Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে (Sikkim Disaster) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এখনও পর্যন্ত যা খবর, মৃতের সংখ্যা ৫৬ হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে সিকিমে। বাকি ৩০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেনা জওয়ান সহ নিখোঁজ আরও শতাধিক।

    মৃত্যু বেড়ে ৫৬, নিখোঁজ শতাধিক

    সিকিম বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) ঘটনার পর তিন দিন কেটে গিয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় পুরোদমে উদ্ধার প্রক্রিয়া চলছে। আর তাতেই বেরিয়ে পড়ছে মৃতদেহগুলি। মূলত তিস্তা নদীর পাড় থেকেই একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে। সিকিমে এ পর্যন্ত ২৬টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে, মংগন জেলা থেকে ৪, গ্যাংটক থেকে ৬, পাকিয়ং থেকে ১৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সাত জওয়ানের দেহ। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের তিস্তা অববাহিকায় ৩০টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকাজ এগোলে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

    ভেসে আসা গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করছে সেনা

    এদিকে, সেনা ছাউনি থেকে হড়পা বানে (Sikkim Disaster) যে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ভেসে গিয়েছে, তা জনসাধারণের হাতে এসে যাওয়ায় নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই, তিস্তার জলের তোড়ে ভেসে আসা মর্টার শেলের বিস্ফোরণে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয় দুই শিশুর। গুরুতর জখম হন ছ’জন। এর পরই, সেনা ও প্রশাসনের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বিস্ফোরক উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করতে তৎপর সেনা। যেখানেই মর্টার শেল বা ওই জাতীয় বিস্ফোরক উদ্ধার করা হচ্ছে, তা সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে।

    ঝুঁকি নিয়ে চলছে উদ্ধারের কাজ

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Sikkim Disaster) তছনছ সিকিম। চারদিকে শুধুই ধ্বংসের ছবি। তার মধ্যেই প্রবল ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েছে সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর টিম। এনডিআরএফ-এর মোট ৮টি টিম সিকিম ও উত্তরবঙ্গে রয়েছে। সিকিমের সিংতাম, গ্যাংটক,  রংপোয় রয়েছে উদ্ধারকারী দল। এছাড়া, জলপাইগুড়ির গাজোলডোবা, ওদলাবাড়ি, মাল ব্লক, কতোয়ালি-সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফ। শুক্রবার থেকেই উত্তর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরাতে এয়ারলিফ্টিং শুরু করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। বিকল্প রাস্তাও খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা চলছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাণনাশের হুমকি-চিঠি পাঠানো হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র কাছে। এর পরই দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি (NIA Alert) করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

    কী বলা হয়েছে হুমকি-ইমেলে?

    ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছুদিন আগে এনআইএ-র কাছে একটি হুমকি-ইমেল পাঠানো হয়। চিঠিতে অবিলম্বে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই-এর মুক্তির দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৫০০ কোটি টাকা দিতে হবে বলেও দাবি করা হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, এটা না করলে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা (Threat to PM Modi) করা হবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশ তথা বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম— আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই ইমেলে (NIA Alert)। 

    হুমকি-চিঠির জেরে সতর্কতা বৃদ্ধি

    হুমকি-চিঠি পাঠানো হয় এনআইএ-র মুম্বই দফতরে। এর পরই সঙ্গে সঙ্গে এনআইএ-র তরফে যোগাযোগ করা হয় মুম্বই পুলিশের সঙ্গে। চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পুলিশকে অবগত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেহেতু জড়িত এবং চিঠিতে যেহেতু তাঁর প্রাণনাশের হুমকি (Threat to PM Modi) দেওয়া হয়েছে, তাই কালক্ষেপ না করে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত সকল গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA Alert)। তাদের পুরো বিষয়টার ‘ব্রিফ’ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুজরাট পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে এআইএ সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

    ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর নিরাপত্তায় জোর

    একইসঙ্গে, ক্রিকেট স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হমকিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে চলছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আর বলা বাহুল্য, নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়াম হল সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। ফলে, যে কোনও ধরনের নাশকতামূলক হামলার চেষ্টা ও তার সম্ভাবনার বিষয়টিকে চূড়ান্ত গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই হুমকি-চিঠি প্রাপ্তির পরই, দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম নয়, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে সহ বিশ্বকাপের সবকটি স্টেডিয়ামের সুরক্ষা-বলয় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। নিরাপত্তাকে আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে (NIA Alert)। 

