Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: দীপাবলির আগে রাজ্যকে উপহার মোদির! প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি বরাদ্দ ঘোষণা কেন্দ্রের

    Narendra Modi: দীপাবলির আগে রাজ্যকে উপহার মোদির! প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি বরাদ্দ ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগে রাজ্যের জন্য ‘উপহার’ পাঠালেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বাংলার জন্য বরাদ্দ করা হলো প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা (Central Fund For Bengal)। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

    রাজ্যকে ‘উপহার’ মোদির

    মঙ্গলবারই নভেম্বর মাসের ট্যাক্স ডিভ্যালুয়েশনের টাকা বরাদ্দ করেছে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার। দেশের মোট ২৮টি রাজ্যের জন্য বরাদ্দ বরাদ্দ মঞ্জুর করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। সব মিলিয়ে ২৮টি রাজ্যের জন্য ৭৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে, রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা (Central Fund For Bengal)। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১০ নভেম্বরের পরিবর্তে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সরকারকে নভেম্বর মাসের জন্য ট্যাক্স ডিভোলিউশনের প্রাপ্য অর্থ ৭ নভেম্বরই দিয়ে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে মোদি সরকার।

    ব্যর্থতা ঢাকতে বঞ্চনার অভিযোগ

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে প্রায়ই সরব হতে দেখা যায় রাজ্যের শাসক দলকে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ দিয়ে যখন ক্রমাগত বিষোদগার করে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা শেখানো বুলির মতো একই কথা বলেই চলেছেন। তা হলো— রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র, রাজ্যের বকেয়া দিচ্ছে না কেন্দ্র, রাজ্য কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার… ইত্যাদি। মোদি সরকার (Narendra Modi) যে রাজ্যের প্রাপ্য আটকে রাখে না, তার প্রমাণ মিলেছে আগেও। গত অগাস্ট মাসেই পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬৫১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা (Central Fund For Bengal) পেয়েছিল বাংলা। আবারও মিলল মঙ্গলবার। 

    তৃণমূল জমানায় ঋণে জর্জরিত বাংলা

    এসব যে রাজ্যের শাসক দল নিজেদের ব্যর্থতা ও দুর্নীতি ঢাকতে করে চলেছে, তা এখন বুঝতে পারছেন রাজ্যবাসী। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল জমানায় রাজ্যের ঘাড়ে ক্রমশ ভারী হচ্ছে ঋণের বোঝা। বাম জমানায় ঋণের যে পরিমাণ ছিল, এখন তা বেড়ে আরও কয়েকগুণ হয়েছে। ফলস্বরূপ, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ করতে শুরু করে রাজ্যের শাসক দল (Narendra Modi)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections: ছত্তিসগড়ে বিক্ষিপ্ত মাও হামলা, মিজোরামে নির্বাচন নির্বিঘ্নেই

    Assembly Elections: ছত্তিসগড়ে বিক্ষিপ্ত মাও হামলা, মিজোরামে নির্বাচন নির্বিঘ্নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections)। মঙ্গলবার ভোট হয়েছে মিজোরাম এবং ছত্তিসগড়ে। ছত্তিশগড়ে নির্বাচন হবে দু’ দফায়। এদিন হল প্রথম দফার নির্বাচন। ছত্তিশগড়ের ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়েছে এদিন। এসবই মাওবাদী উপদ্রুত এলাকায়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭০.৯ শতাংশ। গত বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৭ শতাংশ। এবার কিছুটা কম। আর উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৫.৭ শতাংশ। গতবার পড়েছিল ৮১.৫ শতাংশ।

    অশান্তি পাকায় মাওবাদীরা

    প্রতিবারের মতো এবারও ছত্তিসগড়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। তারা যে নির্বাচনে অশান্তি পাকাবে, তার আঁচ মিলেছিল আগেই। শনিবার নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেরার পথে নৃশংসভাবে খুন করা হয় এক বিজেপি নেতাকে। সোমবার আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয় কাঙ্কেরে। তার জেরে জখম হন দুই ভোটকর্মী সহ মোট তিনজন। নির্বাচনের দিনও যথারীতি অশান্তি পাকায় মাওবাদীরা। এদিনও কাঙ্কেরে বিএসএফের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ডিআরজির। মাও উপদ্রুত এলাকায় ভোটের ডিউটি করার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। গুলির লড়াই চলে মিনিট দশেক। পিছু হটে মাওবাদীরা। সংঘর্ষে তাদের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে বলে অনুমান বিএসএফের।

