Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Parliament: মহুয়াকাণ্ডের জের! এবার থেকে সংসদে প্রশ্ন করতে হবে স্বয়ং সাংসদদেরই?

    Parliament: মহুয়াকাণ্ডের জের! এবার থেকে সংসদে প্রশ্ন করতে হবে স্বয়ং সাংসদদেরই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। এমনই অভিযোগ ওঠায় মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিলের সুপারিশ করেছিল সংসদের (Parliament) এথিক্স কমিটি। এমতাবস্থায় সাংসদের আপ্ত সহায়ক কিংবা অন্য কেউ আর প্রশ্ন করতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে লোকসভার সচিবালয়। সংসদের অধিবেশনে কোনও প্রশ্ন করতে হলে তা করতে হবে স্বয়ং সাংসদকেই। সূত্রের খবর, আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনেই এই নিয়ম লাগু করা হতে পারে।

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন

    ৪ ডিসেম্বর শুরু হবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। জানা গিয়েছে, এই অধিবেশনেই প্রশ্ন করার অধিকারের নিয়মে আনা হচ্ছে বদল। এবার থেকে আর সাংসদদের আপ্ত-সহায়করা অনলাইনে প্রশ্ন জমা দিতে পারবেন না। আপ্ত-সহায়কদের এই অধিকার প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে অনির্দিষ্টকালের জন্য। প্রশ্ন করতে হলে সাংসদদের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকেই তা করতে হবে। এবং তা করতে হবে স্বয়ং সাংসদকেই। বিষয়টি নিয়ে বুধবার বৈঠকে বসেছিল লোকসভার (Parliament) সচিবালয়। তবে অদূর ভবিষ্যতে আপ্ত-সহায়কদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি ওই বৈঠকে।

    মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ঘুষের বদলে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে। এও অভিযোগ উঠেছিল, মহুয়া তাঁর সাংসদ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে। হিরানন্দানির কাছ থেকে এজন্য ২ কোটি টাকা ও নানাবিধ দামি উপহার নিয়েছিলেন মহুয়া। তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পৌঁছায় লোকসভার এথিক্স কমিটির কাছে। এথিক্স কমিটি তলব করে কৃষ্ণনগরের সাংসদকে। কমিটির বৈঠক চলাকালীন মাঝপথে বেরিয়ে চলে আসেন মহুয়া। কমিটি মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিলের সুপারিশ করে। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট গৃহীত হয় এথিক্স কমিটির বৈঠকেও।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    জানা গিয়েছে, রিপোর্টে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিল করা ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরকারি তদন্ত করার সুপারিশও করা হয়েছে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে স্পিকার ওম বিড়লা সংসদে (Parliament) পেশ করতে পারেন এথিক্স কমিটির রিপোর্ট। সেটি পেশ করা হলে সর্বতোভাবে সমর্থন জানাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Niti Aayog Report: ফের এক গোল চিনকে! স্কুল শিক্ষায় বেজিংকে পিছনে ফেলল মোদির ভারত?

    Niti Aayog Report: ফের এক গোল চিনকে! স্কুল শিক্ষায় বেজিংকে পিছনে ফেলল মোদির ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল শিক্ষায় চিনকে পিছনে ফেলে দিল ভারত। বর্তমানে ভারতে স্কুলের সংখ্যা চিনের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি (Niti Aayog Report)। সরকারি নীতির কারণে চিনে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি স্কুল। সেগুলিকে সচল রাখতে একটিকে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সঙ্গে। কেউ কেউ আবার পাততাড়ি গুটিয়ে চলে যাচ্ছে।

    পাততাড়ি গোটাচ্ছে স্কুল

    জিনপিং সরকারের কঠোর নিয়ম, অতিমারি-উত্তর কালে অর্থনৈতিক মন্দা ও বিদেশি পড়ুয়ার সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকায় সে দেশের স্কুলগুলির দশা বেহাল। স্কুল শিক্ষার বিষয়ে নীতি আয়োগের সর্বশেষ রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে এসব তথ্য। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকেও জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে এক লক্ষ ৮০ হাজারের কাছাকাছি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল। চিনা শিক্ষা ব্যবস্থার এক তৃতীয়াংশই ছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলি। প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়াশোনা করত ৫ কোটি ৬ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। এই স্কুলগুলির সিংহভাগই হয় ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে, নয়তো একটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্যটিকে।

