Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Helina: নজরে চিনা ট্যাঙ্ক, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ‘হেলিনা’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে ভারত

    Helina: নজরে চিনা ট্যাঙ্ক, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ‘হেলিনা’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে চিন এবং অপরদিকে পাকিস্তান। এই দুই প্রতিবেশীর আগ্রাসন রুখতে এবার শক্তিশালী করা হচ্ছে ভারতীয় সেনাকে। যুদ্ধ সরঞ্জামে ভারতীয় সেনাকে সাজানোর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    কী কী যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরির কাজ চলছে

    এবার তবে রাশিয়া বা ফ্রান্স থেকে কেনা হচ্ছে না যুদ্ধ সরঞ্জাম। দেশেই তৈরি করা হচ্ছে ক্ষেপনাস্ত্র।  যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনার ব্যাপারে অনুমোদন লাগে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের (DAC), যার সভাপতি রয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। চলতি মাসের ১০ তারিখে কাউন্সিলের একটি সভায় ৪২৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরির জন্য। এর মধ্যে দুটি ভারতীয় সেনার স্থলবাহিনীর জন্য এবং একটি নৌবাহিনীর জন্য বরাদ্দ হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের পক্ষ থেকে যে সমস্ত যুদ্ধ সরঞ্জামগুলির কথা বলা হয়েছে সেগুলি হল হেলিনা (HELINA)। এটি এক ধরনের সেনাবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপযোগ্য ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী মিসাইল, যা নাগ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ধরন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) নির্মিত ভারতীয় সেনার অ্যাটাক হেলিকপ্টার রুদ্র-তে এই হেলিনা ক্ষেপণাস্ত্র লাগানো হবে। প্রসঙ্গত, এই রুদ্র হল হ্যাল নির্মিত অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার ধ্রুব-মার্ক থ্রি হেলিকপ্টারের সশস্ত্র সংস্করণ। পাশাপাশি, ভিশোরাড (VSHORAD) মিসাইল সিস্টেম কেনার বিষয়ে সেনার অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি (এওএন) প্রস্তাবেও সায় দিয়েছে ডিএসি। এটি তৈরি করেছে দেশীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। এটি একটি অতি স্বল্প পাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম Very Short Range Air Defence System বা সংক্ষেপে ভিশোরাড। (VSHORADS)। এটি ৯০ মিলিমিটার ব্যাসের একটি ক্ষেপণাস্ত্র।

    অন্যদিকে নৌবাহিনীর জন্য কেনা হচ্ছে ব্রহ্মোস লঞ্চার এবং তার সঙ্গে ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম। এগুলো শিবালিক শ্রেণির ফ্রিগেট এবং পরবর্তী প্রজন্মের মিসাইল ভেসেল (NGMV) যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা হবে। বর্তমানে শিবালিক শ্রেণির ফ্রিগেটে রুশ-নির্মিত ক্লাব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। সেগুলোকে পাল্টে দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

    কোথায় মোতায়েন করা হবে এই ক্ষেপনাস্ত্র

    জানা যাচ্ছে যে চিনের সেনার আগ্রাসন রুখতে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (LAC) বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় এই অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (ATGM) হেলিনা মোতায়েন হবে। আরও জানা যাচ্ছে প্রতিটি LCH রুদ্র সর্বোচ্চ ৮টি হেলিনা মিসাইল বহন করতে পারবে এবং ১০ কিলোমিটার দূরে শত্রুর ট্যাঙ্কে আঘাত করতে পারবে। চিন সীমান্তের মধ্যে লাদাখ এবং তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলগুলিতে এটি মোতায়েন করা হবে ‌। চিন এখন ব্যবহার ZTQ-15 ট্যাঙ্ক। এমন হালকা ট্যাঙ্ককে গুঁড়িয়ে দিতে হেলিনার (HELINA) বেশি সময় লাগবে না বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kerala Madrasa: এবার গীতা পড়ানো হবে কেরলের ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    Kerala Madrasa: এবার গীতা পড়ানো হবে কেরলের ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে সংস্কৃত ব্যাকরণের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মশাস্ত্র গীতাও পড়ানো হবে এবার কেরালার ত্রিশূর জেলার একটি ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (Kerala Madrasa)। ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে সিলেবাস। নতুন সিলেবাসের পঠন পাঠন শুরু হবে চলতি বছরের জুন মাস থেকে। নতুন অ্যাকাডেমিক বছর থেকেই এই ইসলামিক প্রতিষ্ঠানের (Kerala Madrasa) ছাত্ররা পড়বে গীতা এবং সংস্কৃত। 

