই সস্তা। যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ দ্রুতগতিতে ত্বরান্বিত হচ্ছে। ডিজিটাল ট্রানজাকশনের ক্ষেত্রে ভ্যালু এবং ভলিউম দুটি ক্ষেত্রেই ভারত কিন্তু সমান্তরাল ভাবে উন্নতি করছে দ্রুতগতিতে। যা থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট ভারতের পেমেন্ট সিস্টেম খুবই মজবুত এবং সহজ ভাবে ব্যবহারযোগ্য।

    ডিজিটাল পেমেন্টের অনুকূল পরিবেশ

    গত ৬ জুন গুগল, টিমাসেক এন্ড বেন এন্ড কোম্পানি ভারতীয় অর্থনীতির ওপর ইকোনমি ২০২৩ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, চলতি বছরই ভারতের ইন্টারনেট ইকোনমি ১ ইউএসডি ট্রিলিয়নে পৌঁছে যাবে। সহজ এবং সুষ্ঠু ডিজিটাল পেমেন্টের (Digital Payments) সুবাদে কনজিউমার এবং মার্চেন্টের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় ও বোঝাপড়া গড়ে উঠছে। তার ফলে ভারতে ইন্টারনেট ইকোনোমি আরও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা

    দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট (Digital Payments) সিস্টেমকে আরও মজবুত করে তোলার জন্য গত বছর অক্টোবরে ৭৫ টি ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ইউনিট দেশকে উৎসর্গ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পিএমও থেকে বলা হয়েছিল, এইসব ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ইউনিটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যে কোনও প্রান্ত থেকে সহজেই সেভিংস অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক, পাসবুক প্রিন্ট করা, ফান্ড ট্রান্সফার, ইনভেস্টমেন্ট এবং ফিক্স ডিপোজিটের মতো একাধিক সুবিধা ভোগ করতে পারবে। শুধু তাই নয়, লোনের জন্য আবেদন, চেক পেমেন্ট বাতিল করার নির্দেশ, ক্রেডিট কার্ডের বিল পেমেন্ট সহজেই করা যাবে এই ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ইউনিটগুলির মাধ্যমে। এর ফলে উপভোক্তার সময় শুধু বাঁচবে না, আর্থিক দিক থেকেও অনেক সুবিধা মিলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Forced Conversion: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণ! চক্রের হদিশ পেল যোগী পুলিশ

    Forced Conversion: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণ! চক্রের হদিশ পেল যোগী পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের (Forced Conversion) চেষ্টার বড় ধরনের চক্রের সন্ধান পেল যোগী রাজ্যের পুলিশ (Up Police)। ইতিমধ্যে চক্রের এক মাথাকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত শাহনওয়াজের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

    কীভাবে তৈরি করা হতো ফাঁদ

    জানা গিয়েছে, অনলাইনে একটি গেমিং অ্যাপ রয়েছে। যার নাম ‘ফর্টনাইট’। এই অ্যাপটির মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের টার্গেট করা হত। কেউ খেলায় হারছে দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে কোরান পাঠ করার পরামর্শ দেওয়া হতো। এরপর তাকে খেলায় জিতিয়ে দেওয়া হতো, স্বাভাবিকভাবে ইসলাম ধর্মের প্রতি আলাদা অনুভূতি জন্মাত। টার্গেট করা ওই কিশোর বা কিশোরীর সঙ্গে পরে যোগাযোগ করত চক্রের সদস্যরা। পরামর্শ দেওয়া হত ধর্মান্তকরণের।

    কী বলছে যোগী পুলিশ (Up Police)?

