Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Israel Hamas War: ‘দোস্ত’কে ফোন নেতানিয়াহুর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    Israel Hamas War: ‘দোস্ত’কে ফোন নেতানিয়াহুর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের দিনে (Israel Hamas War) ‘দোস্ত’কেই স্মরণ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার ফোন করে ইজরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। ২০১৭ সালে ইজরায়েল সফরের সময় থেকেই মোদি-নেতানিয়াহুর সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘দোস্ত’ বলেও প্রকাশ্যে সম্বোধন করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। ‘বিপ্লবী নেতা’ বলেও সম্বোধন করেছেন। পরের বছর যখন নেতানিয়াহু ভারতে আসেন, তখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছিল ভারত-ইজরায়েল।

    ইজরায়েলের ওপর হামলা

    শনিবার ভোরে আচমকাই ইজরায়েলের (Israel Hamas War) ওপর হামলা চালায় হামাসরা। ঘন ঘন রকেট হামাল চালানো হয় ইহুদিদের দেশে। এর পরেই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল। দু’ পক্ষের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে হাজার দেড়েক মানুষের। জখম হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এমতাবস্থায় ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং ব্রিটেন। ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া তো ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিল আগেই।

    কী বললেন মোদি?

    এহেন আবহে এদিন মোদির কাছে এল নেতানিয়াহুর ফোন। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করে সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ দিয়েছি। জানিয়েছি, এই কঠিন সময়ে ভারতবাসী দৃঢ়ভাবে পাশে রয়েছে ইজরায়েলের। ভারত দ্ব্যর্থহীনভাবে সমস্ত ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করছে।” ভারত যে ইজরায়েলের পাশে রয়েছে এক্স হ্যান্ডেলে তা আগেও জানিয়েছিলেন মোদি।

    তিনি লিখেছিলেন, “ইজরায়েলের ওপর জঙ্গি আক্রমণ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি বিস্মিত। নিরীহ যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারের জন্য আমাদের প্রার্থনা রইল। এই কঠিন সময়ে আমরা ইজরায়েলের পাশে রয়েছি।”

    ভারতকে ফোন করার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ইজরায়েলের (Israel Hamas War) তরফে পোস্ট করা হয়েছে হুঁশিয়ারি দিয়ে। লেখা হয়েছে, “আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে। আমরা আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করব। সন্ত্রাসের সামনে আমরা মাথা নত করব না। যারা নিরপরাধ মানুষের ক্ষতি করছে, তাদের যাতে এর বড় মূল্য চোকাতে হয়, সেটা আমরা নিশ্চিত করব।”

    আরও পড়ুুন: পার্থর পুজো কাটবে জেলেই, বাইরে চিকিৎসার ছাড়পত্র মিললেও অর্পিতাকে থাকতে হবে গারদেই

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Solar Eclipse: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার দিনে দুর্লভ বলয়গ্রাস! জেনে নিন কী করবেন

    Solar Eclipse: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার দিনে দুর্লভ বলয়গ্রাস! জেনে নিন কী করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার সূর্যগ্রহণে তৈরি হচ্ছে বলয়গ্রাস। সূর্যের আলো ঢাকা পড়বে চাঁদে। ১৪ অক্টোবর মহালয়ার দিন হবে একাধিক শুভ সংযোগের পরিসর। এই সূর্যগ্রহণ (Sun Eclipse) হবে অত্যন্ত দুর্লভ সংযোগের সময়। যদিও জ্যোতিষ শাস্ত্রে সূর্যগ্রহণকে অশুভ মনে করা হয়। রাহু এই সময় বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু মহালয়ার এই বলয়গ্রাস দুর্লভ সংযোগ তৈরি হবে। জীবনে আনতে পারে অনেক মঙ্গলময় শুভক্ষণ। এই দুর্লভ মহালয়ার দিনে সূর্যগ্রহণের বিশেষত্ব কেমন হতে পারে, তা দেখে নেওয়া যেতে পারে।

    ১৭৮ বছর পর অমাবস্যায় মহালয়ার সংযোগ (Solar Eclipse)

