Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • CBSE: থাকবে না মুঘল আমল! সিবিএসই-র দ্বাদশের ইতিহাসে বদল, একই সিদ্ধান্ত যোগীরাজ্যেও

    CBSE: থাকবে না মুঘল আমল! সিবিএসই-র দ্বাদশের ইতিহাসে বদল, একই সিদ্ধান্ত যোগীরাজ্যেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ বোর্ড ও সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের(CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস থেকে বাদ যাচ্ছে মুঘল আমলের বিষয়গুলি। যোগী রাজ্যের শিক্ষা দফতর একথা জানিয়েছে। এনসিইআরটি এবার ইতিহাস বই থেকে Kings and chronicles: The Mughal courts(C 16th and 17th centuries) বাদ দিচ্ছে। ইতিহাস বই Themes of Indian History Part II থেকে মুঘলদের সম্পর্কিত অংশটি বাদ দেওয়া হল এবার। জানা গেছে, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে আর দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের বইয়ের এই অংশটি পড়তে হবে না। পাশাপাশি সেন্ট্রাল ইসলামিক ল্যান্ডস, কনফ্রন্টেশন অফ কালচারস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভলিউশন একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই থিমস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হিস্টরি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হল।

    বাদ যাচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ঠান্ডা লড়াই-এর প্রসঙ্গও

    অন্যদিকে US Hegemony in world politics, The cold War Era এগুলিও দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গেই বাদ যাচ্ছে  Rise of popular movements , Era of one party dominance ইত্যাদি বিষয়গুলিও।

    দশম শ্রেণির কিছু অধ্যায়ও বাদ যাচ্ছে

    এদিকে ডেমোক্র্যাটিক পলিটিকস ২ বই থেকে পপুলার স্ট্রাগলস অ্য়ান্ড মুভমেন্ট, ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড ডাইভার্সিটির মতো চ্যাপ্টারকেও বাদ দেওয়া হচ্ছে দশম শ্রেণির বই থেকে। কংগ্রেসের শাসন, সোস্যালিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া, বিজেপি এই বিষয়গুলির উল্লেখ থাকছে সেখানে।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস জমানায় প্রায় ৫ লক্ষ কোটির দুর্নীতি! বিজেপি প্রকাশ করল ভিডিও সিরিজ, ‘কংগ্রেস ফাইলস’

    অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আরও বিশদে জানা যাবে বিষয়গুলি

    এদিকে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসের এই বদল প্রসঙ্গে ইউপি বোর্ডের সেক্রেটারি জানিয়েছেন, বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  https://www.upmsp.edu.in তে সবটা জানা যাবে। নতুন যে বইগুলি প্রকাশ করা হয়েছে তা বাজারে শীঘ্রই পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমি (West) বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। নাম না করে এই ভাষায়ই ইউরোপ ও আমেরিকার (America) সমালোচনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মোদি (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে দু বছরের কারাদণ্ড হয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর। গুজরাটের সুরাট আদালত ওই সাজা দেয় রাহুলকে। সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। রাহুল যাতে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দেওয়া হয়েছে।

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) উবাচ…

    কারাদণ্ড হওয়ায় লোকসভার সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায় রাহুলের। এর পরেই ইউরোপের কয়েকটি দেশ এবং আমেরিকা এনিয়ে প্রশ্ন তোলে। সেই প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, সত্যি কথা বললে বলতে হয়, পশ্চিমি বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলালেও, নিজেদের দেশ সম্পর্কে অন্য কেউ মন্তব্য করুক, সেটা পশ্চিমি বিশ্ব ভালভাবে নেয় না।