    গাজিয়াবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নিপুন আগরওয়াল জানিয়েছেন, র‌্যাকেটের মূল মাথা শাহনওয়াজ খান মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিপুন আরও জানিয়েছেন যে শাহনওয়াজের ডিজিটাল নাম বাড্ডো। তার কাজ ছিল অনলাইন গেমারদের মধ্যে অল্প বয়সীদের খুঁজে বার করা। ধর্মান্তরিত (Forced Conversion) হতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য জাকির নায়েক বা তারিক জামিলের মতো কট্টরপন্থী প্রচারকদের ভিডিও পাঠাত শাহনওয়াজ।

    চারজন ইতিমধ্যে ধর্মান্তকরণের (Forced Conversion) ফাঁদে

    ইতিমধ্যে চারজন কিশোর ধর্মান্তরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। এর মধ্যে দুই জন গাজিয়াবাদ এবং একজন করে ফরিদাবাদ এবং চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা। গাজিয়াবাদের যে হিন্দু কিশোর ধর্মান্তরিত হয়েছে, সে পাকিস্তান ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল দ্য ইয়ুথ ক্লাব দেখত। ওই ইউটিউব চ্যানেলটিতে ইসলাম সম্পর্কে উস্কানিমূলক অজস্র ভিডিও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই পুলিশ কর্তা। উস্কানিমূলক এই ভিডিয়ো দেখার পরেই ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল গাজিয়াবাদের ওই কিশোর।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Xiaomi: বিদেশি মুদ্রা আইন লঙ্ঘন! চিনা মোবাইল সংস্থা শাওমিকে নোটিশ ধরাল ইডি

    Xiaomi: বিদেশি মুদ্রা আইন লঙ্ঘন! চিনা মোবাইল সংস্থা শাওমিকে নোটিশ ধরাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে রেডারে চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা শাওমি (Xiaomi)। ইডির অভিযোগ, বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন লঙ্ঘন করেছে এই মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা। বিপুল টাকার লেনদেন করেছে তারা। ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য শাওমিকে শোকজ নোটিসও পাঠিয়েছে ইডি। চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থার পাশাপাশি, বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন লঙ্ঘন করে ৫,৫৫১ কোটি টাকা লেনদেন নিয়ে ইডি কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে তিনটি বিদেশি ব্যাঙ্ককেও।

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    ইডির ট্যুইট..
     

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে একটি ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, শাওমি (Xiaomi) ইন্ডিয়া বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন (ফেমা) লঙ্ঘন করেছে। জানা গিয়েছে, শাওমি ইন্ডিয়ার সিএফও সমীর রাও এবং প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনু জৈনকে শোকজও করেছে ইডি। ইতিমধ্যে, ফেমা আইনের ৩৭এ ধারায় ওই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    কোন কোন ব্যাঙ্ককে নোটিশ ধরাল ইডি?

    ইডি সূত্রে খবর, নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিটি ব্যাঙ্ক, এইচএসবিসি এবং ডয়েশ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে। এই তিনটি ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে ফেমা আইন মোতাবেক তদন্ত শেষ করেছে ইডি। তারপরেই কারণ দর্শানোর জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে সংস্থাগুলিকে।

    আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর! জঙ্গি হামলার বলি ৩, সিট গঠন সিবিআই-এর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর! জঙ্গি হামলার বলি ৩, সিট গঠন সিবিআই-এর

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর! জঙ্গি হামলার বলি ৩, সিট গঠন সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্ত মণিপুর (Manipur)। জানা গিয়েছে কাংপোকপি এবং ইম্ফল পশ্চিম জেলার সীমানায় খোকেন গ্রামে ৩ জনকে খুন করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন মহিলাও রয়েছেন। অভিযোগ, মায়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গিরাই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে সেখানে। অমিত শাহের সফর এবং ১০১ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্যাকেজ ঘোষণার পরে ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছিল মণিপুর। কিন্তু ফের অশান্তির আশঙ্কার দিন গুনছেন সেখানকার মানুষ। অশান্তির পিছনে বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা তা তদন্ত করছে সিবিআই।

    সিট গঠন করল সিবিআই

    মণিপুরে কুকি-মেইতেই গোষ্ঠীহিংসার নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের সন্ধান পেতে শুক্রবার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, ১০ সদস্যের সিট-এর নেতৃত্বে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার এক আধিকারিক। মণিপুর (Manipur) হিংসায় দায়ের হওয়া মোট এফআইআর সংখ্যা ৩,৭০০ হলেও সিবিআইয়ের তরফে শুক্রবার ৬টি এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। মণিপুর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর ঘনশ্যাম উপাধ্যায় ইম্ফল যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মণিপুর সফরে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সিবিআই তদন্তের ঘোষণা করেছিলেন। উভয় গোষ্ঠীর নেতাদের শান্তি রাখতে আবেদনও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    মেইতেই-কুকি বিবাদ ৩ মে থেকে চরম আকার ধারণ করে

     হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কুকি তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের (যাদের অধিকাংশই খ্রিস্টান) সংঘর্ষ শুরু হয় ৩ মে থেকে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব নেয় কেন্দ্র। নামানো হয় সেনা এবং অসম রাইফেলস বাহিনীকে। সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির ভার দেওয়া হয় সিআরপিএফের প্রাক্তন প্রধান কুলদীপ সিংহকে। তাঁর অধীনে এডিজিপি (ইন্টেলিজেন্স) আশুতোষ সিংহকে সমগ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপারেশনাল কমান্ডার-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ১ মাস কেটে গেলেও হিংসা থামেনি।

     

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Illegal Coal Mine: ফের ধানবাদের কয়লা খনিতে ধস! মৃত্যু ৩ জনের

    Illegal Coal Mine: ফের ধানবাদের কয়লা খনিতে ধস! মৃত্যু ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি কয়লাখনির ধসে শুক্রবার অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ধানবাদে। এখনও ওই কয়লাখনিতে (Illegal Coal Mine) অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলেও আশঙ্কা করছে প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সাড়ে দশটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধানবাদ শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে ভারত কোকিং কোল লিমিটেড কোলিয়ারি এলাকায় একটি বেআইনি (Illegal Coal Mine) খনিতে শুরু হয়েছিল কয়লার খননকাজ। হঠাৎই সেখানে ধসের ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার বিবরণ

    ধসের ঘটনা ঘটতেই সেখানে উপস্থিত স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ধসের সময় খনিতে কতজন মানুষ আটকে ছিলেন, তা এখনও পর্যন্ত জানাতে পারেননি ধানবাদের পুলিশ আধিকারিকরা। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা 

    এক প্রত্যক্ষদর্শী এই ঘটনা সম্পর্কে বলেন, “ওই খনিতে (Illegal Coal Mine) বহু লোক কয়লা তোলার কাজে নিয়োজিত ছিল। গত বেশ কয়েকদিন ধরে চলছিল এই খনন। এ ব্যাপারে স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল কিন্তু পুলিশের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সে সময়।” বেআইনি কয়লা খননের ঘটনা বেড়ে চলায় ক্ষোভ দেখা গিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

    কয়লাখনিতে ধসের (Illegal Coal Mine) ঘটনা চলছেই

    প্রসঙ্গত, এভাবে কয়লা খনির ধসে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা ধানবাদে নতুন কিছু নয়। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসেও ধানবাদের একটি পরিত্যক্ত খনিতে এমন ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় ৫০ জনের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল বলে জানা যায়। আবার গত বছরেই ধানবাদের অন্য একটি খনিতে ধসের ঘটনা ঘটে। ১৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    PM Modi: ৩.২৮ লক্ষ কিমি গ্রামীণ রাস্তা থেকে চেনাব ব্রিজ! মোদি জমানায় বদলে গেছে দেশ

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হলে অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ ঘটে, এমন কথাই শোনা যায় বিশেষজ্ঞদের মুখে। বিগত ৯ বছরে ভারতবর্ষ বিশ্বের অর্থনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার কারণ নরেন্দ্র মোদি সরকার (PM Modi) পরিকাঠামোগত উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েছে। বিগত ইউপিএ সরকারের আমলে দেখা যেত, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের প্রশ্নে দীর্ঘসূত্রিতা কাজ করত। প্রকল্পের শিলান্যাস হত, কিন্তু বাস্তবায়ন হত না। বিগত ৯ বছরে কোনও রকমের দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই একের পর এক প্রকল্পের শিলান্যাস ও বাস্তবায়ন হয়েছে। সড়কপথ নির্মাণে রেকর্ড তৈরি করেছে সরকার। প্রতিদিন হাইওয়ে নির্মাণে সর্বোচ্চ রেকর্ড দেখা গিয়েছে বিগত ৯ বছরে। গ্রামীণ সড়কপথ নির্মাণও অত্যন্ত দ্রুতগতিতে হয়েছে মোদি জমানায় (PM Modi)।