    নকশালদের সঙ্গে গুলি বিনিময়

    সুকমায় (Assembly Elections) নকশালদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। গুলির ঘায়ে কয়েকজন জওয়ান জখম হয়েছে বলে খবর। এদিন সুকমায় বিস্ফোরণে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। কোন্টা এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে নকশালরা। পাল্টা গুলি চালায় নিরাপত্তারক্ষীরাও। গুলির লড়াই চলায় মিনিট দশেকের জন্য বন্ধ ছিল ভোটগ্রহণ। এদিন ছত্তিশগড়ে যাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির কেদার কাশ্যপ, মহেশ গাগদা, বিক্রম উসেন্ডি এবং লতা উসেন্ডি।

    এদিনই নির্বাচন হয়েছে ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম বিধানসভায়ও। সকালে আইজল উত্তর-২ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা। ইভিএমে ত্রুটির কারণে তখন ভোট দিতে পারেননি তিনি। তখনই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কাজ সেরে ফের যাবেন ভোট দিতে। এদিন বেলা ১টা নাগাদ ভোট দেন তিনি।  

    আরও পড়ুুন: মমতার বিদেশ সফরের খরচ জানতে আরটিআই, জবাব না পেয়ে আদালতের পথে শুভেন্দু!

    দ্বিতীয় দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে ১৭ নভেম্বর। এদিন ভোট হবে ছত্তিশগড়ের বাকি ৭০টি আসনে। রাজস্থান বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৫ নভেম্বর, এক দফায়। তেলঙ্গনা বিধানসভার ভোট হবে চলতি মাসেরই ৩০ তারিখে। এদিকে, এদিনই মধ্যপ্রদেশে রোড শো করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (Assembly Elections)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Supreme Court: দিল্লির বাতাসের মান মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: দিল্লির বাতাসের মান মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির দূষণ নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই বন্ধ হোক। রাজধানীর বাতাসের গুণগত মান যে শ্বাসরুদ্ধকর পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল। মঙ্গলবার দিল্লির বায়ু দূষণ নিয়ে এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সপ্তাহখানেক ধরে ব্যাপকভাবে দূষিত হয়েছে দিল্লির বাতাস। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই ১০ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলি বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।

    দূষিত শহরের তালিকায় এক নম্বরে

    সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশ্বে সব চেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে দিল্লি। প্রতিবেশী রাজ্য পঞ্জাব ও হরিয়ানায় শস্যগাছের গোড়া পোড়ানোই এই দূষণের মূল কারণ বলে এদিন মন্তব্য করেছে আদালত। পঞ্জাব সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শস্যগাছের গোড়া পোড়ানো এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। কীভাবে করবেন, সেটা আপনাদের বিষয়। আপনাদের কাজ। তবে এই কাজ এখনই বন্ধ করা উচিত। এই সঙ্গেই দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, দূষণ নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই করা ঠিক নয়। এখানে মানুষের স্বাস্থ্য জড়িয়ে। বাতাসের গুণগত মান যেভাবে খারাপ হচ্ছে, তা মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল। আদালতের মন্তব্য, অবিলম্বে শস্যগাছের গোড়া পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। এখনই তা করতে হবে। যা করার অবিলম্বে করতে হবে।

    কয়েকটি রাজ্যকে অর্ডার ইস্যু

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি সঞ্জয় কিষান বলেন, “সম্প্রতি আমি পঞ্জাবে গিয়েছিলাম। রাস্তার দু’ ধারে মাইলের পর মাইল ধরে খড় পুড়তে দেখেছি।” এর পাশাপাশি রাজস্থান ও অন্য রাজ্যগুলিকে অর্ডার ইস্যু করে জানানো হয়েছে, দীপাবলির মরশুমে বাজি ফাটানো বন্ধ রাখতে হবে। বায়ু দূষণ কম করার জন্য প্রতিটি রাজ্যকেই সচেষ্ট থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আদালতের মন্তব্য, বায়ু দূষণ মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সকলের দায়িত্ব।