    চিঠির উৎস কোথায়? খোঁজ করছেন গোয়েন্দারা

    ২০১৪ সাল থেকে জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। তবে, অভিযোগ, জেলের ভিতর থেকেই সে তার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রেখেছে। তার বিরুদ্ধে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালাকে হত্যার মামলা চলছে। মুসওয়ালার উপর হামলার দায় স্বীকার করেছিল বিষ্ণোই। তার আগে, বলিউড তারকা সলমন খানকেও হত্যার হুমকি দিয়েছিল এই গ্যাংস্টার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুমকি চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুস্তানে সব কিছু পাওয়া যায়, এবং তারা সেই সব জিনিস কিনেও ফেলেছে। তাদের দাবি, যতই সুরক্ষা বাড়ানো হোক, কেউ নিস্তার পাবে না। হুমকি-চিঠির (Threat to PM Modi) উৎস খুঁজতে দেশের সবকটি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করছে (NIA Alert)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। আমরা একে সমূলে উৎপাটন করব।” শুক্রবার ট্যুইট-বার্তায় কথাগুলি বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজধানীর বিজ্ঞান ভবনে অতিবামপন্থা দমন নিয়ে এদিন একটি পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শাহ। পরে ট্যুইট-বার্তায় তিনি জানিয়ে দেন, নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। শাহ ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, উপমুখ্যমন্ত্রী দেবন্দ্র ফড়নবীশ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এঁদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী দেবু সিং চৌহান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

    রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ

    বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নকশালবাদী কার্যকলাপ বন্ধ করতে রোডম্যাপ তৈরি করবে কেন্দ্রীয় সরকার (Amit shah)। নকশালবাদীদের দমন করতে এ পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ নকশালবাদ দমনে নজর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। ২০১৫ সালে গ্রহণ করা হয় অতিবামপন্থা দমনে জাতীয় নীতি।

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নে জোর

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়নে একটি কর্মসূচিও গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ১৭ হাজার ৬০০ কিমি দীর্ঘ একটি রাস্তা তৈরির অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টিও। নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় বসানো হয়েছে মোবাইল টাওয়ার। খোলা হয়েছে পোস্টঅফিস, ব্যাঙ্ক এবং এটিএম। এই সব এলাকায় একলব্য মডেলের আবাসিক স্কুল খোলার ওপরও জোর দিয়েছে মোদি সরকার।

    এদিকে, সন্ত্রাসবাদের প্রতি এতটাই নির্দয় মনোভাব নিতে হবে, যাতে দেশে আর নতুন করে কোনও জঙ্গি সংগঠন গড়ে না ওঠে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তৃতীয় সন্ত্রাস-বিরোধী সম্মেলনের উদ্বোধন করতে গিয়ে এই নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনআইএ। সেখানেই সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠিন দাওয়াই প্রয়োগ করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে কয়েকজন সাংবাদিকের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালানোয় (Newsclick) মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন দেশবাসীর একাংশ। তবে তদন্তকারী সংস্থা যে নিছক সন্দেহের বশে ওই সাংবাদিকদের বাড়িতে হানা দেয়নি, তার প্রমাণ মিলেছে দিন দুই আগে। দিল্লি পুলিশের দাবি, “গোপন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, প্রবীর পুরকায়স্থ, নেভিল রায় সিংঘম এবং সিংঘমের মালিকানাধীন সাংহাই ভিত্তিক এক সংস্থার চিনা কর্মচারীর মধ্যে কিছু ইমেল চালাচালি হয়েছিল। সেই ইমেলগুলি থেকে জানা গিয়েছে, কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ নয় বলে দেখাতে চেয়েছিলেন তাঁরা।”

    প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

    প্রসঙ্গত, প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। চিনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে চিন-পন্থী প্রচার করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশের স্পেশাল সেলের দাবি, “এঁদের এই ধরনের প্রচেষ্টা থেকে বোঝা (Newsclick) গিয়েছে, তামাম বিশ্বে তাঁরা কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। ভারতের উত্তর সীমান্তে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা এবং কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের মানচিত্রের অংশ নয় বলে দেখানোর এই চেষ্টা, ভারতের একতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টার শামিল।”

