Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Democracy: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে আমি অন্তর থেকে কুর্নিস করি,” বললেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ কর্তা

    Indian Democracy: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে আমি অন্তর থেকে কুর্নিস করি,” বললেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে (Indian Democracy) আমি আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে কুর্নিস করি।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি নিজেও একজন মুসলমান। বুধবার মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সেক্রেটারি জেনারেল মহম্মদ বিন আবদুরকরিম আল-লাসা ভারতীয় দর্শন ও সংস্কৃতিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাঁচ দিনের সফরে সৌদি আরব-ভিত্তিক ওই সংগঠনের কর্তা এসেছেন ভারতে। ১০ জুলাই পা রেখেছেন এ দেশে।

    ‘ডায়লগ ফর হারমোনি অ্যামঙ্গ রিলিজিয়ানস’

    এদিন তিনি যোগ দিয়েছিলেন ‘ডায়লগ ফর হারমোনি অ্যামঙ্গ রিলিজিয়ানস’ শীর্ষক এক আলোচনা চক্রে। সেখানেই ভারতীয় গণতন্ত্রের জয়গান করেন আল-লাসা। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং এ দেশের বুদ্ধিজীবী ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ-পর্ব সেরেছেন। এর পরেই তিনি বলেন, “হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আমি ভারতীয় গণতন্ত্রকে (Indian Democracy) স্যালুট করি। স্যালুট করি ভারতের সংবিধানকেও। ভারতীয় দর্শন এবং ঐতিহ্য যা তামাম বিশ্বকে ঐক্যের শিক্ষা দেয়, তাকেও আমি কুর্নিস করি।” ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে, তাদের সঠিক পথ দেখাতে হবে।”

    ‘ধর্মীয় দ্বন্দ্বের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’

    মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “যখনই দুজন মানুষের মধ্যে আলোচনার অভাব দেখা দেয়, তখনই ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে, সমস্যা দেখা দেয়। তাই দু পক্ষের মধ্যে আলাপচারিতার সেতুবন্ধন খুবই জরুরি। সভ্যতার সংঘর্ষ এড়াতে আমাদের প্রয়োজন শৈশব থেকে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করা, গাইড করা।”

    তিনি বলেন, “ভারতে যে শান্তিপূর্ণভাবে সব ধর্মের মানুষ সহাবস্থান করছেন, যা আমি চাক্ষুষ করেছি, তা এক কথায় ইউনিক। ধর্মীয় মৌলবাদ যাতে মাথাচাড়া (Indian Democracy) দিতে না পারে তাই ধর্মীয় দ্বন্দ্বের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। ভ্রান্ত ধারণা, ঘৃণা ভাষণ এবং ভুল ব্যাখ্যা মৌলবাদ থেকে সন্ত্রাসবাদের পথ প্রশস্ত করে।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে ভয়াল সৌরঝড়, অকেজো হয়ে যাবে ইন্টারনেট পরিষেবা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rafale-M Fighter Jet: নৌসেনার চুক্তির ‘ডগফাইটে’ কীভাবে ‘এফ ১৮’-কে টেক্কা দিল ‘রাফাল এম’?

    Rafale-M Fighter Jet: নৌসেনার চুক্তির ‘ডগফাইটে’ কীভাবে ‘এফ ১৮’-কে টেক্কা দিল ‘রাফাল এম’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাসি রাফাল এম (Rafale-M Fighter Jet) নাকি মার্কিন এফ/এ-১৮ ই/এফ যুদ্ধবিমান— ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) দুই বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেক থেকে কে উড়বে? কয়েক বছর ধরেই সেই নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল, ছিল দাবি-পাল্টা দাবি। কেউ রাফাল-এম বিমানকেই পছন্দ করলে, তো কারও মতে সেরা বাজি ছিল এফ/এ-১৮। প্রায় তিন বছর ধরে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অবশেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সূত্রের খবর, ফরাসি রাফালের ওপরই ভরসা রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামিকালই বাস্তিল ডে উৎসবে যোগ দিতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই সম্ভবত, এই মর্মে ঘোষণা করা হবে। জানা যাচ্ছে, ২৬টি বিমানের বরাত দেওয়া হবে ফরাসি দাসো এভিয়েশনকে। 

    ‘রাফাল এম’ বনাম ‘এফ ১৮’ ডগফাইট

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) বরাত পাওয়ার ‘ডগফাইটে’ ঠিক কোন কোন জায়গায় প্রবল প্রতিপক্ষ এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমানকে টেক্কা দিল ফরাসি রাফাল? কীভাবে বোয়িংকে মাত দিল দাসো। নেপথ্যে এক নয়, রয়েছে একাধিক কারণ ও যুক্তি—