    আরও পড়ুুন: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    দিল্লির কেজরিওয়ালের সরকারকেও একহাত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালত জানিয়েছে, দিল্লি সরকারও এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। অনেক বাস রয়েছে যেগুলি বায়ু দূষণ করছে। এই বিষয়টির ওপর সরকারের নজর দেওয়া উচিত। বায়ু দূষণের মোকাবিলায় পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠকে বসার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। বছরের পর বছর ধরে শীতের শুরুতে দিল্লির এই পরিস্থিতি চলতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, প্রতি ঘন মিটারে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার মাত্রা ১৫ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত হলে তা শ্বাস নেওয়ার যোগ্য বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সোমবার বিকেলে দিল্লিতে এই সূচক ছিল ৪২১। এদিন সকালে এর পরিমাণ ছিল ৩৯৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Sadharan Express: নভেম্বর থেকেই চলবে ‘বন্দে সাধারণ’ এক্সপ্রেস, কোন রুটে শুরু পরিষেবা?

    Vande Sadharan Express: নভেম্বর থেকেই চলবে ‘বন্দে সাধারণ’ এক্সপ্রেস, কোন রুটে শুরু পরিষেবা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বর মাসেই চালু হবে ‘বন্দে সাধারণ’ এক্সপ্রেস (Vande Sadharan Express)। ভারতীয় রেল এই ট্রেনের পরিষেবা শুরু করতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ট্রেন মূলত গরিব সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই চালু হবে। এই ট্রেনের ভাড়া বন্দে ভারত ট্রেনের তুলনায় অনেক কম হবে। এই সাধারণ ট্রেন হল নতুন ‘পুশ-পুল’ ট্রেন। নাসিক করিডরে ট্রায়ালের জন্য দুটি বন্দে সাধারণ এক্সপ্রেস গত ২৯ অক্টোবর মুম্বইয়ের ওয়াদি বান্ডার ইয়ার্ডে পৌঁছেছে। প্রথম ট্রেনটি নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে পরিষেবা দেবে। চালু হবে এই নভেম্বরে মাসেই। এছাড়াও পাটনা-নয়াদিল্লি, হাওড়া-নয়াদিল্লি, হায়দরাবাদ-নয়াদিল্লি, এরনাকুলাম-গুয়াহাটি রুটে চলবে এই ট্রেন।

    কেমন হবে ট্রেনটি (Vande Sadharan Express)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বন্দে সাধারণ এক্সপ্রেস (Vande Sadharan Express) বেশ আধুনিক উন্নত পরিষেবা যুক্ত ট্রেন হবে। ট্রেনে মোট ২২টি কোচ থাকবে। যার মধ্যে ১৮টি অসংরক্ষিত এবং ৪টি সংরক্ষিত নন-এসি কোচ থাকবে। মোট ১৮০০ জন যাত্রীকে বহন করার ক্ষমতা থাকবে এই ট্রেনের। এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়।

    রেলের পক্ষ থেকে বক্তব্য

    ভারতীয় রেলের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, আপাতত কয়েকটি রুটে এই ট্রেনের (Vande Sadharan Express) পরিষেবা চলু হবে। কিন্তু যাত্রীদের প্রতিক্রিয়ার কথা মাথায় রেখে আগামীতে এই ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হতে পারে। এই ট্রেনে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় দরজা, বায়ো-টয়লেট এবং আধুনিক রেডিও যোগাযোগের পরিষেবা থাকবে। একই সঙ্গে ইন্টিগ্রেটেড কোচ ফ্যাক্টরি বা আইসিএফ-এর প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুধাংশু মানি বলেছেন, “বন্দে সাধারণ ট্রেনের ইঞ্জিনগুলি শক্তি সাশ্রয়ী হবে। তবে কোচগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলে বেশি ভালো হবে।”

    রেলের প্রাক্তন বোর্ডের সদস্য সুবোধ জৈন বলেন, “সাধারণের ভাড়া প্রিমিয়াম বন্দে ভারত ট্রেনের তুলনায় অনেক কম হবে। ট্রেনের ভাড়া ২৫ শতাংশ কম থাকবে। এখনও পর্যন্ত দেশে ৩৪টি বন্দে ভারত ট্রেন চলছে। তবে সেই সব ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টার বেশি না করাই ভালো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Bhutan Rail Link: জিগমি ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক মোদির, এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত-ভুটান!

