Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • National Education Policy: শিশু পড়ুয়াদের উপর বাড়তি চাপ নয়! নয়া শিক্ষানীতি অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে পরীক্ষা

    National Education Policy: শিশু পড়ুয়াদের উপর বাড়তি চাপ নয়! নয়া শিক্ষানীতি অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করল কেন্দ্রের পাঠ্যক্রম কমিটি। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির অনুসরণ করে তৈরি জাতীয় পাঠ্যক্রম পরিকাঠামো (ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক বা এনসিএফ) অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরের শিক্ষায় এ বার নতুন পদ্ধতি আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

    নয়া নীতি

    এনসিএফের নয়া খসড়ায় বলা হয়েছে, নয়া পদ্ধতিতে তৃতীয় শ্রেণি থেকে লিখিত পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। ওই খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘‘পাঠ্যক্রম এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত, যাতে শিশু পড়ুয়াদের উপর বাড়তি চাপ না পড়ে।’’ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এমন হওয়া উচিত যাতে পড়াশোনাটা কোনও পড়ুয়ার কাছেই অতিরিক্ত বোঝা হিসেবে না মনে হয়। খসড়া অনুযায়ী, ফাউন্ডেশন পর্যায়ে, অর্থাৎ ৩ থেকে ৮ বছরের শিশুদের মূল্যায়ন করতে হবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে। একজন শিশু কতটা শিখছে বা যোগ্যতা অর্জন করছে তার মূল্যায়ন করার অনেক উপায় থাকতে পারে।  প্রামাণ্য নথির মাধ্যমে শিশুদের অগ্রগতি রেকর্ড করা উচিত।

    সমীক্ষা করেই সুপারিশ 

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, ২০২২ সালে জাতীয় এবং রাজ্যস্তরে এ সংক্রান্ত সমীক্ষা হয়েছিল। সেই সমীক্ষার ফল পর্যালোচনা করেই এই পদক্ষেপের সুপারিশ। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের জুলাই মাসে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক। সেখানে প্রথম শ্রেণির আগে তিন বছরের প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছিল। গত বছর অক্টোবরে নিশঙ্কের উত্তরসূরি ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রাথমিক এবং প্রাক্‌ প্রাথমিক (অঙ্গনওয়াড়ি) স্তরের শিক্ষার খোলনলচে বদলানোর কথা জানিয়েছিলেন। 

    বদল আনতে চলেছে সিবিএসই

    এই শিক্ষাবর্ষ থেকেই বড় বদল আনতে চলেছে সিবিএসই। ২০২৪ সালের বোর্ড পরীক্ষার জন্য তৈরি প্রশ্নমালার প্যাটার্নও বদলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় বোর্ড। জানানো হয়েছে, লম্বা উত্তররের প্রশ্নের বদলে এমসিকিউ-র ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে। জাতীয় শিক্ষা নীতির পথ অনুসরণ করেই এই পদক্ষেপ করবে সিবিএসই।

    আরও পড়ুন: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা  ব্যবস্থা তুলে দেওয়া হলে শিশুরা শৈশবটা অনুভব করতে পারবে বলেও মনে করছেন অভিভাবকেরা। ছোট ছোট কাঁধগুলো বইয়ের ভারে হেলে যাওয়ার পরিবর্তে যদি হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া যায় তা গুরুত্বপূর্ণ ও শিশুর বিকাশে সহায়ক বলে মত শিক্ষাবিদদের। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ জরুরি। পরীক্ষা পদ্ধতি উঠে গেলে শিশুরা নিজেদের মতো করে বড় হয়ে উঠতে পারবে বলেই বিশ্বাস শিক্ষামহলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানে চেপে ‘সর্টি’তে গেলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। পরনে জলপাই রঙের ‘ফ্লাইট স্যুট’। মাথায় ব্যালিস্টিক হেলমেট। শনিবার এই অচেনা সাজেই দেখা গেল রাষ্ট্রপতিকে। ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে সুখোই ওড়ালেন তিনি। এর আগে এপিজে আবদুল কালাম এবং প্রতিভা পাতিল রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এই কাজ করেছিলেন। 