    ভারতীয় রণতরীর বিশেষ স্কি-র‌্যাম্প (সামরিক পরিভাষায় STOBAR) ভিত্তিক ডেক থেকে ওড়ার সক্ষমতা থেকে শুরু করে মাঝ-আকাশে ক্ষিপ্রতা, বিভিন্ন ধরনের মিশনে দায়িত্ব সম্পন্ন করার দক্ষতা ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের ক্ষমতা ও বৈচিত্র্য— এই সব ক্ষেত্রেই দুই যুদ্ধবিমান প্রায় সমান-সমান। কেউ কারও থেকে পিছিয়ে ছিল না। এক কথায় টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ফারাক করা মুসকিল ছিল। 

    শুধুমাত্র তফাতের মধ্যে মার্কিন এফ/এ-১৮ এর তুলনায় রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) অনেকটাই হাল্কা বিমান। যে কারণে, রাফালকে সহজেই জাহাজের ডেকে অবরতণের করানো সম্ভব। কিন্তু, এটা একটা কারণ হলেও, বড় কারণ নয়। মার্কিন বিমানকে অন্য জায়গায় পিছনে ফেলে দিয়েছে রাফাল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত লজিস্টিক্যাল অ্যান্ড অপারেশনাল কনভিনিয়্যান্স এবং ইন্টার-অপারেবিলিটি— এই জায়গায় রাফালে-এম এর থেকে পিছিয়ে পড়ে এফ/এ-১৮। 

    ইন্টার-অপারেবিলিটির সুবিধা

    প্রথম ও প্রধান কারণ, ইন্টার-অপারেবিলিটি। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই রাফাল যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। ৩৬টি যুদ্ধবিমান ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত। ফলত, নৌসেনাতেও (Indian Navy) যদি রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) আসে, তাহলে রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রপাতি পেতে সহজ হবে। উপরন্তু, বায়ুসেনায় রাফালের যে ৮টি টুইন-সিটার ভেরিয়েন্ট রয়েছে, তাতে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে নৌসেনার পাইলটরাও। যদিও, নৌসেনাও সম্ভবত কয়েকটি টুইন-সিটার রাফাল-এম ভেরিয়েন্ট নিতে পারে। প্রাথমিক স্তরে, সূত্রের খবর ২৬টির মধ্যে ১৮টি সিঙ্গল-সিটার ও ৮টি টুইন-সিটার হতে পারে। যৌথ অভিযানে নৌসেনার রাফাল-এম ও বায়ুসেনার রাফালের মধ্যে সমন্বয়ের কোনও সমস্যা হবে না। কারণ, এই দুই যুদ্ধবিমানের ৮৫ শতাংশ এক। অন্যদিকে, এফ/এ-১৮ ই/এফ কিনলে, গোটাটাই নতুন হবে। তার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে কার্যপদ্ধতি, যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ। ফলে, তাতে খরচ বাড়বে।

    ভারত-ফ্রান্স প্রতিরক্ষা সম্পর্কের সুদীর্ঘ ইতিহাস

    দ্বিতীয় কারণ হল, ফরাসি নিশ্চয়তা। ভারতের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। ঠিক যেমনটা একটা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরক্ষা সহযোগী ছিল ভারত ও রাশিয়া। আজ থেকে নয়, বিগত কয়েক যুগ ধরে ফরাসি যুদ্ধবিমান ব্যবহার কর আসছে ভারত। উরাগন থেকে শুরু করে সিপক্যাট জাগুয়ার, মিরাজ থেকে শুরু করে এখন রাফাল— ভারতীয় বায়ুসেনায় ফরাসি যুদ্ধবিমানের ইতিহাস দীর্ঘ। ভারত যে মিরাজ-২০০০ বিমান ব্যবহার করছে, তাতে কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি। ২০২১ সালে, ভারত ২৪টি সেকেন্ড-হ্যান্ড মিরাজ কিনেছে। 

    প্রযুক্তি হস্তান্তরের নিশ্চয়তা

    তৃতীয়ত, ভারতের দেশে তৈরি নীতিতে ফ্রান্সের সম্মত হওয়া বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে কোনওপ্রকার নিষেধাজ্ঞা নেই মাক্রঁর দেশের। নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত হচ্ছে, ফরাসি স্করপিন সাবমেরিন। সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সেগুলি ভারতেই তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে মার্ক-৩ লাইট হেলিকপ্টার ইঞ্জিন তৈরিতে সাহায্য করতে ভারতকে প্রস্তাব দিয়েছে ফ্রান্স। সম্প্রতি, ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতে নতুন জেট ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছে ফ্রান্সের সংস্থা সাফরান। এই ইঞ্জিনগুলি ভারতের ভবিষ্যতে দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের অ্যামকা যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করা হবে। শুধু তাই নয়, অনেকেই জানেন না, ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান অনেকটাই ফরাসি নকশায় তৈরি। তাতে একাধিক ফরাসি প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয়।