    হা-পড়ুয়া দশা 

    কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে চিন ছেড়েছেন বহু বিদেশি। চিন-তাইওয়ান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেও জিনপিংয়ের দেশ ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে থিতু হয়েছেন অনেকে। এসব কারণেও চিনে কমেছে বিদেশির সংখ্যা। যার প্রভাব পড়েছে ড্রাগনের দেশের বেসরকারি স্কুলগুলিতে। কারণ এই স্কুলগুলিতেই পড়ত তাঁদের ছেলেমেয়েরা (Niti Aayog Report)। নীতি আয়োগের রিপোর্টে এও জানা গিয়েছে, সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে চিনকে পিছনে ফেললেও, ভারতের বহু অঙ্গরাজ্যের স্কুলগুলিরও হা-পড়ুয়া দশা। অনেক রাজ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ জনেরও কম শিক্ষার্থী রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল বলে কিছু নেই, পুলিশও কন্ট্রোলে নেই’’! থানায় যুবকের মৃত্যুতে বিস্ফোরক দিলীপ

    এর কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে, দুর্বল পরিকাঠামো, প্রধান শিক্ষক কিংবা অধ্যক্ষের অভাব সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত এই স্কুলগুলি। সেই কারণেই কমেছে পড়ুয়ার সংখ্যা। সমস্যার সমাধানে স্কুলগুলির একটিকে অন্যটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে নীতি আয়োগ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এভাবে দূর করা যেতে পারে হা-পড়ুয়া দশা। জাতীয় শিক্ষা নীতির সুপারিশ মেনে রাজ্যগুলিকে বড় দ্বাদশ শ্রেণির স্কুল তৈরির পরামর্শও দেওয়া হয়েছে (Niti Aayog Report)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Infosys Prize 2023: ভারতকে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বার্তা এন আর নারায়ণ মূর্তির

    Infosys Prize 2023: ভারতকে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বার্তা এন আর নারায়ণ মূর্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে আগামী ২০ বছরের জন্য প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য বার্ষিক ১ বিলিয়ন করে মোট ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে হবে বলে বার্তা দিলেন ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা এন আর নারায়ণ মূর্তি। এই কথা বেঙ্গালুরুতে ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩ (Infosys Prize 2023) প্রদানের অনুষ্ঠানে বলেছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “কেন্দ্রের মোদি সরকারের প্রবর্তিত জাতীয় শিক্ষা নীতিকে দেশে দ্রুত বাস্তবায়ন করা একান্ত প্রয়োজন। সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।” ভারত এবং সারা বিশ্বের বিজ্ঞানী, গবেষক, অধ্যাপক এবং অর্থনীতিবিদদের প্রতি বছর ছয়টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয় এই সংস্থার পক্ষ থেকে। এই বছরও ছয় জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। 

     ঠিক কী বললেন এন আর নারায়ণ মূর্তি (Infosys Prize 2023)?

    এন আর নারায়ণ মূর্তি, ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইনফোসিস পুরস্কার অনুষ্ঠানে (Infosys Prize 2023) ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি’র বাস্তবায়ন নিয়ে বলেন, “শিক্ষার ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) কে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে। এর বাস্তবায়নের একটি উপায় হল দেশের ২৮ টি রাজ্য এবং ৮ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ২৫০০ টি ট্রেনিং টিচার কলেজ তৈরি করতে হবে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনারিং, গণিত বিষয়ে দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। চারজন করে প্রশিক্ষক, ১০০ জন করে প্রাথমিক শিক্ষককে এবং ১০০ জন করে মাধ্যমিক শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করবেন। আমরা এই পদ্ধতি মেনে ২ লাখ ৫০ হাজার করে প্রাথমিক এবং মধ্যমিক শিক্ষকদের মোট ৫ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবো। ফলে আগামী আরও ৫ বছরে প্রশিক্ষিতরাই প্রশিক্ষক হয়ে উঠবেন। এই জন্য আমাদের প্রতিবছর ১০ লাখ অর্থাৎ ১ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে, যা আগামী ২০ বছরের জন্য ভারতের খরচ হবে ২০ বিলিয়ন ডলার। আমাদের দেশ দ্রুত ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ হবে, ফলে এতে খরচ করা খুব একটা কঠিন কিছু হবে না। অতিরিক্ত বোঝা হবে না।”

    ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩

    ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশন (ISF)-এর তরফ থেকে ছয়টি বিভাগে ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩-এর (Infosys Prize 2023) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যে বিভাগগুলির মধ্যে পুরস্কার পেয়েছেন সেগুলি হল, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে সচিদানন্দ ত্রিপাঠী, আইআইটি কানপুর। হিউম্যানিটিজ বিভাগে পান জাহ্নবী পালকে, সাইন্স গ্যালারি বেঙ্গালুরু। লাইফ সায়েন্সেস বিভাগে পান অরুণ কুমার শুক্লা, আইআইটি কানপুর। ম্যাথমেটিকাল সায়েন্সেস বিষয়ে পান ভার্গভ ভট্ট, ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি। আবার ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিষয়ে পান মুকুন্দ ঠাট্টা, ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস। সোশ্যাল সায়েন্সেসে পুরস্কার পান করুণা মানতেনা, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিটি বিভাগের জন্য ইনফোসিস পুরস্কারে পুরস্কার প্রপাকদের একটি স্বর্ণপদক, একটি প্রশংসাপত্র এবং এক লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল বেঙ্গালুরু ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশনের অফিসে। পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করতে এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিস গোপালকৃষ্ণান, নারায়ণ মূর্তি, শ্রীনাথ বাটনি, কে. দীনেশ এবং এসডি শিবুলাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে ৩দিন আটকে ৪০ শ্রমিক, আজই উদ্ধারের সম্ভাবনা, জানাল প্রশাসন

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে ৩দিন আটকে ৪০ শ্রমিক, আজই উদ্ধারের সম্ভাবনা, জানাল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) দেরাদুনের কাছে একটি নির্মীয়মান সুড়ঙ্গে ধস নামে। ৭০ ঘণ্টা ধরে সেখানে আটকে রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। এখনও তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার কাজ খুব তৎপরতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ। উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারা ও দাদলাগাঁওয়ের মাঝে এই ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী টানেলে ধসের জেরে ৪০ জন শ্রমিক সেখানে আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, ১৬০ জনের উদ্ধারকারী দল সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রমিকদের উদ্ধার করার সবরকম চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে বার বার উদ্ধারকাজে ব্যাঘাত ঘটছে। নতুন করে এলাকায় ধস নামায় উদ্ধারকর্মীরা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। নতুন ড্রিল মেশিন নিয়ে এসে ফের উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয়েছে। সে রাজ্যের প্রশাসন জানিয়েছে, একটি পাইপের মাধ্যমে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার পৌঁছানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও ওই ৪০ জন আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন একজন। এছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা থেকেও অনেকেই রয়েছেন সেখানে। 

    শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে প্রশাসনের

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, টানেলে আটকে পড়া ৪০ জনকে যথাযথভাবে অক্সিজেনও সরবরাহ করা হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে উদ্ধারকারী দলের সংযোগ রয়েছে। ওয়াকি টকিতে চলছে কথা। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, তাঁরা সুস্থ ও অক্ষত রয়েছেন। ড্রিল করে একটি পাইপ ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা হচ্ছে। সেই পাইপ দিয়েই শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতে পারবেন। মঙ্গলবার সেই পাইপ ঢোকানোর প্ল্যাটফর্ম (Uttarakhand) তৈরির কাজ অনেকটাই হয়ে গেছিল। কিন্তু নতুন করে ধস নামায় সেই কাজ আটকে যায়। আবার নতুন করে ড্রিলিংয়ের কাজ শুরু করতে হয়।

    কীভাবে উদ্ধারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে শ্রমিকদের?

    কাজ চলাকালীন একটি ২০ মিটারের পাথরের স্ল্যাব সুড়ঙ্গের রাস্তা বন্ধ করে দেয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Uttarakhand)। ৩ ফুট ব্যাসের অনেকগুলি পাইপ সুড়ঙ্গে ড্রিল মেশিনের মাধ্যমে ঢোকানো হবে। তারপর পাইপগুলি একটার পরে একটা জুড়ে এরপর প্যাসেজ তৈরি করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরকাশীর জেলাশাসক অভিষেক রুহেলা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘সব ঠিক থাকলে বুধবারের মধ্যে শ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে।’’ উত্তরাখণ্ডে এমন দুর্ঘটনা এই প্রথম নয়। ইদানীং প্রায় গোটা বছর ধরেই পাহাড়ে ধস নামতে দেখা যাচ্ছে। এর আগে জোশীমঠে বিরাট এলাকা জুড়ে ধস নেমেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পর অবশেষে মণিপুরে (Manipur Violence) নিভেছে অশান্তির আগুন। এবার ব্যবস্থা নিতে শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যে গোষ্ঠীহিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেইতেইদের ন’টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল তারা। চিত্রাঙ্গদার দেশের হিংসায় এই সংগঠনগুলি প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ।

    পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

    ইউএপিএ অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই সংগঠনগুলিকে। মণিপুরে মেইতেইরা সংখ্যাগুরু। অভিযোগ, এদেরই ন’টি সংগঠন প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ। যে সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি (Manipur Violence) হল, জঙ্গিগোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির রাজনৈতিক শাখা রেভেলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট, ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের সশস্ত্র শাখা মণিপুর পিপলস আর্মি, পিপলস রেভোলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাকের সশস্ত্র শাখা রেড আর্মি এবং কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা কাংলেইপাক রেড আর্মি।

    আগেই বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মণিপুরে যে সরকার কড়া পদক্ষেপ করবে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “মণিপুরের ঘটনা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মণিপুরের ঘটনায় অনেকেই তাঁদের স্বজন হারিয়েছেন। মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার এক যোগে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি এও বলেছিলেন, “অদূর ভবিষ্যতে মণিপুরে উঠবে শান্তির সূর্য, মণিপুর আবার এগিয়ে যাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে, এই সংসদ সঙ্গে আছে। আমরা সবাই মিলে সমাধান করব। শান্তি স্থাপন হবেই।”

    আরও পড়ুুন: জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা!

    গত ৩ মে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরে’র কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। তার জেরেই শুরু হয় মেইতেই-কুকি সংঘর্ষ। মেইতেইরা হিন্দু। আর কুকি সহ সেখানকার তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুই গোষ্ঠীর এই সংঘর্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় (Manipur Violence) দু’শোজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে কয়েকশ’ ঘরবাড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: বিদ্রোহী জোটের হামলায় পিছু হটছে মায়ানমার সেনা, আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে!

    Myanmar: বিদ্রোহী জোটের হামলায় পিছু হটছে মায়ানমার সেনা, আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছু হটছে মায়ানমার (Myanmar) সেনা! বিদ্রোহী জোট ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের হামলায় প্রাণ ভয়ে ভীত তারা। গ্রামবাসীদের ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ছে তারাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে ঢুকে পড়েছে প্রায় ৫ হাজার মায়ানমারের নাগরিক। মিজোরাম পুলিশ জানিয়েছে, এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৩৯জন সেনাকর্মীও।

    জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান

    অক্টোবর মাসে মায়ানমারের তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ অভিযান শুরু করে সে দেশের সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে। এই জোটের হামলায় একের পর এক এলাকা হাতছাড়া হচ্ছে জুন্টা সরকারের। মায়ানমারের গণতন্ত্রীপন্থী শক্তির স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট বিদ্রোহীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। যৌথ অভিযানে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের শান ও সাগিয়াং প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিদ্রোহীদের দখলে গিয়েছে। মায়ানমার-চিন সংযোগকারী প্রধান সড়কের দখলও নিয়েছেন বিদ্রোহীরা।

    লড়াই চলছে পশ্চিমের চিন প্রদেশে

    বর্তমানে লড়াই চলছে পশ্চিমের চিন প্রদেশে। তার জেরেই দলে দলে ভিটে-মাটি ছাড়ছেন মায়ানমারের (Myanmar) নাগরিকরা। মিজোরাম পুলিশের আইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংটে বলেন, “মিজোরামের চাম্পেই জেলা লাগোয়া সীমান্তের অদূরে মায়ানমার সেনার রিখাওদর ও খাওমাওয়ি ছাউনি দুটি সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বাহিনী দখল করে। প্রাণ ভয়ে ৩৯ জন মায়ানমার সেনা জোকাওথান সীমান্ত চেকপোস্ট পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁরা এ দেশে আশ্রয় চেয়েছেন।” তিনি জানান, সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামেরও দখল নিয়েছে বিদ্রোহী বাহিনী। প্রাণ ভয়ে ভারতে চলে এসেছেন হাজার পাঁচেক গ্রামবাসী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু

    একুশের ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমারের গণতন্ত্রকামী নেত্রী আউং সান সু চি-র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল মায়ানমার সেনা। মায়ানমারের স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মিয়ন্ত শোয়ে গত সপ্তাহে বলেছিলেন, দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ না করলে আমাদের দেশ টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে। তাঁর আশঙ্কা যে নিছক অমূলক নয়, সোমবারের ঘটনায়ই তা স্পষ্ট (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস।” মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh Elections 2023) বেতুলের এক জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘পরাজয় মেনে নিয়েছে কংগ্রেস’

    তিনি বলেন, “১৭ নভেম্বর এগিয়ে আসছে। কংগ্রেসের দাবিগুলি স্পষ্ট হচ্ছে। আজ, আমরা গোটা মধ্যপ্রদেশ থেকে রিপোর্ট পেয়েছি যে, কংগ্রেস তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছে। তারা এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাঁরা ভাবতে পারছেন না যে তাঁদের বাইরে বের হতে হবে। কংগ্রেস নেতারা জানেন না, তাঁরা মানুষের কাজে গিয়ে ঠিক কী বলবেন।” তিনি বলেন, “মোদির গ্যারান্টির কাছে কংগ্রেস তাদের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না।”

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি কংগ্রেস

    মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার (Madhya Pradesh Elections 2023) আসন সংখ্যা ২৩০। নির্বাচন হবে নভেম্বরের ১৭ তারিখে, একদিনেই। ডিসেম্বরের তিন তারিখে বের হবে ফল। এদিনই ফল বের হবে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গনা ও মিজোরামেরও। কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট পেয়ে এসেছে। কিন্তু রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, হাসপাতাল, স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে তাঁদের। কংগ্রেস যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটাও পূরণ করেনি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর আগে সরকার গড়লেও, কংগ্রেস তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। কিন্তু বিজেপি পেরেছে। আজ পর্যন্ত যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমাদের হৃদয়ে উপজাতিদের জন্য জায়গা রয়েছে। তাই যখনই সুযোগ এসেছে, বিজেপি আপনাদের গর্বকে শ্রদ্ধা করেছে, আপনাদের আবেগকে বুঝতে পেরেছে। তাই দ্রৌপদী মুর্মু, দরিদ্র উপজাতি পরিবারে বেড়ে ওঠে একটি মেয়ে বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন (Madhya Pradesh Elections 2023)। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন। তাঁকেও শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা নয়, তেলঙ্গানায় একাই সরকার গড়বে বিজেপি, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজি নজরুল ইসলামের “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটিকে বিনির্মাণ করতে গিয়ে বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এআর রহমান। এমনই অভিযোগ শিল্পীমহলের একটা বড় অংশের। গানটির প্রচলিত সুর বদলে দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে এপার-ওপার বাংলায়। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন নজরুলের জন্মভিটে চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও।

    ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    এহেন আবহে গানটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে জল ঢালতে উদ্যোগী হলেন ছবিটির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রয় কপূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “এই গানকে (Karar Oi Louho Kapat) ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি।” ছবি নির্মাতাদের তরফে লেখা হয়েছে, নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজি ও তাঁর পুত্র কাজি অনির্বাণের কাছ থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল।”

    ‘নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে’

    যদিও সংবাদ মাধ্যমকে অনির্বাণ জানিয়েছিলেন, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও, সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই ছবি নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন তাঁরা। বিবৃতি জারি করে নির্মাতারা জানিয়েছেন, গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার ও সুরের পরিবর্তন করা হয়েছে চুক্তি অনুযায়ী। নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এই অ্যালবামটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়া হাজার হাজার মানুষের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য।  

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যেহেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল, তাই সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটির সুর বিকৃত করার প্রতিবাদে সোমবার সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে নজরুল মঞ্চের টিকিট কাউন্টারের সামনে জমায়েত করেছিল হেরিটেজ বেঙ্গল নামে একটি সংস্থা। নজরুলের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে প্রতিবাদ জানান প্রচুর মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধসের জেরে আটকে রয়েছেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলার তিন শ্রমিকও। তাই শ্রমিকদের উদ্ধারকার্যের বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে।

