Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • INDI Alliance: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    INDI Alliance: বাংলা, বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও অশান্তি ইন্ডি জোটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়ছে বিজেপি। অথচ ছন্নছাড়া দশা ইন্ডি জোটের (INDI Alliance)। বাংলা এবং বিহারের পর এবার আসন রফা নিয়ে জোর ধাক্কা উত্তরপ্রদেশে। প্রত্যাশিতভাবেই জোটের আয়ু কতদিন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    বিজেপি বিরোধী জোট

    কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে জোট বেঁধেছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। তার পর থেকে জোটের অন্দরে কেবলই বয়ে চলেছে অশান্তির চোরাস্রোত। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী বাংলায় ন্যায় যাত্রায় এসে জোটের আর এক শরিক তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। বিহারের ছবিটা আবার (INDI Alliance) অন্য রকম। সেখানে ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা মহাগটবন্ধনের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার আবার ফিরেছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে।

    সমস্যা উত্তরপ্রদেশেও

    এহেন আবহে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে উত্তরপ্রদেশেও। জানা গিয়েছে, যে আসনগুলিতে কংগ্রেস প্রার্থী দিতে চেয়েছে, সেগুলি হাত-শিবিরকে ছাড়তে নারাজ ইন্ডি জোটের শরিক সমাজবাদী পার্টি। কংগ্রেসের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে ১৬টি আসনে। এই আসনগুলির মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থী দিতে চেয়েছিল কংগ্রেস। এই আসনগুলি হল, সম্ভাল, ধাউরাহা, ফৈজাবাদ, লখিমপুর খেরি এবং লখনউ।

    আরও পড়ুুন: “কামাখ্যা করিডর হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বরাবাঁকি আসনটিও চেয়েছিল কংগ্রেস। সমাজবাদী পার্টির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই আসনগুলিতে সমাজবাদী পার্টির যেসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তার চেয়ে যোগ্য প্রার্থী কংগ্রেস দিতে পারলে আসনগুলি তারা ছেড়ে দেবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে। তবে সমাজবাদী পার্টির তরফে কংগ্রেসকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই আসনগুলি তারা কোনওমতেই কংগ্রেসকে ছাড়বে না। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস। তারা আসন রফার বিষয়টি ছেড়ে দিতে চাইছে দলের হাইকমান্ডের হাতে।

    ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশে আসবেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’য় বেরিয়েছেন তিনি। সেই সূত্রেই তিনি আসবেন যোগী রাজ্যে। রাহুলের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের (INDI Alliance) দলগুলিকে। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল ২১টি আসনে। এই আসনগুলিতেও দরাদরি করবেন অখিলেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhagavad Gita: দেশের সমস্ত স্কুলে বিতরণ করা হবে ভগবদগীতা, ঘোষণা তিরুপতি ট্রাস্টের

    Bhagavad Gita: দেশের সমস্ত স্কুলে বিতরণ করা হবে ভগবদগীতা, ঘোষণা তিরুপতি ট্রাস্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভগবদগীতার (Bhagavad Gita) সংক্ষিপ্ত সংস্করণ বিলি করা হবে। এমনই ঘোষণা করা হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলায় তিরুমালা পর্বতে অবস্থিত ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের দেখভাল করা তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম ট্রাস্টের তরফে।

    কী জানালো টিটিডি ট্রাস্ট (Bhagavad Gita)?

    শনিবার থেকে তিরুমালার আস্তানা মণ্ডপে শুরু হয়েছিল তিনদিনের ধর্মীয় সম্মেলন— শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর ধার্মিক সদা। আয়োজক ছিল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম। প্রধান পৃষ্ঠোপোষক ছিল হিন্দু ধর্ম প্রচার পরিষদ ও এসভি বৈদিক বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার ওই সম্মেলন সমাপ্ত হয়। ২৫টি পীঠের অধিপতিরা অংশ গ্রহণ করেছিলেন। বিভিন্ন উপায়ে সনাতন ধর্মকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য টিটিডি অর্থাৎ তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানামকে তাঁদের পরামর্শ প্রদান করে। সেখানেই, সংস্থার ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান ভূমন করুণাকর রেড্ডি জানিয়েছেন, ভগবদগীতা (Bhagavad Gita) দেশের সমস্ত স্কুলে বিতরণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘‘হিন্দি, ইংরেজি, তেলুগু, তামিল এবং কন্নড়- এই পাঁচ ভাষায় প্রত্যেকটিতে ১ কোটি করে গীতার সংক্ষিপ্ত কপি ছাপিয়ে দেশের প্রতিটি স্কুলে শিশুদের মধ্যে বিলি করা হবে।’’ সনাতন ধর্মকে সদাসর্বদা সচল রাখতে একটি বিশেষ প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে শীঘ্রই দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভগবদ্গীতার সংক্ষিপ্ত সংস্করণ বিতরণ করা হবে জানিয়েছে।

    ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান ঠিক কী বললেন?

    ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান রেড্ডি আরও বলেছেন, “আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে শৈশব থেকেই মানুষের মধ্যে সনাতন হিন্দু ধর্মের চেতনা জাগিয়ে তোলা এবং তাঁদেরকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।” তিনি এই প্রসঙ্গে আরও উল্লেখ করে বলেন, “পীঠের অধিপতিদের পরামর্শ অনুসারে আমরা সনাতন হিন্দু ধর্মকে মহিমান্বিত করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ভাবনায় কাজ করে চলেছি। আমাদের ট্রাস্ট সম্প্রতি দেবতাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তিরুমালার পাদদেশে আলিপিরিতে হোম কুণ্ডম (অগ্নি-বেদি) নিত্য অগ্নিহোত্র প্রজ্বলনের একটি বিশাল কাজ হাতে নিয়েছে। ভক্তরা মাত্র ১০০০ টাকা দক্ষিণা প্রদান করে যজ্ঞে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। এই যজ্ঞের আগুন কখনই নিভে যাবে না। যত সময় মন্দির বর্তমান থাকবে এই যজ্ঞের অগ্নিও প্রজ্বলিত থাকবে।”

    চলছে একাধিক কর্মসূচী

    টিটিডি ট্রাস্ট গীতার (Bhagavad Gita) পাশাপাশি একাধিক কর্মসূচি চালু করেছে। তার মধ্যে হল যেমন দলিত গোবিন্দম— যার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া এলাকায় মানুষের দোরগোড়ায় ভগবানের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য গোবিন্দম— যা জেলে সম্প্রদায়কে পুরোহিত হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তরিগোন্ডা ভেঙ্গামাম্বা প্রকল্পের কাজ করছে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যত প্রজন্মের সামনে বৈদিক শিক্ষা তুলে রাখার জন্য এসভি বৈদিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mega Copper Plant: আদানির হাত ধরে বিশ্বের বৃহত্তম তাম্র উৎপাদন কেন্দ্র চালু হচ্ছে গুজরাটে

    Mega Copper Plant: আদানির হাত ধরে বিশ্বের বৃহত্তম তাম্র উৎপাদন কেন্দ্র চালু হচ্ছে গুজরাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামা আমদানিতে ভারতের অন্য দেশের উপর নির্ভরশীলতা এবার কমতে চলেছে। জানা গিয়েছে, গৌতম আদানির সংস্থা তৈরি করছে পৃথিবীর সবথেকে বৃহত্তম তাম্র উৎপাদন প্ল্যান্ট (Mega Copper Plant)। যা গুজরাটের মুন্দ্রাতে তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রকল্পে খরচ হবে প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার কোটি)। গোটা প্রকল্পটি পরিচালন করবে আদানি গোষ্ঠীর অধিনস্থ সংস্থা ‘কচ্ছ কপার লিমিটেড’। প্রসঙ্গত এটি হলো আদানি গ্রুপেরই একটি শাখা। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আদানি গ্রুপের এই তাম্র উৎপাদন কেন্দ্র চালু হলে ভারতবর্ষে তামার বিপ্লব হবে। তামার উৎপাদনে ভারতবর্ষ পৃথিবীতে প্রথম সারিতে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত তামার ব্যবহার বেড়েই চলেছে। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তামার। বিদ্যুৎ চালিত যানবাহন অথবা যে কোনও চার্জিং ব্যবস্থাতেও তামা প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ব্যাটারিতেও তামা (Mega Copper Plant) ব্যবহৃত হয়।

    ১০ লাখ টন তামা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

    ‘কচ্ছ কপার লিমিটেড’ তামার শোধন প্রকল্পেরও কাজ করছে। লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে প্রতিবছর ১০ লাখ টন তামা উৎপাদনের। প্রথম দফায় যেখানে প্রতিবছরে ৫ লাখ টন তামা উৎপাদন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, মার্চ ২০২৪ এর মধ্যেই। প্রসঙ্গত, শক্তি সম্পদ, লজিস্টিক, পুনর্নবীকরণ শক্তি, পরিকাঠামো নির্মাণ এ সমস্ত ক্ষেত্রে ব্যবসা করে আদানি। এবার তামার ক্ষেত্রেও তারা ঢুকে পড়ল। প্রসঙ্গত ভারতের অভ্যন্তরীণ তামার (Mega Copper Plant) যা চাহিদা তার তুলনায় যোগান অত্যন্ত কম বলেই মনে করা হয়। বিগত পাঁচ বছর ধরেই তামার আমদানি করতে হয়েছে ভারতকে। ১ লক্ষ ৮১ হাজার টন তামা আমদানি করতে হয়েছে অন্যান্য দেশ থেকে।

