Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সংবাদপকত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত ভারতে আইফোন হ্যাকিং (iPhone Hacking Alert) সংক্রান্ত খবরকে ‘ভয়ানক ও বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করলেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। 

    ‘‘অর্ধেক সত্য, অলঙ্কৃত’’

    ওয়াশিংটন পোস্টের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়— হ্যাকাররা তাঁদের আইফোন টার্গেট করতে পারে বলে ভারতের কয়েকজন সাংবাদিক ও বিরোধী নেতাকে অ্যাপল সতর্কবার্তা (iPhone Hacking Alert) পাঠানোর পর নাকি কেন্দ্রীয় সরকারের রোষের মুখে পড়তে হয় নির্মাণকারী সংস্থাকে। এপ্রসঙ্গে, এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। সেখানেই মার্কিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরকে খারিজ করেন। তিনি লেখেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্টের এই ভয়ানক গল্প খারিজ করতেও বিরক্তি লাগছে। কিন্তু, কাউকে তো করতেই হবে। এই গল্পটি অর্ধেক সত্য, সম্পূর্ণরূপে অলঙ্কৃত।’’

    ৩১ অক্টোবর এসেছিল কোন অ্যালার্ট

    গত ৩১ অক্টোবর, ভারতের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের আইফোনে বার্তা পাঠিয়ে অ্যাপলের তরফে জানানো হয়েছিল, যে তাঁদের ফোনকে টার্গেট করতে পারে হ্যাকাররা (iPhone Hacking Alert)। গতকাল ওয়াশিংটন পোস্ট-এ এই প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে দাবি করা হয়, এই সতর্কবার্তার পরে, বিদেশ থেকে অ্যাপলের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠায় ভারতীয় সরকারি কর্তারা। প্রতিবেদনে দাবি, অ্যাপলের ওই বিশেষজ্ঞের ওপর নাকি চাপসৃষ্টি করা হয়।

    অ্যাপলের বিজ্ঞপ্তিতে কী ছিল?

    পোস্ট-এর এই খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar) জানান, প্রতিবেদনে অসম্পূর্ণ খবর ছাপা হয়েছে। এই মর্মে তিনি ৩১ অক্টোবর অ্যাপলের পেশ করা বিজ্ঞপ্তির অংশও পড়ে শোনান। পরের দিন, অ্যাপল নিজে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সরকারের যোগ রয়েছে, এমনটা কখনই বলা যাবে না। কারণ, এই হ্যাকাররা অত্যন্ত আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে এবং তারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আরও উন্নত করে তোলে।

    প্রতিবেদন ‘আষাঢ়ে গল্প’

    চন্দ্রশেখর জানান, অ্যাপলের (iPhone Hacking Alert) কর্তাকে ডাকা হয়েছিল ঠিকই। তবে হুমকি দিতে নয়। উল্টে তাঁকে কেন্দ্রীয় সংস্থা সার্ট-ইন শুরু করা তদন্তে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিবেদনটিকে ‘আষাঢ়ে গল্প’ উল্লেখ করে মন্ত্রী (Rajeev Chandrasekhar) বলেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন আদতে সৃজনশীল কল্পনা এবং সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে কর্মক্ষেত্রে টোপ ফেলা ছাড়া কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bangla Ayodhya Train: বাংলা থেকে অযোধ্যা বিশেষ ট্রেন! বঙ্গবাসীর রাম মন্দির দর্শনে উদ্যোগ বিজেপির

    Bangla Ayodhya Train: বাংলা থেকে অযোধ্যা বিশেষ ট্রেন! বঙ্গবাসীর রাম মন্দির দর্শনে উদ্যোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ২২ জানুয়ারি থেকেই বাংলা থেকে প্রতিদিন একটি করে অযোধ্যা এক্সপ্রেস ট্রেন (Bangla Ayodhya Train) পরিষেবা চালুর ভাবনা বিজেপির। দলীয় সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে এই মর্মে। বাংলার বিজেপির কর্মী সমর্থক অথবা সাধারণ মানুষ, যে কেউ যদি রামমন্দির দর্শন করতে যেতে চান তাহলে নিখরচায় যাত্রীদের নিয়ে ট্রেন পৌঁছে যাবে অযোধ্যায়। এমনই উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।

