Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ ডিজাইনের তৈরি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী সওয়ার হন। বেঙ্গালুরুর আশপাশের ১৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে হয় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। শনিবার ২৬ কিমি রোড শো করার পর রবিবারও প্রধানমন্ত্রী ১০কিমি শোভাযাত্রা করেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দক্ষিণের এই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে ভারতীয় জনতা পার্টি একেবারেই আশাবাদী। বছর ঘুরলেই লোকসভার ভোট। উত্তর ভারতে এখনও যে বিজেপির জনসমর্থনের ভিত্তি আছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে গত বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে। যেখানে ৩০ বছর পরে কোনও দল দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকেও আবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলছে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারাদেশে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় ভোট-ক্যাচার নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর রোড শো ঘিরে কর্নাটকে ছিল তুমুল আগ্রহ। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর রোড শো শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর তিপ্পাসন্দ্রা রোড থেকে এবং তা শেষ হয় ট্রিনিটি সার্কেলে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন রোড শো’তে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যিনি বর্তমানে কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সাংসদ। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পি সি মোহনকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী কর্নাটকের রাজধানীর দক্ষিণ দিকে রোড শো করেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল যেভাবে নেমেছে, তা তিনি সারা জীবন মনে রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজকের পর বেশ কতগুলি জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে।

     

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪,  স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪, স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসায় উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)। সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছেন প্রচুর মানুষ। রিমস এবং জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)…

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে অসম রাইফেলসের প্রায় ১০ হাজার জওয়ান। হিংসা কবলিত এলাকা থেকে প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের পাঠানো হয়েছে সেনা ক্যাম্পে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে উপদ্রুত এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে। তাঁর দাবি, চূড়াচাঁদপুর, কাংপোকপি, মোরে ও কাকচিংয়ের পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। জানা গিয়েছে, শনিবার দোকানপাট ও বাজার খুলেছে। মানুষ কেনাকাটা (Manipur Clash) করেছেন। রাস্তায় বেরিয়েছে যানবাহন। এদিনই সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহ। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহ এবং পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী ওক্রাম আইয়োবি উত্তেজনা কমাতে যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাতে সহমত পোষণ করেছেন।

    এদিকে, মণিপুরে যাঁদের নিট ইউজি ২০২৩ এর সিট পড়েছিল, তাঁদের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। মণিপুরের অশান্ত পরিস্থিতির কারণেই স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। হিংসার কারণে পরীক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারবেন না বলেই আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। পাহাড়ে থাকা মেইতেই (Manipur Clash) এবং ইম্ফল উপত্যকায় থাকা কুকিদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হিংসাদীর্ণ এলাকা থেকে সরানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। গত কয়েক দিনে আটটি পুলিশ পোস্ট থেকে যেসব অস্ত্র লুঠ হয়েছে, সেগুলি ফেরত দিতেও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    পরিস্থিতি যাতে ফের হাতের বাইরে চলে না যায়, সেজন্য ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে ১৪ কোম্পানি নিরাপত্তা বাহিনী। আরও ২০ কোম্পানি সেনা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে কেন্দ্র। গত কয়েক দিনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরে মেইতেই সম্প্রদায়ই সংখ্যা গরিষ্ঠ। এই মেইতেই গোষ্ঠীর তফশিলি জনজাতি তকমার দাবিতে আন্দোলন শুরু করার পরেই সে রাজ্যে হিংসার সূত্রপাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই রাজৌরির কান্দির জঙ্গলে চলছে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। ইতিমধ্যে সেখানে নিহত হয়েছেন পাঁচজন জওয়ান। শুক্রবার সকালে গোপন সূত্রে সেনা খবর পায় যে, রাজৌরির কান্দির জঙ্গলের গুহাতে আত্মগোপন করে রয়েছে ৮ থেকে ৯ জনের একটি জঙ্গি দল। অভিযানের সময় জঙ্গিদের ছোড়া বোমার অভিঘাতে মারা যান দুজন। গুরুতর জখম চারজনকে উধমপুর সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরে আরও তিনজন মারা যান। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার সিদ্ধান্ত ছেত্রী। প্রসঙ্গত, জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, আন্তজার্তিক মহলে ভারতের সম্মানকে ক্ষুন্ন করতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা এই সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজৌরিতে শনিবার পৌঁছান দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা এতে তিনি সরাসরি সন্ত্রাসবাদী এবং পাকিস্তানকে তিনি বার্তা দিতে চাইলেন যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্স নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার সঙ্গে এদিন রাজৌরি পৌঁছান রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)

    শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং সেনাবাহিনীর প্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে রাজৌরিতে পৌঁছান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। কমান্ডিং-ইন-চিফ নর্দান কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, কান্দি জঙ্গলের জঙ্গি হামলা সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেন রাজনাথ সিংকে (Rajnath Sing)। সূত্র মারফত জানা গেছে, রাজনাথ সিং (Rajnath Sing) সেনা সেনা আধিকারিকদের বার্তা দিয়েছেন, যে সমস্ত সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের জওয়ানদের হত্যা করেছে তাদেরকে খুব দ্রুত হত্যা করতে হবে যে কোনও মূল্যে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও তিনি তোপ দেগে তিনি বলেন, যেকোনও মূল্যে জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি বজায় রাখা হবে।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে শরদ পাওয়ারকে (Sharad Pawar) নিয়ে। ইতিমধ্যে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিতে চলেছেন। এদিকে জল্পনা শুরু হয় ভাইপো অজিত পাওয়ারকে নিয়েও যে তিনি নাকি বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। অন্যদিকে একাধিক ইস্যুতে মেদিকে সমর্থন করে বিবৃতি দিতে থাকেন পাওয়ার। এতে জল্পনা আরও বাড়ে যে তিনি এনডিএ-তে যোগ দিতে চলেছেন। পাওয়ারের (Sharad Pawar) ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছিল তাঁর পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে। খবর রটে, মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে এবং ভাইপো অজিত পাওয়ারের মধ্যে দলের কর্তৃত্ব ভাগ করে দিতে চাইছেন মারাঠা স্ট্রংম্যান। তবে এই জল্পনার মাঝে উঠে আসে নতুন একটি নামও। সম্পর্কে শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নাতি রোহিত পাওয়ার। বিধায়ক এবং মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রোহিত এনসিপি সুপ্রিমোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তিনিও হতে পারেন এনসিপির পরবর্তী সভাপতি এমন খবরও ভাসতে থাকে। তবে পাওয়ার আজ নিজেই জল ঢাললেন সে সম্ভাবনায়।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    ইস্তফা প্রত্যাহার পাওয়ারের (Sharad Pawar)

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে তিনি এনসিপির সভাপতিই থাকছেন। তিনি বলেন, “আমি কারোর অনুভূতিকে অসম্মান করতে পারি না। আপনাদের দাবি ছিল যেন আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করি। আপনাদের ভালবাসা, দাবির প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে বর্ষীয়ান এনসিপি নেতাদের প্রস্তাবকে সম্মান জানিয়ে আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করছি। এনসিপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি পদেই থাকছি।” প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে এনসিপি প্রতিষ্ঠা করেন শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। তারপর থেকেই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে আসীন রয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chardham Yatra: প্রবল তুষারপাতে সাময়িকভাবে বন্ধ চারধাম যাত্রা! ফের কবে শুরু?

    Chardham Yatra: প্রবল তুষারপাতে সাময়িকভাবে বন্ধ চারধাম যাত্রা! ফের কবে শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra) আপাতত বন্ধ করল উত্তরাখণ্ড সরকার। উত্তর ভারত জুড়ে খারাপ আবহাওয়া এবং তুষারধসের জেরে আপাতত আর এগোতে দেওয়া হচ্ছে না পুণ্যার্থীদের। সূত্রের খবর, শ্রীনগরে আটকে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ধস নেমেছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ হাইওয়ে। গাড়ি যাতায়াতের পথও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চামোলি পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বাজপুর এলাকায় ধস নামে। যার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বদ্রীনাথ হাইওয়ে। এই পথ ধরেই তীর্থযাত্রীদের গাড়ি যায়। ফলে সেই রাস্তা খালি না হওয়া পর্যন্ত আটকে পড়েছেন যাত্রীরা। সকলেই বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। খারাপ আবহাওয়ার জেরে শ্রীনগর থেকে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বহু মানুষের সঙ্গে সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে রাতে থাকার বন্দোবস্তও করা হয়েছে। 