    প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কী বললেন 

    প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হলেন মালিক দিনার। মালিক দিনার কয়েকদিন আগেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরে এসেছিলেন সংস্কৃত ভাষা শিক্ষক হিসেবে। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, প্রাচীন এই ভারতীয় ভাষা সম্পর্কে ছাত্রদের জ্ঞান বৃদ্ধি করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    এই ইসলামিক প্রতিষ্ঠান (Kerala Madrasa) ইতিমধ্যে ছাত্রদেরকে গীতার কিছু অংশ, উপনিষদ মহাভারত এবং রামায়ণের পড়িয়েছে গত সাত বছর ধরে। প্রতিষ্ঠানের অন্যতম কো-অর্ডিনেটর হাফিজ আবু বকর বলেন যে সংস্কৃত ভাষা এর আগেও পড়ানো হয়েছে কিন্তু এবছর থেকে সেটি পরিকল্পনামাফিক পড়ানো হবে। জানা যাচ্ছে সংস্কৃত ভাষায় যে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে সেটি একটি ৮ বছরের কোর্স। যেটি উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত চলবে। তিনি আরও বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা এবার নিজেদের পছন্দমতো সংস্কৃত ভাষায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্স করতে পারবে। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে যে সিলেবাসটি তৈরি করা হয়েছে সি এম নীলকানন্দন নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকের সহায়তায় যিনি সংস্কৃত ভাষারই অধ্যাপক ছিলেন শ্রী শংকরাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    আবু বকর আরও বলেন যে এই ভাবনা শুধুমাত্র সংস্কৃত ভাষায় পাঠদানের জন্য নয়, এর সাহায্যে প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা এবং ধর্ম সম্পর্কেও ছাত্ররা জানতে পারবে। তাদের ধারণা মজবুত হবে।
    এই কোর্সে প্রাথমিক ব্যাকরণ, সংস্কৃত শব্দ সম্পর্কে ধারণা, লিঙ্গ পরিবর্তন, বাক্য গঠন ইত্যাদি শেখানো হবে। এরপর প্রথম দু বছরে স্নাতক স্তরে শেখানো হবে বিভিন্ন মহাকাব্য, প্রাথমিক ব্যাকরণ, সংস্কৃত নাটক, কম্পিউটার, সংস্কৃত স্তোত্র ইত্যাদি। স্নাতক স্তরে শেষ বছরে পড়ানো হবে গীতা, সংস্কৃত অনুবাদ ইত্যাদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Army Day: আজ জাতীয় সেনা দিবস, শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    Army Day: আজ জাতীয় সেনা দিবস, শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ জাতীয় সেনা দিবস (Army Day)। এই প্রথমবারের জন্য সেনা দিবসের প্যারেড রাজধানী দিল্লির বদলে আয়োজিত হতে চলেছে দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতে। বেঙ্গালুরুর প্যারেড গ্রাউন্ডে তা সম্পন্ন হবে।

    কী কী অনুষ্ঠান হবে দেশ জুড়ে

    আর্মি চিফ জেনারেল মনোজ পান্ডে, এদিনের প্যারেডে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। প্যারেডের পাশাপাশি আরও নানা রকমের অনুষ্ঠানও দেখা যাবে। মোটরসাইকেল প্রদর্শনীও থাকবে। আকাশ পথে স্কাই ড্রাইভিং করবেন সেনা জওয়ানরা। প্রসঙ্গত প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি ভারতের সেনা দিবস (Army Day) পালিত হয়। এর আগে অবধি জাতীয় সেনা দিবসের (Army Day) প্যারেড দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের ক্যারিয়াপ্পা প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতো। তবে এ বছরের সেনাবাহিনীর সেনা দিবসের (Army Day) যাবতীয় অনুষ্ঠান দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতেই হবে। ১৯৪৯ সালে কে এম ক্যারিয়াপ্পা সেনা বাহিনীর জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন  ফ্রান্সিস রবার্ট রায় বুচারের হাত থেকে। অর্থাৎ ব্রিটিশ কমান্ডারের হাত থেকে দায়িত্ব যায় প্রথম কোনও ভারতীয় কমান্ডারের কাছে। তখন থেকেই সেনা দিবস পালিত হওয়ার রীতি রয়েছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন ফিল্ড কমান্ডে এই সেনা দিবস আজকে উদযাপিত হবে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে। এই বছরের সেনা দিবসের যাবতীয় দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছে দক্ষিণ ভারতের কমান্ডের উপর, যার সদর দপ্তর হল পুণে। 