    শুধু তাই নয়, দেশের লাইফ লাইন বলে পরিচিত রেলওয়ে ট্র্যাক সম্প্রসারণের কাজও নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে।। ইতিমধ্যে অজস্র বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা গেছে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, উড়ানপথেও জোয়ার এসেছে মোদি জমানায়। ৭৪টি নতুন অপারেশনাল এয়ারপোর্ট তৈরি করা গেছে। ২০১৪ এর আগে পর্যন্ত মেট্রো রেল দেশের কয়েকটি শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বিগত ৯ বছরে কুড়িটিরও বেশি শহর মেট্রো রেলের সুবিধা পেয়েছে। শহর এবং শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থা এর মাধ্যমে উন্নত হয়েছে। নিত্যযাত্রীদের সুবিধা হয়েছে। দেশের পরিকাঠামোগত এই উন্নয়নে ব্যাপক বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। যার ফলেই মিলেছে সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতাতেই সম্ভব হয়েছে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, যা দেশকে জিডিপি ক্ষেত্রে বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জনসাধারণের জীবনমানেরও উন্নতি ঘটেছে। দেশের নানা প্রান্তে তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদি সরকারের আমলে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন

    ১) ২০১৪ সালের পরবর্তীকাল থেকে হাইওয়ে নির্মাণের বাজেট পাঁচশো শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    ২) ৪০০ র উপর বিশ্বমানের বন্দে ভারত ট্রেন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১৭টি ট্রেন বর্তমানে চলছে।

    ৩) প্রতিদিন ৩৭ কিলোমিটার করে নতুন সড়কপথ সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

    ৪) গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৯৯% কাজ হয়েছে।

    ৫) ২০১৪ সালে দেশে মেট্রো রেলপথ যেখানে মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার ছিল, সেখানে ২০২৩ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৮৬০ কিলোমিটার।

    ৬) ৭৪ টি নতুন অপারেশনাল বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে।

    ৭) পরিকাঠামগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে অমৃত যোজনায় ৪,৮৩২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

    ৮) ৩.২৮ লক্ষ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে।

    ৯) ১১১ টি নতুন জলপথ তৈরি হয়েছে ন্যাশনাল ওয়েটার ওয়ে প্রকল্পে।

    ১০) উত্তরপ্রদেশের সরজু নাহার জলসেচ প্রকল্প, যা শিলান্যাস হয়েছিল ১৯৭৮ সালে, মোদি জমানায় তা সম্পূর্ণতা পেয়েছে।

    ১১) বিহারের কোশিরেল মহাসেতু, যার শিলান্যাস হয়েছিল ২০০৩-০৪ সালে, দু দশক পরে মোদি জমানায় তা বাস্তবায়িত হয়েছে।

    ১২) কেরলের কল্লাম বাইপাস প্রজেক্ট, যা শিলান্যাস হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, ৫০ বছর পরে তা বাস্তবায়িত হল মোদি জমানায়।

    ১৩) বোগিবেল রেল কাম রোড ব্রিজ, ব্রহ্মপুত্র নদীর উপরে এই প্রকল্পের শিলান্যাস হয় ১৯৯৭ সালে। ২ দশক পরে তা বাস্তবায়িত হয়েছে মোদি জমানায়।

    ১৪) দেশের দীর্ঘতম অটল টানেলের (১০,০০০ ফুট) শিলান্যাস হয় ২০০০ সালে। সম্পূর্ণ হল মোদি জমানায়।

    ১৫) বিশ্বের বৃহত্তম উচ্চ রেল ব্রিজ কাশ্মীরের চেনাব ব্রিজ তৈরি হয়েছে মোদি জমানায়।

     

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ব্যবসার আদর্শ পরিবেশ দেশে! ৯ বছরে স্টার্টআপ বেড়েছে ২৬০ গুণ

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় মজবুত অর্থনীতি, বছরে ৩১ কোটি মোবাইল উৎপাদন!

    আরও পড়ুন: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

     
LinkedIn
Share