    রবিবার কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য ও সাংসদ পিসি মোহনের উদ্যোগে আয়োজিত সাক্ষাৎ ও আলোচনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই পশ্চিমি বিশ্ব সম্পর্কে কটাক্ষ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে তর্কে আপনি অন্যদের মন্তব্য করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এতে আরও আরও মানুষ মন্তব্য করতে উৎসাহিত হবে। আমাদের বিশ্বকে খোলা আমন্ত্রণ জানানো বন্ধ করতে হবে যে ভারতে সমস্যা রয়েছে, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশ কেন চুপ করে রয়েছে? কিছু করছে না কেন? তিনি (S Jaishankar) বলেন, যদি কেউ একথা বলেন, তাহলে তাঁরাও স্বাভাবিকভাবেই মন্তব্য করবেন। তাই সমস্যার কিছুটা অংশ তারা, আর কিছুটা অংশ আমরাও। দু পক্ষকেই নিজেদের সংশোধন করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মহরমের শোভাযাত্রায় অস্ত্র থাকলে প্ররোচনা ছড়ায় না তো?’, হাওড়াকাণ্ডে মন্তব্য সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন মোদি সরকারের। গত রবিবার তা নিয়ে নাম না করে রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সংসদের চলতি অধিবেশনও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাহুল ইস্যুতে। রাহুলের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিংহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘বিহারে ক্ষমতায় এলে দাঙ্গাকারীদের উল্টো করে ঝোলাব’, বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘বিহারে ক্ষমতায় এলে দাঙ্গাকারীদের উল্টো করে ঝোলাব’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল বাংলা নয়, পড়শি রাজ্য বিহারেও (Bihar) হামলা হয়েছে রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায়। রবিবার দু দিনের বিহার সফরে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন নওয়াদার এক জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাসারাম ও বিহার শরিফে উন্মত্তের মতো ছোটাছুটি করছে দাঙ্গাকারীরা। ২০২৫ সালে বিহারের ক্ষমতায় এলে এদের উল্টো করে ঝোলাবে বিজেপি। শুক্রবার ছিল রামনবমী। এই উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হয় নালন্দার বিহার শরিফ ও সাসারাম এলাকায়। অভিযোগ, দুই জায়গায়ই হামলা হয় শোভাযাত্রায়। রবিবার এই সাসারামেই যাওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় ওই এলাকায় যাননি তিনি। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মহাগটবন্ধনকে উপড়ে ফেলবে বলেও জানান শাহ। তিনি বলেন, বিহারবাসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের ৪০টি আসনেই তাঁরা মোদির পদ্ম ফোটাবেন।

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন…

    এদিন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও একহাত নেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, যে সরকারে লালু প্রসাদ যাদবের জঙ্গলরাজ রয়েছে, সেই সরকার কখনও কি বিহারে শান্তি আনতে পারবে? তিনি বলেন, নীতীশ কুমার লালু প্রসাদ যাদবের কোলে বসে রয়েছেন। কারণ ক্ষমতার লোভ। শাহ বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিহার থেকে মহাগটবন্ধনের সরকারকে উপড়ে ফেলব আমরা। তিনি বলেন, লালু প্রসাদ যাদব ও নীতীশ কুমার সব সময় তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে আসছেন। তাই রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে সন্ত্রাসবাদ। শাহ বলেন, উল্টোদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করেছেন এবং কড়া হাতে সন্ত্রাসের মোকাবিলা করছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নীতীশ কুমার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। কারণ দেশবাসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদিই।

    আরও পড়ুুন: শিবপুর যাওয়ার পথে সুকান্তকে বাধা পুলিশের, কী বললেন সাংসদ?

    শাহ বলেন, বিজেপি আর কখনও নীতীশ কুমারের সঙ্গে হাত মেলাবে না। কারণ তিনি সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াচ্ছেন। তিনি (Amit Shah) বলেন, নীতীশ কুমারের জন্য বিজেপির দরজা চিরকালের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদে নো ভ্যাকেন্সি। তাই নীতীশ কুমারের আর প্রধানমন্ত্রী হওয়া হল না। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন নওয়াদার প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিংহও। প্রসঙ্গত, বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে নীতীশ কুমার কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দল সহ মোট ছটি দলকে নিয়ে জোটগঠন করেন। সেই সরকারেরই মুখ্যমন্ত্রী তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘নয়া হুমকির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে সশস্ত্র বাহিনীকে’, বললেন মোদি

    PM Modi: ‘নয়া হুমকির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে সশস্ত্র বাহিনীকে’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া হুমকির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত সশস্ত্র বাহিনীর (Armed Forces)। শনিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) অমীমাংসিত সীমানায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর ওই কথাগুলি বলেন তিনি। এদিন মধ্যপ্রদেশের ভোপালে কম্বাইন্ড কমান্ডারর্স কনফারেন্সে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমস্যার মোকাবিলায় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে সুসজ্জিত করেছে। স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার তিনদিনের কম্বাইন্ড কমান্ডারর্স কনফারেন্সে অপারেশনাল তৎপরতা রিভিউ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    শনিবার শেষ হয় ওই অনুষ্ঠান। সেখানেই কথাগুলি বলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) তিন দিনের কনফারেন্সে যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল সে সম্পর্কে অবগত করেন ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান। জাতি গঠনে সেনার ভূমিকা কী, মানবিক সাহায্য কীভাবে করতে হয়, বন্ধু দেশগুলির কাছ থেকে কীভাবে বিপর্যয়ের সময় ত্রাণ পাওয়া যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে তিন দিনের ওই কনফারেন্সে। জানা গিয়েছে চলতি বছর স্থলসেনা, বায়ুসেনা ও নৌসেনাকে নিয়ে কয়েকটি মাল্টি লেয়ার কনফারেন্সও হবে। সমসাময়িক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহও।