    সেনা দিবসে (Army Day) শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট প্রধানমন্ত্রীর

    সেনা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  তিনি লিখছেন, “আজ সেনা দিবসে (Army Day) আমি আমার শুভেচ্ছা জানাই সমস্ত সেনা ব্যক্তিত্বদের এবং তাঁদের পরিবারকে। প্রত্যেক ভারতবাসী গর্ব করে আমাদের সেনার জন্য এবং কৃতজ্ঞ থাকে তাঁদের প্রতি। আমাদের সেনা সর্বদাই আমাদের দেশকে নিরাপদে রাখে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ayodhya: রেল পরিষেবায় জুড়ছে অযোধ্যা এবং নেপালের জনকপুর

    Ayodhya: রেল পরিষেবায় জুড়ছে অযোধ্যা এবং নেপালের জনকপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের পরিষেবায় এবার সংযোগ হতে চলেছে দুটি ঐতিহাসিক তীর্থস্থান। একটি ভারতের অপরটি নেপালের। রামজন্মভূমি অযোধ্যার সঙ্গে এবার সংযুক্ত হতে চলেছে নেপালের জনকপুর।  এই বিশেষ ট্রেন ভারত গৌরব ডিলাক্স এসি টুর নামে পরিচিত হবে।

    কবে থেকে শুরু হবে এই ট্রেনযাত্রা

    জানা যাচ্ছে পর্যটকদের জন্য এই ট্রেনযাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ থেকে।  যার সরকারি উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে এতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হবে এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানও হবে।

    ট্রেনটি কেমন হবে

    জানা যাচ্ছে যে ট্রেনটির ভিতরে থাকবে দুটি উন্নতমানের রেস্টুরেন্ট। ট্রেনের ভিতরে আধুনিক কিচেনও থাকবে। এবং প্রতিটি ওয়াশরুমে সেন্সর থাকবে। সম্পূর্ণ ট্রেনটিতে থাকবে এসি পরিষেবা। ট্রেনের দুটি স্তর থাকবে, ফার্স্ট ক্লাস এসি এবং সেকেন্ড ক্লাস এসি। গোটা ট্রেনের নজরদারি সিসিটিভির মাধ্যমে চালানো হবে।
    কোথায় কোথায় যাবে এই ট্রেন

    সাত দিন ধরে চলবে এই ট্রেন যাত্রা। শুরু হবে দিল্লি থেকে। যার প্রথম স্টপেজ হবে অযোধ্যা। যেখানে তীর্থযাত্রী এবং পর্যটকরা রাম জন্মভূমির মন্দির এবং হনুমান মন্দির দর্শন করতে পারবে। অযোধ্যার পরে এই ট্রেন থামবে একেবারে সিতামারহি রেলওয়ে স্টেশনে যেটি  বিহারে অবস্থিত, এখান পর্যটকরা জনকপুর অবধি বাসে যেতে পারবেন। সীতামারহি রেলওয়ে স্টেশন থেকে জনকপুরের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার এবং সেখানে গিয়ে যাত্রীরা জানকী মন্দির, সীতারাম বিবাহ মণ্ডপ  এ সমস্ত কিছুই দেখতে পারবেন এমনটাই জানা গেছে ভারতীয় রেলসূত্রে। জনকপুরের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখার পরে পরের দিন পর্যটকরা সিতামারহিতে  পুনরায় ফিরে আসবেন এবং সেখান থেকে ট্রেন বারাণসীতে থামবে। সেখানে বিশ্বনাথ মন্দির দেখা যাবে। এরপরে প্রয়াগরাজ হয়ে সেই ট্রেন দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। মোট আড়াই হাজার কিলোমিটার এই যাত্রা হবে বলে জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Pakistan High Commission: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থা! ভিসার জন্য অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে ভারতীয় মহিলা

    Pakistan High Commission: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থা! ভিসার জন্য অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে ভারতীয় মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করলেন এক ভারতীয় মহিলা। পেশায় অধ্যাপক ওই মহিলার অভিযোগ, নয়া দিল্লির পাকিস্তান দূতাবাসে তিনি ভিসার আবেদন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক কর্তা তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছে। মহিলার দাবি, লাহোরে যাওয়ার জন্য পাক ভিসা দরকার ছিল তাঁর। ভিসার আবেদন করার জন্য অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছিলেন তিনি। ভিসার ইন্টারভিউয়ের সময় তাঁকে বেশ কিছু আপত্তিকর প্রশ্ন করেন পাক দূতাবাসের জনৈক কর্তা তাহির আব্বাস।