    যাত্রা শুরু কবে হল

    অক্ষয় তৃতীয়ার দিন অর্থাৎ গত ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এ বছরের চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra)। প্রতি বছর এই পবিত্র তিথিতেই শুরু হয় চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra)। গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীর দরজা সেদিন থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে। কেদারনাথ ধামের দরজা খুলেছে গত ২৫ এপ্রিল থেকে। বদ্রীনাথে ভক্তদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে গত ২৭ এপ্রিল থেকে।

    প্রবল তুষারপাত বদ্রীনাথে 

    এদিকে, বদ্রীনাথ ধামে প্রবল তুষারপাত চলছে। IMD-র পূর্বাভাস মোতাবেক ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথে তুষারপাত চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চারধামের (Chardham Yatra) এই দুই ধামে যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। হাজার হাজার পুণ্যার্থী দর্শনের জন্য জোড়ো হয়েছিলেন। কিন্তু, আবহাওয়ার জেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন সকলেই।

    ফের কবে শুরু হবে যাত্রা

    উত্তরাখণ্ড সরকার জানাচ্ছে, আবহাওয়া কিছুটা পরিষ্কার হলে আগামী ৪ মে থেকে ফের কেদারনাথের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন পুণ্যার্থীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anji Khad Bridge: দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়! ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    Anji Khad Bridge: দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়! ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া পালক ভারতীয় রেলের মুকুটে। দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু, অঞ্জি খাড় ব্রিজের (Anji Khad Bridge) কাজ সম্পূর্ণ। এবার এই কেবল সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা! ইতিমধ্যে সেতুর ভিডিও পোস্ট করে ট্যুইট করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ৬৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল দিয়ে তৈরি রেলসেতুটি ট্রেন চলাচলের জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তাঁর সেই ট্যুইট-ভিডিওটি চমৎকার বলে পাল্টা রি-ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইট

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইটে অঞ্জি খাড় কেবল রেলসেতুর (Anji Khad Bridge) নিঁখুত বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটি কেবল সেতু প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে বাঁধা রয়েছে, সেটিও ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন দিক, এমনকি উপর ও নীচে থেকেও সেতুটির ছবি তুলে ধরা হয়েছে ভিডিওটিতে। অঞ্জি খাড় সেতুর ভিডিও পোস্ট করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শিরোনামে লিখেছেন, “১১ মাসে ভারতের প্রথম কেবল রেল সেতু প্রস্তুত। মোট ৯৬টি কেবল রয়েছে অঞ্জি খাড় ব্রিজে (Anji Khad Bridge)। কেবলের মোট দৈর্ঘ্য ৬৫৩ কিলোমিটার।”

    ভূমিকম্পেও ব্রিজের কোনও ক্ষতি হবেনা

    ভারতীয় রেলওয়ের উদমপুর-শ্রীনগর-বারমুল্লা রেল সংযোগ প্রকল্পের অধীনে জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় অঞ্জি খাড় কেবল সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটিই দেশের প্রথম কেবল রেলসেতু। এটি কাটরা থেকে বানিহালের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। উন্নতমানের প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ব্রিজটির উপর দিয়ে ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন ছুটতে পারবে এবং ভূমিকম্পেও ব্রিজটির (Anji Khad Bridge) কোনও ক্ষতি হবে না বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gas Leak in Ludhiana Factory: লুধিয়ানায় গ্যাস লিক! এখনও অবধি মৃত ১১, অসুস্থ বহু