    বাংলা-অযোধ্যা রেল-যোগ

    আগামিকাল ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যা রেল স্টেশনের (Bangla Ayodhya Train) উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। অযোধ্যা স্টেশনের নাম বদলের কথা জানিয়ে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ লাল্লু সিং। এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানান, অযোধ্যা স্টেশনের নতুন নাম হবে ‘অযোধ্যা ধাম’। কলকাতা থেকে রেলপথে অযোধ্যা ধামের (নতুন নাম) দূরত্ব ৮৭৫ কিলোমিটার। কলকাতা স্টেশন থেকে প্রতিদিন রাতে ছাড়ে জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেস। পাশাপাশি, হাওড়া থেকে প্রতিদিন ছাড়ে দুন এক্সপ্রেস। রেলের বর্তমান পরিষেবায় বাংলা থেকে সরাসরি অযোধ্যা যেতে হলে এই দু’টি ট্রেনই রয়েছে। কিন্তু রামমন্দির উদ্বোধনের পরে বাংলা থেকে কয়েক লক্ষ মানুষ যাবেন অযোধ্যায় মন্দির দর্শনে। ফলে রেলের ওই দু’টি ট্রেন তাঁদের নিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত হবে না। সেই কারণে রেলের কাছে ইতিমধ্যেই বিজেপি বিশেষ ট্রেন চালানোর আর্জি জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, রেলও বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। শুধু বাংলা নয়, সব রাজ্য থেকেই এমন ট্রেন ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।

    আরও পড়ুন: পরনে হিজাব, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! হেঁটে মুম্বই থেকে অযোধ্যা পাড়ি শবনমের

    বিশেষ ট্রেন পরিষেবা

    ২০২৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। তার আগে, বাংলা থেকে দলের নেতা-কর্মীদের অযোধ্যা পাঠাতে চায় বিজেপি। রামমন্দিরে রামলালার দর্শন সেরে ফেরার পরেই শুরু হবে নির্বাচনী লড়াই। বুধবার রাজ্য বিজেপির বর্ধিত কার্যকারিণী বৈঠকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, রেল গোটা ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশন থেকে অযোধ্যাগামী বিশেষ ট্রেন চালাবে। সেই ট্রেনে চেপেই নেতা-কর্মীদের যেতে হবে অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়ে গেলেও অযোধ্যায় ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পুণ্যার্থী আসার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এর পর প্রতিটি রাজ্যের জন্য একটি করে ট্রেনের ব্যবস্থা করছে সঙ্ঘ পরিবারও। দীর্ঘ সময় ধরে যাঁরা রামমন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সেই ট্রেনে তাঁদের নিয়ে যাওয়ার কথা। এর জন্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে বিভিন্ন রাজ্যের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলা থেকে সেই বিশেষ ট্রেনটি ছাড়বে ৫ ফেব্রুয়ারি। সেই ট্রেনটিই অযোধ্যায় দু’দিন থাকার পরে যাত্রীদের রাজ্যে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: পরনে হিজাব, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! হেঁটে মুম্বই থেকে অযোধ্যা পাড়ি শবনমের

    Ayodhya Ram Mandir: পরনে হিজাব, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি! হেঁটে মুম্বই থেকে অযোধ্যা পাড়ি শবনমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামের (Ayodhya Ram Mandir) উপাসনা করতে হিন্দু হওয়ার প্রয়োজন নেই। মন থেকে ভালো মানুষ হলেই রামের ভক্ত হওয়া যায়। এই বিশ্বাসকে সঙ্গে করেই মুম্বই থেকে হেঁটে অযোধ্যা চলেছেন মুসলিম তরুণী শবনম। পরনে হিজাব, সঙ্গে গেরুয়া ধ্বজ, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টিকারীদের বার্তা দিতেই হাঁটতে শুরু করেছেন শবনম। তিনি মুসলিম ধর্মাবলম্বী। তা সত্ত্বেও ভগবান রামের প্রতি তাঁর অটল ভক্তি। 

