Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: মণিপুরে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্র-রাজ্যের! মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ, একজনকে চাকরি

    Manipur Violence: মণিপুরে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্র-রাজ্যের! মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ, একজনকে চাকরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে (Manipur Violence) শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ। এই মর্মে যৌথভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল কেন্দ্র ও মণিপুর সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী, মৃতদের পরিবারকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের ১ জনের জন্য চাকরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার।

    পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মণিপুরে অমিত শাহ

    জাতিগত হিংসায় প্রায় এক মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Violence)। এখনও পর্যন্ত এই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮০ জন। আহত বহু। ঘরছাড়া শতাধিক। এই পরিস্থিতিতেই চারদিনের সফরে মণিপুর গিয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয়কুমার ভাল্লা এবং আইবির ডিরেক্টর তপনকুমার ডেকা। সোমবার রাতে ইম্ফলে পা রেখেই পর পর বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এক এক করে মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং, মণিপুরের মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, নিরাপত্তা আধিকারিক এবং রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। বৈঠক করেন রাজ্যপালের সঙ্গেও। 

    আরও পড়ুন: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?

    অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মণিপুরে দ্রুত শান্তি (Manipur Violence) এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা হবে। এই জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে। এর পরই, এই প্যাকেজের সিদ্ধান্ত করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে রাজ্যের তরফে, বাকি ৫ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র। একই সঙ্গে সংঘর্ষে মৃতদের পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। 

    পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের জন্য চাল, ডাল, রান্নার গ্যাসের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মজুত রাখার নির্দেশ সরকারকে দিয়েছেন অমিত শাহ। শাহের বৈঠকে এ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পেট্রল, রান্নার গ্যাস, চাল এবং অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের জোগান বৃদ্ধি করা হবে। যাতে অভাবজনিত মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতি ঠেকানো যায় (Manipur Violence)।

  • PM Modi: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    PM Modi: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ভারতের অন্যতম ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষায়, ‘‘৯ বছরে কৃষকদের রোজগার অনেকটাই বেড়েছে। পাশাপাশি চাষের খরচও কমানো গেছে। আধুনিক উন্নত মানের সুবিধা কৃষকদের প্রদান করা হয়েছে। বীজ বপন থেকে ফসলকে বাজারে রফতানি করা পর্যন্ত সরকার সব সময় কৃষকদের পাশে রয়েছে।’’ বিগত ৯ বছরের মোদি সরকারের আমলে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে কৃষি ক্ষেত্রে। জনপ্রিয় হয়েছে ‘‘বীজ সে বাজার তক’’ স্লোগান। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে মোদি সরকার বিগত ইউপিএ সরকারের থেকে অনেক বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। এই প্রকল্পে কৃষকরা আগের থেকে বেশি টাকা পাচ্ছেন। তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা করে পাঠানো হয়ে থাকে এই প্রকল্পে। এছাড়াও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ক্ষতির হাত থেকে কৃষিকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মতো বিমাও চালু করেছে সরকার। খরা, বন্যা, অতি বৃষ্টি এসবই এর মধ্যে পড়ছে। পাশাপাশি, জল সেচের জন্যও আগের থেকে বেশি অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। এর ফলাফল আমাদের সকলের চোখের সামনে। লকডাউনের সময় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড তৈরি হয়েছে দেশে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য যা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়েও বেশি খাদ্য উৎপাদন করতে সমর্থ হয়েছে দেশের কৃষি ক্ষেত্র। শুধুমাত্র খাদ্য উৎপাদন ক্ষেত্রেই নয়, মৎস্য চাষ থেকে শুরু করে ফরেস্টি, হর্টিকালচার সব ক্ষেত্রেই কৃষকদের রোজগার বেড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দুগ্ধ উৎপাদন ক্ষেত্রেও রোজগার অনেকটাই বৃদ্ধি হয়েছে। সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৮ কোটিরও বেশি মানুষ এই পেশার সঙ্গে।