    কী ঘটেছিল

    এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই আধিকারিকদের ছেড়ে কথা বলবে না পাকিস্তান, এমনই অভিমত পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচের। মুমতাজ বলেন, ‘‘আমাদের দূতাবাসে আসা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার আমরা মেনে নেব না। এই অভিযোগ শুনে আমরা হতবাক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ ওই সিনিয়র অধ্যাপিকা জানান, ভিসার ইন্টারভিউয়ের সময় পাক দূতাবাসের এক কর্তা, তাঁর লাহোর সফরের উদ্দেশ্য জিজ্ঞেস করেছিলেন।  অধ্যাপিকা জানিয়েছিলেন, তাঁকে লাহোরের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি লাহোরের বিভিন্ন স্মৃতিসৌধের ছবি তুলতে চান। এরপরই ওই ঘরে প্রবেশ করেছিলেন পাক দূতাবাসের আরেক কর্তা।

    নিন্দা পাকিস্তানের

    অধ্যাপিকার দাবি, এরপর তাহির আব্বাস তাঁকে একের পর এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন করা শুরু করেছিল। তিনি বলেছেন, “তিনি আমায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি বিয়ে করিনি কেন? বিয়ে না করে আমি কীকরে জীবন কাটাই? আমার যৌন চাহিদা মেটাতে আমি কী করি?” শুধু তাই নয়, এক সময় ওই পাক কর্তা তাঁর হাতও চেপে ধরেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধাচরণ করে নিবন্ধ লেখার প্রস্তাবও দেওয়া হয় তাঁকে। এ প্রসঙ্গে মুমতাজ বলেন, ‘‘পাকিস্তান সমস্ত ভিসা আবেদনকারীদের প্রতি যথাযথ আচরণ করে। আমাদের সমস্ত কূটনৈতিক কর্মীকে পেশাদার আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

  • Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে কাঁপছে সমগ্র উত্তর ভারত। কিন্তু ভোগান্তি এখানেই শেষ না। উত্তর ভারতের জন্যে আরও খারাপ খবর দিল হাওয়া অফিস। আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের (Cold Wave) পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। একজন আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের সমতলের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা -৪ ডিগ্রি অবধি নামতে পারে।

    লাইভ ওয়েদার অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, নবদীপ দাহিয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, ১৪ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা (Cold Wave) পড়তে পারে উত্তর ভারতে। ১৬-১৮ জানুয়ারির মধ্যে পারদ পতন হতে পারে সব থেকে বেশি। 
     
    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ট্যুইটে লেখেন, “১৪-১৯ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ (Cold Wave) চলবে। ১৬-১৮ জানুয়ারি তাপমাত্রা হবে সর্বনিম্ন। আমি আমার কর্মজীবনে তাপমাত্রায় এমন পতন দেখি নি। সমতলেই তাপমাত্রা থাকবে -৪ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।” ট্যুইটে আগামী সপ্তাহে উত্তরের সমভূমিতে শৈত্যপ্রবাহ কীভাবে চলবে তার গ্রাফিকও আপলোড করেছেন তিনি।

     


     

    তীব্র শৈত্যপ্রবাহে (Cold Wave) কাহিল উত্তর ভারত। দিল্লির সাফদারজংয়ে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পালামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পালাম এলাকায় সকালে দৃশ্যমানতা ছিল ৫০০ মিটার। সেই সময় সাফদরজং-এ দৃশ্যমানতা ছিল ২০০ মিটার ছিল। এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে মালা পরাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন যুবক

    এদিন ভোরে পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম রাজস্থান, জম্মু, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং ত্রিপুরার কিছু অংশে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা দেখা গিয়েছে। 