    প্রসঙ্গত, গত বছর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াঙে ভারতের সীমানায় ঢুকে পড়ে চিনা সেনা। তা নিয়ে দু পক্ষে সংঘর্ষ হয়। ভারত চিন সংঘর্ষে চিনের বেশ কয়েকজন জওয়ান নিহত হন। ভারতেরও কয়েকজন জওয়ান শহিদ হন। পরে অবশ্য চিনা সেনাদের মেরে তাড়িয়ে দেন ভারতের সেনা জওয়ানরা। পরে সংসদে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেছিলেন, আমাদের ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করা থেকে চিনা সেনাকে আটকে দিয়েছে ভারতীয় সেনা (PM Modi)। ওদের ছাউনি থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছে।

    আরও পড়ুুন: প্রভাবশালীর কাছে ২৬ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন অয়ন, আদালতে দাবি ইডির

    সংঘাতে দুই দেশেরই একাধিক জওয়ান জখম হয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, চিনা সেনা এক তরফা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার অবস্থা পাল্টে দিতে চেয়েছিল। ভারতীয় সেনা তা হতে দেয়নি। প্রসঙ্গত, ওই সময় দু তিনবার যুদ্ধ বিমান উড়িয়েছিল ভারত। কারণ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনা ছাউনির দিকে এগিয়ে আসছিল চিনা ড্রোন। ওই ড্রোন যাতে আকাশসীমা লঙ্ঘন না করে, তাই সুখোই-৩০ এমকেআই নামিয়েছিল ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona: লাফিয়ে বাড়ছে করোনা! নতুন করে আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার, মৃত ৯ 

    Corona: লাফিয়ে বাড়ছে করোনা! নতুন করে আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার, মৃত ৯ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (Corona) সংক্রমণ। শনিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২,৯৯৪ জন।  করোনার প্রথম ঢেউ থেকে এখনও অবধি মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৪৭ লক্ষ। এদিন ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। করোনা হানায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা এনিয়ে দেশে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৭৬ জন। দিল্লি, কর্নাটক, কেরল এবং পাঞ্জাবে ২ জন করে মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এবং গুজরাটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনার (Corona) প্রকোপে।

    আরও পড়ুন: আজ থেকে অনেকটাই দাম কমল রান্নার গ্যাসের! কলকাতায় কত হল জানেন?

    রাজধানী দিল্লির করোনা পরিস্থিতি

    অন্যদিকে রাজধানী দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৬, যা গত সাতমাসে সর্বাধিক বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে গত ৩ বছরে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৫২৯, গত বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে তা প্রকাশিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর আমরা নজর রাখছি। এখনই কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। মূলত কোভিডের পুরনো রূপ এক্সবিবি এবং সেটার উপরূপ ১.১৬-এর জন্য সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী।

    আরও পড়ুন: ‘ হিন্দুফোবিয়ার নিন্দা করে প্রস্তাব পাশ মার্কিন মুলুকে, কেন জানেন?

    কোভিডের সঙ্গে দেশে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জাও

    কোভিডের সঙ্গে দেশে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জাও। সর্দি, কাশি, জ্বর ঘরে ঘরে। শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই কাবু। সবথেকে বড় বিষয় হল, কোভিডের সঙ্গে এই ইনফ্লুয়েজ্ঞার উপসর্গের যেহেতু খুবই মিল, ফলে বাড়ছে বিড়ম্বনা। বিশেষজ্ঞদের মত, একটা বড় অংশের মানুষ ভুগছেন করোনার (Corona) উপসর্গে। কারও কারও রিপোর্ট পজিটিভও আসছে। তবে এতে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তাঁরা। বরং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভিড়ে গেলে মাস্ক ব্যবহার করতে।

    আরও পড়ুন: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা হিমন্তের, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর

    Himanta Biswa Sarma: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা হিমন্তের, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের সমান ডিএ (DA) দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের একাংশ। বেশ কিছুদিন অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীদের কয়েকজন। পরে অনশন তুলে নেওয়া হলেও, জারি রয়েছে আন্দোলন। এই আবহে সরকারি কর্মীদের ডিএর হার ৪ শতাংশ বাড়িয়ে কেন্দ্রের সমান করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ট্যুইট-বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, আমাদের সরকার তার কর্মচারীদের প্রতি যত্নশীল। আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাজ্যের বেতনভোগী ও পেনশনভোগীদের এখন থেকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারির হিসেবে তাঁরা এই নতুন হারে ডিএ পাবেন। বর্তমানে নতুন ডিএর হার ৪২ শতাংশ।

    হিমন্তের (Himanta Biswa Sarma) ট্যুইট-বার্তার উল্লেখ শুভেন্দুর…

    পড়শি রাজ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ায় নয়া অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। হিমন্তের (Himanta Biswa Sarma) ট্যুইট-বার্তার উল্লেখ করে অন্য একটি ট্যুইটে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, দুঃখজনক যে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার সরকারি কর্মীদের চোর এবং ডাকাত বলে সম্বোধন করে।

    অন্য দিকে, আমি অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে গেরুয়া অভিনন্দন জানাচ্ছি। যিনি সরকারি কর্মচারীদের ডিএ ৪ শতাংশ হারে বাড়িয়ে তা কেন্দ্রের দেওয়া ডিএর সমান করে দিয়েছেন। এগিয়ে বাংলা, না বঞ্চিত বাংলা?

    আরও পড়ুুন: ‘হাওড়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, শিলিগুড়িতে বললেন রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ৬ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। কেন্দ্র ডিএ দিচ্ছে ৪২ শতাংশ হারে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ডিএর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে সরকারি কর্মীরা। বকেয়া ডিএর দাবিতেই দু মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে আন্দোলন। 

    এদিকে, বকেয়া ডিএর (Himanta Biswa Sarma) দাবিতে যে ধর্না চলছে, রাজ্যের ওপর চাপ বাড়াতে এবার তা দিল্লি নিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের তরফে অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য বলেন, টানা তিন দিন ধরে যন্তরমন্তরে ধর্নায় বসছেন যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধিরা। আগামী ১০ এপ্রিল থেকে দিল্লিতে হবে ওই ধর্না। তিনি জানান, ধর্নায় যৌথমঞ্চের অন্তত ১২ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PAN-Aadhaar: এবার ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে বিনিয়োগেও বাধ্যতামূলক প্যান-আধার নম্বর, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    PAN-Aadhaar: এবার ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে বিনিয়োগেও বাধ্যতামূলক প্যান-আধার নম্বর, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে (Post Office Scheme) বিনিয়োগের জন্যও বাধ্যতামূলক করা হল প্যান ও আধার নম্বর (PAN-Aadhaar)। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের শেষ দিন শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানিয়েছে কেন্দ্র। এর ফলে এবার থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ড, প্রবীণ নাগরিকদের সঞ্চয় প্রকল্প কিংবা সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় টাকা রাখতে হলে গ্রাহককে জমা দিতে হবে প্যান ও আধার নম্বর। যাঁদের আধার কার্ড নেই, তাঁদের আধার কার্ডের নথিভুক্তিকরণ নম্বর দিতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খোলার দিন থেকে ছ মাসের মধ্যে সেই গ্রাহককে প্যান ও আধার সংযুক্তিকরণ করতেই হবে।

    ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প (Post Office Scheme)…

    প্যান ও আধার নম্বর (PAN-Aadhaar) দেওয়া না হলে সঞ্চয় প্রকল্পের অ্যাকাউন্টটি অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। প্যান এবং আধার (Aadhaar Card) নম্বর দেওয়া হলে ফের চালু হবে অ্যাকাউন্ট। জানা গিয়েছে, অ্যাকাউন্ট খোলার সময় প্যান দেওয়া না হলে, বিনিয়োগকারীদের তা করতে হবে দু মাসের মধ্যে। তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে সেই দু মাসের সীমা কার্যকর না। জেনে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না এই নিয়ম। যে কোনও সময় অ্যাকাউন্টের অর্থের পরিমাণ যদি ৫০ হাজার টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায় বা কোনও অর্থবর্ষে যতবার ওই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে, সেটা সার্বিকভাবে যদি ১ লাখ টাকা ছাপিয়ে যায়, অথবা কোনও মাসে যদি ওই অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি তোলা হয়, তাহলে সেই সময় বাধ্যতামূলকভাবে প্যান কার্ড জমা দিতে হবে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, সুকান্তকে ফোন করে খোঁজ নিলেন অমিত শাহ

