Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi at ISRO: দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী গেলেন ইসরোয়! বিক্রমের অবতরণ ক্ষেত্রের নাম  দিলেন ‘শিবশক্তি’

    Narendra Modi at ISRO: দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী গেলেন ইসরোয়! বিক্রমের অবতরণ ক্ষেত্রের নাম দিলেন ‘শিবশক্তি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফিরেই শনিবার সকালে ইসরোয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চন্দ্রযান-৩-এর অবতরণস্থলের নাম রাখলেন ‘শিবশক্তি’। পাশাপাশি, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ চাঁদের যে জায়গায় ভেঙে পড়েছিল, সে জায়গারও নামকরণ করলেন তিনি। নাম দিলেন ‘তেরঙা’। চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যের জন্য ২৩ অগাস্ট দিনটিকে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসাবেও ঘোষণা করেন মোদি। 

    ইসরোয় প্রধানমন্ত্রী

    দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভারতের সাফল্যের সাক্ষী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রিস সফর সেরে আজ শনিবার সকালে সোজা বেঙ্গালুরুতে পৌঁছন মোদি। বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে পৌঁছেই ট্যুইট করে তিনি লেখেন, “ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমি উন্মুখ, যাঁরা দেশকে গর্বিত করেছে।” শনিবার সকালে বিমানবন্দরের বাইরে ছিল সাধারণ মানুষের ভিড়। তাঁদের উদ্দেশে কথা বলার সময় ‘জয় বিজ্ঞান’ স্লোগান শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। 

    আবেগপ্রবণ মোদি

    সাফল্যের জন্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধৈর্য্য, পরিশ্রম দেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে, তা সাধারণ নয়। ভারতীয় বিজ্ঞানের অগ্রগতির শঙ্খনাদ শোনা যাচ্ছে।’’ চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সাফল্য নিয়ে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মোদি।

    চোখে জল নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভারত চাঁদে পৌঁছে গিয়েছে। ইসরো আমাদের দেশকে গর্বিত করেছে। আমরা চাঁদের যে জায়গায় পৌঁছেছি, সেখানে আগে কেউ পৌঁছয়নি। সারা বিশ্ব ভারতীয় প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের প্রশংসা করছে। চন্দ্রযান-৩ ভারতের না, মানবতার সাফল্য। এই অভিযান দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন রাস্তা খুলে দেবে। পৃথিবীর সমস্যা সমাধানের কাজও করবে। আমি ইসরোর সব বিজ্ঞানী, কৌশলী এবং চন্দ্রযান-৩-এর সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’

    ১ সেপ্টেম্বর থেকে চন্দ্রযান নিয়ে বড় কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে কেন্দ্র। গোটা দেশের পড়ুয়াদের তাতে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানালেন মোদি। নেক্সট জেনারেশন কম্পিউটার বানানোর কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, যে দেশ প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকবে, সেই দেশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকবে। গ্রহণের ব্যাখ্যা, অন্য গ্রহের আকার সম্পর্কে তথ্য, উপগ্রহের গতি সহ বিভিন্ন বিষয় লেখা রয়েছে ভারতেরই প্রাচীন গ্রন্থে। সে সব নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ অফ্রিকার জোহানেসবার্গে হয়ে গেল ব্রিকস (BRICS) সম্মেলন। এই সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠক হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (India China)। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এহেন বৈঠক নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। চিনের দাবি, ভারতের সঙ্গে বৈঠক করতে অনুরোধ করেছে নয়াদিল্লি। যদিও চিনের দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে ভারতের পাল্টা দাবি, পার্শ্ববৈঠক করতে তদ্বির করেছিল চিন-ই।

    ব্যতিক্রম চিন

    ব্রিকসে যে দেশগুলি রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে চিন এবং ভারতও (India China)। গত কয়েক বছরে প্রতিবেশী এই দুই দেশের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। বুধবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ড করে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ভারতের এই সাফল্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। ব্যতিক্রম চিন। ব্রিকস সম্মলনের প্রথম দিন মঞ্চে চিনা প্রেসিডেন্ট ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের দু পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল।