    ৩০ মিনিট সুখোই সফর

    রাষ্ট্রপতির পদাধিকার বলে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দ্রৌপদী (President Droupadi Murmu) শনিবার অসমের তেজপুরে ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানেই সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান ওড়ান তিনি। জলপাই রঙের পোশাক এবং সঙ্গে ব্যালিস্টিক হেলমেট পরে ৩০ মিনিট ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার ওপর সুখোইতে চেপেয় ওড়েন রাষ্ট্রপতি। বিমান থেকে সুদূর হিমালয়ের শৃঙ্গমালাও দর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। সহকারী পাইলটের আসনে ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান চালক। তেজপুর ঘাঁটির পরিদর্শক খাতায় রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘এমন উড়ানের ব্যবস্থা করার জন্য আমি তেজপুরের বিমান ঘাঁটির সমস্ত সেনাদের অভিনন্দন জানাই।’’

    আরও পড়ুন: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    অসাধারণ অভিজ্ঞতা

    সুখোই সফরের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Droupadi Murmu) ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিশালী সুখোই-৩০-এমকেআই যুদ্ধবিমানে ওড়া আমার কাছে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এটা গর্বের বিষয় যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষমতা আজ জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষে সুদৃঢ় ভাবে প্রসারিত।’’

    জানা গিয়েছে, সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমানে চেপেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। এর আগে ২০০৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল মহারাষ্ট্রের পুণে বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে সুখোই যুদ্ধবিমানে চেপেছিলেন। তাঁরপর দেশের দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ সুখোইতে চাপলেন দ্রৌপদী মুর্মু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM MITRA Scheme: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    PM MITRA Scheme: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সাতটি মেগা টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র। পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল রিজিয়নস ও অ্যাপারেল স্কিমে (PM MITRA Scheme) ওই মেগা টেক্সটাইল পার্কগুলি হবে। সেগুলি হবে দেশের সাতটি রাজ্যে। যে সাতটি রাজ্যে এই পার্কগুলি হবে, সেগুলি হল তামিলনাড়ু, তেলঙ্গনা, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশ। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এই পার্কগুলি রাজ্যের টেক্সটাইল ক্ষেত্রে পরিকাঠামো সরবরাহ করবে। কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ টানবে। কর্মসংস্থান হবে লক্ষ লক্ষ তরুণের।

    পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল রিজিয়নস ও অ্যাপারেল স্কিমে (PM MITRA Scheme)…

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এই স্কিমের (PM MITRA Scheme) কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে পার্কগুলি। এই প্রজেক্টগুলির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। যদিও ২০২৩-২৪ সালের বাজেটে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিএম মিত্র মেগা টেক্সটাইল পার্কগুলি টেক্সটাইল সেক্টরগুলিকে এক সারিতে নিয়ে আসবে। ফার্ম থেকে ফাইবার থেকে ফ্যক্টরি থেকে ফ্যাশন থেকে ফরেন ভিশনে এই প্রকল্প হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, কেন্দ্রের আসা সাত রাজ্যের এই সাতটি পার্কে বিনিয়োগ হতে পারে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের। পার্কগুলিতে একই সঙ্গে মিলবে ইন্টগ্রেটেড টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন, স্পিনিং, বুনন, প্রসেসিং, পোশাক রাঙানো এবং পোশাক প্রিন্টিং।

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    গোয়েল বলেন, দেশে টেক্সটাইল (PM MITRA Scheme) ইন্ডাস্ট্রি অসংগঠিত। যার ফলে দেশের টেক্সটাইল সেক্টরের ক্ষতি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই যে স্কিম, তাতে সমাধান হবে অনেক সমস্যার। টেক্সটাইল সেক্রেটারি রচনা শাহ বলেন, স্বচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের সাতটি জায়গায় সাতটি টেক্সটাইল পার্ক গড়ে উঠবে। ১৩টি রাজ্য থেকে ১৮টি প্রস্তাব এসেছিল। তার মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে সাতটি রাজ্যকে। গোয়েল বলেন, পার্কগুলি গড়তে রাজ্য সরকার কম পক্ষে ১০০০ একর জমি বিনামূল্যে সরবরাহ করবে। জল এবং বিদ্যুৎও সরবরাহ করা হবে। তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে ওই স্কিমের জন্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Narendra Modi: সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেকেন্দ্রাবাদ রেলওয়ে স্টেশন থেকে সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার সকালে তেলঙ্গানায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। এদিন তেলঙ্গানায় মোট ১১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকার বড় প্রজেক্টের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    থাকছেন না কে সি রাও