    সারা বিশ্বে দুগ্ধ উৎপাদনে প্রথম ভারতবর্ষ, মাছ-ডিমে তৃতীয়  

    ভারতবর্ষ সারা বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে দুধ উৎপাদনে। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে ডিম উৎপাদনে। মাছ উৎপাদনে তৃতীয় এবং মাংস উৎপাদনে অষ্টম স্থান অধিকার করে। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ ঘোষণা করেছে ২০২৩ সাল হল আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ। জোয়ার, ভুট্টা জাতীয় খাদ্যশস্যগুলিকে মিলেট জাতীয় শস্য বলে। এই শস্য যে কোনও প্রতিকূল পরিবেশেও চাষ করা যায় এবং অনুর্বর জমিতেও স্বাচ্ছন্দ্যে হয়। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলছেন, ‘‘মিলেট ক্রেতাদের জন্যও ভালো। চাষ করতেও সুবিধাজনক। আবার যে কোনও জলবায়ুতেও চাষ করা যায়।’’ কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্ব দেওয়াতে, মিলেট জাতীয় খাদ্যশস্যর উৎপাদনও বেড়েছে দেশে।

    জৈব চাষে গুরুত্ব

    অন্যদিকে দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, তাঁরা যেন জৈব চাষ করেন। প্রাকৃতিক চাষের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সারা দেশের পঞ্চায়েতগুলির সহযোগিতায় জৈব চাষকে বাস্তবায়িত করা হবে। এনিয়ে নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেহেতু কোনও কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না, তাই এই চাষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। বিনিয়োগও এখানে কম হয়, যার ফলে লভ্যাংশের পরিমাণটাও বেশি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত নয় বছরে ভারতবর্ষের কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত দিক থেকে ব্যাপক উন্নয়নের জোয়ার এসেছে এবং বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিকভাবে চাষাবাদ করার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, ভারতীয় কৃষকরা শুধুমাত্র দেশের জন্যই খাদ্যশস্য উৎপাদন করেন না, বরং উৎপাদিত পণ্য সারা বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয়।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ৯ বছরে কৃষি ক্ষেত্রে কী কী উন্নয়ন হয়েছে?

    ১) ইউপিএ জমানার সাপেক্ষে পাঁচ থেকে সাত গুণ বেশি বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে কৃষিক্ষেত্রে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে যেখানে ২১,৯৩৩ কোটি টাকার কৃষি বাজেট হত, সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মোদি সরকারের জমানায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকার কৃষি বাজেট মঞ্জুর করা হয়েছে।

    ২) কৃষিক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    ৩) পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে ১১ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার উপভোক্তা।

    ৪) Soil Health Card বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ২৩ কোটি।

    ৫) পরিসংখ্যান বলছে, বাসমতি চাল ছাড়া অন্যান্য যে চালগুলি বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হত, ইউপিএ জমানার থেকে তার বিক্রি বেড়েছে ১০৯.৭ শতাংশ।

    ৬) ২০ লক্ষ কোটি টাকা কৃষি ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে 

    ৭) ২০২১-২২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সারের ক্ষেত্রে ভর্তুকি বাড়ানো হয়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। 

    ৮) ফসল বিমা যোজনায় বরাদ্দ করা হয়েছে ১.৩৩ লক্ষ কোটি টাকা।

    ৯) ২০২১ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত জল সেচ প্রকল্পে ৯৩ হাজার ৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার।

    ১০) গমের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ২০০৬ থেকে ২০১৪ অবধি যেখানে দেওয়া হয়েছে ২.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত এর পরিমাণ ৪.৫২ লক্ষ কোটি টাকা।

    ১১) ধানের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ২০০৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সহায়ক মূল্য প্রদান করা হয়েছিল ৩.০৯ লক্ষ কোটি টাকা, সেখানে ২০১৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত এর পরিমাণ ১০.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা।

    ১২) কৃষকের জমিতে সোলার প্যানেল বসানোর কাজও শুরু হয়েছে। যাতে তাঁদের রোজকার বাড়তে পারে বিভিন্নভাবে। গত ন’ বছরে দ্বিগুণ মধু বিদেশে রফতানি করা গেছে।

     

     