    অ্যাকাউন্ট খোলার দু মাসের আগে বাধ্যতামূলকভাবে প্যান কার্ড জমা দিতে হবে বিনিয়োগকারীদের। প্রসঙ্গত, এত দিন পর্যন্ত নিয়ম ছিল স্বল্প সঞ্চয়ে লগ্নি করতে চাইলে গ্রাহক প্যান ও আধার কার্ড (PAN-Aadhaar) জমা নাও করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে তাঁকে বিদ্যুৎ বিল বা পুরসভার ট্যাক্সের নথি জমা করতে হত। এবার থেকে এসব আর লাগবে না। জমা দিতে হবে প্যান ও আধার এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। উল্লেখ্য, শুক্রবারই নির্দিষ্ট কিছু স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার বাড়ানোর কথা জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    Defence Ministry: দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নিরাপত্তাকে জোরদার করতে সদা সক্রিয় মোদি সরকার। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়াতে মার্চ মাসে দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রায় ৩২,০৮৬ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সব মিলিয়ে এক লক্ষ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে ১৭ মার্চ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত হয়েছিল।

    আত্মনির্ভর ভারত

    আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অধীনে মেক ইন ইন্ডিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র, সামুদ্রিক নৌযান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হবে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৬,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তি করা হয়েছে। অর্থের বেশিরভাগটাই ব্যয় করা হবে নৌবাহিনীর জন্য। তবে, ফ্লিট সাপোর্ট শিপের জন্য নৌসেনাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

    ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ

    নৌসেনার জন্য ১১টি পরবর্তী প্রজন্মের টহল জাহাজ এবং ৬টি পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ কেনার লক্ষ্যে ১৯,৬০০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয়েছে। এছাড়াও উপকূলীয় প্রতিরক্ষার জন্য নৌবাহিনীকে দেওয়া হবে ব্রহ্মোস সুপারসনিক মিসাইল। ১১টি টহল জাহাজ নির্মাণের চুক্তি দেওয়া হয়েছে দুটি দেশীয় সংস্থাকে। এর মধ্যে সাতটি গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড (GSL) জিএসএল দ্বারা এবং চারটি গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স কলকাতার (GRAC) দ্বারা তৈরি করা হবে। এই চুক্তিটি ৯,৭৮১ কোটি টাকায় করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাদের সরবরাহ শুরু হবে।

    আরও পড়ুুন: তিলজলা থানায় প্রহৃত এনসিপিসিআর কর্তা, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি

    আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল

    সেনাবাহিনী ৬০০০ কোটি টাকার আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের দুটি রেজিমেন্ট কেনার জন্য ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। এছাড়াও, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের সঙ্গে ১৭০০ কোটি টাকার ১৩টি লিনাক্স-ইউ-২ ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গাজিয়াবাদের ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের (বিইএল) সাথে যে চুক্তি করেছে , সেই অনুযায়ী ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আকাশে শত্রুর চালকে ধ্বংস করতে সাহায্য করবে। তথ্য অনুযায়ী, এর জন্য বিইএলকে দেওয়া হবে ১৯৮২ কোটি টাকা। স্থলে-জলে-আকাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চুক্তিও রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gas Cylinder Price: আজ থেকে অনেকটাই দাম কমল রান্নার গ্যাসের! কলকাতায় কত হল জানেন?

    Gas Cylinder Price: আজ থেকে অনেকটাই দাম কমল রান্নার গ্যাসের! কলকাতায় কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন আর্থিক বছরের শুরুতেই সুখবর! গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder Price) দাম কমছে। এক ধাক্কায় ৮৯.৫০ টাকা কমছে দাম। তবে এই দাম কমছে কেবল বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত রান্নার কাজে ব্যবহৃত LPG ও শিল্পে ব্যবহৃত RSP- দুই ধরনেরই গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder Price) দাম কমছে। গার্হস্থ্য গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমছে না। অর্থাৎ গার্হস্থ্য ১৪.২ কেজির এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত থাকছে বলে সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে।

    কলকাতায় কত ছিল বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম, হল কত?