    করমর্দন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের 

    পরের দিন মুখোমুখি হতেই করমর্দন করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ সচিব বলেছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে কথা হয়েছে মোদি ও শিয়ের মধ্যে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বাকি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও কথা বলেন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যে পরিস্থিতি বিদ্যমান, শিয়ের সঙ্গে কথোপকথনে সেই প্রসঙ্গও উঠেছিল। এদিকে, চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা (India China) হয়েছে, শি বলেছেন চিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি দু দেশের নাগরিকদের স্বার্থকেই চরিতার্থ করবে। এবং তা শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়নের জন্যও সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    চিনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বেজিংয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি। নয়াদিল্লির পাল্টা দাবি, চিনের তরফে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের আবেদন আগেই করা হয়েছিল। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, চিনের সেই আবেদন মেনেই বৈঠক হয়েছে মোদি-শি-য়ের। প্রসঙ্গত, ব্রিকসের (India China) সদস্য দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার সম্মেলন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে। সম্মেলন শুরু হয়েছিল ২২ অগাস্ট, শেষ হয় ২৪ তারিখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মণিপুর হিংসায় সিবিআই মামলার শুনানি হবে অসমে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: মণিপুর হিংসায় সিবিআই মামলার শুনানি হবে অসমে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের হিংসা সংক্রান্ত যে মামলাগুলির তদন্ত রয়েছে সিবিআইয়ের হাতে, তার শুনানি হবে অসমের গুয়াহাটিতে। শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই মামলাগুলির বিচারের জন্য নিম্ন আদালত মনোনয়নের ভার গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেছে, অভিযুক্তদের হাজিরা, পুলিশ হেফাজত, জেল হেফাজত এবং হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলা হবে অনলাইনে।

    গুয়াহাটির আদালতে হাজিরা

    নির্যাতনের শিকার, সাক্ষী এবং সিবিআই মামলায় যুক্ত কারও যদি অনলাইনে মুখ দেখাতে আপত্তি বা ভয় থাকে, তাহলে তিনি গুয়াহাটির আদালতে সরাসরি হাজিরা দিতে পারেন। অনলাইন বিচারের জন্য মণিপুর সরকারকে সচল ও দ্রুতগামী ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, মণিপুরের কংপোকপিতে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর ঘটনা সহ মোট ১০টি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ২১ অগাস্ট মণিপুরের হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বিচারপতি গীতা মিত্তলকে নিয়ে কমিটি গঠন করেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্ট গঠিত প্যানেল তিনটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, পরিচয়পত্র নষ্ট হয়ে যাওয়া, ক্ষতিপূরণের বৃদ্ধি ইত্যাদি।

    টিম গড়েছে সিবিআই

    মণিপুর হিংসার ঘটনাগুলি তদন্তের জন্য চলতি মাসেই ২৯ জন মহিলা আধিকারিক সহ মোট ৫৩জন আধিকারিককে নিয়ে টিম গড়েছে সিবিআই। এই টিমে (Supreme Court) পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার তিন মহিলা অফিসার। দু’ জন অতিরিক্ত সুপার এবং ছ’ জন ডেপুটি সুপার পদমর্যাদার মহিলা অফিসারও রয়েছেন। তদন্ত প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করবেন সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর ঘনশ্যাম উপাধ্যায়।

    আরও পড়ুুন: “এক সময় এগরোল বিক্রি করতেন, তারপরে এই উত্থান”, সুজিতকে কটাক্ষ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, সিবিআই মামলাগুলি প্রতিবেশী রাজ্যে করার পরামর্শ দিয়েছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর যুক্তি ছিল, মণিপুরে বিচার প্রক্রিয়া চললে বিচারপতিদের জাতি পরিচয় একটা সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরার ক্ষেত্রেও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    এদিকে, মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি জানতে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ ও বিজেপি সভাপতি সারদা দেবীকে তলব করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহের তলব পেয়ে বৃহস্পতিবারই দিল্লিতে গিয়েছেন তাঁরা। শুক্রবার শাহের বাসভবনে হবে ওই বৈঠক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “অচিরেই ভারত তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে”, জি-২০ বৈঠকে প্রত্যয়ী মোদি