    বিদেশি তহবিল চুরির দাবি পুলিশের

    পুলিশের দাবি, বিদেশি তহবিল চুরি করেছেন প্রবীর ও তাঁর সহযোগীরা। বিদেশি তলবিলের অছিলায় তাঁরা পেয়েছিলেন ১১৫ কোটিরও বেশি টাকা। স্পেশাল সেলের দাবি, ২০১৮ ও ২১ সালের মধ্যে চিনপন্থী এক মার্কিন ধনকুবের চিনের হয়ে প্রচার করার জন্য ২৮.২৯ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। পুলিশের আরও দাবি, গৌতম নাভালাখা নিউজক্লিকের একজন শেয়ারহোল্ডার। তিনি ভারত বিরোধী ও বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। নিষিদ্ধ নকশাল সংগঠনগুলির প্রতি তাঁর সক্রিয় সমর্থন রয়েছে। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট গুলাম নবি ফাইয়ের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    পুলিশের আরও দাবি, কোভিড অতিমারির সময় দেশকে কোভিডমুক্ত করতে (Newsclick) ভারত সরকার যেসব পন্থা অবলম্বন করেছিল, তাকে খাটো করে দেখানোর জন্য মিথ্যে গল্প প্রচার করা হয়েছিল ওই নিউজ পোর্টালে। ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও কারচুপি করার চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্তরা। এজন্য পিপলস অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সেকুলারিজম নামে এক গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তাঁরা। দিল্লি পুলিশ জেনেছে, নেভিল, প্রবীর এবং অমিত চক্রবর্তী (নিউজক্লিকের এইচআর প্রধান) এঁদের একে (Newsclick) অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত পাঁচ বছরে কংগ্রেস সরকার এক কদমও এগোয়নি। এখানে চব্বিশ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে।” ভোটমুখী রাজস্থানে গিয়ে সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে এই ভাষায়ই নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের যোধপুরে সরকারি এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই হাতিয়ার করেন সে রাজ্যের কংগ্রেসের দুর্নীতিকে।

    লাল ডায়েরির প্রসঙ্গ

    তিনি বলেন, “লাল ডায়েরির কথা শুনেছেন? লোকে বলে যে ওই ডায়েরিতে কংগ্রেসের দুর্নীতির সব কথা লেখা রয়েছে। আমাকে বলুন, ডায়েরির গোপনীয়তা কি প্রকাশ্যে আসা উচিত নয়? …অসাধুদের কি শাস্তি দেওয়া উচিত নয়? …কংগ্রেস সরকার কি ডায়েরির গোপনীয়তা প্রকাশ্যে আসতে দেবে? সত্য প্রকাশ্যে আনতে গেলে আপনাদের বিজেপি সরকার গঠন করতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজস্থানের উন্নয়নের জন্য তাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু এখানকার অবস্থা বেদনাদায়ক…দুর্নীতি ও হিংসার ক্ষেত্রে কংগ্রেস রাজস্থানকে দেশের শীর্ষে নিয়ে এসেছে। নারী ও দলিতদের প্রতি অত্যাচারের ক্ষেত্রে রাজস্থানকে এক নম্বরে পরিণত করেছে। কংগ্রেস মাদক ব্যবসাকে ছাড় দিয়েছে।”

    ‘স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়’

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারের কাছে আপনার স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। একদিকে আমরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দিচ্ছি এবং অন্য দিকে আমরা রেকর্ড সংখ্যায় আধুনিক হাসপাতাল তৈরি করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের প্রতি কংগ্রেসের কোনও আগ্রহ নেই। তারা কেবল ভালবাসে ভোটব্যাঙ্ক।” তিনি বলেন, “রাজস্থানকে উন্নয়নশীল দেশের ইঞ্জিন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বিজেপি। পর্যটনে রাজস্থানকে ১ নম্বর রাজ্য করার অঙ্গীকার করছে বিজেপি। বিজেপি যদি রাজস্থানে সরকার গড়ে, তাহলে পর্যটনে রাজ্যটি হবে এক নম্বর।”

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। সরকারি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মোদির ওপর ওঁর অনেক ভরসা রয়েছে। সেজন্য ওঁর মনে হয়েছে, মোদি আসছেন, সব হয়ে যাবে। আমিও ওঁকে বলছি, আপনি বিশ্রাম করুন। এবার আমরা সামলে নেব।”

    আরও পড়ুুন: সাত লক্ষে টাইপিস্ট, ৪ লাখে ড্রাইভার! জানেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির রেট?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’! এক লোনক হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ অবস্থা (Sikkim Disaster)। তিস্তা নদীতে আসা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে সবকিছু (Sikkim Flood Situation)। তছনছ হয়েছে ছবির মতো সুন্দর উত্তর সিকিম। হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। নিখোঁজ শতাধিক। সিকিম যখন এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই আরেকটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘনাচ্ছে এই পাহাড়ি-রাজ্যে। 

    সাকো চো হ্রদ ফাটার আশঙ্কা!

