Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, আসছেনই বা কে?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, আসছেনই বা কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেকও বাকি নেই রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন দেশ-বিদেশের বহু অতিথি। এঁদের মধ্যে যেমন সাধু-সন্তরা রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন বিনোদন জগতের লোকজনও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদেরও।

    কী বলছে কংগ্রেস?

    রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেসের প্রবীণ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। তবে শনিবার বিকেল পর্যন্তও তাঁরা ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কিনা, অফিসিয়ালি তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। দিন কয়েক আগে অবশ্য কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ বলেছিলেন, “না যাওয়ার তো কোনও কারণ নেই। এ ব্যাপারে সোনিয়াজি খুব পজিটিভ। হয় সোনিয়াজি স্বয়ং যাবেন, নয়তো কোনও প্রতিনিধি পাঠানো হবে।”

    কী বলছে সিপিএম?

    মন্দির উদ্বোধনের দিনই প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তিরও। মূর্তিটিকে মন্দিরে নিয়ে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় পুরোহিতদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। কংগ্রেসের তরফে কোনও প্রতিনিধি এলেও, অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। থাকবেন না সিপিএমের কেউ। কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা থাকবেন না বলে দিন দুই আগেই জানিয়েছিলেন সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দা কারাট। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, “সিপিএমের নীতি হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করা।

    আরও পড়ুুন: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে ধর্মাচরণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা। ধর্ম একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তাই রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে একে ব্যবহার করা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “সংবিধানে বলাই হয়েছে রাষ্ট্র কোনও বিশেষ ধর্মকে গুরুত্ব দেবে না।” অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা কপিল সিবালও। তিনি বলেন, “ভগবান রাম আমার হৃদয়ে। তাই অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।” বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এলকে আদবানি ও মুরলী মনোহর যোশীকে।

    আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগণ, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, অনুপম খের এবং মাধুরী দীক্ষিত নেনেকেও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শিল্পপতি রতন টাটা, মুকেশ আম্বানি এবং গৌতম আদানিকে। ক্রিকেটার শচিন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলিও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। ট্রাস্টের (Ram Mandir) তরফে জানানো হয়েছে, সব মিলিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ৭০০০ জনকে। এর মধ্যে ভিভিআইপি ৩০০০ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Nina Singh: সিআইএসএফ-এর সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব নিলেন নিনা

    Nina Singh: সিআইএসএফ-এর সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব নিলেন নিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম মহিলা হিসেবে সিআইএসএফ-এর সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নিনা সিং। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফের (DG CISF Nina Singh) শীর্ষ পদে এলেন এক মহিলা। দিল্লি মেট্রো-সহ দেশের সমস্ত বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে সিআইএসএফ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ আধা সামরিক বাহিনী প্রধান হয়ে ইতিহাস তৈরি করলেন নিনা। এর আগে রাজস্থান পুলিশের প্রথম মহিলা প্রধান হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।

    নিনার সাফল্য

    নিনার জন্ম বিহারে। পাটনা উইমেন্স কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ)। পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। রাজস্থান ক্যাডারের ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার নিনা এর আগে সিআইএসএফ-এর স্পেশাল ডিজি-র পদ সামলেছেন। ২০১৩-২০১৮ সাল পর্যন্ত সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন নিনা। শিনা বোরা ‘হত্যাকাণ্ড’ এবং জিয়া খানের ‘আত্মহত্যা’-র মতো ঘটনার তদন্তের তদারকিও করেছেন তিনি। ২০২০ সালে, পেশাদারি দক্ষতার জন্য তাঁকে  ‘অতি উৎকৃষ্ট সেবা মেডেল’ দেওয়া হয়।