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    Amit Shah: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপজাতি সংঘর্ষের আগুনে এখনও জ্বলছে মণিপুর। তার মধ্যেই অশান্ত রাজ্যে চারদিনের সফরে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী ইম্ফলে পৌঁছেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আগামী ক’দিন গোটা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার মণিপুরে পা রেখেই পর পর বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একটা বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে। পাশাপাশি বৈঠক করেন মন্ত্রিসভার সকল সদস্যদের সঙ্গেও। এছাড়া, সোমবারই অমিত শাহ পরিস্থিতি নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা সারেন রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকের সঙ্গেও। পৃথক বৈঠক করেন মণিপুর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান তপন ডেকার সঙ্গে। একইসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংয়ের সঙ্গেও।

    লক্ষ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা

    সূত্রের খবর, আজ মঙ্গলবার, সেনার সঙ্গে বৈঠক করার কথা অমিত শাহের (Amit Shah)। পাশাপাশি, জনজাতি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন তিনি। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব পক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমাধান সূত্র বের করার চেষ্টা হতে পারে। আহতদের দেখতে হাসপাতালেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বুধবার তিনি এ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে পারেন বলেও মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইম্ফল ছেড়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর। অমিত শাহের এই সফরে তাঁর সঙ্গী রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা। অশান্ত মণিপুরে গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন চিফ অফ ডিফেন্স জেনারেল অনিল চৌহানও। প্রতিনিয়ত সামরিক কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সম্প্রতি, মণিপুরে এসেছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। 

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন

    এখনও অগ্নিগর্ভ মণিপুর

    মে মাসের শুরু থেকেই অগ্নিগর্ভ মণিপুর। দুই জনজাতি সংগঠন— মৈতেই ও কুকিদের মধ্যে সংঘাত থেকে ভয়াবহ হিংসা বাঁধে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। তার জেরে ইতিমধ্যেই ৭৫ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। ঘরছাড়া অনেকে। এরই মধ্যে অভিযোগ ওঠে, জঙ্গিরা অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। এর পরই সেনা অভিযানে নামে। প্রায় বিগত ৪ দিনে ৪০ জন সশস্ত্র কুকি জঙ্গিকে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আর এরপরই ফের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সেই রাজ্যে। শনিবার থেকে সেই রাজ্যে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের ঠিক আগে রবিবার নতুন করে হিংসার আগুনে জ্বলে মণিপুর। এক পুলিশকর্মী সহ ৫ জনের মৃত্যু হয়। সোমবারও দিনভর গুলির লড়াই এবং অশান্তি হয় মণিপুরের একাধিক এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি নিশানায় হিন্দু! এবার হত্যা ভিন রাজ্যের সার্কাস কর্মীকে

    Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে ফের জঙ্গি নিশানায় হিন্দু! এবার হত্যা ভিন রাজ্যের সার্কাস কর্মীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরে জঙ্গিদের শিকার হল হিন্দুরা। এবার জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সার্কাসকর্মীর (Circus Performer)। জম্মু-কাশ্মীরের (Jaamu & Kashmir) অনন্তনাগ (Anantnag) জেলায় সোমবার রাতের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

    জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি

    পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম দীপক কুমার। বাবার নাম মাসুক কুমার। উধমপুরের বাসিন্দা দীপক একটি সার্কাসদলে কাজ করতেন। তাঁকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। জানা গেছে, অনন্তনাগের (Jammu And Kashmir) একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সামনে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, পর পর গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকেরা জানান, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ঘটনার পরই এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশিও শুরু হয়েছে।  যদিও মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জঙ্গিদের হদিশ মেলেনি। 

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন

    এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের নেতা ফারুক আবদুল্লা এবং ওমর আবদুল্লা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি শ্রীনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জি-২০ বৈঠক। সেই বৈঠকের আগে থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করে। যদিও বাঠক নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে। গত বছর মে মাসে বেশ কয়েক জন সাধারণ নাগরিককে খুনের ঘটনা ঘটে কাশ্মীরে। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন আবার কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের। কুলগামে বিনয় কুমার নামে এক ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগে কুলগামের স্কুলে ঢুকে শিক্ষিকাকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। বিহারের কয়েকজন শ্রমিককেও গুলি করে খুন করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vaishno Devi: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন

    Vaishno Devi: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন ১০ পুণ্যার্থী৷ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭ জন। মঙ্গলবার সকালে তীর্থযাত্রীদের ভিড়ে ঠাসা বাস সেতু থেকে খাদে পড়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, বাসে অন্তত ৭৫ জন যাত্রী ছিলেন। অমৃতসর থেকে কাটরার উদ্দেশে যাচ্ছিল সেই বাসটি। ঝাজ্জর কোটলি গ্রামের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। বাসের মধ্যে পুণ্যার্থীরা বেশিরভাগই বিহারের বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় যাত্রীদের জম্মুর সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। বাসে অনেক মহিলা এবং শিশুও ছিল। মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। 

    অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে দুর্ঘটনা

    জম্মু পুলিশের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট চন্দন কোহলি জানিয়েছেন, ‘‘দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ৫৭ জন। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি উদ্ধারকাজে সাহায্য করেছেন স্থানীয় মানুষও।’’ বাসটিতে অত্যন্ত ভিড় ছিল বলেও জানান তিনি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের ধারণা, অত্যধিক ভিড়ে চালক বাসটির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি, এটাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে।

    আরও পড়ুন: পদস্খলন! ছয়ের দশকে মাথাপিছু আয়ে শীর্ষে ছিল বাংলা, এখন কোথায় জানেন?

    রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলায় দুর্ঘটনা

    অন্যদিকে রাজস্থানের (Rajasthan) ঝুনঝুনু জেলায় পাহাড়ের উপর অবস্থিত মনসা মাতা মন্দির থেকে ফেরার পথে খাদে পড়ে যায় যাত্রীবোঝাই একটি ট্রাক্টর ট্রলি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জনের। যার মধ্যে ৬ মহিলা ও ২ শিশু। এছাড়া গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২৬ জন। সোমবার রাতে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল (PMNRF) থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণেরও ঘোষণা করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Love Jihad: ২০ বার ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন হিন্দু কিশোরীকে! ধৃত মুসলিম যুবক

    Love Jihad: ২০ বার ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন হিন্দু কিশোরীকে! ধৃত মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘লাভ জিহাদের’ (Love Jihad) ছায়া! ফের একবার মুসলিম যুবকের হাতে অকালে মৃত্যু হল হিন্দু কিশোরীর। এবার ঘটনাস্থল দিল্লির রোহিণী শাহবাদ ডেয়ারি এলাকা। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে হিন্দু কিশোরীকে জনসমক্ষে রাস্তায় ফেলে পর পর ছুরির কোপ, পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগ উঠল মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে সেই হাড়হিম করা দৃশ্য। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছিল সাক্ষী সিং নামে ১৬ বছর বয়সি ওই কিশোরী। পথ আটকে আচমকা কিশোরীর ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় পেশায় ফ্রিজ মেকানিক বছর কুড়ির সাহিল। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, পর পর ছুরির কোপ পড়ছে কিশোরীর শরীরে। কিশোরীকে অন্তত ২০ বার ছুরির কোপ মারে সাহিল। এতেই থেমে থাকেনি। হাড় হিম করা ঘটনার এখনও বাকি ছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পাশে পড়ে থাকা কংক্রিটের স্ল্যাব দিয়ে একাধিকবার কিশোরীর মাথা থেঁতলে দেয় সাহিল। গোটা ঘটনা ধরা পড়েছে সিসিটিভিতে। সবচেয়ে বড় কথা, যখন সাহিল এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে, তখন তার পাশ দিয়ে একাধিক পথচারীকে দেখা যাচ্ছে হেঁটে চলে যেতে। কিন্তু কেউ যুবককে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি। হত্যা করে সাহিলকে দেখা যায় সেখান থেকে হেঁটে চলে যেতে। ঘটনার অনেক পরে, পুলিশের এক ইনফর্মার ফোন করে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ততক্ষণে ৪৫ মিনিট পার হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণের প্রয়াস! শাহজাহানপুরে খুন অন্তঃসত্ত্বা হিন্দু মহিলা, ধৃত ২

    কী করে ধরা পড়ল সাহিল?