    মোদি (Narendra Modi) তেলঙ্গানায় থাকলেও তাঁর কোনও অনুষ্ঠানেই অংশ নিচ্ছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (K. Chandrashekar Rao)। প্রধানমন্ত্রী হায়দরাবাদের বেগুমপেত বিমানবন্দরে এলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন  না মুখ্যমন্ত্রী কেসি রাও। মোদির অনুষ্ঠান কার্যত বয়কট করেছে তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ে কবিতাকে ইডি জেরার পর থেকে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। 

    আজ প্রধানমন্ত্রী কখন কোথায়

    এদিন সেকেন্দ্রাবাদ-তিরুপতি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনার পর হায়দ্রাবাদের প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে তিনি পাঁচটি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা মোদির। সেকেন্দ্রাবাদ রেলওয়ে স্টেশনের পুনর্নির্মাণ এবং রেলের আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনাও করার কথা প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi)। বিকেল ৩টেয় চেন্নাই বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করার কথা তাঁর। এরপর এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন থেকে চেন্নাই-কোয়ম্বাটোর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, একই অনুষ্ঠান থেকে তিনি আরও বেশ কয়েকটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এরপর, চেন্নাইয়ে শ্রী রামকৃষ্ণ মঠের ১২৫তম বার্ষিকী উদযাপনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। চেন্নাইয়ের অ্যালস্ট্রম ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আরেকটি সরকারি অনুষ্ঠানে কয়েকটি সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও আরও কয়েকটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    কর্নাটকের বন্দিপুর টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে মোদি

    আাগামী কাল, রবিবার ৯ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) যাবেন কর্নাটকের বন্দিপুর টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে। মুদুমালাই টাইগার রিজার্ভের থেপ্পাকাদু হস্তি শিবিরও পরিদর্শন করবেন। সেখানে, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাটস অ্যালায়েন্স বা আইবিসিএ-র সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ‘প্রজেক্ট টাইগারের ৫০ বছর স্মরণ’ অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করবেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ব্যাঘ্র সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার পঞ্চম চক্রের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ করবেন। প্রজেক্ট টাইগারের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমবিবিএস পাশ করার পরে তাঁর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি একজন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট। এখন তিনি একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। প্রথম জীবনে তাকে কীভাবে দিন কাটিয়েছেন তাই জানিয়ে সম্প্রতি একটি ট্যুইট করেন তিনি। তা রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই পোস্টটির ভিউ ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

    মিতব্যয়ী হওয়া উচিত

    ট্যুইটে একজন চিকিৎসকের জীবনে মিতব্যয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন সুধীর কুমার। ট্যুইট বার্তায় সুধীর বলেন, ‘২০ বছর আগে তিনি একজন তরুণ চিকিৎসক। ২০০৪-এ নিউরোলজিতে ডিএম করার পরে তাঁর বেতন ছিল মাসে নয় হাজার টাকা। এই ঘটনাটি এমবিবিএস পাশ করার পরের। সিএমসি ভেলোরে নিজের অধ্যাপকদের দেখার পরে তাঁর মনে হয়েছিল চিকিৎসকদের জীবন মিতব্যায়ী হওয়া উচিত, ন্যূনতম জিনিস নিয়ে জীবনযাপন করা উচিত।’