    সিআইএসএফের অতিরিক্ত ডিজি হিসাবে গত ৩১ অগাস্ট থেকে কাজ করছেন নিনা। এবার তারই শীর্ষ পদে দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। বৃহস্পতিবার নিনাকে নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্রবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। অবসরের আগে পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওই পদ সামলাবেন তিনি। এই সবের মাঝেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এসথার ডুফলোর সঙ্গে দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন নিনা। ২০০৫ সালে মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমআইটি-র একটি প্রোজেক্টে কাজ করেছিলেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S jaishankar: কুদামকুলামে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি সই ভারত-রাশিয়ার

    S jaishankar: কুদামকুলামে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি সই ভারত-রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে শক্তি উৎপাদনের ইউনিট তৈরি হচ্ছে তামিলনাড়ুর কুদামকুলামে। এই পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে মঙ্গলবার, রাশিয়ায়। ভারত-রাশিয়ার মধ্যের এই চুক্তিতে নয়াদিল্লির তরফে স্বাক্ষর করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S jaishankar)। পাঁচ দিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। এই সফরেই স্বাক্ষরিত হয়েছে চুক্তিটি।

    রাশিয়া সফরে জয়শঙ্কর

    এবার রাশিয়া সফরে গিয়ে জয়শঙ্কর যেমন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তেমনি তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার ডেনিস মান্টুরোভের সঙ্গেও। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। এতে কুদনকুলাম পারমাণবিক প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ ইউনিট স্থাপন করা অনায়াস হবে।”

    পুরোদমে উৎপাদন শুরু কবে?

    রাশিয়ান প্রযুক্তির সহায়তায় তামিলনাড়ুতে তৈরি হচ্ছে কুন্দনকুলাম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র। ২০০২ সালের মার্চ মাসে শুরু হয়েছিল নির্মাণ কাজ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে।

    বৈঠক শেষে ট্যুইট করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S jaishankar)। তিনি লিখেছেন, “দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে ডেনিস মান্টুরোভের সঙ্গে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য, অর্থনীতি, শক্তি, সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং নিউক্লিয়ার ডোমেইন নিয়ে উল্লেখযোগ্য আলোচনা হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে যে নয়া সুযোগগুলি সৃষ্টি হচ্ছে, সেগুলির ওপরও আলোকপাত করা হয়েছে। রাশিয়ান ফার ইস্টে সহযোগিতা বাড়াতেও আলোচনা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা যৌথভাবে স্থলে ও জলে সহযোগিতা আরও বাড়াব। পারমাণবিক শক্তি এবং ওষুধ, ফার্মাসিউটিক্যাল দ্রব্য এবং মেডিক্যাল ডিভাইসের ওপর চুক্তি সইয়ের সাক্ষী আমি।” তিনি জানান, জানুয়ারি মাসের মধ্যেই দু তরফই চাইছে তাদের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনা হোক। ভারত ও ইউরেশিয়ান ইকনোমিক জোনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও মুখোমুখি বৈঠক হবে ওই মাসের মধ্যেই। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে পেমেন্ট সিস্টেম প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S jaishankar) বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি এমন একটা পথ খুঁজে বের করতে যাতে দুই দেশই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ডিল করতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

     

  • PM Modi: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    PM Modi: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শেষে জমজমাট রাম নগরী অযোধ্যা। শনিবার সকালে সরযু নদীর ধারে নয়নাভিরাম ধর্মপথে বর্ণাঢ্য রোড শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুষ্পবৃষ্টিতে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাল জনতা। এদিন সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী রোড শো শুরু করেন। বিরাট আয়োজন করা হয় এই কর্মসূচিকে ঘিরে। মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয় রোড শো। ফুলে ফুলে সাজিয়ে তোলা হয় অযোধ্যার ধর্ম পথ। 