    তাম্র শিল্পে নয়া জোয়ার

    আদানি গ্রুপের এই তামার প্ল্যান্টের উৎপাদন শুরু হলে বিশ্বের বাণিজ্যে তার প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে চাহিদা এবং যোগানের ভারসাম্যটাও রক্ষা হবে। ভারতবর্ষের পশ্চিমে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলকে বেছে নেওয়ার কারণ হল সেখান থেকেই ভারতবর্ষের অভ্যন্তরীণ বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছাবে আদানি গ্রুপের উৎপাদিত তামা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আদানি গ্রুপের এই তামার উৎপাদন কেন্দ্র অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি মাইলফলক, ভারতবর্ষের আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে এবং শক্তি সম্পদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে। তাম্রশিল্পে ভারতবর্ষ আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এবং দেশের অর্থনীতিও মজবুত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কামাখ্যা করিডর হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “কামাখ্যা করিডর হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রবেশদ্বার হবে কামাখ্যা করিডর।” রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অসমের গুয়াহাটিতে ১১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, কাশী বিশ্বনাথের থেকে প্রেরণা পেয়ে কামাখ্যা করিডর গড়তে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী জানান, কাশী বিশ্বনাথ করিডর তৈরি হওয়ার এক বছরের মধ্যেই বিশ্বনাথ দর্শন করেছেন ৮.৫ কোটি ভক্ত। তিনি বলেন, “গত কয়েক দিনে অনেক তীর্থ ঘুরে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরে আজ আমি মা কামাখ্যার দুয়ারে হাজির হয়েছি। মা কামাখ্যা দিব্যলোক পরিযোজনা (করিডর) প্রকল্পের জেরে ভোল বদলে যাবে এখানকার অর্থনীতির।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার পরে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দেশ শাসন করেছে, তারা ভারতের পবিত্র স্থানগুলির মাহাত্ম্যই বুঝতে পারেনি।” তিনি বলেন, “আমাদের তীর্থ, মন্দির, ধর্মস্থল কেবলই দর্শনস্থল নয়, হাজার হাজার বছরের সভ্যতার যাত্রার অটুট নিশানা। ভারত সব সঙ্কটের মোকাবিলা করে কীভাবে নিজেদের অটল রেখেছে, তার সাক্ষী।”

    নিশানা কংগ্রেসকে

    এদিন কংগ্রেসকেও একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “দুর্ভাগ্যের কথা, স্বাধীনতার পরে দীর্ঘদিন ধরে দেশ শাসন করা দল শুধুই রাজনৈতিক লাভের জন্য নিজের সংস্কৃতি, অতীত নিয়ে লজ্জিত হওয়ার পরিকল্পনা বানিয়ে ফেলেছিল। কোনও দেশ এভাবে নিজের অতীতকে ভুলিয়ে, নিজের শিকড় কেটে ফেলে বিকশিত হতে পারে না। গত দশ বছরে ভারতের পরিস্থিতি বদলেছে।” তিনি বলেন, “করিডর তৈরির পরে গত এক বছরে ৮.৫ কোটি মানুষ কাশী ও সাড়ে ৫ কোটি মানুষ উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দিরে গিয়েছেন। প্রাণপ্রতিষ্ঠার ১২ দিনের মধ্যেই অযোধ্যায় বালক রাম দর্শন করেছেন ২৪ লক্ষের বেশি মানুষ। কামাখ্যা দিব্যলোক প্রকল্প শেষ হওয়ার পরে এখানেও এমনই দৃশ্য দেখা যাবে। অসম উত্তর-পূর্বের প্রবেশদ্বারে পরিণত হবে। তীর্থযাত্রী বাড়লে গরিবদের রোজগার বাড়ে, সামগ্রিকভাবে উন্নত হয় অর্থনীতি।”

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্য ৩৫ আসন, চূড়ান্ত কমিটি গড়ল বঙ্গ বিজেপি