    কী বলছেন শবনম

    স্টিরিওটাইপ বিশ্বাস ভেঙে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে ২২ জানুয়ারির প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসবে পৌঁছবেন রামভক্ত মুসলিম তরুণী শবনম। কট্টরপন্থীদের চোখরাঙানিকে ভয় না পেয়েই, শবনম গর্ব করে বলেন, ‘‘রাম পুজো করতে হিন্দু হওয়ার দরকার নেই, ভালো মানুষ হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।’’ বর্তমানে, শবনম প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার হাঁটছেন। মুম্বই থেকে শুরু করে তিনি পৌঁছেছেন মধ্যপ্রদেশের সিন্ধভা পর্যন্ত। এই যাত্রাপথে শবনমের অপর দুই সঙ্গী রামভক্ত রমন রাজ শর্মা এবং বিনীত পাণ্ডে। শবনম বলেন, ‘‘ভগবান রাম সকলেরই। জাত বা ধর্মের ভেদাভেদ করে তাঁর ভাগ করা যায় না। রামের উপাসনা করতে গেলে সমস্ত সীমানা তুচ্ছ হয়ে যায়।’’

    আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি অযোধ্যা বিমানবন্দর, নামেও রামায়ণের ছোঁয়া

    সংহতির বার্তা

    বর্তমানে নেটপাড়ায় ভাইরাল এই তিন পুণ্যার্থীর রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) যাত্রার খবর। যাত্রাপথে তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন পুলিশ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। খাবারের ব্যবস্থা থেকে মাথা গোঁজার ঠাঁই, সব কিছুরই বন্দোবস্ত করে দিয়েছে পুলিশ। শবনমের কথায়, দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে তাঁদের। কখনও কখনও চেপে ধরছে  ক্লান্তি। তা সত্ত্বেও রামের প্রতি তাদের ভক্তি তাঁদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে শবনমকে স্বাগত জানিয়েছেন অলি-গলির মানুষ। মুসলিম নাগরিকরাও শবনমের এই উদ্যোগে খুশি। রামমন্দিরের যাত্রাপথে এই মুসলিম তরুণী বলেছেন, ‘‘তিনি সংহতির হৃদয়গ্রাহী মুহূর্তগুলি মনের মণিকোঠায় ধরে রাখতে চান।’’ তাঁকে বহু মানুষ ‘জয় শ্রী রাম’ বলে অভিবাদন জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya airport: রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি অযোধ্যা বিমানবন্দর, নামেও রামায়ণের ছোঁয়া

    Ayodhya airport: রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি অযোধ্যা বিমানবন্দর, নামেও রামায়ণের ছোঁয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম জন্মভূমির সঙ্গে জড়িয়ে গেল রামায়ণের রচয়িতা, মহর্ষী বাল্মীকির নামও। ২০২৪-এর ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জমকালো উদ্বোধন। তার আগে, ৩০ ডিসেম্বর উদ্বোধন হবে অযোধ্যার নবনির্মিত বিমানবন্দরের (Ayodhya airport)। বৃহস্পতিবার এর নাম বদলে ‘মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অযোধ্যাধাম’ করা হল। আগামী কাল, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ওই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    বিমানবন্দরে সুবিধা

    উদ্বোধনের দিনেই অযোধ্যা বিমানবন্দরে ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান (Ayodhya airport) চলাচল করবে। এই দুই বিমান সংস্থা ইতিমধ্যে দিল্লি, মুম্বই এবং আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত বিমান চলাচলের কথা ঘোষণা করে দিয়েছে। অযোধ্যা বিমানবন্দরের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণকার্যে আনুমানিক ১,৪৫০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। সাড়ে ছ’হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে সেখানে তৈরি হয়েছে নতুন টার্মিনাল ভবন। ব্যস্ত সময়ে অন্তত ৬০০ জন যাত্রী সেখানে অপেক্ষা করতে পারবেন। সারা বছরে এর যাত্রীধারণ ক্ষমতা ১০ লাখের বেশি। সূ্ত্রের খবর, দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি টার্মিনাল ভবন তৈরি করা হবে অযোধ্যা বিমানবন্দরে। ৫০ হাজার বর্গমিটারের সেই ভবনে ব্যস্ত সময়ে অন্তত তিন হাজার যাত্রী থাকতে পারবেন। বছরে তার যাত্রীধারণ ক্ষমতা হবে ৬০ লক্ষ।