    সূর্যের বলয়গ্রাস (Solar Eclipse) অত্যন্ত বিরল। সূর্যের মাঝখানে চাঁদের ছায়া পড়লে সূর্যের উজ্জ্বল রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। দেখা যাবে গোল আঙটির মতো। মহালয়ার দিনে সূর্যগ্রহণের সময়, সূর্য এবং বুধ কন্যা রাশিতে অবস্থান করবে। সেই সঙ্গে তৈরি হবে বুধাদিত্য। ১৮৪৫ সালের আশ্বিন মাসে সর্বপিতৃ অমাবস্যায় এবং মহালয়ার তিথিতে সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। আগামী শনিবার মহালয়ার দিনে আবার ১৭৮ বছর পর এই তিথিতে সূর্যগ্রহণ হবে। এই গ্রহণের সময়ে পূর্বপুরুষের উদ্দেশে স্মৃতি-তর্পণ এবং দান করলে পুণ্য সঞ্চয় হয়। সেই সঙ্গে পিতৃপুরুষদের সন্তুষ্টি প্রাপ্তি হয়।

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে

    এই মহালয়ার দিনে সূর্যের বলয়গ্রাস আগামী শনিবার দিন দেখা যাবে। তবে সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে দেখা যাবে না এই সূর্যগ্রহণ। উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে অংশ বিশেষ দেখা যাবে। ১৪ অক্টোবর ভারতীয় সময় অনুসারে রাত্রি ৮ টা ৩৫ মিনিট থেকে শুরু হবে এবং ১৫ অক্টোবর ২ টো ২৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে সূর্যগ্রহণ। তবে সূর্যের আলোর তেমন তীব্রতা না থাকলেও খালি চোখে না তাকানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নাসা এই সূর্য গ্রহণের বিষয়কে সরাসরটি সম্প্রচার করবেন বলে জানা গেছে। ফলে অনেকেই যেকোন জায়গা থেকে সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) দেখার সুযোগ পাবনে।

    যে যে কাজ করলে এই মহালয়ায় সুফল পাওয়া যাবে

    > সূর্যগ্রহণে (Solar Eclipse) দেবতাকে পুজো দিতে পারেন। জলের সঙ্গে কুমকুম মিশিয়ে অর্ঘ্য দিতে পারবেন।

    > বাড়ির আশে পাশে পুকুর, নদীতে নেমে হাতে জল নিয়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে অর্পণ করতে পারবেন।

    > রাশি অনুসারে অন্ন, বস্তু দান করে শুভ ফল মিলবে।

    > ব্রাহ্মণ ভোজন উত্তম ফলপ্রসু হয়।

    > এই তিথিতে অশ্বত্থ গাছ লাগাতে পারেন। বংশ বৃদ্ধি ভালো হবে।

    > শনি অমাবস্যা পালন করলে, শনির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

    > পাত্রে তিলের তেল ভরে নিজের মুখ দেখে শনি মন্দিরে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

    > মন্ত্রজপ করলে শনির প্রকোপ কমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Palestine War: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের জেরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা ইজরায়েলি দূতাবাস, চাবাদ হাউসে

    Israel Palestine War: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের জেরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা ইজরায়েলি দূতাবাস, চাবাদ হাউসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভোরের আলো ভাল করে ফোটার আগেই ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছিল হামাস। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে ইজরায়েলও। পরে ইজরায়েলের তরফে ঘোষণা করা হয় যুদ্ধ (Israel Palestine War)। দু’পক্ষের যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা পেরিয়েছে হাজার দেড়েকের গণ্ডি। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এমতাবস্থায় নয়াদিল্লিতে ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে আঁটোসাঁটো করা হল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজধানীর চাবাদ হাউসেও কঠোর করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    সেন্ট্রাল দিল্লির চাঁদনি চক এলাকায় রয়েছে চাবাদ হাউস। এখানেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ইজরায়েলি দূতাবাস এবং চাবাদ হাউসে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের (Israel Palestine War) পর এ পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৯০০ ইজরায়েলি। জখম হয়েছেন ২ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি। হামাসদের প্রধান ডেরা প্যালেস্তাইনের গাজা অঞ্চল। এই অঞ্চলটি শাসন করে হামাসরাই। এই হামাসদের হামলার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ইজরায়েল।

    কী বললেন নেতানিয়াহু? 