    শুভেন্দুর বার্তা

    এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে উদ্ধারকাজ নিয়ে কথা বলেছি। আমি জেনেছি, সেনা ও এনডিআরএফ দিন-রাত এক করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হবে।” রবিবার রাতে উত্তরকাশীতে ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের ওপর একটি নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের মুখে ধস নামে। ওই সময় সুড়ঙ্গের ভেতরে ছিলেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। আটকে পড়েন তাঁরা। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। মঙ্গলবার বেলা ১০টা পর্যন্ত কারও খোঁজ মেলেনি বলেই খবর।

    পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন

    জানা গিয়েছে, সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজ মিলেছে। তাঁদের খাদ্য, জল ও অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলেই জানানো হয়েছে।” তিনি জানান, এ রাজ্যের যে তিন শ্রমিক ওই সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন তাঁরা হলেন, জয়দেব প্রামাণিক, মণির তালুকদার ও সৌভিক পাখিরা। উদ্ধারকারী দলের তরফে এক আধিকারিক জানান, প্রায় ২১ মিটারের একটি স্ল্যাব সুড়ঙ্গের মুখ আটকে দিয়েছিল। সেটি সরানো হয়েছে। এ পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ১৯ মিটার এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে।

    একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, কংক্রিটের বড় বড় চাঁই স্তূপীকৃত হয়ে পড়ে রয়েছে সুড়ঙ্গে। সেগুলি সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। বিপর্যয় মোকাবিলা দলের এক আধিকারিক বলেন, “সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদ জায়গা বলতে রয়েছে প্রায় ৪০০ মিটার এলাকা। এখানেই তাঁরা হাঁটাচলা করতে পারবেন। পারবেন শ্বাস নিতেও।” প্রসঙ্গত, এই (Suvendu Adhikari) সুড়ঙ্গে যাঁরা আটকে রয়েছেন তাঁদের সিংহভাগই বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করার ফের একবার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বড় উৎসব হল ওনাম। ওনাম উৎসব পালন করা হয় ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতার এবং রাজা মহাবলির পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন উদযাপনের জন্য। ধর্মীয় বিশ্বাস, তিরুভোনামের দিনে, অসুর রাজা মহাবলি তাঁর প্রজাদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিটি মালয়ালী পরিবারে যান। মনে করা হয় যে ওনামের দিনে যাঁরা ভগবান বিষ্ণুর পূজা করেন, তাঁদের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।  ওনামের অসুররাজ মহাবলি কেরলের বড় অংশের মানুষের উপাস্য। সেই মহাবলিকেই বিকৃত করল বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। প্যালেস্তাইনের পতাকা পরিধান করে রয়েছেন মহাবলি এমন বেশে তাঁকে সাজিয়ে পোস্টার বানানো হল। এর পুরোটাই জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা হামাসের সমর্থনে করল। 

    জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে জেএনইউ-এর বামপন্থী-ইসলামপন্থী

    এতে পরিষ্কার যে বামপন্থী-ইসলামপন্থীরা সমগ্র সমাজের কথা একেবারেই ভাবে না। কারণ হামাস কোনও সামাজিক সংগঠন নয় অথবা মানবাধিকারের জন্যও লড়ে না, তা একটি কট্টর ইসলামিক সংগঠন। অর্থাৎ হিন্দুধর্মের পবিত্র উৎসব ওনামকে বিকৃত করে হামাসকে সমর্থন! দক্ষিণ ভারতের লাখ লাখ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে এভাবেই আঘাত হানল জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। ওই পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘ওনাম অফ সলিডারিটি’। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের এমন হিন্দু ধর্মবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে ক্যাম্পাসে কেরলের ছাত্রদের একটি বড় অংশকে। ঠিক এই কারণেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের ওনাম উৎসবে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের সংখ্যাও। প্রতিবছর যেখানে উপস্থিতি থাকে ৭০০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী। এবার সেখানে হাজির ছিলেন মাত্র ১৫০ জন। 

    সলিডারিটির নামে ভণ্ডামি

    অন্যদিকে ওনাম উৎসব পালিত হয় অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা সেটা টেনে নিয়ে এসেছে নভেম্বরের ৯ তারিখে। ওয়াকিবহাল মহল ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে, ইরাকের ইয়েজিদি সমাজ, হামাসের হানায় নিহত ১,৪০০ নিরীহ ইজরায়েলি মানুষের প্রতি সলিডারিটি কেন দেখায় না ক্যাম্পাসের বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। আসলে এর পিছনের উদ্দেশ্য হল ক্যাম্পাসের ভোট-ব্যাঙ্ককে বিভাজিত করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share