    কষ্ট করে পড়াশোনা

    ট্যুইটেই তিনি জানান, যখন সংগ্রাম করছেন, সেই সময় সমাজসেবা করা একজন তরুণ চিকিৎসকের পক্ষে কঠিন কাজ। সুধীরের কথায়, তাঁর মা কম বেতন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। তিনি নিজে বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও মা সরকারি অফিসের করণিকের সমান বেতনে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। বর্তমানে বিখ্যাত এই নিউরোলজিস্ট বলেছেন, প্রথমে ১২ বছর স্কুলে পড়াশোনা, তারপরে ১২ বছর ধরে এমবিবিএস, এমডি এবং ডিএম। সেই সময় জুড়ে মায়ের ভালবাসা এবং যন্ত্রণা সবই দেখেছেন তিনি। পড়াশোনা যখন করেছেন, তখন দীর্ঘদিন কারও সঙ্গে দেখা হয়নি। ১৭ বছর বয়সে বিহার থেকে তামিলনাড়ুর ভেলোরে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। যখন এমবিবিএস পড়েছেন ৫ বছর, কেউ তাঁকে দেখতে আসেনি। বাড়ির আর্থিক পরিস্থিতি ভাল ছিল না। এমবিবিএস-এ ভর্তির পর পাঁচ বছরের বেশি সময় নিজের সব কিছু নিজেই জোগাড় করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফের আগের চেহারায় মুকেশ-পুত্র, রহস্যটা কী ?

    নিজের পড়ুয়া জীবনের কথা বলতে গিয়ে সুধীর কুমার বলেছেন, পুরো এমবিবিএস-এর সময় দু-সেট জামা-কাপড় ছিল। সিনিয়রদের থেকে পুরনো সংস্করণের বই ধার করে পড়তেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে নতুন সংস্করণের বইয়ের সাহায্য নিতেন। রেস্টুরেন্ট কিংবা সিনেমা হল কোথাও যেতেন না। কোনও দিন ধূমপান কিংবা মদ খাননি। তাঁর জীবনের নানান গল্প ট্যুইট করে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন সুধীর। তাঁর কাহিনী সকলের নজর কেড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pasmanda Muslims: পসমন্দা মুসলিম থেকে খ্রিস্টান! সবকা সাথ সবকা বিকাশ; নীতিতেই বাজিমাত বিজেপির! কী বলছে রিপোর্ট

    Pasmanda Muslims: পসমন্দা মুসলিম থেকে খ্রিস্টান! সবকা সাথ সবকা বিকাশ; নীতিতেই বাজিমাত বিজেপির! কী বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিপোর্ট বলছে ২০২২ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims) সমাজের ৮ শতাংশ ভোট বিজেপি (BJP) পেয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদিজীর ‘সবকা সবকা বিকাশ’ এই স্লোগানেই বাজিমাত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। উত্তর-পূর্ব ভারতের দখল বর্তমানে বিজেপির হাতেই রয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে এখানে বিজেপি (BJP)। উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ খ্রিস্টান তাঁদেরও আস্থা মোদি সরকার অর্জন করতে পেরেছেন বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল। প্রসঙ্গত আজকেই কেরলের কংগ্রেসের নেতা এ.কে. অ্যান্টনির ছেলে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করেছেন। তিনিও একজন খ্রিশ্চান ধর্মাবলম্বী মানুষ। কেরলের খ্রিস্টানদের সমর্থন বিজেপির পক্ষেই আসতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিটিং হয়েছে ভ্যাটিকানের পোপের সঙ্গেও। এতে ভারতের খ্রীশ্চানরা খুশি বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল।

    কী বলছেন পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims) সমাজের বিশেষজ্ঞ

    পসমন্দা সম্প্রদায়ের বিশেষজ্ঞ ফায়াজ আহমেদ ফইজি বলছেন, ‘উত্তর প্রদেশে আশরফ মুসলিম সমাজের সংখ্যা ১০ শতাংশ, আর পসমন্দা মুসলিমরা ৯০ শতাংশ।’ এই অঙ্কের নিরিখে বিজেপির (BJP) লোকসভা ভোটের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ যখন বড় ফ্যাক্টর তখন, পসমন্দা ভোটব্যাঙ্ক নিঃসন্দেহে বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মোরাদাবাদ, আলিগড়, মেরঠ এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ক্ষেত্র বারাণসীতেও এই মুসলিমদের ভোটব্যাঙ্ক অনেকটাই।

    উত্তরপ্রদেশে জমি পোক্ত করার লড়াই

    উল্লেখ্য, সদ্য উত্তরপ্রদেশে রামপুর ও আজমগড়ে লোকসভা ভোটের উপনির্বাচনে সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে বিজেপি জিতলেও বিশাল সংখ্যক মুসলিম ভোট আসেনি। তবে বিরোধী সমাজবাদী পার্টিও সেই মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারেনি। সেই জায়গা থেকে বিজেপির সম্ভাবনা রয়েছে, সমাজবাদী পার্টির মুসলিম ভোটব্যঙ্কে থাবা বসানো, বলছেন বহু বিশেষজ্ঞ।