    পুষ্পবৃষ্টি জনতার

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রোড শো ঘিরে অযোধ্যায় মানুষের উন্মাদনা ছিল রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। রাস্তার মাঝখান দিয়ে এগোচ্ছে মোদির কনভয়। গাড়ি থেকেই হাত নাড়িয়ে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দিকে গোলাপের পাপড়ি ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে হনুমানগড়ি সহ অযোধ্যার গোটা যাত্রাপথে উপচে পড়ে ভিড়। রাস্তার ধারে ধারে ছোট ছোট মঞ্চ তৈরি করে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। কেউ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিচ্ছেন, কেউ আবার ডুগডুগি বাজাচ্ছেন। আদিবাসী নৃত্যশিল্পীদেরও দেখা যায় অযোধ্যার রাস্তায়। 

    নয়া ট্রেনের উদ্বোধন

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের উদ্বোধন। এদিন ছিল তার ট্রেলার। ইতিমধ্যেই রামতীর্থ অযোধ্যাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অযোধ্যাতে স্বাগত জানাতে গোটা শহর ফুল ও পোস্টারে সেজে উঠেছে। বিরাট রোড শো শেষ করে নবনির্মিত অযোধ্যা রেল স্টেশনের উদ্বোধন করেন মোদি। সেইসঙ্গে সেখান থেকেই ৬টি বন্দে ভারত ও দু’টি অমৃত ভারত ট্রেনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার যে দু’টি অমৃত ভারত ট্রেন উদ্বোধন হয়েছে তার মধ্যে একটি পেল বাংলা। মালদহ থেকে ছাড়বে ট্রেনটি। মালদহ থেকে ট্রেনটি অযোধ্যা ছুঁয়ে বেঙ্গালুরুর স্যার এম বিশ্বেশ্বরায় টার্মিনাস পর্যন্ত চলবে। অন্য অমৃত ভারত ট্রেনটি দ্বারভাঙা থেকে অযোধ্যা হয়ে আনন্দ বিহার পর্যন্ত যাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    Ram Mandir: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি মূর্তি। তার মধ্যে একটিই ঠাঁই পাবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে। সেই বিগ্রহেই হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। কোন মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে, সেটি বেছে নিয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। ট্রাস্টের তরফে বিমলেন্দ্র মোহন প্রতাপ মিশ্র জানান, রামলালার যে মূর্তিটি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসানো হবে, সেটি পছন্দ করা হয়ে গিয়েছে।

    কেমন দেখতে রামলালার মূর্তি?

    প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য সেটি মন্দিরে নিয়ে আসা হবে আগামী মাসে। শুক্রবার তিনি বলেন, “মন্দিরে কোন মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত হবে, সেটি ঠিক করতেই বৈঠক হয়েছে এদিন। মূর্তিও পছন্দ করা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, রাম মন্দির নির্মাণ এবং মন্দির পরিচালনা করছে এই ট্রাস্ট। বিমলেন্দ্র বলেন, “যে মূর্তিটি সবার পছন্দ হয়েছে, সেটি দেখলে মনে হবে যেন আপনার সঙ্গে কথা বলছে। একবার যদি দেখেন, আপনি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাবেন।” তিনি বলেন, “যদি এক সঙ্গে অনেকগুলি মূর্তি রাখা হয়, তাহলে আপনার চোখ গিয়ে থামবে সেরা (Ram Mandir) মূর্তিটিতে গিয়ে।”

    মূর্তি পছন্দে ভোটাভুটি 

    এদিনের বৈঠকেও আমার দৃষ্টি যে মূর্তিটিতে গিয়ে স্থির হয়ে গিয়েছিল, সেটির পক্ষেই আমি ভোট দিই। এরপর চম্পত রাই (ট্রাস্টের সম্পাদক) ঠিক করেছেন। এনিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল। আমরা আমাদের মতামত দিয়েছিলাম। যে মূর্তিটির পক্ষে সবাই ভোট দিয়েছেন, সেই মূর্তিটিই প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ে আসা হবে। এই মূর্তিটির মধ্যে একটি স্বর্গীয়ভাব রয়েছে। সেটি সত্যিই শিশুর মতো দেখতে।” জানুয়ারির ২২ তারিখে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবে রামলালার মূর্তি। তবে বিগ্রহ-দর্শন শুরু হবে ২৩ তারিখ থেকে। যদিও মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠান পর্ব শুরু হয়ে যাবে ১৬ জানুয়ারি থেকে। এদিন থেকে শুরু হবে অক্ষত সংগ্রহ।