    India Bhutan Rail Link: জিগমি ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক মোদির, এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত-ভুটান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত ও ভুটান (India Bhutan Rail Link)। রেলপথে ভারতের সঙ্গে ভুটানকে যোগ করতে জায়গা নির্বাচন করতে অচিরেই শুরু হবে সমীক্ষা। এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন ভুটানের রাজা জিগমি খেসার নামগেল ওয়াংচুক এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার বৈঠকে বসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা। সেখানেই নিশ্চিত হয়েছে ভারত-ভুটান রেলপথে সংযুক্তিকরণের বিষয়টি। আট দিনের ভারত সফরে এসেছেন ভুটানের রাজা। ৩ নভেম্বর তিনি আসেন অসমের গুয়াহাটিতে। সেখান থেকে পৌঁছান দিল্লিতে।

    মোদি-জিগমি বৈঠক

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বানারহাটের সঙ্গে ভুটানের সামসের মধ্যে রেল সংযুক্তিকরণের (India Bhutan Rail Link) ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। অসমের দারাঙ্গা ও ভুটানের সামদ্রুপে নতুন অভিবাসী চেকপয়েন্ট খোলা নিয়েও হয়েছে আলোচনা। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-কাঠামো, ব্যবসা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি ইত্যাদি নিয়েও মোদি-জিগমি (India Bhutan Rail Link) আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট-বার্তা 

    বৈঠকের পর ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, ভুটানের রাজা জিগমি খেসার নামগেল ওয়াংচুককে ভারতে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। ভারত-ভুটান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমরা অত্যন্ত উষ্ণ ও ইতিবাচক আলোচনা করেছি। ভুটানের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য দৃষ্টি প্রসারিত করা হচ্ছে।

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে চিন ও ডোকলাম প্রসঙ্গও উঠেছে। এই সমস্যা সমাধান করতে প্রথমবার বেজিংয়ে অংশ নিতে চেয়েছে ভুটান। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই অবস্থানে অস্বস্তিতে ভারত। বিদেশ সচিব বিনয়মোহন কোয়াত্রা জানান, মোদির সঙ্গে নামগিয়েলের বৈঠকে দুই দেশের জাতীয় স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও বৈঠকে তিনি সরাসরি ডোকলাম ও চিনের প্রসঙ্গের কথা বলেননি।

    আরও পড়ুুন: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতীয় সেনা অভিযোগ করেছিল, চিন ও ভারত সীমান্ত লাগোয়া ডোকলামে ভুটানের জমিতে ঢুকে ঘাঁটি গেড়ে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে লালফৌজ। উপগ্রহ চিত্রেও ধরা পড়েছিল সেই ছবি। যদিও (India Bhutan Rail Link) তখন নয়াদিল্লির অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Chhattisgarh Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন, আইইডি বিস্ফোরণে কাঁপল ছত্তিসগড়, জখম ৩  

    Chhattisgarh Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন, আইইডি বিস্ফোরণে কাঁপল ছত্তিসগড়, জখম ৩  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ছত্তিসগড় বিধানসভার নির্বাচন (Chhattisgarh Elections 2023)। ভোট হবে দু’ দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর, মঙ্গলবার। পরের দফার নির্বাচন হবে নভেম্বরের ১৭ তারিখে। ৯০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভার ২০টি আসনে নির্বাচন হবে মঙ্গলবার। এর সিংহভাগ কেন্দ্রই মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। এর মধ্যে রয়েছে বস্তার, দান্তেওয়াড়া, কাঙ্কের, কবীরধাম এবং রাজনন্দনগাঁও। রাজনন্দনগাঁওয়ে প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রামন সিং। রাজ্যের মন্ত্রী কাওসি লাখমার ভাগ্য নির্ধারণ হবে প্রথম দফার নির্বাচনে। তিনি কোটনা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক।