    কারা পসমন্দা মুসলিম (Pasmanda Muslims)

    জানা গেছে, যাঁরা অতীতে হিন্দু ছিলেন আর পরবর্তীকালে মুসলিম হয়েছেন তাঁরাই পসমন্দা মুসলিম। ফায়াজ আহমেদ ফৈজি বলছেন, অশরফ মুসলিমরা উচ্চ বর্গীয় বলে বিবেচিত হন, সেখানে পসমন্দারা সেই স্থান পাননা। আর এই জায়গা থেকে বিজেপি জনভিত্তি বাড়িয়ে নিতে এই পসমন্দা মুসলিমদেরই পাখির চোখ করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IMF Chief: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত ও চিনে, দাবি আইএমএফের

    IMF Chief: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত ও চিনে, দাবি আইএমএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত (India) ও চিনে (China)। একথা জানাল আইএমএফ (IMF)। বৃহস্পতিবার আইএমএফ প্রধান (IMF Chief) আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন এ বছর বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে। আগামী কয়েক বছরও শ্লথ হতে পারে আর্থিক বৃদ্ধির গতি। এহেন আশঙ্কার মধ্যেই আশার আলো দেখাবে ভারত ও চিন। কারণ এ বছর বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে এই দুই দেশে। করোনা অতিমারির ধাক্কায় বেসামাল হয়ে গিয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি। পরে তা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ফের অর্থনীতির আকাশে দেখা দিয়েছে অশনি সংকেত।

    আইএমএফ (IMF) প্রধান জানান…

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিভা (IMF Chief) বলেন, ২০২১ সালে অর্থনীতির পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ফের সংশয় তৈরি করে। এর জেরে ২০২২ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল। ৬.১ শতাংশ থেকে ৩.৪ শতাংশে নেমে গিয়েছিল। আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা আরও বাড়তে পারে, একটি বিপজ্জনক প্রবণতা যা কোভিড সংকট দ্বারা শুরু হয়েছিল তা আবার দেখা দিতে পারে।

    আরও পড়ুুন: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    গত বছরই বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই কোভিড ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এ বছরও চলবে। তাঁর মতে, আগামী পাঁচ বছর এই আর্থিক বৃদ্ধির গতি হ্রাস পাবে। তিনি বলেন, অর্থনীতিতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে এশিয়া মহাদেশের দেশগুলিতে। আশা করা হচ্ছে, এর মধ্যে ভারত ও চিন চলতি বছর বিশ্ব আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকটা করবে। কিন্তু অন্যান্য দেশের অবস্থা তুলনায় করুণ হবে।

    আইএমএফের (IMF Chief) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের পর থেকে বিশ্ব অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এটাই সর্বনিম্ন এবং গত দু দশকের গড় বৃদ্ধির ৩.৮ শতাংশের কম। আইএমএফ কর্তা বলেন, ঘুরে দাঁড়ানো শ্রম বাজার, ভোক্তা চাহিদা যথেষ্ঠ থাকা এবং চিনের উত্থান সত্ত্বেও আমরা আশা করছি এ বছর বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধি ৩ শতাংশের কম থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kiran Kumar Reddy: বিজেপিতে যোগ দিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিরণকুমার রেড্ডি

    Kiran Kumar Reddy: বিজেপিতে যোগ দিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিরণকুমার রেড্ডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিরণকুমার রেড্ডি (Kiran Kumar Reddy)। মার্চ মাসে কংগ্রেস (Congress) থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। এদিন যোগ দিলেন বিজেপিতে। বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন একে অ্যান্টনির ছেলে অনিল কে অ্যান্টনি। তার পরের দিনই যোগ দিলেন কিরণ। বিজেপিতে যোগ দিয়ে কিরণ বলেন, আমি কোনওদিন ভাবিনি যে আমাকে কংগ্রেস ছাড়তে হবে। তিনি বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পর পর ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই কংগ্রেস ছাড়তে বাধ্য হয়েছি আমি। কিরণ বলেন, কংগ্রেস হাইকমান্ড মনে করে মনে করে যে তাঁরা যা ভাবেন, সেটাই সঠিক। আর ভারতের জনগণ সহ অন্য সাবাই ভুল। 