    আরও পড়ুুন: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    আরও কিছু মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান শেষে ২২ জানুয়ারি হবে মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এর মধ্যে যেমন থাকবেন রাজনীতিবিদরা, তেমনি থাকবেন শিক্ষা, বিনোদন-সব বিভিন্ন ক্ষেত্রের লোকজন। বিদেশের বহু অভ্যাগতও যোগ দেবেন এই অনুষ্ঠানে। সেই কারণেই সাধারণ দর্শনার্থীরা এদিন প্রবেশ করতে পারবেন না মন্দিরে। তাঁরা দেবদর্শন করতে পারবেন ২৩ জানুয়ারি থেকে। ট্রাস্টের দাবি, এদিন থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৫৫ হাজার মানুষ অযোধ্যায় আসবেন রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Scrap Selling: আবর্জনা বেচেই ১,১৬৩ কোটি! মোদি সরকারের নয়া রেকর্ড 

    Scrap Selling: আবর্জনা বেচেই ১,১৬৩ কোটি! মোদি সরকারের নয়া রেকর্ড 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র কাগজের ফাইল, খারাপ হয়ে যাওয়া অফিস সরঞ্জাম এবং বাতিল যানবাহনের মতো আবর্জনা (Scrap Selling) বিক্রি করেই ১,১৬৩ কোটি টাকা আয় করল কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, ২০২১ সালের অক্টোবর মাস থেকে এইসব আবর্জনা বিক্রি করে সরকার আয় করেছে ১,১৬৩ কোটি টাকা। ইসরোর চন্দ্রযান-৩ অভিযান ভারতের কাছে ২০০৩ সালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই অভিযানে খরচ হয়েছিল প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। আর আবর্জনা বিক্রি করেই তার দ্বিগুণ টাকা তুলে ফেলল মোদি সরকার (Modi Government)। যা এক নয়া রেকর্ড।

    রেকর্ড আয়

    ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র দৌলতে গুরুত্বপূর্ণ সব সরকারি তথ্য এখন কম্পিউটারেই নথিবদ্ধ করা হয়। সেই কারণে কাগজে লেখার চল আর তেমন নেই বললেই চলে। ফলে ২০২১ সালের অক্টোবর মাস থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর সাফাই অভিযান শুরু হয়। প্রায় ৯৬ লক্ষ কাগজের নথিপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অফিসগুলিতে প্রায় ৩৫৫ লক্ষ বর্গফুট জায়গা খালি হয়েছে। শুধুমাত্র চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই আয় হয়েছে ৫৫৭ কোটি টাকা। প্রায় ২৪ লক্ষ কাগজের ফাইল বাতিল হয়েছে চলতি বছরেই। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস অ্যান্ড পাবলিক গ্রিভেন্স বিভাগের সচিব, ভি শ্রীনিবাস জানিয়েছেন, ওই এক মাসে, ভারতে এবং বিদেশের ২,৫৮,৬৭৩টি অফিসে স্বচ্ছতা অভিযান (Scrap Selling) চলেছে।

    আরও পড়ুন: আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিমানবন্দর থেকে রেল স্টেশন একগুচ্ছ কর্মসূচি