    ইজরায়েলের তরফে হামলা চালানো হয়েছে গাজায়। গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইজরায়েলের হানায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৬৮৭ জন প্যালেস্তিনীয়া নাগরিকের। জখম হয়েছেন ৩ হাজার ৭২৬ জন। হামাসের হামলার জবাব দিতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, “ওরা যুদ্ধ শুরু করেছে, শেষ করব আমরা।” নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা কেবল হামাসদের আঘাত করতে শুরু করেছি। অদূর ভবিষ্যতে আমরা আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে এমন আক্রমণ শানাব, যা মনে রাখবে তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।”

    আরও পড়ুুন: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    হামাস জঙ্গিদের হাতে মারার পাশাপাশি পাতে মারতেও উদ্যোগী হয়েছে ইজরায়েল (Israel Palestine War)। হামাস অধ্যুষিত গাজা ভূখণ্ডে খাবার এবং জ্বালানি পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নেতানিয়াহুর দেশ। গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ করেছে ইজরায়েল। হামাসের মুখপাত্র আবু উবাইদা ভিডিওবার্তায় বলেন, “আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখার খেসারত দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে ইজরায়েলকে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    Jammu and Kashmir: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ানে জঙ্গিদমন অভিযানে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরে সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত দুই লস্কর জঙ্গি খতম হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ সমাজমাধ্যমে এই সংঘর্ষের কথা জানিয়েছে। 

    ভোরেই শুরু হয় অভিযান

    কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) জোন পুলিশ এদিন জানিয়েছে, মৃত ২ জঙ্গির নাম মোরিফত মকবুল ও জাজমিন ফারুখ ওরফে আবরার। দুজনেই লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় কাশ্মীরি পণ্ডিত সঞ্জয় শর্মাকে হত্যার ঘটনায় এই দুই জঙ্গি জড়িত ছিল।পুলিশ সূত্রে খবর, সোপিয়ান জেলার আলশিপোরা এলাকায় জঙ্গিদের আত্মগোপন করার খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নামে। সেনা-পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই জঙ্গিরা গোপন ডেরা থেকে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। দু-পক্ষের গুলির লড়াই চলার সময়ই ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, আরও জঙ্গি আলশিপোরা এলাকায় রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই চলছে।

    আরও পড়ুন: হাতাকাটা জামা পরে পুরীর মন্দিরে প্রবেশ নয়! জানুন কবে থেকে নতুন পোশাকবিধি

    ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ওই ২ জঙ্গি

    কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার ওই দুই জঙ্গি কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ছিল। সেনা ও পুলিশের তালিকায় তারা ছিল ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’। অস্ত্র মজুত করা, নাশকতার পরিকল্পনা করার দায়িত্ব ছিল তাদের উপর। গত বছর, ভূস্বর্গে জঙ্গিদের মোট ২৯টি হামলায় তিন জন কাশ্মীরি পণ্ডিত, রাজস্থানের একজন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এবং আটজন ভিন‌ রাজ্যের বাসিন্দা-সহ মোট ১৮ জন নিহত হন। ওই ঘটনার তিনদিন পরই পুলওয়ামার পাদদামপোরা গ্রামে জঙ্গি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেই অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় সঞ্জয় শর্মা খুনে জড়িত আরও এক জঙ্গি, আকিব মুস্তাক ভাটের। মকবুল ও ফারুক পলাতক ছিল। তাদের খোঁজে সোপিয়ানের নানা জায়গায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল সেনা ও পুলিশ। অবশেষে সাফল্য মিলল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Puri Jagannath Temple:  হাতাকাটা জামা পরে পুরীর মন্দিরে প্রবেশ নয়! জানুন কবে থেকে নতুন পোশাকবিধি

    Puri Jagannath Temple:  হাতাকাটা জামা পরে পুরীর মন্দিরে প্রবেশ নয়! জানুন কবে থেকে নতুন পোশাকবিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেকেই মন্দির-উপযোগী পোশাক পরছেন না। সমুদ্র সৈকতের পোশাক পরেই চলে আসছেন মন্দিরে। এমনটাই দাবি পুরীর জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের।  তাই নতুন পোশাকবিধি আনতে চলেছেন তাঁরা। কোন ধরনের পোশাক পরে পুরীর মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

    কেন চালু পোশাকবিধি

    সেবায়েতদের জন্য আগেই পোশাকবিধি চালু হয়েছিল। এবার ভক্তদের জন্যও পোশাকবিধি (Dress code) চালু করল জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। এই বিধি অনুসারে আর টর্ন জিন্স, বারমুডা, স্লিভলেস পোশাক পরে মন্দিরে (jagannath temple) প্রবেশ করা যাবে না। মন্দিরে প্রবেশের জন্য পরতে হবে সভ্য পোশাক। ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ছেঁড়া জিন্স, হাফ প্যান্ট পরে সমুদ্র সৈকতে ঘোরা যায়, কিন্তু মন্দিরে ওই পোশাক পরে আসা যায় না, অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