    মঙ্গলবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের লোনক হ্রদের হিমবাহ বিস্ফোরিত হয়ে বানভাসী হয়ে যায় চুংথামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বুধবার ভোরে তিস্তা নদীর জল বেড়ে বানভাসী হয় সংলগ্ন এলাকা। প্রায় দোতলা বাড়ি সমান জল উঠে যায়। ভয়াল তিস্তার গ্রাসে তলিয়ে যান শতাধিক মানুষ (Sikkim Disaster)। এরই মধ্যে উত্তর সিকিমে আরেকটি হ্রদ ফাটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, সিকিমের মানগান জেলায় রয়েছে সাকো চো হ্রদ। সেই হ্রদ ফেটে বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৩ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কা সত্যি হলে সিকিমের বুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

    আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    সরানো হচ্ছে স্থানীয়দের

    জানা গিয়েছে, এই হ্রদটিও হিমাবহের জল থেকে তৈরি। গত কয়েক দিনে এই হ্রদেরও জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, বৃদ্ধি পেয়েছে জলের তাপমাত্রাও। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে আগে থেকেই এই এলাকার বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন (Sikkim Flood Situation)। মাইকিং করে বাসিন্দাদের সরানোর হচ্ছে। গ্যাংটক জেলার সিংটামের গোলিতার এলাকা, মানগন জেলার ডিকচু এলাকা, রংপো আইবিএম এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

    এই মুহূর্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) মধ্যে দিয়ে চলছে সিকিম। মেঘভাঙা বৃষ্টি-হ্রদ ফাটা-হড়পা বান— এই সব মিলিয়ে এখন বিধ্বস্ত এই পার্বত্য রাজ্য। তার ওপর, এখনও কয়েকদিনে সিকিমে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, এখনই যে নিস্তার মিলছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্ক সিকিম প্রশাসন। বন্য-বিধ্বস্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করল সিকিমের শিক্ষা দফতর। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়োং, গ্যাংটক, নামচি ও মঙ্গন জেলার সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পর্যটকদের আসতে মানা সিকিম প্রশাসনের

    সিকিমের মূল আয়ের উৎস হল পর্যটন। ছবির মতো সুন্দর সিকিমে বছরভর পর্যটকদের যাতায়াত। বিশেষ করে, ছুটি বা পুজোর মরশুমে সিকিমে উপচে পড়ে ভিড়। সিকিমজুড়ে থাকে পর্যটকদের ঢল। কিন্তু, বর্তমান সিকিমের পরিস্থিতি (Sikkim Flood Situation) একেবারে উল্টো। পুরো লন্ডভন্ড। তছনছ। বিধ্বস্ত। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সিকিমের পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা সিকিমে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা যেন তা বাতিল করেন। পর্যটকদের জন্য এখন অনুকূল পরিস্থিতি নেই। ছাঙ্গু এবং নাথু লা যাওয়ার উপরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে (Sikkim Disaster)।

    এখনও সাত হাজার পর্যটক আটকে সিকিমে!

    এদিকে, সিকিমে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক (Sikkim Flood Situation)। সূত্রে খবর, সিকিমে এখনও মোট সাত হাজার পর্যটক রয়েছেন যার মধ্যে ২ হাজার পর্যটক বাংলার। যোগাযোগের মূল রাস্তা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ তিস্তার করালগ্রাসে তলিয়ে যাওয়ায় ফিরতে বিস্তর সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। অনেকে এখন গ্যাংটক থেকে রানিপুল, পেডং, লাভা, গোরুবাথান হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তার ওপর উত্তর সিকিমে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগের ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং সহ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের কপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে সেনা পৌঁছে গেছে (Sikkim Disaster)। 

    আরও পড়ুন: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    হেল্পলাইন নম্বর চালু পুলিশ-সেনার