    হাওয়া অফিস (Cold Wave) ট্যুইট করে জানিয়েছে, “বর্তমান পশ্চিমী ঝঞ্জা এবং ফলস্বরূপ শক্তিশালী বাতাসের কারণে, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে কুয়াশার অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হয়েছে। যদিও পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা অব্যাহত রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে (Joshimath) ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি দল  জোশীমঠে (Joshimath) যায় গতকাল। বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতেই মূলত এই দল সেখানে পৌঁছায়। সেখানকার ভেঙেপড়া ঘরবাড়ি গুলোও দেখে তারা। জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় এই দল আজকে তাদের রিভিউ রিপোর্ট জমা দেবে রাজ্য সরকারের কাছে। সরকারী সূত্রে জানা যাচ্ছে,জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির জন্য সমগ্র শহরকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে।
     জোশীমঠ (Joshimath) শহর অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলাতে। চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে শহরের ৬০৩ টি নির্মাণে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে সমগ্র জোশীমঠ শহরকে তারা তিনটে জোনে ভাগ করেছে, ডেঞ্জার জোন, বাফার জোন, এবং সেফ জোন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে প্রশাসন সর্বদাই কাজ করে চলেছে ডেঞ্জার জোন এবং বাফার জোনের জন্য, যে সমস্ত জোনগুলির সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়, সেখান থেকে মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। এবং বাফার জোন ভবিষ্যতের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে সেখান থেকেও মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। একমাত্র তৃতীয় জোন হল সেফ জোন।

    উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি গতকাল বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দিয়েছেন যে সমস্ত রকমের সাহায্য কেন্দ্র সরকার করবে, পবিত্র তীর্থস্থান জোশীমঠকে (Joshimath) রক্ষা করার জন্য। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বদাই জোশীমঠের (Joshimath) বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শহরের নটি ওয়ার্ড এই মুহূর্তে ডুবতে থাকা অঞ্চল বা বিপজ্জনক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবেদন জানিয়েছেন যে এইরকম উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত টিম ওয়ার্ক করা। ৬৮ টি বাড়ি যেগুলি একেবারে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে সরিয়ে অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

    জোশীমঠে (Joshimath) আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের একটি দলেরও। এই মুহূর্তে জোশীমঠের (Joshimath)  সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্থানীয় নির্মাণ কাজগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন জানায় যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য যে ক্যাম্প তৈরি হয়েছে অস্থায়ী সেখানে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুসারে হোটেলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এটা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ২২৯টি ঘর এই মুহূর্তে দেওয়া হয়েছে মোট ১২৭১ জনের জন্য।

    কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জোশীমঠ (Joshimath)

    জোশীমঠের এই  উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সেখানকার উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য সেনাবাহিনী কাজ করছে। জোশীমঠ কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারণ ঠিক ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভারত চীন সীমান্ত রয়েছে।

  • Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটলো ছত্তিসগড়ে। গতকাল সিআরপিএফ জওয়ানদের উপরে হামলা চালায় মাওবাদীদের একটি দল। পাল্টা হামলায় এক শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন ছত্তিসগড়ের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে হেলিকপ্টার থেকে জওয়ানদের নামার সময় আচমকাই হামলা চালায় মাওবাদীরা। ছত্তিসগড়ের এই ক্যাম্প থেকে এখন ব্যাপক মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে। ছত্তিসগড় এবং তেলঙ্গানা সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্রের খবর।

    আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    অভিযান চালাচ্ছে কোবরা বাহিনী

    মাওবাদী বিরোধী এই অপারেশন চলছে মূলত মাওবাদীদের কিছু সিনিয়র নেতাদের ধরা অথবা নিকেশ করার উদ্দেশ্যেই। এমনটাই জানা যাচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনী সূত্রে। সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোবরা (CoBRA) টিম এই অপারেশনের চালাচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলি হেলিকপ্টারে করে পৌঁছাতে হচ্ছে তাঁদের। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেমে কোবরা বাহিনীর এই অভিযান আগামীদিনেও চলবে বলে জানা যাচ্ছে। ছত্তিসগড়ের বিজাপুর এবং সুকমা জেলায় অবস্থিত বেশকিছু অঞ্চল এখনও মাওবাদী অধ্যুষিত। এই এলাকাগুলি তেলঙ্গানা সীমান্ত সংলগ্ন। 

    মৃত মাওবাদী নেতার পরিচয়

    সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুলির লড়াইতে শেষ পর্যন্ত মাওবাদীরা পিছু হঠে। এদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় সিআরপিএফ জওয়ানদের কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে। তবে ছত্তিসগড়ের মাওবাদী নেতা মাডভি হিদমার (Madvi Hidma) মৃত্যু হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই নেতার মাথার উপর ৪০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল ছত্তিসগড়ে যে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা ঘটেছিল তার পিছনে মাস্টারমাইন্ড ছিল এই মাডভি হিদমা (Madvi Hidma)। বস্তার জেলার এই হামলায় নিহত হয়েছিলেন ২২ জন জওয়ান এবং আহত হয়েছিলেন আরও ৩১ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন (Armed Struggle) ভারতে (India) অহিংস আন্দোলনের সাফল্যের ভিত্তি ভূমি রচনা করেছিল। বুধবার একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অহিংস আন্দোলনের ভূমিকা অস্বীকার করার নয়। আমি বলছি না যে স্বাধীনতার লড়াইয়ে অহিংস আন্দোলনের কোনও ভূমিকা নেই। অবশ্যই এই আন্দোলনের বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