    PM Modi: “অচিরেই ভারত তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে”, জি-২০ বৈঠকে প্রত্যয়ী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রেড টেপ ছেড়ে ভারত এখন রেড কার্পেটে।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই বাক্য-বাণের অভিমুখ অবশ্যই কংগ্রেসের দিকে। রাজস্থানের জয়পুরে এদিন বিনিয়োগ সংক্রান্ত বৈঠকে বসেন জি-২০-র সদস্য দেশগুলির মন্ত্রীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে ভার্চুয়ালি ওই বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি কটাক্ষ করেন কংগ্রেসকে। এর পরেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে আসে ভারতের অর্থনীতির প্রসঙ্গ।

    মোদির কণ্ঠে ঝরে পড়ল প্রত্যয়

    তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। অচিরেই তৃতীয় স্থান দখল করবে। এসবই হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠিন পরিশ্রমের ফলে। বাণিজ্য এবং বিশ্বায়ন লক্ষ লক্ষ মানুষকে দারিদ্রতা থেকে বের করে এনেছে। ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্বের আশার আলো। এই অর্থনীতিতে বিশ্বাস রাখছে দুনিয়া। আমরা সেটা দেখতেও পাচ্ছি।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা নীতিগত বিষয়ে স্থিরতা এনেছি। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে। এর জন্য আমরা দায়বদ্ধ। বিশ্ব অতিমারির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাও আছে। এগুলি বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এবং সেই পরীক্ষাগুলিও উতরেছে দুনিয়া। জি-২০ গোষ্ঠীর সম্মেলনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্বাসের জায়গা গড়ে তোলাটা আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতে আরও অনেক ধাক্কা আসতে পারে। তার মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে সহনশীল ও সর্বব্যাপী মূল্যবোধের একটা শৃঙ্খল আমাদের গড়ে তোলা উচিত।”

    ‘গেম চেঞ্জার’

    তিনি বলেন, “রাজস্থানের জয়পুর শিল্পপতিদের কাছে সুপরিচিত। ইতিহাসে দেখা যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে দিয়ে চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান হয়েছে, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিও ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। এতে মানুষ একে অপরের আরও কাছাকাছি এসেছে। ‘ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্সে’র ওপরও এদিন গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। একে তিনি ‘গেম চেঞ্জার’ অভিধায় ভূষিত করেন। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করেছি। আমরা ডিজিটালাইজেশন সম্প্রসারিত করেছি এবং উদ্ভাবনের প্রচার করেছি। আমরা ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর স্থাপন করেছি এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলেছি। আমরা রেড টেপ থেকে রেড কার্পেটে চলে এসেছি এবং এফডিআই প্রবাহকে উদারীকরণ করেছি।”

    আরও পড়ুুন: “এক সময় এগরোল বিক্রি করতেন, তারপরে এই উত্থান”, সুজিতকে কটাক্ষ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Landslide in Himachal: হিমাচল-উত্তরাখণ্ডে অতিবর্ষণ! ভূমি ধসে মৃত ১৩, ভেঙে পড়েছে পরপর বাড়ি, দেখুন ভিডিও

    Landslide in Himachal: হিমাচল-উত্তরাখণ্ডে অতিবর্ষণ! ভূমি ধসে মৃত ১৩, ভেঙে পড়েছে পরপর বাড়ি, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ের বুকে হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড, দুই রাজ্যেই অতিবর্ষণ এবং ভূমিধসের কবলে ফের জনজীবন সঙ্কটের মুখে। বুধবার থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। অন্যদিকে হিমাচলের কুলুতে বহুতল ভেঙে (Landslide in Himachal) পড়ল তাসের ঘরের মতো। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। এই দৃশ্য দেখে অনেকেই শিহরিত হচ্ছেন। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে। এসবের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের পিণ্ডারি নদী এবং সেটির শাখানদী প্রাণমতীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় চামেলি জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।

     

    কোথায়, কীভাবে মৃত্যু (Landslide in Himachal)?

    হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ড জেলায় বুধবার পর্যন্ত যে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে হিমাচলেই মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। মান্ডি এবং শিমলায় ধসে (Landslide in Himachal) চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন তিন জন। জলে ডুবে মারা গেছেন দু’জন। উত্তরাখণ্ডের পৌড়ীতে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই শিমলা, সিরমুর, কাংড়া, চম্বা, হামিরপুর, সোলান, বিলাসপুর এবং কুলুতে অতি ভারী বর্ষণ এবং হড়পা বানের সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।

    হিমাচলে ধসে পড়ল বহুতল বাড়ি

    বৃহস্পতিবার হিমাচলের কুলুতে পাহাড়ের বুকে গড়ে ওঠা বহুতলের আবাসগুলি অতি বৃষ্টিপাত এবং ভূমি ধসজনিত (Landslide in Himachal) কারণে আকস্মিক ভেঙে পড়ে। এই ভেঙে পড়ার ভিডিও দেখে আশপাশের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই কুলুর এই বহুতলগুলি থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কিছু বহুতলকে প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে খালি করেছিল। হিমাচলে প্রায় গত ৩৬ ঘণ্টা ধরে এক টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অধিক বৃষ্টিপাতে হড়পা বানের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কুলুর আনি মহকুমার বাসস্ট্যান্ডের কাছে চারটির বেশি বাড়ি রীতিমতো ধসে গেছে।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    ঘটনাস্থলে স্থানীয় (Landslide in Himachal) প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল এসে পৌঁছেছে। রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে, এটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়। জানা গেছে রাজ্যে মোট ৭০৯ টি সড়ক ধসের কারণে বন্ধ হয়ে পড়েছে। ২৪ শে জুন থেকে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। এখনও পর্যন্ত হিমাচলে মৃত্যুর সংখ্যা কমপক্ষে ২২৪ জন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Police: ঝাড়খণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত রাজ্যের ৭, আটক ২ গাড়ি, উদ্ধার তৃণমূলের ব্যাজ, উত্তরীয়

    Jharkhand Police: ঝাড়খণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত রাজ্যের ৭, আটক ২ গাড়ি, উদ্ধার তৃণমূলের ব্যাজ, উত্তরীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ড পুলিশের (Jharkhand Police) হাতে আটক পশ্চিমবঙ্গের দুটি গাড়ি। যেখানে উদ্ধার পিস্তল, ধারালো অস্ত্র। জানা গিয়েছে, ভুয়ো ভিজিলেন্স অফিসার সেজে এই গ্যাং ডাকাতি করতো। পাশাপাশি ওই গাড়ির ভিতরেই রাখা ছিল তৃণমূলের উত্তরীয় এবং ব্যাজ। যা নিয়ে রাজনৈতিক আঁচ দেখা গিয়েছে আসানসোলে। শুরু হয়েছে বিজেপি-তৃণমূলের চাপানউতোর। পুলিশ (Jharkhand Police) সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ঝাড়খণ্ডের নিরসা থানার (Jharkhand Police) গোপালগঞ্জ এলাকাতে পুলিশ দুটি গাড়ি আটক করে। 

    ভুয়ো অফিসার সেজে তোলাবাজি করতো এই গ্যাং

    গাড়িতে থাকা কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ই পুলিশের (Jharkhand Police) সন্দেহ হয়। এরপর গাড়িতে তল্লাশি চালাতে থাকেন ঝাড়খণ্ড পুলিশের আধিকারিকরা। উদ্ধার হয়, পিস্তল, ছুরি এবং নগদ টাকা। শুধু তাই নয় গাড়ি দুটির সামনে লেখা, ‘‘সোশ্যাল জাস্টিস ফর ইন্টারন্যাশনাল সিভিল রাইট কাউন্সিল’’ এবং ‘‘অ্যান্টি কোরাপশন ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়া’’। জানা গিয়েছে, যে গাড়ি দুটি আটক করা হয়েছে পুলিশ সূত্রে খবর তাদের বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই অভিযোগ জমা হচ্ছিল। পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন থানা (Jharkhand Police) এলাকায় এই অভিযোগ আসছিল। ভারী পণ্যবাহী লরিগুলিকে আটক করে তারা সেখান থেকে তোলাবাজি করতো। কীভাবে চলতোস তোলাবাজি? পুলিশ (Jharkhand Police) জানাচ্ছে, ধৃতরা ভুয়ো ভিজিল্যান্স অফিসার সেজে জাতীয় সড়কে গাড়িগুলিকে আটকাতো এবং মোটা টাকা দাবি করত। তাদের পোশাক এবং গাড়ি দেখে লরির মালিকরা তা দিয়েও দিত। অনেকদিন ধরেই এই কাজকর্ম চলার পরে লরি চালকরা নিরসা থানাকে খবর দেয়। তারপর থেকেই এই গ্যাংকে ধরতে সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ (Jharkhand Police)।