    বিজেপি সরকারের যে বিকল্প নেই, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বিজেপির আমলে উত্তর-পূর্বজুড়ে শুধুই শান্তি বিরাজমান। অবরোধ-বিস্ফোরণ-হিংসা আজ অতীত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “আগামী এক বছরে ডাবল ইঞ্জিন সরকার পরিকাঠামো বিকাশে যে টাকা বিনিয়োগ করবে, আগের সরকার তা করেছে ১০ বছরে।” প্রসঙ্গত, কামাখ্যা নিয়ে বাজেটে জোর দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • World Cancer Day 2024: আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    World Cancer Day 2024: আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৪ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস (World Cancer Day 2024)। ২০০০ সালে প্রথম ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আস্ত একটি দিন ধার্য হয়। সেই দিনটি হল ৪ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালিত হয়ে আসছে দিনটি। ক্যান্সার নির্ণয়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে গৃহীত ব্যবস্থা, ক্যান্সারের চিকিৎসা, সর্বোপরি মারণ এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফি বছর বিশ্বে ক্যান্সারের বলি হন বহু মানুষ। রোগ যদি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে, শুরু হয় উপযুক্ত চিকিৎসা, তাহলে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

    এ বছরের থিম

    প্রতি বছর বিশ্ব ক্যান্সার (World Cancer Day 2024) দিবসের একটি থিম থাকে। এবারের থিম হল, ‘ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ: এভরিওয়ান ডিজার্ভস এক্সেস টু ক্যান্সার কেয়ার’। দ্য ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যান্সার কন্ট্রোলের চলতি বছরের অ্যাজেন্ডা হল, টুগেদার, উই চ্যালেঞ্জ ইন পাওয়ার। ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয় বিশ্বজুড়ে। অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই পালিত হয় নানা কর্মসূচি।

    ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা কমছে

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে প্রতি বছর যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার সিংহভাগেরই কারণ ক্যান্সার। নানা কারণে বিশ্বে বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে যেহেতু মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে, রোগ নির্ণয়ের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা, তাই ক্যান্সার আক্রান্ত বহু রোগী ক্রমেই হয়ে উঠছেন সুস্থ।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্য ৩৫ আসন, চূড়ান্ত কমিটি গড়ল বঙ্গ বিজেপি

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস, প্রস্টেট, কোলেস্টেরল এবং লিভার ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে ব্রেস্ট, কোলোরেক্টাল, ফুসফুস, থাইরয়েড এবং সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা।

    ক্যান্সারের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ দেখে বোঝা যায় (World Cancer Day 2024) রোগী আক্রান্ত হয়েছেন মারণ ব্যাধিতে। লক্ষণগুলি হল, শরীরের কোনও অংশে হঠাৎ ফোলা, দুর্বলতা, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন, হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, অনাকাঙ্খিত রক্তপাত, শরীরের কোনও স্থানে ব্যথা, যন্ত্রণা, নতুন করে আঁচিল হওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, বদহজম এবং এমন কোনও ক্ষত, যা দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানোর পরেও সারছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Janmabhoomi: মথুরায় কৃষ্ণ জন্মভূমি ভেঙে শাহি ইদগাহ গড়েছিলেন ঔরঙ্গজেব!

    Krishna Janmabhoomi: মথুরায় কৃষ্ণ জন্মভূমি ভেঙে শাহি ইদগাহ গড়েছিলেন ঔরঙ্গজেব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণপনার ঘাট নেই তাঁর! তিনি মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। কৃষ্ণ জন্মভূমি (Krishna Janmabhoomi) ধ্বংস করে তিনি গড়েছিলেন শাহি ইদগাহ। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ, সংক্ষেপে আইএসআই। আইএসআইয়ের দাবি, এ ব্যাপারে তারা নির্ভর করেছে ২০২০ সালের ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর।

    আরটিআই

    উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরীর জনৈক অজয় প্রতাপ সিংহ এ বিষয়ে জানতে আবেদন করেছিলেন আরটিআইয়ে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে মুঘল সম্রাটের কীর্তি! মথুরায় যে কৃষ্ণ জন্মেছিলেন, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরেছিলেন অজয় প্রতাপ। এখন যেখানে কেশবদেবের মন্দির রয়েছে ১৬৭০ সালে সেখানেই গড়ে উঠেছিল শাহি ইদগাহ। ১৯২০ সালের নভেম্বর মাসে এএসআই যে সার্ভে করেছিল, সেই তথ্যই জানতে চেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এই বাসিন্দা। তখনই প্রকাশ্যে আসে মন্দির ধ্বংস করে ইদগাহ গড়ে তোলার কথা।