    ফলত, এত কিছু কারণের জন্যই নৌসেনার জন্য ফরাসি রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) যুদ্ধবিমানকে বাছতে চলেছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    Kedarnath Yatra: ফুঁসছে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনপ্রয়াগ এবং গৌরীকুণ্ডে এক নাগাড়ে বৃষ্টির ফলে বন্ধ করা হল কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra)। টানা বৃষ্টিতে জেরবার দেবভূমি উত্তরাখণ্ড।  এই পরিস্থিতিতে কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বুধবার একথা জানিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমাগত খারাপ আবহাওয়া ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই জেলা প্রশাসন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুন্ডে পুণ্যার্থীদের থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  ভারী বর্ষণের কারণে মন্দাকিনী ও অলকানন্দা নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে জল বইছে।

    ধসের কারণে বন্ধ রাস্তা

    বুধবার সমগ্র উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাংশের বিক্ষিপ্ত এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এর ফলে পুণ্যার্থীদের জন্য কেদারনাথ যাত্রা নিরাপদ নয়। খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে যাত্রীদের প্রাণের আশঙ্কাও থাকতে পারে। সেই কারণে কেদারনাথ ধাম যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসন তাঁদের সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে আটকে দিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেই কেদারনাথ যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। বেশ কিছু রাস্তা ধসের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    জারি কমলা সতর্কতা

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ক্রমাগত ভারী বৃষ্টির কারণে অলকানন্দা এবং মন্দাকিনী নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ধসের ফলে চারটি রাজ্য সড়কের পাশাপাশি অন্যান্য দশটি সড়কে যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। যান চলাচলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। বুধবার উত্তরাখণ্ডে ভারী বর্ষণের কারণে কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাসের পর রাজ্য প্রশাসন যে সমস্ত রকম বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে রয়েছে, মঙ্গলবার সেই আশ্বাস দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। তিনি বলেন, ‘‘প্রতি বছর বর্ষার সময় আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হই। ভারী বৃষ্টির কারণে ধস নামে, নদীর জলস্তর ফুলেফেঁপে ওঠে। আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি। রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিক থেকে শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সকলেই নিজেদের দায়িত্ব পূরণ করছেন। যে কোনও রকমের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য তাঁরা প্রস্তুত রয়েছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফান্সে যাচ্ছেন মোদি, ফেরার পথে নামবেন আবুধাবিতে

    PM Modi: বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফান্সে যাচ্ছেন মোদি, ফেরার পথে নামবেন আবুধাবিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মাসেই সেরে এসেছেন ঐতিহাসিক আমেরিকা সফর। এবার ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  (PM Modi) যাচ্ছেন ইউরোপের একটি দেশ ফ্রান্স (France) সফরে। দু দিনের এই সফরের গুরুত্ব অপরিসীম বলেই ধারণা অভিজ্ঞমহলের। ফ্রান্সে বাস্তিল দিবস পালিত হবে। এই অনুষ্ঠানেই সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের তরফে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে আইএএফ এয়ারক্র্যাফ্টও।

    বাস্তিল দিবস

    ফরাসিদের চেতনায় ফ্রান্সের জাতীয় দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটিই ফ্রান্সে বাস্তিল দিবস হিসেবে পালিত হয়। ফরাসি বিপ্লবের সময় ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল। তার পর থেকে দিনটিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেন ফরাসিরা। বাস্তিল দিবসের দিন বাস্তিল দিবস প্যারেড হয়। অনুষ্ঠানটি অনেকটা আমাদের দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের মতো। বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনেতাদের অতিথির সম্মান দেওয়া হয়। তবে এই সম্মান সবাইকে দেওয়া হয় না। ২০১৭ সালে শেষবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। বিদেশি এয়ারক্র্যাফ্টের অংশ গ্রহণও দৈবাৎ হয়।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    চলতি বছর ভারত-ফ্রান্স স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের ২৫ বছর পূর্তি। সেদিক থেকেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই সফরের গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া, ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কও বেশ ভাল। মোদির এই সফরে মাক্রঁর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। ব্যক্তিগত ডিনারও হবে। হবে সিইওদের বৈঠকও। বাস্তিল দিবসের দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে স্টেট বাঙ্কোয়েটের আয়োজনও করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ছাড়াও মোদির সঙ্গে মত বিনিময় হবে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বর্নের। সেনেটের প্রেসিডেন্ট এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্যদের সঙ্গেও আলোচনা হবে মোদির।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যসভায় বিজেপি প্রার্থী অনন্ত মহারাজ, কে তিনি জানেন?