    অমিত বচন…

    তিনি বলেন, কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণাটা ঠিক নয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন, আলাদা আলাদা আদর্শে বিশ্বাসীরা নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা আসলে সকলের মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। অমিত শাহ বলেন, দেশ প্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনে। সশস্ত্র আন্দোলন এবং বিপ্লবীরা কখনও ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে বিশেষ গুরুত্ব পাননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের একটা নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে তার একটা অবদান রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সশস্ত্র আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল।

    আরও পড়ুুন: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    অমিত শাহের (Amit Shah) মতে, স্বাধীনতার যুদ্ধে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন অবশ্যই বড় ভূমিকা নিয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্য বিপ্লবীরা গুরুত্বহীন। তাঁর অভিযোগ, আমাদের এমনভাবে ইতিহাস পড়ানো হয়েছে, বোঝানো হয়েছে, যাতে অনেকের অবদান উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেস নিজেদের অবদানকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাতে চেয়েছে বলে মনে করেন শাহ। তাই এই যুদ্ধে আরও যাঁরা অংশ গ্রহণ করেছেন, তাঁরা উপেক্ষিত থেকে গিয়েছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে বলে নানা সময় অভিযোগ উঠেছে নানা মহলে। এদিন শাহ (Amit Shah) বলেন, ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলন সম্পর্কে যাঁদের বলার কথা ছিল, তাঁরা পুরো গল্প বলেননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁরা বলেননি যে ভগৎ সিংকে যেদিন ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেদিন লাহোর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষ এতই আঘাত পেয়েছিলেন যে তাঁরা সেদিন বাড়িতে রান্না পর্যন্ত করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে ঠিক কুড়ি বছর আগে পাকিস্তানের করাচিতে গুটখার ব্যবসা করতে দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এবং তার ভাই আনিস ইব্রাহিমকে সাহায্য করার অভিযোগ ছিল তিনজনের বিরুদ্ধে। এদিন এই মামলায় রায়দান করল মুম্বই-এর বিশেষ আদালত। তিনজনকেই ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। সোমবার বিশেষ আদালতের বিচারক বিডি শেলকে এই রায় ঘোষণা করেন। 

    তিনজনের পরিচয়

    জেএমজে গোষ্ঠীর প্রধান জোশি, এদেশে গুটখা ব্যারন নামে পরিচিত তবে তার সংস্থা পানমশলা এবং অন্যান্য তামাক জাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করে বলে জানা গেছে। জোশি ছাড়া এই মামলায় অন্য যাদের নাম জড়িয়েছিল তারা হল রসিক লাল ধারিওয়াল, জমিরউদ্দিন আনসারী এবং ফারুক মনসুরির। এদের মধ্যে ২০১৭ সালে রসিকলাল ধারিওয়ালের মৃত্যু হয় তদন্ত চালাকালীন। ফারুক মনসুরির আবার ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।

    সিবিআই এর চার্জশিট

    দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলার পর এই মামলায় সিবিআই এর পক্ষ থেকে চার্জশিট জমা পড়ে ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে। সিবিআই তাদের চার্জশিটে জানায় যে জোশি এবং রসিকলাল এর মধ্যে আর্থিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলে সেটা মেটানোর জন্য তারা দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) শরণাপন্ন হয়েছিল। এর বদলে নিজের সঙ্গীদের নিয়ে করাচিতে গুটখা ব্যবসা শুরু করতে তাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim)। ২০০২ সালে করাচিতে গুটখার কারখানা গড়ে তুলতে মুম্বই হামলার অন্যতম মাথা দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) যাবতীয় সাহায্য করেছিল এই তিনজন। সিবিআই এর আরও দাবি দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এই তিনজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং এই ব্যবসায়িক সম্পর্কও যথেষ্ঠ মধুর ছিল তাদের সঙ্গে। দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) তারা অনেক লাভবানও করেছিল বলেই সিবিআই এর দাবি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share