    কবে থেকে পোশাকবিধি

    সোমবার পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের নীতি আয়োগ সাব-কমিটির বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই অশালীন পোশাক পরে ভক্তদের মন্দিরে প্রবেশের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তারপরই ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে ভক্তদের জন্য পোশাক বিধি জারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের (SJTA) প্রধান রঞ্জন কুমার দাস বলেন, “মন্দিরের ঐতিহ্য ও পবিত্রতা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। দুর্ভাগ্যবশত, অনেককে অন্যের ধর্মের ভাবাবেগের তোয়াক্কা না করেই মন্দিরে প্রবেশ করেন।” তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর ১ জানুয়ারি থেকেই দর্শনার্থীদের পোশাকের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। কড়া ভাবে সেই নিয়ম যাতে পালন করা হয়, তা নিশ্চিত করবেন কর্তৃপক্ষ। 

    আরও পড়ুন: ন’টি তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দেবীর আরাধনায় ব্রতী সারা মল্লভূমবাসী

    কেমন পোশাক পরতে হবে

    রঞ্জন বলেছেন, ‘‘মন্দিরের পবিত্রতা বজায় রাখা আমাদের কর্তব্য। আজকাল অনেকেই মন্দিরে আসছেন ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা না ভেবেই। হাফ প্যান্ট, হাতাকাটা জামা পরে অনেককে মন্দিরে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। যেন তাঁরা সমুদ্রের ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মন্দির দেবস্থান, কোনও বিনোদনের জায়গা নয়।’’ জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশের জন্য কী ধরনের পোশাক পরতে হবে তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের প্রধান। তিনি জানান, শাড়ি, সালোয়ার কামিজের মতো শালীন পোশাক পরেই মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। কেবল ১২ বছরের নীচে শিশুরা হাফ প্যান্ট পরে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CEC Rajiv Kumar: “সকলের সঙ্গে কথা বলে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন হবে”, জানালেন নির্বাচন কমিশনার

    CEC Rajiv Kumar: “সকলের সঙ্গে কথা বলে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন হবে”, জানালেন নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঠিক সময়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে সকলের সঙ্গে কথা বলে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করা হবে।” কথাগুলি বললেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (CEC Rajiv Kumar)। তবে সেই পক্ষগুলি কারা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা।

    পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন

    সোমবারই বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে পাঁচ রাজ্যে। এই পাঁচটি রাজ্য হল রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, ছত্তিশগড় এবং মিজোরাম। জম্মু-কাশ্মীরের নামোল্লেখ করা হয়নি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যা ইঙ্গিত, তাতে এ বছরও উপত্যকায় নির্বাচন হচ্ছে না। অথচ এ বছরই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ভূস্বর্গে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “উপযুক্ত সময়েই আমরা জানাব, কবে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন হবে। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী ক্যালেন্ডার মেনে হবে ভোট গ্রহণ।”

    জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা

    প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসবাদীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় ২০১৮ সালের জুন মাসে (CEC Rajiv Kumar) রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় জম্মু-কাশ্মীরে। পরের বছর ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দু’টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। পরে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হলে জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘সেচমন্ত্রী থাকাকালীন বন্যা নিয়ন্ত্রণে আরামবাগের জন্য কাজ করতে দেয়নি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    তারপর থেকে কংগ্রেস এবং ভূস্বর্গের বিভিন্ন দল ভূস্বর্গে নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। যদিও কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে অচিরেই হবে বিধানসভা নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের কথায়ও মিলল সেই ইঙ্গিত। এদিকে, সদ্য সমাপ্ত লাদাখ স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদের নির্বাচনে জয় পেয়েছে কংগ্রেস-এনসি জোট। দলের এই ফলের ক্রেডিট কংগ্রেস দিতে চাইছে রাহুল গান্ধীকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ভূস্বর্গে এখনই নির্বাচন চাইছেন ওমর। নির্বাচন দেরিতে হলে অ্যাডভান্টেজ পেতে পারে বিজেপি। সেই কারণেই এখনই নির্বাচনের দাবিতে (CEC Rajiv Kumar) সরব হয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: ফের  তিন রাজ্যে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, কোন আসনে কোন হেভিওয়েট?

    BJP: ফের  তিন রাজ্যে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, কোন আসনে কোন হেভিওয়েট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যে কাঠি পড়ল বিধানসভা নির্বানের ঢাকে। সোমবারই রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, মিজোরাম ও ছত্তিশগড়ে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এদিনই সন্ধ্যায় তিন রাজ্যের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)।

    রাজস্থানে কে কে লড়ছেন?

    রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০০ আসনের রাজস্থান বিধানসভায় এদিন ১৭৯ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ছ’ জন সাংসদকে এখানে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এর মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরও। জয়পুরে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। দিয়া কুমারী লড়ছেন বিদ্যানগর কেন্দ্র থেকে। তিজারা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বাবা বালক নাথ। সাপোত্রা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন হংরাজ মীনা। সওয়াই মাধোপুর থেকে লড়ছেন কিরোদি লাল মিনা।    

    মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে কারা?

    মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় (BJP) আসন রয়েছে ২৩০টি। সবকটি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান প্রার্থী হচ্ছেন বুধনি কেন্দ্র থেকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র লড়বেন দাতিয়া কেন্দ্র থেকে। টিকিট পেয়েছেন গোবিন্দ সিং রাজপুত, গোপাল ভার্গব, রাজেন্দ্র শুক্লা এবং ওমপ্রকাশ সাকলেচাও। ছত্তিশগড় বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। এদিন ৬৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন সাংসদও। রাজনন্দগাঁও কেন্দ্র থেকে লড়বেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং (BJP)।

    আরও পড়ুুন: “মস্তানি নয়, দিনকাল খুব খারাপ”! ‘ছাত্র’দের সতর্কবার্তা বিচারপতির

    এদিন যে পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়,  তেলঙ্গনা এবং মিজোরাম। মধ্যপ্রদেশে নির্বাচন হবে ১৭ নভেম্বর। রাজস্থানে নির্বাচন হবে ২৩ নভেম্বর। ৩০ নভেম্বর নির্বাচন হবে তেলঙ্গনায়। ৭ নভেম্বর নির্বাচন হবে মিজোরামে। এই চার রাজ্যে এক দফায় নির্বাচন হলেও, ছত্তিশগড়ে হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর, পরের দফায় হবে ১৭ নভেম্বর। ভোটমুখী এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে ছত্তীশগড় ও রাজস্থানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। এখানে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই হবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। গত বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের রাশ যায় কংগ্রেসের হাতে। পরে দুই বিধায়ক বিজেপিকে (BJP) সমর্থন করায় রাজ্যের কুর্সিতে বসে বিজেপি। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এ রাজ্যে হতে পারে ত্রিমুখী লড়াই। আর পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে লড়াই হবে মূলত কংগ্রেস বনাম মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির মোকাবিলায় এখনও সেভাবে জোট বাঁধতে পারেনি ‘ইন্ডি’ জোটের সদস্য রাজনৈতিক দলগুলি। এমতাবস্থায় পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2023) দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্ঘণ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট

    যে পাঁচটি রাজ্যে এদিন নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়, তেলঙ্গনা এবং মিজোরাম। এর মধ্যে মিজোরাম বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ডিসেম্বরে। বাকি চারটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে জানুয়ারিতে। মধ্যপ্রদেশে নির্বাচন (Assembly Elections 2023) হবে ১৭ নভেম্বর। রাজস্থানে নির্বাচন হবে ২৩ নভেম্বর। ৩০ নভেম্বর নির্বাচন হবে তেলঙ্গনায়। ৭ নভেম্বর নির্বাচন হবে মিজোরামে। এই চার রাজ্যে এক দফায় নির্বাচন হলেও, ছত্তিশগড়ে হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর, পরের দফায় হবে ১৭ নভেম্বর।

    ফল ঘোষণা কবে?

    পাঁচটি রাজ্যে আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন হলেও, ফল ঘোষণা হবে একই দিনে, ৩ ডিসেম্বর। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে নির্বাচন-পর্ব। আগামী বছর রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলই এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে অ্যাসিড টেস্ট হিসেবেই দেখছে।

    ভোটমুখী এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে ছত্তীশগড় ও রাজস্থানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। এখানে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই হবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। গত বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের রাশ যায় কংগ্রেসের হাতে। পরে দুই বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করায় রাজ্যের কুর্সিতে বসে বিজেপি। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এ রাজ্যে হতে পারে ত্রিমুখী লড়াই। আর পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে লড়াই হবে মূলত কংগ্রেস বনাম মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের।

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    নির্বাচন কমিশনের (Assembly Elections 2023) তরফে জানানো হয়েছে পাঁচ রাজ্যের মোট ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। নতুন ভোটারের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৬.১ কোটি। মোট বুথ ১.৭৭ লক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল ৯১তম এয়ার ফোর্স (IAF Foundation Day) প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এদিন সকালে প্রয়াগরাজের বামরাউলি এয়ারফোর্স স্টেশনে প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে প্যারেড করেন এয়ারফোর্সের সদস্যরা। এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে ৯১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। আমাদের বায়ুযোদ্ধাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। ভারতকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে এঁরা তাৎপর্যপূ্র্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ভারতীয় বায়ুসেনা আজ অদম্য শক্তি। সীমান্ত ছাড়িয়েও ক্ষমতা দেখিয়েছে তারা। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে বায়ুসেনাদের শুভেচ্ছা জানাই।”

    কী বললেন রাজনাথ সিংহ?