    দিল্লি পুলিশের দাবি, ১৬ বছরের ওই কিশোরীর সঙ্গে সাহিলের প্রেমের সম্পর্ক (Love Jihad) গড়ে উঠেছিল। তার আগের দিনও দুজনের মধ্যে না কি বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল। জানা যায়, খুন করার পরই গা ঢাকা দেয় সাহিল। নিজের ফোন সুইচ অফ করে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে থেকে বাসে উঠে সাহিল চলে যায় উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। সেখানে গিয়ে পিসির বাড়িতে ওঠে সে। ঘটনাচক্রে, পিসি একবার সাহিলের ফোন থেকেই তার বাবাকে ফোন করে জানায় যে সাহিল আচমকা তাঁর বাড়িতে এসেছে। পুলিশ ফোনের ওপর নজর রাখছিল। সঙ্গে সঙ্গে সাহিলের লোকেশন পেয়ে যায় তারা। ফোর্স রওনা দেয়। পিসির বাড়ি থেকেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়। 

    ‘লাভ জিহাদ’ তত্ত্বে সরব বিজেপি

    এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। দিল্লির বিজেপি প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব বলছেন, ‘‘হিন্দু মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সাহিল, শাহবাদ ডেয়ারি এলাকার এই ঘটনা ফের একবার লাভ জিহাদের (Love Jihad) ছবি তুলে ধরল যা দিল্লিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।’’ দিল্লির বিজেপি প্রধান ট্যুইটে দাবি করেছেন, ‘‘গ্রেফতার হওয়া মুসলিম খুনি সাহিলের হাতে বাঁধা লাল ধাগা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে, আর সে লাভ জিহাদ গ্যাংয়ের সদস্য।’’ বীরেন্দ্রর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সংখ্যালঘু ভোট হারানোর ভয়ে এই খুনকে ‘সাধারণ’ খুন বলে বর্ণনা করছেন, এটিকে ‘লাভ জেহাদ’ বলছেন না।  

    আরেক বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রও ট্যুইটারে সাহিলের কব্জিতে লাল ধাগা বাঁধাকে উল্লেখ করে দাবি করেন, এটা প্রমাণ করে হিন্দু সেজে সাক্ষীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে সাহিল। তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখন স্পষ্ট। গোটা বিষয়টিকে তিনিও ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) বলেই উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, কে বা কারা এই সাহিলদের মদত দিচ্ছে, তা বের করা প্রয়োজন।

    দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল সিসিটিভি ফুটেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে লেখেন, ‘‘দিল্লিতে এই ধরনের আসামীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে৷ পুলিশের কাছে নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “এই ঘটনা সমস্ত সীমা অতিক্রম করে দিয়েছে৷ আমি আমার এত বছরের কেরিয়ারে এর চেয়ে ভয়ঙ্কর কিছু দেখিনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বারের জন্য তিনি জিতে আসেন ২০১৯ সালে। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ক্ষমতায় আসার পরপরই দারিদ্রতা দূরীকরণে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখা গেছে দেশজুড়ে। একসময় ‘গরিবি হঠাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনে বাজিমাত করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেসের জমানায় সেই স্লোগান নিছকই ফাঁকা আওয়াজ ছিল। তাই তো রাজীব গান্ধীকে পর্যন্ত বলতে হয়েছিল, ‘‘আমি ১ টাকা পাঠালে মানুষের কাছে পৌঁছায় ১৫ পয়সা।’’ অর্থাৎ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্নীতির কথা তখন তাদের প্রধানমন্ত্রীকেও স্বীকার করতে হয়েছিল।