    ফ্রান্স থেকে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) নামবেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবিতে। এখানে তিনি প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ অল নাহেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ দেশের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত বছর জার্মানিতে জি-৭ সম্মেলনে সেরে ফেরার পথেও একবার নেমেছিলেন আবুধাবিতে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং সংস্কৃতি ক্ষেত্রে দুই দেশ কীভাবে কাজ করবে, সেই পথই খোঁজার চেষ্টা করবে দুই দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GST Council Meet: খরচসাপেক্ষ অনলাইনে গেমিং, সস্তা হচ্ছে ক্যানসারের ওষুধ, সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়া

    GST Council Meet: খরচসাপেক্ষ অনলাইনে গেমিং, সস্তা হচ্ছে ক্যানসারের ওষুধ, সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা হচ্ছে ক্যানসার-সহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যধির ওষুধ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে জিএসটি (GST) পরিষদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) জানান, ক্যানসার, দূরারোগ্য ব্যধির ওষুধ এবং বিশেষ ধরনের চিকিৎসার জন্য খাবারের উপর জিএসটি আর থাকছে না। 

    সস্তা ক্যানসারের ওষুধ

    জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একাধিক বিষয়ে কর-হার কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার হওয়া ওষুধের দাম। ক্যানসার ও ফুড ফর স্পেশাল মেডিক্যাল পারপাসে এতদিন ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করা হত। যা থেকে জিএসটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি জনসাধারণের মুখে হাসি ফোটাবে সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়ার খরচের ক্ষেত্রে জিএসটি কমানোর সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন সিনেমাহলের মধ্যে যে সমস্ত রেস্তোঁরা বা ফুডচেন রয়েছে তারা এতদিন খাওয়া বা পানীয়র জন্য ১৮ শতাংশ জিএসটি ধার্য করত। যা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। এছাড়া রান্না না করা বা না ভাজা খাবার। সম্ভবত তা বলতে রেডি টু কুক খাবারের কথাই বোঝানো হচ্ছে। আগে এই সব খাবারের উপর ১৮ শতাংশ হারে পণ্য পরিষেবা কর ধার্য করা হত। তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। এছাড়া ইমিটেশন জরি তথা নকল জরির উপর পণ্য পরিষেবা কর বর্তমানের ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    দামি অনলাইন গেম

    তবে, সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই কেন্দ্রের তরফে অনলাইন গেমিং, ঘোড়া দৌড় ও ক্যাসিনোর উপরে ২৮ শতাংশ জিএসটি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  দীর্ঘদিন ধরেই অনলাইন গেমিং, ঘোড়া দৌড়ের উপরে জিএসটি বসানোর পরিকল্পনা করছিল কেন্দ্র, অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, ২৮ শতাংশ জিএসটি গেমিং প্ল্যাটফর্মের উপরে ভিত্তি করেই বসবে। কোন খেলায় দক্ষতার প্রয়োজন আর কোন খেলা ভাগ্যের জোরে জেতা যায়, তা আলাদাভাবে বিচার করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রবল হতাশ অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রি। তবে জিএসটিতে এই বৃদ্ধি ‘নৈতিকতার ভিত্তিতে’ই করা হয়েছে, বলে দাবি কাউন্সিলের। 

    আরও পড়ুুন: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, চলল গুলি, মৃত তিন আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    কোন কোন জিনিসের দাম কমছে? 

    ১) ক্যানসারের ওষুধ এবং বিরল রোগের ওষুধের উপর কোনওরকম জিএসটি ধার্য করা হবে না। ফলে ওই ওষুধগুলির দাম কমবে। 
    ২) বেসরকারি সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবায় জিএসটি কার্যকর হবে না। 
    ৩) রান্না না করা স্ন্যাকসের দামের উপর থেকে জিএসটি কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগে ১৮ শতাংশ ছিল। না ভাজা স্ন্যাকসের ক্ষেত্রেও একই হারে জিএসটি ধার্য করা হয়েছে। 
    ৪) জরি সুতোর জিএসটি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা আগে ১২ শতাংশ ছিল, এখন তা পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে।
    ৫) কয়েকটি ক্ষেত্রে সিনেমা হলে খাবারের উপর জিএসটি কমে যাচ্ছে। ১৮ শতাংশ থেকে কমে পাঁচ শতাংশ করা হযেছে।

    কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    এবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র অনলাইন গেমিং, হর্স রেসিং এবং ক্যাসিনোয় বাড়তি খরচ হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    Heavy Rain: নাগাড়ে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, মৃতের সংখ্যা শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত (India)। টানা চার দিন ধরে বৃষ্টি চলছে হিমাচল প্রদেশে (Heavy Rain)। নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে জনজীবন বিপর্যস্ত দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরাখণ্ডে। শোচনীয় অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে মৃতের সংখ্যা ৮০। ধস, হড়পা বান, জলের তোড়ে জাতীয় সড়ক এবং সেতুও ভেসে গিয়েছে এ রাজ্যে।

    শোচনীয় অবস্থা হিমাচলের

    গোটা হিমাচলের মধ্যে সব চেয়ে করুণ দশা উনা, মান্ডি, হামিরপুর, বিলাসপুর, চম্বা, কাংড়া, কুলু, সিমমুর, কিন্নৌর এবং শিমলার। ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে ইরাবতী, শতদ্রু, বিতস্তা এবং চন্দ্রভাগা নদী। রাজ্যের অন্য (Heavy Rain) নদীগুলির জলও বইছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে সোলান উপত্যকায়। কেবল রবিবারই সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৫ মিলিমিটার। রাজ্যের ২৯টি জায়গায় হয়েছে হড়পা বান। ধস নেমেছে ৪১টি জায়গায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে হিমাচলের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে রয়েছেন ৩০০ পর্যটক।

    মৌসম ভবনের পূর্বাভাস

    দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, হিমাচল প্রদেশে সামান্য কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। তবে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বিহার, উত্তরাখণ্ড এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশে। এদিকে, পঞ্জাবের সাঙ্গরুরে ঘর্ঘরা নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে আট জনের। হরিয়ানায় মৃতের সংখ্যা ৭। হিমাচল প্রদেশের (Heavy Rain) পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় ধস নেমেছে উত্তরাখণ্ডের বহু জায়গায়। আজ, বুধবার নৈনিতাল, চম্পাবৎ, পৌড়ি এবং উধম সিংহ নগরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। দুর্যোগের জেরে ফের স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে কেদারনাথ যাত্রা। প্রবল ধারাপাতের জেরে বহু দর্শনার্থী আটকে পড়েছন সোনপ্রয়াগ ও গৌরীকুণ্ডে।

    আরও পড়ুুন: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, চলল গুলি, মৃত তিন আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    শোচনীয় অবস্থা দিল্লিরও। বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা নদীর জল। হরিয়ানার হাতিকুণ্ড বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় প্লাবিত হয়েছে দিল্লির নিচু এলাকাগুলি। বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির জেরে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। বন্যা পরিস্থিতি ও যমুনার জলস্তরের ওপর নজরদারি করতে ১৬টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ বিলির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৫০টি মোটরবোট। প্রয়োজনীয় ওষুষ সহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে ডুবুরি এবং মেডিক্যাল টিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Iskcon: শ্রীরামকৃষ্ণ এবং বিবেকানন্দ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, নিষিদ্ধ হলেন ইস্কনের সন্ন্যাসী

    Iskcon: শ্রীরামকৃষ্ণ এবং বিবেকানন্দ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, নিষিদ্ধ হলেন ইস্কনের সন্ন্যাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার ইতিহাস এবং দুই শ্রদ্ধেয় ও পূজনীয় ব্যক্তিত্ব শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এবং স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিজনক মন্তব্য করায় এবং ‘যত মত তত পথ’-এর অপব্যাখ্যা করায় ইস্কনের (Iskcon) দ্বারকার ব্রহ্মচারী সাধু এইচজি অমোঘ লীলা দাস প্রভুজিকে এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ করল ইস্কন। এমনকী প্রায়শ্চিত্ত করতে ওই সাধু এক মাসের জন্য যাচ্ছেন বৃন্দাবনে। এই সময়ে তিনি জনজীবন থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে গোবর্ধনে থাকবেন। ইস্কন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট  রাধারমণ দাস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানিয়েছেন। তিনি  বলেছেন, নিজের কৃতকর্মের জন্যে নিঃশর্ত ক্ষমাও চেয়েছেন অমোঘ লীলা স্বামী।

    কী নিয়ে এত বিতর্ক?