    কোন মন্ত্রকের কত আয়

    আবর্জনা বিক্রির (Scrap Selling) ৫৫৭ কোটি টাকার মধ্যে মোদি সরকারের (Modi Government) সিংহভাগ এসেছে রেল মন্ত্রক থেকে। তাদের আয় হয়েছে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। এর পর রয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, আয় ১৬৮ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। আয় ৫৬ কোটি টাকা। আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে কয়লা মন্ত্রক, আয় ৩৪ কোটি টাকা। তবে, তারা আবার অফিসের জায়গা খালি করার দিক থেকে সবার আগে আছে। কয়লা মন্ত্রক খালি করেছে ৬৬ লক্ষ বর্গফুট জায়গা। এরপর রয়েছে ভারী শিল্প মন্ত্রক, ২১ লক্ষ বর্গফুট। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক খালি করেছে, ১৯ লক্ষ বর্গফুট অফিস স্পেস। বিদেশ মন্ত্রক চলতি বছরে প্রায় ৩.৯ লক্ষ ফাইল বাতিল করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi Visit  Ayodhya: আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিমানবন্দর থেকে রেল স্টেশন একগুচ্ছ কর্মসূচি

    PM Modi Visit  Ayodhya: আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিমানবন্দর থেকে রেল স্টেশন একগুচ্ছ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অযোধ্যা ধাম’-এর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কার্যত আজ, শনিবার থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র বোধন। আজ, ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যা ধাম জংশন স্টেশন ও মহর্ষি বাল্মিকীর নামাঙ্কিত নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Visit  Ayodhya)। তার আগে অযোধ্যাজুড়ে সাজো সাজো রব। রেলস্টেশন, এয়ারপোর্ট সহ অযোধ্য়ার অলিতে গলিতে তুমুল ব্য়স্ততা। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর। 

    বিমানবন্দরের উদ্বোধন

    শনিবার অত্যাধুনিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের পাশাপাশি ১৫ কিলোমিটার পথে রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর। আগে অযোধ্যা বিমানবন্দরের নাম ছিল ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম অযোধ্যা আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট’। উদ্বোধনের দিন থেকেই এই বিমানবন্দরে বিমান চলাচল শুরু হয়ে যাবে। এ ছাড়াও ঢেলে সাজানো হচ্ছে গোটা অযোধ্যা নগরী। পুরোনো মন্দিরগুলো সংস্কারের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তাও। আগামী ২২ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অস্থায়ী মন্দির থেকে ৫ বছরের রামলালার মূর্তি কোলে নেবেন ও তা নতুন রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করবেন। এর জন্য তিনটি ৫১ ইঞ্চির মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। তিনটি মূর্তিরই ডিজাইন সম্পূর্ণ আলাদা। তিন জন আলাদা শিল্পী এই মূর্তিগুলি তৈরি করছেন। রামমন্দির ট্রাস্টের সদস্যদের ভোটে বেছে নেওয়া হবে যে কোনও একটিকে। সেটাই প্রতিষ্ঠা করা হবে জানুয়ারিতে।

    নয়া ট্রেনের যাত্রা

    এদিন মোদি ‘অমৃত ভারত’ ট্রেনের উদ্বোধন করবেন অযোধ্যা থেকে। তার একটি চলাচল করবে বিহারের দারভাঙ্গা থেকে নয়াদিল্লির আনন্দ বিহার রুটে। যেটি অযোধ্যায় থামবে। আর একটি রুট বাংলার মালদা টাউন থেকে বেঙ্গালুরু। তার উদ্বোধনও আজ অযোধ্যা থেকেই করবেন তিনি। সরকারি সূত্রে খবর, অযোধ্যার উন্নয়নের জন্য শনিবারই ১৫,৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার মধ্যে রয়েছে রেলস্টেশন ও বিমানবন্দরের উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অযোধ্যায় বিশ্বমানের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চান মোদি। 

    আরও পড়ুন: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    আজ অযোধ্যায় সারাদিন

    ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে আজ অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন সকাল ১০.৪৫ মিনিটে অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো রয়েছে। তারপর সকাল ১১.১৫ মিনিটে অযোধ্যা ধাম জংশনের উদ্বোধন। সকাল ১১.৩০ টায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস-সহ বেশ কিছু ট্রেনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২.১৫ মিনিটে মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন মোদি। দুপুর ১টায় জনসভায় প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেবন তিনি। দুপুর ২.৪০ মিনিটে দিল্লি থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা হবে প্রথম বিমান। বিকেল ৪টে অযোধ্যার নবনির্মিত বিমানবন্দরে প্রথম বিমান অবতরণ করার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    Ram Mandir: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন (Ram Mandir Inauguration)। মন্দির উদ্বোধনের দিন আনা হবে বিশেষ গোলাপী রঙের গোলাপ, যার প্রতিটি পাপড়িতে থাকবে শ্রী রামের ছবি। গোলাপের পাপড়িতে থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখও। বিশেষ এই গোলাপে লেখা থাকবে জয় শ্রী রাম।

    কেমনভাবে প্রস্তুত এই বিশেষ গোলাপ

    বছর ঘুরলেই রাম মন্দিরের উদ্বোধন (Ram Mandir Inauguration)। আপাতত গর্ভগৃহেরই উদ্বোধন করা হবে। এখানেই প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আনা হবে বিশেষ গোলাপী রঙের গোলাপ, যার প্রতিটি পাপড়িতে শ্রী রামের (Sree Ram) ছবি থাকবে। এই বিশেষ ফুল তৈরির জন্য গুজরাট থেকে একজন ফ্লোরিস্টকে আনা হচ্ছে। অশোক বনসলী নামক ওই ফুল বিক্রেতা জানান, তিনি এক বিশেষ প্রযুক্তি তৈরি করেছেন, যেখানে ফুলের পাপড়িতে ছবি ছাপানো সম্ভব। চার বছর সময় লেগেছে এই প্রযুক্তি তৈরি করতে। একগুচ্ছ গোলাপ ফুল তুলেও দেখান ওই ফ্লোরিস্ট, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও রামলালার নাম লেখা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র যে ডাক দিয়েছিলেন, তা থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এই আধুনিক প্রিন্টিং টেকনোলজি তৈরি করেছেন অশোক বনসলী। রাম মন্দির সাজানোর জন্য ব্যবহৃত ফুল ও গাছের পাতায় রামলালার নাম লেখা থাকবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ৩ থেকে ৪ হাজার ফুলে এই ছবিগুলি ছাপানো থাকবে। এর আগে, ২০২০ সালে রাম মন্দিরের ভূমি পুজার দিনও তিনি এইরকমের ৫০০ ফুল তৈরি করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষিদ্ধ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম বা উলফা (ইউএলএফএ) সংগঠনের সঙ্গে শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অসম সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক স্থায়ী শান্তিচুক্তি (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষরিত হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, “এই চুক্তির ফলে উত্তরপূর্ব সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বন্ধ হবে। সেই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হবে উলফা (ইউএলএফএ)।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ULFA Peace deal)?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে উলফা নেতৃত্বদের আশ্বস্ত করতে চাই। ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির (ULFA Peace Deal) প্রক্রিয়াকে সফল করবার জন্য তাঁদের আহ্বান জানাবো। কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। উত্তর-পূর্বের অনেক এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর আইন এএফএসপিএ অপসারণই প্রমাণ করে দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদ বর্তমানে সমাপ্তির পথে।”

    চুক্তি স্বাক্ষরে ২৯ জনের প্রতিনিধি

    সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপূর্ব ভারতের অসমে বিচ্ছিন্নতাবাদের উপর একটি অতি সক্রিয় সংগঠন ছিল উলফা। এদিন উলফার মোট ২৯ জনের একটি প্রতিনিধির দল দিল্লিতে চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন সংগঠনের সদস্য এবং বাকি ১৩ জন সাধারণ নাগরিক ছিলেন। এই চুক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ চুক্তি কারণ, এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফার বিচ্ছিন্নতাবাদ অসম রাজ্যে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। বিদ্রোহী সংগঠনকে প্রশমন করতেই উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের সাথে চুক্তিতে (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষর হল। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শুধু আসাম নয়, গোটা উত্তরপূর্বের জন্য এই চুক্তি শান্তির বাতাবরণ তৈরি করবে।