    সূত্রের খবর, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার (LPG) এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের (RSP) কলকাতায় বর্তমান দাম ছিল ২,২১৫ টাকা। এই দুই ধরনের গ্যাস সিলিন্ডারেরই দাম ৮৯.৫০ টাকা কমছে। ফলে কলকাতায় বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ১৯ কেজির LPG ও RSP গ্যাস সিলিন্ডারের নতুন দাম কমে দাঁড়াল ২,১৩২ টাকা। আজ, ১ এপ্রিল থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে। তবে গৃহস্থের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার (LPG)-এর দাম কমছে না অপরিবর্তিত থাকছে। অর্থাৎ ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম থাকছে ১,১২৯ টাকা। দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুসারে ১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে দিল্লিতে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের মূল্য হয়েছে ২০২৮ টাকা। মুম্বইতে ১৯৮০ টাকা। চেন্নাইতে হয়েছে ২১৯২.৫০।

    খুশি হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিকরা এবং এলপিজি গাড়ি চালকরা

    বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম হ্রাস পাওয়ায় যেমন শিল্প-কারখানা ও হোটেল ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তিরা খানিকটা স্বস্তি পেলেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল, তেমন মধ্যবিত্তের জন্যও এটা কিছুটা স্বস্তিদায়ক বলা চলে। কেননা, মধ্যবিত্ত শ্রেণিরই অনেকে হোটেল ব্যবসা এবং এলপিজি চালিত গাড়ির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। জ্বালানি তেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৯০ টাকা হ্রাস পাওয়ায় অনেকটাই স্বস্তি পেলেন তাঁরা। এছাড়া বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম হ্রাস পাওয়ায় এলপিজি চালিত গাড়ির ভাড়া বৃদ্ধিরও এখনই সম্ভাবনা থাকছে না। যা নিত্যযাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক।

    বাড়ল উজ্জ্বলা যোজনার ভর্তুকি 

    কেন্দ্রীয় সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার অধীনে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে ভর্তুকি আরও একবছর বাড়ানো হবে। অর্থাৎ যে সব পরিবার উজ্জ্বলা প্রকল্পের অধীনে এলপিডি ব্যবহার করেন, তাঁরা ২০২৪-এর মার্চ পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    PM Modi: ‘ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই মোদির’, জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কোনও কলেজের ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন নেই। শুক্রবার এমনটাই জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করার জন্য সরব হওয়ায় আম আদমি পার্টি (AAP) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। দেশের একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দরকার, এই প্রচার শুরু করেছে আম আদমি পার্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এমন প্রচারের পাশাপাশি তাঁর ডিগ্রির প্রমাণ চেয়ে জাতীয় তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডিগ্রি…

    এদিন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি বীরেন বৈষ্ণবের সিঙ্গল বেঞ্চ এদিন খারিজ করে দেয় চিফ ইনফর্মেশন কমিশনের অর্ডার। তাদের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ডিগ্রি প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পাবলিক ইনফর্মেশন অফিসারকে। একই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল গুজরাট ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক ইনফর্মেশন অফিসারদেরও। গুজরাট হাইকোর্ট অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে এই মর্মে ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। কেজরিওয়ালই প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন। এরপরই চিফ ইনফর্মেশন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই গুজরাট হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিল গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুুন: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দেওয়া তথ্য অনুসারে ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। মাস্টার্স করেছেন ১৯৮৩ সালে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, একজন ডক্টরেট ও একজন শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন ব্যক্তির মধ্যে গণতন্ত্রে কোনও বিভাজন করা হয় না। এই ক্ষেত্রে কোনও জনগণের স্বার্থও জড়িত নয়। পরন্তু এতে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। জন প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার সঙ্গে তাঁর ডিগ্রির কোনও সম্পর্ক নেই। কারও শিশুসুলভ কৌতুহলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। আরটিআইয়ের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ ছাড়া কোনও কিছু জানতে চাওয়া অযৌক্তিক বলেও জানিয়েছিলেন তুষার মেহতা। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পক্ষে আইনজীবী পার্সি ক্যাভিনা বলেন, এই আবেদন মোটেই শিশুসুলভ কৌতুহল নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ডিগ্রি সার্টিফিকেট দেখতে চেয়েছি। মার্কশিট নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share