    ভাগ্য নির্ধারণ ২২৩জন প্রার্থীর

    গত বিধানসভা নির্বাচনে এই ২০টি আসনের মধ্যে ১৭টিতে জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। বিজেপি জিতেছিল ২ কেন্দ্রে। একটি আসনে জয়ী হয়েছিলেন অজিত যোগীর দল। মঙ্গলবার প্রথম দফার নির্বাচনে (Chhattisgarh Elections 2023) ভাগ্য নির্ধারণ হবে ২২৩জন প্রার্থীর। ভোট দেবেন ৪০ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৮১ জন। যে ২০টি আসনে এদিন নির্বাচন হবে, তার মধ্যে ১৩টি তফশিলি জাতি-উপজাতির জন্য সংরক্ষিত।

    আইইডি বিস্ফোরণ

    এদিকে, নির্বাচন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই আইইডি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাঙ্কের জেলা। সোমবার নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে বুথের দিকে রওনা দিয়েছিলেন ভোটকর্মীরা। এদিন সন্ধ্যায় বিস্ফোরণ ঘটে কাঙ্কেরের রেঙ্গাগোন্দি গ্রামে। জানা গিয়েছে, ছোটেবেটিয়া থানার মারবেদা পুলিশ ক্যাম্প থেকে ভোটকর্মীদের নিয়ে বিএসএফের চারটি দল যাচ্ছিল রেঙ্গাগোন্দির দিকে। আচমকাই ঘটে বিস্ফোরণ। গুরুতর জখম হন বিএসএফ কনস্টেবল চন্দ্রপ্রকাশ সেওয়াল ও দুই ভোটকর্মী। স্থানীয় হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা। হামলার নেপথ্যে মাওবাদীরাই রয়েছে বলে অনুমান প্রশাসনের। প্রসঙ্গত, প্রতিবারের মতো এবারও ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা।

    আরও পড়ুুন: ফের ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রিমশাই শুনলেন ‘চোর’ ধ্বনি

    নির্বাচনে (Chhattisgarh Elections 2023) বিঘ্ন ঘটাতে মাওবাদীরা যে তৎপর, তা মালুম হয়েছিল আগেই। নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই এক বিজেপি নেতাকে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। নির্বাচনী প্রচার সেরে ফিরছিলেন তিনি। রতন দুবে নামে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন আইইডি বিস্ফোরণ ঘটেছে নারায়ণপুরেও। বিস্ফোরণের পর মাও-উপদ্রুত এলাকায় আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। কাঙ্কের কালেক্টর প্রিয়াঙ্কা শুক্লা বলেন, “মাওবাদী-আক্রান্ত এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোট গ্রহণের সময় কেন্দ্রগুলিতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Earthquake: ফের কাঁপল দিল্লি! ৩০ সেকেন্ডে জোড়া কম্পনের তীব্রতা ৫.৬, উৎসস্থল সেই নেপাল

    Delhi Earthquake: ফের কাঁপল দিল্লি! ৩০ সেকেন্ডে জোড়া কম্পনের তীব্রতা ৫.৬, উৎসস্থল সেই নেপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাঁপল রাজধানী দিল্লি। সোমবার বিকেলে রাজধানী-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৬। বিকেল ৪টে ১৬ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে দু’বার কেঁপে ওঠে রাজধানী এলাকা। এই নিয়ে তিন দিনে দ্বিতীয় বার কাঁপল দিল্লি। এবারেও ভূমিকম্পের উৎসস্থল নেপাল। 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি

    উৎস নেপালেই

    ন্যাশানাল সেন্টার ফর সেসিমোলজির তরফে জানানো হচ্ছে, সোমবার বিকেলের ভূমিকম্পের উৎসস্থল নেপাল। মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে কম্পন হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ৫.৬। শনিবার রাতেও দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৪। সে বারও কম্পনের উৎসস্থল ছিল নেপাল। সেই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১৫৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় নেপাল সরকারের তরফে। আহত অসংখ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    মূল কম্পনের পর ১৫৯ বার ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন বা আফ্‌টারশকে কেঁপেছিল নেপাল। বহু ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছে, ধূলিসাৎ হয়েছে রাস্তাঘাট। শনিবারের পর নেপালে রবিবারও মৃদু কম্পন হয়। তার পর সোমবার আবার জোরালো কম্পন হল নেপালে।

    আরও পড়ুুন: এটাই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হতে পারে নেপালে, কেন জানেন?