    চিত্র বদলাতে থাকে ২০১৪ সাল থেকে। অনেকেই মনে করেন, আজ দারিদ্রতা দূরীকরণের একাধিক কর্মসূচির বাস্তবায়নের সাক্ষী ভারতবাসী। ২০২৩ সালে ৯ বছর সম্পূর্ণ করল মোদি সরকার (PM Modi)। বিগত ৯ বছরে একাধিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়েছে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য। যেমন মুদ্রা যোজনা, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া এসবই সারা দেশে বেকারদের মধ্যে কর্মসংস্থানের স্রোত তৈরি করতে পেরেছে, এমনটাই বলছেন অর্থনীতিকরা। জানা গিয়েছে, এখনও অবধি মুদ্রা যোজনার আওতায় ৪০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে পিছিয়ে পড়া তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি উদ্যোক্তাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে তুলে আনার জন্য এটি মোদি সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে বিপদ সঙ্কুল নর্দমা এবং সেফটি ট্যাংকগুলি পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানকে কাজে লাগানো হয়েছে, যাতে মানুষের জীবনের ঝুঁকি কমে এবং সাফাই কর্মীরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারেন। জনজাতি সমাজকে সম্মান জানাতে নভেম্বরের ১৫ তারিখ ভগবান বীরসা মুন্ডার জয়ন্তীকে জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে মোদি (PM Modi) সরকার। ‘ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডিং’-এর একটি সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, মোদি সরকার দেশের চরম দারিদ্রতাকে মেটাতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ‘মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রভার্টি ইনডেক্স’ যা প্রকাশ করে ‘ইউনাইটেড নেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ তাদের মতে, মোদি সরকার দারিদ্রতা দূরীকরণের দশটি ধাপই পার করতে সক্ষম হয়েছে। মোদি সরকারের অন্যতম নীতি হল ‘অন্ত্যোদয়’, যার অর্থ সমাজের সব থেকে পিছনে থাকা ব্যক্তিটির কাছে যতক্ষণ না পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছাতে পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিকাশকে সম্পূর্ণ বলা যাবে না।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত ৯ বছরে দারিদ্রতা দূরীকরণে মোদি সরকারের কিছু সাফল্য

    ১) ৮০ কোটি মানুষ করোনার সময় থেকে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন।

    ২) ১১.৮৮ কোটি মানুষের ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে মোদি সরকার।

    ৩) প্রায় ৪ কোটি গরিব মানুষকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে।

    ৪) ১১.৭২ কোটি মানুষের গৃহে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে শৌচালয় স্থাপন করা গেছে।

    ৫) ৩৪.৪৫ লক্ষ ফুটপাথ ব্যবসায়ীকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে PM SVANidhi যোজনার মাধ্যমে।

    ৬) ৩৯.৬৫ কোটি টাকার ঋণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।

    ৭) পিছিয়ে পড়া জনজাতি সমাজের জাতীয় কমিশনগুলিকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

    ৮) লকডাউনের সময় ২০ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছানো হয়েছে।

    ৯) ৭,৩৫১ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে তফশিলি জাতি এবং তফশিলি উপজাতি সমাজের মানুষকে, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে।

    ১০) কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমানে ৬০ শতাংশ মন্ত্রীই হলেন তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি সমাজভুক্ত।

    ১১) দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয় আগের চেয়ে পাঁচগুণ স্থাপন করা হয়েছে সারা দেশে।

    ১২) ৪৮.২৭ কোটি ভারতীয়র জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

    ১৩) ২৯.৭৫ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৪) ১৩.৫৩ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী জীবনজ্যোতি বিমার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৫) ৩৭ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    ১৬) ২.৮৬ কোটি মানুষের বাড়িতে সৌভাগ্য যোজনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়েছে।

    ১৭) ৯.৬ কোটি মানুষকে উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে এলপিজি গ্যাস কানেকশন দেওয়া হয়েছে।

    ১৮) ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের জন্য ‘দ্য ট্রান্সজেন্ডার পার্সন অ্যাক্ট ২০১৯’ পাশ করা হয়েছে।

    ১৯) ড্রাগের ছায়া থেকে সমাজকে বাঁচাতে, নেশামুক্ত ভারত অভিযান করা হয়েছে।

    ২০) ২৮.৮৫ কোটি অসংগঠিত শ্রমিকদের পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

    ২১) প্রধানমন্ত্রীর শ্রমযোগী মানধন পেনশন যোজনার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রে ৪৯ .২৯ লক্ষ শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা তাঁদের ৬০ বছর বয়স হলে তিন হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন।

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Akhand Bharat: ইতিহাসে প্রথম! নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে অখণ্ড ভারতের ভাস্কর্য

    Akhand Bharat: ইতিহাসে প্রথম! নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে অখণ্ড ভারতের ভাস্কর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া সংসদ ভবনের দেওয়ালে স্থাপন করা হল অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ম্যুরাল। এ বিষয়ে সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, ‘‘আমাদের সংকল্প খুব পরিষ্কার এবং তা হল অখণ্ড ভারত।’’ 

    কী রয়েছে অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ম্যুরালে?