    উলফা ১৯৭৯ সাল থেকেই সক্রিয়

    এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফা, অসমে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল। এরপর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরবিন্দ রাজখোয়ার নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ লড়াইকে অব্যহতি দিয়ে অসম রাজ্য সরকারের সাথে নিঃশর্ত আলোচনায় সম্মত হয়। এরপর থেকে এই উলফা দুই দলে ভাগ হয়ে যায়। একটি দলের নেতা ছিলেন পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া। তাঁরা নিজেদের ভাবনায় স্থির থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিপক্ষে মত দেন। অপরদিকে যে দলটি আলোচনা চেয়েছেন, তাঁরা অসমের মূলনিবাসীদের পরিচয় এবং তাঁদের সম্পদের সুরক্ষায় রাজ্যের কাছে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক সংস্কার চেয়ে জমির অধিকার দাবি করেন। কেন্দ্র সরকার এই চুক্তির বিষয়ে গত এপ্রিল মাসে একটি চুক্তি (ULFA Peace Deal) প্রস্তাবের খসড়া পাঠিয়েছিল। এরপরে গত দুই সপ্তাহ আগে দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। ২৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে উলফার প্রতিনিধি দল আসার পর কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক পর্বে আলোচনা হয়েছিল। উত্তরপূর্বে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নাবাদকে প্রশমন করতে কেন্দ্রীয় সরকার গত তিন বছরে আসামের বিদ্রোহী বড়ো, ডিমাসা, কার্বি এবং বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনগুলির সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) বিএপিএস স্বামীনারায়ণ সংস্থার উদ্যোগে নির্মিত হিন্দু মন্দির উদ্বোধন (Abu Dhabi Temple Inauguration) করার আমন্ত্রণপত্র এল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। মন্দির কমিটির একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। মোদির হাতে দেশে রাম মন্দির এবং বিদেশে হিন্দু মন্দির উদ্বোধনের ঘটনায় দেশজুড়ে খুশির আবহ।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হবে মন্দির

    মধ্যপ্রাচ্যের ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশের শহর আবু ধাবি। সেখানে বিগত কয়েক বছর ধরেই চলছিল মন্দির নির্মাণের কাজ। এমনকী, ২০১৮ সালে আমিরাশাহি সফরে গিয়ে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিজের হাতে করে এসেছিলেন মোদি (PM Modi in Abu Dhabi) । মন্দির কমিটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ (Abu Dhabi Temple Inauguration) করতে এদিন উপস্থিত হন ঈশ্বরচরণ স্বামীজি, গুরুবর্য মহন্ত এবং ব্রহ্মহারী স্বামীজি। আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হবে এই মন্দির। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা করে এই প্রতিনিধিদল। আলোচনায় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে সাংস্কৃতিক ভাবনা এবং দর্শন চর্চা। এছাড়াও বিষয় ছিল বিশ্বের কাছে সৌহার্দ্য, হিন্দু সমাজের মাহাত্ম্য, বিশ্বের মঞ্চে ভারতের নেতৃত্ব ইত্যাদি বিষয়।

    কেমন হবে মন্দির?

    জানা গিয়েছে, এটিই হতে চলেছে আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) প্রথম স্থাপিত হিন্দু মন্দির। শহরের আল বাকবা নামে একটি জায়গায় ২০ হাজার বর্গমিটার জমির মধ্যেই এই মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরের স্থাপত্য এবং শিল্পকলায় যেমন আধুনিক চিত্রকলা থাকবে ঠিক একই ভাবে প্রাচীন চিত্রকলার নিদর্শনও থাকবে (Abu Dhabi Temple Inauguration)। মধ্যেপ্রাচ্যে এই মন্দির ভারতের ধর্ম এবং সংস্কৃতির একটি প্রধানকেন্দ্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share