    উত্তর সিকিম এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সেখানে জল বা বিদ্যুতের সরবরাহ নেই। চরম অসহায় অবস্থায় হোটেলে আটকে রয়েছেন পর্যটকরা। মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা যোগাযোগও করতে পারছেন না। আটকে পড়া পর্যটকদের পরিবার-পরিজনদের জন্য হেল্পলাইন চাল করল সিকিম সরকার (Sikkim Disaster)। সিকিম পুলিশের হেল্পলাইনগুলো হল, ০৩৫৯২-২০২৮৯২, ০৩৫৯২-২২১১৫২ এবং ৮০০১৭৬৩৩৮৩। এছাড়াও ০৩৫৯২-২০২০৪২ নম্বরে ফোন করেও সাহায্য পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে হেল্পলাইন চালু করেছে সেনাও। উত্তর সিকিমের বাসিন্দাদের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫০৮৮৭৭৭৪ এবং পূর্ব সিকিমের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫৬৯৯১৮৯৫।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কেশব ভবনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কেশব ভবনে বিক্ষোভ তৃণমূলের, রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান। সংগঠনের কাজে এসেছিলেন কলকাতায়। ছিলেন আরএসএসের দফতর কেশব ভবনে। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বের হেনস্থার প্রতিবাদে রাত ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ দেখানো হয় কেশব ভবনের সামনে। এখানেই তখন ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানো হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রকে।

    কেশব ভবনের সামনে বিক্ষোভ

    সোম ও মঙ্গলবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে ধর্না দেয় তৃণমূল। সেখানে অভিষেক সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় মুখার্জিনগর থানায়। তার জেরে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয় কেশব ভবনের সামনেও। মোহন ভাগবত (যে ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না) যেখানে রয়েছেন, সেই কেশব ভবনে বিক্ষোভের খবর পৌঁছায় কলকাতায় থাকা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকদের কাছে। দ্রুত রিপোর্ট তলব করে অমিত শাহের মন্ত্রক।

    দ্রুত রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সেই নির্দেশে বলা হয়, ওই রাতেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নির্দেশ পেয়ে রাতেই গোয়েন্দা আধিকারিকদের কয়েকজন চলে যান কেশব ভবনে। খতিয়ে দেখেন পরিস্থিতি। কেশব ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁরা যেমন কথা বলেন, তেমনি কথা বলেন রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গেও। রাতেই দিল্লিতে পাঠানো হয় বিস্তারিত রিপোর্ট। উল্লেখ্য, হাতে গোণা য়ে কয়েকজন ভিভিআইপির নিরাপত্তা নিয়ে সর্বদা সতর্ক থাকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, তাঁদেরই একজন হলেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। ওই রাতে ভাগবতের নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা দেখা দিয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে রাতেই তলব করা হয়েছিল রিপোর্ট। 

    আরও পড়ুুন: রাজ্যপালকে ‘পর্যটক’ খোঁচা তৃণমূলের, পাল্টা খেললেন আনন্দ বোস, কী বললেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন ভাগবত। তা সত্ত্বেও কীভাবে মধ্য রাতে কেশব ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিক্ষোভ অথবা হামলা হলে আমরা প্রতিরোধ করব। কোনও বিশৃঙ্খলা হলে তার দায় তৃণমূলের। রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা কিংবা বিক্ষোভ প্রদর্শন রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LPG Cylinder Subsidy: পুজোর আগে ফের সস্তা গ্যাস! উজ্জ্বলা যোজনায় ভর্তুকি বাড়াল কেন্দ্র

    LPG Cylinder Subsidy: পুজোর আগে ফের সস্তা গ্যাস! উজ্জ্বলা যোজনায় ভর্তুকি বাড়াল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবে উপহার স্বরূপ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি ১০০ টাকা বাড়াল। আগে যেখানে ২০০ টাকা ভর্তুকি ছিল, তা এখন বেড়ে হচ্ছে ৩০০ টাকা। তবে এই সুবিধা পাবেন শুধুমাত্র উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় থাকা সাধারণ মানুষ। তাঁদের এলপিজি সিলিন্ডার পিছু দিতে হবে মাত্র ৬০০ টাকা। বুধবার উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাভোগীদের জন্য নতুন ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। 