    প্রাচীন ভারতের নানা জনপদ চিহ্নিত করা রয়েছে ওই ম্যুরালে। তক্ষশীলাও রয়েছে, যা বর্তমানে পাকিস্তানের অংশ। রয়েছে গান্ধারও, যা বর্তমানে আফগানিস্তানের অংশ। বর্তমান নাম কান্দাহার। বিশেষজ্ঞদের মতে, অখণ্ড ভারতের ভাবনার প্রতিফলন ভারতীয় সংসদে এই প্রথম দেখা গেল। ইতিহাস বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতীয় সংস্কৃতি বা স্বাধীনতা সংগ্রাম-কোনও কিছুই অখণ্ড ভারতকে বাদ দিয়ে হয় না। লাহোরে ভগৎ সিং-এর মামলা হোক, চট্টগ্রামে মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, অথবা তক্ষশীলায় চাণক্যের পাঠদান-সমস্ত কিছুই ভারতের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে বিদেশি শাসকের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘটনাগুলিকেও স্মরণ করায়।

    আরও পড়ুন: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি 

    ট্যুইট কর্নাটক বিজেপিরও

    এনিয়ে ট্যুইট করেছে কর্ণাটক বিজেপিও। তারা লিখছে, ‘‘এটা আমাদের গর্ব, আমাদের প্রাচীন সভ্যতার প্রতীক।’’

    অখণ্ড ভারত (Akhand Bharat) ভৌগোলিক ধারণা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অখণ্ড ভারতের (Akhand Bharat) ধারণা একটা ভৌগোলিক ধারণা, যেখানে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার এবং তাইল্যান্ড আসে। প্রসঙ্গত, রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন এবং তিনি বলেন, ‘‘এই সংসদ ভবন হল ১৪০ কোটি দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার সঙ্গে তিনি এও বলেন, ‘‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত।’’

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Guwahati-NJP Vande Bharat: বাংলার তৃতীয়! গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    Guwahati-NJP Vande Bharat: বাংলার তৃতীয়! গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব ভারত পেল প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সোমবার দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Guwahati-NJP Vande Bharat) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এর ফলে, পশ্চিমবঙ্গ পেল তার তৃতীয় বন্দে ভারত। এর আগে প্রথমে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি ও পরে পুরী-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেয়েছে বাংলা।

    এদিন দুপুর ১২টা মিনিটে দিল্লি থেকে পতাকা নাড়িয়ে গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নতুন করে ১৮২ কিমি বৈদ্যুতিকীকরণ সেকশনের পাশাপাশি অসমের লামডিঙে নব নির্মিত ডেমু/মেমু শেডেরও উদ্বোধন করেন। এই উপলক্ষে মোদি ট্যুইটারে লেখেন, অসম সহ গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে আজকের দিন গুরুত্বপূর্ণ। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ফলে মানুষের জীবন আরও সহজ হবে। একইসঙ্গে এই রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রও উপকৃত হবে।

     

    কখন ছাড়বে? গন্তব্যে পৌঁছবে কখন?

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনটি দুটি স্টেশনের মধ্যে মোট ৪১১ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে। ট্রেনের সূচিও ঘোষণা করেছে রেল। ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে সকাল ৬টা ১০ মিনিটে যাত্রা করবে। গুয়াহাটি পৌঁছবে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে। এর পরে এই ট্রেনটি গুয়াহাটি থেকে বিকাল ৪টে ৩০ মিনিটে ছাড়বে এবং প্রায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে যাত্রীদের নিউ জলপাইগুড়িতে পৌঁছবে। অর্থাৎ সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ৪১১ কিমি অতিক্রম করবে আপ ও ডাউন এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। আগামী বুধবার, ৩১ মে থেকে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করবে গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Guwahati-NJP Vande Bharat)।

    আরও পড়ুন: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বন্দে ভারত! ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি

    কোন কোন স্টেশনে স্টপেজ?