    আরও পড়ুন: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    বিমানবন্দরে রামায়ণের কাহিনি

    বিমানবন্দর (Ayodhya airport) সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের চেতনাতেই তৈরি করা হয়েছে এই নতুন বিমানবন্দরটি। রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের পর, রামের প্রত্যাবর্তনের সময়, অযোধ্যাবাসী যে আনন্দ অনুভব করেছিলেন, বিমানবন্দরে আগত এবং এখান থেকে প্রস্থানকারী সকল যাত্রীরা যাতে সেই অনুভূতি পান, বিমানবন্দর নির্মাণের সময় সেটাই মাথায় রাখা হয়েছিল। টার্মিনাল ভবনের ভিতগুলি রামায়ণ মহাকাব্যের মূল ঘটনাগুলির ছবিতে সাজানো হয়েছে। কাজেই টার্মিনালের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময়ই যাত্রীরা রামের পুরো কাহিনি জেনে নিতে পারবেন। এই বিমানবন্দর উদ্বোধনের জন্য শনিবারই অযোধ্যা যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখবেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Narendra Modi: স্টেশন ও বিমানবন্দর উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় কঠোর নিরাপত্তা

    PM Narendra Modi: স্টেশন ও বিমানবন্দর উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় কঠোর নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন ও রামলালার মূর্তি স্থাপন ঘিরে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। তার মধ্যেই শনিবার রাম-নগরীতে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। রেল স্টেশন থেকে নতুন বিমানবন্দর, সড়ক থেকে নতুন ট্রেন উদ্বোধন সহ একাধিক কর্মসূচি নিয়ে অযোধ্যায় পৌঁছাবেন তিনি (Modi Ayodhya Visit)। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। এই নিয়ে এখন অযোধ্যায় চরম ব্যস্ততা। 

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রাম-নগরী

    প্রধানমন্ত্রীর সফর (Modi Ayodhya Visit) ঘিরে রাম নগরীকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। শহর জুড়ে বসানো হচ্ছে প্রচুর সিসিটিভি। রাস্তায় বসানো হচ্ছে আন্ডার ভেহিক্যল স্ক্যানার। শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ৫ হাজারের বেশি পুলিশকর্মীকে। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) যে যে রুটে যাবেন, সেখানে মোতায়েন এনএসজি কমান্ডো বাহিনী। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে ১৭ জন পুলিশ সুপার, ৪০ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ৮২ সার্কল অফিসার ও ৯০ ইন্সপেক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অযোধ্যা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা রাজকিরণ নায়ার বলেন, “পুলিশ সবদিক থেকে প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী, অতিরিক্ত পুলিশ আছে। সীমান্তে জোরদার চেকিং হচ্ছে।’’

    অযোধ্যা ধাম স্টেশনের উদ্বোধন

    জানা যাচ্ছে, শনিবার পৌনে ১১টা নাগাদ অযোধ্যায় পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী (Modi Ayodhya Visit)। ফের সওয়া ২টো নাগাদ দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেবেন। সাড়ে তিন ঘণ্টার এই ঝটিকা সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে সকল পরিকাঠামোর উন্মোচন হতে চলেছে, তার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য হল নতুনভাবে সংস্কার হওয়া, নতুন সাজে সেজে ওঠা অযোধ্যা স্টেশন, সম্প্রতি যার নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে অযোধ্যা ধাম জংশন রেল স্টেশন। রামের মুকুটের আদলে সেজে উঠছে অযোধ্য়া ধাম জংশন। ২৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে এই স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে লিফট, এস্ক্যালেটর, ফুড প্লাজা, চাইল্ড কেয়ার রুম। ত্রিতল এই স্টেশনকে আধুনিক ঝা চকচকে ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই স্টেশনকে সবুজ স্টেশন ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারতের সূচনা

    শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi) কর্মসূচি শুরু হবে এই স্টেশন থেকেই। নতুন রূপের অযোধ্যা ধাম স্টেশন উদ্বোধনের পাশাপাশি এই স্টেশন থেকেই এক জোড়া নতুন অমৃত ভারত ট্রেনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। একটি ট্রেন অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা যাবে। দ্বিতীয়টি মালদা টাউন থেকে বেঙ্গালুরুর এম বিশ্বেশ্বরয়া স্টেশন যাবে। এছাড়া, এদিনই আরও নতুন তিন জোড়া বন্দে ভারত ট্রেনের সূচনাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এই অঞ্চলের রেল পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে ২৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Modi Ayodhya Visit)। 

    নতুন বিমানবমন্দরের উন্মোচন

    শুধু রেল স্টেশন নয়, নব-নির্মিত অযোধ্যা বিমানবন্দরের উদ্বোধনও করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। রামায়ণের মহর্ষি বাল্মীকির নামে নাম রাখা হয়েছে নতুন বিমানবন্দরের। রামমন্দিরের রূপে সেজে উঠছে নতুন বিমানবন্দর। এছাড়া, লখনউ-অযোধ্যা জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের শিলান্যাস সহ অযোধ্যা সংলগ্ন ১১ হাজার ১০০ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় রয়েছে— নয়াঘাট থেকে লক্ষ্মণ ঘাটের সৌন্দর্যায়ন, দীপোৎসব প্রত্যক্ষ করার জন্য দর্শক গ্যালারি, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে হাঁটার রাস্তার নির্মাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nina Singh:  সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি নিনা সিং, কাজ করেছেন নোবেলজয়ীর সঙ্গে  

    Nina Singh: সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি নিনা সিং, কাজ করেছেন নোবেলজয়ীর সঙ্গে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের নারী শক্তির জয়। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ-এর প্রথম মহিলা ডিজি হলেন নিনা সিং। রাজস্থান ক্যাডারের ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার নিনা। তিনি এতদিন সিআইএসএফ-এর স্পেশাল ডিজি পদে ছিলেন। এর আগে সিবিআই-এর গুরুত্বপূর্ণ পদেও থেকেছেন তিনি। 

    নতুন পদে কে কে

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষপদে বড়সড় পরিবর্তন আনল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অমিত শাহর মন্ত্রক থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিআরপিএফ, আইটিবিপি ও সিআইএসএফ-এর নতুন ডিজি নিয়োগ করা হয়েছে। আইপিএস নিনা সিংকে সিআইএসএফ-এর স্পেশাল ডিজি পদ থেকে নিয়ে আসা হল ডিজি পদে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আইবি আধিকারিক রাহুল রাসগোত্রকে আইটিবিপি প্রধান পদে বসানো হয়েছে। ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার রাহুল বর্তমানে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর পদে আছেন। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে আইবি-তে আছেন। এদিকে অনীশ দয়াল সিংকে সিআরপিএফ-এর ডিজি করা হয়েছে। এদিকে অনীশ আইটিবিপি প্রধান ছিলেন। বিগত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে সিআরপিএফ-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। ১৯৮৮ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসারকে এবার সিআরপিএফ-এর পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    গবেষণার কাজে নিনা