    গ্যাসের দাম কত কমল

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, নবরাত্রি, দেশজুড়ে উৎসবের মরশুম। বাজারে এখন ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ৯০৩ টাকা। উজ্জ্বলার উপভোক্তাদের সেই সিলিন্ডার কিনতে হত ৭০৩ টাকায়। বুধবারের সিদ্ধান্তের পর তাঁদের সিলিন্ডার প্রতি ৬০৩ টাকা দিতে হবে। তবে মেট্রো শহর ভেদে দামের হেরফের হবে। যেমন, দিল্লিতে যে সিলিন্ডার ৬০৩ টাকায় পাওয়া যাবে, ওই একই সিলিন্ডারের জন্য কলকাতায় গুনতে হবে ৬২৯ টাকা। আবার মুম্বই এবং চেন্নাইতে তার দাম হবে যথাক্রমে ৬০২.৫০ টাকা এবং ৬১৮ টাকা।

    আরও পড়ুন: স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে ডায়াবেটিস! পড়াশোনায় কতখানি প্রভাব ফেলছে?

    কত টাকা ভর্তুকি

    রাখির সময় গৃহস্থের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২০০ টাকা কমানোর পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ৭৫ লক্ষ নতুন গরিব পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় বিনামূল্যে গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে। গত মাসেই তার জন্য ১৬৫০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছিল মন্ত্রিসভা। বুধবার অনুরাগ জানান, ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও ৭৬৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    কারা পেতেন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৬ সালের ১ মে উজ্জ্বলা যোজনা’ চালু করেছিলেন। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে এই প্রকল্পের অধীনে এখনও পর্যন্ত ৯.৬ কোটিরও বেশি এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সংযোগ পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে (শুধুমাত্র মহিলা), সেইসঙ্গে একই পরিবারে অন্য কোনও এলপিজি সংযোগ থাকলে সেই পরিবার এই কানেকশন পাবে না। এই সংযোগ পেতে বিপিএল কার্ডধারক পরিবারের যেকোনও মহিলা আবেদন করতে পারবেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা। নদীর তাণ্ডবে আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। নিখোঁজ ২৩ জওয়ান। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। জলের তোড়ে ভেঙেছে এনএইচ ১০। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিম থেকে দার্জিলিং-শিলিগুড়ির যাতায়াতের রাস্তা। অপরদিকে, সিকিমের চুংথাংয়ের লোনার লেকের প্রাচীর ভেঙে জল ঢুকে পড়েছে গ্রামে। শুধু তিস্তা নয়, রংফু নদীর জলস্তরও বেড়েছে। ধসের কারণে আনুমানিক দু হাজার বাঙালি পর্যটক সিকিমে আটকে রয়েছে, বলে খবর। 

    তিস্তার জলে প্লাবিত সিকিম

    তিস্তায় হড়পা বানের জেরে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গন জেলা। ভেসে গিয়েছে বহু সেতু। জলমগ্ন বাড়িঘর। কিছু জায়গায় জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে বড় বড় বিল্ডিং। কাদাস্রোতের তলায় চাপা পড়ে রয়েছে বহু বসতি, রাস্তাঘাট, সেনাছাউনি। স্বভাবতই তিস্তার ধ্বংসলীলায় কত প্রাণহানি হয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। সূত্রের খবর, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উত্তর সিকিমের বিকচুতে তিন জনের দেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরিস্থিতি জরিপ করে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গনের সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালু করা হয়েছে একাধিক জরুরি পরিষেবার নম্বর। তিস্তার জলস্তর প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তিস্তায় জল বাড়ার প্রভাব গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে পড়ার আশঙ্কা। তিস্তা জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন অংশ দিয়েও বয়ে চলে যায়। সে কারণে পাহাড়ের পাশাপাশি সমতলেও জলের স্রোত বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত

    পুজোয় বাকি আর হাতে গোনা মাত্র ১৬ দিন। এরই মধ্যে ভয়াবহ বিপর্যয় উত্তর সিকিমে। পুজোর সময় সিকিমে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে বহু মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বেড়েছে পর্যটকদের। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলার অন্তত দু’হাজার পর্যটক সিকিমে আটকে পড়েছেন। জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ। ফলে আপাতত অবরুদ্ধ ফেরার পথও। রাজ্য প্রশাসনের তরফে সিকিম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কালিম্পঙ যাওয়ার জন্য লাভা, গোরুবাথান হয়ে ঘুরপথে যেতে হচ্ছে। সেই পথের অবস্থাও ভাল নয়। আটক পর্যটকদের পক্ষ থেকে কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের এয়ারলিফ্‌টিং করে উদ্ধার করার। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share