    ছবি-সংগ্রহীত

    মোট গ্রেফতার ৭ জন

    জানা গিয়েছে, এই দলের বিরুদ্ধে আরপিএফ এর কাছেও ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার অভিযোগ গিয়েছে। এদিনই ধৃত ৭জনকে ধানবাদ আদালতে তোলা হয়। মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ঝাড়খণ্ড পুলিশ (Jharkhand Police) সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিনই এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ঝাড়খণ্ড পুলিশের (Jharkhand Police) উচ্চ পদস্থ আধিকারিক অমর পাণ্ডে। এবং তিনি বলেন যে অভিযুক্তরা প্রত্যকেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। অমর পান্ডে আরও বলেন, ধৃত যুবকদের কাছ থেকে পিস্তল ছাড়াও চাকু, নগদ টাকা, আইফোন বাজেয়াপ্ত হয়েছে তাদেরকে জেরা করে ডাকাতির প্রমাণও মিলেছে।

    শুরু তৃণমূল-বিজেপি তরজা

    এদিকে, এই ঘটনায় শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূল-বিজেপি তরজা। বিজেপি-র জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল আর দুষ্কৃতী সমর্থক। ঝাড়খণ্ডে তোলাবাজি করছিল সাত যুবক। তাঁরা আসলে আসানসোলের। আসলে ভিন রাজ্যে ছিল বলেই ধরা পড়েছে।” অন্যদিকে, তৃণমলের রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসনের সাফাই, “দুষ্কৃতী ধরা পড়েছে শুনেছি। তৃণমূলের ব্যাজ, উত্তরীয় পাওয়া গিয়েছে, সেটাও শুনেছি। কিন্তু এগুলো তো বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।” পাশাপাশি, ধৃতদের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: “মোদির নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে ভারত”, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর চন্দ্র-জয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    Chandrayaan 3: “মোদির নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে ভারত”, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর চন্দ্র-জয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে সাফল্যের শিখরে পৌঁছচ্ছে ভারত।” চাঁদের মাটিতে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল অবতরণের পর এমনই দাবি করছে বিজেপি (BJP)। বুধ-সন্ধ্যায় চাঁদের মাটি ছোঁয় ইসরোর চন্দ্রযান-৩। তার পরেই দেশ তো বটেই প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যেও দেখা যায় উন্মাদনা। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সফল অবতরণের আগে আগেই রাশিয়ার চন্দ্রযান ‘লুনা ২৫’ মুখ থুবড়ে পড়েছিল চাঁদের মাটিতে। সেই কারণেও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে চন্দ্রযান-৩-র সফল অবতরণ।

    প্রশংসা জেপি নাড্ডার 

    বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীদের। প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই সফল হয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণ। মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারত যে একটা শক্তি, এবার তাও জানল বিশ্ব।” ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র মন্ত্রে দীক্ষিত ভারত যে একটা নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে পেরেছে, এজন্যও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “মোদির নিরলস প্রচেষ্টা এবং আমাদের বিজ্ঞানীদের দক্ষতা না হলে এই সাফল্য (‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবতরণ) আসত না। এটি একটি ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব সাফল্য।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআইয়ের তলব তৃণমূল নেতা সুজিত বসুকে, ফাঁসতে পারেন মন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “ইসরো সব মিলিয়ে ৮৯টি স্যাটেলাইট লঞ্চ মিশন করেছে। এর মধ্যে ৪৭টিই হয়েছে মোদির আমলে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে মহাকাশেও ভারতের কর্তৃত্ব করছে। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণে ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য আমি ইসরো এবং আমাদের বিজ্ঞানীদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও বলেন, “চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সফল অবতরণ মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে একটি সোনালি অধ্যায় রচনা করল।”