    কিরণকুমার রেড্ডি (Kiran Kumar Reddy)…

    ২০১৪ সালে তেলঙ্গনা রাজ্য গঠনের আগে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কিরণকুমার রেড্ডি (Kiran Kumar Reddy)। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। ওই বছরই হবে অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনও। কিরণ কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হয়েছিলেন চারবার। কংগ্রেস ছাড়েন দুবার। অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে দুভাগ হওয়ার পর কংগ্রেস ছেড়ে সমৌক্যানন্ধ্র নামে একটি দল গঠন করেন। ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে সেই দল। ২০১৮ সালে ফের কংগ্রেসে ফেরেন কিরণ। ছাড়লেন এই সেদিন। এদিন যোগ দিলেন পদ্ম শিবিরে।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একের পর এক রাজ্যে হাইকমান্ডের ভুল সিন্ধান্তের কারণে ভরাডুবি হচ্ছে দলের। সব রাজ্যেই শক্তি হারাচ্ছে কংগ্রেস। মানুষের সঙ্গে তারা কথা বলে না। দলেন নিচুতলার নেতাদের মতামত গ্রহণ করে না। এটা কোনও নির্দিষ্ট একটি রাজ্যের কথা নয়, গোটা দেশেই একই ঘটনা ঘটে চলেছে। কিরণ (Kiran Kumar Reddy) রায়লসীমা অঞ্চলের বাসিন্দা। এলাকায় তাঁর যথেষ্ঠ প্রভাব রয়েছে। কিরণকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে ভোটে যেতে পারে বিজেপি। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে কিরণ বলেন, আমার পরিবারের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক ছয় দশকের। কিন্তু মানুষ কী চায় তা গ্রহণ করতে ওরা চায় না। কংগ্রেস নেতৃত্বের ধারণা, ওরাই ঠিক, ভারতবাসী সহ সকলেই ভুল। কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করতে চায়। কিন্তু বিনা পরিশ্রমে এবং বিনা দায়িত্বে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    Natural Gas: সস্তা হচ্ছে জ্বালানি, কমবে রান্নার গ্যাসের দাম! নতুন ফর্মুলা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণে নতুন ফর্মুলা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার ফলে এক ধাক্কায় সিএনজি (পরিবহণ জ্বালানি) এবং পিএনজি’র (পাইপবাহিত রান্নার গ্যাস) দাম অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে জোর

    কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর ভারত। এবার দেশকে দূষণহীন জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি হিসেবে গড়তে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার। দেশে দূষণ কমানোর উপর বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। নেওয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। পরিবহণ ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত তথা ইলেকট্রিক যানবাহনের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারের উপরও। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ফর্মুলায় আনা হল বড়সড় বদল।

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ

    প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের নতুন সীমকরণ ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এতদিন দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণ হত আমেরিকা, কানাডা, রাশিয়ার মতো গ্যাস উদ্বৃত্ত দেশের দাম অনুযায়ী। তাও বছরে দু’বার। সেক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি অর্থ ব্যয় হত গ্রাহকদের। এখন থেকে প্রত্যেক মাসে ঠিক হবে গ্যাসের দাম। পুরনো ক্ষেত্রগুলি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারিত হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। অর্থাৎ বিশ্ব বাজারে তেলের দামের ওঠা-নামার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যও।

    দাম কমবে জ্বালানির

    বিভিন্ন সূত্র থেকে ভারত যে তেল আমদানি করে, তার দামের দশ শতাংশ হতে পারবে প্র্যাকৃতিক গ্যাসের বিক্রয় মূল্য। সেক্ষেত্রে সর্বাধিক ৬.৫ ডলার ও সর্বনিম্ন ৪ ডলার করা যাবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার যে ফর্মুলা প্রয়োগ করছে, তাতে খুশি সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন যে পদ্ধতিতে প্রাতৃতিক গ্যাসের দাম ঠিক হয়, তাতে ৮.৫৭ ডলার হওয়ার কথা। কিন্তু নতুন শর্তে সেই দাম হবে ৬.৫ ডলার। যা অনেকটাই স্বস্তি দেবে দেশবাসীকে। বাড়বে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারও।