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে এই অমোঘ লীলা ব্রহ্মচারীর (Iskcon) একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যাতে তাঁকে স্বামী বিবেকানন্দ ও রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের একাধিক বক্তব্যের সরাসরি বিরোধিতা করতে দেখা যায়। এমনকী তিনি বাঙালি বিদ্বেষি কিছু কথাও বলেন। তিনি বলেন, মাছ খাওয়া আর সিগারেট খাওয়া এক জিনিস। স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা ও শ্রী রামকৃষ্ণের যত মত তত পথ নিয়ে বিদ্রুপ করেন। নবীন ব্রহ্মচারীর বক্তব্যে আহত হন বহু ভক্ত, ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসী। গর্জে ওঠে বাংলা পক্ষ-সহ একাধিক সংগঠন। সবাই সেই হিন্দিভাষী ব্রহ্মচারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন। অতঃপর টনক নড়ে ইস্কনের।

    ক্ষমা চেয়ে নিল ইস্কন (Iskcon) 

    সংগঠনের পক্ষে রাধারমণ দাস জানান, ওই ব্রহ্মচারী (Iskcon) যা বলেছেন, সেটা একান্তই তাঁর নিজস্ব বক্তব্য। ইস্কনের কোনও সমর্থন নেই। উলটে এই ধরনের বক্তব্য পেশ করার জন্য অমোঘ লীলা ব্রহ্মচারীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রায়শ্চিত্ত করতেও পাঠানো হচ্ছে। 
    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, শ্রী অমোঘ লীলা দাস যে মন্তব্য করেছেন, তা ইস্কনের মূল্যবোধ ও শিক্ষার পরিপন্থী। আমাদের সংস্থা সব আধ্যাত্মিক পথ এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধা প্রচার করে এসেছে। আমরা অন্যান্য ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি যে কোনও ধরনের অসম্মান ও অসহিষ্ণুতার নিন্দা করি। আমরা ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।

    কে এই অমোঘ লীলা প্রভুজি (Iskcon) ?

    বছর ৪৩ এর পাঞ্জাবি অমোঘ লীলা প্রভুজি ইস্কনের (Iskcon) দ্বারকা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট। পূর্বাশ্রমের নাম আশিষ অরোরা। লখনউতে জন্ম। বাবা র-এর  আধিকারিক ছিলেন। সেই সুবাদে মিজোরাম, গ্যাংটক, দার্জিলিংয়ে স্কুল জীবন কেটেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি টেক করে একটি মার্কিন বহুজাতিক সংস্থায় কাজ করতেন। ২৯ বছর বয়সে ইস্কনে যোগ দেন। ভাল কথা বলার সুবাদে প্রবচনকারী হিসাবে দ্রুত গুরুত্ব বাড়ে। কিন্তু তিনি মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ধর্মের অপব্যাখ্যা করেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ইস্কন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আতঙ্কের সৃষ্টি করা হচ্ছে’, অভিযোগ লালপুরার

    UCC: ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আতঙ্কের সৃষ্টি করা হচ্ছে’, অভিযোগ লালপুরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আতঙ্কের সৃষ্টি করা হচ্ছে’, অভিযোগ জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারপার্সন ইকবাল সিং লালপুরার। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে লালপুরা বলেন, “সংবিধানের ৪৪ নম্বর ধারায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এর অর্থ হল, আমাদের পূর্ব পুরুষরা এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। সুতরাং, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতারই অংশ।”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর প্রয়োজনীয়তা

    তিনি বলেন, “এটা আরোপিত নয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক বিচারক দেশে এটা লাগু করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন সেই ১৯৯০ সালেই। অনেক বিচারের ক্ষেত্রেই অনুভব করা গিয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করার প্রয়োজনীয়তা।” লালপুরা বলেন, “ইংল্যান্ডেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) রয়েছে। সেখানে কি তার পরেও শিখ এবং মুসলমানদের আলাদা অস্তিত্ব নেই? মানুষকে কনফিউজ করে দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে এসব করা হচ্ছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকায়ও রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। ওই দেশগুলিতে যদি ধর্ম অ্যাডজাস্ট করতে পারে, তাহলে ভারতে নয় কেন?”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধির অর্থ

    প্রসঙ্গত, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির অর্থ হল ধর্ম, বর্ণ বা জাতি নির্বিশেষে ভারতে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি অভিন্ন আইন। অর্থাৎ, প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গের জন্য একই আইন। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু হলে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তান দত্তক ও সম্পত্তি ভাগের মতো বিষয়ে দেশের সব নাগরিকের জন্য এক বিধি থাকবে।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) লাগুর বিষয়ে ইতিমধ্যেই ২২তম ল’ কমিশন  দেশবাসী ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের মতামত জানতে চেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর বিষয়ে সওয়াল করেছেন। লালপুরা জানান, এর আগেও একটি ল’ কমিশন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিষয়ে ডকুমেন্ট তৈরি করেছিল। তিনি বলেন, “আমি প্রত্যেককে বলব, আপনাদের অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিষয়ে ভাল করে জানা উচিত। তার পরেই আপনারা আপনাদের মতামত কমিশনকে পাঠান।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই বসতে চলেছে সংসদের বাদল অধিবেশন। এই অধিবেশনেই সংসদে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ হতে পারে বলে ধারণা অনেকেরই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, জানুন কবে?

    Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, জানুন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে দিয়ে তার জায়গা দখল করেছে ভারত (Indian Economy)। বর্তমানে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নরেন্দ্র মোদির ভারত। তবে এই পঞ্চম স্থানেও বেশিদিন থাকবে না মহাত্মা গান্ধীর দেশ। তালিকার আরও ওপরে উঠে গিয়ে নিঃশ্বাস ফেলবে আমেরিকার ঘাড়ে। কেবল নিঃশ্বাস ফেলাই নয়, আমেরিকাকে হারিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে ভারত। জাপান, জার্মানি এবং আমেরিকাকে হারিয়ে ভারত ওই জায়গা দখল করবে ২০৭৫ সালের মধ্যে।

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে

    একটি রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক গোল্ডম্যান স্যাচ। জনসংখ্যা, নয়া আবিষ্কার, প্রযুক্তির ব্যবহার, উচ্চ অর্থনৈতিক বিনিয়োগ এবং ক্রমবর্ধমান শ্রমিকের বৃদ্ধির কারণে ভারতের জায়গা হবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী দু দশকের পর আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ভারতের নির্ভরতার হার বেশ কমে যাবে।

    পরিকাঠামোর উন্নয়নে গুরুত্ব সরকারের

    ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক গোল্ডম্যান স্যাচের রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকার পরিকাঠামো তৈরিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বিশেষত সড়ক এবং রেলওয়ে তৈরিকে। গোল্ডম্যান স্যাচ বিশ্বাস করে, এটাই ভারতে বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ। যেহেতু ভারতে এই মুহূর্তে শ্রমের বাজার ভাল, তাই তাকে কাজে লাগিয়ে বাড়ানো যেতে পারে উৎপাদনের হার। সেই কারণেই বেসরকারি সংস্থাগুলির কাছে বিনিয়োগের এটা একটা বড় সুযোগ। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারতে যদি শ্রমশক্তির হার না বাড়ে, তাহলেই ঝুঁকি (Indian Economy)। কিন্তু যেহেতু তা নেই, তাই এখন কোনও সমস্যাও নেই। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের ওয়ার্কফোর্স উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে গত ১৫ বছরে।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    গোল্ডম্যান স্যাচস রিসার্চস ইন্ডিয়ার অর্থনীতিবিদ শান্তনু সেনগুপ্ত বলেন, ভারতের সেভিংস রেট ক্রমশই বাড়ছে। কমছে ডিপেডেন্সি রেসিও। আয়ের লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। অর্থনৈতিক সেক্টরগুলির বিকাশও হচ্ছে উল্লেখযোগ্য হারে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় বেশ নীচের দিকে ছিল ভারত। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কার্যত তারপর থেকেই শক্তিশালী হচ্ছে দেশীয় অর্থনীতি। যার জেরে ব্রিটেনকে হারিয়ে পঞ্চম স্থান দখল করেছে ভারত। যে কারণে ইদানিং ভারতকে সমীহ করছে চলছে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Safran Jet Engine: ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরে ভারতেই যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাব ফ্রান্সের

    Safran Jet Engine: ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরে ভারতেই যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাব ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পরশু অর্থাৎ, ১৩ তারিখ ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৪ জুলাই, ফরাসি জাতীয় দিবস ‘বাস্তিল দিবস’-এর (Bastille Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল মাক্রঁর পাশে বসে কুচকাওয়াজ দেখবেন তিনি, যাতে অংশ নিতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনা। 

    মোদির সফরেই রাফাল-এম যুদ্ধবিমানের চুক্তি?

    ঠিক তার তিনদিন আগে, বড় খবর এল কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে। সোমবারই জানা গিয়েছিল, এবারের সফরে বড় সামরিক মউ হতে চলেছে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে। ওই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান ও দুটি ফরাসি স্করপিন সাবমেরিন কেনার বিষয়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, মোদির এই সফরে যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন তৈরির (Safran Jet Engine) করার বিষয়টিরও নিষ্পত্তি হতে পারে। আরও পড়ুন: ফ্রান্স থেকে ফের রাফাল, সাবমেরিন কিনবে ভারত!