    প্রশংসা শুভেন্দুরও 

    ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল অবতরণে গর্বিত বঙ্গ বিজেপিও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, আমরাই প্রথম দেশ, যেটা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গিয়ে সফল ল্যান্ডিং করেছি। আপনারা দেখেছেন, নিজেদের উন্নত দেশ বলে দাবি করা, অন্য দেশগুলি পারেনি। নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যতে তাঁরা পারবেন, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। ভারতের বিজ্ঞানীদের মেধা, ভারত সরকারের কর্ম তৎপরতা ও উদ্যোগ দুটোই মৌলিক।” শুভেন্দু বলেন, “আমরা দেশবাসী হিসেবে ভীষণ গর্বিত এবং উৎসাহিত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানুষ পাঠানোর জন্য কাজ করছে ইসরো। সূর্য, শুক্র সহ একাধিক গ্রহ নক্ষত্রকে নিয়ে গবেষণা চলছে। ব্রহ্মাণ্ডকে একদিন করায়ত্ব করে নেবে ভারতবর্ষ, তার জ্ঞান, প্রতিভা এবং আগামিদিনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতের মুঠোয় চাঁদ-মামা! ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা ৬.০৪ বাজতেই ইতিহাস গড়ল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল ইসরোর তৈরি চন্দ্রযান-৩। ল্যান্ডার বিক্রমের সফল অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘আজ এমন একটি দিন, যেদিন ইতিহাস তৈরি হল। আজ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে চন্দ্রযান-৩। ইসরোর বিজ্ঞানীরা শুধুমাত্র ইতিহাস গড়েছেন তাই নয়, সঙ্গে ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করেছে। এটা দেশবাসীর কাছে এক গর্বের বিষয়। ইসরো এবং এই মিশনে যুক্ত সকল বিজ্ঞানীকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানাই’

    আবেগাপ্লুত নেতা-মন্ত্রীরা

    বিশ্ববাসীর সামনে নজির সৃষ্টি করল ভারত। চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের পর এমনই অভিমত প্রকাশ করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি বলেন, ‘এটা একটা গর্বের বিষয় যে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করল ভারত। আমি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে গর্বিত অনুভব করছি। ইসরোর টিম এবং সকল বিজ্ঞানীকে অসংখ্য শুচেচ্ছা’।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছনো বিশ্বের প্রথম দেশ ভারত। ঐতিহাসিক এই সাফল্যের পর অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। শুভেচ্ছাবার্তায় জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ চন্দ্রযান ৩-এর। এই সফল অভিযানের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদে ভারত! সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা বার্তা সচিন, রোহিত, বিরাটদের

    Chandrayaan 3: চাঁদে ভারত! সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা বার্তা সচিন, রোহিত, বিরাটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করেছে ভারত। বুধবার সন্ধে ৬টা বেজে ৪ মিনিটে চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করেছে ভারতের চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) মহাকাশযানের ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে উচ্ছ্বসিত ভারতীয় ক্রিকেট তারকারা। সোশ্যাল সাইটে শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দিয়েছেন সচিন, কোহলিরা। ইসরোকে এই সাফল্যের জন্য কুর্ণিশও জানালেন তাঁরা।

    শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসল ইসরো

    চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পর, পৃথিবীতে যে বার্তা পাঠিয়েছে, ট্যুইটারে (অধুনা X) তা পোস্ট করেছে ISRO.  ল্যান্ডার ‘বিক্রম’কে উদ্ধৃত করে লেখা হয়, ‘ভারত, গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছি আমি। লক্ষ্যপূরণ হল তোমারও’। ভারতবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইসরো-ও।

    ডাবলিনে আয়ার ল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি ২০ সিরিজ খেলছে যসপ্রীত বুমরার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল।  হাতে চাঁদ পাওয়ার দূর্লভ মুহূর্ত দেখে এদিন উদীপ্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা। ভারতীয় বোর্ডের তরফ থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেই ভিডিওর ক্যাপশন হিসেবে লেখা হয়, ডাবলিন থেকে ইতিহাসের সাক্ষী। ইসরোকেও অভিনন্দন জানানো হয়।

    ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ইসরো-কে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছানো গেল। আমাদের প্রত্যেকের জন্য গর্বের এক মুহূর্ত। ইসরোর এই প্রচেষ্টার জন্য অভিনন্দন।

    বোর্ডের সচিব জয় শাহ লিখেছেন, ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত আগামী প্রজন্মের জন্য দারুণ গর্বের এক অধ্যায়, গোটা দেশ ইসরোর জন্য গর্ব করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share