    আতঙ্কিত রাজধানী

    বারবার এ হেন কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন রাজধানীর বাসিন্দারা। বহুতল ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন আবাসিকরা। কেঁপে ওঠে বহুতল, পাখা-আলো কেঁপে ওঠার ফটো-ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই শেয়ার হতে শুরু করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Deepavali: দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপে সেজে উঠবে অযোধ্যা, কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    Deepavali: দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপে সেজে উঠবে অযোধ্যা, কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লঙ্কা বিজয়ের পর অযোধ্যায় ফিরেছিলেন রাজা রামচন্দ্র। সেই উপলক্ষ্যেই দীপাবলিতে (Deepavali) মেতে ওঠে গোটা দেশ। আর এই উৎসব এবারও বিশেষ ভাবে পালিত হবে রামজন্মভূমি অযোধ্যাতে। ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যোগী সরকার প্রতিবছরই রেকর্ড সংখ্যক প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলে অযোধ্যা নগরীকে। চলতি বছর একটু বিশেষ তার কারণ ঠিক দুমাস পরেই রামমন্দিরে প্রবেশ করবেন ভগবান রামচন্দ্র। ইতিমধ্যে রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনক্ষণও স্থির হয়ে গিয়েছে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ২১ লাখ প্রদীপে আলোকিত করা হবে অযোধ্যাকে।

    আরও পড়ুন: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত খরচ ১,৮০০ কোটি

    বৈঠক যোগী আদিত্যনাথের

    চলতি বছরের দীপাবলিকে (Deepavali) কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও সেরে ফেলেছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু দীপাবলি (Deepabali) নয় এর পাশাপাশি হনুমান জয়ন্তী, ছট পূজা, দেব-দীপাবলি সহ একাধিক উৎসব রয়েছে, আর এগুলোকে সুষ্ঠ এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে যোগী আদিত্যনাথ নেতৃত্বে বৈঠকে।

    কী বলছেন যোগী আদিত্যনাথ?

    এ নিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দীপাবলি আমাদের চিরন্তন একটি ঐতিহ্য। ১৪ বছর বনে থাকার পর ভগবান শ্রী রাম, মা সীতা এবং লক্ষণ অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করেন। একটি পবিত্র স্মৃতি হিসেবে তাই দীপ-উৎসব পালন করা হয়। এই বিষয়কে মাথায় রেখে সরযূ নদীর ধারে বিশেষ ভাবেই সম্পন্ন করা হবে এবারের দীপাবলি (Deepavali)।’’ শুধু তাই নয়, ভক্তরা যাতে এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে পারেন সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে অযোধ্যায়। একইসঙ্গে যাঁরা সেদিন অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না তাঁদের জন্য সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এই অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে খরচ কত জানেন?

    Ram Mandir: পাঁচটি মণ্ডপ পেরিয়ে ভক্তরা যাবেন গর্ভগৃহে, রামমন্দির নির্মাণে খরচ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রামভক্তদের (Ram Mandir) মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়।

    ২৩ জানুয়ারি সাধারণের জন্য খুলছে রাম মন্দিরের দ্বার

    জানা গিয়েছে, রামভক্তদের জন্য ২৩ জানুয়ারি থেকেই খুলে দেওয়া হচ্ছে মূল দ্বার। অযোধ্যার রাম মন্দিরে মোট পাঁচটি মণ্ডপ তৈরি হবে এবং সেগুলিকে পেরিয়েই ভক্তরা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের ভাষায়, ‘‘রামমন্দিরের অন্দরসজ্জা চোখ ধাঁধানো। পাঁচটি মণ্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে রামলালার এই মন্দিরে। এই পাঁচ মণ্ডপ পেরিয়ে তারপর গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন রাম ভক্তরা (Ram Mandir)। এর জন্য মোট ৩৯০ ফুট হেঁটে অতিক্রম করতে হবে দর্শনার্থীদের। এছাড়াও রয়েছে পরকোটা বা পরিক্রমা মার্গ। এটিই সবচেয়ে সুন্দরভাবে এবং সবচেয়ে বেশি খরচ করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।’’

    রামমন্দির তৈরিতে খরচ ১৮০০ কোটি টাকা!