    সার্ভে রিপোর্ট

    আবেদনকারীর আবেদনের ভিত্তিতে আইএসআই যে তথ্য (Krishna Janmabhoomi) অ্যাটাচ করেছে, তা ১৯২০ সালের সার্ভে রিপোর্ট। যে ৩৯টি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছিল ঔরঙ্গজেবের আমলে, তার মধ্যে কৃষ্ণ জন্মভূমি রয়েছে ৩৭তম স্থানে। ১৯২৪ সালে ইউনাইটেড প্রভিন্সেস গেজেটের ১৯১১ নম্বর পৃষ্ঠায় ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল এ সংক্রান্ত সংবাদ। আবেদনকারী বলেন, তিনি এই তথ্য হাইকোর্টে জমা দেবেন। প্রসঙ্গত, আইনজীবীর পাশাপাশি তিনি শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তি ন্যাসের প্রেসিডেন্টও। মথুরায় কেশবদেবের যে মন্দির রয়েছে, সেটি পাঁচ হাজার বছরের পুরানো। এখানেই জন্মেছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণের উত্তরাধিকারী ব্রজ এবং ব্রজনাভ মথুরায় তৈরি করেছিলেন কেশব মন্দির। সেই সময় রাজা ছিলেন পরীক্ষিত। তাঁর সাহায্যে গড়ে তোলা হয়েছিল মন্দির।

    আরও পড়ুুন: আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, গ্রেফতার ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

    জানা গিয়েছে, মুঘল বংশের অত্যাচারী সম্রাট ঔরঙ্গজেব ১৬৭০ সালে ডিক্রি জারি করে ধ্বংস করেন মথুরায় কেশবদেবের মন্দির। সেই জায়গায় গড়ে তুলেছিলেন শাহি ইদগাহ। হিন্দু মন্দির ভেঙে ইদগাহ তৈরি হওয়ার পর সম্রাট স্বয়ং সেখানে গিয়ে নমাজ আদায় করেছিলেন বলে বিশ্বাস স্থানীয়দের। মথুরায় বিতর্কিত জমির পরিমাণ ১৩.৩৭ একর। এর মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির দখলে রয়েছে ১০.৯ একর জমি। বাকিটা রয়েছে শাহি ইদগাদের দখলে। যদিও পুরো জমিটিরই দাবিদার হিন্দু পক্ষ (Krishna Janmabhoomi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Jharkhand: ডিলিস্টিংয়ের দাবিতে পথে নামলেন ঝাড়খণ্ডের জনজাতিরা

    Jharkhand: ডিলিস্টিংয়ের দাবিতে পথে নামলেন ঝাড়খণ্ডের জনজাতিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথক জেলার দাবিতে পথে নামলেন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জনজাতিরা। বুধবার থেকে পথে নেমেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের তরফে জেলা প্রশাসনকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। ডি-লিস্টিংয়ের দাবিও জানানো হয়েছে জনজাতিদের তরফে। রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে জমা দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে স্বর্ণ রিলিজিয়ন কোডের মতো একটি রেজলিউশন পাশ করতে। এটি কেন্দ্রীয় সরকারকে জমা দিতেও বলা হয়েছে।

    জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চের ব্যানারে আন্দোলন

    জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চের ব্যানারে আন্দোলন চলছে। ভারতজুড়ে ডিলিস্টিং এবং জনজাতিদের অবৈধ ধর্মান্তরিতকরণের দাবি (Jharkhand) জানিয়েছে জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের ২৪টি জেলায় আন্দোলনে নেমেছেন জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। যে জেলাগুলিতে আন্দোলন হচ্ছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে গুমলা, হাজারিবাগ, সিমডেগা, বোকারো, ছাতরা এবং লাতেহারও। এই সব এলাকায় জনজাতি সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ ডিলিস্টিংয়ের প্রতি সরকারি উদাসীনতায় সোচ্চার হয়েছেন।

    বদলালো সমাবেশের দিন

    এই দাবিতে লোহারদাগা ও রাজ্যের রাজধানী রাঁচিতে যে সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি এই সমাবেশ হওয়ার কথা। জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চের জাতীয় মিডিয়া আহ্বায়ক শারদ চৌহানই এ খবর জানান। উল্লেখ্য যে, এর আগে উলগুলান ডি-লিস্টিং মহা সমাবেশের আয়োজন করেছিল জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ। গত ২৪ ডিসেম্বর রাঁচির মরহাবাদী গ্রাউন্ডে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। অংশ নিয়েছিলেন জনজাতি সম্প্রদায়ের বহু মানুষ। খ্রিস্টমাসের আগের দিন এত মানুষের ভিড় জানান দিয়েছিল, নিজেদের দাবিতে অনড় জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ।