    তেজস মার্ক-২ এর জন্য এফ-৪১৪ ইঞ্জিন চুক্তি সম্পন্ন

    দীর্ঘদিন ধরেই, ভবিষ্যতের দেশীয় যুদ্ধবিমানের জন্য উন্নতমানের বিদেশি জেট ইঞ্জিন জোগাড় করার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে ভারত। সম্প্রতি, সদ্য মার্কিন সফরের মধ্যেই এরকমই একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের কর্তারা। চুক্তি মোতাবেক, মার্কিন জেনারেল ইলেকট্রিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এদেশেই তৈরি করা হবে অত্যাধুনিক জিই-এফ৪১৪ ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন মূলত ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তৈরি হতে চলা তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করা হবে। আরও পড়ুন: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    অ্যমকা ও টিইডিবিএফ-এর জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ

    তবে, তেজস-এর পাশাপাশি, পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির কাজও এগিয়ে চলেছে ভারতে। এই যুদ্ধবিমান হল অ্যাডভান্সড মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট বা সংক্ষেপে অ্যামকা। একইসঙ্গে তৈরি করা হচ্ছে, নৌসেনার জন্য আরেকটি অধিক-শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক বিমানবাহী রণতরী থেকে উড়তে সক্ষম যুদ্ধবিমান যার নাম রাখা হয়েছে টুইন ইঞ্জিন ডেক-বেসড ফাইটার বা সংক্ষেপে টিইডিবিএফ (Jet Engine For AMCA)। ভারত চাইছে এই দুই যুদ্ধবিমানে জিই-এফ৪১৪ ইঞ্জিনের চেয়েও আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন ব্যবহার করতে। সেই তালিকায় দুটি ইঞ্জিন বাছাই করা হয়েছিল। একটি ফরাসি সাফরান ইঞ্জিন ও দ্বিতীয়টি ইংল্যান্ডের রোলস-রয়েস। এখন কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, রোলস-রয়েসকে টপকে ফরাসি সাফরানকেই (Safran Jet Engine) হয়ত বাছতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর!

    সূত্রের খবর, ফরাসি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা সাফরান-এর তৈরি ইঞ্জিনটি (Jet Engine For AMCA) ১১০ কেএন (কিলো নিউটন) থ্রাস্ট উৎপন্ন করতে সক্ষম। যা ভারী যুদ্ধবিমানকে অতি সহজেই প্রয়োজনীয় গতি ও ক্ষমতা দিতে পারবে। তবে, এই ইঞ্জিনকে বাছার এটাই একমাত্র কারণ নয়। জানা যাচ্ছে, ফরাসি সংস্থাটি ভারতকে কোনও গোপনীয়তা ছাড়া ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ইঞ্জিন দিতে রাজি। সম্প্রতি, সাফরানকে এই মর্মে অনুমতি দিয়েছে মাক্রঁ সরকার। যার পরই, সাফরানের তরফে, ভারতকে এই নিয়ে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

    ভারতে তৈরি হবে সাফরানের নতুন ইঞ্জিন

    সূত্রের খবর, ফরাসি সংস্থার থেকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা অস্বীকার করা অত্যন্ত কঠিন। জানা যাচ্ছে, ভারতের জন্য একেবারে সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের ইঞ্জিন (Safran Jet Engine) ছাড়াও তৈরি করার যাবতীয় নতুন উপাদান, নতুন পরিকাঠামো দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকবে যন্ত্রপাতির পূর্ণ ভান্ডার। সর্বোপরি, গোটাটাই তৈরি হবে ভারতে। যা নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির সঙ্গে সাজুয্য। এক কথায়, এই নতুন ইঞ্জিনটি শুধুমাত্র ভারতেই তৈরি হবে। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ট্যাগ নিয়ে বাজারে আসবে। 

    ভারতে বড় বিনিয়োগে রাজি সাফরান

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অ্যামকা ও টিইডিবিএফ-এর জন্য ফরাসি সাফরান ইঞ্জিন (Jet Engine For AMCA) ব্যবহার করতে উৎসাহী ভারত। এর পাশাপাশি, সাফরান বর্তমানে ১২৫ কেএন ইঞ্জিন নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে, সেই ইঞ্জিনও ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও দুদেশের মধ্যে চুক্তি হতে পারে। ইতিমধ্যেই, হায়দরাবাদে সাফরানের একটি কারখানা গড়ে উঠছে। সেখানে এয়ারবাস এ৩২০ ও বোয়িং ৭৩৭ যাত্রীবিমানে ব্যবহৃত লিপ ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির কাজ হবে। এছাড়াও, ভারতে গ্যাস টার্বাইন তৈরির একটি কারখানা গড়ছে সাফরান। 

    যদিও এই প্রস্তাবের বিষয়ে ভারতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। ডিআরডিও প্রধান সমীর ভি কামাত সম্প্রতি প্যারিসের সাফরানের কারখানায় গিয়েছিলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া প্যারিস এয়ার শো-তেও হাজির ছিলেন তিনি। এই প্রস্তাবটি বিষয়টি এখনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আলোচনার অধীনে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, চুক্তি হওয়ার পর, এই ইঞ্জিনকে হাতে পেতে অন্তত ১০ বছর লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share