    রামমন্দির তৈরিতে খরচও নেহাত কম নয়। মন্দির তৈরি হচ্ছে সম্পূর্ণভাবে ভক্তদের দানের ওপরে। ‘রামজন্মভূমি (Ram Mandir) তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’- এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত রামমন্দির তৈরির জন্য মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ১,৮০০ কোটি টাকা। শুধুমাত্র মন্দিরের বহির্বিভাগে থাকা ৭৯৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ‘পরকোটা’ তৈরি করতেই খরচ হচ্ছে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা। মন্দিরের অন্দরবিভাগ এবং গর্ভগৃহ নির্মাণে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণভাবে রামমন্দির নির্মাণ হতে সময় লাগবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। মোট ৬০ থেকে ৭০ হাজার দর্শনার্থী একবারে রামমন্দিরের (Ram Mandir) দর্শন করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয়। এর পরবর্তীকালে ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন হবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে (Assembly Elections 2023)। সব মিলিয়ে প্রার্থী রয়েছেন ১৭৪জন। ভোটার ৮.৫২ লাখ। রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট। জোরামা পিপলস মুভমেন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসও দখল করতে চাইছে মিজোরামের কুর্সি।

    ৩০টি বুথ ক্রিটিক্যাল

    চলতি বছর চার রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে যেমন ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিজোরামও। সব কটি রাজ্যের ফলই ঘোষণা করা হবে ৩ ডিসেম্বর। নির্বাচন নির্বিঘ্নে সাঙ্গ করতে মিজোরামে ৫০ কোম্পানি সিএপিএফ মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩০টি বুথকে ক্রিটিক্যাল পোলিং স্টেশন বলে চিহ্নিত করেছে তারা। সোমবার বিকেলের মধ্যেই ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছেন ভোটকর্মীরা।

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা (Assembly Elections 2023) বলছে, প্রতি দুটো টার্ম অন্তর সরকার পরিবর্তন হয় মিজোরামে। সেই ধারা মেনেই ২০১৮ সালে পতন হয় সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের। সেবার কুর্সি দখল করেছিল এমএনএফ। সেই একই ধারা বজায় থাকলে এবারও ক্ষমতায় ফেরার কথা তাদেরই। ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম বিধানসভায় সেবার এমএনএফ পেয়েছিল ২৭টি। টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৪টি আসন। ইন্দিরা গান্ধীর দেহরক্ষী দলের প্রাক্তন নেতা, প্রাক্তন আইপিএস লালডুহোমার সদ্য গঠিত জেডপিএম জিতেছিল ৮টি আসনে। নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি না মেলায় সেবার অবশ্য ওই দলের প্রার্থীরা লড়েছিলেন নির্দল হয়ে।

    আরও পড়ুুন: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো এবারও কংগ্রেস মিজোরামে সেভাবে ছাপ ফেলতে পারবে না বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। পাঁচ দফায় প্রায় ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন প্রবীণ নেতা লাল থানহাওলা। তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি কংগ্রেস। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মঙ্গলবারের নির্বাচনে তার একটা ভাল প্রভাব পড়তে পারে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে।

    উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন আর মাদক কারবার দমনের প্রসঙ্গই প্রচারে গিয়ে তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতারা। মিজোরামে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন মাত্র একজন। তিনি বুদ্ধধন চাকমা। ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন (Assembly Elections 2023) তিনি। মনে রাখতে হবে, কেন্দ্রে যখন যে দলের সরকার থাকে, সেই দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলে উত্তর-পূর্বের সিংহভাগ রাজ্যই। গতবারের মতো এবারও তার বিপ্রতীপ ছবি দেখা যেতে পারে মিজোরামে। সাম্প্রতিক একাধিক সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, মিজোরামে এবার হ্যাং বিধানসভা হতে পারে। তবে ঠিক কী হবে, তা জানা যাবে (Assembly Elections 2023), ৩ ডিসেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share