    আরও পড়ুুন: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    আন্দোলনকারীদের তরফে সোমা ওঁরাও বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারকে জমা দেওয়া স্মারকলিপিতে বলেছিলাম স্বর্ণ কোডের মতো একটি রেজলিউশন পাশ করতে। যাতে জনজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁরা খ্রিস্টান কিংবা অন্য কোনও ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন, তাঁরা যেন সংরক্ষণের সুবিধা না পান।”

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় পাশ হয় স্বর্ণ রিলিজিয়ন কোড। গত জনগণনায় এঁদের গণনা করা হয়েছিল। পরে সেই তথ্য রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও এ ব্যাপারে চিঠি লিখেছিলেন (Jharkhand) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Paytm: আরবিআইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর এবার কি পেটিএমের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ইডি?

    Paytm: আরবিআইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর এবার কি পেটিএমের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেটিএমের (Paytm) বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের মাধ্যমে কোনও প্রিপেইড, ওয়ালেট এবং ফাস্টট্যাগে রিচার্জ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। আরবিআইয়ের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির পরে কোনও গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট, প্রিপেইড উপকরণ, ওয়ালেট, কার্ড ইত্যাদিতে আর কোনও আমানত বা ক্রেডিট লেনদেন বা টপআপের অনুমতিও দেওয়া হবে না পেটিএমকে।

    ইডির নজরদারি

    আরবিআইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর পেটিএমের (Paytm) ওপর নজর রাখতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-ও। রাজস্ব সচিব সঞ্জয় মালহোত্রা বলেন, “যদি তহবিলের অপব্যবহারের কোনও নয়া অভিযোগ পাওয়া যায় বা আরবিআই দ্বারা পেটিএমের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের কোনও নতুন অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে ইডির দ্বারাও একই তদন্ত করা হবে।” তিনি বলেন, “এর পর যদি আরবিআই পেটিএমের বিরুদ্ধে নতুন কোনও আর্থিক তছরুপের অভিযোগ আসে তাহলে এ দেশের নিয়ম মেনে তদন্তে নামবে ইডি। আপাতত পেটিএমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।”

    আরবিআইয়ের লক্ষ্য

    জানা গিয়েছে, আরবিআই প্রথমে আমানতকারীদের রক্ষা করতে চায়। ২৯ ফেব্রুয়ারির পরে ব্যবস্থা নিতে পারে। এই সময় পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্ককে তার গ্রাহকদের সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা ডিজিটাল পেমেন্ট ওয়ালেট ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে হবে। প্রসঙ্গত, আরবিআই পেমেন্ট ব্যাঙ্কগুলির সিংহভাগ ব্যবসা নিষিদ্ধ করার নির্দেশ জারি করেছে, যার কারণে কোটি কোটি ব্যবহারকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, দলীয় বৈঠকে জয়ের মন্ত্রদীক্ষা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    চিনে গ্রাহকদের তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছিল পেটিএমের বিরুদ্ধে। একটি চিনা সংস্থা পরোক্ষভাবে পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত। তাই ভারতীয় গ্রাহকদের তথ্য সে দেশে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই তথ্য পাচার আরবিআইয়ের গাইডলাইনের বিরুদ্ধে। তবে চিনের সঙ্গে ঠিক কী ধরনের তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে, সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। পড়শি দেশে তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠায় পাকাপাকিভাবে এই অ্যাপের পরিষেবা বন্ধ করে দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

    প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছিল, পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্কের সব পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সংস্থার বিরুদ্ধে লাগাতার নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। তৃতীয় সংস্থার অডিটেও উঠে এসেছে বেশ কিছু অসঙ্গতি। সেজন্য জরিমানাও করা হয়েছিল পেটিএমকে। পেটিএমের (Paytm) প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও বিজয় শেখর শর্মা ২৯ ফেব্রুয়ারির পরেও একইভাবে কাজ করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MQ-9B Predator: সবুজ সঙ্কেত বাইডেন প্রশাসনের, ‘বন্ধু’ ভারতকে ৩১টি ঘাতক ‘প্রিডেটর’ ড্রোন দিচ্ছে আমেরিকা