    আরও পড়ুন: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    কী রকম  হবে দাম

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভায় জানিয়েছেন, পুরানো খনি থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা এপিএম গ্যাস নামে পরিচিত, তা থেকে উৎপাদিত যাবতীয় জ্বালানির দাম ঠিক হবে আমদানিকৃত অশোধিত তেলের দামের নিরিখে। এই সিদ্ধান্তের পর, দিল্লিতে সিএনজির দাম প্রতি কেজি ৭৯.৫৬ টাকা থেকে ৭৩.৫৯ টাকা এবং পিএনজির দাম ৫৩.৫৯ টাকা প্রতি হাজার ঘনমিটার থেকে কমিয়ে ৪৭.৫৯ টাকা করা হবে। মুম্বাইয়ে, সিএনজি প্রতি কেজি ৮৭ টাকার পরিবর্তে ৭৯ টাকা এবং পিএনজি প্রতি ৫৪ টাকার পরিবর্তে ৪৯ টাকা প্রতি কেজি হবে।

    জ্বালানিমন্ত্রী হরদীপ পুরী ট্যুইটে দাবি করেছেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার্থেই সরকারের এই পদক্ষেপ করেছে। মন্ত্রী ট্যুইট বার্তায় লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংশোধিত গার্হস্থ্য গ্যাস মূল্য নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে। এর ফলে ভারতে গ্যাসের দামের উপরে আন্তর্জাতিক গ্যাসের দামের প্রভাব কমেছে। তাতে উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা হবে।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে নির্বাচিত ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিরাট জয় ভারতের (India)! রাষ্ট্রসংঘের (UN) সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হল ভারত। বুধবার একথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ট্যুইট-বার্তায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রসংঘের সর্বোচ্চ স্ট্যাটিসটিক্যাল বডিতে চার বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ওই মেয়াদ শুরু হবে। নিউইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন জয়শঙ্কর।

    এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান…

    বিদেশমন্ত্রী জানান, স্ট্যাটিসটিক্স এবং ডেমোগ্রাফির ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতার জেরে রাষ্ট্রসংঘের স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনে জায়গা হয়েছে ভারতের। সব মিলিয়ে ৫৩টি ভোটের মধ্যে ভারত পেয়েছে ৪৬টি। ভারতের ঢের পিছনে রয়েছে চিন, আরব আমিরাত। সূত্রের খবর, মাত্র দুটি আসনের জন্য লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন চারজন প্রার্থী। তবে শেষ হাসি হেসেছে ভারত (S Jaishankar)। ১৯৪৭ সালে গঠিত হয় ইউনাইটেড নেশনস স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশন। তামাম বিশ্বের স্ট্যাটিসটিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন এই কমিশনের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক স্ট্যাটিসটিক্যাল কাজকর্মের ক্ষেত্রে এরাই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিষ্ঠান। স্ট্যাটিসটিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডও তৈরি করে এই প্রতিষ্ঠান।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এগুলিকে কার্যকরও করে এই সংস্থা। রাষ্ট্রসংঘের এই স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনের সদস্য সংখ্যা ২৪। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে থেকে এই সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত করে ইউনাইটেড নেশনস ইকনোমিক ও সোশ্যাল কাউন্সিল। এই কমিশনে (S Jaishankar) পাঁচজন সদস্য আফ্রিকান দেশগুলি থেকে, চারজন এশিয়া পেসিফিক দেশগুলি থেকে, ইস্টার্ন ইউরোপের দেশগুলি থেকে চারজন, লাতিন আমেরিকার দেশগুলি থেকে চারজন এবং ক্যারিবিয়ান দেশগুলি থেকে চারজন, ওয়েস্টার্ন ইউরোপীয়ান এবং অন্য দেশগুলি থেকে সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলির মধ্যে রয়েছে জাপান, সামোয়া, কুয়েত এবং সাউথ কোরিয়া। এই দেশগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে চলতি বছরই।

    আরও পড়ুুন: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share