    জানা গিয়েছে, গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি (Guwahati-NJP Vande Bharat) অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটান, কামরূপ রুরাল, নলবাড়ি, বরপেটা, চিরাং, কোকরাঝাড় জেলা ও উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, নিউ কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা হয়ে অতিক্রম করবে। ৫টি স্টেশনে থামবে ট্রেনটি। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে রওনা দিয়ে ট্রেনটি প্রথম স্টপেজ দেবে নিউ কোচবিহারে। তারপর নিউ আলিপুরদুয়ার, কোকড়াঝাড়, নিউ বঙ্গাইগাঁও এবং কামাখ্যায় থামবে। তারপর সোজা পৌঁছে যাবে গুয়াহাটি। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহে ৬ দিন চলবে বন্দে ভারত ট্রেন।

    কত ভাড়া হতে পারে?

    এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Guwahati-NJP Vande Bharat) মোট ৮ টি কামরা থাকছে। যার মধ্যে ১টি এক্সিকিউটিভ ক্লাস এবং ৫টি চেয়ার কার থাকবে। চেয়ার কারে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গুয়াহাটির ভাড়া ৭৮৮ টাকা। এগ্‌জ়িকিউটিভ ক্লাসে ১৬১২ টাকা। তবে, এর সঙ্গে কেটারিং চার্জ ধার্য করা হবে। জানা গিয়েছে, গুয়াহাটি গামী সকালের ট্রেনে চা-জলখাবারের চার্জ ধরা হবে। অন্যদিকে, নিউ জলপাইগুড়িগামী ফিরতি ট্রেনে নৈশভোজের চার্জ ধার্য করা হবে। ফলে, এই টিকিটের দাম বেশি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Conversion: ধর্মান্তরণের প্রয়াস! শাহজাহানপুরে খুন অন্তঃসত্ত্বা হিন্দু মহিলা, ধৃত ২

    Conversion: ধর্মান্তরণের প্রয়াস! শাহজাহানপুরে খুন অন্তঃসত্ত্বা হিন্দু মহিলা, ধৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) লাভ জিহাদের (Love Jihad) ছায়া! লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা এক অন্তঃসত্ত্বা হিন্দু মহিলাকে জোর করে ধর্মান্তরণ (Conversion) ও  খুন করার অভিযোগ উঠল এক যুবক-সহ তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে। ওই যুবক ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একজন পলাতক। তার খোঁজ চলছে। 

    ফের ধর্মান্তরের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি (lakhimpur kheri) জেলার শাহজাহানপুরে (Shahjahanpur)। অভিযুক্তের নাম নাভেদ। সীমা গৌতম (২৪) নামে ওই মহিলার সঙ্গে গত দেড় বছর ধরে লিভ-ইন (Conversion) করছিল নাভেদ। লখিমপুর খেরির রোজা এলাকায়, মুস্তাকিম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থাকত নাভেদ ও সীমা। গত শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ সীমাকে নিয়ে ওই জেলার একটি হাসপাতালে যান নাভেদ ও ফারহান। দুজনেই হাসপাতালে ভর্তির সময় কর্তৃপক্ষকে বলেছিল যে মহিলা নাভেদের স্ত্রী জোয়া সিদ্দিকি। ফারহান, নাভেদের বন্ধু। এরপর সীমাকে দেখে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। সীমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পুলিশ আসার আগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় নাভেদ ও ফারহান।

    আরও পড়ুন: বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী

    পরিবারের অভিযোগ

    সীমার ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। নাভেদ ও ফারহানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সুপার এস আনন্দ জানিয়েছেন, মহিলার ভাইয়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে, নাভেদ, মুস্তাকিম এবং ফারহানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, তফশিলি জাতি/তফশিলি উপজাতি আইন এবং উত্তরপ্রদেশের বেআইনি ধর্মান্তর আইনের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রথমে ভালবাসার নাটক করে পরে সীমার ধর্ম পরিবর্তন (Conversion) করার চেষ্টা করে নাভেদ। মুস্তাকিমের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ক্রমাগত তাঁকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের আগে ফের উত্তপ্ত মণিপুর! হিংসায় নিহত ৫

    সীমার ভাইয়ের অভিযোগ, তাঁর বোন নাভেদকে ভালবাসলেও, ধর্ম পরিবর্তন (Conversion) করতে রাজি ছিল না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বচসা বাঁধে। সীমাকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁর ভাই। পুলিশ জানিয়েছে, নাভেদ ও ফারহান এখন জেলে। মুস্তাকিমের খোঁজ চলছে। পুলিশ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share