    এক্স হ্যান্ডেল বার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ লিখেছেন, “স্টিলের ডানা এবং অন্তর থেকে উঠে আসা সাহসের জেরে ভারতীয় বায়ু সেনা যুদ্ধের সময় দেশের স্বার্থ বজায় রেখে চলেছে। এই পবিত্র অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের সেবা ও বলিদানকে কুর্নিশ করি।”

    যোগীর ট্যুইট-বার্তা 

    ভারতীয় বায়ুসেনাকে (IAF Foundation Day) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহসী সেনানি ও তাঁদের পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমরা সবাই তাঁদের সাহসিকতার সোনালি ইতিহাস সম্পর্কে গর্ববোধ করি। ভারত মাতাই এই সব বীর সন্তানদের জন্ম দিয়েছে। জয় হিন্দ।”

    ১৯৩২ সালের ৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয় ভারতীয় এয়ারফোর্সের। তার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি পালন করে ভারতীয় বায়ু সেনা। পরাধীন ভারতে রয়্যাল এয়ারফোর্সের সমর্থনে গড়া হয়েছিল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রতিষ্ঠা বর্ষের পরের বছরই অপারেশন চালিয়েছিল তারা।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে বায়ুসেনা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকরও। ভিডিও বার্তায় তিনি (IAF Foundation Day) বলেছেন, “ভারতীয় বায়ুসেনার ৯১তম পূর্তি দিবসে আমি বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাই। ভারতীয় বায়ুসেনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই কারণ তারা আমাকে তাদের পোশাক গায়ে চাপানোর সুযোগ দিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit shah: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    Amit shah: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটি দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে হলে প্রয়োজন শক্তপোক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।” শনিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। এদিন দেরাদুনে ৪৯তম অল ইন্ডিয়া পুলিশ সায়েন্স কংগ্রেসের (AIPSC) যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রসঙ্গ জম্মু-কাশ্মীর

    শাহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের তিনটি হটস্পটে নরেন্দ্র মোদির সরকার আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। উত্তর-পূর্বে বামপন্থী অধ্যুষিত এলাকায়ও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে দেশকে সব ক্ষেত্রে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মোদি সরকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এজন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। কিন্তু প্রথমে যেটা প্রয়োজন, সেটা হল আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। অভ্যন্তরীণ ও সীমান্তে নিরাপত্তা বজায় রাখাও প্রয়োজন। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে। এবং এখন যখন অমৃতকাল চলছে, তখন ওই পরিবর্তনগুলি প্রয়োগ করা প্রয়োজন। সেই কারণে পুলিশ সায়েন্স কংগ্রেস খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নয়নের জোয়ার

    শাহ (Amit shah) বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর এই দেশের প্রতিটি ব্যক্তি জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখে স্বস্তির শ্বাস ফেলতে পারেন। তাঁরা এই ভেবে আশ্বস্ত হচ্ছেন যে জম্মু-কাশ্মীর চিরকালের জন্যই ভারতের। একই রকমভাবে বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী অধ্যুষিত এলাকায় গ্রামে গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে উন্নয়নের জোয়ার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে সব রাস্তায়, এলাকায়। উত্তর-পূর্বে শান্তি স্থাপনেও নরেন্দ্র মোদি সরকার সফল।

    আরও পড়ুুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে সিবিআই হানা

    শাহ বলেন, “২০০৪ থেকে ২০১৪ এই ১০ বছরে ১১ হাজার ৯৪৭ জন নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর তার পরের ৯ বছরে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৪০ জনের। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, আগামী পাঁচ বছরে এই সংখ্যাটা আরও কমবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah) বলেন, “আইপিসি, সিআরপিসি অথবা ১৮৬০ সালের এভিডেন্স অ্যাক্টে কোনও পরিবর্তন হয়নি। যে কোনও আইন পঞ্চাশ বছর পর অচল হয়ে যায়। অপরাধের ধরন বদলেছে, অথচ তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো আইন তৈরি হয়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share