    Gas Leak in Ludhiana Factory: লুধিয়ানায় গ্যাস লিক! এখনও অবধি মৃত ১১, অসুস্থ বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাবের লুধিয়ানার গিয়াসপুরা এলাকার একটি কারখানায় গ্যাস লিক (Gas Leak in Ludhiana Factory) মারা গেলেন অন্তত ১১জন। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অসংখ্য। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), চিকিৎসক, অ্যাম্বুল্যান্স, দমকল বাহিনীও পৌঁছে গিয়েছে। কারখানা এবং আশপাশের এলাকা ঘেরাও করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, একটি ডেয়ারি কারখানার কুলিং সিস্টেম থেকে ওই বিষাক্ত গ্যাস লিক করা শুরু হয় রবিবার সকাল ৭টা ১৫ নাগাদ। ওই গ্যাস কারখানার আশেপাশে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা অসুস্থ বোধ করা শুরু করেন। বেশ কয়েকজন জ্ঞান হারান। এদের মধ্যে একাধিক শিশুও ছিল।

    কী বলছে প্রশাসন?

    লুধিয়ানার সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘‘গ্যাস লিক (Gas Leak in Ludhiana Factory) করে এই কাণ্ড ঘটেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ন’জন মারা গিয়েছেন। ১১ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, গ্যাসের উৎস কী, কী ধরনের গ্যাস কারখানায় ছড়িয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সেই নিয়ে তদন্ত করছে। তিওয়ানা জানিয়েছেন, ওই এলাকা খুব জনবহুল। তাই তা খালি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিংহ মান। ট্যুইটারে তিনি জানিয়েছেন, লুধিয়ানার গিয়াসপুরার কারখানায় গ্যাস লিকের ঘটন দুঃখজনক। পুলিশ, সরকার, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে। সমস্ত রকম সাহায্যের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: রবিবার ভোরে দুলে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর! রিখটার স্কেলে মাত্রা কত?

    Jammu and Kashmir: রবিবার ভোরে দুলে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর! রিখটার স্কেলে মাত্রা কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাত সকালে দুলে উঠল জম্মু এবং কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (National Centre for Seismology) তথ্য অনুসারে, রবিবার ভোর ৫:১৫ নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জম্মু কাশ্মীরে। কম্পনের গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১। বিশেষ কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে।

    আরও পড়ুন:‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় গঠিত হচ্ছে এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার

    জম্মু কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) প্রশাসনের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছে, যে সেখানকার ২০টি জেলা নিয়ে গঠিত হবে এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার। যেকোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষকে আশ্রয় দিতেই এই প্রকল্প গড়ে উঠছে কেন্দ্র সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সহায়তায়।

    দুদিন আগেও কম্পন অনুভূত হয় জম্মু-কাশ্মীরে

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২৮ এপ্রিল মাঝরাতে পর পর দু’বার কেঁপে উঠেছিল জম্মু-কাশ্মীর। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছিল, সেদিন প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৮ এবং দ্বিতীয় কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৯। ভূকম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল নেপালের বাজুরা জেলার দাহাকোট। নেপালের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ওই দিন প্রথম কম্পন অনুভূত হয়েছিল রাত ১২টায়। দ্বিতীয় কম্পন হয় রাত দেড়টা নাগাদ।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    Manipur: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের পর ফের শনিবার। উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৫টা অবধি জারি করা হয়েছে নৈশ কারফিউ (Night Curfew)। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারাও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেটও। এদিকে, শুক্রবার গভীর রাতে চূড়াচাঁদপুর জেলায় বন দফতরের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসে দমকল। আগুনও নেভানো হয়। যদিও তার আগেই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে অফিসের বহু নথিপত্র। নষ্ট হয়েছে প্রচুর সরকারি সম্পত্তিও। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষও হয়। প্রসঙ্গত, স্থানীয় আদিবাসী সংগঠন ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে আন্দোলন চলছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে।

    উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)…

    মণিপুরের তখতে রয়েছে বিজেপি (BJP) সরকার। সম্প্রতি সংরক্ষিত ও সংরক্ষিত বন ও হ্রদগুলির ওপর সমীক্ষা শুরু করেছে সরকার। মূলত তা নিয়েই আপত্তি আন্দোলনকারীদের। কেবল তাই নয়, বিজেপি সরকার ধর্মস্থলগুলিকে সম্মান দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের। চার্চে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করছে তারা। যদিও রাজ্য সরকারের দাবি, রাজনৈতিক উসকানির জেরেই অশান্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের পরিস্থিতি।

    আদিবাসী (Manipur) সংগঠন ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের সম্পাদক মন টোমবিং বলেন, সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা জারি থাকবে। এন বীরেন সিংহ সরকারের সঙ্গে আপোসের কোনও প্রশ্নই নেই। তিনি বলেন, যদি সমীক্ষা করতেই হয়, তাহলে তা করতে হবে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে। জোর করে কিছুই করা যাবে না। ডেপুটি কনজারভেটর অফ ফরেস্ট জৌকুমার লংজাম জানান, সমীক্ষাটি করা হচ্ছে বন দফতর ও রাজস্ব দফতরের মধ্যে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    এর সঙ্গে উচ্ছেদের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে প্রক্রিয়া প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু ভুলচুক হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, সরকারি দফতরের কাজে কিছু ভুল হচ্ছে বলে মনে করলে আলোচনার রাস্তা সব সময় খোলা। এজন্য যে কেউ আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন। কিন্তু হিংসায় কোনও সুফল মিলবে না। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ২৭ তারিখে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের। তার আগেই অনুষ্ঠানস্থল এলাকায় চালানো হয় ভাঙচুর। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তার পরেই নৈশ কারফিউ এবং ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: চিঠি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে, সমলিঙ্গ বিবাহ মামলা থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন

    Supreme Court: চিঠি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে, সমলিঙ্গ বিবাহ মামলা থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহের বৈধতা বিষয়ক মামলাগুলির শুনানি থেকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আবেদন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অভিযোগপত্র পাঠাল ‘Supreme Court & High Courts Litigants’ Asscociation of India’ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের অভিযোগ, সমলিঙ্গ বিবাহ ইস্যুতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীদের দাবি, সমকামীদের অধিকারের পক্ষে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। রেখেছেন সভা-সমিতিতে বক্তব্যও। একজন বিচারপতি এধরনের কাজ করতে পারেন না বলেও অভিযোগ ওই সংগঠনের। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে গত বছরের ৩১ অগাস্ট দিল্লির ব্রিটিশ হাইকমিশনে সমকামীদের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি। যদিও তিনি তখন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি ছিলেন। অভিযোগকারীদের মতে, ভারতীয় সংবিধান সমান অধিকারের কথা বলে, সেখানে একজন বিচারপতি শুধু একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কীভাবে সমর্থন করতে পারেন?

    কেন্দ্র আগেই হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে সমলিঙ্গ বিবাহ ভারতের সামাজিক নৈতিকতার পরিপন্থী 

    প্রসঙ্গত, সমলিঙ্গ বিবাহের বৈধতা সংক্রান্ত মামলা চলছে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এস কে কাউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পি এস নরসিমার বেঞ্চে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও ছিল শুনানি। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন তোলেন, সরকার সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী করতে চায়? এই ধরনের সম্পর্ক যাতে বিচ্ছিন্ন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপত্তা ও সামাজিক কল্যাণের দিকটি কি নিশ্চিত করা যায়?” প্রসঙ্গত, সমলিঙ্গ বিবাহ ভারতের সামাজিক নৈতিকতার পরিপন্থী, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমন হলফনামা আগেই দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের সেই আপত্তি খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতিদের বেঞ্চ। কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আগেই জানিয়েছিলেন, ভালবাসার অধিকার, সহবাসের অধিকার, নিজের পছন্দের সঙ্গীকে বেছে নেওয়া ও লিঙ্গ বাছাইয়ের অধিকার মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই সম্পর্ককে বিয়ে অথবা অন্য কোনও নাম দেওয়াটা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share