    MQ-9B Predator: সবুজ সঙ্কেত বাইডেন প্রশাসনের, ‘বন্ধু’ ভারতকে ৩১টি ঘাতক ‘প্রিডেটর’ ড্রোন দিচ্ছে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিল ‘বন্ধু’ ভারত। সেই ইচ্ছাপূরণ করতে ভারতকে ৩১টি এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ (MQ-9B Predator) ড্রোন দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবারই, এই মর্মে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। চুক্তির মোট মূল্য প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৩ হাজার ২০০ কোটি)। ৩১টি ড্রোন ছাড়াও এই চুক্তির আওতায় থাকছে ১৭০টি এজিএম-১১৪আর হেলফায়ার মিসাইল, ৩১০টি জিবিইউ-৩৯বি/বি লেজার বম্ব এবং ১৬১ জিপিএস সিস্টেম। 

    নৌসেনা নেবে ১৫টি, স্থল-বায়ুসেনা ৮টি করে

    জানা গিয়েছে, ৩১টি ড্রোনের মধ্যে ভারতীয় নৌসেনা পাবে ১৫টি। স্থল ও বায়ুসেনা ৮টি করে ‘প্রিডেটর’ (MQ-9B Predator) ড্রোন পাবে। ড্রোনের নির্মাতা সংস্থা জেনারেল অ্যাটোমিক্স গ্লোবাল কর্পোরেশনের তরফে এই বিক্রির সংক্রান্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, এর (প্রিডেটর ড্রোন হাতে এলে) ফলে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিপদ সহজেই সামলাতে সক্ষম হবে ভারত। বিশেষ করে, মানববিহীন নজরদারি ও সমুদ্রে প্যাট্রলিং অনেক সহজ হবে। নিজেদের সামরিক শক্তির আধুনিকীকরণ করতে বদ্ধপরিকর ভারত। ফলে, এই ড্রোন (Hunter-Killer Drones) অন্তর্ভুক্ত করতে কোনও সমস্যা হবে না ভারতীয় বাহিনীর।

    চিনের ওপর নজর রাখার প্রয়োজনীয়তা

    হান্টার-কিলার ড্রোনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগেও হয়েছে। পূর্ব লাদাখে গালওয়ানে চিনা ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সেনার সংঘর্ষের পর থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা উপস্থিতির ওপর নজর রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২টি এমকিউ-৯বি ‘সি-গার্ডিয়ান’ ড্রোন লিজে নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। পরবর্তীকালে, সেই লিজের মেয়াদা একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ছ’বছর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানায় প্রিডেটর কেনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। বছর দেড়েক আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছিল দু’পক্ষ। 

    কেন ভারত এই ড্রোন কিনতে আগ্রহী?

    কেন ভারত এই ড্রোন (MQ-9B Predator) কিনতে আগ্রহী? কেন-ই বা এই ড্রোনকে ‘নিঃশব্দ-শিকারী’ বলে ডাকা হয়? তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মহম্মদ ওমর, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের প্রধান বায়তুল্লা মেহসুদ, সিরিয়ার আল কায়দা প্রধান সেলিম আবু আহমেদ থেকে ইরানের জেনারেল কাশেম সোলেমানি এবং আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছিল এই ড্রোন। দেখে নেওয়া যাক, এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ ড্রোন কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য, যা একে এনে দিয়েছে জগৎজোড়া খ্যাতি—

    ‘নিঃশব্দ-শিকারী’ এমকিউ-৯বি

    এই ড্রোনটি এমকিউ-৯ ‘রিপার’ (Hunter-Killer Drones) ড্রোনের একটি সংস্করণ। মূলত, মার্কিন বায়ুসেনা এটি ব্যবহার করে। ড্রোনটি আদতে হাই অল্টিটিউড লং এনডিওরেন্স চালকবিহীন বিমান। ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ‘প্রিডেটর’। আবার মাটি থেকে মাত্র ২৫০ মিটার উঁচুতেও উড়তে পারে এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ (MQ-9B Predator)। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৪৪২ কিলোমিটার। একটানা ৩৫-ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এটি। রিফুয়েলিং ছাড়া এটি একটানা ২ হাজার মাইল দূরে অনায়াসে যেতে পারে। ফলে, একেক বারে অনেকটা সময় ধরে ও বিশাল এলাকা জুড়ে তা নজরদারি চালাতে পারে। কন্ট্রোল রুম থেকে অনেকটা দূরে থাকলেও, এই প্রাণঘাতী ড্রোনের কার্যকারিতায় কোনও হেরফের ঘটে না। এর অত্যাধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘটনাস্থলের ‘রিয়েল-টাইম সিচুয়েশন’ বা একেবারে সেই সময়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একেবারে নিঃশব্দে চলে। যা একে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