    নিনা সিং হলেন দেশের প্রথম মহিলা, যিনি সিআইএসএফ-এর সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব সামলাবেন। অতীতে সিবিআই-এর সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। শীনা বোরা হত্যা মামলা, জিয়া খান আত্মহত্যা মামলার মতো হাই প্রোফাইল তদন্তের দায়িত্ব সামলেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর করা এই আইপিএস অফিসার। পড়ুশানো ও গবেষণার দিকেও ঝোঁক রয়েছে তাঁর। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এসথার ডুফলোর সঙ্গে দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন নিনা সিং। দিল্লি মেট্রো-সহ দেশের সমস্ত বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে সিআইএসএফ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে এই আধা সামরিক বাহিনী। এই বাহিনীরই প্রধান হয়ে ইতিহাস তৈরি করলেন নিনা।  ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই অবসরের আগে পর্যন্ত এই পদে থাকবেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    Ayodhya Ram Mandir: ‘মদ-মুক্ত’ অযোধ্যার রাম মন্দির চত্বর, ঘোষণা যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির সংলগ্ন ৮৪-কোশী পরিক্রমা অঞ্চল ‘মদবিহীন এলাকা’ হিসাবে ঘোষিত করা হল। ওই এলাকায় মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা বা প্রস্তুত করা যাবে না। এমনকি, এলাকায় আগে থেকে যে মদের দোকান রয়েছে,  সেগুলিকেও তুলে দেওয়া হবে। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এমনই নির্দেশ দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। 

    ‘মদবিহীন’ অঞ্চল

    আগামী ২২ জানুযারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন হবে। সূচনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে সমগ্র অযোধ্যা জুড়ে সাজ সাজ রব। তারই মাঝে বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাম মন্দির সংলগ্ন এলাকায় এখন থেকে আর মদ খাওয়া, বিক্রি, কেনা- কোনওকিছুই করা যাবে না। জারি করা নির্দেশিকার জেরে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আগে থেকে থাকা সরকারি মদ দোকানগুলিও সরতে চলেছে। সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনও মদ ব্যবসায়ী দোকান সরাতে না চাইলে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পৎ রাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল। তার পরেই মন্দির সংলগ্ন এলাকা ‘মদবিহীন’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কে? চিনে নিন

    নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সরযূ নদীর তীরে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন তিনি। তার মাঝেই নতুন নিয়মের কথা জানাল উত্তরপ্রদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের আবগারিমন্ত্রী নিতিন আগরওয়াল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের সিদ্ধান্ত, ৮৪ কোশী পরিক্রমা মার্গে মদ বিক্রি বন্ধ। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সঙ্গে আলোচনা করেই এলাকাকে মদ-বিহীন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা ওখানে অবস্থিত দোকানগুলি সরিয়ে দিয়েছি। ১৫০-১৭৫ কিমি দীর্ঘ ওই রাস্তায় সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মদ বিক্রি। নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hafiz Saeed: মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজকে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের  

    Hafiz Saeed: মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজকে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ২৬/১১ মুম্বই সন্ত্রাসের মূল চক্রী (Hafiz Saeed)। পাকিস্তানের আদালতে দোষী সাব্যস্তও হয়েছেন লস্কর-ই-তৈইবার প্রতিষ্ঠাতা। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের শাস্তি থেকে বাঁচতে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন ও প্রভিন্সিয়াল অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে লড়তে নেমেছে তাঁর সমর্থিত দল ‘পাকিস্তান মারকাজি মুসলিম লিগ’। এহেন হাফিজ মহম্মদ সঈদকে চেয়ে ইসলামাবাদকে চিঠি দিল নয়াদিল্লি। যদিও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় হাফিজকে ভারত পাবে না বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের। মুম্বই হামলার এত বছর পর এই প্রথম (Hafiz Saeed) হাফিজকে বিচারের জন্য ভারতে পাঠানোর দাবি জানিয়ে পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    হাফিজের মাথার দাম

    হাফিজ রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসবাদী। আমেরিকা তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছে এক কোটি টাকা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের গোপন ডেরায় তাঁকে রাখা হয়েছে বলে জল্পনা। হাফিজের ছেলে তলহাও বাবার মতোই সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে জড়িত। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকায় রয়েছেন তিনিও। এহেন মোস্ট ওয়ান্টেড হাফিজের দল লস্করের সামাজিক শাখা জামাত-উদ-দাওয়া সমর্থিত রাজনৈতিক দল পিএমএমএলের টিকিটে লাহোরের একটি আসন থেকে তলহা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে খবর।

    সন্ত্রাসবাদের তকমা ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা!

    ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির পাশাপাশি নির্বাচন হবে প্রাদেশিক আইনসভাগুলিরও। সেই নির্বাচনেই জিতে দলের গা থেকে সন্ত্রাসবাদী দলের তকমা ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও একবার সন্ত্রাসবাদীর তকমা ঝেড়ে ফেলতে উদ্যোগী হয়েছিলেন হাফিজ। সেটা ২০১৮ সাল। সেবারও পাকিস্তানের সাধারণ ও প্রভিন্সিয়াল অ্যাসেম্বলি মিলিয়ে মোট ২৬৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল হাফিজ সমর্থিত আল্লাহ-উ-আকবর তেহরিক নামে একটি দল।

    আরও পড়ুুন: “ধান্দাবাজ, জমি মাফিয়া, চোর, তোলাবাজ”, পোস্টারে তৃণমূল বিধায়কের ‘কাজের স্বীকৃতি’

    সেবার অবশ্য খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে হাফিজের সমর্থন নিয়ে ভোটে দাঁড়ানো দলটিকে। এবার অবশ্য ছেলে তলহার জয় নিশ্চিত করতে চাইছেন হাফিজ। হ্যাঁ, গোপন ডেরায় বসেই। তবে সেটা কতটা মসৃণ হবে, তা বলবে সময়। কারণ চলতি মাসের গোড়ার দিকে হাফিজ ঘনিষ্ঠ লস্কর জঙ্গি হাঞ্চলা আদনানকে করাচিতে গুলি করে খুন করে আততায়ীরা। তার পরেই আইএসআইয়ের গোপন ডেরায় থাকা হাফিজের (Hafiz Saeed) নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। কে জানে, কখন কী হয়!

    পাপ যে বাপকেও ছাড়ে না!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বন্দে ভারতের পর আসছে নয়া ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express)। এই ট্রেনের বর্ণ হবে গেরুয়া। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক এই ট্রেন বেশ আশাব্যঞ্জক এবং ফলপ্রসূ হবে। শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উল্লেখ্য অমৃত ভারত একপ্রেসের পরীক্ষামূলক যাত্রা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।

    শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এই ট্রেনের এর আগে নামকরণ করা হয়েছিল বন্দে সাধারণ। যা আদতে নন-এসি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পরে নাম বদল করে ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express) রাখা হয়। ট্রেনের রঙ ধূসর ও গেরুয়ার সংমিশ্রণ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যা থেকে উদ্বোধন করতে পারেন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। প্রথম ট্রেন যাবে অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা পর্যন্ত। দ্বিতীয় ট্রেনটি সম্ভবত চলবে মালদা থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত। যদিও, একনও রেলের তরফে সরকারি স্তরে কোনও ঘোষণা হয়নি।

    সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিমি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো এই ট্রেনেও পুশ-পুল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, ট্রেনের দুদিকের ইঞ্জিন সমানতালে কাজ করবে। সামনের ইঞ্জিন পুল করবে, শেষেরটি পুশ। ট্রেনের উভয় প্রান্তেই ডাব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন যুক্ত থাকছে।  এই ট্রেনের গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট। ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। অমৃত ভারত ট্রেনে (Amrit Bharat Express) মোট ২২টি কোচ থাকবে। ৮টি সাধারণ (জেনেরাল) কোচ, ১২টি দ্বিতীয় শ্রেণির থ্রি টিয়ার স্লিপার কোচ ছাড়া দু’টি কামরা হবে লাগেজ ভ্যান। এতে একসঙ্গে প্রায় ১৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ ও নিরাপত্তায় জোর

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ট্রেনের লোকো পাইলটদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে সিটগুলিকে আরামদায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল কামরার উপরে সিটে গদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক সিটের সঙ্গে থাকবে উন্নতমানের মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট। পাশাপাশি, রাখা হয়েছে এলইডি লাইট, বেসিন, পাখা, মেট্রোর মতো ঘোষণার সুবিধাও। ট্রেনে যাতে জলের অপচয় কম রাখা হয় তার জন্য সেন্সর ওয়াটার ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার দিকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। এই ট্রেনে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কবচ’ প্রযুক্তি। ট্রেনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই কম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি কোচে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। 

    ২ ঘণ্টা কম সময় লাগবে

    এই ট্রেনের ট্রায়াল ও অন্যান্য সুবিধাগুলিকে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব রুটে এই ট্রেনগুলি চলবে সেখানে যাত্রাপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।  প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিক কিংবা বিশেষ সক্ষমরা যাতে উঠতে পারেন তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। দরজা থাকবে বেশ চওড়া, জানালা থাকবে বেশ বড়বড়। দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। দিল্লি থেকে কলকাতায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেনে আসত ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এই ট্রেন হল অমৃত কালের অমৃত ভারত ট্রেন।”

    কেমন হবে ভাড়া?

    অনেকে বলছেন, এই ট্রেন বন্দে ভারতের ছোট ভাই। তবে এর ভাড়া বন্দে ভারতের মতো হবে না। তুলনায় অনেক কম হবে ভাড়া। রেল জানিয়েছে, সাধারণ মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্লিপার এবং দ্বিতীয় শ্রেণির তুলনায় মাত্র ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে এই ট্রেনে। অন্যান্য মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এক থেকে ৫০ কিলোমিটারের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রার ন্যূনতম টিকিটের দাম ৩০ টাকা (রিজার্ভেশন এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়া)। সেখানে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) এক থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ন্যূনতম খরচ ৩৫ টাকা। রিজার্ভেশন ফি এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের দিতে হবে এই অর্থ। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ছাড়ের টিকিট এবং বিনামূল্যে পাসের জন্য টিকিট এই ট্রেনগুলিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের কাজ করেই কেটে যাচ্ছে দিন রাত। তবু শুনতে হয় ‘ঘরেই তো বসে থাক! কোনও কাজ তো নেই…’। এমন কথা প্রায়শই অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু আইন বলছে অন্য কথা। আইনের চোখে গৃহবধূর শ্রম পারিশ্রমিকের যোগ্য। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court) বলল, গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁরাও স্বোপার্জনকারী। সংসারে তাঁরা দিবারাত্রি যে কাজ করেন, তার মূল্য রয়েছে।

    কী বলল আদালত

    ৫ বছরের পুরনো একটি ঘটনা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চে। মামলার রায় দেওয়ার সময় বিচারপতি বলেন, ‘‘কে বলেছে, গৃহবধূরা বেকার? সংসারে গৃহবধূদের অবদান অনেক বড়। তাঁরা কোনও ছুটি না নিয়ে ৩৬৫ দিন সংসারের যাবতীয় কাজ করেন। একই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করালে যে খরচ হত, তা ব্যয় করতে হয় না ওঁদের দৌলতেই। তাই সংসারে ওঁদের কাজের আর্থিক মূল্যও রয়েছে। আর সেই জন্যই গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁদেরকেও উপার্জনকারী হিসাবেই দেখতে হবে।’’  এক্ষেত্রে হাইকোর্ট (Calcutta High court) মনে করে দিয়েছে ২০০৮ সালে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের কথা। সর্বোচ্চ আদালত ব্যাখা করেছিল, যাঁরা বাড়িতে থাকেন তাঁদের বেকার বলে গণ্য করলে হবে না। প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে ধার্য্য করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    কোন প্রসঙ্গে এই মত

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বর্ধমানের বাসিন্দা লুফতা বেগম। পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ছেলে মীর শামিম আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেম ট্রাইব্যুনাল থেকে ক্ষতিপূরণের যথেষ্ট অর্থ তাঁরা পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন মৃতের ছেলে। কারণ যে গাড়িটির দ্বারা দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেই গাড়িটির বিমা করা ছিল। এই মামলারই শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তা ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা গৃহবধূ তাঁদের বেকার ভাবলে চলবে না। তাঁদের শ্রমের মূল্য তা গণ্য করতে হবে। এরপর হাইকোর্টে (Calcutta High court) ওই বিমা সংস্থাকে ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মামলার শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, ওই মহিলার ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য টাকা অবিলম্বে তাঁকে দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share