    ‘নরকের আগুন’ ছুড়তে পারে

    এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ (Hunter-Killer Drones) ড্রোন বিভিন্ন ধরনের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বহন সক্ষম। যার মধ্যে অন্যতম হল ‘নরকের আগুন’ বা ‘হেলফায়ার’ মিসাইল। এই মিসাইল দিয়েই খতম করা হয়েছিল আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরিকে। আকাশ থেকে আকাশ ও আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ (MQ-9B Predator)। এছাড়া, একাধিক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম এই ড্রোন। যেমন— ভূ ও জলসীমা নজরদারি, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার, অ্যান্টি-সারফেস ওয়ারফেয়ার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং সামরিক অভিযান।

    ১৭০০ কেজির পেলোড বহনে সক্ষম

    এর দুটি ভেরিয়েন্ট বা ভেরিয়েন্ট রয়েছে। একটি স্কাই গার্ডিয়ান। অন্যটি সি-গার্ডিয়ান। ২০২০ সাল থেকে ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত এই দ্বিতীয় ভেরিয়েন্টটি। এই ড্রোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে টেক-অফ ও ল্যান্ডিং করতে পারে। দিন হোক বা রাত, স্থল হোক বা জল— এই ড্রোন যে কোনও পরিবেশে উপযোগী। ৪৫০ কেজি বোমা সহ মোট ১৭০০ কেজির পেলোড বহন করতে সক্ষম এমকিউ-৯বি ‘প্রিডেটর’ (MQ-9B Predator)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, দলীয় বৈঠকে জয়ের মন্ত্রদীক্ষা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, দলীয় বৈঠকে জয়ের মন্ত্রদীক্ষা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। চারশোর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। এজন্য চাই নয়া মন্ত্র। ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মন্ত্রদীক্ষাই দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন দিল্লিতে বিজেপির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ও ন্যাশনাল কাউন্সিলে ভাষণ দেবেন তিনি। সেখানেই দলীয় কর্মীদের নির্বাচনে জয়ের মন্ত্র দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    বিজেপির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ও ন্যাশনাল কাউন্সিলের বৈঠক হবে ফেব্রুয়ারির ১৭ ও ১৮ তারিখে। এই বৈঠকে দেশের কয়েক হাজার নেতা উপস্থিত থাকবেন। ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি এবং ন্যাশনাল কাউন্সিলের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দু’ দিনের এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিজেপির রাজ্য ও লোকসভার সদস্য, বিধায়ক, লেজিসলেটিভ কাউন্সিল মেম্বার এবং পূর্বতন সাংসদদেরও। বৈঠকে যোগ দেবেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের জাতীয় আধিকারিকরাও। রাজ্য বিজেপির আধিকারিক, কোর কমিটির সদস্য, শৃঙ্খলা কমিটি, ফিনান্স কমিটি এবং (PM Modi) ইলেকশন কমিটির সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই বৈঠকে।

    আরও পড়ুুন: ঘোড়া কেনাবেচার আশঙ্কা, তিন দিনের মধ্যেই শক্তি পরীক্ষা দেবে চম্পাই সরকার

    লোকসভা ক্লাস্টার ইন-চার্জ, লোকসভা কোঅর্ডিনেটর এবং লোকসভা আহ্বায়কদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে জাতীয় মুখপাত্র, স্টেট চিফ স্পোকপার্সন, স্টেট মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর, সোশ্যাল মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর এবং আইটি কো-অর্ডিনেটরদেরও। দু’ দিনের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দফতরের আঞ্চলিক কো-অর্ডিনেটর, জেলা সভাপতি, মেয়র, মিউনিসিপ্যাল চেয়ারপার্সন, মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল এবং মিউনিসিপ্যাল পঞ্চায়েতের সদস্যরাও।

    জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে ১০ হাজার পদাধিকারী অংশ নেবেন দু’ দিনের এই বৈঠকে। এঁদের উপস্থিতিতেই সুর বেঁধে দেওয়া হবে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের। রাম মন্দির নির্মাণ, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা লোপ, এসবই হবে বিজেপির তুরুপের তাস। তার পরেও কীভাবে প্রচার চালিয়ে চারশোর গণ্ডী পূর্ণ করা যাবে, সেই মন্ত্রও দেবেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তবে মন্ত্রদীক্ষায় তিনি (PM Modi) ঠিক কী বলেন, সে দিকেই তাকিয়ে বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share